Categories
রিভিউ

আজ ৬ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৬ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় স্বৈরাচার পতন দিবস।

(খ) শৌর্য দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অগ্রণী সংগঠক আবদুল হালিম।

 

১৯১১ – বিপ্লবী দীনেশচন্দ্র গুপ্ত।

 

১৯১৭ – ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা।

 

১৯২০ – জর্জ পোর্টার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯২৮ – ভারততত্ত্বের গবেষক অধ্যাপক তারাপদ মুখোপাধ্যায়।

 

১৯৪২ – পিটার হ্যান্ডকে, অস্ট্রিয়ান লেখক ও নাট্যকার।

 

১৯৫৬ – তারেক মাসুদ, বাংলাদেশের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গীতিকার।

 

১৯৬৭ – জুড আপাটও, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৭৬ – কলিন হাস্কেল, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৭৭ – অ্যান্ড্রু ফ্রেদি ফ্লিনটফ, সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

 

১৯৮৮ – নিলস পিটারসেন, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৯০ – টামিরা পাসযেক, অস্ট্রিয়ান টেনিস খেলোয়াড়।

 

১৮২৩ – ম্যাক্স মুলার, বিখ্যাত ভারত বিদ্যাবিশারদ, সংস্কৃত ভাষার সুপ্রসিদ্ধ পণ্ডিত ও অনুবাদক।

 

১৮৫৩ – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।

১৮৯৮ – গুনার মিরদাল, ১৯৭৪ সালে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ।

১৭৩২ – ওয়ারেন হেস্টিংস, ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল।

১৪৭৮ – বাল্ডাসারে কাস্তিগ্লিওনে, ইতালিয়ান কূটনীতিক ও লেখক।

০৮৪৬ – হাসান আল-আসকারি, সৌদি আরবের ইমাম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – সৌদী আরবের জেদ্দায় মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে সন্ত্রাসী হামলায় ১২ জন নিহত হয়।

২০২০ – প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকার ভুটানের সাথে অগ্ৰাধিকার মূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সাক্ষর করে।

১৯১৬ – সেন্ট্রাল পাওয়ার বুখারেস্ট দখল করে।

১৯১৭ – ফিনল্যান্ড রাশিয়ার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ।

১৯১৭ – কানাডার এক যুদ্ধোপকরণ ঘাটিতে হ্যালিফ্যাক্স বিষ্ফোরনের ফলে ১৯০০’র বেশি মানুষ নিহত।

১৯২১- ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মাঝে আংলো-আইরিশ চুক্তি হয়।

১৯২২ – স্বাধীন আইরিশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত।

১৯৪১ – ব্রিটেন ফিল্যান্ড, রোমানিয়া আর হাংগেরি বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ঘোষণা করে।

১৯৪২ – কলম্বাস কর্তৃক হাইতি আবিষ্কার।

১৯৫৭ – পৃথিবীর প্রথম উপগ্রহ স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

১৯৫৮ – বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

১৯৬৫ – পাকিস্থানের ইসলামী দার্শনিকরা প্রাইমারী থেকে স্নাতক পর্যন্ত ইসলামীক স্টাডিস বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে বলে।

১৯৬৬ – প্রথম এশিয়ার নবোদিত শক্তি গেমস কাম্পুচিয়ার রাজধানী নমপেনে সমাপ্ত হয়।

১৯৭১ – দেশের প্রথম স্বাধীন জেলা হিসেবে যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল।

১৯৭১ – মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, যশোরের চৌগাছা, দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ, রংপুরের পীরগঞ্জ, কুড়িগ্রামের উলিপুর, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, ও নেত্রকোনার দুর্গাপুর পাকিস্থানী হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ – ভারত এবং ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয়।

১৯৮৪ – চীনের সংবাদ সমিতির যুক্ত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৯ – পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্রের অবসানের পর প্রথম অকমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা। মানফ্রেড গেরল্যাচ রাষ্ট্রপ্রধান নিযুক্ত।

১৯৯০ – বাংলাদেশে স্বৈরশাসক, জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর পতন ঘটে।

১৯৯২ – কয়েক হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘স্বেচ্ছাসেবক’ দ্রুত বেগে ভারতের উত্তর প্রদেশের বাবরি মসজিদের দিকে ছুটে যায় এবং তা ভেঙ্গে দেয়। এই নিয়ে যে দাঙ্গা বাধে তাতে প্রায় ১৫০০ মানুষের মৃত্যু হয় ।

১৯৯৪ – ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আর উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের মধ্যে দু’দেশের রাজধানীতে যার যার লিয়াজোঁ কার্যালয়ের স্থাপন নিয়ে বৈঠক হয়।

১৯৯৮ – সন্ধ্যায় ত্রয়োদশ এশীয় গেমস থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়।

১৮৪৯ – আমেরিকার মৃত্যুদন্ড প্রথা বিলোপপন্থি হ্যারিয়েট টোবম্যান দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন।

১৮৫৭ – কানপুরের যুদ্ধে স্যার কলিন ক্যাম্পবেল বাহিনীর কাছে সিপাহি বিদ্রোহীদের পরাজয়।

১৮৬৫ – যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী দাসত্ব প্রথা নিষিদ্ধ হয়।

১৮৭৭ – পৃথিবী বিখ্যাত পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম প্রকাশ হয়।

১৮৭৭ – বিখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন তার ফনোগ্রাফ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রথম শব্দ রের্কড করতে সক্ষম হন।

১৮৮৪ – ওয়াশিংটন মনুমেন্টের কাজ শেষ হয়।

১৮৯৭ – লন্ডন বিশ্বের প্রথম শহর হিসাবে টেক্সিক্যাবের অনুমোদন দেয়।

১৭৬৮ – বিশ্বকোষ এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটেনিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৭৯০ – আমেরিকার কংগ্রেস স্থান পরিবর্তন করে নিউ ইর্য়ক থেকে ফিলাডেলফিয়াতে চলে আসে।

১৫৩৪ – ইকুয়েডরের কুইটো শহর স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সেবাস্টিয়ান ডি বালকাজার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৪৯২ – প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে ক্রিস্টোফার কলম্বাস নতুন পৃথিবীর হিসপানিওলা (ডমিনিকান রিপাবলিক ও হাইতি) দ্বীপ আবিষ্কার করেন।

১২৪০ – মোঙ্গল আক্রমনে রুশ সাম্রাজ্য থেকে কিয়েভ বিচ্ছিন্ন হয়। কিয়েভ মঙ্গল নেতা বাটু খানের আওতায় আসে।

৭৩১ – সমরখন্দের তৃতীয় যুদ্ধ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আজিজ মিয়া, পাকিস্তানি কাউয়ালি গায়ক ও কবি।

২০০৫ – ডেভান নাইর, মালয়েশিয়ার বংশোদ্ভূত সিঙ্গাপুরের রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট।

 

২০১০ – সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়,প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, পাঞ্জাবের রাজ্যপাল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০১৬ – জয়ললিতা, সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়্গম পার্টির নেত্রী, তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০২০ – মনু মুখোপাধ্যায়, ভারতের বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বিখ্যাত অভিনেতা।

 

১৯২২ – মরমী সাধক হাসন রাজা।

 

১৯৫৬ – ভীমরাও রামজি আম্বেডকর, ভারতীয় জাতীয়তাবাদী, আইনজ্ঞ এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা।

 

১৯৯১ – রিচার্ড স্টোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৯৩ – ডন আমেচা, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

১৮৩৭ – জোশুয়া মার্শম্যান বৃটিশ ভারতের বঙ্গে খ্রিষ্টান ধর্মপ্রচারক ।

 

১৮৮৯ – জেফারসন ডেভিস, আমেরিকান সাধারণ এবং রাজনীতিবিদ, আমেরিকা কনফেডারেট যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

ভারতবর্ষের  সংবিধান নির্মাতা, ভারতরত্ন, বাবা সাহেব ডঃ ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

একজন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারক হিসেবে আধুনিক ভারতে আম্বেদকরের প্রভাব লক্ষণীয় ছিলো। স্বাধীনতাত্তোর ভারতে তাঁর সামাজিক রাজনৈতিক চিন্তাধারা সমগ্র রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সম্মান অর্জন করে। তার যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো অনেকের জীবনেই প্রভাব ফেলে এবং আজকের ভারতে দলিতদের আর্থসামাজিক অবস্থার উত্তরণে আইনি এবং অন্যান্য সাহায্য প্রদানে সাহায্য করে। ভীমরাও রামজি আম্বেদকর (১৪ই এপ্রিল ১৮৯১ – ৬ই ডিসেম্বর ১৯৫৬), যিনি বাবাসাহেব আম্বেদকর নামেও পরিচিত, তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় ব্যবহারশাস্ত্রজ্ঞ (জ্যুরিস্ট), রাজনৈতিক নেতা, বৌদ্ধ আন্দোলনকারী, দার্শনিক, চিন্তাবিদ, নৃতত্ত্ববিদ, ঐতিহাসিক, সুবক্তা, বিশিষ্ট লেখক, অর্থনীতিবিদ, পণ্ডিত, সম্পাদক, রাষ্ট্রবিপ্লবী ও বৌদ্ধ পুনর্জাগরণবাদী।

 

তিনি ভারতের সংবিধানেরবখসড়া কার্যনির্বাহক সমিতির সভাপতিও ছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদী এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। ইনি ভারতের সংবিধানের মুখ্য রচয়িতা । ২০১২ সালে হিস্ট্রি টি. ভি.১৮ আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারতীয়দের ভোটের দ্বারা তিনি “শ্রেষ্ঠ ভারতীয়”ও নির্বাচিত হন।

ভীমরাও রামজি আম্বেদকর ভারতের গরীব “মহর”  পরিবারে (তখন অস্পৃশ্য জাতি হিসেবে গণ্য হত) জন্ম গ্রহণ করেন। আম্বেদকর সারাটা জীবন সামাজিক বৈষম্যতার , “চতুর্বর্ণ পদ্ধতি”-হিন্দু সমাজের চারটি বর্ণ এবং ভারতবর্ষের অস্পৃশ্য  প্রথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে গেছেন। তিনি বৌদ্ধ ধর্মে ধর্মান্তরিত হন এবং হাজারো অস্পৃশ্যদের থেরবাদী বৌদ্ধ ধর্ম  স্ফুলিঙ্গের মতো রূপান্তরিত করে সম্মানিত হয়েছিলেন। আম্বেদকরকে ১৯৯০ সালে মরণোত্তর  “ভারতরত্ন” – ভারতের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় উপাধি’তে ভূষিত করা হয়। বহু সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে, ভারতের মহাবিদ্যালয় শিক্ষা অর্জনে আম্বেদকর প্রথম “সমাজচ্যুত ব্যক্তি”  হিসেবে পরিণত হয়েছিলেন। অবশেষে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং লন্ডন অর্থনীতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি (বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ উপাধি) লাভ করার পর, আম্বেদকর বিদ্বান ব্যক্তি হিসেবে সুনাম অর্জন করেন এবং কিছু বছর তিনি আইন চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন, পরে তিনি ভারতের অস্পৃশ্যদের সামাজিক অধিকার ও সামাজিক স্বাধীনতার উপর ওকালতির সময় সমসাময়িক সংবাদপত্র প্রকাশ করেছিলেন। কিছু ভারতীয় বৌদ্ধালম্বীদের দ্বারা তিনি “বোধিসত্ত্ব” (গৌতম বুদ্ধের পূর্ব জন্ম) উপাধিতে সম্মানিত হয়েছিলেন ,যদিও তিনি নিজেকে “বোধিসত্ত্ব” হিসেবে কখনো দাবি করেননি।

১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার দিন, নব্য গঠিত কংগ্রেসশাসিত সরকার আম্বেদকরকে জাতির প্রথম আইন মন্ত্রী পদ অর্পণ করেন, যা তিনি সানন্দে গ্রহণ করেছিলেন। ২৯ই আগস্ট, আম্বেদকরকে সংবিধান খসড়া সমিতির সভাপতি করা হয়, যা স্বাধীন ভারতের নতুন সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে বিধানসভা কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়। আম্বেদকর তাঁর সহকর্মী ও সমসাময়িক পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এই কাজে আম্বেদকর প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মে সঙ্ঘের-চর্চা নিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় গ্রন্থে অধিক পড়াশোনাই অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিলো। ব্যালটের দ্বারা ভোট প্রদান, তর্ক-বিতর্কের ও অগ্রবর্তী নীতিমালা, করণীয় বিষয়সূচী, সভা-সমিতি ও ব্যবসায় সংক্রান্ত প্রস্তাবনা সমূহের ব্যবহার ইত্যাদি সংঘ চর্চা দ্বারা সমন্বয় সাধিত হয়। সংঘ চর্চা প্রাচীন ভারতের কিছু রাষ্ট্রীয় প্রজাতান্ত্রিক উপজাতিগোষ্ঠী যেমন শাক্যবংশ (Shakyas) ও লিচ্ছবিররা (Lichchavis) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। অতঃপর আম্বেদকর যদিও তার সাংবিধানিক অবয়ব তৈরিতে পশ্চিমা প্রণালীর ব্যবহার করেন, বস্তুত এর অনুপ্রেরণা ছিলো ভারতীয়, বাস্তবিকপক্ষে উপজাতীয়।
গ্রানভিলে অস্টিন আম্বেদকর কর্তৃক প্রণীত ভারতীয় সংবিধান খসড়াকে বর্ণনা দেন এভাবে “একনিষ্ঠ ও সর্বোত্তম সামাজিক নথি পত্র।”… ‘অধিকাংশ ভারতের সংবিধানের অধিকাংশ অনুচ্ছেদ স সামাজিক বিপ্লব এবং সামাজিক বিপ্লব পরিপোষণের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে। ” আম্বেদকর কর্তৃক প্রণীত ভারতীয় সংবিধানে সর্বাধিক অধিকারসুরক্ষা জনসাধারণের প্রতি প্রদান করা হয়েছে -যেমন ধর্মীয় স্বাধীনতা, অস্পৃশ্যতা বিলোপ এবং সব ধরনের বৈষম্য বিধিবহির্ভূতকরণ। আম্বেদকর নারীদের অধিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের জন্য যুক্তি প্রদর্শন করেন। তিনি এতে বিধানসভার সমর্থন অর্জন করে সিডিউল কাস্টেসভুক্ত নারী সদস্যদের বা সিডিউল উপজাতীয়দের জন্য বেসরকারি খাতে বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় কর্মক্ষেত্রে চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করে কোটার ব্যবস্থা করেন। ভারতের আইন প্রণেতারা আশা করেন এর মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক বিভাজন দূর হবে ও ভারতীয় অস্পৃশ্যরা অধিক সুযোগ-সুবিধা পাবে।
১৯৪৯ সালের ২৬ই নভেম্বর গণ-পরিষদ কর্তৃক সংবিধানটি গৃহীত হয়। আম্বেদকর ১৯৫১ সালে হিন্দু কোড বিল খসড়াটি সংসদে পড়ে থাকার কারণে।(stalling in parliament) রাখার কারণে মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। হিন্দু কোড পৈতৃক সম্পত্তি, বিবাহ ও অর্থনীতি আইনের আওতায় লিঙ্গসমতার নীতি প্রতিষ্ঠা করে। প্রধানমন্ত্রী নেহেরু, মন্ত্রিসভা ও অনেক কংগ্রেস নেতারা একে সমর্থন জানালেও বেশিরভাগ সাংসদ এর সমালোচনা করেন। আম্বেদকর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৯৫২’র নির্বাচনে লোকসভায় (lower house of parliament) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, কিন্তু হেরে যান। তাকে পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদে সমাসীন করা হয়। ১৯৫২ সালের মার্চ মাসে এবং মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি এই সদস্যপদে বহাল ছিলেন।

আম্বেদকরের জন্য তাঁর দিল্লীসভা ২৬ আলীপুর রাস্তায় একটি স্মারক স্থাপিত হয়। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করে আম্বেদকর জয়ন্তী বা ভীম জয়ন্তী হিসেবে পালিত হয়। তাঁকে মরণোত্তর ১৯৯০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ উপাধি “ভারত রত্ন” দেয়া হয়েছিল। তাঁর সম্মানে বহু সরকারি প্রতিষ্টানের নামকরণ করা হয়।

১৯৪৮ সাল থেকে আম্বেদকর ডায়াবেটিস রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবনতির জন্য ১৯৫৪ সালে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন ও একপর্যায়ে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন ।রাজনৈতিক কারণে তিনি ক্রমশ অনেক তিক্তবিরক্ত হয়ে উঠেন, যা তাঁর স্বাস্থ্যের কাল হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৫৫ সালের পুরোটা জুড়ে তিনি প্রচুর কাজ করার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অধিকতর অবনতি হয়। টানা তিন দিন “বুদ্ধ ও তাঁর ধর্ম” বইটির সর্বশেষ পাণ্ডুলিপি তৈরির পর তিনি ৬ই ডিসেম্বর ১৯৫৬ সালে তার দিল্লীর নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় চির নিদ্রায় শায়িত হন।

 

।।তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া  ও ইন্টারনেট থেকে সংকলিত ।।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

বিপ্লবী দীনেশচন্দ্র গুপ্ত – জন্ম দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল কিছু মানুষের কঠোর পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। ভারত উপমহাদেশের বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারত স্বাধীন হয়। এই অন্দোলনে যে সকল বিপ্লবীর নাম সর্বজন স্বীকৃত তাঁদের মধ্যে দীনেশচন্দ্র গুপ্ত   প্রথমসারির একজন অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন।  দীনেশচন্দ্র গুপ্ত  ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি দেশমতৃকার শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন সম্পূর্ণ রূপে।

 

দীনেশচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী একজন স্বনামধন্য বাঙালি বিপ্লবী। তিনি দীনেশ গুপ্ত নামেই সমধিক পরিচিত। তিনি ঢাকা ও মেদিনীপুরে বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। মেদিনীপুরে তাঁর সংগঠন পরপর তিন জন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে হত্যা করেছিল।

 

বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তের জন্ম হয় ১৯১১ সালের ৬ ডিসেম্বর (বাংলা ১৩১৮ সালের ২০ অগ্রহায়ণ) তদনীন্তন ঢাকা জেলার (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মুন্সীগঞ্জ জেলা) যশোলঙে। তাঁর পিতার নাম সতীশচন্দ্র গুপ্ত ও মায়ের নাম বিনোদিনী দেবী। দীনেশ গুপ্তের ডাকনাম ছিল নসু।চার ভাই ও চার বোনের মধ্যে দীনেশ ছিলেন পিতামাতার তৃতীয় সন্তান। সতীশচন্দ্র ছিলেন ডাক বিভাগের কর্মচারী। চাকরির সূত্রে তিনি কিছুকাল গৌরীপুরে অবস্থান করেন। গৌরীপুরের পাঠশালাতেই দীনেশের শিক্ষারম্ভ। পরে নয় বছর বয়সে ভর্তি হন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে। প্রথম দিকে দীনেশ ঢাকার গ্যান্ডারিয়া অঞ্চলে দাদুর বাড়িতে বাস করতেন, পরে উয়াড়িতে পৈত্রিক বাসভবনে চলে আসেন। বাল্যকাল থেকেই দীনেশ ছিলেন নির্ভীক, বেপরোয়া ও বাগ্মী। এই সময় থেকেই তাঁর মনে স্বদেশ চেতনা ও ব্রিটিশ বিরোধিতার আদর্শ সঞ্চারিত হয়েছিল।

 

এলাকায় তিনি ‘নসু’ নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। দীনেশচন্দ্র ঢাকা কলেজে অধ্যয়ন করেন।
সাহসিকতাপূর্ণ কর্মতৎপরতার জন্য দীনেশচন্দ্র বিপ্লবী সংগঠন বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স (বিভি) বাহিনীর সাধারণ সদস্য থেকে ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন। ঢাকা জেলায় এবং পরে মেদিনীপুরে বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। এ সংগঠনের প্রভাবেই বিপ্লবী দল মেদিনীপুরে একে একে তিন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সমর্থ হয়।

১৯৩০ সালের ৮ ডিসেম্বর, বিনয় বোসের নেতৃত্বে বাদল গুপ্ত এবং দীনেশ চন্দ্র কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণ করে, কারা বিভাগের অত্যাচারী ইন্সপেক্টর-জেনারেল সিম্পসনকে হত্যা করে এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ইউরোপীয় কর্মচারীকে গুরুতরভাবে আহত করে।  এ ঘটনায় গ্রেফতার এড়াতে এই বিপ্লবী বিষ পান করে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।  বিনয় ও বাদল মারা যায় এবং দীনেশ গুরুতর আহত হয় এবং তাকে বাঁচানোর অনেক চেষ্টার পর হাসপাতালে আনা হয়।  কিন্তু দীনেশের দেশপ্রেম এতটাই গভীর ছিল যে অনেক চেষ্টা করেও সরকার তার কাছ থেকে কোনো স্বীকারোক্তি আদায় করতে পারেনি।
সরকার বিরোধী কার্যকলাপ ও হত্যার অভিযোগে অবশেষে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।  মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষায়, নির্ভীক দীনেশ জেলে বসে কিছু মূল্যবান চিঠি লিখেছিলেন, যাতে বিপ্লবীদের বীরত্বগাথা, আত্মত্যাগের গৌরব এবং গভীর দেশপ্রেম প্রকাশ করা হয়েছিল।  চিঠিগুলো সমাজে শ্রেষ্ঠ সাহিত্য হিসেবে স্বীকৃত ও সমাদৃত।

 

 

 

১৯৩১ সালের ৭ জুলাই মাত্র ১৯ বছর বয়সে আলিপুর জেলে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

 

বাংলাসহ ভারতের অন্যান্য অংশে বিনয়, বাদল এবং দিনেশকে শহীদ হিসেবে সম্মান করা হয়। পরবর্তীকালে কলকাতার প্রসিদ্ধ লালদীঘি ময়দান বিনয়-বাদল-দীনেশ এ তিন নবীন বীরের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়, যা সংক্ষেপে ‘বিবাদী বাগ’ নামে পরিচিত।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

মরমী সাধক ও আধ্যাত্মিক কবি দেওয়ান হাসন রাজার প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।।

হাসন রাজার জন্ম ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর  সেকালের সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ শহরের নিকটবর্তী সুরমা নদীর তীরে লক্ষণছিরি (লক্ষণশ্রী) পরগণার তেঘরিয়া গ্রামে। হাসন রাজা জমিদার পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন প্রতাপশালী জমিদার। হাসন রাজা তাঁর তৃতীয় পুত্র।

পনেরো বছর বয়সে পিতৃবিয়োগ হলে সংসার ও জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হয়। হাসন বেশ সুপুরুষ দর্শন ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত। তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় সহস্রাধিক গান এবং পঙক্তি রচনা করেছেন। এছাড়াও আরবি ও ফার্সি ভাষায় ছিল বিশেষ দক্ষতা।
যৌবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৌখিন ও ভোগবিলাসী, কিন্তু পরিণত বয়সে সব বিষয়-সম্পত্তি বিলি-বণ্টন করে দরবেশ জীবন যাপন করেন। তারই উদ্যোগে সুনামগঞ্জ হাসন এম ই স্কুল, অনেক ধর্ম-প্রতিষ্ঠান ও আখড়া স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়ের অনেক মেধাবী ছাত্রের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও তিনি করতেন। কিন্তু হাসন রাজার কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও হাসন রাজা ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত ব্যক্তি। তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় এক হাজার আধ্যাত্মিক গান রচনা করেন।

 

মরমী সাধক ও আধ্যাত্মিক কবি দেওয়ান হাসন রাজার গানে সহজ সরল স্বাভাবিক ভাষায় মানবতার চিরন্তন বাণী যেমন উচ্চারিত হয়েছিল। সকল ধর্মের বিভেদ অতিক্রম করে তিনি গেয়েছেন মাটি ও মানুষের গান। তাই তিনি এখনো বেঁচে আছেন সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের মাঝে।
‘মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে কান্দে হাসন রাজার মনমুনিয়া রে’, ‘আমি না লইলাম আল্লাজির নাম না কইলাম তার কাম- বৃথা কাজে হাসন রাজায় দিন গুজাইলাম’ আবার ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো সোনা বন্ধে আমারে পাগল করিল- আরে না জানি কি মন্ত্র করি জাদু করিল’ – হাসন রাজার এমন অনেক গান আজো মানুষে মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। বলা যায় চিরন্তন সংগীতে রূপ পেয়েছে হাসন রাজার এসব গান।
লোভ লালসার বাইরে থেকে সহজ সরল জীবন যাপনে রচনা করে গেছেন অসংখ্য লোকগান। মরমী এই সাধকের জন্ম-মৃত্যুতে বরাবরই খুব একটা আয়োজন থাকে না সুনামগঞ্জে। তবে এবছর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী একসঙ্গে পালন করবে জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও হাসন রাজা ট্রাস্ট।
মরমী সাধক হাসন রাজা জীবদ্দশায় প্রায় ২০০ গান রচনা করেছেন।  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও ১৯২৫ সালে কলকাতায় এবং ১৯৩৩ সালে লন্ডনে হিবার্ট বক্তৃতায় হাসন রাজার দুটি গানের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু প্রখ্যাত এই মরমী সাধকের জীবন-দর্শন ও গানের চর্চা এখন আর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হয় না বললেই চলে।

 

তিনি গানের ভণিতায় নিজেকে ‘পাগলা হাসন রাজা’, ‘উদাসী’, ‘দেওয়ানা’,  ‘বাউলা’ ইত্যাদি বলে অভিহিত করেছেন। তিনি কৈশোর ও যৌবনে শ্রীকৃষ্ণের নানাবিধ লীলায় অভিনয়ও করেছেন। হাছন উদাস (১৯০৭), শৌখিন বাহার, হাছন বাহার ইত্যাদি গ্রন্থে তাঁর গানগুলি সংকলিত হয়েছে।
দর্শনচেতনার সাথে মরমী সাধনা ও সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়েছে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে লালন শাহ এর প্রধান পথিকৃৎ। এর পাশাপাশি নাম করতে হয় ইবরাহীম তশ্না দুদ্দু শাহ্, পাঞ্জু শাহ্, পাগলা কানাই, রাধারমণ দত্ত, আরকুম শাহ্, শিতালং শাহ, জালাল খাঁ এবং আরও অনেকে।

১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখা হাসন রাজা মিউজিয়ামে অনেকেই আসেন দূর-দূরান্ত থেকে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৫ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস।

(খ) জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দিবস (বাংলাদেশ)।

 

(গ) বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ওয়াল্ট ডিজনি, একজন মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক, কাহিনীকার, নেপথ্য কন্ঠ শিল্পী ও অ্যানিমেটর ছিলেন।

১৯০১ – (ক) প্রমথ ভৌমিক, একজন সাম্যবাদী বিপ্লবী, সাংবাদিক ও কৃষক নেতা।

 

(খ) ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ, নোবেল বিজয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯০৫ – কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

 

১৯১১ – প্রবাদপ্রতিম গীতিকার ও কবি প্রণব রায় (গীতিকার)।

 

১৯১৩ – গোপাল ঘোষ, খ্যাতনামা বাঙালি চিত্রশিল্পী।

 

১৯২৫ – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্র সঙ্গীতের বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার।

১৯৩২ – শেল্ডন গ্ল্যাশো,মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৩৯ – বাসবী নন্দী, ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৮৩০- ইংরেজ মহিলা কবি ক্রিশ্চিনা রসেটি।

১৮৯০ – ফ্রিৎস ল্যাং, একজন অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার।

১৪৪৩ – পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াস।

১৩৭৭ – চীনের সম্রাট জিয়ান ওয়েন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৩ – দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন রলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা মৃত্যুবরণ করেন ।

১৯১৭- ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯১৭ – রাশিয়ার বিপ্লবী সরকার ও জার্মানির মধ্যে সন্ধি চুক্তি হয়।

১৯২৯ – আইরিনা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৩২- জার্মান বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন আমেরিকার ভিসা পান।

১৯৩৩ – উটাহ ৩৬তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আমেরিকার সাথে যুক্ত হয়।

১৯৩৫ – কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৩৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নতুন সংবিধান অনুমোদিত হয়। এর মাধ্যমে ১৯২৪ সালে প্রণীত ফেডারেল সংবিধান বাতিল হয়ে যায়।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরী ও রোমানিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৩- জাপানী বোমারু বিমান কলকাতায় বোমা বর্ষণ করে।

১৯৫০- কোরিয় যুদ্ধ চলাকালে চীনের সৈন্যরা উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং-এ প্রবেশ করে।

১৯৫৫ – এডগার নিক্সন ও রোসা পার্কস আমেরিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মন্টেগোমারীতে বাস বয়কট আন্দোলন শুরু করেন। সে সময় নিক্সনকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৬৯ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-পাকিস্তানের নামকরণ করেন ‘‘ বাংলাদেশ ”।

১৯৭১- ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কমান্ড গঠন করে মিত্রবাহিনী নাম গ্রহণ করে।

১৯৭১ – পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মৌলভীবাজারের জুড়ী এলাকাকে (বর্তমান জুড়ী উপজেলা) শত্রুমুক্ত করে।

১৯৭৭ – মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত সিরিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও দক্ষিণ ইয়েমেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

১৯৮৩ – আর্জেন্টিনায় সামরিক জান্তা সরকারের পতন।

১৯৮৫ – যুক্তরাজ্য ইউনেস্কোর সদস্যপদ প্রত্যাহার করে।

১৯৮৭- পানামার জাতীয় পতাকা ধারী একটি মালবাহী জাহাজ স্পেনের উত্তর উপকূলীয় ফিনিস্টেলে জলসীমা থেকে প্রায় ১৫ নটিকল-মাইল দূরে যায়। জাহাজের ২৩ জন চীনা নাবিক প্রাণ হারান।

১৯৯২ – আলবেনিয়াকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৯ – যানজট এড়াতে ব্যাংককে আকাশ ট্রেন সার্ভিস চালু।

১৯৯৫- হংকং-র সবোর্চ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো চীনা ভাষায় মামলা পরিচালিত হয়।

১৯৯৬- ম্যাডেলিন অলব্রাইট যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

১৮০৪ – টমাস জেফারসন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮১২ – রাশিয়ায় লজ্জাজনক পরাজয়ের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে ফিরে যান।

১৮৪৬ – দুদু মিয়া কর্তৃক নীলকুঠি আক্রমণ।

১৮৫৪ – অ্যারোন অ্যালেন রিভলবিং থিয়েটার চেয়ার প্যাটেন্ট করেন।

১৮৭৯ – প্রথম স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন সুইচিং সিস্টেম প্যাটেন্ট করা হয়।

১৮৯৩- চীন আর ব্রিটেনের মধ্যে ‘চীন-ব্রিটেন সম্মেলন তিব্বত-ভারত চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৫৭ – প্রুশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে অস্ট্রিয়া পরাজিত হয়।

১৭৬৬ – লন্ডনে প্রথম নিলাম ডাক শুরু হয়।

১৭৯১ – অস্ট্রীয় মিউজিক কম্পোজার ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট ভিয়েনায় ৩৫ বছর বয়সে মারা যান।

১৭৯২ – জর্জ ওয়াশিংটন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৪৫৬ – নেপলসে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

১৩৬০ – ফ্রান্সের মুদ্রা ফ্রাঁ চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯২৬ – ক্লোদ মনে, ফ্রান্সের এক বিখ্যাত ধারণাবাদী (ইম্প্রেশনিস্ট) চিত্রশিল্পী।

 

১৯৫০ – অরবিন্দ ঘোষ, বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, আধ্যাত্মসাধক এবং দার্শনিক।

 

১৯৫১ – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, খ্যাতিমান ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং লেখক।

১৯৫৭ – উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুযুর্গ হযরত মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)।

 

১৯৬১ -ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৬৩ – হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, বিখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।

১৯৮১- সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেন।

 

১৯৮৬ – ভারতের ভৌত রসায়ন বিজ্ঞানের পথিকৃৎ ড. নীলরতন ধর।

 

১৯৯৩ – সত্য চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

 

১৮৭০ – আলেক্সাঁদ্র্ দ্যুমা, বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক।

 

১৮৯০ – অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার ফ্রিৎস ল্যাং।

 

১৭৯১ – ভোল্‌ফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট, অস্ট্রীয় সুরকার।

১৫৬০ – ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফ্রাঙ্কোইস।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস, জানব দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২৩ :  মাটি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশগুলির মধ্যে একটি।  তারা আমাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, খাদ্য আইটেম বৃদ্ধির জন্য বিছানা, এবং বিভিন্ন প্রজাতির আবাসস্থল।  মাটির মান বজায় রাখা এবং মাটির গুণাগুণ স্বাস্থ্যকর তা নিশ্চিত করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।  শিল্পায়ন এবং দুর্বল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনেক জায়গায় মাটির গুণমানকে অবনমিত করেছে, যা মাটির ক্ষয়, উর্বরতা হ্রাস এবং জৈব পদার্থের ক্ষতির দিকে পরিচালিত করে।  মাটির গুণাগুণ বজায় রাখার তাৎপর্য এবং আমাদের জীবন এবং খাদ্য ব্যবস্থায় এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করার জন্য প্রতি বছর বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত হয়।

 

তারিখ : বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর পালিত হয়। এই বছর, বিশেষ দিনটি মঙ্গলবার পড়ে।

 

ইতিহাস :  জুন ২০১৩ সালে, FAO সম্মেলন বিশ্ব মৃত্তিকা দিবসকে অনুমোদন করে এবং পরে 68তম ইউনাইটেড ন্যাশনাল জেনারেল অ্যাসেম্বলির কাছে যায় এবং এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করে।  ২০১৩ সালের শেষের দিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ কে প্রথম সরকারী বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস হিসাবে মনোনীত করে।

তাৎপর্য:

“বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২৩ (WSD) এবং এর প্রচারণার লক্ষ্য টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা অর্জনে মাটি ও জলের মধ্যে গুরুত্ব এবং সম্পর্ক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। WSD একটি অনন্য বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম যা শুধুমাত্র মৃত্তিকা উদযাপন করে না বরং আশেপাশের নাগরিকদের ক্ষমতায়ন ও নিযুক্ত করে।  পৃথিবী মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে, “জাতিসংঘ তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লিখেছে।  জাতিসংঘ আরও যোগ করেছে টেকসই মাটি ব্যবস্থাপনা অনুশীলন ন্যূনতম চাষ, ফসলের ঘূর্ণন, জৈব পদার্থ সংযোজন, এবং কভার ক্রপিং মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে এবং মাটির ক্ষয় কমাতে পারে এবং জলের অনুপ্রবেশ ও সঞ্চয় বাড়াতে পারে।  “এই অনুশীলনগুলি মাটির জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে, উর্বরতা উন্নত করে এবং কার্বন সিকোয়েস্টেশনে অবদান রাখে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে,” জাতিসংঘ যোগ করেছে।

 

WSD ২০২৩ থিম : “মাটি এবং জল: জীবনের একটি উৎস” (Soil and water: a source of life) সেক্রেটারিয়েট এবং অংশীদারদের জন্য উদযাপনে আরও বেশি লোক এবং দেশকে যুক্ত করার একটি সুযোগ হবে, কারণ জলের থিম আলোচ্যসূচিতে অত্যন্ত উচ্চ এবং বিশ্বব্যাপী সমস্ত দেশের জন্য প্রাসঙ্গিক।  .

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস, জানবো দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস : আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস একটি বিশ্বব্যাপী পালন যা বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানকে উদযাপন করে এবং স্বীকৃতি দেয়।  এটি এমন ব্যক্তিদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টার প্রশংসা করার একটি সুযোগ হিসাবে কাজ করে যারা তাদের সম্প্রদায় এবং এর বাইরে ইতিবাচক পরিবর্তন করতে তাদের সময় এবং দক্ষতা উত্সর্গ করে।বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টা এবং তাদের অবদানকে সমর্থন করার জন্য সরকারকে স্বীকৃতি দিতে এবং উত্সাহিত করার জন্য আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালিত হয়।  আসুন আমরা আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস, কীভাবে এটি উদযাপন করা হয় এবং ২০২৩ এর জন্য এর থিম সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখি।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩ কবে?

প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালন করা হয়।  এই তারিখটি স্বেচ্ছাসেবকদের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বগুলিকে স্বীকার করার এবং উদযাপন করার এবং সমাজে স্বেচ্ছাসেবীর প্রভাবের প্রতিফলন করার সুযোগ দেয়।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩ : এই দিনটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনের উপরও আলোকপাত করে এবং স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায় তৈরিতে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজকে হাইলাইট করে।  এটি প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর পালন করা হয়।  জাতিসংঘের মতে, আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস স্বেচ্ছাসেবকদের স্বীকৃতি প্রদান করে এবং উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবকতাকে একীভূত করতে অংশীদারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে শান্তি ও উন্নয়নের প্রচার করে।  এটি স্বেচ্ছাসেবক এবং সংস্থাগুলির জন্য তাদের প্রচেষ্টা উদযাপন করার, তাদের কাজের প্রচার করার এবং সম্প্রদায়, বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), জাতিসংঘের সংস্থা, সরকারী কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারী সেক্টরের মধ্যে তাদের মূল্য ভাগ করে নেওয়ার জন্য একটি অনন্য সুযোগ প্রদান করে।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩ : থিম।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩  এই থিমের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, “যদি সবাই করে…” (“If everyone did…”) দিনটি প্রত্যেক ব্যক্তির অংশগ্রহণ এবং অবদানের দাবি রাখে।  আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২২ এর থিম হল “স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে সংহতি”।  থিমটি স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন চালনা করার জন্য মানবতার সম্মিলিত শক্তির প্রচারের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  এই দিনটি তাদের সময় এবং দক্ষতা স্বেচ্ছাসেবী করে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের সুযোগও দেয়।  নিঃসন্দেহে, স্বেচ্ছাসেবকতার মাধ্যমে, সমগ্র বিশ্বের সম্প্রদায়গুলি সংহতি এবং অন্তর্ভুক্তিকে শক্তিশালী করেছে।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস : ইতিহাস।

১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রথম অনুমোদন করে এবং প্রতি বছর ৫ ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উদযাপন শুরু করে।  এই দিবসটি উদযাপন অনেক স্বেচ্ছাসেবককে সংগঠিত হতে সাহায্য করে এবং অংশীদার এবং সরকারী সংস্থার সাথে একত্রে কাজ করতে সাহায্য করে যাতে সমস্ত দেশে দেশীয় স্বেচ্ছাসেবকতা প্রচার এবং চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রোগ্রামের জন্য একটি কাঠামো সেট করা যায়।  এই স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইন স্বেচ্ছাসেবী পরিষেবাগুলি ব্যবহার করে এবং ক্রমাগত মানব উন্নয়নের জন্য একটি কর্ম পরিকল্পনা প্রস্তুত করে।  এটা দেখা যায় যে সমস্ত সংস্কৃতি, ভাষা এবং ধর্মে স্বেচ্ছাসেবী কাজ পাওয়া গেছে।  বিশ্বকে একটি ভাল জায়গা করে তুলতে, অনেক লোক তাদের সময় এবং দক্ষতা স্বেচ্ছাসেবক করতে এবং অন্যদের ভালবাসা উন্নত করতে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে।  স্বেচ্ছাসেবকতার সময়, তারা তাদের সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত হওয়ার একটি বৃহত্তর অনুভূতি অর্জন করে।

 

কিভাবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস 2023 এ অংশগ্রহণ করবেন?

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে অংশগ্রহণ করা আপনার সম্প্রদায়ের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি এবং সমর্থন করার একটি চমৎকার উপায়।  এখানে জড়িত হওয়ার কিছু উপায় রয়েছে:–

 

আপনার সময় স্বেচ্ছাসেবক: আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতার সাথে সারিবদ্ধ একটি কারণ বা সংস্থার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বিবেচনা করুন।  আপনার অবদান, যতই ছোট হোক না কেন, একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আনতে পারে।

 

একজন স্বেচ্ছাসেবককে ধন্যবাদ: আপনি ব্যক্তিগতভাবে বা আপনার সম্প্রদায়ের মধ্যে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য সময় নিন।  একটি সাধারণ “ধন্যবাদ” তাদের প্রচেষ্টাকে স্বীকার করার জন্য অনেক দূর যেতে পারে।

 

স্বেচ্ছাসেবক ইভেন্টে যোগ দিন: অনেক সম্প্রদায় স্বেচ্ছাসেবক কাজ প্রদর্শনের জন্য আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে ইভেন্ট এবং কার্যক্রম সংগঠিত করে।  আপনার সমর্থন দেখানোর জন্য এই ইভেন্টগুলিতে যোগ দিন।

 

স্বেচ্ছাসেবক সংস্থাগুলিকে দান করুন: স্বেচ্ছাসেবক সংস্থাগুলিতে আর্থিক অবদান তাদের প্রোগ্রাম এবং উদ্যোগগুলিকে সমর্থন করতে সহায়তা করতে পারে।  এমনকি একটি পরিমিত দান ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবকদের গল্প শেয়ার করুন: আপনার সম্প্রদায়ের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী স্বেচ্ছাসেবকদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প শেয়ার করতে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।  স্বেচ্ছাসেবক আন্দোলনে যোগ দিতে অন্যদের উৎসাহিত করুন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ

কালজয়ী গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার-এর জন্ম দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্র সঙ্গীতের একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার।  বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা চলচ্চিত্র ও আধুনিক সঙ্গীতের জগতকে যারা উষ্ণ রেখেছেন তাদের মধ্যে তিনি একজন।  গান রচনায় তাঁর বিশেষত্ব শব্দ চয়ন।  মান্না দের ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ গানটি 2004 সালের বিবিসি জরিপে সর্বকালের সেরা 20টি বাংলা গানের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

জন্ম —

 

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ১৯২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বর্তমান পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  বাচ্চু ছিল তার ডাকনাম।  তাঁর পিতা গিরিজাপ্রসন্ন মজুমদার ছিলেন একজন বিখ্যাত উদ্ভিদবিদ।

 

তাঁর জনপ্রিয় কিছু গান—

 

তাঁর কিছু গান আজও মানুষের মুখে মুখে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। যেমন – অলির কথা শুনে বকুল হাসে, এই মোম জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে, গানে মোর ইন্দ্রধনু, মাগো, ভাবনা কেন, আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে, ও নদীরে একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে, এই সুন্দর স্বর্ণালি সন্ধ্যায়, এ কী বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন, কেন দূরে থাকো শুধু আড়াল রাখো কে তুমি কে তুমি  আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা, কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আমায় ডাকো, এই পথ যদি না শেষ হয়, প্রেম একবার এসেছিল নীরবে, এমন দিন আসতে পারে, আমি যামিনী তুমি শশী হে, কী আশায় বাঁধি খেলাঘর, তোমার সমাধি ফুলে ফুলে ঢাকা, ও মালিক সারাজীবন কাঁদালে, শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি আকাশে বাতাসে ওঠে রণি… বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ, নীড় ছোট আকাশ তো বড়, পথের ক্লান্তি ভুলে, তুমি না হয় রহিতে কাছে, আমার গানের স্বরলিপি প্রভৃতি।

 

পুরস্কার ও সম্মাননা—-

 

মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, ২০১২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাকে “মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা” প্রদান করে।

 

মৃত্যু—

 

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

 

 

Share This
Categories
কবিতা

শজনেপাতায় শিশির বিন্দু : রাণু সরকার।

শজনেপাতার প’রে শিশির বিন্দু চঞ্চল উছলে পড়ার ভাবে আছে,
কাছে কোনো প্রসূন নেই,
আকাঙ্ক্ষা হলো তাই স্বেচ্ছায় গেলাম।
নধর পল্লবের গভীরতা কম তবুও জলের নিচে নিমজ্জিত হোলাম, উদ্যত কিনা- হয়তো কলি হয়ে আছে স্পর্শের অনটনে-
অপেক্ষায় থেকে থেকে হয়েছে প্রৌঢ়।
কী জানি কবে জ্যোতির অভাবে ভাপসা হয়েছে লাবণ্য-
নেই কোন খুশির আমেজ,
এখনো আকাঙ্ক্ষা হয় বিসর্জনের- শজনেপাতায় শিশির বিন্দুর গভীরে চিরস্থায়ী
নিমজ্জন।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৪ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৪ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ভারতীয় নৌবাহিনী দিবস।

(খ) স্বেচ্ছাসেবক দিবস (বাংলাদেশ)।

(গ) বাংলাদেশ জাতীয় বস্ত্র দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১০ – আর. ভেঙ্কটরমন,ভারতীয় আইনজ্ঞ,স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৫ – কাজী আবদুল বাসেত, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী এবং চারুকলা বিষয়ের শিক্ষক।

 

১৯৮৩ – কাজী মারুফ বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৯১ – সারাহ ভিঞ্চি , অস্ট্রেলিয়ার ১ পয়েন্ট হুইল চেয়ার বাস্কেটবল খেলোয়াড়।

 

১৮৭৫ – জার্মান কবি রাইনার মারিয়া রিলকে।

 

১৮৮৮ – রমেশচন্দ্র মজুমদার, ভারতের বাঙালি অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ।

 

১৮৯৩ – দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেতা ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৪ – মুম্বইয়ে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া-র উদ্বোধন হয়।

১৯৫৩ – শেরে বাংলা, ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠন।

১৯৫৯ – সেচ ও বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপায়নের লক্ষ্যে ভারত ও নেপালের মধ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৫ – আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড সময় বিকেল সাতটা ত্রিশ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেনেডী কেপ থেকে হারকিউলিস-২ রকেট দিয়ে “জেমিনি ৭.” উপগ্রহ ধরনের নভোযান উৎক্ষেপন করে।

১৯৭০ – পল্টনে বিশাল জনসমুদ্রে মওলানা ভাসানীর স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান দাবি উত্থাপন।

১৯৭১ – ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১ -এ ভারতীয় নৌবাহিনী পাকিস্তানি নৌবাহিনীর চারটি জাহাজ নষ্ট করে দেয়।

১৯৭৪ – শ্রীলংকায় বিমান দুর্ঘটনায় ১৯১ জন নিহত হয়।

১৯৭৫ – সুরিনাম জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৮০ – ড্রামার জন বনহ্যামের মৃত্যুতে (২৫ সেপ্টেম্বর) লিজেন্ডারী ইংরেজ রক ব্যান্ড লেড জেপ্লিন ভেঙ্গে যায়।

১৯৮১ – দিল্লি কুতুবমিনার এলাকায় পদপিষ্ট হয়ে ৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯০ – গণআন্দোলনের মুখে বাংলাদেশের ৯ বছরের প্রেসিডেন্ট এরশাদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা।

১৯৯১ – সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।

১৯৯১ – বৈরুতে সাংবাদিক টেরি এ অ্যান্ডারসন সাত বছর বন্দি থাকার পর মুক্তি লাভ করেন।

১৯৯৩ – ইয়েলৎসিনের অনুগত ট্যাংক ও সাঁজোয়া বাহিনী ১০ ঘণ্টা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পার্লামেন্ট ভবন দখল করে নেয় এবং ১০০০ বিদ্রোহীকে গ্রেফতার করে।

১৯৯৬ – মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে নভোযান পাথফাইন্ডার আমেরিকার ফ্লোরিডা থেকে উড্ডয়ন করে।

১৯৯৫ – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুইজ জাভাস্ক্রিপ্ট এর যাত্রা শুরু।

১৯৯৯ – মিছেল ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পার্টির প্রথম নারী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

১৮২১ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তারাচরণ দত্তের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘সম্বাদ কৌমুদী’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮২৯ – লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক আইন করে সতীদাহ প্রথা বন্ধ করে দেন।

১৮৩৩ – আমেরিকায় দাসপ্রথাবিরোধী সংগঠন গড়ে ওঠে।

১৮৯৯ – প্রথমবারের মতো টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্যে এই জ্বরের ভ্যাকসিন মানব দেহে ব্যবহার করা হয়।

১৭৯১ – বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন বরিবাসরীয় ব্রিটেনে দি অবজার্ভার পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৭৯৮ – ইংল্যান্ডে আয়কর প্রবর্তিত হয়।

১৬৪৪ – শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৫৩৪ – তুরস্কের সুলতান সুলেমান বাগদাদ দখল করেন।

১১৫৪ – ৪র্থ অড্রিয়ান পোপ নির্বাচিত হন। তিনিই একমাত্র ইংরেজ যিনি পোপ পদে অধিষ্ট হয়েছেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – কলিন কাউড্রে, ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার ও অধিনায়ক।

২০১৬ – অরুণকুমার বসু, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও কালজয়ী বাংলা গানের স্রষ্টা।

 

২০১৭ – (ক) পূরবী মুখোপাধ্যায় প্রথিতযশা রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

 

(খ) শশী কাপুর,বিখ্যাত ভারতীয় অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

২০১৯ – বব উইলিস, সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক, কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার ও তিন দশক ধরে ধারাভাষ্যকার।

 

২০২২ – বিশ্বের সেরা ১০ টেনিস সেরা তারকার কোচ নিক বলেতিয়েরি।

 

১৯৮৯ – সৈয়দ মুহাম্মদ আহসান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

 

১১৩১ – ফারসি কাব্য সাহিত্যের অবিস্মরণীয় কবি ওমর খৈয়াম।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This