Categories
বিবিধ

সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাঠে প্রশাসন।।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ফালাকাটা ব্লকের পশ্চিম দেওগাঁওয়ে শুক্রবার রাতের নির্বাচনী সংঘর্ষের ঘটনার পর শনিবার এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছান জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার সাউ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। এদিন এলাকায় রুট মার্চ করা হয় পাশাপাশি, পুলিশ সুপার নিজে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভোটারদের কাছে গিয়ে খোঁজ নেন তাঁদের কোনও সমস্যা বা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে কি না।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, ভয়মুক্ত পরিবেশে এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সকলেই তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এই উদ্যোগের ফলে এলাকায় তৈরি হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাবোধ ও আস্থার পরিবেশ। আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Share This
Categories
কবিতা

প্রকৃত জন্মদিনের কাহিনি : মহীতোষ গায়েন।।

প্রকৃত জন্মদিন সবাই কি মনে রাখতে পারে?
পারে না,আসলে বহু মানুষ আছে তারা জানে
না তাদের প্রকৃত জন্মদিনের কথা,তারা জানে
না কখন সূর্য ওঠে,কখন অস্ত যায় সূর্য ও সুখ।

এখনো বহু মানুষ জানতে পারেনি ভালোবাসা
কাকে বলে,প্রকৃত ভালোবাসা আদৌ কেউ কি
জানে,প্রকৃত শব্দটি এখন অর্থহীন হয়ে পড়ছে;
পেটের জ্বালা আর বেঁচে থাকার লড়াইয়ে মৃত।

যে মা আজীবন স্বার্থহীনভাবে নিজের সুখ
চাওয়া পাওয়া বিসর্জন দিয়েছে অবলীলায়
একাধিক সন্তানের মুখে অন্ন যোগাতে গিয়ে
সে ভুলে গেছে ভারতবর্ষ তার নিজের দেশ।

যে ছেলেটি আশৈশব দারুণ অর্থ সংকটের
মধ‍্যে বেড়ে উঠছে,প্রতিনিয়ত লড়াই করেছে
নিজের ভাগ্যের সঙ্গে,তার জন্মদিন পালন কে
করবে?কে বুঝবে তার হৃদয়ের অনুভূতি,স্বপ্ন?

প্রকৃত জন্মদিন গোপনে পালিত হলো,খোলা
আকাশের নীচে,ফুল,পাখি,গাছ সবাই সানন্দে
শুভেচ্ছা জানালো;প্রেম,ভালোবাসা,সৃজন ও
মননে এখন শুধু চাওয়া পাওয়া স্বার্থ সদৃশ।

Share This
Categories
বিবিধ

গড়বেতার আগরাতে বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের পাশাপাশি ভোট প্রচার বিজেপি প্রার্থীর।

গড়বেতা, নিজস্ব সংবাদদাতা:-  ৬ই এপ্রিল অর্থাৎ সোমবার বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই দিন সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের ৬ নম্বর অঞ্চলের আগরা এলাকায় শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোট প্রচারে বেরিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে বিজেপির দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করল গড়বেতা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রদীপ লোধা,এছাড়াও উপস্থিত ছিল একাধিক বিজেপির নেতাকর্মীরা। এই দিন অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রচার এবং কর্মীদের নিয়ে কর্মী বৈঠক করেন বলে এই দিন বিজেপি প্রার্থী জানিয়েছেন।

Share This
Categories
প্রবন্ধ বিবিধ রিভিউ

মন্দারমণি: নীরব সমুদ্রের কোলে এক অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।।

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত মন্দারমণি আজকের দিনে এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। যারা ভিড়ভাট্টা থেকে দূরে, শান্ত-নিরিবিলি সমুদ্র উপভোগ করতে চান, তাদের কাছে মন্দারমণি এক স্বর্গতুল্য গন্তব্য। দীর্ঘ বালুকাবেলা, লাল কাঁকড়ার বিচরণ, আর সমুদ্রের নরম ঢেউ—সব মিলিয়ে এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।
📜 মন্দারমণির পরিচয় ও ইতিহাস
মন্দারমণি আগে খুব একটা পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র ছিল না। স্থানীয় জেলেদের গ্রাম হিসেবেই এটি পরিচিত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পর্যটকদের নজরে আসে এর অপরূপ সৌন্দর্য। ধীরে ধীরে এখানে গড়ে ওঠে রিসোর্ট, হোটেল এবং পর্যটন অবকাঠামো।
বর্তমানে মন্দারমণি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম দীর্ঘ ড্রাইভেবল সমুদ্র সৈকত হিসেবে পরিচিত, যদিও পরিবেশ রক্ষার কারণে এখন অনেক ক্ষেত্রে সৈকতে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রিত।
🏖️ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
🌅 সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
মন্দারমণির সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত এক কথায় অসাধারণ। ভোরের প্রথম আলো যখন সমুদ্রের জলে পড়ে, তখন মনে হয় যেন সোনার রঙে রাঙিয়ে উঠেছে পুরো সৈকত।
🦀 লাল কাঁকড়ার রাজ্য
মন্দারমণির অন্যতম আকর্ষণ হলো হাজার হাজার লাল কাঁকড়া। তারা দল বেঁধে সৈকতের ওপর ছুটে বেড়ায়। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন লাল কার্পেট বিছানো রয়েছে।
🌿 নিরিবিলি পরিবেশ
দীঘার তুলনায় এখানে ভিড় অনেক কম। তাই যারা প্রকৃতির মাঝে নিঃসঙ্গতা উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ স্থান।
🎯 মন্দারমণির প্রধান আকর্ষণ
১. ড্রাইভেবল বিচ
একসময় গাড়ি নিয়ে সরাসরি সৈকতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল এই জায়গার অন্যতম বিশেষত্ব। যদিও এখন পরিবেশের স্বার্থে তা সীমিত করা হয়েছে, তবুও এই বৈশিষ্ট্য মন্দারমণিকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
২. ওয়াটার স্পোর্টস
জেট স্কি, বোটিং, বানানা রাইড ইত্যাদি জলক্রীড়ার সুযোগ এখানে পাওয়া যায়। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য এটি একটি বড় আকর্ষণ।
৩. কাছাকাছি ভ্রমণ স্থান
দীঘা
তাজপুর
শঙ্করপুর
এই সব জায়গাগুলি মন্দারমণির কাছেই অবস্থিত এবং একসাথে ভ্রমণ করা যায়।
🍤 খাবারের স্বাদ
মন্দারমণির অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো তাজা সামুদ্রিক খাবার। এখানে চিংড়ি, ভেটকি, কাঁকড়া, পমফ্রেট—সবই খুব সহজলভ্য।
রিসোর্টগুলিতে স্থানীয় রান্নার স্বাদ আলাদা মাত্রা যোগ করে। বিশেষ করে সর্ষে ইলিশ বা চিংড়ি মালাইকারি খেতে ভুলবেন না।
🚗 কীভাবে যাবেন
🚆 ট্রেনে
প্রথমে কাঁথি বা দীঘা পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে যেতে হয়।
🚌 বাসে
কলকাতা থেকে সরাসরি বাস পরিষেবা রয়েছে।
🚘 গাড়িতে
কলকাতা থেকে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। রাস্তা বেশ ভালো এবং যাত্রা আরামদায়ক।
🏨 থাকার ব্যবস্থা
মন্দারমণিতে বিভিন্ন ধরণের রিসোর্ট ও হোটেল রয়েছে—সমুদ্রের একেবারে ধারে থাকার সুযোগও পাওয়া যায়। লাক্সারি থেকে বাজেট—সব ধরনের অপশন আছে।
🌤️ ভ্রমণের সেরা সময়
অক্টোবর থেকে মার্চ মাস মন্দারমণি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। বর্ষাকালে সমুদ্র উত্তাল থাকে, তাই সে সময় ভ্রমণ একটু ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
⚠️ কিছু সতর্কতা
সমুদ্রে নামার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন
পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন
স্থানীয় নিয়ম মেনে চলুন
🎯 উপসংহার
মন্দারমণি শুধুমাত্র একটি ভ্রমণ স্থান নয়, এটি এক অনুভূতির নাম। যারা শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে প্রকৃতির মাঝে নিজেকে খুঁজে পেতে চান, তাদের জন্য এটি এক আদর্শ গন্তব্য।
ঢেউয়ের মৃদু শব্দ, নরম বালির স্পর্শ, আর নীল আকাশের নিচে একটুখানি শান্তি—এই সবকিছু মিলিয়ে মন্দারমণি এক স্বপ্নের মতো ভ্রমণ অভিজ্ঞতা দেয়।
একবার গেলে বারবার যেতে ইচ্ছে করবে—এই প্রতিশ্রুতি দিয়েই শেষ করছি এই ভ্রমণ কাহিনী। 🌊

Share This
Categories
প্রবন্ধ বিবিধ রিভিউ

দীঘা : সমুদ্রের ডাকে এক অবিস্মরণীয় ভ্রমণ।

পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রতীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্র হলো দীঘা। কলকাতা থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ছোট্ট শহরটি সারা বছর ধরে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকে। বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা, গর্জনরত ঢেউ, আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মেলবন্ধন দীঘাকে করে তুলেছে এক অনন্য গন্তব্য।
📜 ইতিহাসের পাতায় দীঘা
দীঘার ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ব্রিটিশ আমলে এই জায়গাটির নাম ছিল “বিয়ারকুল” (Beerkul)। ওয়ারেন হেস্টিংস এই স্থানটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এটিকে একটি সমুদ্রবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে পরবর্তীকালে প্রকৃত অর্থে দীঘার উন্নয়ন শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ড. বিধানচন্দ্র রায়-এর উদ্যোগে।
তিনি দীঘাকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর হাত ধরেই দীঘা আজকের এই জনপ্রিয় রূপ লাভ করে।
🏖️ দীঘার প্রধান আকর্ষণ
১. ওল্ড দীঘা (Old Digha)
ওল্ড দীঘা হলো পুরনো এবং ঐতিহ্যবাহী সমুদ্রসৈকত। এখানে ঢেউ একটু বেশি শক্তিশালী এবং পাথরের বাঁধ রয়েছে। সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার জন্য এটি এক আদর্শ স্থান। ভোরবেলা জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য মন ছুঁয়ে যায়।
২. নিউ দীঘা (New Digha)
ওল্ড দীঘার তুলনায় নিউ দীঘা অনেক বেশি প্রশস্ত এবং পরিষ্কার। এখানে পর্যটকদের জন্য নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে—হোটেল, পার্ক, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। পরিবার নিয়ে ঘুরতে এলে নিউ দীঘা সবচেয়ে ভালো।
৩. মন্দারমণি (Mandarmani)
দীঘা থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত মন্দারমণি। এটি একটি নিরিবিলি এবং শান্ত সমুদ্রসৈকত। এখানে লাল কাঁকড়ার ঝাঁক এবং দীর্ঘ বালুকাবেলা পর্যটকদের মুগ্ধ করে।
৪. উদয়পুর সৈকত (Udaipur Beach)
দীঘা ও ওড়িশার সীমানায় অবস্থিত উদয়পুর সৈকত। এটি তুলনামূলকভাবে কম ভিড়যুক্ত এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ।
🎡 দর্শনীয় স্থান
মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম ও রিসার্চ সেন্টার: এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অ্যাকোয়ারিয়াম।
অমরাবতী পার্ক: বোটিং ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত।
চন্দনেশ্বর মন্দির: ভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান।
🍤 খাবারের স্বাদ
দীঘায় গেলে সামুদ্রিক খাবার না খেলে ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এখানে তাজা মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া—সবই পাওয়া যায়। স্থানীয় হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে এইসব খাবারের স্বাদ অসাধারণ।
🚆 কীভাবে যাবেন
ট্রেনে: হাওড়া-দীঘা ট্রেন সরাসরি সংযোগ রয়েছে।
বাসে: কলকাতা থেকে নিয়মিত বাস পরিষেবা পাওয়া যায়।
নিজস্ব গাড়িতে: NH-116B ধরে সহজেই পৌঁছানো যায়।
🏨 থাকার ব্যবস্থা
দীঘায় বিভিন্ন বাজেটের হোটেল পাওয়া যায়—লো বাজেট থেকে লাক্সারি পর্যন্ত। নিউ দীঘায় অধিকাংশ আধুনিক হোটেল অবস্থিত।
🌤️ ভ্রমণের সেরা সময়
অক্টোবর থেকে মার্চ—এই সময়টি দীঘা ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। শীতকালে আবহাওয়া মনোরম থাকে।
🎯 উপসংহার
দীঘা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি এক আবেগ, এক অনুভূতি। শহরের কোলাহল থেকে দূরে এসে এখানে কয়েকদিন কাটালে মন ও শরীর দুটোই সতেজ হয়ে ওঠে। ঢেউয়ের শব্দ, সাগরের নীল জল আর আকাশের বিস্তার—সব মিলিয়ে দীঘা এক স্বপ্নের মতো।
আপনি যদি প্রকৃতি, সমুদ্র আর শান্তি ভালোবাসেন, তবে একবার অবশ্যই দীঘা ভ্রমণে বেরিয়ে পড়ুন। 🌊

Share This
Categories
বিবিধ

মোদীর সভা ঘিরে উৎসাহ, কেন্দ্রবিন্দুতে কালনা।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আগামী ১১ই এপ্রিল পূর্ব বর্ধমান জেলা কালনা থানার মছলন্দপুরের সিমলন মাঠে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । তাঁর এই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকাজুড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, আর সেই সভাকে সফল করতে জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।
মঙ্গলবার মাঠ পরিদর্শনে যান বিজেপির জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব। মঞ্চ নির্মাণ থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসভার জন্য প্রবেশ ও নির্গমন পথ—সব দিক খতিয়ে দেখা হয় খুঁটিনাটি ভাবে। সভাস্থল ঘিরে কর্মীদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ, কোথাও আবার সাজানো হচ্ছে ব্যারিকেড ও দর্শক বসার ব্যবস্থা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সভায় বিপুল জনসমাগমের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সেই কারণে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, সভাস্থলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গেও সমন্বয় রেখে কাজ চলছে।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর এই সভা ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই শেষ মুহূর্তে কোনও খামতি না রাখতে প্রস্তুতিতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ১১ই এপ্রিলের জনসভাকে কেন্দ্র করে মসলন্দপুর এখন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

কংগ্রেসে টানাপোড়েন, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।

মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা :- চাঁচলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ। সব জল্পনার অবসান। কংগ্রেসের একটা বড় অংশের সমর্থন নিয়ে সুবিশাল মিছিল করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আনজারুল হক জনি। দীর্ঘদিন ধরে দলের মধ্যে টানাপড়েন চলছিল। দলের একটা বড় অংশ বারবার দাবি জানিয়েছিল জনি কে প্রার্থী করার। কিন্তু প্রার্থী করা হয় প্রাক্তন বিধায়ক আসিফ মেহেবুব কে। তারপরেই বিক্ষুব্ধরা আন্দোলন করে। প্রার্থী বদলের দাবিতে চলে লাগাতার ধর্না। কিন্তু গুরুত্ব দেয়নি যারা নেতৃত্ব। তারপরেই মনোনয়নের শেষ দিনে এদিন দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করলেন জনি। সোমবার এই উপলক্ষে সমগ্র চাঁচল শহর জুড়ে বর্ণাঢ্য যাত্রা হয়। উৎসবের মেজাজে কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ কর্মীরা জনি কে দাখিল করতে আসেন মহকুমা শাসক দপ্তরে। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, “তৃণমূলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য জেলা সভাপতি ইশা খান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কর্মীদের দাবি মান্যতা দেননি।বারবার আন্দোলন হলেও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেননি। তাই এলাকায় কংগ্রেসকে বাঁচাতে তৃণমূল কে হারাতে কর্মীদের দাবি অনুযায়ী নির্দল লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যেখানে ব্যাপক সাড়া পেলেন সকলের কাছে।”
পাল্টা প্রাক্তন বিধায়ক তথা কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুবের দাবি, “প্রার্থী না হওয়ার জন্য তাকে জনির অনুগামীরা ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিল। মানুষের উপর আস্থা আছে।”
অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণ তৃণমূলের। তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

Share This
Categories
বিবিধ

দুটি গাড়ি থেকে মিলল বিপুল টাকা, তদন্তে প্রশাসন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ভোটের আবহে ফের মালদার রতুয়ায় বিশাল অঙ্কের নগদ টাকা উদ্ধার! ছোটো গাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পনেরো লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করলেন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে নাকা পয়েন্ট চেকিং-এর আধিকারিকরা। ঘটনায় অটো গাড়ির এক যাত্রী টাকার সপক্ষে কোন বৈধ নথিপত্র দেখাতে না পারায় সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে জানা গেছে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পুখুরিয়া থানার বরকোল নাকা পয়েন্ট চেকিং-এ। জানা গেছে, ভোটের আবহে অবৈধ নগদ টাকার লেনদেন রুখতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুখুরিয়ার পোদিয়ামোড় এলাকায় বসেছে নাকা পয়েন্ট চেকিং। সেই চেকিং-এর দায়িত্বে রয়েছেন পুখুরিয়া থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী সহ নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। সেই তল্লাশি অভিযানেই দুটি গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। কোন বৈধ নথিপত্র দেখাতে না পারাই আধিকারিকরা সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের টাকা পাঠিয়ে দেন বলে জানা গেছে।

Share This
Categories
বিবিধ রিভিউ

ফালাকাটায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ৩০ পরিবার, নির্বাচনের আগে জোরদার পালাবদল।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:
নির্বাচনের আগে ফের দলবদলের ছবি সামনে এল আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফালাকাটা ব্লকের গুয়াবর নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩/১৬২ নম্বর বুথের বাড়ই পাড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে মোট ৩০টি পরিবার ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগদান করে।
এদিন ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মন-এর হাত ধরে নবাগতরা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে সামিল হন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগত জানান বিজেপি নেতৃত্ব।
এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য ভূষণ মোদক, ৪ নম্বর মণ্ডল সভাপতি ফণীভূষণ রায়, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সাহা, মণ্ডল সম্পাদক অর্ণব ঘোষ, সম্পাদক মলিন রায় এবং সহ-সভানেত্রী শিল্পী সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ধরনের যোগদান আসন্ন নির্বাচনের আগে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

Share This
Categories
বিবিধ রিভিউ

ভোটের আগে ফালাকাটায় বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি, একাধিক পরিবারের যোগদান।।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পালাবদলের ছবি ফের ধরা পড়ল আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায়। শনিবার ফালাকাটা ব্লকের গুয়াবর নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩/১৭২ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে মোট ১০টি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগদান করে।
এদিন ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মন-এর হাত ধরে নবাগতদের দলে স্বাগত জানানো হয়। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিজেপি নেতৃত্ব।
অন্যদিকে, তপসিতালা বাজার এলাকায় একটি নতুন নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির ৪ নম্বর মণ্ডল সভাপতি ফণীভূষণ রায়, সাধারণ সম্পাদক মাখন রায়, অঞ্চল প্রমুখ দুলাল রায় এবং ৭ নম্বর মহিলা মোর্চার সভানেত্রী নয়নশরী কার্জি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এই যোগদান ও নতুন কার্যালয় উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিজেপি শিবিরে উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Share This