Categories
বিবিধ

এসসি ও ওবিসি সমাজের অধিকার ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার—নতুন কমিটি নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- সোমবার মালদা জেলা পরিষদের গেস্ট হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে মালদা জেলা এসসি ও ওবিসি তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক কমিটি ও জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং তৃণমূল স্তরে কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় করতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ঘোষণার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসসি ও ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি মনোজ রাম সহ দলের একাধিক জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃত্ব-কর্মীরা। নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন কমিটির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা, সংগঠনের বিস্তার এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে এসসি ও ওবিসি সমাজের দাবিদাওয়া, অধিকার ও উন্নয়নমূলক কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এই কমিটি ঘোষণাকে ঘিরে মালদা জেলাজুড়ে তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ও বাড়তি সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

হেলমেট থাকা সত্ত্বেও রক্ষা মিলল না, পাঁশকুড়ার পথে প্রাণঘাতী বাস দুর্ঘটনা।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- স্কুটিতে করে তমলুকের দিক থেকে পাঁশকুড়ার দিকে যাওয়ার সময় চাপাডালির অদূরে পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সূর্য সামন্ত এবং তার স্ত্রী পারমিত সামন্ত।, সূত্রের খবর , ওই দম্পতি তমলুকের দিক থেকে পাঁশকুড়া আসার সময়, চাঁপাডালির অদূরে,পেছনের দিক থেকে আসা ঘাটাল পাঁশকুড়া বাসের সাথে সংঘর্ষে, পড়ে যায় বাইকে থাকা দম্পতি,মাথায় হেলমেট থাকলেও ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়,এই দুর্ঘটনায় আহত সূর্য সামন্ত এবং তার স্ত্রী পারমিতা সামন্তকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে , ঘটনাস্থলে আসে পাঁশকুড়া ট্রাফিক পুলিশ, উদ্ধার করে বড়মা হাসপাতাল এ নিয়ে আসে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় পারমিতা সামন্তের, আহত হয় সূর্য সামন্ত , সূত্রের খবর, ছেলে সম্রাট সামন্ত এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে, তমলুক হ্যামিল্টন হাই স্কুলের ছাত্র, আর তার সঙ্গেই দেখা করতে গিয়েছিলেন সূর্য সামন্ত এবং তার স্ত্রী , আর বাড়ি পাঁশকুড়ার মহৎপুরে ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হয় স্ত্রী পারমিতা সামন্তের, এই ঘটনায় ঘাতক বাসটিকে আটক করে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ,
এলাকায় শোকের ছায়া…

Share This
Categories
বিবিধ

“ভোটের সময় পায়ে ধরেন, এখন হয়রানি”—মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আদিবাসী নেতার।

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর: মন্ত্রীর ছেলের হাতে আদিবাসী নেতার গাড়ি ভাঙচুর এবং তারপর ক্ষতিপূরণ নিয়ে মন্ত্রীর ‘টালবাহানা’— এই দুই ইস্যুতে উত্তাল শালবনী। অভিযোগ, বিধায়ক তথা মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতর ছেলে এক প্রভাবশালী আদিবাসী নেতার গাড়ি ভাঙচুর করার পর, মন্ত্রী বারবার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ওই নেতাকে দিনের পর দিন ঘোরাচ্ছেন।
ক্ষুব্ধ আদিবাসী নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি তোপ দেগে লিখেছেন, “ভোটের দরকারে পায়ে ধরেন, আর এখন ক্ষতিপূরণ দিতে হয়রানি করছেন? আমাদের ভোটব্যাঙ্ক ভাববেন না।” স্থানীয়দের দাবি, মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন ঘোরানোই মন্ত্রীর স্বভাব। এই ঘটনায় জঙ্গলমহলের আদিবাসী সমাজে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। মন্ত্রীর এই ‘হয়রানির রাজনীতি’ এবং ‘অহংকার’ নিয়ে দলের অন্দরেও অস্বস্তি বাড়ছে। আদিবাসী নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি, এই অপমানের জবাব আগামী নির্বাচনে ব্যালটেই মিলবে।

এ ঘটনার পর আদিবাসী ইস্যু মাথায় রেখে শালবনী থেকে শ্রীকান্ত মাহাত কে টিকিট না দেওয়ার দাবিও তুলছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ।

Share This
Categories
বিবিধ

নৈতিক নেতৃত্ব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির আহ্বান, বিএনসিসিআই প্রতিষ্ঠা দিবসে ডঃ ডমিনিক স্যাভিও।

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা, ২রা ফেব্রুয়ারী ২০২৬:- বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএনসিসিআই) সোমবার, ২রা ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে, বিএনসিসিআই হাউস, ২৩, আর.এন. মুখার্জি রোড, কলকাতায় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কর্মকর্তা, সদস্য এবং অতিথিদের উপস্থিতিতে তার ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করেছে।

অতিথিদের নিবন্ধনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়, এরপর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের আগমন ঘটে। প্রধান অতিথি, রেভারেন্ড ডঃ ডমিনিক স্যাভিও, এস.জে., অধ্যক্ষ, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (স্বায়ত্তশাসিত), কলকাতার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি শোভা পায়।

সম্মানিত অতিথি এবং বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে ছিলেন:

শ্রী কুশল চৌধুরী, সচিব, দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির ট্রাস্ট

শ্রী সুভাষ দত্ত, পরিবেশ কর্মী

শ্রী সৌমিক দত্ত, আঞ্চলিক প্রধান – ব্যবসায়িক হিসাব, ​​AU স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংক

শ্রী সঞ্জীব কোনার, সাধারণ সম্পাদক, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

শ্রী ফিরদৌসল হাসান, সভাপতি, ফিল্ম ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া

BNCCI-এর প্রাক্তন সভাপতি: শ্রী অরুণ কুমার চন্দ্র, শ্রী সমীর কুমার ঘোষ এবং শ্রীমতী বাণী রায়চৌধুরী

BNCCI-এর শিল্প স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান শ্রী ঋত্বিক দাসের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

এই উদযাপনে বিএনসিসিআই-এর কর্মকর্তা এবং নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সদয় উপস্থিতি ছিল, যার মধ্যে রয়েছেন:

শ্রী অশোক কুমার বণিক, সভাপতি
শ্রী অমিত সাহা, সহ-সভাপতি
শ্রী অলোক সরকার, সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ

শ্রী সোহম বণিক, চেয়ারম্যান, স্টার্ট-আপ ব্যবসা ও দক্ষতা উন্নয়ন স্থায়ী কমিটি

শ্রী কুণাল সাহা, সদস্য, বিএনসিসিআই

শ্রী সুরথ কুণ্ডু চৌধুরী, চেয়ারম্যান ও পরিচালক, গ্রন্থাগার উন্নয়ন স্থায়ী কমিটি

শ্রী দিলীপ নারায়ণ সাহা, চেয়ারম্যান, দেশীয় বাণিজ্য স্থায়ী কমিটি

শ্রী সিদ্ধার্থ রায়, চেয়ারম্যান, ক্রীড়া উন্নয়ন স্থায়ী কমিটি

শ্রী সুজিত চক্রবর্তী, চেয়ারম্যান ও পরিচালক, কাস্টমস ও লজিস্টিকস স্থায়ী কমিটি

শ্রী রণদীপ দত্ত, চেয়ারম্যান, খাদ্য ও বিনোদন স্থায়ী কমিটি

শ্রীমতী শালিনী ঘোষ, চেয়ারপারসন, মহিলা ক্ষমতায়ন স্থায়ী কমিটি

শ্রী সুজয় সাহা, চেয়ারম্যান, হাউস জার্নাল এবং প্রিন্টিং স্থায়ী কমিটি

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল বিএনসিসিআই-এর ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক কেক কাটা।

এরপর সভাপতির ভাষণ দেন শ্রী অশোক কুমার বণিক, যিনি বাণিজ্য, শিল্প এবং উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করার জন্য চেম্বারের উত্তরাধিকার, সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি, রেভারেন্ড ডঃ ডমিনিক স্যাভিও, এস.জে., শিক্ষা ও শিল্পের মধ্যে নৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষা এবং সহযোগিতার গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে একটি অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দেন।

সম্মানিত অতিথি, শ্রী কুশল চৌধুরী এবং শ্রী সুভাষ দত্তও বক্তব্য রাখেন, যারা সামাজিক দায়িত্ব, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং সম্প্রদায়ের উন্নয়নের উপর তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেন।

শ্রী সৌমিক দত্ত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির উপর আলোকপাত করে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

শ্রী আলোক সরকারের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়, এরপর সদস্য এবং অতিথিদের মধ্যে জলখাবার এবং অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতা অনুষ্ঠিত হয়।

১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন বাংলা, ভারত এবং তার বাইরেও একটি শীর্ষস্থানীয় চেম্বার অফ কমার্স হিসেবে তার ভূমিকা জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, শিল্প এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির প্রচারের প্রতি বিএনসিসিআইয়ের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

Share This
Categories
বিবিধ

পুলিশ ও প্রশাসনের দ্রুততায় বড় বিপর্যয় এড়াল তুফানগঞ্জের মাধ্যমিক কেন্দ্র।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। সেখানে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিল বলে জানা যায়। পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের ক্যান্টিনে চা তৈরির সময় আচমকাই একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্কুল চত্বরে। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। পুলিশ কর্মীরাই জ্বলন্ত সিলিন্ডারটি দ্রুত টেনে স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা চাপা দিয়ে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে। কিন্তু দমকল বাহিনী পৌঁছানোর আগেই বিকট শব্দে সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। ততক্ষণে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়াদের মধ্যে। বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কিত পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা ছেড়ে স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জ মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার সহ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, “পুলিশের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। বিস্ফোরণটি ফাঁকা মাঠে হওয়ায় কেউ আহত হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা পুনরায় শান্তভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।” প্রশাসনের এই ত্বরিত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

Share This
Categories
বিবিধ

অসাবধানতাই প্রাণ কেড়ে নিল, ঘানি কলে কাজের সময় শোকাবহ দুর্ঘটনা পূর্ব বর্ধমানে।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সমুদ্রগড় স্টেশন সংলগ্ন কৃষক বাজার এলাকায় সরষে পিসাইয়ের ঘানি কলে কাজ করার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো এক ব্যাক্তির। মৃত ব্যক্তির নাম সিরাজুল মন্ডল। তাঁর বাড়ি সিদ্দেপাড়া এলাকায় বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে খবর, প্রতিদিনের মতোই ঘানি কলে সরষে পিসাইয়ের কাজ করছিলেন সিরাজুল মন্ডল। সেই সময় অসাবধানতাবশত তাঁর গলায় থাকা মাফলারটি ঘানি কলের মেশিনে জড়িয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান এবং তার গলার অধিকাংশ অংশ টাই কেটে যায়। সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

ফুলবাড়ি মহেন্দ্র বিএড কলেজের কাছে ট্র্যাক্টর–বাইক সংঘর্ষে এক মৃত, এক জখম।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ট্র্যাক্টরের ধাক্কায় মৃত্যু হল মোটর বাইক চালকের। গুরুতর জখম হয়েছেন আরোহী। পুলিস জানিয়েছে মৃতের নাম ইয়াকুব আলি সরকার (৩০)। আহত আরোহী হলেন মিনহাজুল আবেদিন (৩২)। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়ি মহেন্দ্র বিএড কলেজ এলাকায় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে।
জানা গিয়েছে তপন থানার চকবলিরাম গ্রামের বাসিন্দা ইয়াকুব আলি সরকার। পেশায় তিনি একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ইয়াকুব মোটর বাইকে মিনহাজুলকে চাপিয়ে রামপুরে যাচ্ছিলেন। সে সময় ফুলবাড়ি মহেন্দ্র বিএড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ট্র্যাক্টরের সঙ্গে মোটর বাইকের সংঘর্ষ হয়। ঘটনায় গুরুতর জখম হন মোটর বাইক চালক ইয়াকুব আলি সরকার ও আরোহী মিনহাজুল আবেদিন। স্থানীয় ও পথ চলতি মানুষজন ছুঁটে এসে তাদের তড়িঘড়ি তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা ইয়াকুবকে মৃত বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে মিনহাজুলের। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বালুরঘাট সদর হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশ দুর্ঘটনা গ্রস্ত দুটি গাড়ি উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

নিষিদ্ধ মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানে মালদা জেলা পুলিশের বড় ধাক্কা কারবারিদের।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ফের নিষিদ্ধ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে চালিয়ে বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখল মালদা জেলা পুলিশ। বিপুল পরিমাণ মাদক ও মাদক তৈরির কাঁচামাল, বিভিন্ন সরঞ্জাম, চার চাকা গাড়ি , একটি মোটর বাইক, একটি আইফোন সহ নগদ প্রায় আট লক্ষ টাকা উদ্ধার করল সোমবার রাতে। ঘটনায় পুলিশের জালে ধরা পড়ল পাঁচ মাদক কারবারি। এদের মধ্যে তিনজন মহিলা এবং দুজন পুরুষ। যাদের মধ্যে কারও বাড়ি প্রতিবেশি রাজ্য বিহারে। আবার কারও বাড়ি ইংরেজবাজার থানা এলাকায়। ঘটনা প্রসঙ্গে মঙ্গলবার জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি মালদা পুলিশ লাইনে বসে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানালেন, মালদা জেলা পুলিশ নিষিদ্ধ মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান শুরু করেছে। সেই সূত্র ধরেই সোমবার রাতে তারা বিশেষ সূত্রে খবর পান ইংরেজবাজার থানার কুমারপুর এলাকার একটি গোডাউনে নিষিদ্ধ মাদক ব্রাউন সুগার তৈরির বেআইনি কর্মকান্ড চলছে। এই খবর পেয়েই জেলা পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে তিনজন মহিলা এবং দুজন পুরুষ সহ মোট পাঁচজনকে পাকড়াও করে। এছাড়াও ওই গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় প্রায় ১৭ কেজি ব্রাউন সুগার, ব্রাউন সুগার তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল, প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম, একাধিক চার চাকা গাড়ি, একটি মোটর বাইক, একটি আইফোন সহ নগদ প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় আর কেউ বা কারা জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং তদন্তের স্বার্থে মঙ্গলবার ধৃতদের পুলিশি হেপাজত চেয়ে পেশ করা হবে মালদা জেলা আদালতে।

Share This
Categories
বিবিধ

পরীক্ষা নিয়ে কোনও সমস্যায় পুলিশকে জানানোর আহ্বান, সহায়তা কেন্দ্রও ঘুরে দেখলেন এএসপি।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— হঠাৎই আগমন মালদহে বামনগোলা এলাকায় এ এসপি অর্পিত আর পারেখ।বামনগোলা থানার আইসি তরুন কুমার রায় কে সাথে নিয়ে মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনের ইংরেজি পরীক্ষায়, বামনগোলা এলাকা বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুরে দেখলেন তার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে কলম দেওয়ার সাথে সাথে শুভেচ্ছা বার্তা জানান ছাত্র-ছাত্রীদের। এছাড়াও ছাত্র ছাত্রীদের সাথে কথা বলেন পরীক্ষা দিতে আসা নিয়ে কোন সমস্যা হলে পুলিশ প্রশাসনকে অবশ্যই জাননোর জন্য।এছাড়াও পুলিশের তরফ থেকে খোলা রয়েছে সহায়তা কেন্দ্র সেসব জায়গায় ঘুরে দেখলেন এএসপি অর্পিত আর পেখর।

Share This
Categories
বিবিধ

বন্যপ্রাণী হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ—মালদহে মৃত কুমির উদ্ধারের পর সতর্কবার্তা বনদপ্তরের।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—মালদহে উদ্ধার এক কুমিরের বাচ্চা। সূত্রের খবরে মালদা বনদপ্তর একটি মৃত কুমিরের বাচ্চা উদ্ধার, মালদা জেলার রতুয়া ব্লকের ফুলাহার নদীর শংকর টোলা ঘাট এলাকায় স্থানীয় মানুষ একটি মৃত কুমিরের বাচ্চা দেখতে পায়, সঙ্গে সঙ্গে খবর দেয় মালদা বনদপ্তরে, মালদা বনদপ্তরের লোকজন তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে, মৃত কুমির টিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মালদা কাণীরমোড় ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসে। সেখানকার রেঞ্জ অফিসার সরস্বতী কর্মকার জানান, ফোন মারফত স্থানীয় মানুষজন দেখতে পাওয়ার পর, আমাদেরকে জানালে আমরা ঘটনাস্থলে ফরেস্টের টিম নিয়ে যাই এবং কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি, এবং সেটাকে পোস্টমর্টেম করার পরে destroy করা হবে। এবং কুমিরটিকে কেউ মেরেছে কিনা তদন্ত চলছে, যদি কেউ এটাকে মেরে থাকে তাহলে বনদপ্তর এর আইন অনুযায়ী তাকে সাজা দেওয়া হবে। আমরা সাধারণ মানুষের কে জানাতে চাই এই ধরনের জলজ এবং বন্য প্রাণীকে কেউ মারবেন না, এটা দন্দনীয় অপরাধ, কোথাও দেখতে পেলে বনদপ্তরের খবর দিন বনদপ্তর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Share This