Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৭ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৭ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস।
(খ) ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস, বাংলাদেশ।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৬৮ – মোহাম্মদ আকরম খাঁ, বাঙালি সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক এবং ইসলামী পণ্ডিত।

১৮৭১ – খাজা সলিমুল্লাহ, ঢাকার নবাব।
১৮৭৩ – প্রখ্যাত বাঙালি চিকিৎসাবিজ্ঞানী স্যার উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী।
১৮৭৯ -আর্নেস্ট হার্টসফিল্ড, জার্মানীর বিখ্যাত প্রাচ্যবিদ ও ইরান-বিশেষজ্ঞ।

১৮৯৬ – রবার্ট সেন্ডারসন মুল্লিকেন, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী এবং রসায়নবিজ্ঞানী।
১৮৯৬ – ইমরে নাগি, হাঙ্গেরির বিশিষ্ট সমাজতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ।
১৯০৯ – জেসিকা ট্যান্ডি, ব্রিটিশ অভিনেত্রী।

১৯১৭ – (ক)  রাজেন তরফদার, প্রখ্যাত বাংলা চলচ্চিত্র পরিচালক,অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার ।
(খ) ডিন মার্টিন, আমেরিকান গায়ক, অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯২৩ – সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, খ্যাতিমান বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
১৯২৮ – জেমস আইভরি, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৩১ – ভার্জিনিয়া ম্যাকেনা, ব্রিটিশ অভিনেত্রী।
১৯৩৫ – শ্যামা, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৪৭ – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত বাঙালি লেখক।
১৯৪৮ – জিম ওয়ালটন, আমেরিকান ব্যবসায়ী।
১৯৫২ – ওরহান পামুক, ২০০৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তুর্কী সাহিত্যিক।

১৯৫২ – লিয়াম নিসন, আইরিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৫৫ – রঞ্জন ঘোষাল, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী, গায়ক,গীতিকার, লেখক ও নাট্যব্যক্তিত্ব।
১৯৫৮ – প্রিন্স রজার্স নেলসন, বিখ্যাত মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৫৯ – মাইক পেন্স, মার্কিন রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী।
১৯৬৪ – গ্রেইম লেব্রয়, সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৬৫ – মাইক ফোলি, আমেরিকান লেখক, অভিনেতা, এবং সাবেক পেশাদার কুস্তিগির এবং ধারাভাষ্যকার।
১৯৭০ – কাফু, ব্রাজিলীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৭২ – ফেরদৌস, বাংলাদেশের একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪১৩ – নেপলসের রাজা ল্যাডিস্ল রোম দখল করেন।
১৫৪৬ – আরড্রেস শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ফ্রান্স ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ইংল্যান্ডের যুদ্ধাবসান ঘটে।
১৫৫৭ – ইংল্যান্ড ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৬৫৪ – ষোড়শ লুই ফ্রান্সের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।
১৭৬৫ – উত্তর পারস্যে ভূমিকম্পে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।
১৮১০ – নবাব সৈয়দ জিনে উদ্দিন বাংলার মসনদে আরোহণ করেন।
১৮৭৯ – লাতিন আমেরিকার তিনটি দেশ পেরু, চিলি ও বলিভিয়ার মধ্যে পাঁচ বছরের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯০৪ – সুইডেনের কাছ থেকে নরওয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৬ – ছয় দফার সমর্থন ও পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে পূর্ব বাংলায় হরতাল পালিত হয়। পুলিশের গুলিতে ১১ জন নিহত ও শত শত আহত হয়।
১৯৭১ – মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ৫শ’ ও ১শ’ টাকার নোট বাতিল ঘোষণা করা হয়।
১৯৭৩ – বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চলে সন্তু লারমার নেতৃত্বে শান্তিবাহিনী গঠিত হয়।
১৯৭৫ – ইংল্যান্ডে প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮০ – ইহুদিবাদী ইসরাইলের জঙ্গীবিমান ইরাকের রাজধানী বাগদাদের কাছে অবস্থিত ইরাকি পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংস করে।
১৯৮৮ – বাংলাদেশের সংসদে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী গৃহীত হবার মাধ্যমে পবিত্র ইসলাম ধর্মকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়।
১৯৮৯ – সুরিনামে বিমান দুর্ঘটনায় ১৬২ জন মৃত্যুবরণ করে।
১৯৯১ – পাকিস্তানে ট্রেন দুর্ঘটনায় ২শ’ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।
১৯৯২ – আজারবাইজানে প্রথম বহুদলীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এবুলতাজ এলসিব জয়লাভ করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৬৫ – হুসাইন নিজাম শাহ, দাক্ষিণাত্যের রাজা।
১৮২৬ – ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার, জার্মান আলোকবিজ্ঞানী।
১৮৬৩ – রিচার্ড মার্শ হো, রোটারি ছাপাখানার মার্কিন উদ্ভাবক।
১৯৩৭ – জিন হার্লো, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৪৮ – লুই ল্যুমিয়ের, ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্রের অগ্রদূত।
১৯৫৪ – অ্যালান টুরিং, ইংরেজ গণিতবিদ, যুক্তিবিদ ও ক্রিপ্টোবিশেষজ্ঞ।
১৯৬৫ – জুডি হলিডে, মার্কিন অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেত্রী ও গায়িকা।
১৯৬৭ – ডরোথি পার্কার, আমেরিকান কবি, লেখক, সমালোচক এবং বিদ্রুপাত্মক রচনাকার।
১৯৭০ – এডওয়ার্ড মরগ্যান ফরস্টার, ইংরেজ ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
১৯৭৮ – রোনাল্ড জর্জ রেফর্ড নোরিশ, ব্রিটিশ রসায়ন বিজ্ঞানী।
১৯৮০ – হেনরি মিলার, আমেরিকান লেখক।
২০০২ – বসপ্পা ধনপ্পা জত্তী, ভারতের পঞ্চম ভারতের উপরাষ্ট্রপতি।
২০১৫ – ক্রিস্টোফার লী, ইংরেজ অভিনেতা, গায়ক, লেখক এবং দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী।
২০১৫ – শেখ রাজ্জাক আলী, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক স্পিকার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

স্মরণে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম বাঙালি বিচারপতি শম্ভুনাথ পণ্ডিত।।।।

সম্ভুনাথ পণ্ডিত ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি ১৮৬৩ সালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হন। তিনি ১৮৬৩ থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন ।

সদাসিব পণ্ডিতের পুত্র, তিনি কাশ্মীরি পণ্ডিত পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি কলকাতার ভবানীপুরে বড় হয়েছেন । শৈশবে, তিনি উর্দু ও ফারসি পড়ার জন্য লখনউ যান ।

কলকাতায় ফিরে তিনি ওরিয়েন্টাল সেমিনারিতে যোগ দেন।তিনি ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ।

ব্রাহ্মসমাজ——

ব্রাহ্ম সমাজের ইতিহাসে , শিবনাথ শাস্ত্রী লিখেছেন, “১৮৫২ সালের জুন মাসে, সেই শহরতলির শহরের (অর্থাৎ ভবানীপুর) বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রয়াত সম্ভুনাথ পণ্ডিতের বাড়িতে সমবেত হন, যিনি পরে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারক ছিলেন। , এবং জ্ঞান প্রকাশিক সভা, বা “সত্য প্রকাশকারী সমিতি” নামে একটি সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল এটির সদস্যদের আধ্যাত্মিক জ্ঞানের প্রচার করা, যদিও এটি ছিল সম্ভুনাথ পন্ডিত সভাপতি, বাবু অন্নদাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়, হাইকোর্টের একজন পিলিডার, ভাইস-প্রেসিডেন্ট, এবং হিন্দু প্যাট্রিয়ট খ্যাত বাবু হরিশচন্দ্র মুখার্জি এর সেক্রেটারি… ১৮৫৩ সালে অনুষ্ঠিত সোসাইটির প্রথম বার্ষিকী থেকে, এটি যথাযথভাবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ভবানীপুর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ব্রাহ্মসমাজ।” এটি ঐশ্বরিক সেবার আদি সমাজ ফর্ম অনুসরণ করে। তিনি অন দ্য বিয়িং অফ গড নামে একটি বই প্রকাশ করেন ।
একটি সরকারি হাসপাতাল এবং ভবানীপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করা হয়েছে তাঁর নামে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে ফলহারিনী কালীপুজোর ইতিহাস।।।।।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী বর্গভীমা। তমলুক শহরে দেবীবর্গভীমা মায়ের মন্দির। এটি একটি একান্ন সতী পিঠের মন্দির। সারা বছরই এই মন্দিরে চলে পুজোপাঠ। প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে পূজা দেন মায়ের মন্দিরে। সারা বছর প্রতিদিন পুজো পাঠের পাশাপাশি এই মন্দিরে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিশেষ বিশেষ তিথিতে বিশেষ পুজোপাঠ হয়।

তাদের মধ্যে অন্যতম হল ফলহারিনী কালীপুজো। এই মন্দিরে প্রতিবছর ফলহারিনী কালীপুজোয় হয় বিশেষ পুজোপাঠ। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে বর্গভীমা মন্দিরে ফলহারিনী কালীপুজো উপলক্ষে পুজো দেন।
সতীর একান্ন পীঠের এক পীঠ তমলুকের দেবী বর্গভীমা, বর্তমানেও নিষ্ঠার সাথে পুজিত হয় মা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সদর ঐতিহাসিক তাম্রলিপ্ত বা তমলুকের আজও মধ্যমণি মা বর্গভীমা। কয়েক হাজার বছর ধরে শক্তি স্বরূপিণী আদ্যাশক্তি মহামায়া রূপে দেবী বর্গভীমার আরাধনা চলে আসছে। মতান্তরে তিনি ভীমরূপা বা ভৈরব কপালী নামেও পরিচিত। অতীতের প্রায় সব কিছুই ধ্বংসের মুখে চলে গেলেও স্বমহিমায় আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে এই সুবিশাল মন্দির। ওড়িশি স্থাপত্যের আদলে এই দেউলের উচ্চতা প্রায় ৬০ ফুট। মন্দিরের দেওয়ালে টেরাকোটার অজস্র কাজ। তার মধ্যেই মন্দিরের গর্ভগৃহে কালো পাথরে তৈরি মায়ের মূর্তি বিরাজ করছে দেবী উগ্রতারা রূপে।
পুরাণ বলে, দক্ষযজ্ঞে সতীর দেহত্যাগের পর মন্দিরের সেবায়েতের কথায় ধর্ম-অর্থ-কাম ও মোক্ষ। এই চারটি বর্গ দান করেন বলেই মায়ের নাম দেবী বর্গভীমা। নীলতন্ত্র মতে মায়ের আরাধনা করা হয় এখানে। ফলহারিনী কালীপুজোর দিন রাজবেশে মাকে সাজিয়ে মহা ধুমধামে পুজো হয়। পুজোর পাশাপাশি এই দিন হোম যজ্ঞ হয় মন্দিরে। ভক্তরা তাদের সারা বছরের কর্মফল মায়ের প্রায় অর্পণ করে পুজো দেন। মন্দিরের পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী জানান, ‘সারা বছরই পূজো পাঠের পাশাপাশি মন্দিরে বিশেষ বিশেষ তিথিতে বিশেষ বিশেষ পুজোপাঠ হয়। ৫ জুন বুধবার ফলহারিনী কালীপুজো। মন্দিরে হোম যজ্ঞ পুজোপাঠের মাধ্যমে পূজিতা হন মা বর্গভীমা। ভক্তরা এই দিন মায়ের চরণে তাদের কর্মফল নিবেদন করে পুজো দেন।’
৫ জুন বুধবার ফলহারিনী কালীপূজা উপলক্ষে সকাল থেকেই বর্গভীমা মন্দিরে ভক্তদের সমাগম শুরু হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের থেকে জানা যায় সন্ধ্যের পর আরও বেশি ভক্তের সমাগম হবে। মন্দিরে আর পাঁচটা তিথির মত এই তিথিতেও মায়ের কাছে পুজো দিতে দূর দূরান্ত থেকে বহু ভক্তের সমাগম হয়।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৬ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৬ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৯৯ – আলেক্সান্দ্‌র পুশকিন, আধুনিক রাশিয়ান সাহিত্যের জনক হিসাবে আখ্যায়িত।  .

১৮৫০ – কার্ল ফের্ডিনান্ড ব্রাউন, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক।
১৮৭৫ – জার্মান ঔপন্যাসিক ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক প’ল টমাস মান।

১৮৭৯ – উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী ও সাংবাদিক।

১৮৯৩ – ভারতপ্রেমিক, রবীন্দ্রস্নেহধন্য ও শ্রীনিকেতনের রূপকার লিওনার্ড নাইট এলমহার্স্ট।
১৯০১ – সুকর্ণ, ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি।

১৯১১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত, ভারতের বাঙালি চর্মচিকিৎসক ও ঔপন্যাসিক ।
১৯১৮ – এডুইন জি ক্রেবস, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

১৯২৯ – সুনীল দত্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক ও রাজনীতিবিদ।
১৯৩০ – ফ্রাঙ্ক টাইসন, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ।

১৯৪০ – টাইগার ল্যান্স, দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৪৩ – আসিফ ইকবাল (ক্রিকেটার), ব্রিটিশ ভারতের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার।
১৯৪৪ – ফিলিপ এ শার্প, মার্কিন জিনবিজ্ঞানী এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী।
১৯৭০ – সুনীল জোশী, ভারতীয় ক্রিকেটার।
১৯৮৫ – ড্রু ম্যাকইন্টায়ার, স্কটিশ পেশাদার কুস্তিগির।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৬৫৪ – সুইডেনের রানী ক্রিস্টিনার রাজসিংহাসন ত্যাগ।
১৬৬০ – সুইডেন ও ডেনমার্কের দীর্ঘদিনের যুদ্ধাবসান।
১৭৫২ – একটি ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডের ফলে মস্কোর ১৮ হাজার ঘরবাড়িসহ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শহর পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়।
১৮০১ – স্পেন ও পর্তুগালের মধ্যে বাদাহস চুক্তি স্বাক্ষর।
১৮০৮ – নেপোলিয়নের ভাই জোসেফ বোনাপার্ট স্পেনের রাজা হন।
১৮০৯ – সুইডেনের সংবিধান প্রনয়ণ করা হয়।
১৮৩৩ – আমেরিকার প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসনই প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি ট্রেনে চড়েন।
১৮৪৪ – খ্রিস্টীয় যুবাদের দেহ মন চেতনা বিকাশের জন্য এক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াই এম সি এ বা YMCA লণ্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮২ – আরব সাগরে উত্থিত সাইক্লোনের আঘাতে বোম্বে শহরে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে।
১৮৮৪ – ভারতের সেনাবাহিনী সেদেশের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসর শহরে শিখদের বৃহৎ স্বর্ণ মন্দিরে অভিযান চালায় এবং প্রায় এক হাজার শিখ গেরিলাকে হত্যা করে।
১৯০৩ – হীরালাল সেন প্রথম আলিবাবা ও চল্লিশ চোর নামের থিয়েটার চলচ্চিত্রায়িত করেন এবং জবাকুসুম হেয়ার অয়েল’ আর ‘এডওয়ার্ডস টনিক’-এর ওপর বিজ্ঞাপনী ছবি তৈরি করেন।
১৯১৯ – সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ফিনল্যান্ডের যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯৩৬ – ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের নাম হয় অল ইন্ডিয়া রেডিও। ১৯৫৬ সালে এর পাশাপাশি আকাশবাণী হিসাবে পরিচিতি পায়।
১৯৬৪ – ব্রিটেনের কাছ থেকে মালাবির স্বাধীনতা লাভ। কামুজাবান্দা প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইকুয়েডর।
১৯৭৫ – বাংলাদেশে সকল বেসরকারী সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
১৯৮২ – দখলদার ইসরাইলী বাহিনী আবারও লেবাননে হামলা চালায়।
১৯৮৩ – কলকাতা দূরদর্শন থেকে রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হয়।
১৯৮৯ – সোভিয়েত ইউনিয়নে চলন্ত ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক লোক নিহত।
১৯৯১ – ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হওয়ার ঘোষণা দেয়।
১৯৯৩ – সাইবেরিয়ায় ৪৬০ শরণার্থীকে গণহত্যা, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
১৯৯৪ – কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১ হাজার মানুষ নিহত।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৫৫ – ফরাসি লেখক লুই সেন সিমুন।

১৭৭৭ – দীনহীন অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় মুসাফিররূপে আজমীর শরীফের বাইরে বাংলার ভাগ্য বিড়ম্বিত নবাব মীর কাসিম আলী।
১৮৩২ – জেরেমি বেন্থাম, ইংরেজ দার্শনিক, আইনতত্ত্ববিদ এবং সমাজ সংস্কারক।
১৮৬৭ – কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম বাঙালি বিচারপতি শম্ভুনাথ পণ্ডিত।
১৯১৯ – রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী বাঙালি বিজ্ঞান লেখক ও অধ্যাপক ।
১৯৬৮ – রবার্ট এফ কেনেডি, আমেরিকান রাজনীতিক এবং আইনজীবী।
১৯৭১ – ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিকন্যা লাবণ্যপ্রভা দত্ত।
১৯৭২ – হুমায়ুন কবির, বিশ শতকের বাংলা ভাষার কবি।
১৯৭৪ – সুধীররঞ্জন খাস্তগীর, বঙ্গীয় শিল্পকলার ভারতীয় চিত্রকর ।
২০১৪ – বিশিষ্ট সাংবাদিক মাহবুবুল আলম
২০১৬ – ভিক্টর কর্চনই, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত গ্র্যান্ডমাস্টার দাবাড়ু ও লেখক ছিলেন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র সারা ভারতে আধুনিক রীতিতে সাক্ষরতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ – প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।।।।

সত্যেন মৈত্র (জন্ম সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র) ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং ভারতে গণশিক্ষার অগ্রদূত।

 

জীবনের প্রথমার্ধ—-

সত্যেন মৈত্র ১৯১৫ সালের ১৫ আগস্ট ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় (বর্তমানে কলকাতা ) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র । মৈত্র পরিবার বরিশাল জেলা থেকে আগত , বর্তমানে বাংলাদেশে ।

মৈত্রের দাদা লোকনাথ মৈত্র। তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভালো বন্ধু ছিলেন । বিদ্যাসাগরের আহ্বানে লোকনাথ বিধবা জগত্তার্ণী দেবীকে বিয়ে করেন। সত্যেন মৈত্র মিত্র ইনস্টিটিউশনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ) থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে অর্থনীতি অধ্যয়ন চালিয়ে যান। যাইহোক, একটি অসুস্থতার কারণে, তিনি তার পড়াশোনা শেষ করেননি।
১৯৪৪ সালে, তিনি সুনন্দা চট্টোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন।

কর্মজীবন—-

ভারতে ফিরে আসার পর, তিনি একটি নিউজ প্রেস এবং প্রকাশনা সংস্থা শুরু করেন। ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্টের প্রবিধানের অধীনে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর , তিনি চুন্ত প্রকাশ নামে আরেকটি জার্নাল প্রকাশ করতে শুরু করেন, যা প্রাথমিকভাবে ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত হয়। তাঁর পিতা বেঙ্গল সোশ্যাল সার্ভিস লীগের মাধ্যমে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর , আশুতোষ মুখার্জি , শিবনাথ শাস্ত্রী, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এবং অন্যান্যদের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জড়িত ছিলেন। সত্যেন মৈত্র সেখানে কালিদাস নাগ, নীলরতন সরকার , ডক্টর হরিধন দত্ত, ডক্টর চুনিলাল বসু, অ্যান্ড্রুস পিয়ারসন, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর , গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুকুমার রায়, শরৎচন্দ্র চল্লোপাধ্যায়, মহাশয়ন্দ্র চন্দ্রনাথ প্রমুখ পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসেন। শৈশব ও শৈশবে বোস ।

শিক্ষাবিদ——

সত্যেন মৈত্র প্রাপ্তবয়স্ক এবং অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য ‘সারগ্রাহী পদ্ধতি’ নামে একটি পদ্ধতির বিকাশ ঘটান। এটি নিম্নলিখিত ভারতীয় শিক্ষামূলক প্রোগ্রামগুলিতে গৃহীত হয়েছে: টোটাল লিটারেসি ক্যাম্পেইন (TLC), পোস্ট লিটারেসি প্রোগ্রাম (PLP), এবং কন্টিনিউয়িং এডুকেশন প্রোগ্রাম (CEP)। মৈত্র উপানুষ্ঠানিক শিক্ষায় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পাঠ্যপুস্তক লিখেছেন। তিনি ১৯৭০ সালে জাতীয় শিক্ষা বোর্ডের উপদেষ্টা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৬১ সালে, মৈত্র ১৯৪৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সাক্ষরতার ক্ষেত্রে তার আজীবন অবদানের জন্য পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের ভারতীয় বয়স্ক শিক্ষা সমিতির সদস্য হন।
পুরস্কার———
১৯৭৪ সালে নেহেরু পুরস্কার (ভারতীয় প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা সমিতি), তাঁর নেতৃত্বে বেঙ্গল সোশ্যাল সার্ভিস লীগ ইউনেস্কো থেকে একটি পুরস্কার লাভ করে, সাক্ষরতা কর্মসূচিতে অবদানের জন্য রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট প্রদান করে। মৈত্রের স্মরণে, ভারত সরকার ‘সত্যেন মৈত্র জাতীয় সাক্ষরতা পুরস্কার’, ভারত জুড়ে সাক্ষরতা প্রচারের স্বীকৃতি প্রদান করে।

মৃত্যু———

সত্যেন মৈত্র ১৯৯৬ সালের ৫ জুন কলকাতায় মারা যান।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

“বিশ্ব পরিবেশ দিবস” সম্পর্কে কিছু কথা : দিলীপ রায় ।।।

“আজ বাঁচাও সবুজ, জাগাও সবুজ, ঘোচাও হিংসার রেশ
মনের সবুজ বাঁচলে তবেই
বাঁচবে এ পরিবেশ ।”

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তাৎপর্য হলো, দিবসটি বিশ্বের বা একটি নির্দিষ্ট দেশের সম্মুখীন পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করতে পালন করা ।

উদ্ভিদ, মানুষ যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্যে জীবন যাপন করে এবং যে দৃশ্য ও অদৃশ্য উপাদান মানুষের জীবন জীবিকার উপর প্রভাব বিস্তার করে — সম্মিলিতভাবে তাকে পরিবেশ বলে ।
মানুষের চারিদিকে যে প্রাকৃতিক ও মানবিক স্পর্শ রয়েছে যাদের ছাড়া মানুষের অস্তিত্ব সম্ভব নয়, সেসব বিষয়গুলিকে একত্রিতভাবে বলা হয় পরিবেশ ।
সোজা কথা – আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই আমাদের পরিবেশ । অর্থাৎ মাটি, জল, বায়ু, গাছপালা, জীবজন্তু, ইত্যাদি আমাদের পরিবেশ । পরিবেশ সম্পর্কে মাসটন বেটস্‌ বলেছেন, “পরিবেশ হলো সেসব বাহ্যিক অবস্থার সমষ্টি যা জীবনের বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে ।”
এবার দিবসটির ইতিহাসের দিকে নজর দেওয়া যাক । ১৯৬৮ সালের ২০শে মে জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠায় সুইডেন সরকার । চিঠির বিষয়বস্তু ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে তাঁদের গভীর উদ্বেগের কথা । সে বছরই জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনের আলচ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয় । পরের বছর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে সদস্য রাষ্ট্রগুলীর সম্মতিতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালে ৫ থেকে ১৫ জুন জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । সম্মেলনটি ইতিহাসের প্রথম পরিবেশ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায় । ১৯৭৪ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ই জুনকে জাতিসংঘ “পরবেশ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে । বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস । প্রতি বছর ৫ জুন ‘পরিবেশ’ দূষণের হাত থেকে এ বিশ্বকে বাঁচানোর অঙ্গীকার নিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে । বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত দিবস ।
প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিকমতো বজায় রেখে মানুষ যাতে এই পৃথিবীর বুকে অন্যান্য সমস্ত জীবের সাথে একাত্ম হয়ে এক সুন্দর পরিবেশে বেঁচে থাকে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করাই বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল উদ্দেশ্য ।
এবার আসছি পরিবেশবিদরা কী বলছেন ? বিভিন্ন পরিবেশবিদরা বলছেন, পর্যাপ্ত গাছের অভাবে জলের বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেছে, এর ফলে এখানে মাইক্রোক্লাইমেট তথা আশেপাশের এলাকা থেকে ভিন্ন জলবায়ু পরিস্থিতি বিরাজ করছে । গাছ না লাগালে আগামী ২০বছর পর এখানে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দিতে পারে ।
অনেক পরিবেশবিদরা বলছেন, গাছ মূলত ‘বাষ্পমোচন ও ঘনীভবন’ — এই দুটি প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি আনতে সাহায্য করে । গাছ তার শোষিত জলের ১০ শতাংশ সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহার করে । আর বাকী ৯০ শতাংশই প্রকৃতিতে বাষ্পমোচন করে দেয় । এতে বাতাসে ভাসমান জলীয়কণার পরিমান বাড়ে, যা বৃষ্টির প্রধান উপাদান । বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এখন গাছও কম, তাই বৃষ্টি কম ।
“দূষণ মুক্ত সবুজ পৃথিবী গড়তে
গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান ।”
এখানে একটি ঘটনার উল্লেখ না করে পারলাম না । জানেন কি, এক টাকাও খরচ না করে দেশের স্বচ্ছতম নদীর তকমা পেয়েছে মেঘালয়ের এক পাহাড়ি নদী । শুধুমাত্র স্থানীয় মানুষের সচেতনতার ফল । মেঘালয়ের পশ্চিম জয়ন্তিয়া পাহাড় জেলায় অবস্থিত ছোট্টো পরিচ্ছন্ন এবং তকতকে শহর ডাউকি । ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত ডাউকি কিন্তু দেশের আর পাঁচটা সীমান্তের মতো সবসময় উত্তপ্ত থাকে না । পরিবেশ যেন সর্বদাই মনোরম। যদিও সেনা টহল সবসময় । ডাউকির কাছেই অবস্থিত এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাওলিনং । ডাউকির সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হল উমঙ্গট নদী ।
অথচ গঙ্গা দূষণ রোধে ও পরিবেশ রক্ষায় না জানি ভারত সরকার কত হাজার কোটি টাকা খরচ করে যাচ্ছে ! অথচ ফল কী হচ্ছে, আজও মানুষেরা অজানা !
এবছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের থিম – প্লাস্টিক-দূষণ মোকাবিলার পথ সন্ধান করা । ২০২৩ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো “প্লাস্টিক দূষণ সমাধানে সামিল হই সকলে ।” দিবসের স্লোগান নির্ধারন হয়েছে, “সবাই মিলে করি পণ, বন্ধ হবে প্লাস্টিক দূষণ ।” দেশের সুশীল নাগরিক সমাজও পরিবেশ দিবসের স্লোগানের সাথে সামিল হন, আবেদন রইলো । (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত)
——-০———–

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।।।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হল একটি বার্ষিক উদযাপন যা পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আমাদের গ্রহকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপের প্রচারের জন্য নিবেদিত। এটি পরিবেশের অবস্থা প্রতিফলিত করার এবং আরও টেকসই ভবিষ্যতের দিকে পদক্ষেপ নেওয়ার একটি দিন। বিশ্ব পরিবেশ দিবস, প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়, পরিবেশ রক্ষার জন্য আমাদের ভাগ করা দায়িত্বের একটি বাধ্যতামূলক অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।

আমরা সকলেই আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে টেকসই অভ্যাস গ্রহণ, সম্পদ সংরক্ষণ এবং পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগের প্রচারের মাধ্যমে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখতে পারি। এমনকি ছোট কাজ, যেমন গাছ লাগানো, বর্জ্য কমানো, বা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি অনুমোদন করা, উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। আসুন আমাদের গ্রহের জন্য একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টায় একতাবদ্ধ হই!

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ : তারিখ—

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ বুধবার, ৫ জুন পালিত হবে। এটি বিশ্বব্যাপী ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং দেশগুলির জন্য পরিবেশগত ওকালতি এবং পদক্ষেপে নিযুক্ত হওয়ার জন্য একটি পুনরাবৃত্ত সুযোগ প্রদান করে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ : থিম—-

প্রতি বছর, জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সমস্যা প্রতিফলিত করে এমন একটি থিম নির্বাচন করে, যা জাতি, সংস্থা এবং ব্যক্তিদের সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করে। ২০২৫ সালের থিমটি জলবায়ু পরিবর্তনের স্থিতিস্থাপকতা, টেকসই জীবনযাপন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উপর জোর দেবে বলে আশা করা হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী মানুষকে পরিবেশবান্ধব অনুশীলন এবং নীতি গ্রহণের আহ্বান জানাবে যা একটি স্বাস্থ্যকর গ্রহের জন্য অবদান রাখে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ : ইতিহাস—-

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ১৯৭২ সালে স্টকহোম মানব পরিবেশ সম্মেলনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথম উদযাপন ১৯৭৩ সালে সংঘটিত হয়েছিল এবং তারপর থেকে, এটি ১৫০ টিরও বেশি দেশ জড়িত একটি বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর, দিবসটি একটি ভিন্ন দেশ দ্বারা হোস্ট করা হয়, যেখানে সরকারী ইভেন্টগুলি নির্দিষ্ট পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ এবং সমাধানগুলিকে তুলে ধরে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ : তাৎপর্য—-

বিশ্ব পরিবেশ দিবস বিভিন্ন কারণে তাৎপর্যপূর্ণ:

সচেতনতা বাড়ায়: এটি পরিবেশগত সমস্যাগুলিকে জনসচেতনতার সামনে নিয়ে আসে, ব্যক্তি এবং সংস্থাগুলিকে পদক্ষেপ নিতে উত্সাহিত করে।
ক্রিয়াকলাপের প্রচার: এটি পরিবেশগত প্রভাব কমাতে এবং টেকসই অনুশীলনকে সমর্থন করার জন্য তাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন করতে অনুপ্রাণিত করে।
একটি নির্দিষ্ট থিমের উপর ফোকাস করে: প্রতি বছরের থিম একটি চাপা পরিবেশগত চ্যালেঞ্জকে হাইলাইট করে, যা লক্ষ্যবস্তু সমাধান এবং সহযোগিতার জন্য অনুমতি দেয়।
বিশ্বকে একত্রিত করে: বিশ্ব পরিবেশ দিবস সীমানা এবং সংস্কৃতিকে অতিক্রম করে, পরিবেশের প্রতি বিশ্বব্যাপী দায়িত্ববোধের উদ্রেক করে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৫ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৫ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

আজ যাদের জন্মদিন—-

৪৬৯ খ্রীষ্টপূর্ব – সক্রেটিস গ্রিক দার্শনিক।  .
১৭২৩ – এডাম স্মিথ, স্কটিশ অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
১৭৭০ – তুরস্কের সুলতান দ্বিতীয় মুস্তফা।
১৮৬৫ – সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, ভারতে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ ।
১৮৮৩ – জন মেনার্ড কেইনস, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ।
১৮৯৮ – ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকা, স্পেনীয় কবি নাট্যকার ও নাট্য পরিচালক।
১৯০০ – দেনেশ গাবর, হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক।
১৯১১ – জন সি. উডস, নুরেমবার্গ‌ বিচারের মৃত্যুদন্ড কার্যকরকারী আমেরিকান জল্লাদ।
১৯১২ – এরিক হোলিস, ইংলিশ ক্রিকেটার।
১৯১৬ – সিড বার্নস, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯২৮ – টনি রিচার্ডসন, ইংরেজ নাট্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৩১ – জাক দ্যমি, ফরাসি অভিনেতা, পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার।
১৯৪৪ – হুইটফিল্ড ডিফি, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
১৯৪৯ – কেন ফলেট, ব্রিটিশ রোমাঞ্চ এবং ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতা।
১৯৫২ – মুকেশ ভাট, ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক।
১৯৫৪ – (ক)  ফিল নীল, সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট তারকা।
(খ) আমেরিকান অভিনেত্রী ন্যান্সি স্টাফোর্ড।
১৯৫৬ – স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৭১ – মার্ক ওয়ালবার্গ, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা, প্রযোজক এবং র‌্যাপার।
১৯৭২ – তানিয়া আহমেদ, বাংলাদেশী মডেল, অভিনেত্রী, পরিচালক ও উপস্থাপিকা।
১৯৭৪ – মারভিন ডিলন, ত্রিনিদাদিয়ান ক্রিকেটার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৮৩ – ফ্রান্সে জনসমক্ষে প্রথম বাষ্পচালিত বেলুন উড়িয়ে দেখান মন্টগলফারায় ভাইয়েরা।
১৮০৬ – লুই বোনাপাত হলান্ডের রাজা নিযুক্ত।
১৮২৭ – উসমানীয় সাম্রাজ্যের কাছে গ্রিক রাজধানী এথেন্সের পতন
১৮৪৯ – ডেনমার্কে রাজতন্ত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়।
১৮৭০ – তুরস্কের কনস্টান্টিনোপল শহরের অধিকাংশই আগুনে পুড়ে যায়।
১৯১৫ – ডেনমার্কে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান।
১৯১৬ – তুর্কিদের বিরুদ্ধে আরব বিপ্লব শুরু হয়।
১৯২৬ – তুরস্কে সর্বশেষ জানেসারি বিপ্লবের সূচনা।
১৯৪০ – প্রথম রাবারের টায়ার প্রদর্শিত হয়।
১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯৬৭ – ছয়দিনের যুদ্ধ শুরু।
১৯৭২ – সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ‘জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন’ শুরু।
১৯৭২ – স্টকহোম বৈঠকে প্রতিবছর এই দিনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
১৯৭৫ – কমন মার্কেট থাকা না থাকা নিয়ে ব্রিটেনের ইতিহাসে সর্বপ্রথম গণভোট। অধিকাংশ ভোট কমন মার্কেট থাকার পক্ষে পড়ে।
১৯৭৬ – আট বছর বন্ধ থাকার পর সুয়েজ খাল পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
১৯৮৩ – অমৃতস্বর স্বর্ণ মন্দিরে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর হামলা। উগ্রপন্থী ৬’শ হিন্দু নিহত।
১৯৯৭ – আলজেরিয়ায় প্রথম বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৬ – বিজিবি’র প্রথম নারী সদস্যদের পথচলা শুরু।
২০২২ – চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জন মারা যায়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩১৬ – ফ্রান্সের রাজা দশম লুই।
১৮৮৯ – ভারতবর্ষে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রথম প্রচারক রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত।
১৯১০ – ও হেনরি, মার্কিন ছোটগল্পকার।
১৯৬৮ – আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রবার্ট কেনেডি।
১৯৯৬ – সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র সারা ভারতে আধুনিক রীতিতে সাক্ষরতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
২০০৪ – রোনাল্ড রেগন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম রাষ্ট্রপতি।
২০১১ – আজম খান, বাংলাদেশি পপ সঙ্গীত শিল্পী।
২০১২ – রে ব্র্যাডবেরি, মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার।
২০১৫ – তারেক আজিজ, ইরাকি রাজনীতিবিদ, ইরাকি বাথ সোশ্যালিষ্ট পার্টির নেতা, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

বলিউডের কিংবদন্তি পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার বাসু চ্যাটার্জী – প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।।।।

বাসু চ্যাটার্জি ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার। যদিও তিনি 1970 এবং 1980-এর দশকে মধ্যম সিনেমা বা মধ্যম রাস্তা সিনেমায় হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় এবং বাসু ভট্টাচার্যের সহকারী হিসাবে কাজ করেছিলেন। তাদের জনপ্রিয় ছবি ছিল তিসরি কসম (1966)। বাসু চ্যাটার্জী ১৯৩০ সালে ভারতের রাজস্থান প্রদেশের অজমের শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

পেশাগত জীবন———–
বাসু চ্যাটার্জি মুম্বাই থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক ট্যাবলয়েড ব্লিটজে একজন চিত্রকর এবং কার্টুনিস্ট হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরু করার আগে, তিনি রাজ কাপুর এবং ওয়াহিদা রহমান অভিনীত তিসরি কসম ছবিতে বাসু ভট্টাচার্যের সহকারী হিসাবে কাজ করেছিলেন। চলচ্চিত্রটি ১৯৬৬ সালে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। বাসু চ্যাটার্জির প্রথম পরিচালনা চলচ্চিত্র ছিল সারা আকাশ (১৯৬৯)। এই ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান।
চলচ্চিত্রের তালিকা———
সংলাপ লেখক——
Lakhon Ki Baat, Hamari Bahu Alka, Dillagi (১৯৭৮), Khatta Meetha (১৯৭৭), রজনীগন্ধা (১৯৭৪), Piya Ka Ghar (১৯৭২)।

পরিচালক——–

Trishanku (2 December 2011), Hochheta Ki (2008), Kuch Khatta Kuch Meetha (2007), Prateeksha (2007), Hothat Brishti (1998), Gudgudee (4 April 1997), Triyacharittar (1997), Kamla Ki Maut (1990), Sheesha (3 October 1986), Chameli Ki Shaadi (21 February 1986), Ek Ruka Hua Faisla (1986), Kirayedar (1986), Lakhon Ki Baat (1984), Pasand Apni Apni (1983), Shaukeen (1982), Hamari Bahu Alka (1982), Jeena Yahan (1981), Apne Paraye (8 August 1980), Man Pasand (1980), Ratan Deep (21 December 1979), Prem Vivah (14 September 1979), Chakravyuha (29 June 1979), Manzil (14 May 1979), বাতোঁ বাতোঁ মেঁ (13 April 1979), Do Ladke Dono Kadke (1979), Dillagi, Tumhare Liye (1978), Swami, Safed, Jhooth (1977), Priyatma (1977), Khatta Meetha (1977), Chhoti Si Baat (1976), Chitchor (1976), রজনীগন্ধা (১৯৭৪), Us Paar (1974), Piya Ka Ghar (1972), Sara Akash (1969)।

চিত্রনাট্য——-

Lakhon Ki Baat (1984), Hamari Bahu Alka (1982), Dillagi, Khatta Meetha (1977), Rajnigandha (1974), Sara Akash (1969)।

প্রযোজক——–

Ek Ruka Hua Faisla (1986), Lakhon Ki Baat (1984), Pasand Apni Apni (1983), বাতোঁ বাতোঁ মেঁ (13 April 1979)।

বাংলা চলচ্চিত্র———

Trishanku, হচ্ছেটা কি?, টক ঝাল মিষ্টি, চুপি চুপি
হঠাৎ বৃষ্টি।

পরিচালক (টিভি সিরিজ)——–

Rajani (1985), Darpan (1985), Ek Ruka Hua Faisla (1986), Kakkaji Kahin (1988), Byomkesh Bakshi (1993)।

সহকারী পরিচালক—–

Saraswatichandra (1968), Teesri Kasam (1966)।
পুরস্কার——–
IIFA Lifetime Achievement Award(২০০৭), Filmfare Best Screenplay Award – Kamla Ki Maut (১৯৯১), Filmfare Critics Award for Best Movie – Jeena Yahan ( ১৯৮০), Filmfare Best Director Award – Swami (1977 film), Filmfare Best Screenplay Award – Chhoti Si Baat (১৯৭৬), Filmfare Critics Award for Best Movie – Rajnigandha (১৯৭৫), Filmfare Best Screenplay Award – Sara Akash (১৯৭২)।

মৃত্যু—–

০৪ জুন ২০২০সালে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

বাংলায় বিপ্লবী আন্দোলন।।।।

সূচনাঃ
সংগ্রামী জাতীয়তাবাদের অন্যতম তীর্থভূমি ছিল বাংলাদেশ। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে সংগ্রামী জাতীয়তাবাদের উদ্ভব ঘটে যা সর্বভারতে বিস্তার লাভ করে। এই সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে এক নব অধ্যায়ের সূচনা করে এই সকল সন্ত্রাসবাদীগন স্বদেশিকতা ও গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে, অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করিয়া গুপ্তহত্যা ও সন্ত্রাস সৃষ্টির দ্বারা বিদেশী শাসকবর্গকে ভারত হইতে বিতাড়িত করতে সচেষ্ট হয়েছিলেন।
বিপ্লবীরা জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধঃ-
স্বামী বিবেকানন্দের নববেদান্তবাদ বাংলার যুবশক্তিকে আত্মবিশ্বাস, সাহস ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দেমাতরম’ মন্ত্র, আনন্দমঠের “দেশমাতাই হলেন মা” এবং “দেশপ্রেমই হল ধর্ম” এই তত্ত্ব বিপ্লববাদের  মানস ক্ষেত্রকে উর্বর করে।

রাজনারায়ন বসুর জাতীয়তা বাদ ও নবগোপাল মিত্রের হিন্দুমেলা এই বিপ্লববাদে প্রেরনা দেয়। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন দমনে ইংরেজ পুলিশের প্রচন্ড দমন নীতি বাঙালী যুবকদের প্রতিজ্ঞায় দৃঢ় করে। ১৯০৫ খ্রীষ্টাব্দে রুশ জাপান যুদ্ধে ক্ষুদ্রকায় জাপানীদের হাতে রাশিয়ার পরাজয় ভারতবাসীকে চমকিত করে। এশিয়ার একদা পিছিয়ে পড়া শক্তি জাপান যদি দৈত্যের মত শক্তিশালী জার শাসিত রাশিয়াকে আত্মশক্তিতে পরাস্ত করতে পারে; তবে ভারতবাসী কেন ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে পারবে না, এই প্রশ্ন জাতির মনে দেখা দেয়। কবি অতুল প্রসাদ জাতিকে উদ্দীপনা দেন – “বল বল বল সবে, শত বীনা বেনু রবে, ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে”।
তিনটি গোষ্ঠীঃ-
বিপ্লবীদের মধ্যে তিনটি উপদল ছিল। – (১) একদল মনে করতেন যে, কিছু সংখ্যক সরকারী কর্মচারীকে হত্যা করলে সরকারী প্রশাসন যন্ত্র অচল হয়ে যাবে। (২) অপর গোষ্ঠী মনে করতেন যে, ইংরেজদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিতে হবে। (৩) তৃতীয় গোষ্ঠী মনে করত যে, ইংরেজ এর ভারতীয় বাহিনীকে বিপ্লবের মন্ত্রে দীক্ষিত করে সশস্ত্র বিপ্লব দ্বারা ক্ষমতা দখল করতে হবে।
অনুশীলন সমিতি ও অন্যান্য সমিতিঃ-
বাংলাদেশে বৈপ্লবিক উদ্দেশ্যে প্রথম গুপ্ত সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন প্রমথ নাথ মিত্র। তিনি ১৯০২ খ্রীষ্টাব্দে কলিকাতায় ‘অনুশীলন সমিতি’ নামে একটি গুপ্ত সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সমিতির উদ্দেশ্য ছিল শরীর চর্চা ও আত্মিক সাধনার মাধ্যমে একদল তরুন সৈনিক গঠন করা। এই সমস্ত তরুন সৈনিকরা দেশের জন্য প্রান বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত ছিল। সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়, চিত্তরঞ্জন দাস প্রমুখরা প্রথমদিকে এই সমিতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে এঁরা এই সমিতির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে। পরে দয়ানন্দ সরস্বতী, নিবেদিতা ও অরবিন্দ সক্রিয়ভাবে এই সমিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। অরবিন্দের ‘বন্দেমাতরম’ পত্রিকা বিপ্লবী মত প্রচার করতে থাকে। বিপ্লবী হেমচন্দ্র কানুনগো বিলাত হতে বোমা তৈরীর কৌশল শিখে আসেন। পরে তাঁর ও উল্লাস কর দত্তের সহায়তায় বারীন্দ্রনাথ মানিকতলার মুরারীপুকুরে বোমা তৈরীর কারখানা স্থাপন করেন। বারীন্দ্রর নির্দেশে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্লচাকী অত্যাচারী শাসক কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে মুজফ্‌রপুর রওনা দেন। কিন্তু কিংসফোর্ডকে হত্যার বদলে দুর্ভাগ্যবশতঃ তারা দুজন ইংরেজ মহিলাকে হত্যা করেন। ধরা না দিয়ে প্রফুল্ল চাকী নিজের গুলিতে প্রান দেন। ক্ষুদিরাম ধরা পড়েন। পরে তাঁর ফাঁসি হয়। এরপর ইংরেজরা মুরারীপুকুরের বোমের কারখানা ধরে ফেলেন এবং অরবিন্দ সহ ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করেন। শুরু হয় আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলা। চিত্তরঞ্জনের চেষ্টায় অরবিন্দ মুক্তি পেলেও বারীন্দ্র সহ ১৬ জনের যাবজীবন দীপান্তর হয়।
সশস্ত্র বিপ্লবের পরিকল্পনাঃ-
বিপ্লব এর পদ্ধতি নিয়ে বিপ্লবী মধ্যে মত বিরোধ দেখা দিলেও বিপ্লবীদের একাংশ বিদেশ হতে অস্ত্র জোগাড় করে সশস্ত্র বিপ্লবের পরিকল্পনা করেন। এই গোষ্ঠীতে ছিলেন বাঘাযতীন, যদুগোপাল মুখার্জি প্রমুখ। জার্মানীর কাছ থেকে তারা অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি পান। কলিকাতার অস্ত্র ব্যবসায়ী রন্ডা কোম্পানীর ২০ বাক্স মাউজার পিস্তল হাত করেন। এদিকে ইংরেজ সরকার জানতে পারায় জার্মান থেকে পাঠানো অস্ত্র জাহাজ মাভেরিক কলিকাতায় আসতে ব্যর্থ হয়। মাদ্রাজের সঙ্গে কলিকাতার রেল যোগাযোগ ছিন্ন করতে বাঘাযতীন বালেশ্বর যান। কিন্তু ইংরেজরা জানতে পেরে সেখানে সৈন্য পাঠান। সেখানে বুড়ীবালামের যুদ্ধে বীর শহিদ বাঘাযতীনের মৃত্যু হয়। এই ভাবে নাঙালী বিপ্লবীদের আত্মত্যাগ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকে তরান্বিত করেছিল।
সশস্ত্র বিপ্লবঃ-
১৯২০ খ্রীঃ বিনয়, বাদল, দীনেশ এই তিন বিপ্লবী কলকাতায় রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান করেন এবং কারা বিভাগের অধ্যক্ষ অত্যাচারী সিমসনকে গুলি করেন। ধরা পড়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে বিনয় নিজ মাথায় গুলি করেন। বাদল ঘটনাস্থলে বিষ খান এবং দীনেশের ফাঁসি হয়। মাস্টারদা সূর্যসেন ও বিপ্লবে সশস্ত্র ভূমিকা গ্রহন করেন। তিনি চট্ট গ্রামের অস্ত্রাগার লুন্ঠন করেন এবং টেলিগ্রাফ-টেলিফোন লাইন কেটে দিয়ে চট্টগ্রাম শহরকে বাংলাদেশের অপর অংশ হতে বিচ্ছিন্ন করে ভারতের অস্থায়ী স্বাধীন সরকার গঠন করেন। বিপ্লবীদের অন্যতম কর্মকেন্দ্র ছিল মেদিনীপুর। এখানকার ব্রিটিশ অত্যাচারও ছিল অপরিসীম। অত্যাচারী জেলাশাসক পেডিকে বিমল দাশগুপ্ত গুলি করে হত্যা করেন। বিচারক গর্লিককে প্রকাশ্য দিবালোকে তাঁর এজলাশে হত্যা করেন কানাই ভট্টাচার্য। শান্তি ও সুনিতী নামে দুটি অল্প বয়স্কা বালিকা কুমিল্লার জেলাশাসক স্টিভেনসনকে গুলি করে হত্যা করেন। বীনা দাস গর্ভনর স্ট্যানলিকে হত্যা করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। ১৯৩২ খ্রীঃ প্রভাংশু পাল ও প্রদ্যোত ভট্টাচার্য্য মেদিনীপুরের জেলে ম্যাজিস্ট্রেট ডগলাসকে গুলি করে হত্যা করেন। এইভাবে বিপ্লবী মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বহু বিপ্লবী অত্যাচারী ইংরেজদের হত্যা করতে থাকে আবার নিজেরাও প্রান বিসর্জন দিতে থাকেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য হাসতে হাসতে মৃত্যুকে বরন করে নিতে তাঁরা দ্বিধা করেন নি।
উপসংহারঃ-
এইভাবে বাংলায় বিপ্লবী সন্ত্রাসের প্রথম পর্যায়ের অবসান ঘটে। মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটলে বিপ্লবী কার্যকলাপ সাময়িকভাবে স্তিমিত হয়ে পড়ে। অবশ্য গোপনে বিপ্লবীদের প্রস্তুতি তখনও অক্ষুন্ন অবস্থায় চলতে থাকে।
–    Points –
(১) সূচনা (২) প্রেরনার উৎস (বিপ্লবীরা জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ) (৩) তিনটি গোষ্ঠী (৪) অনুশীলন সমিতি (৫) যুগান্তর দল (৬) অন্যান্য সংগঠন (৭) উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী (৮) সশস্ত্র বিপ্লবের পরিকল্পনা (৯) কার্যাবলী – (ক) কিংসফোর্ড হত্যার প্রচেষ্টা (খ) আলিপুর বোমার মামলা (গ) হাওড়া ষড়যন্ত্র মামলা (ঘ) মাভারিক জাহাজ (ঙ) বুড়িবালামের যুদ্ধ (চ) চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন (ছ)জালালাবাদের যুদ্ধ (জ) লেম্যান হত্যা (ঝ) অলিন্দ যুদ্ধ (ঞ) বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্সের কার্যাবলী (১০) উপসংহার।

Share This