Categories
বিবিধ রিভিউ

ভাঙড়ের প্রাণগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা, নওশাদকে দেখে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান।।

ভাঙ্গড়, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ভাঙ্গড়ের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের রঘুনাথপুর এলাকায় নওশাদ সিদ্দিকীর সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্র বাহিনী পুলিশের লাঠিচার্জ। নওশাদকে দেখে জয় বাংলা স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের।

Share This
Categories
বিবিধ

চরগোয়ালপাড়া বুথে ‘ভোট কাস্ট’ অভিযোগে ক্ষোভ, ভোট না দিয়েই ফিরলেন মহিলা।।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালীন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল। চরগোয়াল পাড়া এসএসকে স্কুলের ১১৫ নম্বর বুথে ভোট দিতে এসে বিপাকে পড়েন চর গোয়ালপাড়ার বাসিন্দা মনোয়ারা খাতুন।অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে তিনি জানতে পারেন তার ভোট ইতিমধ্যেই পড়ে গেছে। অর্থাৎ, তার আগেই অন্য কেউ তার ভোট দিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এই ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েন মনোয়ারা খাতুন এবং সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রিজাইডিং অফিসারকে জানান।তবে তার অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রিজাইডিং অফিসার কেউই এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনও উত্তর দিতে পারেননি। “আমরা কিছু জানি না” বলেই দায় এড়িয়ে যান তারা বলে দাবি ওই মহিলার। ফলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পেরেই হতাশ হয়ে বুথ থেকে ফিরে যেতে হয় তাকে।

Share This
Categories
বিবিধ

এ বি মডেল স্কুলে ভোট দিলেন কৌস্তব বাগচী, শান্তিপূর্ণ ভোটের দাবি।

ব্যারাকপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সকাল সকাল নিজের বাড়ির সামনে সপরিবারে ভোট দিলেন বিজেপি প্রার্থী কৌস্তব বাগচী। ব্যারাকপুর এ বি মডেল স্কুলে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে বলে জানান তিনি।

Share This
Categories
বিবিধ

বেলঘড়িয়ায় ভোট দিলেন বিজেপি প্রার্থী, হাসিমুখে বললেন ‘ভোটাররা আনন্দিত’।।

কামারহাটি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের বাড়ির সামনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিলেন কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী অরূপ চৌধুরী । এদিন বেলঘড়িয়া জাতীয় বিদ্যানিকেতন হলে ভোটারদের সাথে লাইনে দাঁড়িয়েই নিজের ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। বোধ দিয়ে বেরিয়ে হাসিমুখে তিনি বলেন, ভোটাররা আনন্দিত এবং তারা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিতে আসছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বাংলার মসনদে কে? এক্সিট পোলে স্পষ্ট নয় ছবি, বাড়ছে জল্পনা।

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর :- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর আমাদের তরফে সংগঠিত এক্সিট পোলে এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক সমীকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বাংলার মসনদ দখলের লড়াইয়ে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা ‘ম্যাজিক ফিগার’ (১৪৮) স্পর্শ করতে পারছে না। ফলে রাজ্য একটি ঝুলন্ত বিধানসভার দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজেপি ১৪২টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসতে পারে। তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ৪৩ শতাংশ। অন্যদিকে, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ১৩৮টি আসন (৪২% ভোট) নিয়ে কড়া টক্কর দিতে পারে। দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে আসনের ব্যবধান অত্যন্ত সামান্য হওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকবে।

এই টানটান লড়াইয়ে ‘কিং মেকার’ হয়ে উঠতে পারে ছোট দলগুলো। কংগ্রেস ৬টি, সিপিআই(এম) ৪টি এবং আইএসএফ ২টি আসন পেতে পারে। এছাড়া এজেইউপি এবং জিজেএম একটি করে আসনে জয়ের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

এই ছোট দলগুলোর সমর্থন ছাড়া সরকার গড়া কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে ঘোড়া কেনাবেচার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না এখন দেখার বিষয়, আগামী ৪ মে চূড়ান্ত ফলাফল কোন দিকে মোড় নেয়।

Share This
Categories
বিবিধ

শান্তিমোড়ে তীব্র যানজট ঘিরে ক্ষোভ, পরে পরিস্থিতি সামলায় পুলিশ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— বুধবার মালদহের চাঁচলের শান্তিমোড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সও,যার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁর পরিবার।জানা গিয়েছে,প্রতি বুধবার ওই এলাকায় সাপ্তাহিক হাট বসে।সেই কারণে এদিন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। হরিশ্চন্দ্রপুরের বিরুয়ার এক অসুস্থ ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু শান্তিমোড়ের যানজটে পড়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হয় অ্যাম্বুলেন্সটিকে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,প্রায়ই এই এলাকায় যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। হাটের দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। অথচ সেখানে কোনও পুলিশ আধিকারিককে দেখা যায়নি।শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়েই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছিল।

স্থানীয়দের দাবি,সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।

পরে পুলিশ এসে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আনে।

Share This
Categories
বিবিধ

আগামীকাল ভোট, নেতাজি ইনডোরে ইভিএম বিতরণে হাজারো ভোটকর্মীর ভিড়।।

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আগামীকাল রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। আর এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের ভোট পরিচালনার জন্য উত্তর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে এখন তুঙ্গে প্রশাসনিক তৎপরতা। এই স্টেডিয়ামটি এবার উত্তর কলকাতা (North) জেলার জন্য প্রধান ডি.সি.আর.সি (DCRC) বা ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার অ্যান্ড রিসিভিং সেন্টার হিসেবে কাজ করছে। নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে এবার মোট ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের (ACs) নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এটি মহকুমা সদর দপ্তর বা SDHQ পর্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু। আজকের সকাল থেকেই এখানে কয়েক হাজার ভোটকর্মীর ভিড়। ডি.সি.আর.সি কাউন্টারগুলো থেকে ইভিএম (EVM), ভিভিপ্যাট (VVPAT) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করে বুথের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন পোলিং অফিসাররা। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে এই চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে পুরো স্টেডিয়াম এলাকাকে মুড়ে ফেলা হয়েছে। প্রত্যেক ভোটকর্মীর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে এবং কিউ-আর কোড স্ক্যান করে তবেই সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হচ্ছে। আগামীকাল ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর, এই নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামেই তৈরি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার স্ট্রং রুম। সমস্ত ইভিএম মেশিন সিল করার পর এখানেই জমা নেওয়া হবে। গণনার দিন পর্যন্ত এই কেন্দ্রটিই থাকবে উত্তর কলকাতার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের অভিভাবক। প্রশাসনিক কর্তাদের মতে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামের এই পরিকাঠামো অনস্বীকার্য ভূমিকা পালন করছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, কাল সকাল হতেই মানুষের দেওয়া রায় জমা হবে এই চত্বরেরই সুরক্ষিত ভল্টে।

Share This
Categories
বিবিধ

ভোটের আগের দিন ফলতায় টানটান পরিস্থিতি, তৃণমূলের নিশানায় পুলিশ অবজারভার।

ফলতা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ভোটের একদিন আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হল। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চে নামেন পুলিশ অবজারভার অজয় পাল শর্মা। কিন্তু সেই রুট মার্চ ঘিরেই শুরু হয় বিক্ষোভ, যা মুহূর্তে উত্তপ্ত করে তোলে গোটা এলাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রুট মার্চ চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান তাঁর দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ অবজারভারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ তোলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় অযথা চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে।
জাহাঙ্গীর খানের অভিযোগ, পুলিশ অবজারভার বিজেপির প্রভাবে কাজ করছেন এবং পরিকল্পিতভাবে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এভাবে ভয় দেখিয়ে ভোট প্রভাবিত করা যাবে না। ফলতার মানুষ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এর জবাব দেবেন।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
অন্যদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রুট মার্চ করা হচ্ছে। ভোটের আগে যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
এই ঘটনার জেরে ফলতা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভোটের আগের দিনই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। বাজার এলাকা থেকে গ্রামাঞ্চল—সব জায়গাতেই চাপা উত্তেজনার আবহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাপ্রবাহ নির্বাচনী পরিবেশকে আরও স্পর্শকাতর করে তোলে। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র এখন কার্যত টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে ভোটের প্রহর গুনছে। আগামীকালের ভোটে এই উত্তেজনার কী প্রভাব পড়ে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

Share This
Categories
বিবিধ

ইভিএম নিয়ে ‘চক্রান্তের’ অভিযোগ, বামনগোলায় পুলিশের হাতে মেশিন তুলে দিল গ্রামবাসীরা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ইভিএম মেশিন সহ সেক্টর অফিস থেকে আটকে রেখে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের।
বামনগোলার ব্লকের জিএমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে গুনাই ডাঙ্গা গ্রামে ২৯ নম্বর বুথে, ইভিএম বদলানোর চেষ্টা অভিযোগ গ্রামবাসীদের।স্থানীয়রা জানান সেক্টর অফিসার একটি ইভিএম মেশিন নিয়ে ২৯ নম্বর বুথে যাওয়ার পথে স্থানীয় গ্রাম বাসিরা গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।অভিযোগ সেক্টর অফিসারের কাছে কি করে এই ইভিএম মেশিন আসলো প্ল্যান করে এই ইভিএম মেশিন নিয়ে আসা হয়েছে। গ্রামবাসীরা সেই মেশিন দেখতে চাইলে দায়িত্বের কাছে সেক্টর অফিসার মেশিনটি দেখতে দেবে না বলেছে। তা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ২৯ নম্বর বুথে গ্রামবাসীদের মধ্যে।খবর পেয়ে ছুটে আছেন স্থানীয় নেতা-নেত্রী সহ বিজেপি প্রার্থী জুয়েল মুর্ম।প্রায় এক ঘন্টা ধরে অবরোধ করে রাখে গাড়িসহ ওই সেক্টর অফিসার অবশেষে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওই ইভিএম মেশিনটি। বিজেপির নেতাদের অভিযোগ প্ল্যান করে এই ইভিএম মেশিনটি আনা হয়েছিল।

Share This
Categories
বিবিধ

ভোট শেষে গাড়িতে অতিরিক্ত ইভিএম, হবিবপুরে সন্দেহে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বামনগোলা ব্লকের গোবিন্দ মহেশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোলাডাঙ্গা এলাকার ২৯ নম্বর বুথের ইভিএম মেশিন বদলের অভিযোগকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ালো। একাংশ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নির্বাচন শেষে একটি চার চাকার গাড়িতে করে ওই বুথের দুটি এভিএম মেশিন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সেই গাড়ি থেকেই সন্দেহজনক ভাবে আরও অতিরিক্ত দুটি অব্যবহৃত ইভিএম মেশিন উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ , যে গাড়িটিতে ভোট দানের পর ইভিএম মেশিন তোলা হয়েছিল সেখানে একজন নির্বাচন অফিসার ছাড়া কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী বা অন্য কোনও ভোট কর্মীকে উঠতে দেওয়া হচ্ছিল না। এনিয়েই কিছু গ্রামবাসীরা আপত্তি জানায়। তারপরেই চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হতেই ছুটে আসে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এরপর ঘটনার খবর জেনে ওই এলাকায় পৌঁছায় হবিবপুরের বিজেপি প্রার্থী জুয়েল মুর্মু। সকলের সামনে ভোট দানে ব্যবহৃত দুটি ইভিএম মেশিনের পাশাপাশি আরও অতিরিক্ত দুটি ইভিএম মেশিন উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ওই বুথের কর্তব্যরত এক প্রিজাইডিং অফিসার জানিয়েছেন, এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন । কোনও ইভিএম মেশিন খারাপ হলে তার জন্য রিজার্ভে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ইভিএম রাখতে হয়। সেটাই ওই গাড়িতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু কিছু মানুষ ভুল বুঝে বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

Share This