Categories
বিবিধ রিভিউ

শতবর্ষের ঐতিহ্যে টিকে আছে পাহাড়েশ্বরের শ্মশান কালী — ভক্তদের ঢল অমাবস্যা থেকে কালীপুজোয়।

বীরভূম, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পাহাড়েশ্বর শ্মশান কালীর মাহাত্ম্য
মাঝে একটি দিন। তারপরেই কালীপুজো।চারিদিকে সাজো সাজো রব।
বীরভূম জেলার দুবরাজপুর পাহাড়েশ্বরের শ্মশান কালী সর্বজন বিদিত। শতাব্দী প্রাচীন এই কালী মন্দিরের নানান মাহাত্ম্য রয়েছে। কালীপুজোর দিন মায়ের পূজো হলেও বিসর্জন হয় প্রায় এক বছর পর দুর্গাপুজোর পর একাদশীর দিন। স্থানীয় দাস সম্প্রদায়ের মানুষরা বংশ পরম্পরায় বিসর্জন করে থাকেন।পরদিন শুরু হয় কাঠামো তৈরি ও ম্যাড় বাঁধা। ত্রয়োদশীর দিন মাটি লাগানো শুরু হয়। যেহেতু শ্মশান কালী তাই শ্মশানের বাঁশ , মাটি দিয়ে মায়ের প্রতিমা তৈরি হয়। এজন্য যে জলের প্রয়োজন তা মন্দিরের নিকট দু ফুট গর্ত খুঁড়ে পাওয়া যায় যেটা গঙ্গাকুণ্ড নামে খ্যাত। প্রতিমা তৈরি সম্পূর্ণ হলে গঙ্গা কুণ্ডের জল আপনা আপনি শুকিয়ে যায়।এছাড়াও মায়ের নির্ণীয়মান মাটি শুকানোর জন্য শ্মশানের অঙ্গার জ্বালিয়ে সেঁক দেওয়া হয় । সারা বছর মায়ের নিত্য সেবা হয়। তবে অমাবশ্যা তিথিতে ভক্তদের ভীড় বেশি থাকে।আর কালীপুজোর দিন তো ভীড় উপচে পড়ে।কালীপুজোর অমানিশিতে কাঁটার আসনে বসে পুজো করা হয় শ্মশান কালীর। বর্তমানের সেবাইত তন্ময় দাস জানান শতাধিক বছরের শ্মশান কালী তারা বংশ পরম্পরায় পুজো করে আসছেন। এবিষয়ে তিনি বিশদে জানান।

Share This
Categories
বিবিধ রিভিউ

“রাজনগর পর্যটন কেন্দ্র হলে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত” — ইতিহাসপ্রেমীদের ঐক্যবদ্ধ দাবি।

বীরভূম, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বীরভূম জেলা অতীত রাজধানী ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র রাজনগরকে একটি পর্যটন কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলা খুবই জরুরি৷ আগেও এই দাবি তুলে ধরা হয়েছে৷ পুনরায় একই দাবি জানাচ্ছেন রাজনগর রাজ পরিবারের সদস্য থেকে স্থানীয় বাসিন্দা ও ইতিহাসপ্রেমী মানুষজনেরা৷ এই রাজনগর এলাকায় প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির যথাযথ সংস্কারের দাবিও জানাচ্ছেন রাজবংশের প্রতিনিধি ও বাসিন্দারা৷ পর্যটন কেন্দ্র রুপে এটিকে গড়ে তোলা হলে এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নও ঘটবে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা৷ লেখক, গবেষক তথা ঐতিহাসিকদের বিবরণ থেকে জানা যায়, সুদূর অতীতে বীরভূমের রাজধানী ছিল রাজনগর৷ সেই সময় বর্তমানের বীরভূম সহ বিহার, সাঁওতাল পরগণা, বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদের কিছুটা অংশ রাজনগর রাজ স্টেটের অন্তর্ভুক্ত ছিল৷ এখানে উড়িষ্যার রাজা নরসিংহ দেব, লক্ষণ সেনদের বংশের সেন রাজারা, বীররাজা ওরফে রাজা বীরচন্দ্র ও পরবর্তীতে সুদূর আফগানিস্তান থেকে আসা পাঠান রাজারা রাজত্ব করেন৷ পাঠান রাজ বংশের উত্তরসুরীরা আজও এখানে বসবাস করেন৷ রাজনগর রাজবাড়ি, ইমামবাড়া, হামাম, টেরাকোটার বীরভূমের রাজনগর – কারুকার্য মন্ডিত মতিচূড়া মসজিদ, ঐতিহাসিক কালীদহ পুকুর, পুকুরের মাঝে হাওয়াখানা বা হাওয়ামহল, সাঁওতাল বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক গাবগাছ, ফাঁসিঘর প্রভৃতি দেখতে আজও দেশ বিদেশের বহু পর্যটক ও ইতিহাসপ্রেমী মানুষজন প্রায়শ আসেন৷ ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির কয়েকটি সামান্য কিছু সংস্কার হলেও তা যথাযথ নয় বলে অভিযোগ৷ বাকিগুলিরও সংস্কার জরুরি৷ সেই দাবিতে সোচ্চার রাজ পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বাসিন্দা, ইতিহাস ও ঐতিহ্যপ্রেমীরা৷ মাঝে মধ্যে দেশ বিদেশ থেকে আসা পর্যটকরা কেউ কেউ বলেন, “রাজনগর পর্যটন কেন্দ্র হলে সারা বছরই পর্যটকরা এখানে আসার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবেন৷ তার আগে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির যথাযথ সংস্কার ও সেগুলিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে সরকারী প্রচেষ্টায়৷ একই সাথে পর্যটকদের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা ও পরিষেবা প্রদানের বিষয়টিও সুনিশ্চিত করা দরকার৷”

Share This
Categories
বিবিধ

বেহাল রাস্তা ঘিরে তরজা শাসকের অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? উঠছে প্রশ্ন।

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা রোড:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের আমশোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুর গ্রামে বেহাল রাস্তা যা নিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভ চরমে ছিল। এদিন আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান ক্যাম্প চলাকালীন উপস্থিত হন স্থানীয় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তথা দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য স্থানীয়রা তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। দ্রুত রাস্তা সংস্কারের আবেদন জানান। বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন জানিয়েছেন বিডিও এবং স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চিন্ময় সাহা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিকাংশ রাস্তা কাঁচা এবং বেহাল অনেক সেতু চলাচলের অযোগ্য যা সংস্কারের জন্য নিয়মিত আবেদন করে আসছেন স্থানীয়রা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নমূলক কোনো কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।
স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন গড়বেতা তিন নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চিন্ময় সাহা এই আমশোল অঞ্চল থেকেই নির্বাচিত এবং তুমি এখানকার স্থানীয় এখানেই আদি বাড়ি। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান টানা ১০ বছর নির্বাচিত ফলে সে যথেষ্ট দক্ষ এবং এলাকা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল সেই সাথে জেলা পরিষদের সভাধিপতিও এই ব্লক থেকেই নির্বাচিত। পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের বাড়ি ঢিল ছোড়া দূরত্বে। তাই আমাদের বুকে একটু আশার আলো সঞ্চার হয়েছিল যে আমাদের এলাকায় বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজে আমরা সমস্ত স্তর থেকে সহযোগিতা পাব। কিন্তু আমাদের আশা স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন তারা। এলাকায় উন্নয়ন তো দুর রাস্তা চাইলে শুনতে হয় লক্ষীর ভান্ডার পাচ্ছো এতএব চুপ থাকো। এলাকায় শক্ত চওড়া রাস্তা চলাচলের যোগ্য চওড়া সেতু নির্মাণ না হলে আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পুর্ত কর্মাধ্যক্ষ মতো জনপ্রতিনিধিদের জন্যে যদি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রিয়তা কমে আসে তাহলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত বলছে তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ, এই আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।

Share This
Categories
বিবিধ

“খিচুড়ি আনতে গিয়ে মাথা ফেটেছে বাচ্চার”— রেললাইনের ওপারে সেন্টার, গ্রামবাসীর হুঁশিয়ারি নতুন লোহরপুরে।

মু্র্শিদাবাদ, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- গ্রামে নতুন আইসিডিএস সেন্টারের দাবিতে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ — শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে শামশেরগঞ্জের নতুন লোহরপুর গ্রাম।

শামশেরগঞ্জ ব্লকের নতুন লোহরপুর গ্রামে আজ শনিবার দেখা গেল এক অন্যরকম দৃশ্য। গ্রামের মহিলারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে সামিল হন। তাদের দাবি— অবিলম্বে রেলের একধারে নতুন একটি আইসিডিএস সেন্টার চালু করতে হবে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রেললাইন হয়ে যাওয়ার পর থেকে গ্রামটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে— গ্রামের একাংশ রেলের এপারে, অন্য অংশ ওপারে। বর্তমানে গ্রামের ছোট ছোট বাচ্চাদের আইসিডিএস সেন্টারে যেতে রেললাইন পার হতে হয়। এতে প্রতিদিনই শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এক মহিলার বক্তব্য— “আমাদের বাচ্চারা খিচুড়ি আনতে বা ক্লাসে যেতে গেলে রেললাইন পার হতে হয়। সেদিনই একটা বাচ্চা রেললাইনের ধারে পড়ে গিয়ে মাথা ফেটে গেছে। যদি কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটে, তার দায় কে নেবে?”

গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। রাস্তাগুলি জলে ডুবে থাকে, কাদা ও গর্তে ভরা। ফলে ছোট বাচ্চারা তো দূরের কথা, বড়রাও ঠিকভাবে চলাচল করতে পারেন না। তাই তাদের দাবি— অবিলম্বে রেলের একধারে নতুন আইসিডিএস সেন্টার স্থাপন ও একটি পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ যাতায়াতের সুযোগ পান।

এদিন আরও জানা যায়, শনিবার আইসিডিএস সেন্টারে বাচ্চারা খিচুড়ি আনতে গেলেও সেন্টার বন্ধ ছিল।
ন্যাশনাল পাবলিক টিভির প্রতিনিধির পক্ষ থেকে সেন্টারের শিক্ষিকাকে ফোন করা হলে তিনি জানান,
“আমি মিটিং-এ আছি, হেল্পারকে খুলতে বলেছিলাম, কিন্তু উনি যাননি। বিষয়টি দেখছি।”

স্থানীয়দের প্রশ্ন— “যদি এইভাবে অযথা সেন্টার বন্ধ থাকে, তাহলে গরিব পরিবারের ছোট ছোট বাচ্চারা পুষ্টির অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে কেন?”

গ্রামবাসীর দাবি, প্রশাসন যেন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নতুন আইসিডিএস সেন্টার ও রাস্তাঘাটের উন্নয়নের ব্যবস্থা করে।

Share This
Categories
বিবিধ

তাসাটি লেবার ক্লাবের ৭৫ তম শ্যামা পুজো: চা-বাগান শ্রমিকদের গর্ব ও ঐতিহ্য।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :-
প্রতি বছরের মতো এবছরও শ‍্যামা মায়ের আরাধনায় ব্রতী হয়েছে ফালাকাটা ব্লকের তাসাটি লেবার ক্লাব। ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত সার্বজনীন শ্রীশ্রী শ্যামা পুজো এ বছর পা দিল ৭৫ তম বর্ষে। চা-বাগান এলাকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই পুজো দীর্ঘ সময় ধরে নিখুঁত নিয়ম ও নিষ্ঠা মেনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পুজো উপলক্ষে প্রতিবছরই বসে মেলা, জমে ওঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বহু বছর ধরে তাসাটি লেবার ক্লাবের এই শ্যামা পুজো শুধু এলাকার গর্ব নয়, হয়ে উঠেছে মানুষের আবেগ ও ঐক্যের প্রতীক। তাই এই পুজো উপলক্ষে শুধু স্থানীয় নয়, দূরদূরান্তের দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীরাও ছুটে আসেন তাসাটিতে, মাতেন উৎসবের আনন্দে।

Share This
Categories
বিবিধ

ফালাকাটার ঐতিহাসিক মন্দিরে স্থানীয়দের ভক্তি ও বামাখ্যাপার সাধনার ছোঁয়া।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটার এই মন্দিরে এক সময় সাধনা করেছিলেন সাধক বামাখ্যাপা। এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। এক সময় ফালাকাটার মুজনাই নদীর পাড়ে ঘন জঙ্গল ছিল। সেখানে বন্য পশুদের দেখা যেত সবসময়। মুজনাই নদী দিয়ে সে সময় চলত নৌকায় বাণিজ্য। এই মন্দির স্থাপিত হওয়ার পেছনে রয়েছে একটি গল্প, যা লোকমুখে বহুল প্রচলিত। মন্দির স্থাপিত হওয়ার আগে প্রতিবছর দীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে গভীর জঙ্গল থেকে কাঁসর ঘণ্টার আওয়াজ পেতেন এলাকাবাসীরা। পরের দিন সকালে ওই এলাকায় গিয়ে এলাকার বাসিন্দারা দেখতেন দেবী কালীর মূর্তি পূজিত হয়েছেন। পুজোর সামগ্রী পরে রয়েছে। কে বা কারা পুজো করতেন তা জানতেন না কেউ।এরপর ধীরে ধীরে সেখানে বন জঙ্গল কেটে জনবসতি গড়ে উঠতে থাকে।সেখানেই এলাকাবাসীরা একটি ছোট মন্দির গড়ে পুজো শুরু করেন।এরপর মন্দিরটিকে ধীরে ধীরে বড় আকারের গড়ে তোলেন এলাকাবাসীরাই। জানা গিয়েছে, সাধক বামাখ‍্যাপা এই মায়ের মন্দিরে এসে ধ্যান এবং সাধনা করেছেন একসময়। বামাখ্যাপার সেই ধ্যান এবং সাধনা করার বেদীটি এখনও রয়েছে মন্দির প্রাঙ্গণে। সেটিকেও পুজো করা হয় নিত্য। তবে আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই পুরনো নিয়ম নীতির কোনও ভাটা পড়েনি। এখনও নিয়ম করে প্রতিদিনই পুজো হয়।

Share This
Categories
বিবিধ রিভিউ

পতিরামের সাহিত্যচর্চার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রকাশিত হলো “পতিভাষ”-এর নবম সংখ্যা, আসছে দশম সংখ্যা পঁচিশে বৈশাখে।

দক্ষিণ, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আজ একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পতিভাষ সাহিত্য পত্রিকার নবম সংখ্যা প্রকাশিত হলো। এবারের সংখ্যায় প্রবাসীর চোখে পতিরাম বিভাগে লিখেছেন কলকাতা নিবাসী সুজয় মন্ডল, ফিরে দেখা পতিরাম বিভাগে লিখেছেন প্রাক্তন প্রধান রঞ্জিত মালাকার, ইতিহাসের পাতায় পতিরাম বিভাগে লিখেছেন নির্মল চৌধুরি। শিশু কিশোর কিশোরী বিভাগে অঙ্কণে রয়েছেন অণ্বেষা মন্ডল ও লেখাতে রয়েছেন অর্পিতা সাহা। গল্প লিখেছেন মৌমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌরভ চট্টোপাধ্যায়, শংকর সাহা, অনিরুদ্ধ মন্ডল। কবিতা লিখেছেন ঈশিতা চক্রবর্তী, অনন্যা মন্ডল, নার্গিস বেগম, প্রীতি শীল, ভূষণ বর্মণ, শ্যাম সাহা, সোহেল ইসলাম, কানাই চৌহান, দেবব্রত দাস, অলক কুমার মুখোপাধ্যায়, অপর্ণা দাস, ছবি বর্মণ, চুমকি সরকার, রাজশ্রী মালাকার, বিশ্বজিৎ প্রামাণিক, নির্মল রঞ্জন চৌধুরি। গল্পের প্রচ্ছদ এঁকেছেন নওসিন আলম। নবম সংখ্যার প্রচ্ছদ এঁকেছেন নার্গিস বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রতণ কুমার ব্যানার্জি। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন রাজশ্রী মালাকার। আবৃত্তি পরিবেশন করেন সমৃদ্ধি মন্ডল, সুরশ্রী সরকার, রাতুল মুন্সী, জিতোশ্রী প্রামাণিক। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন ছবি বর্মণ। বক্তব্য রাখেন সোহেল ইসলাম, বিশ্বজিৎ প্রামাণিক, দেবজিৎ চৌধুরি, নার্গিস বেগম, সৌরভ চট্টোপাধ্যায় সহ অনেকেই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সন্দীপ গোস্বামী, রানা সরকার, জলি মুন্সী, স্মৃতি প্রামাণিক, পূবালি সরকার, নিবেদিতা সাহা, শংকর সাহা, অঞ্জলি মন্ডল, সুধা বিশ্বাস, স্মৃতি বিশ্বাস, রাজু মালাকার সহ অনেকেই। এরপর দশম সংখ্যা প্রকাশিত হবে পঁচিশে বৈশাখ তারিখে। পত্রিকার সহ-সম্পাদক কবি সোহেল ইসলাম জানান, ‘আমরা ধারাবাহিক ভাবে বছরে দুটো সংখ্যা প্রকাশ করছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো পত্রিকায় যেন ভেসে ওঠে পতিরামের ছবি, সেই চেষ্টায় করে চলেছি।’

পতিভাষ-পতিরামের সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা।

Share This
Categories
বিবিধ

মানবিকতার মর্মান্তিক পরিণতি, গরু বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ হারালেন মহিলা।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদা অঞ্চলের শহীদপুরে মর্মান্তিক ঘটনায় ট্রেনে কাটা পড়ে ৬২ বছর বয়সী এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম বাসন্তী সরকার। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তিনি গরু নিয়ে মাঠে গিয়েছিলেন। সেই সময় গরুটি হঠাৎ রেললাইনে উঠে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে শিয়ালদা-বালুরঘাট এক্সপ্রেস চলে আসায় গরুটি বাঁচাতে গেলে মহিলা ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই গরুটি-সহ প্রাণ হারান। ঘটনার খবর পেয়ে বালুরঘাট জিআরপি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট পুলিশ মর্গে পাঠায়। শনিবার দুপুর দু’টোর দিকে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

বোল্লা কালীপুজোয় আর গনবলি নয়, চিকিৎসা ও অনুমতি সাপেক্ষে একে একে বলি হবে পশু।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বোল্লা কালি পুজোয় অব্যাহত থাকল পশু বলি প্রথা। তবে এক্ষেত্রে নিদিষ্ট নিয়মাবলি বা বেধে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বোল্লা রক্ষা কালি পুজোয় হাজারো বলি নিয়ে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রায়দান হয়েছে সম্প্রতি। যাতে বলা হয়েছে, গন বলি দেওয়া যাবেনা। লাইসেন্সপ্রাপ্ত জায়গা বা ঘরে প্রত্যেকটি পশুকে চিকিৎসার পর বলি দেওয়া হবে। সেখানে কোনো গর্ভবতী বা শিশুর প্রবেশ করা যাবেনা।
বোল্লা রক্ষা কালি কমিটির পক্ষে আইনজীবী বিনয়ব্রত ভৌমিক বলেন, লাইসেন্সপ্রান্ত ঘরে প্রতিটি পশুকে চিকিৎসার পর এক এক করে বলি দেওয়া হয়। যেটি গন বলির মধ্যে পড়ে না। এটি শাস্ত্রেও নিষিদ্ধ। এনিয়ে মহকুমা শাসকের সঙ্গে আলোচনায় নিদিষ্ট গাইডলাইন নামতে হবে। তবে বোল্লায় বলি প্রথা অব্যাহত থাকল।
প্রসঙ্গত, সাড়ে সাত হাত উচ্চতার বোল্লা কালি পুজোয় প্রতিবার দুই হাজারের বেশি পশু বলি হয়ে থাকে। যা আটকাতে মামলা দায়ের হয়েছিল আদালতে। কিন্ত নিদিষ্ট নিয়মের মধ্যে দিয়ে বলি প্রথা অব্যাহত থাকল হাই কোর্টের নির্দেশে।

Share This
Categories
বিবিধ

তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে কর্মী সমর্থকদের ক্ষোভ উঠে আসলো প্রকাশ্যে,চাঞ্চল্য চন্দ্রকোনায় ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে কর্মী সমর্থকদের ক্ষোভ উঠে আসলো প্রকাশ্যে। তবে বিধায়কের দাবি চক্রান্ত করে করা হয়েছে। তবেকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উঠছে প্রশ্ন? আর বিরোধীরা মনে করছেন এটি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দু’নম্বর ব্লকের ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি, তৃণমূলের নেতা আশিষ হুদাইত,চন্দ্রকোনার বিধায়ক অরূপ ধাড়া, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছায়া দোলই সহ জেলা তৃণমূলের সমস্ত নেতাকর্মীরা। সভা শুরু হতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি সমস্ত উপস্থিত কর্মীদের বলেন সকলে মনোমালিন্য ভুলে বিভেদ ভুলে একসাথে চলার । জেলা নেতৃত্ব রাজ্য নেতৃত্ব বক্তব্য দিয়ে অন্য কর্মসূচিতে চলে যায় এই অনুষ্ঠান ছেড়ে। তার পরে চন্দ্রকোনার বিধায়ক অরূপ ধাড়া বক্তব্য দেওয়া শুরু করতেই বেশ কিছু তৃণমূল কর্মীর চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন, চেয়ার থেকে উঠে পড়েন অনেকে। তবে বিধায়কের বক্তব্য শেষে তারা শান্ত হয়। তবে বিক্ষোভকারী এক তৃণমূল কর্মীর দাবি বিধায়ক তাদের এলাকাকে বঞ্চিত করে রেখেছে অনেক কিছু থেকে, তাই তাদের এই বিক্ষোভ। তবে এই বিক্ষোভে নিয়ে বিধায়ক অরূপ ধাড়াকে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন এটি চক্রান্ত করে করা হয়েছে,দল কে যানাবেন। ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছায়া দোলই অবশ্য বলেন একটা সমস্যা হয়েছে সঠিক, তবে কার বিরুদ্ধে হয়েছে কি হয়েছে দলে আলোচনা করব। তবে যাই হোক চন্দ্রকোনা দু’নম্বর ব্লকের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের এই গোষ্ঠীদ্বন্ধ, জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের অজানা নয়।

Share This