Categories
বিবিধ

বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, মোথাবাড়িতে কুশপুতুল দাহ ও প্রতিবাদ সভা তৃণমূলের।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কোষ পুতুল দাহ করে তীব্র প্রতিবাদ জানাল ৫২ মোথাবাড়ি তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে বিরোধী দলকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি। সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন পথে নেমে সরব হলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা।
তৃণমূলের আইপ্যাক অফিসে ইডির আকস্মিক হানার প্রতিবাদে কালিয়াচক দুই ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে মহা মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার বিকেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিধায়ক কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। বিশাল কর্মী-সমর্থকের ভিড় নিয়ে মিছিল মোথাবাড়ি গ্রীন মার্কেট পর্যন্ত পরিক্রমা করে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
পরিক্রমা শেষে মোথাবাড়ি চৌরঙ্গী মোড়ে আয়োজিত হয় প্রতিবাদ সভা।“
নেতাদের বক্তব্যে আরও উঠে আসে—এই অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আগামী দিনেও রাস্তায় নেমে আরও জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

গাড়ি হামলার ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনারোড উত্তাল, বিজেপির মিছিলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বিরোধী দলনেতার উপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহরে বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়,এই দিন চন্দ্রকোনারোড শহরের সাতবাঁকুড়া থেকে স্টেশনপাড়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ মিছিলে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক পা মিলিয়েছেন,যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, প্রসঙ্গত গত শনিবার পুরুলিয়া জেলা থেকে দলীয় কর্মসূচি সেরে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় চন্দ্রকোনারোডে তার গাড়ির উপর হামলার ঘটনা ঘটে আর অভিযোগ উঠে তৃণমূলের উপর। এই দিন মিছিল শেষে স্টেশন পাড়া এলাকায় প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। যেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যারা অভিযুক্ত রয়েছে তাদের উপর কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share This
Categories
কবিতা

খেদ : রাণু সরকার।।

আমায় এতো যত্ন করে ছিলো আমি ভাষাহীন,
দন্তবিকাশে অনুগত ছিলাম;

অনেক গুলো বছর পর অকস্মাৎ স্মরণে আসাতে গতানুশোচনা হলো,
সময় ঢের খরচ করেও সেই রকম দন্তবিকাশ সম্ভব হয়নি-

আদতে এখানে দ্বিতীয় কেউ ছিলো না তো অভিনিবেশ করার তাই হয়তো হবে!

Share This
Categories
কবিতা

কনক রাত :: রাণু সরকার।।

এলোপাথাড়ি পথে প্রচুর হেঁটেছে দু’পা
ধূলোমাটির সাথে হলো অন্তরঙ্গ!
তবুও বাদলের সাথে হলোনা সাক্ষাৎকার!

নিখোঁজ হতেই তো চেয়েছিলাম-
খরার প্রখর তাপে রাতের লাবণ্য গেছে হারিয়ে!
শেষ থেকে সূচনায় আসতে কনক রাতে খোয়া যায় তারুণ্যের উদ্যম!

তার সন্ধান করতে গিয়ে চলে এলো বার্ধক্য-
ধুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ প্রীতি!

Share This
Categories
কবিতা

সুধা : রাণু সরকার।

যখন তুমি থাকো কাজের ভিড়ে
আমি দেখি দু’চোখ ভরে!

এলো চুলে আসবে বাঁশ ঝাড় দিয়ে
দেখবো কেশপাশ ঝুলছে দু’কাধ বেয়ে!

দৃষ্টিক্ষুধা দৃষ্টিতে নেবো সুধা পিয়ে
অনুচিন্তায় ভরবো হৃদয়ে!

আধাঁরে মিশে হবে একাকার বিহানে
বাঁশ ঝাড় দাঁড়িয়ে!
অস্পষ্ট দৃষ্টিতে শ্বেত বস্ত্র গায়ে!

Share This
Categories
কবিতা

তৃষ্ণালু : রাণু সরকার।

বশীকৃত এ মন কিসের ছলনে
হলো মতিভ্রংশ,
ইতস্তত ভ্রমণে দেখেছি বহুবিচিত্র
বর্ণের সমারোহ।

হায় রে- তটিনী তুমি গর্ভিণী
এই তো বিহান বেলায় ছিলে
ঋতুমতী!

স্নেহদৃষ্টি আছে পরিপূর্ণ কিন্তু
বড্ড তৃষ্ণালু!
কোন ঘাটে মিটবে সম্ভোগ?
ক্ষরণশীল হলে রসসম্ভোগে
হতো পরিতৃপ্ত!

Share This
Categories
কবিতা

বার্তাবাহিকা : রাণু সরকার।।

শোন কোকিলা-
ও পারেতে সোনা বন্ধু আছে একেলা,
আমার কথা বলবি তাকে চিন্তা যেন না করে,
ভালো আছি, কিন্তু তার জন্য মনটা আমার আনচান করে!

এই নে চিঠি, সাবধানেতে পৌঁছে দিস-
বন্ধু যদি ঘুমিয়ে থাকে-
জাগিয়ে তবেই হাতে দিস!

চিঠি পড়ে সোনা বন্ধুর আসবে চোখে জল
ঠোঁটে করে খানিকটা পারবি আনতে বল?

যাবার বেলায় চুম্বন করতে গেছে ভুলে
ঠোঁটের থেকে একটু লালা আনবি তুলে!

আমার হয়ে এক কলি গান শুনিয়ে দিস,
এই কোকিলা, কাজটা যদি করে দিস-
আমার বাতাবি লেবুর গাছটি তুই নিয়ে নিস!
মেঘেদের বেড়েছে খুব আনাগোনা
কখন বর্ষা নামবে ওর কথা বলা যায় না!

বর্ষা যদি আসে ধেয়ে
পারবি কি তুই? একটু লালা আনতে বয়ে?
যতক্ষণ তুই না আসবি
মাথায় চিন্তা থাকবে ছেয়ে!

Share This
Categories
কবিতা

দারিদ্র্য : রাণু সরকার।

খুবই দারিদ্রপীড়িত
তাই তো অনটনের চাপে পিঞ্জরের হাড় দুমড়ে গিয়ে নিরন্তর কাঁপে।
দিবসে তপনতাপে পিপাসা মেটে না,
নিশাতে ক্ষুধিত আর্তনাদের ধ্বনি শ্রবণেন্দ্রিয়ে হয় বিলিন।

পুরোন স্মৃতি জলে সেবন করে কাটে রাত,
দু’চোখে নোনা জল শুক্ল বর্ণের,
আস্তরণে উত্তরীয় যায় ঢেকে-
একমুঠো সোহাগে অনটনের হবে অবসান,
তা না হলে পিঞ্জরে অনন্ত অনটনের ত্রাণ।

Share This
Categories
কবিতা

ত্যাগ : রাণু সরকার।

শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়া কিছু পুরুষ আছে তারা কখনোই জানেন না –
একটি রাত না ঘুমানোর কষ্ট কত গভীর হতে পারে একটি নারীর-

নিঃশব্দে কাঁদা চোখ জোড়া প্রতিদিন
ভোর দেখে- তারপর হাসিমুখে সংসারের
প্রতিটি কাজ সামলায়–
এটাই বুঝি একজন নারীর নীরব ত্যাগ।

Share This
Categories
কবিতা

যুদ্ধক্ষেত্র : রাণু সরকার।

আসবে তুমি-
আমার জীবনের যুদ্ধক্ষেত্রে?
পথটা কিন্তু রক্তরঞ্জিত ভীতিপ্রদ বেদনাবহ,
দিন কাটে যন্ত্রণাগ্রস্ত।
রাত? সে তো নিস্তব্ধ কৃষ্ণবর্ণের ভস্ম!
পারবে তুমি আসতে?
সর্বাঙ্গ চূর্ণবিচূর্ণ–
পারবে এই হৃদয় স্পর্শ করতে?

তোমার উপস্থিতি-

এই গহন রাত তোমার উপস্থিতি কাম্য!
অসবে তুমি রক্তরঞ্জিত যুদ্ধক্ষেত্রে?

Share This