Categories
বিবিধ

মেলাকে সফল করতে সক্রিয় প্রশাসন— উপস্থিত মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও রুমেলা দে রায়।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ দিন রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে মেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর হাইস্কুল মাঠে।সেই মেলাকে সাফল্যমন্ডিত করার উদ্দেশ্যে বুধবার বুনিয়াদপুর সার্কিট হাউসে প্রস্তুতি সভা করলেন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র।এদিন প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন, রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের বিশেষ সচিব রুমেলা দে রায় সহ গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা, পুলিশ,দমকল,পরিবহন, ব্লক প্রশাসন এবং অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিক বৃন্দ।জানা গেছে,দক্ষিন দিনাজপুর,উওর দিনাজপুর এবং মালদা জেলাকে নিয়ে রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে এবং আর্থিক সহযোগীতায় ৩ দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।এদিনের প্রস্তুতি সভায় মেলাকে সর্ব্বাঙ্গীন রুপ দিতে এবং নির্ব্বিগ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিজস্ব দপ্তর এবং অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন আলোচনা করেন দপ্তরের বিশেষ সচিব রুমেলা দে রায়। ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র মেলাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নিজস্ব দপ্তর এবং অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিক এবং বিডিওদের মাঠে নামার নির্দেশ দেন।

Share This
Categories
প্রবন্ধ বিবিধ

ছাগ বলি বিতর্কে ফের আদালতের দ্বারস্থ পশুপ্রেমীরা, তবুও ঐতিহ্য ধরে রাখছে বোল্লা কালী পুজো।

বালুরঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা : – প্রত্যেক বছর মত এবছরও রাস পূর্ণিমার পরের শুক্রবার বালুরঘাটের বোল্লা এলাকায় উত্তরবঙ্গের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ এবং প্রাচীন ঐতিহ্যবাহি বোল্লা রক্ষাকালীর পুজো অনুষ্ঠিত এদিন শুরু হল। এই বোল্লা রক্ষাকালীর পুজো। পুজোর পাশাপাশি চারদিন মেলাও বসে। প্রতি বছর বোল্লা মায়ের পুজো ও মেলায় লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়।মেলা উপলক্ষে বসানো হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প । মহিলা পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার, সাদা পোশাকের পুলিশ, পুলিশ আধিকারিক-সহ প্রায় দেড় হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়ে থাকে এই কদিন মেলাকে ঘিরে।স্বাভাবিক ভাবেই, মন্দির কমিটি এবং জেলা প্রশাসন ও পুলিশ মেলার নিরাপত্তা-সহ আগত ভক্তদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে ।পাশাপাশি প্রচুর সিসি ক্যামেরার মধ্যমে এই মেলাকে মুড়ে ফেলে

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। জেলার সদর শহর বালুরঘাট শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে বোল্লা গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্য ও মাহাত্ম্য সমৃদ্ধ রক্ষা কালী মাতা মন্দির। যা উত্তরবঙ্গের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বোল্লা কালী পুজো ও মন্দির। এই মাতা বোল্লা কালী মাতা বলেই সুপ্রসিদ্ধ।

রাসপূর্ণিমার পরবর্তী শুক্রবারে মায়ের বাৎসরিক পুজো অনুষ্ঠিত হয় ও সোমবারে মায়ের বিসর্জন হয়। এই কয়েকদিন যাবত মায়ের পুজোকে ঘিরে বিশাল মেলা হয়।উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের রাস মেলার পর এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম মেলা হিসেবে বিবেচিত।দুই দিনাজপুর ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা ও রাজ্য, এমনকি বাংলাদেশ থেকেও বহু মানুষ এই পুজো দেওয়ার পাশাপাশি মেলা দেখতে আসেন। পজোর দিন সারাদিন সারা রাত জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুন্যার্থীদের বোল্লাতে আসার জন্য বেসরকারি পরিবহন চলাচল করে থাকে।এর পাশাপাশি রেলের তরফে বালুরঘাট থেকে কলকাতাগামী ও শিলিগুড়িগামী এক্সপ্রেস ট্রেন গুলি অস্থায়ী ভাবে বোল্লার পাশ দিয়ে যাওয়া রেল লাইনে স্টপেজ দেওয়া হয়।সোমবার বিসর্জনের দিন বিশেষ করে পুজোকে ঘিরে অনুষ্ঠিত হয় বউ মেলা।

কথিত আছে, জনৈক এক ব্যক্তি মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে পুকুর থেকে মায়ের শিলাময় রূপটি উদ্ধার করেন ও প্রতিষ্ঠা করে নিত্য পূজা শুরু করেন। এই সময়ে মাকে ‘মরকা কালী’ বলে অভিহিত করা হত। প্রতি জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যায় হত মায়ের বিশেষ পূজা। এরপর ইংরেজ আমলে স্থানীয় জমিদার মুরারিমোহন চৌধুরী ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ঘটনাক্রমে বহু গ্রামবাসী সহ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তখন তিনি মড়কা কালী মায়ের কাছে প্রার্থনা করেন। তিনি বেকসুর খালাস পান। জ্যৈষ্ঠ মাস আসতে দেরি থাকায়; সেই সময় তিনি ধার্য করেন যে, রাস পূর্ণিমার পরবর্তী শুক্রবারে মায়ের পুজো করবেন। সেই থেকে দেবীর বাৎসরিক পুজো ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

বর্তমানে সাড়ে সাত হাত মাতৃমূর্তি পূজিত হন। কয়েক হাজার পাঁঠাবলি ও একটি মহিষ বলি হয়। প্রায় ১৪ কেজি সোনার গহনায় মায়ের প্রতিমা সজ্জিত হয়।মায়ের হাতের খড়গ থেকে পুরো শরীর পর্যন্ত সোনার গয়নায় মোড়া থাকে। পাশাপাশি বহুমুল্যের হীরের গহনাও মায়ের অংগে শোভা পায়।সোনা হীরে গহনা সব ভক্তদের দান।এছাড়াও বহু ভক্ত মানত করা ছোট ছোট কালী মূর্তিতে পূজা দেন ও বাতাসা নৈবেদ্য অর্পণ করেন। স্থানীয় মুসলিমরাও হিন্দুদের সাথে মায়ের উদ্দ্যেশ্যে পুজো দেন। বল্লভ মুখোপাধ্যায় বলে কোনো জমিদারের নাম থেকে অঞ্চলটির নাম হয় বোল্লা। বোল্লা গ্রামে অবস্থিত রক্ষা কালী মাতা ‘বোল্লা রক্ষা কালী’ বা ‘বোল্লা কালী’ নামে ভক্ত মহলে সুপ্রসিদ্ধ। আর সে থেকেই বোল্লা কালী মাতার পুজো হয়ে আসছে ভক্তি ও শ্রদ্ধা সহ।

বোল্লা পুজোর অন্যতম ভোগ বাতাসা বা মিষ্টান্ন ভোগ। পুজোর কয়েক দিনে কয়েক হাজার কুইন্টাল বাতাসা বিক্রি হয়। জেলা সহ বাইরে থেকে বাতাসা বিক্রেতারা বোল্লা মেলায় পসরা সাজিয়ে বসেন।বোল্লার রক্ষাকালী মাতার পুজো উপলক্ষ্যে চলে বিশেষ কদমা ও বাতাসা লুট । বোল্লার বিখ্যাত-বাতাসা, কদমা, চিনির তৈরি বিভিন্ন পুতুল লুটের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করেন ভক্তরা । লুটের সময় আঘাত থেকে বাঁচতে হেলমেট দিয়ে মাথা ঢেকে রাখে পুজো কমিটির সদস্যরা।
তবে বোল্লা মায়ের পুজোতে ভক্তরা মায়ের কাছে মানত করা মনের কামনা পুরন করার জন্য ছাগ বলি মানত করে থাকেন। পুজোর দিন কয়েক বছর আগেও হাজারের উপর ছাগ বলি দেওয়া হতো। কিন্তু বিগত তিন চার বছর আগে পুশুপ্রেমীরা মন্দির কমিটি ও ভক্তদের কাছে ছাগ বলি না দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। তারপরেও অনেক ভক্ত তা না মানায় পশু প্রেমীদের তরফে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়। কিন্তু তারপরেও পশু বলি বন্ধ করা যায় নি। এবারও পশুপ্রেমীরা ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।এখন দেখার এবার কি হয়।যদিও এই বিষয়ে মেলা কমিটির সদস্য গৌতম চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি নিয়ে মন্দির কমিটিও উদ্বিগ্ন। তারা আদালতের নির্দেশ মেনেই সব করে থাকবেন।কিন্তু সব চেয়ে দরকার ভক্তদের এব্যাপারে সচেতন করা।

Share This
Categories
বিবিধ

“যতক্ষণ আশা আছে, মৃত্যু নয়” — কথাটির জীবন্ত প্রমাণ ডক্টর শান্তনু দাস।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- চিকিৎসা জগতে মাঝে মাঝেই এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা বিজ্ঞানকেও অবাক করে দেয়। ঠিক তেমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী থাকলো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সরকারী হাসপাতাল, যেখানে অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যুর মুখে পতিত এক রোগীকে অবিশ্বাস্যভাবে জীবনের আলোয় ফিরিয়ে আনলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডক্টর শান্তনু দাস।
ঘটনাটি ঘটে কয়েকদিন আগে। এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের কারণে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও রোগীর শরীরের জটিলতা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না। ক্রমে তাঁর হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস থেমে যায়—সব দিক থেকেই মনে হচ্ছিল, মৃত্যু তাঁকে গ্রাস করেছে। কর্তব্যনিষ্ঠ চিকিৎসকেরা তখন আনুষ্ঠানিকভাবে রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন।
কিন্তু তখনই দৃশ্যে প্রবেশ করেন ডক্টর শান্তনু দাস, হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক । দীর্ঘ চিকিৎসাজীবনের অভিজ্ঞতা ও দৃঢ় মানসিকতার জোরে তিনি হাল ছাড়েননি। তিনি রোগীর দেহের প্রতি ক্ষুদ্রতম সাড়া পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন। নিজের তৈরি বিশেষ চিকিৎসা-পদ্ধতি, ওষুধ প্রয়োগ এবং আধুনিক জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রের ব্যবহার করে তিনি টানা প্রায় কয়েক মাস ধরে লড়াই চালিয়ে যান—জীবনের জন্য, মানবতার জন্য।

অবশেষে ঘটে অবিশ্বাস্য ঘটনা! মৃত ঘোষিত সেই রোগীর শরীরে দেখা যায় ক্ষীণ নড়াচড়া, হৃদস্পন্দন ফের জেগে ওঠে। উপস্থিত চিকিৎসক, নার্স এবং রোগীর পরিবারের সদস্যরা স্তব্ধ হয়ে যান—যেন মৃত্যু থেকে ফিরে এলো এক জীবন! ধীরে ধীরে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বর্তমানে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।

ডক্টর শান্তনু দাস বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, যতক্ষণ একটিও আশার আলো থাকে, ততক্ষণ মৃত্যু নিশ্চিত নয়। চিকিৎসা শুধু বিজ্ঞানের নয়, এটি মানবতারও বিষয়।”

Share This
Categories
বিবিধ

অভিষেকের জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ—গাজোলে ছাত্রদের মধ্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করল যুব তৃণমূল।

দেবাশীষ পাল মালদাঃ- – গাজোল ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুরজিত সাহার উদ্যোগে গাজোল তুলসীডাঙ্গা এলাকার কে এম বয়েজ একাডেমী তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন করেন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে । তারা কেক কেটে ও ছাত্রদের মধ্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে এ দিনটি পালন করেন। পাশাপাশি মিষ্টি ও জলের বোতল বিতরণ করেন । উপস্থিত ছিলেন গাজোল ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুরজিত সাহা, পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শিখা মন্ডল (সরকার), সহ গাজোল ব্লক যুব নেতৃত্ব ও অঞ্চল নেতৃত্ব। গাজোল ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন আগামী দিনে ছাত্রদের পড়াশুনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়ে থাকেন ।

Share This
Categories
বিবিধ

তালিকা থেকে নাম বাদ প্রকৃত উপভোক্তার, ঘর পেল অট্টালিকাবাসী – ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রামবাসী।

মালদা: ফের বাংলা আবাস যোজনায় বড় দুর্নীতির ছায়া। তালিকা থেকে নাম বাদ প্রকৃত উপভোক্তার।বঞ্চিত উপভোক্তার কাঁচা মাটির বাড়ি দেখিয়ে ঘর পেয়েছে অন্যজন। অথচ তাদের মাটির বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই চাঞ্চল্য।ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের। তৃণমূল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপির।সাফাই তৃণমূলের। শুরু হয়েছে তরজা।মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঙ্গাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা পীতাম্বর দাস।মাটির কাঁচা ভগ্নপ্রায় বাড়ি।বাংলা আবাস যোজনায় পুনরায় ঘর দেওয়া শুরু হলে স্বপ্ন দেখে ছিলেন এবার হয় তো পাকা বাড়ি হবে।তালিকা তে নাম ছিল তার।প্রশাসনের কর্মীরা এসে ঘর দেখে ছবি তুলে গেছিলেন।কিন্তু তারপর তালিকা থেকে নাম বাদ চলে যায়। অভিযোগ তাদের এই মাটির বাড়ি দেখিয়ে অট্টালিকা বাড়ি রয়েছে এমন কেউ ঘর পেয়ে গেছেন। কিন্তু তারা বঞ্চিত। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ঘরের দাবি জানিয়েছে বঞ্চিত উপভোক্তা। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির অভিযোগ দুর্নীতির জন্যই কেন্দ্র সরকার টাকা দেওয়া বন্ধ রেখে ছিল। রাজ্য সরকার টাকা দেওয়ার নাটক করছে। প্রশাসনের মদতে এই ভাবেই দুর্নীতি করে ঘরের টাকা তৃণমূল নেতারা আত্মসাৎ করছে।যদিও পাল্টা এই অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের দাবি কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষকে বঞ্চিত রেখেছিল। মানবিক মুখ্যমন্ত্রী ঘর দিচ্ছে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে প্রশাসন সেটা দেখবে। সমগ্র ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর।

Share This
Categories
বিবিধ

গাজোলে মতুয়া মহোৎসব ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ, উত্তর–দক্ষিণবঙ্গের ভক্তদের সমাগম।

মালদা, গাজোল, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ :- আন্তর্জাতিক মতুয়া ধর্ম প্রচারক মতুয়া ভজহরি গোঁসাই এর উদ্যোগে গাজোল নয়াপাড়া শান্তি হরি মনি চাঁদ মন্দির প্রাঙ্গণে অর্থাৎ ভজহরি গোসাই এর বাসভবনে মতুয়া বাৎসরিক মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই মহোৎসব তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে বুধবার রাতে শুরু হয় শুক্রবার শেষ হবে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২১ টি মতুয়া দল এ মহোৎসবে অংশগ্রহণ করেন। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে মতুয়া ভক্তরা এখানে আসেন। এ মহোৎসব মিলন মেলায় পরিণত হয়। এই মহোৎসবে উপস্থিত হন মালদা জেলার মালতীপুরের বিধায়ক তথা মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি , গাজোলের বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাজকুমার সরকার , গাজলের বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা গাজোল ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুরজিৎ সাহা গাজোল ব্লক তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী সিরাজুল ইসলাম , উত্তর বঙ্গের মতুয়া মহা সঙ্গের অবজারভার ভজহরি গোসাই, অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের গাজোল ব্লক সম্পাদক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস সহ অন্যান্যরা।

Share This
Categories
বিবিধ

তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে এনামুরেশন বিতর্ক, বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিল শাসকদল।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ——- এস.আই আর আবহে এবার বিতর্ক দানা বাঁধল মালদার চাঁচলের শ্রীরামপুর এলাকার ২৪১নং বুথে। ভোটার বাড়ি বাড়ি না গিয়ে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বসে এনামুরেশনের ফর্ম বিলির অভিযোগ উঠল ২৪১নং বুথের বি.এল.ও-র বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগ সম্বলিত এক ভিডিও স্যোসাল মিডিয়ায় মধ্যেমে সামনে আসে। এনে বিএলও-র নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। যদিও বিজেপির তরফে সামনে আসা সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যমের । তবে বিজেপির অভিযোগ, চাঁচলের শ্রীরামপুর এলাকার ২৪১নং বুথের বি.এল.ও অলোক চক্রবর্তী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি না গিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বসে এনামুরেশনের ফর্ম বিলি করছেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগে আমল দিতে রাজি নন তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে ২৪১নং বুথের বি.এলও-র দাবী, পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বসে এনামুরেশনের ফর্ম বিলির অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি সেখানে বসে ফর্মগুলি গোছাচ্ছিলেন মাত্র।

Share This
Categories
বিবিধ

বিএসএফ ও পুলিশের সফল অভিযান, মালদা থেকে উদ্ধার বিপুল কাফ সিরাপ মজুত।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ —- মালদা থানা এলাকায় পুলিশ এবং বি.এসএফ পৃথক পৃথক অভিযানে পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ সহ ধরা পড়ল তিনজন। বৃহস্পতিবার ধৃত তিনজনকেই পেশ করা হল মালদা জেলা আদালতে। জানা গেছে, বুধবার রাতে মালদা থানার পুলিশ বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে সাহাপুর অঞ্চলের রায়পুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে আফসার সেখ এবং নাসিরুল সেখ নামে দুজনকে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি বুধবার রাতেই মালদা থানার মুচিয়া আদমপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ একটি চার চাকা গাড়ি আটক করে। সেই গাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ। তাই গাড়ি মোবারক সেখকে ধরে বিএসএফ কাফ সিরাপ সহ তুলে দেয় মালদা থানার পুলিশের হাতে। বৃহস্পতিবার ধৃত তিনজনকেই তোলা হয় মালদা জেলা আদালতে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে তিনজনেই নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে কাফ সিরাপ পাচার করত।

Share This
Categories
বিবিধ

এসআইআর ইস্যুতে উত্তাল গাজোল, তৃণমূলের হুঁশিয়ারি— ‘বাংলার ভোটাধিকার কেড়ে নিতে দেব না’।

মালদা,গাজোল, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বাংলার ভোটাধিকার রক্ষার্থে ও এস আই আর এর চক্রান্তের প্রতিবাদে গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহযোগিতায় গাজোলে একটি মহা মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসআইআর নিয়ে ষড়যন্ত্রের এবং বাংলা ভাষায় কথা বলা, বাঙালিদের প্রতি বিজেপির বিদ্বেষ সহ একাধিক অভিযোগ তুলে বুধবার সন্ধ্যায় গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক মহা মিছিল ও প্রতিবাদ সভা হয় । মিছিলটি গাজোলের ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একটি ফুটবল ময়দান থেকে মহা মিছিল বের হয়ে 81 নং জাতীয় সড়ক পরিক্রমা করে কদুবাড়ি মোড় তাদের সভা স্থলে এসে শেষ হয়। কদুবাড়ী মোর এলাকায় বেসরকারি লজ প্রাঙ্গণে একটি প্রতিবাদ সভা করেন। এই সভায় তৃণমূলের বিভিন্ন নেতৃত্ব কেন্দ্রর বিজেপি সরকারকে একহাত নেন । তারা ছেড়ে ও কথা বলেননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কে ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে। তৃণমূল নেতৃত্ব নানা ভাষায় কটাক্ষ করেন। তাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী , মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি প্রসূন ব্যানার্জি, মালদা জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস । গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রাজকুমার সরকার, গাজোল ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুরজিত সাহা, গাজোল ব্লক তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাটে পাঠানো হলো নিহত সাইকেল আরোহীর দেহ, গ্রামে নেমেছে শোকের ছায়া।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো এক সাইকেল আরোহীর l এমন মর্মান্তিক ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ থানা এলাকার ডাঙ্গারহাট এলাকায় l স্থানীয় সূত্রে জানাযায় মৃত ওই ব্যক্তির নাম রশিদুল মন্ডল , বাড়ি কুমারগঞ্জ এর কেশুরাইল এলাকায় l পেশায় তিনি দিনমজুর ছিলেন l আজ সকালে সাইকেলে চেপে ডাঙ্গারহাট যাচ্ছিলেন তিনি l বয়ড়াপাড়া এলাকায় একটি লরি দ্রুতগতিতে এসে পেছন থেকে ধাক্কা মারে ওই ব্যক্তিকে l প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে l পরবর্তীতে ডাঙ্গারহাট এলাকার ঝরাপাড়া সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় লোকজন ঘাতক লরিটিকে আটক করে আগুন ধরিয়ে দেন l ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ ও দমকল l প্রারম্ভিক পর্বে উত্তেজিত জনতা আগুন নেভানোর কাজে দমকলকে বাধা দেন বলে জানা যায় l পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দমকল আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে l কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ মৃতদেহটিকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠায় l এমন মর্মান্তিক খবর জানাজানি হতেই মৃতের গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Share This