Categories
বিবিধ

বাংলাদেশসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তের আগমন, প্রস্তুত গোবরজনা কালীমন্দির।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- গোবরজনা কালী মন্দির। জেলার নজরকাড়া পুজোগুলির মধ্যে একটি। এই পুজো দেখতে কাতারে কাতারে মানুষের ভিড় হয়। শুধু জেলা কেন পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকেও বহু মানুষ আসেন এই পুজোতে। সকলের কাছেই এই মাতৃ প্রতিমা ভীষণ জাগ্রত। বহু জনশ্রুতি, বহু অলৌকিক কাহিনি জড়িয়ে রয়েছে পুজোর সঙ্গে।কথিত আছে, এই গোবরজনা কালীপুজো ডাকাতদের সৃষ্টি। স্থানীয় ডাকাতদের হাতেই একসময়ে পূজিতা হতেন দেবী। এনিয়ে রয়েছে নানা লোককাহিনি যা এখনও মুখে-মুখে ঘোরে। বলা হয়, ডাকাতরা নাকি ডাকাতির আগে ও পরে শক্তির আরাধনায় গোবরজনার কালিন্দ্রী নদীর তীরে মা কালীর পুজো আরম্ভ করে।পরবর্তীতে সেই পুজো দায়িত্ব গ্রহণ করেন এলাকার চৌধুরী পরিবার। সেই নিয়ম রীতি মেনে মায়ের পুজো চালিয়ে যান জ্যোতিষ চৌধুরী ও তাঁর পরিবার। বংশ পরম্পরায় ভক্তির সাথে প্রায় ৪০০ বছরেরও বেশি ধরে এই পুজো হয়ে আসছে।

কালী পুজোর বাকি আর এখন হাতে গোনা কয়েকটা দিন। আর তারপরই এই শক্তির আরাধনা হতে চলছে। যার কারণে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গোবরজনা মন্দিরে। মালদা জেলার কালীপুজো গুলোর মধ্যে প্রাচীনত্ব ও ঐতিহ্যবাহী দিক থেকে অন্যতম রতুয়া ২নং ব্লকের আড়াইডাঙ্গা অঞ্চলের গোবরজনা গ্রামের এই কালী পুজো। যা গোবরজনা কালী পুজো বলেই খ্যাত। প্রতিবছর এখানকার কালীপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তের ঢল নামে। মায়ের মন্দিরে বলির প্রথা রয়েছে। এছাড়াও মন্দির সংলগ্ন কালিন্দীর তীরে পুজো কটা দিন বসে বিশাল মেলা। তবে এই বছর করোনা আবহে কঠোর বিধিনিষেধ মেনেই পুজো হবে ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ বিবিধ

জেলাপরিষদ সভাধিপতি চিন্তামণি বিহার হাত ধরে বালুরঘাটে নতুন রাস্তা নির্মাণের শুভ সূচনা।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- প্রায় ১কোটি ৬১ লক্ষ টাকায় আজ বালুরঘাট ব্লকের চিঙ্গিসপুর-অমৃতখন্ড অঞ্চলের কুরমাইল থেকে হরিপুর পর্যন্ত প্রায় 4কিমি পিচ রিপিয়ারিং রাস্তার শুভ শিলান্যাস করলেন দঃদিনাজপুর জেলাপরিষদের সভাধিপতি চিন্তামণি বিহা, স্থানীয় জেলাপোরিষদের সদস্য অশোক কৃষ্ণ কুজুর, জেলাপরিষদ কর্মাধ্যক্ষা শ
দীপা দাস মণ্ডল,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সরকার সহ অনেকেই। বহুদিনের দাবি ছিল এই রাস্তাটির।

Share This
Categories
বিবিধ

পাঁঠা বলি, বোয়াল মাছের ভোগ আর অগাধ ভক্তি — বালুরঘাটের শ্রী শ্রী বুড়াকালী মাতার পুজোয় জমে ঐতিহ্যের মেলা।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শতাব্দী প্রাচীন কালী পুজোগুলোর মধ্যে অন্যতম হল বালুরঘাট তহবাজার এলাকার বুড়াকালী মাতার মন্দিরের কালী পুজো।

কয়েকশো বছর আগে বর্তমান বালুরঘাট বুড়াকালী মাতার মন্দিরের পাশ দিয়ে আত্রেয়ী নদী বইতো। মন্দির সহ পুরো এলাকাটা ঘন জঙ্গল ছিল। শতাব্দীর প্রাচীন এই পুজোর সঠিক বয়স কত তা কেউ বলতে পারে না। আত্রেয়ী নদীর ধারে এক সময় নিজে থেকেই ভেসে ওঠে বুড়াকালী মাতার বিগ্রহ। এক তান্ত্রিক সেই সময় ওই বুড়াকালী মাতার বিগ্রহকে তুলে নিয়ে এসে পুজো শুরু করেন। তারপর থেকেই বুড়াকালী মাতার নিত্যপুজো শুরু হয়। সন্ধ্যের পর অপরূপ ফুলের সুগন্ধি পাওয়া যেত ওই মন্দির এলাকা থেকে। সেইসময় মন্দির থেকে কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত কোন জনবসতি ছিল না, সন্ধ্যায় বুড়াকালী মাতার নুপুরের আওয়াজ শোনা যেত। বর্তমানে বুড়াকালী মন্দির থেকে অনেকটা পশ্চিমে সরে গেছে আত্রেয়ী নদী। একটা সময় নাটোরের রানী ভবানী এই মন্দিরে পুজো দিতে আসতেন। বজরায় করে এসে তিনি আত্রেয়ী নদী থেকে জল নিয়ে এসে মায়ের পুজো দিয়ে আবার ফিরে যেতেন নাটোরে। অনেক ভক্তই বুড়াকালী মাতার মন্দিরকে সতীর একান্ন পীঠের এক পীঠ বলে মনে করেন, তবে এর সঠিক ও উপযুক্ত প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রথম দিকে টিনের ঘেরা দেওয়া মন্দিরে বুড়াকালী মাতার পুজো শুরু হয়। বর্তমানে বিশাল আকার মন্দিরের পুজিত হন বুড়াকালী মাতা।

বুড়াকালী মাতার কালী পুজো কমিটির সদস্যরা জানাচ্ছেন, প্রতি বছর দীপান্বিতা অমাবস্যার কালীপূজা উপলক্ষ্যে মন্দিরে আসার রাস্তা আলোকসজ্জায় ভরিয়ে তোলা হয়। কাল স্রোতে ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে পুজোর নিয়ম রীতির কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। শতাব্দী প্রাচীন বুড়াকালী মাতার পুজোকে কেন্দ্র করে দিনের পর দিন ভক্তদের ভীড় আরো বাড়ছে। প্রতিবছরই কার্ত্তিক মাসের দীপান্বিতা অমাবস্যায় কালীপুজোর দিন সকাল থেকেই বুড়াকালী মাতার মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে এবং সন্ধ্যার পর থেকেই বুড়াকালী মাতার মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য ভক্তদের ভিড় আরো বাড়তে থাকে। প্রতিবছরই কালী পুজোতে জেলা পুলিশ প্রশাসন বুড়াকালীর পুজোতে যথেষ্ট সহযোগিতা করে থাকে। কালী পুজোর দিন মন্দিরে প্রচুর অন্ন ভোগের হাঁড়ি পড়ে।
পুজোতে এখনও পাঁঠা বলি ও বোয়াল মাছ ভোগ দেওয়া হয়। আগে ২০ কিলো ওজনেরও বোয়াল মাছ ভোগ দেওয়া হত। এই পুজোকে ঘিরে শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাবাসীই নয় পাশের জেলা উত্তর দিনাজপুর ও মালদা জেলা থেকেও প্রচুর ভক্ত বা দর্শনার্থী আসে। দীপান্বিতা অমাবস্যায় কালীপুজোর পরেরদিন সকালে বালুরঘাট শ্রী শ্রী বুড়াকালী মাতা পূজা সমিতির পক্ষ থেকে মা বুড়াকালী মাতার উদ্দেশ্যে নিবেদিত খিচুড়ি ভোগ ভক্তদের দেওয়া হয়।

প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার দুপুরে খিচুড়ি ভোগ এবং বাকি অন্যান্য দিন দুপুরে অন্নভোগ হয়। সারাবছর বালুরঘাট শ্রী শ্রী বুড়াকালী মাতা পূজা সমিতি বুড়াকালী মায়ের নিত্যপুজো পরিচালনা করে। বুড়াকালী মাতার মন্দিরে বুড়াকালী মাতার মন্দিরের পাশাপাশি শীতলা মাতা ও শিব ঠাকুরের মন্দির আছে। চৈত্র সংক্রান্তির দিন দুপুরে শীতলা পুজো রাতে বালুরঘাটে আত্রেয়ী নদীর তীরবর্তী কংগ্রেস ঘাটে মাশানকালীর মন্দিরে পাঁঠা বলি সহ মাশানকালীর পুজোর পর বুড়াকালী মায়ের বাৎসরিক পুজো শুরু হয়। সারাবছরই মা বুড়াকালী অত্যন্ত নিয়ম ও নিষ্ঠা সহকারে নিত্য পুজিত হন। ভক্তদের অগাধ বিশ্বাস বুড়াকালী মাতার উপর।

Share This
Categories
বিবিধ

যান চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে প্রশাসনের পদক্ষেপ, টোটো ও ই-রিকশার বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন শুরু।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট:- টোটো ও ই-রিকশার উপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহণ দপ্তর জানিয়েছে, যান চলাচলের সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে সমস্ত টোটো ও ই-রিকশা মালিকদের গাড়ি নিবন্ধন করানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে। যারা এখনও পর্যন্ত তাঁদের টোটো বা ই-রিকশার রেজিস্ট্রেশন করাননি, তাঁদের আগামী ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫-এর মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না হলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনকে রাস্তা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না, বলে জানানো হয়েছে পরিবহণ দপ্তরের তরফে।

ভিড় এড়াতে জেলা প্রশাসন সকল মালিককে যত দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী বাংলা সহায়তা কেন্দ্র (BSK) অথবা তাঁদের নিজ নিজ ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তার জন্য টোটো ও ই-রিকশা মালিকরা স্থানীয় বিডিও, এআরটিও বা আরটিও অফিসের সাথেও যোগাযোগ করতে পারবেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করতে জেলা জুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে যাতে কোনো যানবাহন মালিক এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের বর্ণময় বিজয়া উৎসব।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বালুরঘাট পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ ষোলই অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বিজয়া সম্মিলনীর পাশাপাশি সম্বর্ধনা জ্ঞাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিজয়া সম্মিলনীতে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেতৃত্বদের পাশাপাশি বালুরঘাট পৌরসভার সমস্ত ওয়ার্ডের পৌর প্রতিনিধি ও ওয়ার্ড সভাপতিদের এবং বিভিন্ন নেতৃত্বদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে বালুরঘাট ব্লক স্তরের পাশাপাশি জেলা স্তরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতৃত্বদেরও অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পাশাপাশি পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় শিল্পী এবং শহরের স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা নাচ, গান ও আবৃত্তির পরিবেশনের মধ্য দিয়ে একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এমনটাই জানালেন বালুরঘাট পৌরসভার পৌরাধ্যক্ষ তথা পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর প্রতিনিধি অশোক কুমার মিত্র।

Share This
Categories
বিবিধ

স্বপ্নাদেশে প্রায় চার দশক ধরে শ্যামা মায়ের আরাধনা করছেন এক মুসলিম মহিলা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- স্বপ্নাদেশে প্রায় চার দশক ধরে শ্যামা মায়ের আরাধনা করছেন এক মুসলিম মহিলা। মালদহের হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের মধ্যমকেন্দুয়ার বাসিন্দা শেফালী বেওয়ার এই কালী পুজোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সম্প্রীতির নজির। এলাকার এই সম্প্রীতির পুজোয় মেতে ওঠেন সমগ্র এলাকাবাসী। পাশাপাশি এই পুজো দেখতে ভিড় জমান দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা। মালদহের হবিবপুরের বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের মধ্যমকেন্দুয়ার রেল লাইন ঘেঁষা এলাকায় এই কালীর স্থান। পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা এলাকার এক মুসলিম মহিলার শেফালী বেওয়া। জানা যায়, শেফালী দেবী প্রায় ৪০ বছর আগে নানান অসুখে অসুস্থ হয়ে পরেছিলেন। সেই অসুখ সারাতে পারেননি কোন ডাক্তার বা কবিরাজ। একদিন হঠাৎ তাকে স্বপ্নাদেশ দেন স্বয়ং মা কালী। স্বপ্নাদেশে বলা হয় মা কালীর পুজো করলেই সারবে তার অসুখ। এরপর এই কথা তিনি গ্রামবাসীদের জানালে প্রথমে তা বিশ্বাস করতে চাননি কেউই। মুসলিম মহিলা হয়ে কালী পুজো করবে এই কথা ছড়িয়ে পরে গোটা এলাকায়। এরপর হঠাৎ শেফালী দেবীর শরীরে ভর করেন স্বয়ং মা কালী। গ্রামবাসীদের সব কথা বললে তা শুনেই শুরু হয়ে যায় কালীপুজো। এভাবেই প্রায় চার দশক ধরে এক মুসলিম মহিলার হাতেই পূজিতা হয়ে আসছেন মধ্যমকেন্দুয়ার শেফালী কালী। শেফালী দেবীর নাম থেকেই এই পুজোর নাম হয়েছে শেফালী কালী পুজো। ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য নজির।
বাসিন্দারা জানান, এই গ্রামে কারোর অসুখ বা কোনও অসুবিধে হলে তারা ছুটে আসেন শেফালী দেবীর কাছে। শেফালী দেবীর শরীরে মা কালী ভর করে এবং তাদের অসুখের কথা বললে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এলাকার মানুষের উদ্যোগে আগের তুলনায় আরও ভালো ভাবে আয়োজন করা হয় মায়ের পুজো। সামনেই কালীপুজো ইতিমধ্যেই জোর কদমে চলছে মা কালীর মূর্তি তৈরির কাজ।

Share This
Categories
বিবিধ

কেন্দ্রের জনবিরোধী ও রাজ্যের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে উৎখাতের আহ্বান সিপিআই(এম)-এর।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির ১০৬ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হলো শুক্রবার। রাজ্যজুড়ে সি পি আই (এম) র সব দপ্তরে পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে সি পি আই (এম) জেলা দপ্তর যামিনী মজুমদার ভবনে পতাকা উত্তলন ও শহীদ বেদিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সম্পাদক নন্দলাল হাজরা সকালের কর্মসূচিতে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস সহ বর্তমানে দেশের প্রেক্ষাপটে কমিউনিস্টদের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে অবহিত করেন। তিনি দেশ তথা কেন্দ্রের জনবিরোধী সরকার ও রাজ্যের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে আগামী ২০২৬ সালের ভোটে উৎখাত করার আহবান জানান। এদিন বালুরঘাটের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদক নন্দলাল হাজরা, জেলা নেতৃত্ব শিবতোষ চ্যাটার্জি, পরিমল সরকার, অনিমেষ চক্রবর্তী প্রমুখ।

Share This
Categories
বিবিধ

বিষপান করে নববধূর মৃত্যু, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বিষপান করে নববধূর মৃত্যু, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ।
জানা গেছে মৃতার নাম মিনু রেশমা (২২)। স্বামী রাজা বাদশা, শ্বশুরবাড়ি করঞ্জা, দৌলতপুর, এবং পিতার বাড়ি কুশমন্ডি এলাকায়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে মিনুর বিয়ে হয় রাজার সাথে। দুই মাস আগে স্বামী রাজা পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে রাজ্যের বাইরে কাজে যান। বৃহস্পতিবার স্বামীর সঙ্গে ফোনে বচসা হওয়ার পর মানসিক চাপে মিনু বিষপান করে বলে খবর।

বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারলে তাকে প্রথমে রশীদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, গঙ্গারামপুর সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসা করা হয়নি। যার কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই নববধূর। পাশাপাশি হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সদের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলেছে মৃতার পরিবারের সদস্যরা।

এদিন পুলিশ মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠায়। এদিন ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে ময়নাতদন্ত হয়।
পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে জেলা পুলিশ সুপার ও স্বাস্থ্য দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

সেঙ্গেল অভিযান: হাসপাতালের বেহাল পরিষেবা ও চিকিৎসক-নার্সদের আচরণ নিয়ে জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বালুরঘাট হাসপাতালের বেহাল চিকিৎসা পরিষেবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন দিল আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান। শুক্রবার দুপুরে মিছিল করে এই সংগঠনের সদস্যরা জেলা পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে আসে পরে একটি প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে তাদের দাবি দাওয়া জানায়। সংগঠনের নেতা অমল মাদী বলেন হাসপাতাল সুপারের আদিবাসী রোগীর পরিজনদের প্রতি দুর্ব্যবহার বন্ধ, চিকিৎসকদের হয়রানি বন্ধ, পরিষেবার হাল ফেরানো ইত্যাদি বিভিন্ন দাবিতে পুলিশ সুপারকে ডেপুটেশন দিয়েছি।

Share This
Categories
বিবিধ

বাসে যাত্রী তোলার জের , আর তার মাশুল গুনতে হল এক দুধ আরোহীকে।

বাঁকুড়া, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বাসে যাত্রী তোলার জের , আর তার মাশুল গুনতে হল এক দুধ আরোহীকে। ট্রাকের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল তার । ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার ডোমজুড়ের বাঁকড়া বাজারে হাওড়া আমতা রোডে। অভিযোগ বাঁকড়া মিনি বাস প্রায় সময় বেশি যাত্রী তোলার হিড়িকে মাঝে মাঝে থেমে যায় । তারপর আবার চালায়। এদিন সকালে হাওড়াগামী ওই মিনি বাসের চালক বাঁকড়া বাজারে দাঁড়িয়ে ছিল। তখন একটি দুধ বিক্রেতা সাইকেল নিয়ে পাশ দিয়ে বাসটিকে ওভারটেআকরে। সেই সময় ডোমজুড়মুখি একটি ট্রাক আসছিল। কিন্তু ঠিক সেই সময় দাঁড়িয়ে থাকা মিনি বাসটি ছেড়ে দেয়। দুটি গাড়ির মাঝখানে পরে হাওড়ার বাঁকড়া মিশ্র পাড়ার বাসিন্দা বুবাই চক্রবর্তী (৪৫) পড়ে যায় । ট্রাকটি তাকে পিষে দিয়ে বেড়িয়ে যায়। আহথ বুবাই চক্রবর্তী এলাকার বাসিন্দারা মাথায় জল দেন। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে উত্তেজিত জনতা ওই বাস চালককে মারধর করেন। কিন্তু এই বিষয়ে প্রশাসনকে আরো সচেতন হতে হবে বলেই দাবি স্থানীয়দের। আর কতদিন এই ভাবেই প্রাণ যাবে নিরীহ মানুষদের? উঠছে প্রশ্ন? ওই মিনি বাসটি ও ট্রাক কে বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিশ আটক করেছে। ও ড্রাইভারদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

Share This