Categories
বিবিধ

চাকরির দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :—- চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে জমি অধিগ্রহণ! আদিবাসী পরিবারের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ। উল্টে শাসক ঘনিষ্ঠদের চাকরি দেওয়ার অভিযোগ। মালদার হবিবপুর ব্লকের কানতুরকা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঘবপুর গুজিয়া গ্রামের ঘটনা।
এই গ্রামের বাসিন্দা সাহেব বাস্কে। তার দশ কাটা জমি রয়েছে। ২০২৩ সালে তার জমিতে পি এইচ ই phe জলের পাম্প বসানোর হবে সেই জন্য তার পরিবারের দুজনকে চাকরি দেওয়া হবে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর ও এলাকার শাসক দলের নেতারা। সেইমতো অবস্থায় সাহেব বাস্কে তার দশ কাঠা জমি পি এইচ ই phe জলের ট্যাংকি বসানোর জন্য জনসাস্থ্য দপ্তর কে দিয়েছিলে । আজকে জলের ট্যাংকি বসে গিয়েছে তারপরও চাকরি পায়নি প্রদীপ বাস্কের পরিবারের কোন সদস্যরা। ইতিমধ্যেই তিনি অভিযোগ করেছেন চাকরি দেওয়ার নাম করে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।
আমরা আজকে এক বছর ধরে চাকরির জন্য এই দুয়ার থেকে ওই দুয়ারে ঘুরছি জেলাশাসক থেকে, বিডিও, মালদা জেলা পরিষদ, বি এল আর ও , দপ্তরকে অভিযোগ জানিয়েছে কিন্তু কোন আশা পাইনি l আজকে এই রাজ্য সরকার আদিবাসীদের রীতিমতো ঠকাচ্ছে।
সাহেব বাস্কেট ছেলের স্ত্রী সোনালী হাঁসদা জানান এই সরকার আমাদের আজকে আশা দিলেন কিন্তু এখন হাতের মুঠো মুঠো খাওার ছিনিয়ে নিলো । এখন আমাদের রাস্তায় বেড়িয়ে হাতে বাটি ধরতে হবে l

আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

হবিবপুর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু জানান, আজকে আদিবাসীদের জায়গা সেই জায়গাতে সরকারি জলের ট্যাঙ্ক হল সেটা হোক কিন্তু আদিবাসীদের কাছ থেকে জমি নিয়ে সেখানে চাকরি দেওয়া হলনা। এটা ঠিক নয় যারা জমিদাতা যাদের চাকরির দরকার তারা চাকরি না পেয়ে তৃণমূলের কর্মীরা চাকরি পাচ্ছে। আদিবাসী সমাজের মানুষদের এই সরকার বারে বারে ধোঁকা দিচ্ছে। আগামী দিনে এই চাকরির দাবি নিয়ে আদিবাসী পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে আমি বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

মালদা জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র আশীষ কুন্ডু জানান, হবিবপুর ব্লকের এই ঘটনাটি আমাদের জানা ছিল না। তবে আমরা এতটুকু বিশ্বাস রাখি আমাদের সরকারি দপ্তরের আধিকারিকরা যথেষ্ট দায়িত্ব সিল যে অভিযোগটি করা হচ্ছে সেই বিষয়টি নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখা হবে l আর বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করার কোন মানে নেই l
মালদা জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি এটিএম রফিকুল হোসেন জানান হবিবপুর ব্লকের কানতুরকা এলাকায় যে ঘটনাটি ঘটেছে বা যে অভিযোগটি হয়েছে সেটা আমরা ইতিমধ্যেই অভিযোগটি পেয়েছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখানে কোন তৃণমূল কংগ্রেসের কোন কর্মী বা নেতা-নেত্রী যুক্ত হওয়ার কথা নয় এটা পুরোপুরি সরকারি বিষয় l

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *