Categories
কবিতা

আচমকা : রাণু সরকার।

হৃদয়টা রইলো পড়ে বৃষ্টিতে সিক্ত,
রোদ্দুরের তপ্ত আদ্রতা,
কিছু দূরে ছোট্ট এক জলাশয়,
প্রতিদিন জল নিতে আসতো লাজুক
এক মেয়ে!

দেখে মনে হয় দুর্ভিক্ষ আক্রমন করেছে তারে।
শরীরে বাসা বেধে চরম ব্যাধিতে
চোখের বিস্ময় থেকে আঙুলের প্রতিটি ডগায়
তার দুঃখ-কষ্ট !

জ্যোৎস্নার উৎসবে অকস্মাৎ বেজে উঠলো মাদল!
কী তার কারণ ?
বৃষ্টির দিনে জঙ্গলে জেগে ওঠে কামনা!
সুঠামদেহী সুদর্শন পুরুষ সাত রঙে-
চালিত করছে রূপ!

আর তার খুব কাছেই ছিলো।
আচমকা মধুলোভীর নিশ্বাস গায়ে আসে,
হিংস্রের মত দুর্গন্ধ!
গভীর স্তব্ধতা চেয়েছিল হলো না,
কোথা থেকে ছুটে এলো বিকট আওয়াজ
তারা বিপরীত দিকে চলে গেল।
জীবনে আর দেখা হবে না!

Share This
Categories
কবিতা

দুর্লভ প্রেম : রাণু সরকার।

দেখো, ভীষণ দুর্লভ
অনেক কষ্টে করে পেয়েছো-
ভালো করে মাখামাখি করে খেও!

অত্যন্ত দরিদ্র তো তাই বলা-
একবার দেখে নিও অন্যের
উচ্ছিষ্টান্ন কিনা?
না গো দরিদ্র হলেও ভুক্তবিশিষ্ট নয়!

ভালো করে চেটেপুটে আহার গ্রহণ
কোরো-
তৃপ্তির পূর্ণতা পাবে!

যখন প্রেমে বিতৃষ্ণা লাগবে-
তখন হিতাহিতজ্ঞানশূন্য না হয়ে-
সমস্ত বিষাদ গুলো নিক্ষেপ কোরো
অগ্নিতে দেখবে সব নিষ্পন্ন হবে।

যখন মহানুভবতা মনোভাব হবে-
তখন সাষ্টাঙ্গে প্রণত করো মানসিক শান্তি
আসবে!

কামনা,বাসনা,আরো যাকিছু আছে
সব নদীতে নিরঞ্জন দিয়ে ভুলেও
দৃষ্টিবিনিময় করবে না-
কেনোনা ওদের আকর্ষণ শক্তি ভীষণ
প্রখর,
তোমায় এ পথে আবার টেনে আনবে-
তখন তুমি দুর্বল হয়ে যাবে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন পুরীর পঞ্চতীর্থ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো পুরীর পঞ্চতীর্থ ।

 

পঞ্চতীর্থ বলতে ভারতের পুরী শহরে অবস্থিত পাঁচটি জলাধারকে বোঝায়। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, পুরীতে তীর্থযাত্রা সম্পূর্ণ করতে হলে এই পাঁচটি জলাধারে স্নান করতে হয়।

 

এই পাঁচটি জলাধার হল:—

 

ইন্দ্রদ্যুম্ন কুণ্ড: প্রাচীন ভারতের মালবদেশের অবন্তী অঞ্চলের রাজার নামও পান্ড্য রাজার মতো একই সূর্যবংশের বংশধর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। ইনি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে  জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার মূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কিংবদন্তি হয়ে আছেন  এবং যাহা স্কন্দ পুরাণে পুরুষোত্তম-ক্ষেত্র – মাহাত্ম্য বিভাগে বিশেষভাবে বর্ণিত আছে। গুণ্ডিচা মন্দিরের কাছে অবস্থিত। মহাভারতে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের অশ্বমেধ যজ্ঞ ও জগন্নাথ সংস্কৃতির চার প্রধান দেবতার আবির্ভাব বর্ণিত হয়েছে। এই মহাকাব্যে আছে, কীভাবে সহস্রাধিক গরুর ক্ষুরের চাপে পবিত্র ইন্দ্রদ্যুম্ন জলাধার নির্মিত হয়েছিল। রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন এই জলাধার ব্রাহ্মণদের দান করেছিলেন। ভারতীয় মহাকাব্য মহাভারত এবং পুরাণে বর্ণিত পান্ড্য রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন সূর্যবংশের রাজা সুমতির পুত্র এবং ভরতের পৌত্র।  বিষ্ণু ভক্ত এই রাজা গজেন্দ্র স্তূতি অর্থাৎ বিষ্ণু সহস্রনামে  গজেন্দ্রমোক্ষে ভগবান বিষ্ণুর দ্বারা গজেন্দ্র জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মোক্ষ বা মুক্তি লাভ করেন।

 

রোহিণী কুণ্ড : রোহিণী কুণ্ড হল বিমলা মন্দিরের কাছে জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গনের ভিতরে অবস্থিত একটি পবিত্র কূপ।  রোহিণী কুণ্ডকে নারায়ণের আবাস বলে মনে করা হয়।  এখানে অবস্থিত অক্ষয় কল্পবত নামক পবিত্র বটবৃক্ষটিরও পূজা করা হয়।  পুরাণ অনুসারে, শিকারী জরা সাভার ঘটনাক্রমে কৃষ্ণকে হত্যা করে তাকে দাহ করেন।  কৃষ্ণ জারার স্বপ্নে আবির্ভূত হন এবং তাকে বলেছিলেন যে তার দেহাবশেষ একটি লগে রূপান্তরিত হবে যা সমুদ্র থেকে রোহিণী কুণ্ডে ভেসে যাবে।  ইন্দ্রদ্যুম্ন জরার সাহায্যে সেই পবিত্র লগিটি ​​খুঁজে পান যেখান থেকে জগন্নাথের মূর্তি খোদাই করা হয়েছিল।

 

মার্কণ্ডেয় কুণ্ড : হল পুরীর তীর্থ পরিক্রমার প্রথম স্থান। জলাধারটির আয়তন ৪ একর। এর পাশে মার্কণ্ডেয়েশ্বরের মন্দির আছে।

 

শ্বেতগঙ্গা কুণ্ড : নীলাচলের দক্ষিণে অবস্থিত। এই কুণ্ডের পাশে বিষ্ণুর মৎস্য অবতার ও রাজা শ্বেতের মন্দির আছে।

 

স্বর্গোদ্বার অঞ্চলের সমুদ্রকে “মহোদধি” বলা হয়। এটি একটি স্নানক্ষেত্র। মহোদধি নামেও সমুদ্রকে স্বর্গদ্বারা এলাকায় একটি পবিত্র স্নানের স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  সমুদ্র আরতি হল একটি দৈনিক ঐতিহ্য যা বর্তমান শঙ্করাচার্য ৯বছর আগে শুরু করেছিলেন।  প্রতিদিনের অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে মঠের শিষ্যদের দ্বারা পুরীর স্বর্গদ্বারে সমুদ্রে প্রার্থনা এবং অগ্নি নিবেদন প্রতি বছরের পৌষ পূর্ণিমায়।

 

অন্য সংস্করণ অনুসারে পুরীর ৫টি তীর্থ হল ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যা পুরীতে আসা সমস্ত তীর্থযাত্রীদের অবশ্যই যেতে হবে:

 

(ক) বলরাম

(খ) অক্ষয় ভাতা

(গ) মার্কন্ডেয় ট্যাঙ্ক

(ঘ) ইন্দ্রদ্যুম্ন ট্যাঙ্ক

(ঙ) সমুদ্র

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২২ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) পাই দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৩ – সুমিত্রা দেবী (অভিনেত্রী), (ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী যিনি তার অভিনয় দিয়ে বাংলা আর হিন্দি উভয় চলচ্চিত্রকেই সমৃদ্ধ করেছেন)।

১৯২৩ – মুকেশ, (ভারতীয় চলচ্চিত্রের সুবিখ্যাত নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী)।

১৯২৬ – মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, (মননশীল প্রবন্ধকার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী)।

১৯৯৫ – ‘দুঃখের রানী’ হিসেবে পরিচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় গায়িকা মারিলিয়া মেন্ডনকা।

১৮১৪ – প্যারীচাঁদ মিত্র, (বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক, ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর)।

১৮৪৭ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, (বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক)।

১৮৮৭ – গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ)।

১৮৮৮ – সেলম্যান ওয়াক্সম্যান, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইউক্রেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী ও মাইক্রো জীববিজ্ঞানী)।

১৮৯৫ – পলিন ফাইফার, (মার্কিন সাংবাদিক ও লেখিকা)।

১৭৮৪ – ফ্রিডরিশ ভিলহেল্ম বেসেল, (জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যূত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং তার রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর ২১ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

২০০২ – রাতে ফিলিস্তিনের নিরপরাধ নারী ও শিশুরা যখন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিল, তখন ইসরাইলী এফ-১৬ জঙ্গীবিমান রাতের অন্ধকারে গাজা উপত্যকার কয়েকটি এলাকায় বোমাবর্ষণ করে।

২০০৩ – ইরাকের সাবেক শাসক সাদ্দাম হোসেনের দুই পুত্র উদয় ও কুসাই উত্তর ইরাকের মসুলের কাছে মার্কিন হামলায় নিহত হয়।

২০১১ – নরওয়েতে ভয়ানক হামলা চালায় ৩২ বছর বয়স্ক অ্যানডার্স ব্রেভিক নামের এক নরওয়েজিয়ান।

১৯৭২ – (ক) রাশিয়ার মনুষ্যবিহীন নভোযান ভেনেরা-৮ শুক্রে অবতরণ করে।

(খ) – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গুয়াতেমালা।

১৯৭৭ – চীনের নেতা দেং জিয়াও পিং পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৮৩ – পোল্যান্ডে সামরিক আইন প্রত্যাহৃত হয়।

১৯০৫ – জাপানের সাথে শান্তি বৈঠকে রাশিয়া সম্মত হয়।

১৯১২ – ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক রবীন্দ্রনাথের সংবর্ধনা।

১৯১২ – চীনের কার্যকরী শাসক হন ভাইসরয় ইউয়ান শি-কাই।

১৯১৫ – ইতালির ইযোনিযো পাহাড়ি এলাকায় ইতালি ও অস্ট্রিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯১৭ – আলেকজান্দার কেরেনস্কি রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯২৬ – শহীদ অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর জন্ম।

১৯৩৩ – উইলি পোস্ট প্রথম একা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। উড়ে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে তার সময় লেগেছিল সাত দিন ১৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।

১৯৪৪ – পোল্যান্ডে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয়।

১৯৪৬ – ব্রিটেনে পাউরুটির রেশন চালু হয়।

১৯৪৭ – ভারতের গণ পরিষদে তেরঙা ভারতের জাতীয় পতাকা বা রাষ্ট্রীয় ধ্বজা হিসাবে গৃহীত হয়।

১৯৪৮ – নেদারল্যান্ডসের রানি উইলহেলমি পদচ্যুত হন।

১৯৬১ – ফরাসী সেনারা তিউনিসিয়ার পূর্ব উপকূলীয় শহর বিযোর্তে হামলা চালায়, ফলে তিউনিসিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে তাদের তুমূল সংঘর্ষ বাঁধে।

১৪৫৬ – উসমানীয় তুর্কিরা বেলগ্রেড অধিকার করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৭৬ – (ক) শিল্পকলাবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক রবার্ট এরিক হুইলারের মৃত্যু।

(খ) – বাঙালি লেখক, ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক মণীন্দ্রলাল বসু।

১৯৮৬ – মহুয়া রায়চৌধুরী, (প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী)।

১৯৯৪ – নাট্যসম্রাজ্ঞী সরযূবালা দেবী (বাঙালি অভিনেত্রী)।

১৯৯৫ – হ্যারল্ড লারউড, বিখ্যাত ও পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯১৮ – প্রথম ভারতীয় বিমান চালক ইন্দ্রলাল রায় যুদ্ধরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৮ – হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার (বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী )।

১৯৭০ – ‘মাসিক বসুমতী’ পত্রিকার অন্যতম সম্পাদক প্রাণতোষ ঘটকের মৃত্যু।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আর্থিক বিকাশে মাছ চাষের গুরুত্ব অপরিসীম :  দিলীপ রায়।

আমাদের দেশে মাছ চাষের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে । খাল, বিল, নদী-নালা, জলাশয়, পুকুর, মাছ চাষের উপযুক্ত  মাধ্যম । ইদানীং বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ পরিলক্ষিত হয় । তবে মূলত  আমাদের দেশে যে সকল মাছের চাষ করা হয় তার বেশীরভাগই রুই-কাতলা  জাতীয় মাছ । এসকল মাছের মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউস, ইত্যাদি । তা ছাড়া হ্যাচরির মাধ্যমে চিংড়ি মাছ চাষ আজ জনপ্রিয় । যেমন গলদা চিংড়ি, বাগদা চিংড়ি, ইত্যাদি । তবে কুচো চিংড়ির চাষ না হলেও নদী-নালা-খাল-বিল  থেকে বেশি ধরা হয় । মাছের ভেরি  বা  হ্যাচারি মূলত বেশি  দেখা যায় সুন্দরবন এলাকায়  ।  এসব মাছ ব্যাতীত বেশ কিছু মাছের চাষও আমাদের দেশে হয়ে থাকে যেমন, মাগুর, শিং, পাঙ্গাস ইত্যাদি  । মাগুর, শিং সাধারনত উন্নত প্রথায় চাষ হওয়ার কারণে এক-একটি মাছের ওজনও নজরকাড়া ।  পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা খাল-বিলে (চাষ ছাড়া)  জল শুকিয়ে গেলে সেখানেও  দেশি মাগুর, শিং মাছের সন্ধান পাওয়া যায় ।
মাছ চাষ বা মৎস্য চাষ হলো সাধারণত খাবারের জন্য পুকুরে বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে  মাছ চাষ করা । এটি জলজ চাষের প্রধান রূপ এবং এই চাষ সামুদ্রিক প্রাণীর সাথেও হতে পারে । একটি সুবিধা যা বিনোদনমূলক মাছ  ধরার জন্য বা একটি প্রজাতির প্রাকৃতিক সংখ্যার পরিপূর্ণ  করার জন্য ছোট মাছেদের ছাড়ার  ব্যবস্থাকে সাধারণত মাছের হ্যাচারি হিসাবে উল্লেখ করা হয় ।
লাভজনক মাছ চাষ বাস্তবায়ন করতে গেলে  ধাপে ধাপে ধাপে কতকগুলি পদক্ষেপ নিতে  হয় । যেমন  মাছ চাষ শুরু করার উপযুক্ত পদক্ষেপগুলি হলো   পুকুর / জলাশয়  নির্বাচন, ফিশ ফার্মের ধরণ (খাঁচা, ট্যাঙ্ক বা পুকুর), খাঁচা বা পুকুর নির্মাণ,  মাছের প্রজাতি নির্বাচন,  খাবার খাওয়ানো, যত্ন ও পরিচর্যা, মাছ ধরা ও বিপণন (মার্কেটিং), ইত্যাদি  ।
মৎস্য চাষ ক্ষেত্রটির পরিধি ব্যাপক । পুকুর, জলাভূমি ছাড়াও, লোনা জলে মাছ চাষ দেখা যায় । এছাড়া রয়েছে  শীতল জল এবং বাহারি ও শৌখিন মাছ চাষ ।
মাছ ও মাছ থেকে পাওয়া প্রোটিনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে ।  চীনে বিশ্বের মোট মাছ চাষের ৬২% হয়ে থাকে ।  ২০১৬ সাল নাগাদ পৃথিবীর মোট উৎপাদিত সীফুডের মধ্য জলজ পালনে ৫০% এর অধিক সীফুড উৎপাদিত হয়  ।
ভারতে মৎস্য চাষ একটি উদীয়মান ক্ষেত্র (সেক্টর) । ভারতে মৎস্যচাষে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে । এখনও পর্যন্ত মৎস্যচাষে বিশ্বে ভারতের স্থান তৃতীয় এবং বিশ্বে মৎস্য উপাদনের ৭.৯৩ শতাংশ আসে ভারত থেকে । সেইসঙ্গে বিশ্বে মৎস্যচাষের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদনে ভারতের স্থান দ্বিতীয় । ভারতের অর্থনীতিতে মৎস্যচাষ ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে । জাতীয় GDP-তে মৎস্যচাষের  ক্ষেত্রের অবদান প্রায় ১ শতাংশ । যে দ্রুতগতিতে এই ক্ষেত্রের বিকাশ ঘটছে তাতে শুধু জাতীয় আয়ই নয়, বরং রপ্তানি, খাদ্য ও পুষ্ঠি নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতেও  এই ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চলেছে । এই মৎস্যচাষ  ক্ষেত্র ২.৮ কোটিরও বেশি মৎস্য শিকারি ও মৎস্যচাষীর কর্মসংস্থান করছে ।
মৎস্যচাষের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে মৎস্যচাষ, পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রক মোট ২০,০৫০ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে চালু করেছে “প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা” । এছাড়াও, মৎস্যচাষের সঙ্গে  সঙ্গে এই মৎস্যচাষ ক্ষেত্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৪ সালে নীল বিপ্লবের সূচনা করেছে ভারত সরকার । তা ছাড়া সমবায় ভিত্তিক মৎস্যচাষের জোরদার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে ।  ভারতে মৎস্যচাষ সমব্যয় আন্দোলনের ক্ষেত্রে শীর্ষ ও জাতীয় স্তরের সমব্যয় সংস্থাটি হলো “ন্যাশনাল ফেডারেশন ফিশার্স কো-অপারেটিভস লিমিটেড (FISHCOPFED) । ১৯৮২ সাল  থেকে FISHCOPFED  কাজ শুরু করে । দেশের মৎস্যচাষ সমবায়গুলির ক্ষমতায়নই   FISHCOPFED-এর মূল লক্ষ্য । এছাড়াও অনেক রাজ্যে প্রাথমিক মৎস্যচাষ সমবায় সমিতিগুলির কাজের সুবিধার্থে মৎস্য বিপণনের ক্ষেত্রে খুচরো ও পাইকারি বিক্রেতা হিসাবেও দায়িত্ব পালন করে থাকে এই সংস্থা ।  এই প্রক্রিয়ায় মৎস্যচাষীরা তাদের পণ্যের সঠিক মূল্য পেতে পারেন ।
মৎস্যচাষ সেক্টরের পরিধি অনেক ব্যাপক । এর মধ্যে অনেকগুলি বিভাগ রয়েছে – যেমন সামুদ্রিক, অন্তর্দেশীয়, লোনা জলের মৎস্যচাষ । এছাড়া রয়েছে শীতল জল এবং বাহারি ও শৌখিন মৎস্যচাষ ।
এখানে উল্লেখ থাকে যে, দেশের রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে চব্বিশটিতে রাজ্যস্তরীয় মৎস্যচাষ ফেডারেশন রয়েছে ।  মৎস্যচাষ ক্ষেত্রে কিছু কিছু রাজ্য ফেডারেশন অত্যন্ত ভাল কাজ করছে  । যেমন – কেরলের “মৎস্যফেড”, গুজরাতের “গুজরাত ফিশারিজ সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশন, পশ্চিমবঙ্গের “বেনফিশ” । এছাড়া রয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজ্য ফেডারেশন, মধ্য প্রদেশ রাজ্য ফেডারেশন, অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য ফেডারেশন, ইত্যাদি ।
পরিশেষে যেটুকু জানা গেছে, প্রাথমিক মৎস্যচাষ সমবায়গুলির মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ উপকৃত । বলা চলে এই সমবায়গুলি সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জীবিকা, পুষ্টি  তথা সামাজিক নিরাপত্তা দিতে পারে । এখানে আর একটি কথা প্রনিধানযোগ্য, মানুষের হাতের নাগালে  পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে  দেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে গেলে এই সমবায়গুলিকে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হবে । প্রাথমিক মৎস্যচাষ সমবায়গুলিকে কম্পিউটার চালিত করা গেলে তৃণমূল স্তরেও এই মৎস্যচাষ সমবায় ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ  বিকাশ ঘটবে ।
সুতরাং আগামীদিনে আর্থিক বিকাশে মৎস্যচাষ দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠবে, এটা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যদ্‌বাণী করা যায় ।

 

(চিত্র ঋণ : গুগুল)

(তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ও যোজনা-৭/২৩)
———–০————

Share This
Categories
অনুগল্প নারী কথা প্রবন্ধ

ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব এবং মা সারদাদেবী সম্পর্কে কিছু কথা : রাণু সরকার।

ভারতের ৪২ সাধক এবং কিছু সাধিকা জীবদ্দশায় জীবন্মুক্ত। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব এবং তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ মা সারদাদেবী উক্ত জীবন্মুক্ত মানুষদের মধ্যে অন্যতম। তাঁরা দুজন যথাক্রমে ভগবান্ ও ভগবতী, কারণ পরিপূর্ণ ঐশ্বর্য, পরিপূর্ণ ধর্ম, পরিপূর্ণ যশঃ, পরিপূর্ণ শ্রী, পরিপূর্ণ বৈরাগ্য এবং পরিপূর্ণ জ্ঞান — এই ৬ টি ‘ভগ’ নামে কথিত হয়, আর এই ৬টি ‘ভগ’ পরিপূর্ণরূপে তাঁদের দুজনের মধ্যে বিদ্যমান। তাঁরা দুজন ভিন্ন ভিন্ন শরীরে দৃশ্যমান হলেও এক এবং অদ্বিতীয় ঈশ্বর বটে কারণ তাঁরা স্বরূপতঃ রজোগুণ ও তমোগুণ দ্বারা অনভিভূত বিশুদ্ধসত্ত্বগুণপ্রধান সমষ্টি অজ্ঞান উপহিত চৈতন্য, বিশুদ্ধসত্ত্বগুণসম্পন্ন মায়াতে পতিত চৈতন্যের প্রতিবিম্ব ; অব্যক্ত, অন্তর্যামী, জগৎকারণ, সর্বজ্ঞ। তাঁরা দুজন সদ্গুরু অর্থাৎ শ্রোত্রীয় এবং ব্রহ্মনিষ্ঠ কারণ অস্তি নাস্তি এবং এতদুভয়ের পারে যে ব্রহ্ম অবস্থিত, তাঁকে তাঁরা দুজন উত্তমরূপে জানেন। তাঁদের সকল অবস্থিতি অর্থাৎ স্থানই পরম পবিত্র। অষ্টসিদ্ধ ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব হলেন ব্রহ্মবিদ্বরিষ্ঠ, তিনি প্রত্যগাত্ম-জ্ঞানসহায়ে তিনগুণের পরিণামরূপ ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সর্ববিষয়ে তৃষ্ণারাহিত্যরূপ পরবৈরাগ্যবান্ পরমহংস সন্ন্যাসী। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব মহামায়ার সন্তান। মহামায়া, যিনি মহাপ্রণব ॐকারের কলাবিভাগ বা ষট্চক্রাদি ভূমিজয়ক্রমের ১১শ কলা অর্থাৎ যথাক্রমে ব্রহ্মমূখী ও সৃষ্টিমূখী অর্থাৎ যথাক্রমে বিন্দু ও বিসর্গ অর্থাৎ যথাক্রমে উন্মনা ও সমনা যিনি দক্ষিণেশ্বরের মা দক্ষিণাকালিরূপে এবং তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ মা সারদাদেবীরূপে বিরাজমান। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ভাব হল মাতৃভাব, এই মাতৃভাব সাধনের শেষ কথা হল, “তুমি মা, আমি তোমার সন্তান।” ব্যবহারিক শব্দে আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বলা যায় যে ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব হলেন ব্রহ্ম এবং তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ মা সারদাদেবী হলেন শক্তি, আবার এমনও বলা যায় যে ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব এবং তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ মা সারদাদেবী দুজনই অনন্ত শক্তি যা অদ্বৈত অস্তিত্ব অর্থাৎ স্বরূপতঃ ব্রহ্ম। শাস্ত্র বলেন, “ব্রহ্ম ও শক্তি অভিন্ন।”_

Share This
Categories
কবিতা

জানা নেই গন্তব্যস্থল :: রাণু সরকার।।।।

শরতের আকাশ দেখতে ভীষণ ভালো লাগে,
প্রতি শরতেই আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি
দল বেঁধে কারা যেন চলছে খড়ের আঁটি মাথায় নিয়ে।
অস্পষ্ট দৃষ্টিতে দেখি, অতোদূরে।
কষ্ট করে দৃষ্টিনিক্ষেপ করি,

ওদের গন্তব্যস্থল জানা নেই, চলছে তো চলছেই
দলের মধ্যে বৃদ্ধ বেশি,
কিশোর কম।
আবার কখন দেখি,
তুলোর পুঞ্জ মথায় নিয়ে ধীরগতিতে চলছে বৃদ্ধদের দল-
কিশোররা চলছে ক্ষিপ্রবেগে।

বৃদ্ধদের মুখ গম্ভীর দেখে মনে হচ্ছে অব্যক্ত
কত ভাষা অন্তরালে,
আমি ডেকেছিলাম-
একটু থমকে দাঁড়াল
কীজানি কী মনে হলো, আবার মন্থর গতিতে
চলতে লাগলো।

ওরা যাচ্ছে কোথায়?
আমায় ভাবনারা কুঁড়ে কুঁড়ে খায়!

Share This
Categories
কবিতা

তোমার কাছে চাওয়া :: রাণু সরকার।।।

পিপাসিত হয়ে যখন আসবো-
বাদল হয়ে তুমি এসো–
আমায় ভিঁজিয়ে দিও,হবো পরিতৃপ্ত!

মন যখন প্রদীপ্ত
দূরদৃষ্ট–অন্তরঙ্গ করে প্রতিচ্ছায়া দিও
দু’হাত বিস্তার করে—
উফ্! কী তুষারপাত শান্তি!

মন যখন বিষাদযুক্ত হবে–
গভীর সোহাগে কঠিন করে
রেখো বেঁধে,
বিষাদ ভাবনাগুলো যেন যায় চলে–
সবটা জুড়ে থাকবে তুমি- শুধুই তুমি!

Share This
Categories
কবিতা

একটি রাত : রাণু সরকার।।।

আমি ঋণগ্রস্ত,
কে দেবে দেনার দায় থেকে রেহাই?
বিলম্ব হবে না পরিশোধ করতে!
পাওনাদার প্রতিদিন দৈহিক নির্যাতন করছে-

একটি রাতের জন্য চাই,
দেবে কী?
ঋণের পরিমাণের উপর যে মূল্য-
তার বেশি আমি দেবো!

নেবো শুধু তোমার হাতে-
ঋণের দায় থেকে তবেই পাবো
নিষ্কৃতি!
শুধু একটি রাতের জন্য!

আমার একটু চাওয়া আছে-
যেভাবে অসত্য বলো-
সব শিখবো এক রাতে,
উড়ে বেড়াতে পটু-
প্রচরণশীল বিহগের মতো-
কখন অমতে ঐকাত্ম্য হতে চাওয়া!

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২১ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১১ – মার্শাল ম্যাকলুহান, (কানাডিয়ান লেখক ও তাত্ত্বিক)।

১৯১১ – উমাশঙ্কর যোশী, (ভারতীয় বিখ্যাত বিদ্বজ্জন, কবি এবং ঔপন্যাসিক)।

১৯১৬ – পল রয়টার, (জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ সাংবাদিক ও রয়টার্সের প্রতিষ্ঠিাতা)।

১৯২৩ – রুডলফ মার্কাস, (কানাডীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ)।

১৯৩০ – আনন্দ বক্সী, (ভারতীয় কবি ও গীতিকার)।

১৯৩৪ – চান্দু বোর্দে, (প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার)।

১৯৪৪ – জন আটা মিলস, (ঘানার আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, ঘানার ৩য় প্রেসিডেন্ট)।

১৯৪৫ – (ক) জিওফ ডাইমক, (সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

(খ) – ব্যারি রিচার্ডস, (সাবেক ও বিখ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯৪৭ – চেতন চৌহান, (সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৪৮ – বেপে গ্রিলো, (ইতালীয় কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও একটিভিস্ট)।

১৯৫১ – রবিন উইলিয়ামস, (আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক এবং প্রযোজক)।

১৯৫৭ – স্টিফান লোফভেন, (সুইডিশ ইউনিয়ন নেতা ও রাজনীতিবিদ ও ৩৩ তম প্রধানমন্ত্রী)।

১৯৬০ – অমর সিং চমকিলা, (ভারতীয় গায়ক এবং গীতিকার)।

১৯৬৮ – আদিত্য শ্রীবাস্তব , (ভারতীয় অভিনেতা যিনি ভারতীয় টিভি সিরিজ সিআইডিতে সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ চরিত্রে অভিনয় করার জন্য বিখ্যাত) ।

১৯৭১ – শার্লত গ্যাঁসবুর, (ব্রিটিশ-ফরাসি অভিনেত্রী ও গায়িকা)।

১৯৭৫ – রবীন্দ্র পুষ্পকুমারা, (শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার)।

১৯৮৯ – জুনো টেম্পল, (ইংরেজ অভিনেত্রী)।

১৯৯০ – জেসন রয়, (ইংলিশ ক্রিকেটার)।

১৯৯৭ – কে.এম. ইয়ামিনুল হাসান আলিফ, (বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ)।

১৮১৬ – পল রয়টার, (জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ উদ্যোগপতি ও রয়টার সংবাদসংস্থার প্রতিষ্ঠাতা)।

১৮৬৩ – সি. অব্রে স্মিথ, (বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৮৯৩ – হান্স ফালাডা, (জার্মান লেখক)।

১৮৯৯ – হার্ট ক্রেন, (আমেরিকান কবি)।

১৮৯৯ – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, (মার্কিন উপন্যাসিক, ছোটগল্প রচয়িতা এবং সাংবাদিক)।

১৭১০ – পল মোরিং, (জার্মান শল্যচিকিৎসক)।

১৭৬২ – টিমোথি হাইনম্যান, (রাস্তা নির্মাণের পথপ্রদর্শক)।

১৬২০ – জিন পিকার্ড, (ফরাসি জোর্তির্বিদ)।

১৬৬৪ – ম্যাথু প্রাইয়োর, (ইংরেজ কবি ও কূটনীতিক)।

১৬৯৩ – টমাস পেলহ্যাম-হোলস, (নিউকাসল-আপন-টাইনের ১ম ডিউক, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৫৪ – জেনেভা সম্মেলন শেষে ভিয়েতনাম এবং ফ্রান্সের মধ্যে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রথম বাণিজ্যতরী সাগরে ভাসানো হয়।

১৯৬৮ – আসামের করিমগঞ্জে দিব্যেন্দু ও জগন্ময় বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় শহীদ হন।

১৯৬৯ – চাঁদে মানুষের প্রথম পৌঁছানো।

১৯৭৬ – মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল আবু তাহেরের ফাঁসি কার্যকর।

১৮৩১ – নেদারল্যান্ডের অন্তর্গত বেলজিয়াম স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮৬৬ – লন্ডনে কলেরায় শতাধিক লোকের মৃত্যু হয়।

১৮৮৩ – ভারতের প্রথম রঙ্গমঞ্চ স্টার থিয়েটারের উদ্বোধন।

১৮৮৪ – লর্ডসে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়।

১৮৮৮ – ব্রিটিশ নাগরিক জন বয়েড ডানলপ বায়ুচালিত টায়ার আবিষ্কার করেন।

১৭১৩ – রাশিয়ার জার পিটার দ্য গ্রেটের ভবিষ্যত পরিকল্পনা অনুযায়ী পারস্য উপসাগরের পানি সীমা পর্যন্ত নিজেদের সাম্রাজ্য। ক্রমবিস্তারের লক্ষ্যে জর্জিয়াকে ইরান থেকে পৃথক করার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিল।

১৭৯৮ – নেপোলিয়ন বোনাপার্ট মিসরের যুদ্ধে জয়লাভ করেন।

১৬৫৮ – মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – এডওয়ার্ড বি লুইস, (মার্কিন জিনবিজ্ঞানী)।

২০১২ – ডন উইলসন, (ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

২০১৫ – ই. এল. ডোক্টোরও, (আমেরিকান ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও নাট্যকার)।

২০১৭ – জন হার্ড, (আমেরিকান চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা)।

১৯০৬ – উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (ভারতীয় ব্যারিস্টার এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি)।

১৯৩৫ –  দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর (বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ)।

১৯৪৩ – চার্লস উইলিয়াম প্যাডক, (আমেরিকান দৌড়বিদ)।

১৯৪৪ – ক্লজ ফন স্টফেনবার্গ, (জার্মান সামরিক কর্মকর্তা ও ক্যাথলিক অভিজাত সম্প্রদায়ভূক্ত ব্যক্তি)।

১৯৪৬ – গোয়ালবার্তো ভিলারয়ল, (বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট)।

১৯৫০ – জন সি. উডস, (নুরেমবার্গ বিচারের মৃত্যুদন্ড কার্যকরকারী আমেরিকান জল্লাদ)।

১৯৫১ – কাজেম আলী কোরেশি,  (মহাকবি কায়কোবাদ নামে সুপরিচিত )।

১৯৬৭ – আলবার্ট লুটুলি, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকান শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ)।

১৯৭২ – জিগমে দর্জি ওয়াংচুক, (ভূটানের তৃতীয় ড্রূক গ্যালাপ (রাজা)।

১৯৭২ – র‌্যালফ ক্রেগ, (আমেরিকান অ্যাথলেট)।

১৯৭৬ – আবু তাহের, (বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার)।

১৯৯৮ – অ্যালান শেপার্ড, (মার্কিন নৌ বৈমানিক ও নাসার নভোচারী)।

১৭৯৬ – রবার্ট বার্নস, (স্কটিশ কবি ও গীতিকার)।

১০০৫ – ইবনে সাম্হ, (স্পেনের বিখ্যাত মুসলিম গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসক)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This