Categories
বিবিধ

ছট পূজা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, ধর্ম-বর্ণ ভেদে একত্র হল চন্দ্রকোনার মানুষ।।

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ , চন্দ্রকোনা রোড:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনা রোডের ছোট বাচ্চা থেকে দুর্লভগঞ্জে পালন হলো ছট পূজো, ছট পূজা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে।

হিন্দুদের এই পূজার কখন উৎপত্তি হয়েছিল তার কোনো স্পষ্ট নিদর্শন পাওয়া যায় না। কিন্তু কিছু পৌরাণিক আখ্যানে ছট পূজার নীতি নিয়মের সঙ্গে মিল থাকা উৎসব দেখা যায়। ঋগ্বেদের শ্লোকসমূহে সূর্য্যবন্দনার স্পষ্ট নিদর্শন আছে। ভারতীয় সভ্যতার সঙ্গে গ্রীক, রোমান, মিশরীয় ইত্যাদির সভ্যতাসমূহেও সূর্য্য মূখ্য দেবতা ছিলেন। সেভাবে ঊষাও বৈদিক দেবী। বেদে উল্লেখ থাকা মতে, তিনি হলেন পূর্বের দেবী এবং অশ্বিনীকুমারদের মাতা। অগ্নি, সোম এবং ইন্দ্র ইত্যাদি দেবতা সকলের পরে তিনি হলেন অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈদিক দেবী। রাত্রি হল তার ভগ্নী যাকে হয়তো পরে পৌরাণিক যুগে সন্ধ্যা এবং ছায়ারূপে কল্পিত করা হয়েছে। রামায়ণে উল্লেখ থাকা মতে, রামের কুলদেবতা সূর্য্যের জন্য রাম এবং সীতা এই পূজা করেছিলেন। মহাভারতে উল্লেখ থাকা মতে, দ্রৌপদী ধম্য ঋষির উপদেশ মতে সূর্য্যকে আরাধনা করে অক্ষয় পাত্র লাভ করেছিলেন। সঙ্গে মহাবীর কর্ণের কোমর পর্যন্ত জলে নেমে সূর্য্যের উপাসনা করা উল্লেখ আছে। আজও ছট পূজা উদ্‌যাপন করা সকল মানুষকে কোমর পর্যন্ত জলে নেমে সূর্য বন্দনা করতে দেখা যায়। অন্য এক আখ্যান মতে, পাণ্ডু ঋষি হত্যার পাপের প্রায়শ্চিত্তের কারণে পত্নী কুন্তীর সঙ্গে বনে থাকায় পুত্র প্রাপ্তির জন্য সরস্বতী নদীর পারে সূর্য্য উপাসনা এবং ব্রত করেছিলেন।
পুরাণ মতে, প্রথম মনু প্রিয়বতের কোনো সন্তান ছিল না। তাই তার পিতা কাশ্যপ মুনি পুত্রেষ্ঠী যজ্ঞ করতে পরামর্শ দেন। এর ফলে তার পত্নী মালিনী একটি মৃত পুত্র জন্ম দিলেন। মৃত শিশু দেখে তারাও বিলাপ করতে থাকায় আকাশ থেকে এক দিব্য কন্যা প্রকট হলেন। তিনি নিজেকে ব্রহ্মার মানস পুত্রী বলে পরিচয় দিলেন এবং মৃত পুত্রকে স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে সে জীবিত হয়ে উঠল। এখনও ঊষা দেবী বা ছটি মায়ের মূর্তি কোলে কিছু থাকা অবস্থায় কল্পনা করা হয় এবং পুত্র প্রাপ্তির জন্য ব্রত উপাসনা করা হয়।
তদুপরি লৌকিক দেবী হিসাবে অন্য বহু লোককথা আখ্যান হিসাবে মানুষের মুখে মুখে চলে আসছে।

ছট পূজায় কোনো মূর্তি উপাসনার স্থান নেই। এতে ডুবিত এবং উদিত সূর্যকে পূজা করা হয়। আজকাল পূজা অনুষ্ঠিত করা কমিটিগুলিকে সকল ঘাটের কাছে সূর্যের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে দেখা যায়। পূজার দুদিন আগে লাউ ভাত এবং একদিন আগে দুধ-ভাত খাওয়ার পর, ৩৬ ঘণ্টার এক কঠোর ব্রত পালন করতে হয়। পূজায় সম্পূর্ণ সাত্বিক নৈবেদ্য ইত্যাদি কুলো, ডালা বা পাচিতে রেখে উৎসর্গ করা হয়। বিভিন্ন ফলমূল, মিষ্টি ইত্যাদির সঙ্গে পরম্পরাগত বিহারী লোকখাদ্য “ঠেকুয়া” প্রস্তুত করে নৈবেদ্যরূপে প্রদান করা হয়। এই সময় নুন-মশলাবর্জিত সম্পূর্ণ নিরামিষ খাদ্য গ্রহণ করা হয়। পূজার শেষে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীদের প্রসাদ বিতরণ এই পূজার অন্যতম নিয়ম। এই পূজায় অনেককে বাগরি নদীর ঘাটে গিয়ে পূজা করার দৃশ্যও দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে এই পূজা এক সর্বজনীন রূপ পেয়েছে। বিভিন্ন ভাষাভাষী, ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষ এই পূজার মাহাত্ম্য উপলব্ধি করে পূজায় সামিল হতে শুরু করেছেন।

চারদিনের এই ব্রতের প্রথম দিনে ব্রতধারী বাড়িঘর পরিষ্কার করে স্নান সেরে শুদ্ধাচারে নিরামিষ ভোজন করেন (যাকে নহায়-খায় বলা হয়)। পরদিন থেকে উপবাস শুরু হয়; ব্রতী দিনভর নির্জলা উপবাস পালনের পর সন্ধ্যায় পূজার শেষে ক্ষীরের ভোগ গ্রহণ করেন (এটি খরনা নামে পরিচিত)। তৃতীয় দিনে নিকটবর্তী নদী বা জলাশয়ের ঘাটে গিয়ে অন্যান্য ব্রতীর সাথে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য অর্থাৎ দুধ অর্পণ করা হয়। ব্রতের শেষদিনে পুনরায় ঘাটে গিয়ে উদীয়মান সূর্যকে পবিত্র চিত্তে অর্ঘ্যপ্রদানের পর উপবাসভঙ্গ করে পূজার প্রসাদরূপে সাধারণত বাঁশ নির্মিত পাত্রে (বা সুপে) গুড়, মিষ্টান্ন, ক্ষীর, ঠেকুয়া, ভাতের নাড়ু এবং আখ, কলা, মিষ্টি লেবু প্রভৃতি ফল জনসাধারণকে দেওয়া হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

তৃণমূল থেকে বিজেপিতে ভাঙনধারা অব্যাহত, ধূপগুড়িতে পলাশ বসাকের নেতৃত্বে যোগদান কর্মীদের।

জলপাইগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে শাসকদল তৃণমূলে ভাঙনের অভিযোগ উঠেছে। ধূপগুড়ি পশ্চিম মণ্ডলের মাগুরমারি ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই দলবদলের ফলে উত্তরবঙ্গে বিজেপির শক্তি বাড়ল বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।
বিজেপির ধূপগুড়ি মণ্ডলের সভাপতি পলাশ বসাক এই যোগদানের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রায় ৫০ জনেরও বেশি তৃণমূল কর্মী-সমর্থক তাদের দলে যোগ দিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে পলাশ বসাক তাদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন।

Share This
Categories
বিবিধ

হাসমত শেখের বিলাসবহুল সাম্রাজ্য ভাঙতে মাঠে মালদা পুলিশ, তদন্তে নারকোটিকস ব্যুরোও।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – আবারো বড় সাফল্য মালদা জেলা পুলিশের । কলকাতার নিউ মার্কেট থেকে গ্রেপ্তার মাদক পাচারকারবারি কিং পিং। মালদা পুলিশের জালে আন্ত:রাজ্য মাদক পাচার চক্রের পান্ডা। পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে মাদক পাচার কাণ্ডে মোস্ট ওয়ান্টেড হাসমত শেখ-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার আরও দুই সঙ্গীকেও। মালদার কালিয়াচকের শাহবাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামুনটোলার বাসিন্দা হাসমত। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খন্ড মনিপুর প্রভৃতি একাধিক রাজ্যে মাদক কারবারের বড়সড় চক্র তৈরি করেছিল হাসমত। এরআগেই হাসমত গ্রুপের অন্তত একশো মাদক কারবারিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও একাধিক রাজ্যের তার মাদক চক্র সক্রিয় বলে জেনেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে। হাসমতের সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে তার আরও দুই সাগরেদ সাব্বির শেখ এবং রবিউল শেখ- কে। সাব্বির মালদার কালিয়াচকের শাহবাজপুরের বাসিন্দা। রবিউলের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে। হাসমত এরাজ্যে ব্রাউন সুগার তৈরি এবং ডিস্ট্রিবিউশনের অন্যতম মাথা বলে দাবি পুলিশের। মনিপুর থেকে কাঁচামাল এনে বিভিন্ন রাজ্যে সরবরাহ করা এবং ব্রাউন সুগার তৈরি ও বিক্রির চক্র রয়েছে হাসমতের। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির অধিকারী হাসমত। সিকিম, দার্জিলিং, কলকাতা সহ একাধিক জায়গায় তার হোটেল রয়েছে। প্রচুর নামী, বেনামি সম্পত্তি ও জমির মালিক এই হাসমত। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, সম্প্রতি মালদা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে হাসমত তার মাদক তৈরির কারবার সম্প্রতি মালদার কালিয়াচক থেকে সরিয়ে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ নিয়ে যায়।
হাসমাতের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরোও। হাসমত ও তার সঙ্গীদের গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে মালদায়। ধৃতদের আজ মালদা আদালতে তোলা হয়। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

‘মোন্থা’র দাপট শুরু, তমলুকে কালীপুজোর আলোকসজ্জা ধসে পড়ায় চাঞ্চল্য।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’র প্রভাবে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে শুরু হয়েছে অতি ভারী বৃষ্টিপাত, সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া, এই ঝড়ো হওয়ার কারণে ভেঙে পড়লো কালীপূজায় তৈরি হওয়া রাস্তায় লাগানো বিভিন্ন রকমের লাইটের বাসের কাঠামো, এমনই ছবি ধরা পরল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকে।

Share This
Categories
বিবিধ

পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়ায় ক্যানেল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ক্যানেলের জল থেকে এক মাঝ বয়সী ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার কে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড় থানার কেশিয়া এলাকায়, জানা গিয়েছে গতকাল রাত সোমবার রাতে স্থানীয় মানুষজন জলে ভাসতে দেখতে পায় এক মৃতদেহ, তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় গোয়ালতোড় থানার পুলিশকে, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গোয়ালতোড় থানার পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে, তবে ওই মৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি, গোটা ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ওই মৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা করছি গোয়ালতোড় থানার পুলিশ। অন্যদিকে এই ঘটনা কি ঘিরি রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকা জুড়ে।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাটে তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠনের বৈঠক, নিস্ক্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা জেলা সভাপতির।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
রাজ্যজুড়ে এসআইআর (Special Summary Revision) প্রক্রিয়া শুরু হতেই সরব তৃণমূলের কৃষক সংগঠন। ভোটার তালিকা থেকে গরিব কৃষকদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় এবার জরুরি বৈঠকে বসল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠন। মঙ্গলবার বিকেলে বালুরঘাট শহরের একটি বেসরকারি লজে আয়োজিত বৈঠক থেকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন জেলা সভাপতি সাহেনশা মোল্লা — “একটি কৃষকের নামও যেন বাদ না যায়।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষক নেতারা। সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন জেলা সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, “এসআইআরকে সামনে রেখে বিজেপি চক্রান্ত করে গরিব কৃষকদের ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে ফেলার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেব না।”

সাহেনশা মোল্লা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সীমান্ত এলাকার কোনও কৃষকের নাম বাদ দেওয়া হয়, তবে জেলাজুড়ে আগুন জ্বলবে।” পাশাপাশি তিনি ব্লক থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত সমস্ত কৃষক নেতাদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি আরও জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। কোনও নেতৃত্ব যদি সাংগঠনিক দায়িত্বে নিস্ক্রিয়তা দেখান, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, জেলা তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠনের নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই কিছু নেতাকে নিষ্ক্রিয় দেখা যাচ্ছিল। সেই প্রেক্ষিতেই এই জরুরি বৈঠকের ডাক দেন জেলা সভাপতি। এদিন তপন ব্লকের একজন সভাপতি বাদে প্রায় সকলেই উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সাহেনশা মোল্লা পরিষ্কার জানান, “এসআইআর প্রক্রিয়া শুধুমাত্র ভোটার তালিকা সংশোধন নয়, এটা কৃষক শ্রেণির অস্তিত্বের লড়াই। তাই সকলকে একজোট হয়ে মাঠে নামতে হবে।”

Share This
Categories
বিবিধ

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের সোজাসাপ্টা বার্তা— “এসআইআর–এ গোলমাল করলে জেলে যাবে অফিসাররাও”।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আজ হঠাৎ মঙ্গলবার থেকেই লাগু হচ্ছে এস আই আর!,
এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে চা চক্রবর্তী বসে একাধিক প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ,এইদিন তিনি বলেন এস আই আর লাগু হবে এই নিয়ে কোন সন্দেহ ছিল না। যারা এখানে এতদিন এস আই আর করতে দেব না বলে বড় বড় ডায়লগ দিচ্ছিল মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। অন্যদিকে এস আই আর লাগু হতেই একদিকে বিজেপির লাড্ডুবিলি অন্যদিকে তৃণমূলের হুমকি! প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন,
এস আই আর নিয়ে বিরাট কোন উৎসাহ বা বিরোধিতা করা উচিত নয়। তৃণমূল দেশবিরোধী পার্টি। তৃণমূল আগে জিএসসির বিরোধিতা করেছে এখন জিএসটির লাভ নিচ্ছে। কাশ্মীরে নিয়ে চেঁচামেচি করে কিছু করতে পারেনি, তিন তালাক গেছে। বিরোধিতা করেও এরা লাইনে এসেছে। লাইনে আসবে নয় বাইরে যাবে।
পাশাপাশি এস আই আর এর আবহে বড়োসড়ো বদলি আমলাদের!, সেই প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন,
প্রতি সমাজে আট মাসে একবার অফিসারদের চেঞ্জ করা হয়। অফিসাররাও কোন কাজ করে না। বিহারে যারা এস আই আরে গন্ডগোল করেছে তারা জেলে গেছে, পশ্চিমবঙ্গে যদি কেউ গন্ডগোল করে সে ডিএম হোক বা BLO হোক নেতাদের কথায় গন্ডগোল করলে জেলে যাবে। চাকরি যাবে।
অন্যদিকে এস আই আর নিয়ে তৃণমূলের মিথ্যাচার ফাঁস! প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন একদিকে তৃণমূল এস আই আর এর বিরোধিতা করছে! অন্যদিকে নিজেরাই পাঁচ হাজার, সাড়ে পাঁচ হাজার বি এল এ টু-এর নাম পাঠিয়ে দিয়েছে। মানুষকে বোকা বানাচ্ছে তৃণমূল। অবৈধ ভোটারদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে তবে তা সম্ভব হবে না। বালি মাফিয়া দের বিরুদ্ধে কথা বলায় খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ আরামবাগের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির,বালির বিরুদ্ধে কয়লার বিরুদ্ধে কথা বললে খুন হয়ে যাওয়া সম্ভাবনাই রয়েছে। সরকারের উচিত তাকে সুরক্ষা দেওয়া।
পাশাপাশি খড়গপুরে মাত্র ৩৫ শতাংশ ম্যাপিং করা গিয়েছে!সেই বিষয় নিয়ে তিনি বলেন
খড়্গপুরের মত কিছু শহর আছে যেখানে বিভিন্ন মানুষের বসবাস। অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খড়গপুর শহরে এসআইআর করা উচিত। এখানে অনেক সময় বিদেশীরা ঢুকে থাকে। আইআইটি থেকে শুরু করে রেল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা আছে খড়্গপুরে। তাই এখানে বাড়তি নজর দেওয়া উচিত। খড়গপুর শহরে যে কয়েকটি জায়গাতে ছট পূজা সাধারণ মানুষ যান সেই সমস্ত জায়গাতেও ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। ।

Share This
Categories
বিবিধ

বড়দের কাশির সিরাপ খাইয়ে গুরুতর অসুস্থ সাত মাসের শিশু, চাঞ্চল্য মালদায়

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ — শহরের এক নামিদামি দোকান থেকে ভুল করে বড়দের কাশির সিরাপ সাত মাসের শিশুকে দেওয়ার অভিযোগ পরিবারের, আর তা খাইয়েই গুরুতর অসুস্থ শিশু, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি বেসরকারি নার্সিংহোমে। ডাক্তার রাম প্রকাশ সাহার কাছে ডাক্তার দেখানোর পর মালদা শহরের গাজোল ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত ব্লুক্রস নামকরা দোকান থেকে গত ২৫শে অক্টোবর ওষুধ কিনে তা খাওয়ানোর পর শিশুর শারীরিক অবস্থা আস্তে আস্তে অবনতি শুরু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ, তারপর দুদিন ধরে সেই ওষুধ খাওয়ানোর পর সোমবার সকালে শিশুর অবস্থা গুরুতর অবনতি হলে অসুস্থ শিশুকে শহরের এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় সোমবার রাত্রে অসুস্থ শিশুর আত্মীয় সজনরা আতঙ্কিত হয়ে ওই ওষুধের দোকানে সামনে সাময়িক উত্তেজিত হয়ে পড়ে, ঘটনায় দোকানে ভিড় জমান আশপাশের লোকজন। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার শহরের আনধারু পাড়ার বাসিন্দা চম্পক ঘোষের সাত মাসের শিশু কাশি সহ শারীরিক অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসক রাম প্রকাশ সাহার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটিকে দেখার পর তিনি বেশ কিছু ওষুধ লিখে দেন। ডাক্তারের লিখে দেওয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বাড়ির লোকজন ২৫শে অক্টোবর গাজোল ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের কাছের দোকান থেকে ওষুধ কিনে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে খাওয়ান। কিন্তু সোমবার শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আশঙ্কা জনক অবস্থায় তাকে শহরের এক নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক জানান, শিশুটিকে যে ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে তা বড়দের। এরপরেই বাড়ির লোকজন দোকানে হাজির হয়ে বচসা শুরু করে দেন। আর এতেই তৈরি হয় উত্তেজনা। সাধারণ মানুষের অভিযোগ একটি নামি দোকান থেকে যেভাবে ভুল ওষুধ দেওয়া হয়েছে তাতে তারা আতঙ্কিত। এই ঘটনা প্রশাসনের গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ঘটনার বিষয় নিয়ে ঔষুধের দোকানের ম্যানেজারের কাছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা জানতে চাইলে তিনি দোকান থেকে ওষুধ ভুল দেওয়া হয়নি বলে আস্তে আস্তে বেরিয়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে দোকানদার এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

‘টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি’— তৃণমূল শ্রমিক নেতার নামে থানায় অভিযোগ, উত্তাল মালদা মেডিকেল কলেজ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – তৃণমূল শ্রমিক নেতার দাদাগিরি। হাসপাতালে ঢুকে তান্ডব। অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মীদের মারধর। পাঁচ লক্ষ্য টাকা দাবি। টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি। তৃণমূল শ্রমিক নেতার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের থানায়। মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা। জানা যায় গতকাল গভীর রাতে ইংলিশ বাজার পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী তথা আই এন টি টি ইউসি র জেলা সহ সভাপতি জয়ন্ত বোস হাসপাতালে গ্রুপ ডি সুপারভাইজারের অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালাই। মারধর করা হয় ডিউটিতে থাকা সাহিম বিশ্বাস এবং বিশ্বজিৎ সিংহ কে। সেই সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। জানা যায় মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই মুহূর্তে দিল্লির একটি কোম্পানির অধীনে ১৩৫ জন গ্রুপ ডি রয়েছেন। যাদের মধ্যে প্রায় ৫০ জন মহিলা। চলতি বছরের আগস্ট মাসে দায়িত্ব নেয় ওই কোম্পানি। আভিযোগ তৃণমূল শ্রমিক নেতা হাসপাতালে ঢুকে অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মীদের মারধোর করে সেই কোম্পানির কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। এদিকে আজ সকালে বিষয়টি জানা জানি হতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যান্য কর্মীরা। নিজেদের নিরাপত্তার দাবি তুলে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান মহিলা এবং পুরুষ গ্রুপ ডি কর্মীরা। তারা জানান আর জি করের ঘটনা এখনো দগদগে এর মধ্যে এই ঘটনা। তারা ডিউটি করতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের নিরাপত্তা কোথায় প্রশ্ন তুলে সোচ্চার হন।
তবে যদিও এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওই তৃণমূল শ্রমিক নেতা।

Share This
Categories
বিবিধ

চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে পুরস্কার ১.৩৫ লক্ষ, বালুরঘাট টাউন ক্লাবে ফুটবলের বড় মঞ্চ প্রস্তুত।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বালুরঘাট টাউন ক্লাবের ১২৫তম বর্ষ উপলক্ষে আগামী ২৯শে অক্টোবর থেকে বালুরঘাট টাউন ক্লাব মাঠে মিলিনিয়াম নক আউট চ্যাম্পিয়ান ট্রফি ও গজানন্দ জাজোরিয়া রানার্স কাপ নক আউট দিবা রাত্রি ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে। আটটি ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করবে। আজ বালুরঘাট টাউন ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন ক্লাবের সহ সভাপতি প্রণব কুমার দাস। তিনি আরো জানান প্রথম দুই টি ম্যাচ দিবা রাত্রিতে অনুষ্ঠিত হবে। দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল রাত্রে অনুষ্ঠিত হবে। চ্যাম্পিয়ন ট্রফির পাশাপাশি পুরস্কার মূল্য থাকছে এক লক্ষ পয়ত্রিশ হাজার টাকা রার্নাস ট্রফির পাশাপাশি থাকছে পুরস্কার মূল্য এক লক্ষ টাকা।

Share This