দৃষ্টিকোণের বোবা জলটা পীড়নকর,
উপলব্ধি করলে বৃহৎ এক কাব্য,
ঠোঁট জুড়ে অকথিত ভাষা,
অথচ নাচ ঘরে শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী,
কিন্তু শরীর জুড়ে অঙ্কিত দাম্ভিকতা
সোহাগে বাড়ে আত্মম্ভরি!
আত্মম্ভরি :: রাণু সরকার।।
জীবন কবিতার রচনানুবন্ধ
ত্রিস্রোতা- তাল ছন্দে নৃত্যপটিয়ান,
যখন ছন্দকানা হয় তখন পড়ে ধন্দে
অশান্ত বর্ণরাগে আচমকা ঝুড়বৃষ্টি
গল্প উপন্যাসের সাথে হরদম চলে
সহবাস!
পরিবর্তনপ্রবণ অঙ্গভঙ্গি দ্বারা নেয়
নাট্যরূপ-
উত্তেজনাপূর্ণ কিছু বাণী লক্ষ্যহীন
ঘরে করে ভ্রমণ–
একটি শব্দ সজোরে নিক্ষেপ করে
জানালার কাঁচে,
হয় হাজার খণ্ড রক্তাক্ত হয় আবালবৃদ্ধ-
কোন ভ্রুক্ষেপ নেই-
জ্যোৎস্না রাতে আসে গালভরা হাসি নিয়ে!
রাস্তায় চলছিলাম, হঠাৎ সম্মুখে বর্তমান
অশীতিপর একজনকে চারজনায়
কাঁধে নিয়ে চললো,
দেখে মনের কুটিরে বসে পড়লো
অসংখ্য খণ্ড খণ্ড বাণীর সাথে চিত্র।
কীভাবে এলাম এখানে, অজ্ঞাত
গন্তব্যস্থল কোথায়- সেও অজানা
সেটা কষ্টের না মুক্তির ?
আমার কাছে জ্ঞানের অতীত।
চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী
বয়োজ্যষ্ঠরা স্বস্তিবচন দেন-
দীর্ঘায়ু হও,
সেটার প্রকৃত ব্যাঞ্জনাও- অজ্ঞাত ||
রাস্তায় চলতে বিহান বেলায়
বাঁকা দৃষ্টিতে দেখেছিলাম মুকুল
কোনদিন হয়নি সংলাপ
হঠাৎ সন্ধ্যা হতে না হতেই গেলো
ঝড়ে-
কী তার কারণ?
হয়তো পড়েছিলো কুদৃষ্টি-
কেনো দেইনি সুদৃষ্ঠি পথের ধারে বলে?-
পড়শিরা যদি করে কানা-কানি-
ক্ষতবিক্ষত পাপড়ি ক্লান্ত কাঁদায়
আছে বিশ্রামে,
ঝড়া কুড়ি কী তার দোষ?
যত্নে ধুয়ে সাজাই হৃদয় পটে!
ছাইরঙের কিছু শব্দ
তারা বাঁচতে চায়!
সবেগে তাড়িত করে গভীর রাতে-
মস্তিষ্কে নিষ্ঠুরের মতো করে আঘাত-
তখন আর্তনাদে ধ্বনিত হয়।
শব্দগুলো এখন ভীষণ বিরক্তিকর লাগে,
মাঝে মাঝে ক্লান্ত ক’রে তোলে,
বিদ্রূপ রোষে সংঘর্ষ চলে এদের সাথে আমার।
তাই নিক্ষেপ করলাম অগ্নিতে।
ভেবে ছিলাম ধোঁয়ার সাথে সব উড়ে যাবে-
গেলো না তবে-কিছু থেকে গেলো-
দিনলিপিতে অক্ষরের পরিচয়ে
চিরকালের মতো মুদ্রিত স্মৃতি পটে।
অলক্ষিত ভাবে চলে আসে শব্দহীন
থাকলে মস্তিষ্কে,
তখন অনুসন্ধান করতে আমাকে বাধ্য করায়,
এদের ছেড়ে কী করে বাঁচা যায়-
এরা তো আমার বাগযন্ত্র!
বৃদ্ধার যখন ভরা যৌবন, তখন একজনকে ভালোবাসতো, ধীরে ধীরে প্রেম গভীর হলো, কিন্তু ক্রমান্বয়ে জানতে পারলো প্রেমিক শরাবখোর ও মাস্তান, কি আর করা যাবে ছেড়ে দিলে প্রেমিকের হাতে খুন অবধারিত মনের সাথে অনেক লড়াই করে অবশেষে বাধ্য হলো বিয়ের পিড়িতে বসতে।
ভালো মন্দ মিলেমিশে চললো, একদিন বুঝতে পারলো সে অন্তঃসত্ত্বা খুশি ছিলো
দুজনেই।
একদিন রাতে পুলিশ মেয়েটির স্বামীকে তুলে নিয়ে গেলো তখন ভীষণ কষ্টে মেয়েটি ভেঙে পড়েও উঠে দাঁড়াল গর্ভে তার সন্তান আছে ভেবে।
কয়েক মাস পর সন্তান ভূমিষ্ঠ হলো, খেয়ে না খেয়ে কোনরকম দিন চলে। এভাবেই তিন বছর কেটে গেলো বাচ্চাটিকে নিয়ে। স্বামী ছাড়া পেয়ে একদিন গভীর রাতে বাড়ি ফিরলো, চলছে তাদের রাগারাগি কিন্তু সহবাসের ছাড় নেই, আবার হলো গর্ভবতী, ভাগ্যের কি পরিহাস, গভীর রাতে হঠাৎ একদিন খুব চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছিলো রাস্তায়। শুনতে পেয়ে মেয়েটি দৌড়ে গেলো, গিয়ে দেখে গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামী পরে আছে। দেখে মেয়েটি সেখানে লুটিয়ে পড়লো, যাইহোক
সবাই চোখে মুখে জল দিলো একটু সুস্থ বোধ করাতে মেয়েটিকে বাড়িতে পৌছে দিলো।
মেয়েটির স্বামীর বডি পুলিশ নিয়ে গেলো পোস্টমটেম জন্য। পোস্টমটেম হলো, দাহও হলো, শেষ কাজ কোনরকম করলো টাকা পয়সা তেমন কিছুই রাখেনি মদখোর মাস্তান স্বামী।
কিছুদিন পর একটি মেয়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলো, সপ্তা খানেক ছিলো মেয়ে বাচ্চাটি তারও মৃত্যু হলো।
মেয়েটি ভেবে নিল ছেলেটি যেন ওর বাবার মতো না হয়- টাকার জন্য নানারকমের কাজ করে নিজে কম খেয়ে-
ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করলো। ছেলে একটি ভালো কাজ পেলো মাকে না বলে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতে থাকতে শুরু করলো। শ্বশুড় বিশাল টাকার মালিক
ভালোই কাটে ছেলেটির। বয়স হচ্ছে মায়ের, ছেলে খোঁজ নেয় না মা কিভাবে কেমন আছে। কত কষ্ট বলুন তো মহিলার?
মহিলার অনেকটাই বয়স একরকম বুড়িই বলা চলে,
শখআল্লাদ বিসর্জন দিয়ে এই বয়সে কপালের কি দুর্গতি।
মেহিলাটির পাড়ায় এক দর্জির দোকান ছিলো সেখানে টুকিটাকি সেলাই করে যা টাকা পায় তাতে কোনরকম চলে। পাড়ার এক ভদ্রমহিলা তাকে খুব ভালোবাসতো একদিন তার কাছে এসে বললো দিদি অনেক তো হলো এবার তোমার কথা একটু ভাবো, সে বললো কি আর ভাববো বোন। দিদি, আমি একটি কথা বলছি, না করবে না বলো?
-কি কথা?
-আমাদের পাড়ায় ঐ যে মাষ্টার বাবুর বৌ মারা গেছেন তাকে তোমার সাথে বিয়ে দেবো।
-ছি ছি, মানুষ কি বলবে, আর আমার ছেলে! এতোদিন কিছু করিনি এখন এই বয়সে এসে বিয়ে! ছি ছি, না গো আমি পারবো না।
-ভেবে দেখো দিদি, ভদ্র লোকের ছেলে, মেয়ের বিয়ে হয়েছে, চাকুরীর জন্য বিদেশে থাকতে হয় তার সন্তানরাই বলেছে আমায়, আমি তোমার কথা ভেবেই তোমাকে
বললাম, তুমি না বলো না রাজি হয়ে যাও।
তোমার যেটা ভালো মনে হয় করো, ঠিকই বলেছো অনেক তো করলাম, কি পেলাম কষ্ট ছাড়া নিজেকে নিয়ে কখনো ভাবিতো,
আর এই বয়সে বিয়ে মানে দু’জন দু’জনকে সাহায্য করা, এই বয়সে কী আর যৌবন খেলা হয়, দু’জনেরই বাধ্যর্ক ডাক দিয়েছে।
অনেক বোঝানোর পর অবশেষে রাজি হলো বৃদ্ধা মহিলা,বসলো বিয়ের পিঁড়িতে বুড়ো ভদ্রলোকের ছেলে মেয়ে এসেছে
বললো মা তুমি কেঁদোনা আমরা আছি তোমার জন্য। তুমি আমার বাবাকে একটু ভালো বেসো ও যত্ন করো। এভাবেই শুরু হলো বুড়ো বুড়ির নতুন সংসার।
বেলা শেষে তরুণ রোদে পিঠ ঠেকিয়ে
সেলাই করছিলে বুঝি অতীতের কাব্য?
ঐ আর কী- কোন রকমে চালানোর মতো
জোড়াতালি দেওয়া!
কতদিন আর চলবে তাপ্পিতে?
বহু ব্যবহারে হয়েছে জ্যালজেলে-
তাপ্পি দেওয়ার আর ব্যবধান নেই।
কুটিরের অবস্থা দুর্বল- হবেই বা না কেনো,
ঋতু গুলো করেছে বিধ্বস্ত,
কারণটা জানা আছে নিশ্চয়ই!
অভিমানের আঘাতে নিজেকে করেছো
ক্ষতবিক্ষত!
বিরক্তির কারণ কে দিলো জোগান?
অষ্টপাদের জালে পড়েছি জড়িয়ে,
দিবারাত্র ঝাপসা!
সংযোগস্থল ভঙ্গুর হয়তো সহজেই
পড়বে ভেঙে!
কুটিরটি মন্থর গতিতে হচ্ছে নতশীর,
অস্পষ্ট দৃষ্টিতে কবে যেন অদৃষ্টের গর্ভে
হবো বিলীন।
প্রবীণ রাতের সমাপ্তি,
যুবতি ভোর অতীতের দোষগুণের
করে সম্যক বিচার ।
পুরানোর প্রতি নেই কোনো মমতা,
মায়ার বন্ধনে আর করবো না বিজড়িত
প্রতিদিন যাকে দিতে হয় তাপ্পি।
তাকে পোষণ করে লাভ কী ?
পরিহার করাই শ্রেয়।
বছরশেষে নতুন বস্ত্র করবো পরিধান
অশ্রুসজল নেত্রে,
সে অশ্রুবিন্দু আমার চিত্তপ্রসাদ ও পরমানন্দের!
কেউ করোনা যেন কটাক্ষ দৃষ্টিপাত,
ক্রন্দনধ্বনি কর্ণে এলে গোপন যন্ত্রণার
উদ্ভাবন হবে।
গতিপথ হবে কর্দমতুল্য পিচ্ছিল।
পুরাতন বছরসকল ছিলো যখন পাশে
ছিলাম তখন শোকাভিভূত।
স্নেহমমতায় হবো না আবদ্ধ হবো দায়মুক্ত।
ভূমিকা—-
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস হল একটি বার্ষিক ইভেন্ট যেখানে ৮০টিরও বেশি দেশ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রভাব উদযাপন করে। মেট্রোলজিতে আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সূচনা, ২০ মে ১৮৭৫-এ মিটার কনভেনশনে স্বাক্ষর করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল। প্রতি বছর বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসটি মেট্রোলজির জন্য দায়ী জাতীয় সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অফ ওয়েটস অ্যান্ড মেজারস (BIPM) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগ্যাল মেট্রোলজি (OIML) দ্বারা যৌথভাবে সংগঠিত এবং উদযাপন করা হয়।
আন্তর্জাতিক মেট্রোলজি সম্প্রদায় যা বিশ্বব্যাপী সঠিক পরিমাপ করা যায় তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে প্রতিটি বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসে একটি পোস্টার ক্যাম্পেইন এবং ওয়েব সাইটের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে চেষ্টা করে। পূর্ববর্তী থিমগুলিতে বৈশ্বিক শক্তি চ্যালেঞ্জের পরিমাপ, সুরক্ষার জন্য, উদ্ভাবনের জন্য এবং খেলাধুলা, পরিবেশ, ওষুধ এবং বাণিজ্যের পরিমাপের মতো বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আজ শনিবার (২০ মে) বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস। ওজন ও পরিমাপ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পরিমাপ বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থার সহায়ক’।
উদ্দেশ্য—–
পণ্য ও সেবার মান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ সময়েরই দাবী। ভোক্তা সাধারণের সঠিক প্রাপ্য নিশ্চিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির পরিমাপে গুরুত্ব দেওয়া বাঞ্ছনীয়। তাই ওজন ও পরিমাপ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২০ মে বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
ইতিহাস—–
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস হল ১৮৭৫ সালের ২০ মে সতেরোটি দেশের প্রতিনিধিদের দ্বারা মিটার কনভেনশনের স্বাক্ষরের একটি বার্ষিক উদযাপন। আন্তর্জাতিক মেট্রোলজি দিবস প্রকল্পটি ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগাল মেট্রোলজি (OIML) এবং ব্যুরো ইন্টারন্যাশনাল দেশ পোয়েডস এট মেসার্স (BIPM) দ্বারা যৌথভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। কনভেনশন পরিমাপের বিজ্ঞানে এবং এর শিল্প, বাণিজ্যিক এবং সামাজিক প্রয়োগগুলিতে বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার জন্য কাঠামো সেট করে। মিটার কনভেনশনের মূল লক্ষ্য – পরিমাপের বিশ্বব্যাপী অভিন্নতা – ১৮৭৫ সালের মতোই আজও গুরুত্বপূর্ণ!
ওআইএমএল (OIML) সম্পর্কে—-
১৯৫৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগ্যাল মেট্রোলজি (OIML) একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি সংস্থা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যাতে OIML-এর সচিবালয় এবং সদর দপ্তর হিসাবে ব্যুরো ইন্টারন্যাশনাল ডি মেট্রোলজি লেগালে (BIML) এর সাথে আইনি মেট্রোলজি পদ্ধতির বৈশ্বিক সমন্বয়ের প্রচার করা হয়। সেই সময় থেকে, OIML একটি বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরি করেছে যার প্রাথমিক লক্ষ্য হল জাতীয় মেট্রোলজিক্যাল পরিষেবা, বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির দ্বারা প্রয়োগ করা প্রবিধান এবং মেট্রোলজিকাল নিয়ন্ত্রণগুলিকে সামঞ্জস্য করা।
বিআইপিএম সম্পর্কে—-
১৮৭৫ সালে মিটার কনভেনশন স্বাক্ষরের ফলে বিআইপিএম তৈরি হয় এবং প্রথমবারের মতো মেট্রোলজিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা হয়। কনভেনশনটি আন্তর্জাতিক ওজন ও পরিমাপের ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করেছে এবং আমাদের প্রচেষ্টার সমস্ত দিকগুলিতে পরিমাপের বিশ্বব্যাপী অভিন্নতার ভিত্তি স্থাপন করেছে, ঐতিহাসিকভাবে শিল্প ও বাণিজ্যের উপর ফোকাস এবং সহায়তা করছে, কিন্তু আজকে আমরা ২১ শতকের বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য এবং শক্তি। BIPM ভৌত এবং রাসায়নিক পরিমাণের একটি নির্বাচিত সেটে সর্বোচ্চ স্তরে বৈজ্ঞানিক কাজ করে। BIPM হল ন্যাশনাল মেট্রোলজি ইনস্টিটিউটের (NMIs) একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কের হাব যা জাতীয় স্বীকৃত ল্যাবরেটরি এবং শিল্পে SI-এর সন্ধানযোগ্যতার শৃঙ্খল উপলব্ধি ও প্রচার করে চলেছে।
প্রজন্ম জুড়ে আবহাওয়া, জলবায়ু এবং জলের ভবিষ্যত, ২৩ মার্চ ২০২৩
২০ মে হল বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস, যা ১৮৭৫ সালে মিটার কনভেনশন স্বাক্ষরের বার্ষিকীকে স্মরণ করে। এই চুক্তিটি একটি বিশ্বব্যাপী সুসংগত পরিমাপ ব্যবস্থার ভিত্তি প্রদান করে যা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং উদ্ভাবন, শিল্প উত্পাদন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উন্নতির পাশাপাশি জীবনের মান এবং বিশ্বব্যাপী পরিবেশের সুরক্ষা।
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস ২০২৩-এর থিম হল বিশ্বব্যাপী খাদ্য ব্যবস্থাকে সমর্থনকারী পরিমাপ। এই থিমটি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের কারণে এবং বিশ্বে খাদ্যের বৈশ্বিক বিতরণের কারণে বেছে নেওয়া হয়েছিল যার জনসংখ্যা ২০২২ সালের শেষে ৮ বিলিয়নে পৌঁছেছে।
বিশ্বজুড়ে, জাতীয় মেট্রোলজি ইনস্টিটিউটগুলি পরিমাপের প্রয়োজনীয় স্তরে নতুন পরিমাপ কৌশলগুলি বিকাশ এবং যাচাই করে পরিমাপ বিজ্ঞানকে ক্রমাগত অগ্রসর করে। জাতীয় মেট্রোলজি ইনস্টিটিউটগুলি বিশ্বব্যাপী পরিমাপের ফলাফলের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ব্যুরো ইন্টারন্যাশনাল ডেস পয়েডস এট মেসুরস (BIPM) দ্বারা সমন্বিত পরিমাপ তুলনাতে অংশগ্রহণ করে।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগ্যাল মেট্রোলজি (OIML) আন্তর্জাতিক সুপারিশগুলি তৈরি করে, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তাগুলিকে সারিবদ্ধ করা এবং সামঞ্জস্য করা। OIML এছাড়াও OIML সার্টিফিকেশন সিস্টেম (OIML-CS) পরিচালনা করে যা আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং নিয়ন্ত্রিত পরিমাপ যন্ত্রের বৈশ্বিক বাণিজ্য সহজতর করে।
এই আন্তর্জাতিক মেট্রোলজি সিস্টেমগুলি প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা এবং আত্মবিশ্বাস প্রদান করে যে পরিমাপ সঠিক, আজকের বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য একটি সঠিক ভিত্তি প্রদান করে এবং আগামীকালের চ্যালেঞ্জগুলির জন্য আমাদের প্রস্তুত করতে সহায়তা করে।
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস সারা বছর ধরে আন্তঃসরকারি এবং জাতীয় মেট্রোলজি সংস্থা এবং ইনস্টিটিউটে কাজ করে এমন সমস্ত লোকের অবদানকে স্বীকৃতি দেয় এবং উদযাপন করে।
২০২৩ ভারতে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস (ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক)—-
ভারত সরকারের ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক ২০শে মে ২০২৩ বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালন করবে। এই উল্লেখযোগ্য উপলক্ষটি একটি অনলাইন ইভেন্ট দ্বারা চিহ্নিত করা হবে যা বৈজ্ঞানিক এবং আইনি পরিমাপবিদ্যা নীতির মাধ্যমে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে বর্তমান এবং আসন্ন প্রকল্পগুলিতে ফোকাস করে৷
ওয়েবিনারটি জাতীয় মেট্রোলজি সিস্টেমের বর্তমান অত্যাধুনিক মূল্যায়নের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেডিকেল ডায়াগনস্টিকস, ফুড ইন্ডাস্ট্রি এবং রেডিয়েশন মেট্রোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করার একটি চমৎকার সুযোগ প্রদান করবে। অতিরিক্তভাবে, অংশগ্রহণকারীদের অন্য কৌশলগত বিষয়গুলি অন্বেষণ করতে উত্সাহিত করা হবে, যার মধ্যে একটি আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে আইনি মেট্রোলজির ভূমিকা এবং টাইম মেট্রোলজিতে স্যাটেলাইট নেভিগেশনের তাত্পর্য রয়েছে৷
থিম—
সাম্প্রতিক বছরগুলির কয়েকটি থিম নীচে রয়েছে:
প্রজন্ম জুড়ে আবহাওয়া, জলবায়ু এবং জলের ভবিষ্যত, ২৩ মার্চ ২০২৩
আগাম সতর্কতা এবং প্রাথমিক পদক্ষেপ, ২৩ মার্চ ২০২২
মহাসাগর, আমাদের জলবায়ু এবং আবহাওয়া, ২৩ মার্চ ২০২১
জলবায়ু এবং জল, ২৩ মার্চ ২০২০
সূর্য, পৃথিবী এবং আবহাওয়া, ২৩ মার্চ ২০১৯
আবহাওয়া-তৈরি, জলবায়ু-স্মার্ট, ২৩ মার্চ ২০১৮
মেঘ বোঝা, ২৩ মার্চ ২০১৭
গরম, শুষ্ক, ভেজা – ভবিষ্যতের মুখোমুখি, ২৩ মার্চ ২০১৬
জলবায়ু কর্মের জন্য জলবায়ু জ্ঞান, ২৩ মার্চ ২০১৫
আবহাওয়া এবং জলবায়ু: আকর্ষক যুব, ২৩ মার্চ ২০১৪
জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করা: ওয়ার্ল্ড ওয়েদার ওয়াচের ৫০ বছর উদযাপন, ২৩ মার্চ ২০১৩
আবহাওয়া, জলবায়ু এবং জল দিয়ে আমাদের ভবিষ্যতকে শক্তিশালী করা, ২৩ মার্চ ২০১২
আপনার জন্য জলবায়ু, ২৩ মার্চ ২০১১
আপনার নিরাপত্তা এবং সুস্থতার জন্য 60 বছরের পরিষেবা (২০১০)
আবহাওয়া, জলবায়ু এবং বায়ু আমরা শ্বাস নিই (২০০৯)
একটি ভাল ভবিষ্যতের জন্য আমাদের গ্রহ পর্যবেক্ষণ করা (২০০৮)
পোলার মেটিওরোলজি: আন্ডারস্ট্যান্ডিং গ্লোবাল ইমপ্যাক্টস (২০০৭)
প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ এবং প্রশমন (২০০৬)
আবহাওয়া, জলবায়ু, জল এবং টেকসই উন্নয়ন (২০০৫)
তথ্য যুগে আবহাওয়া, জলবায়ু, জল (২০০৪)
আমাদের ভবিষ্যতের জলবায়ু (২০০৩)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য–
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগাল মেট্রোলজি সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগাল মেট্রোলজি প্রতিষ্ঠিত: ১৯৫৫।
।।তথ্য ঋণ : অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ইন্টারনেট।।