Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস (WSPD) ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সাথে মিলিত হয়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক সমিতি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বরের লক্ষ্য এই বিষয়ের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা, কলঙ্ক কমানো এবং সংগঠন, সরকার এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, একটি একক বার্তা দেয় যে আত্মহত্যা প্রতিরোধযোগ্য।

 

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস (WSPD) হল একটি সচেতনতা দিবস যা সর্বদা প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়, আত্মহত্যা প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতি এবং পদক্ষেপ প্রদানের জন্য, ২০০৩ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম। আত্মহত্যা প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা (IASP) সহযোগিতা করে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং World Federation for Mental Health (WFMH)-এর সাথে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসের আয়োজন করা।  ২০১১ সালে আনুমানিক ৪০ টি দেশ এই উপলক্ষে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।  ২০১৪ সালে প্রকাশিত WHO-এর মানসিক স্বাস্থ্য অ্যাটলাস অনুসারে, কোনো নিম্ন-আয়ের দেশে জাতীয় আত্মহত্যা প্রতিরোধের কৌশল নেই, যেখানে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলির ১০%-এরও কম এবং উচ্চ-মধ্যম ও উচ্চ-আয়ের দেশগুলির প্রায় এক তৃতীয়াংশ ছিল৷

 

১০ সেপ্টেম্বর দুনিয়াজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। গোটা দুনিয়াজুড়ে আত্মহত্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই পালিত হয় দিনটি। ২০২২ সালের বিশ্ব আত্মহত্যা বিরোধী দিবসের স্লোগান ‘কাজের মাধ্যমে আশা তৈরি করা’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO-এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর গোটা বিশ্বে ৭ লক্ষ ৩ হাজার জন মানুষ আত্মঘাতী হন। এর বাইরেও কয়েক কোটি মানুষ রয়েছেন, যাঁরা ভয়াবহ অবসাদের সঙ্গে লড়াই চালাতে চালাতে প্রতিনিয়ত আত্মহত্যার কথা ভাবেন।

গত বছর, অর্থাৎ, ২০২১ সালে ভারতে মোট ১ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করেন। এর আগে, এক বছরে এত মানুষ আত্মহত্যা করেননি কখনও এই দেশে। NCRB রিপোর্টে আরও একটি উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। কোভিড অতিমারির আগে দেশজুড়ে আত্মহত্যার সংখ্যা ২০২০ ও ২০২১ সালে দেশজুড়ে আত্মহত্যার সংখ্যার থেকে কম ছিল। কোভিডের ফলে বেড়েছে সামগ্রিক অবসাদ।

তবু, আত্মহত্যার থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। নিজের মানসিক স্বস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে সবসময়। দরকারে সাহায্য নিতে হবে কাউন্সেলারের। একে অপরের কাছে পৌঁচে গিয়ে, পাশে দাঁড়িয়ে, হাতে হাত ধরে গড়ে তুলতে হবে আত্মহত্যা-মুক্ত এক দুনিয়া- এমন আশার সুরও শোনা যায় এই বিশেষ দিনটিতে।

“কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করা”

আত্মহত্যা একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা যার সুদূরপ্রসারী সামাজিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিক পরিণতি রয়েছে।  এটি অনুমান করা হয় যে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৭০০০০০ টিরও বেশি আত্মহত্যা হয় এবং আমরা জানি যে প্রতিটি আত্মহত্যা আরও অনেক লোককে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
২০২১-২০২৩ সাল পর্যন্ত বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসের ত্রিবার্ষিক থিম হল “কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করা”।  এই থিমটি কর্মের জন্য একটি শক্তিশালী আহ্বান এবং অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে আত্মহত্যার একটি বিকল্প রয়েছে এবং আমাদের কর্মের মাধ্যমে আমরা আশাকে উত্সাহিত করতে পারি এবং প্রতিরোধকে শক্তিশালী করতে পারি।
কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করার মাধ্যমে, আমরা আত্মঘাতী চিন্তার সম্মুখীন হওয়া লোকেদের কাছে ইঙ্গিত দিতে পারি যে আশা আছে এবং আমরা তাদের যত্ন করি এবং তাদের সমর্থন করতে চাই।  এটি আরও পরামর্শ দেয় যে আমাদের কাজগুলি, যত বড় বা ছোট হোক না কেন, যারা সংগ্রাম করছে তাদের আশা দিতে পারে।
অবশেষে, এটি একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে আত্মহত্যা প্রতিরোধ একটি জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকার এবং আত্মহত্যার মৃত্যুর হার হ্রাস করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।  WHO তার অংশীদারদের সাথে কাজ চালিয়ে যাবে যাতে দেশগুলিকে এই দিকে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে।
।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১০ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস৷

(খ) দারিদ্রের বিরুদ্ধে সাদা ফিতা দিবস৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২২ – ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য ,প্রখ্যাত বাঙালী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

১৯২০ – সি আর রাও,পরিসংখ্যানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারে (গণিতে নোবেল) সম্মানিত ভারতীয়-আমেরিকান পরিসংখ্যানবিদ।

১৯৪১ – এটিএম শামসুজ্জামান, বাংলাদেশী অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক।

১৯৮৬ – ইয়ন মর্গ্যান, আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়।

১৮৩৯ – চার্লস স্যান্ডার্স পেয়ার্স, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

১৮৭২ – কুমার শ্রী রঞ্জিতসিংজী, কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও ভারতীয় রাজা। তিনি ইংল্যান্ডের পক্ষে ১৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন।

১৮৮৭ – গোবিন্দবল্লভ পন্থ , ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও আধুনিক ভারতের রূপকার।

১৮৮৯ – পুণ্যলতা চক্রবর্তী, বাঙালি শিশুসাহিত্যিক।

১৮৯০ – অসিত কুমার হালদার ,বাংলা স্কুলের ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম সহকারী।

১৮৯২ – আর্থার কম্পটন,১৯২৭ নোবেলজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৭৭১ – মঙ্গো পার্ক, আফ্রিকা আবিষ্কারক অভিযাত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের ১৯০তম সদস্য রাষ্ট্র হয়।

২০০৮ – বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার চালু করা হয়।

১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্র ও সহযোগী শক্তিদের সাথে অস্ট্রিয়ার সাঁ-জের্‌মাঁ চুক্তি (Traîte de Saint-Germain) স্বাক্ষরিত।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কানাডা জার্মানীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের জোটে যোগ দেয়।

১৯৬৭ – জিব্রাল্টারের জনগণ স্পেনের অংশ হওয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের অধীনেই থাকার পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৭৪ – পর্তুগালের কাছ থেকে আফ্রিকার দেশ গিনি-বিসাউ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯১ – যুগোশ্লাভিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ম্যাসিডোনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৩ – দীর্ঘ ৪৫ বছরের বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়।

১৮২৩ – দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশের স্বাধীনতার অগ্রাধিনায়ক সিমন বলিভার পেরুর রাষ্ট্রপতি হন।

১৮৯৮ – অষ্ট্রিয়ার সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথকে হত্যা করা হয়।

১৭৯৪ – কলকাতায় বিলাতের অনুরূপ মিউনিসিপ্যাল স্বাস্থ্যবিধি চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১৫ – বাঘা যতীন, বাঙালি বিপ্লবী।

১৯২৩ – সুকুমার রায়, বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ শিশু সাহিত্যিকদের একজন।

১৯৪৩ – ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চারজন শহীদ- সত্যেন্দ্রচন্দ্র বর্ধন, ভাক্কম আব্দুল খাদের, ফৌজি সিং, আনন্দন।

১৯৭৫ – জর্জ প্যাগেট থমসন, নোবেলজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ।

১৯৮৮ – অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়,ভারতীয় বাঙালি লেখক ও প্রাবন্ধিক।

১৮০৬ – ইয়োহান ক্রিস্টফ আডেলুং, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

১৭৯৭ – মেরি ওলস্টোনক্রাফট, ইংরেজ নারীবাদী লেখিকা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

মূল্যবান মনুষ্য জীবন ও দেহ মন্দির : স্বামী আত্মভোলানন্দ।

ওঁ নমঃ শ্রী ভগবতে প্রণবায় ।
—————————————–
***সর্বোত্তম জীবন হল সেই জীবন যা অন্যের দ্বারা কিছুই না করে সুখে যাপন করা হয় l’এই চলমান জীবনে কেউ না আছে আমাদের  থেকে  এগিয়ে না কেউ  পিছিয়ে ৷ এখানে কেউ  বেশী উন্নত নই ৷ আবার কেউ নই অকাট মূর্খ ৷ জীবন একবারে আমাদের  সঠিক অবস্থানে দাঁড় করিয়ে রেখেছে ৷ সেই জায়গায় কোথাও আমরা শিক্ষক আবার কোথাও ছাত্র ৷ জীবন আসলে সেটা নয় যা তুমি পেয়েছো , জীবন তো সেটাই,যা তুমি তোমার মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে তৈরি করেছো l
কেউই আসলে খারাপ হয় না জানো, খারাপ হয় শুধু সময়টা । আর সেই খারাপ সময়টা অনেকটা উড়ো মেঘের মতো । তাই মেঘ কেটে গেলেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। সূর্য ওঠে। ফুল ফোটে । পাখিরা ওড়ে মুক্ত আকাশে । জীবন ও তাই, জীবন একটা সফর !
মানুষ কখনোই ব্যর্থ হয় না, হয়তো সে সফল হয় নয়তো সে অভিজ্ঞতা অর্জন করে ।জীবন একটি বই
কিছু অধ্যায় দুঃখজনক। কিছু খুশি, এবং কিছু উত্তেজনাপূর্ণ৷ কিন্তু আপনি যদি পৃষ্ঠাটি না উল্টান তবে আপনি কখনই জানতে পারবেন না যে পরবর্তী অধ্যায়টি কী রয়েছে৷

মৃগনাভির গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মৃগ সারা জঙ্গলের দূর দীগন্ত ছুটে ছুটে একসময় ক্লান্ত হয়ে নিজের এলাকায় ফিরে আসে।ক্লান্ত বিষন্ন শরীরে বিশ্রাম নিতে তার চেনা মাটিতে বসে পড়ে ।তারপর যখন নিজের মুখ জিভ  দিয়ে গা পরিষ্কার করতে থাকে, একদা বুঝতে পারে যে, এতদিন ধরে সে যে মনমাতানো পাগল করা সুবাসের উৎস খুঁজতে  সারা বন-জঙ্গল তন্য তন্য করে পাড়ি দিয়েছে, তার উৎস দূর দূরন্তে নেই । যে গন্ধ সে খুঁজে বেড়িয়েছে এতদিন, তা তার নিজের নাভি থেকেই নির্গত হচ্ছে। ঐ গন্ধ প্রাণ ভরে শুঁকতে শুঁকতে পরম শান্তিতে সে ঘুমাতে থাকে । আর অকারণ ছুটতে হয়না তাকে ।

সাধনের জন্য নিজের পরিসরেই সব মন্দির পীঠ অবস্থান করে। যারা সত্যিকার সাধন ভজনে লিপ্ত তারা সাধ্যাতীত তীর্থ ভ্রমনে লিপ্ত হন না।পকেটের টাকা দিয়ে ভগবান বা ঈশ্বর  কাউকেই কেনা যায় না। নিজের পরিসরে বিরাজ করেই তাঁকে ডাকার মত ডাকতে পারলেই সব তীর্থ একাকার হয় নিজের মধ্যেই ।
যেমন নেপালের দেবদেবী কেবল নেপালে বন্দী নয়।ভারতের দেবদেবী কেবল ভারতে বন্দী নয়। তিনি ঈশ্বর,  তাই তিনি প্রতি অনুতেই বিরাজমান।
“তোরে ডাকার মতো ডাকতে যদি পারি, আসবি নি তোর এমন সাধ্য নেই। আমি মন্ত্র-তন্ত্র কিছুই জানিনে মা ।।”
অহংকার বর্জন করে তাঁকে ভালোবাসা দিয়ে ডাকলেই তিনি তুষ্ট ।***
ॐ গুরু কৃপাহি কেবলম….!

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৯ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৯ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জেমস হিল্টন, ইংরেজ উপন্যাসিক।

১৯১৫ – সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি সংগীতজ্ঞ ও গায়ক।

১৯২০ – সন্তোষকুমার ঘোষ, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক।

১৯২১ – পলান সরকার, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশি সমাজকর্মী।

১৯২২ – হ্যান্স গেয়র্গ ডেমেল্ট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯২৩ – ড্যানিয়েল কার্লটন গ্যাজডুসেক, পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন চিকিৎসক।

১৯২৪ – সিলভিয়া মাইলস, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৩৪ – নিকোলাস লিভারপুল, ডোমিনিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৯৪১ – ডেনিস রিচি, মার্কিন প্রোগ্রামার ও কম্পিটার বিজ্ঞানী, সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক।

১৯৪৯ – সুসিলো বামবাং ইয়ুধনো, ইন্দোনেশীয় জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৯৬০ – হিউ গ্রান্ট, ইংরেজ অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬৬ – আডাম সান্ডলের, আমেরিকান অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।

১৯৬৭ – অক্ষয় কুমার, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৮৩ – ভিটোলো, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৭৬ – এমা ডি কোনাস, তিফরাসি অভিনেত্রী।

১৯৮০ – মিশেল উইলিয়ামস, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৮৩ – ভিটোলো, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৮৭ – জোসোয়া হের্ডম্যান, ইংলিশ অভিনেতা।

১৯৮৮ – ম্যানুয়েলা আরবেলায়েজ, কলাম্বিয়ান মডেল।

১৯৮৮ – দানিয়ালো ডি’আম্ব্রোসিও, ইতালীয় ফুটবলার।

১৯৯১ – অস্কার দোস সান্তোস জুনিয়র, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

১৯৯৯ – অঞ্জন সাহা- তন্ময়, বাংলাদেশি কারাতে খেলোয়াড়।

১৮৫০ – ‘ভারতেন্দু’ হরিশ্চন্দ্র, আধুনিক হিন্দি সাহিত্যের জনক কবি ও নাট্যকার।

১৮৭২ – সরলা দেবী চৌধুরানী, বিশিষ্ট বাঙালি বুদ্ধিজীবী ও ভারতের এলাহাবাদে প্রথম মহিলা সংগঠন ‘ভারত স্ত্রী মহামণ্ডল’এর প্রতিষ্ঠাত্রী।

১৮৭৮ – দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র প্রখ্যাত শল্যচিকিৎসক ও সমাজসেবী।

১৮৮২ – অনুরূপা দেবী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।

১৮৯৯ – ভিক্টোরিয়া ফেড্রিকা দ্য মারিশলার ই দ্য বোরবন, স্প্যানিশ রাজা ১ম জুয়ান কার্লোসের নাতনী।

১৭৫৪ – উইলিয়াম ব্লিঘ, ইংরেজ এডমিরাল, রাজনীতিবিদ ও নিউ সাউথ ওয়েল্স-এর ৪র্থ গভর্নর।

০৩৮৪ – হ্নোরিউস, রোমান সম্রাট।

০২১৪ – আউরেলিয়ান, রোমান সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – মিশরের প্রথম বহুদলীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হোসনি মোবারককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা।

১৯১৫ – বিপ্লবী বাঘা যতীন [যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়] ও তার সহযোদ্ধারা ‘কোপতিপোদার যুদ্ধে’ ব্রিটিশবিরোধী সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

১৯২০ – আলিগড়ের অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।

১৯২৩ – প্রজাতান্ত্রিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক রাজনৈতিক দল ‘রিপাবলিকান পিপল্স পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৩৯ – বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) জাতীয় বীর ইউ উত্তামা ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জেলের ভেতর অনশন ধর্মঘটে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৫ – চীন দখলকারী জাপানী বাহিনী আত্মসমর্পন করার পর একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৪৮ – পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী উত্তর কোরিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৬০ – ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে “সিন্ধু নদ জল চুক্তি” স্বাক্ষর।

১৯৬৯ – কানাডাতে অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ অ্যাক্ট বাস্তবায়িত হয়। যার মাধ্যমে ফরাসী ভাষা ইংরেজি ভাষার সমান মর্যাদা পায়।

১৯৭০ – একটি ব্রিটিশ বিমান পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেষ্টাইন দ্বারা হাইজ্যাক করা হয়। বিমানটি জর্ডানের ডাওজন ফিল্ডে নেয়া হয়।

১৯৯১ – তাজিকিস্তান সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৩ – পিএলও বা প্যালেষ্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন আনুষ্ঠানিক ভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

১৮৫০ – ৩১তম রাজ্য হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৮১ – আরব পাশার নেতৃত্বে মিশরের জাতীয়তাবাদীরা সংগঠিত হয়।

১৭৯১ – প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের নামানুসারে আমেরিকার রাজধানীর নামকরণ হয় ওয়াশিংটন ডিসি।

০৫৭২ – তৎকালীন দুই পরাশক্তি ইরান ও রোম সাম্রাজ্যের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – আহমেদ শাহ মাসুদ, আফগানিস্তানের অস্থায়ী সরকারের প্রধান বোরহান উদ্দীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

২০১২ – ভার্গিজ কুরিয়েন, ভারতে দুগ্ধ উৎপাদনে শ্বেত বিপ্লবের জনক।

২০১৪ – ফিরোজা বেগম,প্রথিতযশা নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ও সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে তিনি নজরুল সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।।

১৯০১ – অঁরি দ্য ত্যুল্যুজ্‌-লোত্রেক, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর।

১৯৩৯ – ইউ উত্তামা, বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) জাতীয় বীর।

১৯৪১ – হান্স স্পেম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান করে প্রতিদিন।

১৯৬৩ -রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ, জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব।

১৯৬৮ – অশোক বড়ুয়া, বাঙালি লেখক।

১৯৭৬ – মাও সে তুং, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।

১৯৭৮ – অধ্যাপক বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়,বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য।

১৯৮৪ – চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।

১৯৮৫ – পল জন ফ্লোরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ।

১৯৮৯ – রাধারাণী দেবী, বাঙালি মহিলা কবি।

১৯৯৭ – বার্গেস মেরেডিথ, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৮৯১ – জুলস গ্রেভয়, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।

১৮৯৮ – স্টেফানে মালার্মের, ফরাসি কবি ও সমালোচক।

১৫৬৯ – পিটার ব্রুয়েগেল এল্ডার, ডাচ চিত্রশিল্পী।

১৪৩৮ – এডওয়ার্ড, পর্তুগালের রাজা।

১৪৮৭ – চ্যেংগুয়া, চীনের সম্রাট।

১০৮৭ – প্রথম উইলিয়াম (ইংল্যান্ড), ইংরেজ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ভারতীয় অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির পথে – একটি পর্যালোচনা : দিলীপ রায়।

ভারতের অর্থনীতি বৈচিত্র্যময়। কৃষিকাজ, হস্তশিল্প, বস্ত্রশিল্প, উৎপাদন, এবং বিভিন্ন সেবা ভারতের অর্থনীতির অংশ । ভারতের শ্রমশক্তির দুই-তৃতীয়াংশ প্রত্যক্ষভাবে কিংবা পরোক্ষভাবে কৃষি থেকে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে । তবে সেবাখাত (Service Sector) ক্রমেই প্রসার লাভ করছে এবং ভারতের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ  হয়ে উঠছে । ডিজিটাল যুগের আবির্ভাবের পর ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারদর্শী তরুণ ও শিক্ষিত লোকের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভারত আউটসোর্সিং, ক্রেতা সেবা ও কারিগরি সহায়তা দানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে  । ভারত সফটওয়্যার ও আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে অতি-দক্ষ শ্রমিক সরবরাহ করে থাকে  । এছাড়া উৎপাদন, ওষুধ শিল্প, জীবপ্রযুক্তি, ন্যানোপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, জাহাজ নির্মাণ, বিমানভ্রমণ এবং পর্যটন শিল্পগুলিতেও ভবিষ্যতে জোরালো প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা  ।
স্বাধীনতা লাভের পর ইতিহাসের অধিকাংশ সময় জুড়ে ভারত সমাজবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে অর্থনীতি চালানোর চেষ্টা চলে । তখন অর্থনীতিতে বেসরকারী খাতের অংশগ্রহণ, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের উপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ছিল । তবে ১৯৯০-এর দশকের শুরু থেকে ভারত ক্রমে উদারপন্থী অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে তার বাজারগুলি উন্মুক্ত করতে শুরু করে । সরকারি  শিল্পগুলির বেসরকারীকরণ বেশ ধীরে ধীরে  রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে । দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা ভারতের একটি প্রধান সমস্যা এবং এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা অর্জনের জন্য একটি বড় বাধা ।
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য ১৯৯০ র দশক ভারতীয় অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসাবে চিহ্নিত । আশির দশকের শেষ এবং নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে দেশ যে ম্যাক্রো অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতার মুখোমুখি হয়েছিল, তা সরকারকে ১৯৯১ সালে কাঠামোগত সংস্কার প্রবর্তনে তৎপর করে । কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির সম্মিলিত বিপুল ঘাটতি, অর্থপ্রদানের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয় । এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উদ্দেশে ভারত, অর্থনৈতিক উদারীকরণ ও সংস্কারের পথে যাত্রা শুরু করে ।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের অর্থনীতিতে পণ্য ও সেবার উৎপাদন বৃদ্ধি বোঝায় । সাধারণত কোনো দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির শতকরা  হারকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হিসাবে আখ্যায়িত করা হয় ।  প্রকৃত বৃদ্ধির হার ১৯৮০-এর দশকে গড়ে ৫.৫ শতাংশ,   আর্থিক বছর ১৯৯৩  ও ২০০০এর মধ্যে ৬.৩ শতাংশ উঠে আসে । বৈদেশিক বাণিজ্যে  উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, মোট পণ্য ও পরিষেবা,  বাণিজ্য-জিডিপি অনুপাত ১৯৯০ সালে ১৭.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০০০ সালে হয় ৩০.৬ শতাংশ ।
আমরা মাথা পিছু আয় বলতে কী বুঝি ? একটি দেশের মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথা পিছু আয়ের হিসাব করা হয় ।  মাথাপিছু আয় প্রায়শই একটি সেক্টরের গড় আয় পরিমাপ করতে এবং বিভিন্ন জনসংখ্যার সম্পদের তুলনা করতে ব্যবহৃত হয় । মাথাপিছু আয় প্রায়ই একটি দেশের জীবন যাত্রার মান পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় । মাথাপিছু আয়কে গড় আয়ও বলা হয় ।   IMF ভারতের মাথা পিছু আয় সম্পর্কে আশাবাদী । তাদের মতে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১.৪৩ লক্ষ টাকা যেটা ডলারে মূল্য দাঁড়ায় ১৮৯৫ ডলার ।  অন্য কথায় একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সামষ্টিক মূল্যই হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন । আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে উৎপাদন যে হারে বাড়ে সেটি হচ্ছে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি । জিডিপি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক ।  ভারতের জিডিপি ২০১৭ সালে ছিল বিশ্বে ৬ নম্বরে, কিন্তু ২০১৮তে ভারত গেলো ৭ নম্বরে । বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক বিকাশের গতি শ্লথ হওয়ার কারণে এবং মার্কিন ডলারের তুলনায় বারবার ভারতীয় মুদ্রামানের অবনমনের জন্যই   ২০১৭’র   চেয়ে জিডিপি’র নিরিখে ভারত পিছিয়ে পড়েছে ।
জিএনপিঃ GDP & GNP, প্রায় সমার্থক । তবে সামান্য পার্থক্য  রয়েছে । কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত  এক বছরে কোনো দেশের জনগণ মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করে তার অর্থমূল্যকে মোট জাতীয় উৎপাদন  বা জিএনপি বলে । জাতীয় উৎপাদনের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী ও কর্মরত বিদেশি ব্যক্তি ও সংস্থার উৎপাদন বা আয় অন্তর্ভূক্ত হবে না । তবে বিদেশে বসবাসকারী বা কর্মরত দেশি নাগরিক, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও আয় অন্তর্ভূক্ত হবে । জাতীয় আয়ের হিসাব থেকে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও অগ্রগতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায় । যে দেশের জিএনপি যত বেশী সে দেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে তত বেশী সমৃদ্ধ ।
এবার আসছি প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (FDI)  সংক্রান্তে । জানা যায় ২০১৮-১৯ সালে মোট প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ ১৪. ২ শতাংশ বেড়েছে ।   প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে পরিষেবা, মোটরগাড়ি ও রসায়ন ক্ষেত্রে । ভারতীয় ব্যঙ্কিং ক্ষেত্র দ্বিমুখী সমস্যার সম্মুখীন । কর্পোরেট ও ব্যাঙ্ক ব্যালান্স সীটে সমস্যার পাশাপাশি অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়েছে । অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক ঋন সহায়তা ২০১৬-১৭তে ছিল নিম্নমুখী । কৃষি সহযোগী ক্ষেত্রে ২০১৮-১৯এ  প্রকৃত বিকাশ হার কিছুটা কমলেও উৎপাদন ও নির্মাণ ক্ষেত্রে অগ্রগতির দরুন শিল্প বিকাশের হার তরান্বিত হয়েছে । এছাড়া ২০১৯ সালে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের স্থান ছিল নবম ।  ভারত প্রায় ৫১০০ কোটি ডলার FDI পেয়েছে, খবরটা জানা গেছে জাতিসংঘের ব্যবসা বাণিজ্য বিভাগ থেকে । উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে FDI আকর্ষণকারী শীর্ষ পাঁচ দেশের তালিকায়  রয়েছে ভারত । এখানে একটি কথা প্রনিধানযোগ্য, বৈদেশিক বাণিজ্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, মোট পণ্য ও পরিষেবা বাজ্য-জিডিপি অনুপাত ১৯৯০ সালের ১৭.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০০০ সালে হয় ৩০.৬ শতাংশ ।
পরিকাঠামোর নিরিখে দীর্ঘদিনের ঘাটতি এবং রসদ সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলায় ২০১৪ সাল থেকে বড় মাপের সরকারি ব্যয় হতে থাকে । ভারতের মতো বিশাল দেশে পরিকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিক এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে, সরকার ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার পাইপলাইন (NIP) স্থাপন করেছে । এই দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গিতে ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে প্রায় ১১১ কোটি  টাকার বিনিয়োগ করা হয়েছে পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির জন্য । এছাড়াও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে গত নয় বছরে অনেক সংস্কারমূলক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । “আত্মনির্ভর ভারত” এবং “মেক ইন ইন্ডিয়া” এর মতো কর্মসূচিগুলির লক্ষ্য ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন  শিল্পে রপ্তানীর প্রসার ঘটানো ।
এবার আসছি বিশেষজ্ঞরা কী বলছে । বিশ্বব্যাঙ্ক ভারতীয় অর্থনীতির উপর পূর্বাভাসে বলেছে, ভারতীয় অর্থনীতির গতি বাড়বে । অন্যদিকে মুডিজ ইনভেস্টরস সার্ভিস, এস অ্যান্ড পি’র মতো আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থাগুলি জানিয়েছে,  ২০২২-এ ভারতের জিডিপি ৩.৫ ট্রিলিয়ন (৩.৫ লক্ষ কোটি) মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে এবং আগামী কয়েক বছরে জি-২০ সদস্য দেশগুলির মধ্যে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারতীয় অর্থনীতি ।
পরিশেষে বলা যায় ভারতীয় অর্থনীতিতে গৃহীত নতুন যুগের সংস্কারগুলি অমৃতকালের প্রাণবন্ত বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করেছে । বিগত কয়েক বছরে যে মজবুত আর্থিক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়েছে, তা সুলভে ঋনদানের দক্ষ ব্যবস্থা করে উচ্চতর বিনিয়োগ ও ভোগের মাধ্যমে আগামী বছরগুলিতে শক্তিশালী অর্থনৈতিক বিকাশে অবদান রাখবে । অন্যদিকে আমরা জানি, সমস্ত ক্ষেত্রের মধ্যে উৎপাদন  ক্ষেত্রের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষমতা সবথেকে বেশী ।  ২০৩০ সালের মধ্যে এই ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৭ কোটি কর্মসংস্থান হওয়ার সম্ভাবনা  । উৎপাদন ক্ষেত্রের প্রকৃত বিকাশ হার পৌঁছাতে পারে ৯-১০ শতাংশে । উল্লেখ থাকে যে, ২০২২ সালে যা ছিল ৭-৮ শতাংশ ।    অর্থনৈতিক প্রসারণের এই দ্রুত গতির ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতীয় GDP-এর আকার জাপানের GDP-কে ছাড়িয়ে যাবে, যা ভারতকে দ্বিতীয় বৃহত্তম করে তুলবে ৷  ২০২২ সালের মধ্যে, ভারতীয় জিডিপির আকার ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের জিডিপির চেয়েও বেশী । ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপি জার্মানিকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে । সুতরাং ভারতীয় অর্থনীতি এখন প্রবৃদ্ধির পথে ।  (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ও যোজনা ৮/২৩) ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হলো জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বা ইউনেস্কো-ঘোষিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস। ১৯৬৬ সালের ২৬ অক্টোবর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের ১৪তম অধিবেশনে ৮ সেপ্টেম্বর তারিখকে “আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয়।ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সমাজের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব এবং আরও সাক্ষর সমাজের প্রতি তীব্র প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য 1966 সালে UNESCO কর্তৃক 8ই সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস (ILD) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৯৬৭ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়। দিবসটির লক্ষ্য ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সমাজের কাছে সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরা। বর্তমানে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র এ দিবসটি উদ্‌যাপন করে থাকে।জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা বা ইউনেস্কোর ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল “মর্যাদা এবং মানবাধিকারের বিষয় হিসাবে সাক্ষরতার গুরুত্ব জনগণকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য।”

 

পৃথিবীর প্রায় ৭৭৫ মিলিয়ন অধিবাসীর ন্যূনতম প্রয়োজনীয় অক্ষরজ্ঞানের অভাব রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক প্রতি পাঁচ জনে একজন এখনও শিক্ষিত নন এবং এই জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই নারী। বিশ্বের প্রায় ৬০.৭ মিলিয়ন শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এবং আরও অনেকের শিক্ষায় অনিয়মিত বা শিক্ষা সমাপ্ত হওয়ার আগেই ঝরে পড়ে।

প্রথম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের পর থেকে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় সাক্ষরতার হারের উন্নতিতে অনেক অগ্রগতি সাধিত হলেও, নিরক্ষরতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা রয়ে গেছে।  বিশ্বজুড়ে 750 মিলিয়নেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা পড়তে পারেন না বলে মনে করা হয়।  নিরক্ষরতার অভিশাপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পৃথিবীর কোনো জাতি বা সংস্কৃতিকে রেহাই দেয় না, যেখানে আনুমানিক 32 মিলিয়ন আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক নিরক্ষর। ইউনেস্কোর “সকলের জন্য শিক্ষার বৈশ্বিক নিরীক্ষণ রিপোর্ট (২০০৬)” অনুসারে, অঞ্চলভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম (৫৮.৬%); এরপরেই রয়েছে সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের অবস্থান (৫৯.৭%)। বিশ্বের সবচেয়ে কম সাক্ষরতার হারের দেশগুলো হলো বুর্কিনা ফাসো (১২.৮%), নাইজার (১৪.৪%) ও মালি (১৯%)। প্রতিবেদনে দেশগুলোর নিরক্ষরতার হারের সাথে চরম দারিদ্র‍্য এবং নারীদের সামাজিক অবস্থানের সাথে নিরক্ষতার সুস্পষ্ট সম্পর্ক পরিলক্ষিত হয়।

 

26 অক্টোবর 1966 তারিখে যখন ইউনেস্কো বিশ্বব্যাপী নিরক্ষরতার সমস্যাগুলি দূর করার জন্য 8 সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছিল।  মূল উদ্দেশ্য ছিল শুধুমাত্র নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে লড়াই করা নয় বরং এটিকে ব্যক্তি ও সমগ্র সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা।  এই দিবসের মূল লক্ষ্য ছিল সাক্ষরতা বৃদ্ধি করা।  বিশ্বব্যাপী প্রতিটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিরক্ষরতা দূর করাই হল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৮ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – অমলেন্দু দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯১২ – কমরুদ্দীন আহমদ, লেখক ও রাজনীতিক।

১৯১৮ – ডেরেক রিচার্ড বার্টন, নোবেলজয়ী জৈবরসায়নবিদ বিজ্ঞানী ।

১৯১৯ – নিরঞ্জন ধর, যুক্তিবাদী সমাজবিজ্ঞানী ও মানবতাবাদী ঐতিহাসিক।

১৯২৬ – ভুপেন হাজারিকা, স্বনামধন্য ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৩৩ – আশা ভোঁসলে, ভারতীয় গায়িকা।

১৯৪৫ – শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

১৯৫৫ – ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।

১৯৫৬ – অঞ্জু ঘোষ, বাংলাদেশি অভিনেত্রী।

১৮৩০ – ফ্রেদেরিক মিস্ত্রাল, নোবেলজয়ী [১৯০৪] ফরাসি কবি।

১৮৯২ – হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।

১৭৬৭ – আউগুস্ট ভিলহেল্ম ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি, অনুবাদক ও সমালোচক।

১৫৮৮ – মারাঁ মের্সেন, ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল তার অভিষেক টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড করেন।

২০২২ – দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে উন্মোচিত হল নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ২৮ ফুট উচ্চতার কালো গ্রানাইটের মূর্তি।

১৯০৩ – বুলগেরিয়ার ৫০ হাজার মানুষকে হত্যা করে তুর্কিরা।

১৯০৭ – সান ইয়াত্ সেন চীনে প্রজাতান্ত্রিক আন্দোলন কুয়োমিনটাং গঠন করেন।

১৯৪১ – জার্মানীর নাৎসী বাহিনী তিন মাস ধরে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে হামলা চালানোর পর লেলিনগ্রাড অবরোধ করতে সক্ষম হয়।

১৯৪৩ – মিত্র শক্তির কাছে ইতালি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।

১৯৫১ – সান ফ্রান্সিসকোতে ৪৯টি দেশ জাপানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৫২ – জেনেভায় বিশ্বের ৩৫টি দেশের গ্রন্থস্বত্ব কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৫৪ – ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যৌথ প্রতিরক্ষা বিষয়ক সিটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬১ – সন্ধ্যায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দ্য গল একটি গুপ্তহত্যার ঘটনায় রক্ষা পান ।

১৯৬২ – চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯৬৬ – জাতিসংঘের ই.এস.সি সংস্থার ১৪তম অধিবেশনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, প্রত্যেক বছরের ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হবে।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জায়ারে।

১৯৮১ – যুগোশ্লাভিয়া থেকে মেসিডোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৩ – চীনের লাওনিং প্রদেশের ২০ বছর বয়সী যুবক খেলোয়াড় ওয়াং জুনসিয়া এবং ইয়ুনন্নান প্রদেশের ২৬ বছর বসয়ী খেলোয়াড় চোং হুয়াটি নারী ১০ হাজার মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় বিশ্ব রেকর্ড ভাঙ্গেন।

১৮৩১ – চতুর্থ উইলিয়ম গ্রেট ব্রিটেনের সম্রাট পদে অধিষ্ঠিত হন।

১৮৮৬ – দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গের পত্তন হয়।

১৭৬৩ – ব্যাপক সংঘর্ষ ও সহিংসতার পর প্যারিস সমঝোতা অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত কানাডা ফরাসী দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয় এবং বৃটেন ঐ চুক্তির প্রতি সমর্থন জানায়।

১৫০৪ – মিকেলাঞ্জেলার ডেভিড চিত্রকর্মটি ফ্লোরেন্সে উন্মোচিত করা হয়।

১৫১৪ – ‘অরসা’ যুদ্ধ, শতাব্দীর একটি বড় যুদ্ধ এটি। লিথুনিয়ান এবং পোল্স রুশ সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

১৫৮৮ – ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ মারাঁ মের্সেন জন্মগ্রহন করেন।

১৪৪৯ – ‘তুমু’ যুদ্ধে মঙ্গোলিয়ানরা চায়নিজ রাজত্ব দখলে নেয়।

১৩৮০ – কুলিকভোর যুদ্ধে রুশ সৈন্যরা তাতার এবং মঙ্গল সৈন্যের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে তাদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৯ – ইউসুফ মুতালা, পাকিস্তানি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও দায়ী।

২০২২ – বৃটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

১৯৩৩ – প্রথম ফয়সাল, আরব বিদ্রোহের অন্যতম নেতা এবং ইরাকের প্রথম বাদশাহ।

১৯৩৯ – স্বামী অভেদানন্দ, হিন্দু সন্ন্যাসী, রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৪৩ – জুলিয়াস ফুচিক, চেক লেখক, সমালোচক, সাংবাদিক ও বামপন্থী স্বাধীনতা সংগ্রামী ।

১৯৪৯- রিচার্ড স্ট্রস, জার্মানীর বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৫৫ – অমলেন্দু দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯৬৫ – হেরমান স্টাউডিঞ্জার, নোবেলজয়ী [১৯৫৩] জার্মান রসায়নবিদ।

১৯৮৭ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

স্মরণে, কিংবদন্তি প্রথিতযশা ভারতীয় বাঙালি গীতিকার ও সুরকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি ভারতীয় গীতিকার এবং বাংলা চলচ্চিত্রের গীতিকার।

 

২ মে ১৯৩১, হাওড়ার সালকিয়ায় তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা।  তার পরিবারের শিল্প বৃত্তের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, বিশেষ করে নাটক, সাহিত্য এবং সঙ্গীতে।  বাবা কান্তিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তিনিকেতনের ছাত্র ছিলেন, অভিনয়ও করতেন। বাবার শিল্পীজীবনের সূত্রে পুলকদের বাড়িতে অনেক শিল্পীর যাওয়া-আসা ছিল। অভিনেতা, গায়ক, সুরকারদের আড্ডা জমত তাঁদের বাড়িতে। এসবের ভেতর বেড়ে ওঠা পুলকের মধ্যে সৃষ্টিশীল নানা কাজের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। স্কুল ও বাড়িতে গান, নাটক, আবৃত্তির অনুষ্ঠানে পুলক সক্রিয় ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর গান লেখার প্রতি এমন ঝোঁক ছিলতিনি কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজের স্নাতক ছিলেন।

 

তিনি বিভিন্ন ঘরানার সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং এই প্রক্রিয়ায় ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে সঙ্গীত রচনার বিবর্তনে ব্যাপক অবদান রাখেন।  তাঁর রচনাগুলির নিছক স্বতঃস্ফূর্ততা তাঁকে গীতিকার হিসাবে অনেক বেশি চাওয়া হয়েছিল।  অখিলবন্ধু ঘোষ, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, গীতা দত্ত, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, হৈমন্তী শুক্লা, শ্যামল মিত্র, ভূপেন হাজারিকা, প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়, উৎপলা সেন, অরুন্ধতী হোলমে চৌধুরি, অরুন্ধতী হোলমে চৌধুরি, অরুন্ধতী হোমে চৌধুরি, আনোয়ার চৌধুরীর মতো বিখ্যাত বাঙালি ও বলিউড শিল্পী। ঘোষাল এবং আরতি মুখোপাধ্যায় তার কম্পোজিশন গেয়েছেন। ১৯৬৬ সালের শঙ্খবেলা চলচ্চিত্রে, তিনি দুটি চিরসবুজ গান লিখেছিলেন- “কে প্রথম কাছ থেকে এসছি” (লতা মগেশকর এবং মান্না দে) এবং “আজ মন চেয়েছে” (লতা মঙ্গেশকর)।  ১৯৬৯ সালে প্রথম কদম ফুল চলচ্চিত্রে তিনি “আমি শ্রী শ্রী ভোজো হোরি মান্না” লিখেছিলেন।  ১৯৭২ সালের বসন্ত বিলাপ চলচ্চিত্রে, তিনি “ও শ্যাম জোখন তোখোঁ, বসন্ত বিলাপের সেরা” লিখেছিলেন।

 

বহু জনপ্রিয় বাংলা গানের গীতিকবি পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এর লেখা শ্রেষ্ট কিছু গান হল—-

 

তাঁর লেখা গানগুলোর বিশেষত্ব হলো প্রাণোচ্ছ্বাস। যেকোনো ঘটনাকে তিনি সুন্দর ছন্দে ফেলে গানে রূপ দিতেন। তাঁর গান শুনে বোঝা যেত কতটা সাবলীল দৃশ্য বা পরিস্থিতি অনুযায়ী গান লিখতেন তিনি। অন্যের সুরের ওপর ছন্দ ফেলে গান লেখায় তিনি ছিলেন দারুণ দক্ষ।  এ কারণে হঠাৎ গানের দরকার হলেই ডাক পড়ত পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

 

পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় গানগুলো হলো, মনে হয় কোথায় যেন শুনেছি, ‘ক ফোঁটা চোখের জল’, ‘তুমি নিজের মুখে বললে যেদিন’, ‘পৌষের কাছাকাছি রোদমাখা সেই দিন’, ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’, ‘বহুদূর থেকে এ কথা’, ‘ভালোবাসা ছাড়া আর আছে কী’, ‘রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে’, ‘আমার বলার কিছু ছিল না’, ‘নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা’, ‘এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনায়’, ‘আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব হারিয়ে যাব’, ‘মা মাগো মা, মা গো মা, আমি এলাম তোমার কোলে’, ‘খিড়কি থেকে সিংহ দুয়ার’, ‘এক মুঠো রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম, চললাম’ সে রকম দুটি।  ‘আমি তোমার কাছে ফিরে আসব’, ‘ধর কোনো এক গানের পাখি’  ‘যদি আকাশ হতো আঁখি’, ‘ওগো বন্ধু আমার আঁধার রাতে যদি এলে’ গান গুলি উল্লেখযোগ্য! উল্লেখ্য, তাঁর লেখা গান সবচেয়ে বেশি গেয়েছিলেন মান্না দে।

 

২৪ বছর আগে, ১৯৯৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর গঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই আত্মহত্যার কারণ আজও রহস্যই থেকে গিয়েছে।

 

।।তথ্য ঋণ : উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়; আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ-পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বা সুনীল গাঙ্গুলী ছিলেন একজন ভারতীয় কবি, ইতিহাসবিদ এবং ঔপন্যাসিক।  সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন একজন বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর পূর্ববর্তী চার দশক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসাবে সর্ববৈশ্বিক বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন।

 

তিনি কলকাতার প্রাক্তন শেরিফ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি এবং তার কয়েকজন বন্ধু কৃত্তিবাস নামে একটি বাংলা কবিতা পত্রিকা শুরু করেন।  পরে তিনি বিভিন্ন প্রকাশনার জন্য লিখেছেন। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই হল আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি, যুগলবন্দী (শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে), হঠাৎ নীরার জন্য, রাত্রির রঁদেভূ, শ্যামবাজারের মোড়ের আড্ডা, অর্ধেক জীবন, অরণ্যের দিনরাত্রি, অর্জুন, প্রথম আলো, সেই সময়, পূর্ব পশ্চিম, ভানু ও রাণু, মনের মানুষ ইত্যাদি।

 

১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম, অধুনা বাংলাদেশের মাদারীপুরে। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি কলকাতা চলে আসেন। পিতা কালীপদ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতার টাউন স্কুলের শিক্ষক । সেই সূত্রে ১৯৩৮ সাল থেকেই উত্তর কলকাতায় বসবাস শুরু । চার ভাইবোনের মধ্যে সুনীলই বড় । সংসারে অনটন ছিলই সেটা আরও বাড়ল দেশভাগের পর বিশাল পরিবারে তখন কালীপদর রোজগারই ভরসা । উপার্জনের চেষ্টাতেই ব্যস্ত থাকতেন তিনি । সুনীলকে বই পড়ার নেশাটি ধরিয়েছিলেন মা মীরা দেবী ।   তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্র বয়স থেকেই হুটহাট বেরিয়ে পড়তেন । জীবনের শেষ পর্যন্ত সেই বাউন্ডুলেপনা তাঁর কোনও দিন থামেনি । সাঁওতাল পরগণা থেকে প্যারিস , নিউ ইয়র্ক থেকে শান্তিনিকেতন , সুনীলের উৎসাহ সমান । তিনি নিজেই বলতেন , লেখক হওয়ার কোনও দুরাকাঙ্খা তার ছিল না । কলেজজীবনে সুনীলের স্বপ্ন বলতে একটাই , জাহাজের খালাসি হয়ে সাত সমুদ্র পাড়ি দেওয়া । খালাসির চাকরি সুনীলকে করতে হয়নি , কিন্তু বাংলা সাহিত্য নীললোহিতকে পেয়েছে । তিনি ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭ সালে স্বাতী ব্যানার্জীকে বিয়ে করেন। তাদের একমাত্র ছেলে সৌভিকের জন্ম ২০ নভেম্বর।

 

গাঙ্গুলী বাংলা কাল্পনিক চরিত্র কাকাবাবু তৈরি করেছিলেন যার আসল নাম রাজা রায় চৌধুরী এবং তার আবেগ রহস্য সমাধান করা।  তিনি কাকাবাবু সিরিজে 36টি উপন্যাস লিখেছেন যা ভারতীয় শিশুসাহিত্যে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।  ১৯৮৫ সালে তিনি তাঁর সেই দিনগুলি (সেই সময়) উপন্যাসের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান।  গঙ্গোপাধ্যায় নীল লোহিত, সনাতন পাঠক এবং নীল উপাধ্যায় নামে কলম ব্যবহার করেছেন।  তিনি বর্তমান যুগের অন্যতম জনপ্রিয়, সৃজনশীল ও নন্দিত বাঙালি লেখক হিসেবে বিবেচিত।

 

বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন।সুনীলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ একা এবং কয়েকজন ’ প্রকাশ পায় ১৯৫৮ সালে ।সুনীলের প্রথম কবিতা দেশ – এ প্রকাশিত হয় , তার প্রথম উপন্যাসও দেশেতেই প্রকাশিত হয় । ‘ আত্মপ্রকাশ ’ বেরোয় ১৯৬৬ তারপর একে একে অরণ্যের দিনরাত্রি , প্রতিদ্বন্দ্বী , অর্জুন , জীবন যে রকম …। ১৯৭১ সালে সন্তু – কাকাবাবু সিরিজ শুরু হয়ে গিয়েছিল । আশির দশকে হাত দিলেন বৃহৎ উপন্যাসে । জন্ম নিল ‘ সেই সময় ‘ । ক্রমান্বয়ে রচিত হলো পূর্ব – পশ্চিম , প্রথম আলো …। উনিশ থেকে আটাত্তর । এর মধ্যে সুনীলের শুধু বইয়ের সংখ্যাই আড়াইশোর বেশি । সম্পাদিত গ্রন্থ পঞ্চাশের অধিক । কবিতা , ছড়া , গল্প , উপন্যাস , ভ্রমণসাহিত্য , নাটক , চিত্রনাট্য , শিশুসাহিত্য – এতগুলি শাখায় সাবলীল বিচরণ ছিল তাঁর।দেশি – বিদেশি অজস্র ভাষায় অনুবাদ হয়েছে তাঁর লেখা । সত্যজিৎ রায় , মৃণাল সেন , তপন সিংহ , গৌতম ঘোষের মতো পরিচালকরা সুনীলের কাহিনি অবলম্বনে চলচ্চিত্র করেছেন । তাঁর গল্প থেকে একাধিক টেলিধারাবাহিক হয়েছে । সুনীলের নিজের চিত্রনাট্যে তৈরি ছবি ‘ শোধ ’ জাতীয় পুরস্কার পায় । ‘ সিটি অফ জয় ’ .ছবির মুখ্য পরামর্শদাতাও ছিলেন সুনীলই । ভালবাসতেন কবিতা পড়তে , গান গাইতে । মঞ্চে অভিনয়ও করেছিলেন । কলকাতার শেরিফ হয়েছিলেন একবার । বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপকও হয়েছিলেন । সাহিত্য অকাদেমির সভাপতির দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন । সুনীলের মতো মজলিসি মানুষ খুব কম দেখা যেত ।

 

পুরষ্কার—

 

১৯৭২: আনন্দ পুরস্কার সাধারণ বিভাগে।

১৯৭৯: আকাশবাণী কলকাতা কর্তৃক “জাতীয় কবি” সম্মান প্রদান করা হয়।

১৯৮৩: সেই সোময় বইয়ের জন্য বঙ্কিম পুরস্কার।

১৯৮৪: সেই সোময় বইটির জন্য সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার।

১৯৮৯: পূর্ব-পশ্চিম বইটির জন্য আনন্দ পুরস্কার।

১৯৮৯: সাহিত্য সেতু পুরস্কার।

১৯৯৯: Annada-Snowcem puroska গল্পটির জন্য Nil Lohiter Golpo

২০০৩: অন্নদাশঙ্কর পুরুষ্কার।

২০০৪: প্রথম আলোর জন্য সরস্বতী সম্মান।

২০১১: হিন্দু সাহিত্য পুরস্কার, সংক্ষিপ্ত তালিকা, ফকির

২০১২: সেরা বাঙ্গালি লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড স্টার আনন্দ দ্বারা।

 

সম্মাননা—

 

২০০২: কলকাতার শেরিফ।

অনারারি ডি.লিট.  বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

 

২২ শে অক্টোবর ২০১২ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কবি লেখক কৃত্তিবাস যুগের প্রানপুরুষ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মহাপ্রয়ান ঘটে ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১২ – ডেভিড প্যাকার্ড, (মার্কিন প্রকৌশলী ও ব্যবসায়ী, হিউলেট প্যাকার্ড কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা)।

১৯১৩ – স্যার জন অ্যান্থনি কোয়েল, (ইংরেজ অভিনেতা ও মঞ্চ নির্দেশক)।

১৯১৭ – (নোবেলজয়ী [১৯৭৫] অস্ট্রেলীয় জৈবরসায়নবিদ) জন কর্নফোর্থ।

১৯২০ – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, (বাঙালি সাহিত্যিক)।

১৯২৫ – (ভারতীয় অভিনেত্রী, গায়ক, এবং পরিচালক) ভানুমতি রামকৃষ্ণ।

১৯২৭ – (ইংরেজি লেখক এবং চিত্রকর) এরিক হিল।

১৯৩৪ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, (পশ্চিমবঙ্গের একজন জনপ্রিয় বাঙালি লেখক এবং কবি)।

১৯৫৪ – (বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নকর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব) শাইখ সিরাজ।

১৯৬৮ – মার্সেল দেসায়ি, (ফরাসি ফুটবলার)।

১৯৮৭ – ইভান রেচেল উড, (মার্কিন অভিনেত্রী, মডেল ও সঙ্গীতজ্ঞ)।

১৮২৬ – রাজনারায়ণ বসু, (বাঙালি চিন্তাবিদ এবং সাহিত্যিক)।

১৮৭০ – (রুশ কথাসাহিত্যিক) আলেকসান্দর কুপ্রিন।

১৮৭০ – (আমেরিকান ক্রীড়াবিদ) টমাস কার্টিস।

১৮৭৭ – (আইরিশ বেসবল প্লেয়ার) মাইক নিল।

১৮৮৭ – গোপিনাথ কবিরাজ, (বাঙালি সংস্কৃত- তন্ত্র পণ্ডিত ও দার্শনিক)।

১৮৯২ – কুমুদশঙ্কর রায় (প্রখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী)।

১৮৯৪ – ভিক রিচার্ডসন, (অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেটার)।

১৭০৭ – জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ, (ফরাসি প্রকৃতিবিদ, গণিতজ্ঞ, জীববিজ্ঞানী, বিশ্বতত্ত্ববিদ এবং লেখক)।

১৫৩৩ – প্রথম এলিজাবেথ, (ইংল্যান্ডের রাণী)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – মিশরে তার প্রথমবারের মতো বহুদলীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০০৮ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বৃহত্তম বন্ধকী অর্থ সংস্থাগুলি, ফ্যানি মে এবং ফ্রেডি ম্যাকের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

২০১০ – সেনাকাকু দ্বীপপুঞ্জের কাছে বিতর্কিত জলে দুটি চীনা জাপানী কোস্টগার্ডের টহল নৌকার সাথে একটি চীন ফিশিং ট্রলার সংঘর্ষে।

২০১১ – রাশিয়ায় একটি বিমান দুর্ঘটনায় লোকোমোটিভ ইয়ারোস্লাভল কন্টিনেন্টাল হকি লীগ দলের প্রায় পুরো রোস্টার সহ ৪৩ জন নিহত হয়েছেন।

২০১২ – কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরানে তার দূতাবাস বন্ধ করে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং পারমাণবিক পরিকল্পনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ওটাওয়া থেকে ইরানি কূটনীতিকদের বহিষ্কারের আদেশ দিয়েছে।

২০১৭ – ৮.২ মেগাওয়াট ২০১৭ এর চিয়াপাসের ভূমিকম্প দক্ষিণ মেক্সিকোতে আঘাত হানে, কমপক্ষে ৬০ জন মারা যায়।

২০১৭ – ইক্যুফ্যাক্স একটি সাইবার-অপরাধ পরিচয় চুরির ঘটনাটি প্রায় ১৪৫ ১-২২ মিলিয়ন মার্কিন গ্রাহককে প্রভাবিত করার সম্ভাব্য ঘোষণা করে।

২০১৯ – ইউক্রেনীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ওলেগ সেন্টসভ এবং ৬৬ ৬৬ জনকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে বন্দী বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

১৯০৪ – দলাইলামার সঙ্গে ব্রিটেনের চুক্তি হয়।

১৯১১ – ফরাসি কবি গিলাউম আপোলিনিয়ার লুভের যাদুঘর থেকে মোনা লিসা চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী হন।

১৯১৯ – মহাত্মা গান্ধীর সম্পাদনায় প্রথম “নবজীবন” গুজরাটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৯২১ – আটলান্টিক সিটিতে, নিউ জার্সিতে, প্রথম মিস আমেরিকা পেজেন্ট, দুই দিনের ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২১ – ক্যাথলিক গির্জার জনগণের বৃহত্তম প্রেরণিক সংগঠন, মেরি অফ লেজিয়ান আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯২৩ – আন্তর্জাতিক অপরাধী পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল) গঠিত হয়।

১৯২৭ – প্রথম সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক টেলিভিশন সিস্টেম ফিলো ফার্নস ওয়ার্থ অর্জন করেছে।

১৯২৯ – স্টিমার কুরু ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরের কাছে নসিজিব্ধরভি হ্রদে ক্যাপসেজ করেছিলেন এবং ডুবেছিলেন। একশত ছত্রিশ জন প্রাণ হারিয়েছে।

১৯৩১ – লন্ডনে দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩২ – চকো যুদ্ধের প্রথম বৃহত্তম যুদ্ধ বোকারেরেনের যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

১৯৩৬ – সর্বশেষ থাইলাসিন, বেনিয়ামিন নামে এক মাংসাশী মার্সুপিয়াল, তাসমানিয়ার হোবার্ট চিড়িয়াখানায় তার খাঁচায় একা মারা যান।

১৯৪০ – রোমানিয়া দক্ষিণ ডোব্রুজাকে ক্রেওভার চুক্তির অধীনে বুলগেরিয়ায় ফিরিয়ে দেয়।

১৯৪০ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মান লুফটওয়াফ ব্লিটজ শুরু করে, লন্ডন এবং অন্যান্য ব্রিটিশ শহরগুলিতে টানা ৫০ টিরও বেশি রাতে বোমা মেরেছিল।

১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: মিলনে বে যুদ্ধের সময় জাপানি সামুদ্রিকরা সরে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

১৯৪৩ – হিউস্টনের উপসাগরীয় হোটেলে আগুনে ৫৫ জন নিহত হয়েছিল।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মানির ১৭ তম আর্মি দক্ষিণ রাশিয়ার কুবান ব্রিজহেড (তামান উপদ্বীপ) সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করে এবং ক্র্যাচিয়ায় ক্র্যাচ স্ট্রেইট পেরিয়ে পাড়ি জমান।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে ওয়েক আইল্যান্ডে জাপানী বাহিনী আমেরিকা সামুদ্রিকদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল।

১৯৪৫ – ১৯৪৫ এর বার্লিন বিজয় প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৭ – ৬-৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে অসাম্প্রদায়িক যুব সংগঠন গণতান্ত্রিক যুবলীগের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৫৩ – নিকিতা ক্রুশ্চেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সচিব নির্বাচিত হন।

১৯৬৫ – ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময়, চীন ঘোষণা করেছিল যে তিনি ভারতের সীমান্তে তার সেনা আরও শক্তিশালী করবে।

১৯৬৫ – ভিয়েতনাম যুদ্ধ: আগস্টের অপারেশন স্টারলাইটের অনুসরণে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিনস এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামী বাহিনী বাতাঙ্গান উপদ্বীপে অপারেশন পিরানহা শুরু করে।

১৯৭০ – জর্ডানে আরব গেরিলা এবং সরকারী বাহিনীর মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছিল।

১৯৭০ – বিল শোয়েমর জনি লংডেনের রেকর্ডকে পরাজিত করে ডেল মার রেসট্র্যাকের ঘোড়দৌড়ের ইতিহাসের বিজয়ী জকি হয়ে উঠল

১৯৭৭ – পানামা খালের অবস্থা নিয়ে পানামা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টরিরিওস – কার্টার চুক্তি স্বাক্ষরিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০ শতকের শেষে পানামায় খালের নিয়ন্ত্রণ স্থানান্তর করতে সম্মত হয়েছে।

১৯৭৭ – কানাডার অন্টারিওয়ের ব্যারি শহরে ৩০০ মিটার লম্বা সিকেভিআর-টিটি ট্রান্সমিশন টাওয়ারটি একটি কুয়াশায় একটি হালকা বিমানের ধাক্কায় পড়েছিল এবং এটি ধসে পড়েছিল। বিমানটিতে আরোহী সবাই মারা গেছে।

১৯৭৮ – লন্ডনের ওয়াটারলু ব্রিজের ওপারে চলার সময়, বুলগেরিয়ান অসন্তুষ্ট জর্জি মার্কভকে বুলগেরিয়ান গোপন পুলিশ এজেন্ট ফ্রান্সেস্কো গুলিনো দ্বারা বিশেষভাবে নকশাকৃত ছাতা থেকে গুলি করা একটি রিকিনের গুলি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

১৯৭৯ – ক্রিসলার কর্পোরেশন দেউলিয়ারতা এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চেয়েছিল।

১৯৮১ – ব্রিটিশ উদ্ভিদ সংস্থা, গুথ্রি সফলভাবে শেয়ার কেনার পরে প্রধান শেয়ারহোল্ডার হওয়ার পরে মালয়েশিয়ার সরকার তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। একে ‘ডন রাইড আক্রমণ’ নামে পরিচিত।

১৯৮৪ – গোজোর সমুদ্রের অবধি অবৈধ আতশবাজি বিক্রি করার সময় মাল্টিজের টহলরত নৌকোয় একটি বিস্ফোরণে সাত সেনা এবং পুলিশ নিহত হয়েছিল।

১৯৮৬ – ডেসমন্ড টুটু কেপটাউনের অ্যাংলিকান ডায়োসিসের নেতৃত্বে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ হন।

১৯৮৮ – মহাকাশের প্রথম আফগান আবদুল আহাদ মহম্মদ মীর মহাকাশ স্টেশনে নয় দিন পর পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

১৯৯৬ – রেপার এবং হিপহপ শিল্পী টুপাাক শাকুর নেভাদারার লাস ভেগাসে একটি ড্রাইভ বাই শুটিংয়ে প্রাণঘাতী গুলিবিদ্ধ হন রং ছয় দিন পর তার চোটে তিনি মারা যান।

১৯৯৭ – লকহিড মার্টিন এফ -২২ র‌্যাপ্টরের প্রথম ফ্লাইট।

১৯৯৯ – .০.০ মেগাওয়াট এথেন্সের ভূমিকম্পে অঞ্চলটি আইএক্স (সহিংস) সর্বাধিক মার্কাল্লি তীব্রতায় প্রভাবিত হয়েছিল, ১৪৩ জন মারা গিয়েছিল, ৮০০-১,৬০০ আহত হয়েছিল এবং ৫০,০০০ গৃহহীন হয়েছিল।

১৮১২ – রাশিয়ায় ফরাসী আগ্রাসন: নেপোলিয়োনিক যুদ্ধের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, বোরোডিনো যুদ্ধ মস্কোর কাছে লড়াই করা হয়েছিল এবং এর ফলে ফরাসিদের বিজয় হয়েছিল।

১৮১৮ – সুইডেনের তৃতীয় কার্ল – নরওয়ে ট্রানড্রিমের নরওয়ের রাজা হলেন।

১৮২২ – ডম পেড্রো প্রথম সাও পাওলোতে ইপিরাঙ্গা ব্রুকের তীরে ব্রাজিলকে পর্তুগাল থেকে স্বাধীন ঘোষণা করে।

১৮৫৭ – মাউন্টেন মেডোস গণহত্যা: মরমন বন্দোবস্তকারীরা শান্তিপূর্ণ, অভিবাসী ওয়াগন ট্রেনের বেশিরভাগ সদস্যকে জবাই করে।

১৮৬০ – ইতালিয়ান একীকরণ: জিউসেপ গারিবলি নেপলসে প্রবেশ করেছে।

১৮৬৩ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: কুইনসি এ গিলমোরের অধীনে ইউনিয়ন সৈন্যরা-সপ্তাহের অবরোধের পরে মরিস দ্বীপে ফোর্ট ওয়াগনারকে ধরে ফেলল।

১৮৬৪ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: ইউনিয়ন জেনারেল উইলিয়াম টেকুমসেহ শেরম্যানের আদেশে আটলান্টা সরিয়ে নেওয়া হয়।

১৮৭৬ – মিনেসোটা, নর্থফিল্ডে জেসি জেমস এবং জেমস – ইয়ংগার গ্যাং শহরের ব্যাঙ্ক ছিনতাই করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সশস্ত্র নাগরিকরা তাড়িয়ে দেয়।

১৭০৬ – স্প্যানিশ উত্তরাধিকার যুদ্ধ: তুরিনের অবরোধের অবসান ঘটল, যার ফলে উত্তর ইতালি থেকে ফরাসি বাহিনীকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

১৭৬৪ – পোলিশ-লিথুয়ানিয়ান কমনওয়েলথের শেষ শাসক হিসাবে স্টিনিসো আগস্ট পোনিয়াটস্কি নির্বাচন।

১৭৭৬ – আমেরিকান পড়ষড়হপনিবেশিক প্রতিবেদন অনুসারে, নিউজয়র্ক হারবারের এইচএমএস ধমগলের ঝাঁকের সাথে টাইম বোমা সংযুক্ত করার চেষ্টা করে এজরা লি টার্টলে বিশ্বের প্রথম সাবমেরিন আক্রমণ করেছিলেন (এই হামলার কোনও ব্রিটিশ রেকর্ড বিদ্যমান নেই)।

১৭৭৮ – আমেরিকার বিপ্লব যুদ্ধ: ফ্রান্স ব্রিটিশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোমিনিকাকে আক্রমণ করেছিল, ব্রিটিশ এমনকি যুদ্ধে ফ্রান্সের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে অবগত হওয়ার আগে।

১৬৫২ – প্রায় ১৫,০০০ হান কৃষক এবং মিলিশিয়া তাইওয়ানের ডাচ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল।

১৬৯৫ – হেনরি প্রত্যেকটি গ্র্যান্ড মুঘল জাহাজ গঞ্জ-ই-সাওয়াই দখল করে ইতিহাসের অন্যতম লাভজনক জলদস্যুদের আক্রমণ চালায়। জবাবে, সম্রাট আওরঙ্গজেব ভারতে সমস্ত ইংরেজী বাণিজ্য শেষ করার হুমকি দিয়েছিলেন।

১৫৭১ – নরফোকের চতুর্থ ডিউক টমাস হাওয়ার্ডকে ইংল্যান্ডের রানী প্রথম এলিজাবেথকে হত্যার রিডলফির ষড়যন্ত্রের ভূমিকার জন্য এবং তাকে স্কটসের রানী মেরির সাথে প্রতিস্থাপনের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

১৩০৩ – গিলাইম ডি নোগারেট ফ্রান্সের চতুর্থ ফিলিপের পক্ষে পোপ বনিফেস অষ্টম বন্দিকে নিয়েছিলেন।

১২২৮ – পবিত্র রোমান সম্রাট ফ্রেডেরিক দ্বিতীয় ইস্রায়েলের একরে অবতরণ করলেন এবং ষষ্ঠ ক্রুসেড শুরু করলেন, যার ফলস্বরূপ জেরুজালেম রাজ্যের শান্তিপূর্ণ পুনঃস্থাপনের ফলস্বরূপ।

১১৫৯ – পোপ আলেকজান্ডার তৃতীয় নির্বাচিত হয়েছে।

১১৯১ – তৃতীয় ক্রুসেড: আরসুফের যুদ্ধ: আরসুফের কাছে সালাউদ্দিনকে পরাজিত করেছিলেন ইংল্যান্ডের রিচার্ড প্রথম।

৮৭৮ – লুই দ্য স্ট্যামেরারকে পশ্চিম ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসাবে পোপ জন পঞ্চম জন দ্বারা অভিষেক করা হয়েছিল।

৭০ – তিতের অধীনে একটি রোমান সেনাবাহিনী জেরুজালেম দখল করে এবং লুণ্ঠন করেছিল।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১০ – (আমেরিকান লেখক) বারবারা হল্যান্ড।

২০১২ – (পাকিস্তানি ফুটবলার) আব্দুল গাফুর।

২০২২ – নিত্যপ্রিয় ঘোষ, (ভারতীয় বাঙালি প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক)৷

১৯০৭ – (প্রথম সাহিত্যে নোবেলজয়ী [১৯০১] ফরাসি কবি) সুলি প্রুদহোম।

১৯১০ – (ইংরেজি চিত্রশিল্পী উইলিয়াম) হলমেন হান্ট।

১৯৩২ – শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী , (বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক, দেশপ্রেমিক ও বক্তা)।

১৯৪৯ – (মেক্সিকান চিত্রশিল্পী) হোস ওরোস্কা।

১৯৭৬ – সুরেন্দ্রমোহন ঘোষ (স্বাধীনতা সংগ্রামী ও যুগান্তর দলের অন্যতম কাণ্ডারি) ।

১৯৯১ – এডউইন মাটিসন ম্যাকমিলান (নোবেল বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী)।

১৯৯৭ – (জায়ারের একনায়ক) মবুতু সেসে সেকো।

১৯৯৯ – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, (প্রথিতযশা ভারতীয় বাঙালি গীতিকার ও সুরকার) ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This