এলোপাথাড়ি পথে প্রচুর হেঁটেছে দু’পা ধূলোমাটির সাথে হলো অন্তরঙ্গ! তবুও বাদলের সাথে হলোনা সাক্ষাৎকার! নিখোঁজ হতেই তো চেয়েছিলাম- খরার প্রখর তাপে রাতের লাবণ্য গেছে হারিয়ে! শেষ থেকে সূচনায় আসতে কনক রাতে খোয়া যায় তারুণ্যের উদ্যম! তার সন্ধান করতে গিয়ে চলে এলো বার্ধক্য- ধুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ প্রীতি!
শোন কোকিলা- ও পারেতে সোনা বন্ধু আছে একেলা, আমার কথা বলবি তাকে চিন্তা যেন না করে, ভালো আছি, কিন্তু তার জন্য মনটা আমার আনচান করে! এই নে চিঠি, সাবধানেতে পৌঁছে দিস- বন্ধু যদি ঘুমিয়ে থাকে- জাগিয়ে তবেই হাতে দিস! চিঠি পড়ে সোনা বন্ধুর আসবে চোখে জল ঠোঁটে করে খানিকটা পারবি আনতে বল? যাবার বেলায় চুম্বন […]
খুবই দারিদ্রপীড়িত তাই তো অনটনের চাপে পিঞ্জরের হাড় দুমড়ে গিয়ে নিরন্তর কাঁপে। দিবসে তপনতাপে পিপাসা মেটে না, নিশাতে ক্ষুধিত আর্তনাদের ধ্বনি শ্রবণেন্দ্রিয়ে হয় বিলিন। পুরোন স্মৃতি জলে সেবন করে কাটে রাত, দু’চোখে নোনা জল শুক্ল বর্ণের, আস্তরণে উত্তরীয় যায় ঢেকে- একমুঠো সোহাগে অনটনের হবে অবসান, তা না হলে পিঞ্জরে অনন্ত অনটনের ত্রাণ।
আসবে তুমি- আমার জীবনের যুদ্ধক্ষেত্রে? পথটা কিন্তু রক্তরঞ্জিত ভীতিপ্রদ বেদনাবহ, দিন কাটে যন্ত্রণাগ্রস্ত। রাত? সে তো নিস্তব্ধ কৃষ্ণবর্ণের ভস্ম! পারবে তুমি আসতে? সর্বাঙ্গ চূর্ণবিচূর্ণ– পারবে এই হৃদয় স্পর্শ করতে? তোমার উপস্থিতি- এই গহন রাত তোমার উপস্থিতি কাম্য! অসবে তুমি রক্তরঞ্জিত যুদ্ধক্ষেত্রে?
দামোদর ব্যারেজে সকাল১০ টা,আমরা নেমেছি একটু চা জলপানের জন্য,জল,চা খেলাম,সঙ্গে উপাদেয় চপ ও মুড়ি,পাশে তপন সেনের পানের দোকান,পান খেলাম। তপনদার সঙ্গে কিছু গল্প হলো,তখন কুয়াশার চাদরের দফারফা করছে সূর্য,পান বেচে তপনদার মাসিক ৫০০০আয়ে ৪জনের চলে;খাদ্যসাথী প্রকল্প আছে। আমাদের গাড়ি বাঁকুড়ার দিকে, সংসদ সেমিনার যাব,এখানে ফিতা বিখ্যাত,কিনবো,কিন্তু বিনা পয়সায় কিনলাম তপনদার মন,তপনদাও তাই, চরাচরে তখন বিরাজমান […]
যে দেয়াল চেপে ধরে শ্বাস, আমি সেই দেয়াল ভাঙব আজই— রক্তের ভেতর জ্বলে ওঠা আগুন দমাতে পারে কারা, বলো, কই? যে হাত করে শৃঙ্খল শক্ত, আমি সেই হাতেই আগুন ধরাব— এক ফোঁটা অন্যায়ের ছায়াও যদি পড়ে, মাটি কাঁপিয়ে উত্তর দেব, দাঁড়াব। শব্দ চুরি ক’রে নেবে? শ্বাস আটকে রাখবে? না—আমার বুকের ভেতর বজ্র গর্জে ওঠে, যে […]