Categories
বিবিধ

হরিশ্চন্দ্রপুরে স্ট্যান্ড দখল করে গড়া স্থাপনা ভাঙা শুরু, তৎপর থানা প্রশাসন।

মালদা, নিজস্বসংবাদদাতা:– দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ড দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হল সোমবার। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার উদ্যোগে বুলডোজার দিয়ে ওই নির্মাণগুলি অপসারণের কাজ শুরু করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ড দখল করে দলীয় কার্যালয়,দোকান, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট-সহ একাধিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে একাধিকবার আন্দোলন ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এবং চাঁচল মহকুমা শাসকের দফতরে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হলেও দীর্ঘদিন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যদিও পরবর্তীতে মহকুমা শাসকের পক্ষ থেকে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ জারি করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসন অবশেষে ওই নির্দেশ কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে বুলডোজার দিয়ে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হয়। এদিন এলাকার বহু মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসা বাসিন্দাদের একাংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

জেলাশাসক-পুলিশ সুপারদের উপস্থিতিতে মালদায় যোগ দিবস পালন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রবিবার ২১শে জুন দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। তাই সারা দেশের সাথে মালদাতেও দিনটি পালিত হচ্ছে যোগচর্চার নানান কর্মসূচি রূপায়ণের মাধ্যমে।রবিবার সাত সকালে মালদা জেলাপ্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হল মালদা শহরের সত্য চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। হাজির ছিলেন জেলাশাসক রাজেনবীর সিং কাপুর, জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এদিন তারা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী সহ বহু সাধারণ মানুষকে নিয়ে সত্য চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত যোগ শিবিরে অংশ নেন। নানান ধরনের যোগাভ্যাস ও প্রাণায়াম করেন। আর এই মাধ্যমেই শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য নিয়মিত যোগাচর্চা করা বার্তা তুলে ধরেন সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে।

Share This
Categories
বিবিধ

গুরুদুয়ারা ও অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, মালদা সফরে আসছেন রাজ্যপাল।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যপাল আর. এন. রবির আসন্ন মালদা সফরকে কেন্দ্র করে জোরকদমে চলছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। তিনি পুরাতন মালদার শর্বরী এলাকায় অবস্থিত গুরুদুয়ারা এবং কালাচাঁদ স্কুল মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যপালের সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শনিবার পরিদর্শনে যান মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়, ডিএসপি (ট্রাফিক) মুঙ্গেস সুব্বা, মালদা থানার আইসি গোপাল বিশ্বাস-সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের সুবিধার বিষয়গুলি পর্যালোচনা করেন আধিকারিকরা। রাজ্যপালের সফরকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের তরফে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

সিম কার্ডের দাবিতে আইসিডিএস অফিসের সামনে বিক্ষোভ, সরব কর্মী সমিতি।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— একদিকে রাজ্যের বাজেট পেশ অন্য বামনগোলায় মোবাইল ফোন দেওয়া হলেও সিম কার্ড না দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল হলেন পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির বামনগোলা ব্লক কমিটির সদস্যরা। সোমবার বামনগোলা ব্লক আইসিডিএস অফিসের সামনে সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি মিছিল করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

সংগঠনের নেত্রী শিপ্রা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে আইসিডিএস কর্মীরা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোন দেওয়া হলেও কোনও সিম কার্ড সরবরাহ করা হয়নি। ফলে ব্যক্তিগত সিম ব্যবহার করেই মিড-ডে মিল সংক্রান্ত সরকারি অ্যাপ পরিচালনা করতে বলা হচ্ছে।

শিপ্রা চক্রবর্তী বলেন, সরকারি মোবাইলে ব্যক্তিগত সিম ব্যবহার করতে বাধ্য করা হলে কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই ব্যবস্থার বিরোধিতা করে তাঁরা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, এদিন ব্লক আইসিডিএস অফিসে সিডিপিও উপস্থিত ছিলেন না। তিনি অফিসে এলে তাঁদের দাবিদাওয়া লিখিতভাবে জানানো হবে।আজ বিকেল তিনটা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা।

Share This
Categories
বিবিধ

রাহুল গান্ধীর সমর্থনে কোচবিহারে কংগ্রেসে একঝাঁক সমাজসেবীর যোগদান।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কুচবিহার জেলা কংগ্রেসের আপসহীন সংগ্রামী নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পি.সি.সি-র লড়াকু সদস্যা ছায়া রানী বর্মন ও ছাত্র-যুব আন্দোলনের আপসহীন নেতা মাসুম আক্তারের যৌথ নেতৃত্বে কোচবিহার ১ নং ব্লকে বিশিষ্ট সমাজসেবীদের কংগ্রেসে গণযোগদান: ২০২৯-এ রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করার সংকল্প
গণযোগদান: কোচবিহার ১ নং ব্লকে রাজনৈতিক আলোড়ন। কোনো দল থেকে নয়, সমাজের মূল স্রোত থেকে একঝাঁক শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ সমাজসেবী আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন জাতীয় কংগ্রেসে।
নেতৃত্ব: প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কুচবিহার জেলা কংগ্রেসের আপসহীন সংগ্রামী নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পি.সি.সি-র লড়াকু সদস্যা ছায়া রানী বর্মন ও ছাত্র-যুব আন্দোলনের আপসহীন নেতা মাসুম আক্তারের যৌথ নেতৃত্বে এই যোগদান কর্মসূচি সফল হয়।
মূল লক্ষ্য: বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে জননেতা রাহুল গান্ধীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প নিয়ে তেরঙা পতাকা হাতে তুলে নেন।
এক নজরে শীর্ষ নেতাদের মূল বক্তব্য:
রাজিব হোসেন (নবাগত সমাজসেবী নেতা):
“আমরা আগে কোনো দল করতাম না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে দেখে আর ঘরে বসে থাকতে পারলাম না। যুবসমাজ ও দেশের স্বার্থে রাহুল গান্ধী যেভাবে লড়াই করছেন, আমরা নির্ভয়ে তাঁর পাশে থেকে ২০২৯-এ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।”

সুব্রত মুখোপাধ্যায় (প্রদেশ কংগ্রেস নেতা):
“বিজেপি দেশজুড়ে বিভাজনের ও ধ্বংসের রাজনীতি চালাচ্ছে। সর্বস্তরের মানুষ আজ বিপদে। এই স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে একমাত্র রাহুল গান্ধী বুক চিতিয়ে লড়ছেন, আর তাঁর হাত শক্ত করতেই আজ শিক্ষিত যুবসমাজ কংগ্রেসে শামিল হচ্ছে।”

মাসুম আক্তার (ছাত্র- নেতা):
“সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মেধাভিত্তিক চাকরির দাবিতে বাংলায় বদল এনেছিল। কিন্তু এই এক মাসে বিজেপি প্রতিটি ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর ছক কষছে। কোচবিহার ১ নং ব্লকের এই সচেতন তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনের উত্তরসূরী, যারা এই সাম্প্রদায়িকতার বীজকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

নিউজ জিস্ট: কোনো রাজনৈতিক চক্রান্ত বা হামলা-মামলার ভয় উপেক্ষা করে দেশের হারানো গৌরব ও ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনতে কোচবিহারের বুথে বুথে যুব সমাজ আজ বিপুল উৎসাহ ও সাহস নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার তলায় আসছে।

রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠিত political দলের কর্মী ভাঙানোর চেয়ে সমাজের নিরপেক্ষ, শিক্ষিত ও সচেতন সমাজসেবীদের কংগ্রেসে আসার এই প্রবণতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান কোচবিহার জেলায় কংগ্রেসের ভিতকে নৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে অনেকটাই মজুগত করবে।

Share This
Categories
বিবিধ

তরুণ সমাজসেবীদের হাতে তেরঙা, কোচবিহারে কংগ্রেসের শক্তিবৃদ্ধি।।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কুচবিহার জেলা কংগ্রেসের আপসহীন সংগ্রামী নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পি.সি.সি-র লড়াকু সদস্যা ছায়া রানী বর্মন ও ছাত্র-যুব আন্দোলনের আপসহীন নেতা মাসুম আক্তারের যৌথ নেতৃত্বে কোচবিহার ১ নং ব্লকে বিশিষ্ট সমাজসেবীদের কংগ্রেসে গণযোগদান: ২০২৯-এ রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করার সংকল্প
*গণযোগদান:* কোচবিহার ১ নং ব্লকে রাজনৈতিক আলোড়ন। কোনো দল থেকে নয়, সমাজের মূল স্রোত থেকে একঝাঁক শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ সমাজসেবী আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন জাতীয় কংগ্রেসে।
*নেতৃত্ব:* প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কুচবিহার জেলা কংগ্রেসের আপসহীন সংগ্রামী নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পি.সি.সি-র লড়াকু সদস্যা ছায়া রানী বর্মন ও ছাত্র-যুব আন্দোলনের আপসহীন নেতা মাসুম আক্তারের যৌথ নেতৃত্বে এই যোগদান কর্মসূচি সফল হয়।
*মূল লক্ষ্য:* বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে জননেতা রাহুল গান্ধীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প নিয়ে তেরঙা পতাকা হাতে তুলে নেন।
এক নজরে শীর্ষ নেতাদের মূল বক্তব্য:
*রাজিব হোসেন (নবাগত সমাজসেবী নেতা):*
*”আমরা আগে কোনো দল করতাম না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে দেখে আর ঘরে বসে থাকতে পারলাম না। যুবসমাজ ও দেশের স্বার্থে রাহুল গান্ধী যেভাবে লড়াই করছেন, আমরা নির্ভয়ে তাঁর পাশে থেকে ২০২৯-এ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।”*

*সুব্রত মুখোপাধ্যায় (প্রদেশ কংগ্রেস নেতা):*
*”বিজেপি দেশজুড়ে বিভাজনের ও ধ্বংসের রাজনীতি চালাচ্ছে। সর্বস্তরের মানুষ আজ বিপদে। এই স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে একমাত্র রাহুল গান্ধী বুক চিতিয়ে লড়ছেন, আর তাঁর হাত শক্ত করতেই আজ শিক্ষিত যুবসমাজ কংগ্রেসে শামিল হচ্ছে।”*

*মাসুম আক্তার (ছাত্র- নেতা):*
*”সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মেধাভিত্তিক চাকরির দাবিতে বাংলায় বদল এনেছিল। কিন্তু এই এক মাসে বিজেপি প্রতিটি ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর ছক কষছে। কোচবিহার ১ নং ব্লকের এই সচেতন তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনের উত্তরসূরী, যারা এই সাম্প্রদায়িকতার বীজকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”*

*নিউজ জিস্ট:* কোনো রাজনৈতিক চক্রান্ত বা হামলা-মামলার ভয় উপেক্ষা করে দেশের হারানো গৌরব ও ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনতে কোচবিহারের বুথে বুথে যুব সমাজ আজ বিপুল উৎসাহ ও সাহস নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার তলায় আসছে।

রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠিত political দলের কর্মী ভাঙানোর চেয়ে সমাজের নিরপেক্ষ, শিক্ষিত ও সচেতন সমাজসেবীদের কংগ্রেসে আসার এই প্রবণতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান কোচবিহার জেলায় কংগ্রেসের ভিতকে নৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে অনেকটাই মজুগত করবে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিশ্ব যোগা দিবসে কল্যাণী স্টেডিয়ামে বিশেষ কর্মসূচি, যোগচর্চায় সামিল বহু মানুষ।।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- একুশে জুন বিশ্ব যোগা দিবস। এই যোগা দিবস উপলক্ষে কল্যানী স্টেডিয়ামে রানাঘাট পুলিশ ডিস্টিক এবং কল্যাণী মহাকুমা শাসকের পক্ষ থেকে আয়োজিত হল যোগা দিবসের কর্মসূচি। সমগ্র অনুষ্ঠানটির উপস্থিত ছিলেন কল্যাণী বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক অনুপম বিশ্বাস। রানাঘাট ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ সুপার আশীষ কুমার মৌর্য। কল্যাণী মহকুমা শাসক প্রিতম সাহা। এবং আরো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

Share This
Categories
বিবিধ

যোগাভ্যাসের মঞ্চে রাজনৈতিক অশান্তি, পাপিয়া অধিকারীর সামনেই বিজেপির দুই গোষ্ঠীর বচসা।

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ২১ জুন বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে গড়িয়া মৈত্রী সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত হয় এক বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচি। বিশিষ্ট সমাজসেবী অঞ্জন দে-র উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মহিলা ও পুরুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীও।

অনুষ্ঠানে রামকৃষ্ণ মিশনের এক মহারাজও উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজে যোগাসনে অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি উপস্থিতদের বিভিন্ন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেন। তাঁর উপস্থিতি ও প্রশিক্ষণে অনুষ্ঠানটি শুরুতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এগিয়ে চলে।

তবে সেই পরিবেশেরই আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর। আদি বিজেপি ও নব্য বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির রূপ নেয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত ছুড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে।

এই বিশৃঙ্খলার মাঝেই উপস্থিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

কর্মসংস্থানের স্বপ্নে দেউচা-পাঁচামি প্রকল্পের পক্ষে জমিদাতাদের জোরালো সওয়াল।

বীরভূম, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বীরভূমের দেউচা-পাঁচামি কয়লা প্রকল্পকে ঘিরে দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটিয়ে পুনরায় বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করলেন জমিদাতারা। সভায় উপস্থিত প্রকল্পভুক্ত এলাকার জমিদাতা ও কমিটির সদস্যরা শিল্পায়নের পক্ষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান।
সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তাঁদের সঙ্গে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও নানা ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে। ফলে বহুবার আন্দোলন, বিক্ষোভ এবং নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে জমিদাতাদের। তবে সমস্ত বাধা সত্ত্বেও তাঁরা সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে শিল্পের স্বার্থে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।
কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, দেউচা-পাঁচামি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাই তাঁরা শুরু থেকেই এই প্রকল্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
সভায় আরও জানানো হয়, বর্তমান সরকার গঠনের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে তাঁরা দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরুর দাবি জানান। জমিদাতাদের দাবি, এলাকার বহু অসহায় ও গরিব পরিবার স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছেন উন্নয়নের স্বার্থে। দীর্ঘ চার বছর অপেক্ষার পর তাঁরা এখন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন এবং দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

বৃষ্টি, বাজ ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্বিষহ রাত কাটাল কোচবিহারবাসী।

মাথাভাঙ্গা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আষাঢ় শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। জ্যৈষ্ঠ মাসে সেই ধরনের বৃষ্টি না হলেও আষাঢ় মাসের শুরু থেকেই ষষ্ঠীর রাতেই অঝরে বৃষ্টি বিদ্যুৎ চমকানো বাজ পড়া এই কারণে অনেকেই রাতে ঘুমাতে পারেনি অনেকেই রাতে জেগে ছিলেন অনেকেই আবার ঘুমিয়েও ছিলেন বেশ আরামে টানা বৃষ্টি ঝেরে যেমন ক্ষতি হয়েছে কেমন আবার কৃষকের লাভ হয়েছে বাজ পড়ে অনেকের গাছপালা ইত্যাদি ক্ষতি হয়েছে সারারাত ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবার অচল অবস্থা ধারণ করে যদিও সকাল থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিদ্যুৎ দপ্তরে কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বৃষ্টির কারণে অনেকে আবার সকালে মাছ ধরার কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা রোমিও বর্মন বলেন রাতে বাজ পড়ে একটি গাছ নষ্ট হয়ে গেছে তোর আতঙ্কের খেলাম এত শব্দ যাই হোক কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

Share This