Categories
বিবিধ

রাজ্য নেতৃত্বের ঘোষণায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি হলেন সৃঞ্জয় সান্যাল।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আজ রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে সারা রাজ্য ব্যাপী জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতির নাম ঘোষনা হয়েছে সেই মতো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে নব নিযুক্ত সভাপতি হলেন সৃঞ্জয় সান্যাল। এদিন তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় পাশাপাশি মিষ্টি মুখ করা হয়। বরণ করে নেন জেলা তৃণমূলের সম্পাদক তথা প্রাক্তন শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি প্রীতম রাম মন্ডল, পাশাপাশি তাকে বরণ করে নেয় শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস। সভাপতি জানান আগামী দিনে তার নতুন পরিকল্পনা থাকবে কাজ করার , ছাত্র সমাজ যে এগিয়ে নিয়ে যেতে তার থাকবে নতুন ভাবনা নতুন ভাবে সে কাজ করবে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হিলির যুবক, পরিবারের শোকের ছায়া ত্রিমোহনীতে।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- হিলি ব্লকের ত্রিমোহনীর চক দাপটে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী এক যুবক। মৃতের নাম মনোজ চক্রবর্তী বয়স ২৮ বছর। গত মঙ্গলবার বিকেলে তার বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ঠাকুরপুড়া এলাকায় বিষ পান করে সে । এলাকাবাসী বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। এরপর তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর চারটে নাগাদ তার মৃত্যু হয়। আজ দুপুর একটা নাগাদ বালুরঘাট পুলিশ মর্গে মৃতদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। কি কারনে সে আত্মঘাতী হলো সেই বিষয়ে তদন্তে হিলি থানার পুলিশ।

Share This
Categories
নারী কথা বিবিধ

প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে অন্যের জীবন রক্ষা, গর্বিত মেচেদা RPF জওয়ান কিমিদি সুমাথি।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- মেচেদা স্টেশনে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা এক ব্যক্তির,প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে প্রাণ বাঁচালেন RPF কিমিদি সুমাথি,স্বর্ণপদক দিয়ে পুরস্কার প্রদান রেলমন্ত্রীর।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদা স্টেশনে ট্রেন লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করল এক ব্যক্তি, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ওই ব্যক্তির প্রাণ বাঁচালো RPF কিমিদি সুমাথি, এরপর ওই RPF কে স্বর্ণপদক দিয়ে সম্মান জানালো কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তে যথেষ্ট খুশির হাওয়া মেচেদা স্টেশন এলাকা জুড়ে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ বিবিধ

চক্ষুদানে নাকি দুলে ওঠে প্রতিমা! মানিকোড়ার ডাকাত কালীতে অলৌকিক রহস্য।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – আদিবাসী অধ্যুষিত সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রাচীন রীতি মেনে আজও মশাল জ্বালিয়ে পূজিতা হন মানিকোড়া কালী তথা ডাকাত কালী। ডাকাতদের হাতে পূজিতা দেবী এখন মানিকোড়া কালী নামে পরিচিত। শোনা যায় দেশ ভাগের আগে ডাকাতদের দল প্রায় ৩০০ বছর আগে রাতের অন্ধকারে মানিকোড়ায় দেবীর পুজো দিতে আসত। পুনর্ভবা নদী পেরিয়ে রাতের অন্ধকারে একদল ডাকাত জঙ্গলে ঘেরা মানিকোড়ায় দেবীর পুজো দিতে আসত। এই দেবী জাগ্রত বলে দাবি স্থানীয়দের৷ সূর্য ওঠার আগেই পুজো দিয়ে আবার নিজেদের ডেরায় ফিরে যেত ডাকাতরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুজো উদ্যোক্তাদের পরিবর্তন ঘটেছে। ব্রিটিশ আমলে স্থানীয় এক জমিদার জঙ্গলে ঘেরা এই পরিত্যক্ত পুজোর বেদি খুঁজে পান। এরপর থেকে বংশপরম্পরায় জমিদারদের উদ্যোগে এই পুজো হত। আগে পাঁঠা বলির সময় শেকল দিয়ে বাঁধা থাকত দেবীমূর্তি। তবে এখন আর শেকল বাঁধা হয় না। তবে দেবীর চক্ষুদানের সময় কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় মন্দিরের সদর দরজা।
কথিত রয়েছে, চক্ষুদানের সময় নাকি দেবীমূর্তি দুলতে থাকে। তাই আগে শেকল দিয়ে বাঁধা হতো প্রতিমা। এখন আর সেই নিয়ম নেই। এখন শুধু  কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ভক্তদের কাছে জাগ্রত মালদার হবিবপুর ব্লকের মানিকোড়া ডাকাত কালী। পুজোকে ঘিরে সাতদিন ব্যাপী চলে মেলা, গানের আসর।
মালদার হবিবপুরের মানিকোড়া গ্রামের এই কালি পুজোকে ঘিরে রয়েছে নানান গল্প। সেখানে গেলেই শোনা স্থানীয়দের মুখে এই সব গল্প পুজোর কাহিনী। এই পুজো ডাকাত দলের হাত ধরেই সূচনা। অবিভক্ত বাংলায় (বর্তমানে বাংলাদেশ) থেকে ঘন জঙ্গলে ডাকাতেরা পুজো শুরু করেছিলেন এখানে। কালী পুজোর রাতে ঘন জঙ্গলে মশাল জ্বালিয়ে পুজো করত রাতভোর তারপর প্রতিমা বিসর্জন করে চলে যেত ডাকাত দল।  ডাকাতেরা পুজো বন্ধ করলে স্থানীয় জমিদার সেই কালী পুজো করে আসছে দীর্ঘদিন। তারপর স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাঁধে পুজোর দায়িত্ব তুলে দেন জমিদার। বর্তমানে মানিকোড়া গ্রামের বাসিন্দারা মিলিত হয়ে এই কালী পুজো করছেন। একসময়ের ডাকাত কালী এখন সার্বজনীন কালী পূজা হিসাবেই পরিচিত।
পৌরাণিক মতে, একবার মায়ের মন্দিরের পাশ দিয়ে এক শাঁখারি শাঁখা বিক্রি করতে যাচ্ছিল। সেই সময় এক অল্প বয়সী যুবতী তার কাছ থেকে শাঁখা নিয়ে হাতে পড়ে। তখন শাঁখারি তার কাছ থেকে শাঁখার দাম চায়। উত্তরে যুবতী বলে তার বাবা দাম মিটিয়ে দেবে। কিন্তু কোথায় তার বাবা?এদিক ওদিক মুখ ঘোরাতেই দেখে সেই যুবতী নেই। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে মন্দিরের সেবায়েত (কালি বাবা নামে পরিচিত) আসছিলেন। তখন শাঁকাড়ি তাকে বলে যে তার মেয়ে শাঁখা পরেছে তার দাম দিতে। শুনে সেবায়েত অবাক হয়ে বলে যে তার কোন মেয়ে নেই। তাই শাঁখা পড়ার প্রশ্নই উঠেনা। তখন সেবায়েতের দৃষ্টি যায় মন্দিরের পাশে পুকুরের দিকে দেখে জল থেকে দুটি হাত উঠে আছে। সেই দুই হাতে শাঁখাড়ির পড়ানো শাঁখা দেখা যাচ্ছে।সেবায়েতের বুঝতে দেরি হয়না যে স্বয়ং দেবী মা কালীই সেই শাঁখা পড়েছে।
এদিকে মানিকোড়া ডাকাত কালী ভক্তদের কাছে খুবই জাগ্রত। প্রতিবছর এই কালীপুজোয় দুই থেকে তিন হাজার ছাগ বলি হয়ে থাকে। শুধুমাত্র মালদা জেলা নয় বর্তমানে রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে থেকে বহু ভক্তের সমাগম ঘটে এই কালীপুজোয়। বর্তমানে কালীপুজোকে ঘিরে এক বিশাল মেলার আয়োজন করে থাকেন গ্রামের বাসিন্দারা। দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এই কালীপুজো ও মেলা দেখতে আসেন। সাত দিন ব্যাপি চলে কালীপুজোর মেলা। জাগ্রত এই মায়ের পুজো শুধুমাত্র কালি পুজোয় নয় সারা বছর মঙ্গল ও শনিবার হয়ে থাকে। ভক্তদেরও ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। ডাকাতদের হাত ধরে পূজোর সূচনা। তবে ঠিক কত প্রাচীন এই কালীপুজো তা জানা নেই স্থানীয়দের। শুধুমাত্র লোকমুখেই প্রচলিত রয়েছে ডাকাতদের হাত ধরেই শুরু পুজো। সেই পুজো জমিদার বাড়ির হাত ঘুরে বর্তমানে সার্বজনীন।

Share This
Categories
বিবিধ

বেকারত্ব ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে রণকৌশল ঠিক করল সিপিআইএম — গরবেতায় শ্রমিক সম্মেলন উত্তেজনা ছড়াল।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের গরবেতা শহরের সিপিআইএম দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গনে এলাকার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হয় বৃহস্পতিবার, এই দিন এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উত্তম মণ্ডল,সনৎ চক্রবর্তী, দিবাকর ভূঁইয়া,তপন ঘোষ, সামেদ গায়েন সহ অন্যান্য সিপিআইএমের নেতাকর্মীরা। মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যে এ রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার এবং এই রাজ্যে বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ার কারণে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে এই অভিযোগ তুলে বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে আগামী দিনে কি কি প্রতিবাদ কর্মসূচি করবে সেই বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম নেতাকর্মীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

পুরনো মামলায় নতুন গ্রেপ্তার! মালদার ভূতনি থেকে এনআইএ-র হাতে ধরা সিটুন ওরফে সিটু।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরের পুরানো বোমা তৈরির মামলায় এনআইএ’র হাতে গ্রেপ্তার মালদার মানিকচকের এক বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার মানিকচকের ভূতনির জগন্নাথটোলার বাসিন্দা সিটুন মণ্ডল ওরফে সিটুকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তাকে এনআইএ’র স্পেশাল কোর্টে হাজির করা হবে। ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি এলাকার একটি আম বাগানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সিটু সহ তিনজন আহত হয়। পরের দিন তাঁদের গ্রেপ্তার করে মানিকচক থানার পুলিশ। সিটু জমিন পেয়ে যায় তিন মাস পরে। এরপরই এনআইএ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। সিটুকে হাজিরা দিতে বলা হয়। কিন্তু সে হাজিরা দেয়নি বলে অভিযোগ। পরে এনআইএ আদালত তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি করে। অবশেষে এদিন তাকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। সিটুর আইনজীবী…. বলেন আগে বাকি দুই অঅভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছিল এনআইএ। পরে অবশ্য তাঁরা ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

তৃণমূল কর্মী ও ভক্তদের মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দি হলেন বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট তারকা তথা বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ — প্যান্ডেলে ঢুকতেই তৃণমূল কর্মী ও ভক্তদের মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দি হলেন বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট তারকা তথা বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান। টিভির পর্দার পর প্রথমবার ক্রিকেট তারকা দেখতে যুবকদের উপচে পড়ে ভিড়। ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেগ পেতে হয়। মঞ্চে উঠেও সেলফিতে মাতেন কর্মী ও ভক্তরা। বৃহস্পতিবার মালতীপুরে ওই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বকসির উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনী ও শারদ সম্মান জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ক্রিকেট তারকা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তজমুল হোসেন। ইউসুফ পাঠান মঞ্চে বক্তব্য দিয়ে বলেন, রাজ্য সরকারের মানুষের জন্য একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে চলেছেন। বিশেষ করে মহিলাদের সম্মান জানিয়ে লক্ষ্ণীর ভান্ডার,কন্যাশ্রী,রূপশ্রী ও স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প চালু করেছেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দিদির হাত আরও শক্ত করতে হবে।পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সম্প্রীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। সবশেষ জয় বাংলা শ্লোগান তুলে কর্মীদের উচ্ছ্বসিত করেন পাঠান।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাট পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনীর পাশাপাশি সম্বর্ধনা জ্ঞাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বালুরঘাট পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ ষোলই অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বিজয়া সম্মিলনীর পাশাপাশি সম্বর্ধনা জ্ঞাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিজয়া সম্মিলনীতে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেতৃত্বদের পাশাপাশি বালুরঘাট পৌরসভার সমস্ত ওয়ার্ডের পৌর প্রতিনিধি ও ওয়ার্ড সভাপতিদের এবং বিভিন্ন নেতৃত্বদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে বালুরঘাট ব্লক স্তরের পাশাপাশি জেলা স্তরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতৃত্বদেরও অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পাশাপাশি পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় শিল্পী এবং শহরের স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা নাচ, গান ও আবৃত্তির পরিবেশনের মধ্য দিয়ে একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এমনটাই জানালেন বালুরঘাট পৌরসভার পৌরাধ্যক্ষ তথা পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর প্রতিনিধি অশোক কুমার মিত্র।

Share This
Categories
বিবিধ

উড়িষ্যার মন্দির থিমে সেজে উঠছে বালুরঘাটের চকভৃগু প্রিন্স ক্লাব, উদ্বোধনে স্বামী বিষ্ণুরূপানন্দজী।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- এবছর এই ক্লাবের বালুরঘাটের ঐতিহ্যবাহী চকভৃগু প্রিন্স ক্লাবের এবছর চৌষট্টিতম বর্ষের কালীপুজোর প্রস্তুতি পর্ব চলছে জোড় কদমে, এখানকার কালীপুজোতে এবছর উড়িষ্যার মন্দিরের আদলে পুজো মণ্ডপ ফুটে উঠবে। পুজো মণ্ডপ তৈরি করছে মণ্ডপ শিল্পী লিটন ভৌমিক, পুজো মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চকভৃগুর স্বনামধন্য মৃৎশিল্পী উত্তম পালের আটবাংলা সাজের প্রতিমা ফুটে উঠবে। আলোকসজ্জায় মৃদুল পাল এবং শব্দ পরিবেশনে শেখর মহন্ত। প্রতিবছরই বালুরঘাট শহরের প্রিন্স ক্লাবের কালীপুজোতে কিছু না কিছু নতুনত্বের ছোঁয়া লক্ষ্য করা যায়, সেই কারণে এখানকার পুজোতে দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে। আগামী উনিশে অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যা ছটায় ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ বালুরঘাট শাখার অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী বিষ্ণুরূপানন্দজী মহারাজ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পুজোর শুভ উদ্বোধন করবেন। এইদিনের বর্ণময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে উত্তম ঢাকি ও তার সম্প্রদায়ের ঢাক পরিবেশন। প্রিন্স ক্লাবের এবারের কালীপুজোর বিষয়ে এমনটাই জানালেন পুজো কমিটির সম্পাদক লেনিন সরকার।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাটের ‘তারাঁকালী’ থানে আজও টিকে আছে ডাকাতদের পূজোর অনন্য প্রথা।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রবেশ মুখে ৫১২ নং জাতীয় সড়কের পাশে রঘুনাথপুর এলাকায় অবস্থিত ‘তারাঁকালী’ ডাকাতদের এককালে পূজিত গুপ্ত থান। আত্রেয়ী নদীর তীরে জঙ্গলে ঢাকা এই থানে ডাকাতরা নদী পথে এসে রাতে পূজো দিয়ে ডাকাতি করতে যেতেন।
​এই থানের বিশেষত্ব হলো, প্রতিমা রাতেই এনে পূজো হয় এবং আকাশে তারা থাকতে থাকতেই তা আত্রেয়ীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। প্রাচীন এই থানে কোনো স্থায়ী চালা নেই, কেবল দীপান্বিতা অমাবস্যায় বাঁশের অস্থায়ী চালার নিচে পূজো হয়ে থাকে। অতীতে বাঘছালের বদলে বর্তমানে কাপড়ের শাড়ি পড়ানো হলেও মায়ের মাহাত্ম্য ও পূজোর জৌলুস আজও একই আছে। এলাকার মানুষ প্রাচীন প্রথা মেনেই প্রতি বছর ধুমধাম করে এখানে কালীপূজার আয়োজন করেন।

Share This