খুবই দারিদ্রপীড়িত
তাই তো অনটনের চাপে পিঞ্জরের হাড় দুমড়ে গিয়ে নিরন্তর কাঁপে।
দিবসে তপনতাপে পিপাসা মেটে না,
নিশাতে ক্ষুধিত আর্তনাদের ধ্বনি শ্রবণেন্দ্রিয়ে হয় বিলিন।
পুরোন স্মৃতি জলে সেবন করে কাটে রাত,
দু’চোখে নোনা জল শুক্ল বর্ণের,
আস্তরণে উত্তরীয় যায় ঢেকে-
একমুঠো সোহাগে অনটনের হবে অবসান,
তা না হলে পিঞ্জরে অনন্ত অনটনের ত্রাণ।