Categories
বিবিধ

বালুরঘাটের বিকাশ পান্ডের অনন্য ভাবনা — ছাদে পুকুরে ছটপুজো উদযাপন।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বালুরঘাট সাড়ে তিন নম্বর মোড় এলাকায় জ্ঞানদেও পাণ্ডের বাড়ির ছাদে পুকুর তৈরি করে এক অভিনব ছট পুজোর আয়োজন হতে দেখা গেল। এই অভিনব ছট পুজোর বিষয়ে জ্ঞানদেও পাণ্ডের বড় ছেলে বিকাশ পান্ডে জানিয়েছেন – প্রথমত ২০২০ সালে করোনার কারণে পরস্পরের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে এবং দ্বিতীয়ত তার বাবাও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ আছেন, তার অসুস্থ বাবাকে ছট পুজো দেখানোর উদ্দেশ্যেই ২০২০ সাল থেকে প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে বাড়ির ছাদেই এই অভিনব ছট পুজোর আয়োজন করে আসছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

ধর্ম-সংস্কৃতির সীমানা পেরিয়ে ছট পুজোয় একাকার মালদা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – ছট পুজোয় মিলনের সুর মালদায় দেশজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। সদ্য শেষ হয়েছে বাঙালির দুই সর্ববৃহৎ পরব দুর্গাপূজা ও কালীপুজো। তারই রেশ কাটতে না কাটতেই মালদা জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ছট পুজোর উৎসব। অ-বাঙালি সম্প্রদায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান এখন ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে সর্বজনীন উৎসবে। সোমবার বিকেল থেকেই মালদা শহরের মিশন ঘাট, বালুচর ঘাট, সাহাপুর ঘাটসহ মহানন্দা নদীর তীরজুড়ে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। আলো, ফুল, আর্তির মন্ত্র ও ঢোলের তালে তালে নদীর পাড় যেন রূপকথার জগতে পরিণত হয়। নদীর জলে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উপবাসী নারী-পুরুষরা সূর্যদেব ও ছট মাইয়ার আরাধনায় মগ্ন থাকেন। পূজার মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং পরিবারে শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা। নিরাপত্তার জন্য ইংরেজবাজার পুরসভা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কড়া নজরদারি। পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স ও স্বেচ্ছাসেবীরা ঘাটে ঘাটে ভিড় নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট ছিলেন। ঘাটের আলোসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা ও জলনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। যদিও এটি মূলত অবাঙালিদের উৎসব, তবুও ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ একত্রে এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। বাঙালিরাও ভক্তি ও আনন্দে শরিক হন সমান উৎসাহে। ফলে মহানন্দা নদীর তীর পরিণত হয় এক অনন্য মিলনক্ষেত্রে—যেখানে ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির সব বিভাজন মুছে যায়, থেকে যায় কেবল আনন্দ, ভক্তি ও ঐক্যের বার্তা।

Share This
Categories
বিবিধ

ভক্তি, আচার ও ঐক্যে রঙিন হবিবপুর—আজ ছট পুজোর দিন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – —আজ ছট পূজা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দিভাষী দের ছট পূজা উদযাপিত হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাশাপাশি মালদা জেলার হবিবপুর ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় পাশাপাশি কেন্দপুকুর অনুষ্ঠিত হলো ছট পুজো। এদিন বিহারী থেকে বাঙালি সকলেই এই ছট পূজাতে ভীর জমিয়েছে বিভিন্ন ঘাটে । এই ছট পূজা মূলত হিন্দি ভাষী বিহারী সমাজে এ ছট পূজা হয়ে থাকে। এ ছট পূজায় তিন দিন ধরে চলে। প্রথম দিন খারনা, দ্বিতীয়দিন বিকেল বেলা সূর্য দেবতার ও পরের দিন ভোরবেলা সূর্য উদয়ের সূর্য দেবতার আরাধনায় মেতে ওঠেন সকলে। সোমবার দুপুর থেকে ছট মাইয়ার ভক্তদের আনাগোনা শুরু হয় ঘাটে। সকলে ছট পুজো করতে ডালা নিয়ে চলেন ঘাটে। এদিন হবিবপুর ব্লকের আকতৈল অঞ্চলের কেন্দপুকুর এলাকায় পালিত হয় ছট পুজো। এই ছট পূজায় মেতে উঠেন ৮ থেকে ৮০ সকলে।

Share This
Categories
বিবিধ

‘অরিন্দম সেনের উপর হামলা উপেক্ষা করবেন না’—প্রেস ক্লাবের হুঁশিয়ারি প্রশাসনকে।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আলিপুরদুয়ারে খবর সংগ্রহে গিয়ে নজিরবিহীনভাবে পুলিশি নিগ্রহের শিকার হন সাংবাদিক অরিন্দম সেন।ওই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার পথে নামলেন সাংবাদিকরা। রবিবার আলিপুরদুয়ার জেলা প্রেস ক্লাব ও আলিপুরদুয়ার টাউন প্রেস ক্লাবের তরফে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয় শহর আলিপুরদুয়ারে। এদিন প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে ওই মিছিলটি বেরিয়ে আলিপুরদুয়ারের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন সাংবাদিকরা। উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে আলিপুরদুয়ার জংশনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে, পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে। সেই সময় অরিন্দম সেন ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করতে গেলে, তাঁকে বাধা দেন এক মহিলা পুলিশ কর্মী। জোর করে তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। অরিন্দম তাঁর পরিচয়পত্র দেখালে, আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তাঁকে চড় মারেন ওই মহিলা পুলিশকর্মী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অরিন্দমের পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ করলে, তাঁদেরও জেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন ওই মহিলা পুলিশ কর্মী। এদিকে আলিপুরদুয়ার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান বিভিন্ন জায়গার সাংবাদিকরা।বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক অম্লানজ্যোতি ঘোষ বলেন, “ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।কর্তব্যরত সাংবাদিকের উপর পুলিশি হামলা কোন সভ্য সমাজ মেনে নেবে না। পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, অরিন্দম সেনের উপর হামলাকে আপনারা উপেক্ষা বা অবজ্ঞা করবেন না। যত দ্রুত সম্ভব ওই মহিলা আধিকারিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিন। আমাদের এই একটাই দাবি।”

Share This
Categories
বিবিধ

ছট পুজোর প্রস্তুতি তুঙ্গে বীরপাড়ায়, ৮০০ ঘাট তৈরি, নিরাপত্তা জোরদার।

বীরপাড়া, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ— আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা, তারপরই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে লোকআস্থার মহোৎসব ছট পূজা। আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট ব্লকের বীরপাড়ায় প্রতি বছরের মতোই এবছরও উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে। আগামী ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গেরগেন্ডা নদীর তীরে হবে এই পূজা।

পূজা উপলক্ষে চলছে ঘাট তৈরির ব্যস্ততা। ছট পূজা কমিটির চেয়ারম্যান বিজয় কুমার সিং জানান, এবছর প্রায় ৮০০টি ঘাট তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও থাকছে মেলা, গঙ্গা আরতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান— যেখানে উত্তর প্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে শিল্পীরা অংশ নেবেন। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে ভাণ্ডারার (অন্ন বিতরণ)-এর ব্যবস্থা।

শুক্রবার দুপুরে ঘাট পরিদর্শনে এসে স্থানীয় বিধায়ক মনোজ টিগ্গা বলেন,

> “প্রতি বছরের মতোই এ বছরও খুব সুন্দরভাবে ছট পূজা সম্পন্ন হবে বলে আশা রাখছি।”

 

অন্যদিকে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ঘাটে আসেন আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার রঘুবংশী। সঙ্গে ছিলেন বীরপাড়া থানার ওসি নয়ন দাস। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সূর্য দেবতার আরাধনার এই মহাপর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও পূজা কমিটি যৌথভাবে কাজ করছে। ঘাট তৈরির শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোর কদমে।

Share This
Categories
বিবিধ

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে রবিবার বিজেপি মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র, জেলা মহিলা মোর্চার সভাপতি পারিজাত সেনগুপ্ত এবং একাধিক মহিলা নেতা।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:-
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে রবিবার বিজেপি মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র, জেলা মহিলা মোর্চার সভাপতি পারিজাত সেনগুপ্ত এবং একাধিক মহিলা নেতা।

সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্যে ফাল্গুনী পাত্র জানিয়েছেন, রাজ্যে ক্রমশ বেড়ে যাওয়া মহিলাদের উপর অত্যাচার ও ধর্ষণের ঘটনায় মহিলারা বিজেপির ওপর আস্থা রাখছে। এদিনের অনুষ্ঠানে কংগ্রেস, তৃণমূল ও সিপিআইএম ছেড়ে প্রায় ৩০ জন মহিলা নেত্রী বিজেপিতে যোগদান করেছেন। ফাল্গুনী পাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, “ধর্ষকের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।”

Share This
Categories
বিবিধ

নদীতে জল বেশি থাকায় ছট পুজোর জন্য বাড়তি পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার মোতায়েন।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আগামীকাল ছট পুজো উপলক্ষে রবিবার সকাল ১১:৩০টা নাগাদ ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর সদরঘাট পরিদর্শনে আসেন। তিনি ছট পুজো উপলক্ষে পুণ্যার্থী এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার দিকটি খতিয়ে দেখেন।
​আগামী ছট পুজোতে যাতে সকলের কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বছর নদীতে জল কিছুটা বেশি থাকায় বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘাটে সিভিল ডিফেন্স, স্পিডবোট, পর্যাপ্ত আলো এবং পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র থাকবে, যেখানে প্রচুর পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার মোতায়েন থাকবেন। এছাড়াও, একটি মেডিকেল সহায়ক বুথও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। এই সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাই খতিয়ে দেখতে তিনি এদিন পরিদর্শন করেন।

Share This
Categories
বিবিধ

পতিরাম বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে গণিত মেধা অন্বেষণ।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আজ রবিবার ছুটির দিনেও বেলা ১১টা থেকেই পতিরাম বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছোট শিশুরা অভিভাবকদের হাত ধরে চলে এসেছে। আমরা স্কুলে গিয়ে জানতে পারি তাদের আজকে অঙ্কের পরীক্ষা আছে। চোখে মুখে সকলের প্রতিযোগিতার মনোভাব। পূজোর ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই আবার পরীক্ষা।

দ্য পি আই গ্রুপ অফ ম্যাথমেটিক্স এর আয়োজনে আজ গণিত মেধা অন্বেষণ পরীক্ষাটি সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই জেলায় আটটি সেন্টারে মোট ৯৩৬ জন পরীক্ষার্থী নাম নথিভুক্ত করেছে।

সেন্টার ইন চার্জ দিব্যেন্দু বসাক জানিয়েছেন প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণীর পরীক্ষা এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১২ টি বিদ্যালয় থেকে ২০০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিল। তার মধ্যে মাত্র ২২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। আজকে অন্য একটি পরীক্ষাও ছিল সেজন্যই কিছু ছাত্রছাত্রী অনুপস্থিত ছিল। সকলেই গণিত বিষয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত। সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

প্রণবানন্দ বিদ্যাপীঠ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শুভ্রজিত সরকার জানিয়েছেন খুব ভালোভাবে এই পরীক্ষা এই সেন্টারে চলছে। আমরা সবাই খুশি যে মফস্বল এলাকা পতিরামেও পরীক্ষার সেন্টার হয়েছে। নাহলে এত সংখ্যক পরীক্ষার্থী একসাথে পরীক্ষায় বসতে পারতো না। এই স্কুলের দিব্যেন্দু স্যারের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা গুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা খুব খুশি এবং আমাদের শিশুরাও অত্যন্ত আনন্দিত।

প্রথম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী অদ্রিজা দাস জানিয়েছে আমার পরীক্ষা খুব ভালো হয়েছে। প্রশ্নপত্র একটু কঠিন হলেও অনেকটা করতে পেরেছি। অদ্রিজার মা লক্ষ্মী দাস বলেন বিগত বছরের প্রশ্নগুলো মেয়েকে ধরে ধরে শিখিয়েছি। ওর খুব আগ্রহ রয়েছে। আমার মেয়ে বলছে তো ভালই দিয়েছি। এই সংস্থার প্রশ্নপত্র খুব উন্নত মানের এবং ব্যবস্থাপনা আধুনিক সময়োপযোগী। তাই আমিও খুব খুশি। এখন থেকেই চাকরি পরীক্ষার মত OMR শিটে পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব প্রশংসনীয়।

Share This
Categories
বিবিধ

দক্ষিণ দিনাজপুরে এবিভিপি’র বিজয়া সম্মিলনীতে দেবী দুর্গার মঙ্গলচারণ ও প্রীতি-আলাপ।

বালুরঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা : – মহাষষ্ঠী থেকে দশমী, তারপর বিসর্জনের পরও উৎসবের রেশ থাকে অম্লান। দেবী দুর্গার বিদায়ের মধ্য দিয়েও শুরু হয় নতুন শক্তি আহরণের বার্তা। সেই আবহেই রবিবার বালুরঘাট নাট্যমন্দিরে অনুষ্ঠিত হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর উদ্যোগে ‘বিজয়া সম্মিলনী ২০২৫’।

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবিভিপির কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেন। এদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই মিলন উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং সমাজে ঐক্য ও শক্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেবী দুর্গার উদ্দেশে মঙ্গলাচরণ ও প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শুভ সূচনা হয়। পরে সংগঠনের তরফে দেশ, সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নে ছাত্রদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, দেবী দুর্গার শক্তি কেবল অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক নয়, ন্যায় ও সত্যের পথে চলার অনুপ্রেরণাও বটে। তাঁরা আরও জানান, সমাজে একতার বন্ধন সুদৃঢ় করতে এবং ইতিবাচক চিন্তার বিস্তারের জন্য এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শাখা ও মঞ্চের কর্মীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। শেষ পর্বে বিজয়ার প্রীতি-আলাপ ও মিষ্টি বিতরণের মধ্য দিয়ে সম্মিলনীর সমাপ্তি ঘটে।

ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন এবিভিপি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সভাপতি। তিনি বলেন, বিজয়া সম্মিলনী কেবল উৎসব নয়, এটি একতা ও নবউদ্যমে সমাজ গঠনের অঙ্গীকার।

Share This
Categories
বিবিধ

ভারত ও বাংলাদেশের স্বনামধন্য আবৃত্তি বিশারদের সঙ্গে আবৃত্তি শিক্ষার্থীদের কর্মশালা।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- আজ ২৬শে অক্টোবর রবিবার দুপুরে বালুরঘাটের আত্রেয়ী লজে দক্ষিণ দিনাজপুর সম্মিলিত আবৃত্তি সংস্থার আয়োজনে একদিবসীয় আবৃত্তির কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এই একদিবসীয় আবৃত্তির কর্মশালায় বাচিকশিল্পীদের পাশাপাশি আবৃত্তির শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন। আবৃত্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা করেন। ভারত ও বাংলাদেশের স্বনামধন্য আবৃত্তি বিশারদ ড. অমিতাভ কাঞ্জিলাল উপস্থিত থেকে আজকের এই একদিবসীয় আবৃত্তির কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। বাচিকশিল্পী ও আবৃত্তির শিক্ষার্থী মিলে মোট ৩৫ জন আজকের এই একদিবসীয় আবৃত্তির কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

Share This