Categories
বিবিধ

খাবারের খোঁজে সিদাডিহি গ্রামে তাণ্ডব চালালো দাঁতাল হাতি, আতঙ্কিত বাসিন্দারা।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ভোর রাতে খাবারের খোঁজে তাণ্ডব দাঁতাল হাতির,ভাঙলো বাড়ি,খেল ধান,ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের নয়াবসত রেঞ্জের সিদাডিহি গ্রামে, রবিবার বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে এই দিন ভরে খাবারের খোঁজে তান্ডব চালায় একটি দাঁতাল হাতি, এই তান্ডবের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়ির একাংশ, পাশাপাশি খেয়ে নেয় দুই বস্তা ধান, এরপর চিৎকার চেঁচামেচি হতেই জঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ওই দাঁতাল হাতিটি,ইতিমধ্যেই ক্ষতিপূরণের আর্জি জানিয়েছে ঐ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, পাশাপাশি এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে।হসস

Share This
Categories
বিবিধ রিভিউ

কার্তিক পূর্ণিমায় ময়নাগড়ে ৪৬৫ তম রাসযাত্রার মহোৎসব, ধর্মীয় আচার ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন।।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নাগড়ের রাসযাত্রা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ময়নাগরের রাসযাত্রা এই বছর ৪৬৫ বছরে পদার্পণ করেছে |এই রাসযাত্রা ও রাসমেলা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম মেলা হিসেবে পরিচিত | এই মেলার অন্যতম আকর্ষণ হল কার্তিক পূর্ণিমার মধ্যরাতে রাজ পরিবারের কুল দেবতা শ্যামসুন্দর জীউকে নিয়ে রঙিন আলোক সজ্জার নৌবিহার, যা হাজার হাজার মানুষ এই রাসযাত্রা দর্শন করে আনন্দ উপভোগ করে থাকেন |কালিদহ ও মাকড়দহ দিয়ে ঘেরা ধর্মমঙ্গলে লাউসেন রাজপরিবার (বিতর্কীত)খ্যাত গোবর্ধন বাহুবলীন্দ্র ১৫৬১ সালে কালিদহে তীরে কুলদেবতা শ্যামসুন্দর জিউ মন্দিরে প্রথম রাস মেলা সূচনা করেন, সেই থেকে মেলা হয়ে আসছে | বর্তমান বছরে ময়না রাসমেলা কমিটির কার্যকর সভাপতি অশোকানন্দ বাহুবলীন্দ্র ও সাধারণ সম্পাদক স্বরূপানন্দ বাহুবলীন্দ্র জানান ধর্মীয় আচার অনুযায়ী কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের উত্থান একাদশী দিন অর্থাৎ আজ ২রা নভেম্বর থেকে নয় নভেম্বর পর্যন্ত আট দিন ভোর পাঁচটার সময় শ্যামসুন্দর জিও রাজবাড়ীর মূল মন্দির থেকে নৌকা বিহারে কালিদহের লাবণ্যময় জল পরিক্রম করে প্রবেশ করবেন |কেবল পূর্ণিমার দিন অর্থাৎ আগামী 5ই নভেম্বর সন্ধ্যে ছটার সময় রাজবাড়ীর কুল দেবতা শ্যামসুন্দর জিউ নৌকা বিহারে ফিরে যাবেন মূল মন্দিরে, যা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় জমায় ঐদিন |আর ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে রাসমেলার শুভ সূচনা হবে |

Share This
Categories
বিবিধ

রোগীর আত্মীয়দের ক্ষোভ, সিউড়ি হাসপাতালে বারবার চিকিৎসার গাফিলতি ও মৃত্যু ঘটনায় অভিযোগ।

বীরভূম, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- সিউড়ি হাসপাতালে সদ্যোজাত শিশুর মৃত্যুতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়৷ চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ করেন শিশুর বাড়ির লোকজন, আত্মীয় ও বাসিন্দারা৷ হাসপাতাল চত্বরে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়৷ সিউড়ি থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে৷ সিউড়ি বাঁশঝোড় গ্রামের বাসিন্দা শিশুর অভিভাবকদের অভিযোগ, চিকিৎসক তাঁদের গালি গালাজও করেছেন৷ অভিযুক্ত চিকিৎসক এরজন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেন ও ক্ষমা চেয়ে নেন৷ তবে তাঁর দিক থেকে কোনো গাফিলতি চিকিৎসায় করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি৷ উল্লেখ্য, এই নিয়ে বেশ কয়েকবার রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিউড়ি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে৷ রোগীর আত্মীয়দের একাংশ বলেন, বার বার এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও তা থেকে শিক্ষা নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য দপ্তর৷ ফলে রীতি মতো ক্ষোভে ফুঁসছেন অনেকে৷ এবিষয়ে তাঁরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন৷
বীরভূমের সিউড়ি থেকে মহম্মদ সফিউল আলমের রিপোর্ট বঙ্গ এক্সপ্রেস নিউজ

Share This
Categories
বিবিধ

মালদার ক্যান্সার আক্রান্ত সুপ্রিয়ার চিকিৎসার খরচের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য কামনা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী ছাত্রী মারণ ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত! তিলে তিলে ক্রমশ ঢলে পড়ছে মৃত্যুর কোলে। তার বাঁচার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও, বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবারের আর্থিক প্রতিবন্ধকতা। অর্থের অভাবে মিলছে না সুচিকিৎসা। তাই এখন তার একমাত্র শেষ ভরসা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কাছেই সাহায্যের করুণ আর্তি জানিয়েছেন মালদার মানিকচকের কামালপুরের ক্যান্সার আক্রান্ত মেধাবী ছাত্রী সুপ্রিয়া মন্ডল। বর্তমানে সুপ্রিয়ার বয়স ২৫শের কোঠায়। বাবার নাম অজিত কুমার মন্ডল। পেশায় এক সাধারণ দর্জি। মায়ের নাম মাধবী মন্ডল। বাবার সামান্য আয়েই তাদের সংসার চলে। তাই অজিতবাবু তার মেধাবী মেয়ে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে মেয়েকে উচ্চ শিক্ষিত করে তোলেন। এম.এস.সি পাশ করান। কিন্তু তারপরে হঠাৎ করেই তার স্বপ্নভঙ্গ হয়। ডাক্তারি পরীক্ষায় মেয়ের শরীরে মারণ ব্যাধি ক্যান্সার থাবা বসিয়েছে ধরা পড়ে। যা জানতে পেরেই অজিতবাবু এবং তার স্ত্রী দুজনে মিলে মেয়েকে নিয়ে নানান জায়গায় ছোটাছুটি শুরু করেন। বাড়ির ঘটিবাটি বেচে মেয়েকে সুস্থ করার তোলার আপ্রাণ চেষ্টা চালান। কিন্তু সেই চেষ্টায় কাজ হয়নি। মারণ ব্যাধি ক্যান্সার মেধাবী ছাত্রী সুপ্রিয়াকে ক্রমশ মৃত্যুর পথে নিয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিয়াকে সুস্থ করতে তুলতে আরও উন্নততর চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু সেই চিকিৎসা করানো অসহায় পরিবারের পক্ষে সম্ভবপর নয়। কারণ চিকিৎসার খরচ কয়েক লক্ষ টাকা। তাই বাঁচার প্রবল ইচ্ছা নিয়ে সুপ্রিয়া সহ তার পরিবার বিভিন্ন জায়গায় সাহায্যের আর্জি জানান। তাতে যৎসামান্য সাহায্য মিললেও, সেই সাহায্যে সুপ্রিয়ার উন্নততর চিকিৎসা সম্ভবপর নয়। তাই সুপ্রিয়ার এখন একমাত্র এবং শেষ ভরসা রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কাছেই সুপ্রিয়া এবং তার পরিবারবর্গ সাহায্যের করুণ আর্তি জানিয়েছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

বুনিয়াদপুর পুরসভায় নেতৃত্বের পরিবর্তন: রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।

নিজস্ব প্রতিনিধি, বুনিয়াদপুর:- বিধানসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পুরসভার প্রশাসনে এল বড় রদবদল। পুর প্রশাসকের পদ থেকে কমল সরকারকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হল সমীর সরকারকে। পাশাপাশি সহ পুর প্রশাসক পদে নিয়োগ পেলেন টিংকু পাল, যিনি জয়ন্ত কুন্ডুর স্থলাভিষিক্ত হলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শহরের উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে চর্চা।

Share This
Categories
বিবিধ

বিরোধীদের অভিযোগ—‘দুর্নীতি ঢাকতে নীরব প্রশাসন’, তৃণমূল নেতার দাবি ভিত্তিহীন।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- স্কুল শিক্ষকের বেতনের পাশাপাশি পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তুলছেন বেতন তুলছেন। একাধিক সরকারি পদে থেকে একসঙ্গে বেতন তোলার অভিযোগে কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই এনিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, তিনি একদিকে স্থানীয় করঞ্জি সিনিয়র হাই মাদ্রাসায় ক্লার্ক পদে কর্মরত। অন্যদিকে কুশমন্ডি পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ পদেও থেকে প্রতি মাসে দুই দিক থেকেই আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডিতে। পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন বন ও ভূমি সংস্কার কর্মাধ্যক্ষ আশরাফ আলি বলেন বেআইনি ও অনৈতিক বলে অভিহিত করে কলকাতা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেছেন। মামলার শুনানি আগামী ৪ নভেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। আশরাফ আলির অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সরকারি দায়িত্বে থেকে বেতন গ্রহণ করতে পারেন না। অথচ জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে দু’টি পদেই থেকে প্রতি মাসে টাকা তুলছেন।

বিরোধীরা এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও প্রশাসনিক উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন। এই বিষয়ে কুশমন্ডি পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহিন আমি এক জায়গা থেকে বেতন নেই। আর দুই জায়গা থেকে বেতন নেই সেটাআদালতে প্রমাণ করতে হবে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের মধ্যেও অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনার পক্ষে। অন্যদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে আছে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহল।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন সরগরম কুশমণ্ডির রাজনৈতিক মহল।

Share This
Categories
বিবিধ

রসকুন্ডুতে পূজার আনন্দে সহায়তার ছোঁয়া, উপস্থিত একাধিক জনপ্রতিনিধি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের রসকুন্ডু তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালনায় ও পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুমন্ত পালের উদ্যোগে জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষ্যে এলাকায় দুঃস্থ ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং প্রতিবন্ধীদের সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি বস্ত্র বিতরণ করা হলো শনিবার, এই দিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ বস্ত্র বিতরণ শেষে সুমন্ত পাল বলেন, চার দিন ধরে আমরা এই বস্ত্র বিতরণ জারি রেখেছি। প্রয়োজন অনুসারে আমরা সমাজের পাশে আছি আগামী দিনেও বস্ত্র বিতরণ করা হবে।
এই দিন বস্ত্র বিতরণ উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো থেকে শুরু করে জেলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিভা মাইতি, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার, রসকুণ্ডু এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী পুরঞ্জয় দে, ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ রানা, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ দোলন হাজরা কর সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা।

Share This
Categories
বিবিধ

গড়বেতায় রহস্যজনক পায়ের ছাপ ও অজানা জন্তুর খবর, আতঙ্কে গ্রামবাসী।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আবারো অজানা জন্তুর আতঙ্ক ছড়ালো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের তিন নম্বর অঞ্চলের বোস্টমমোড়ের উপরজবা এলাকায়,জানা গিয়েছে শনিবার সকালে জঙ্গলে পাতা ও কাঠ কুড়াতে গিয়েছিল এলাকার বেশ কিছু মহিলা, সেখানেই স্বচক্ষে অজানা জন্তুর দেখতে পায় বলে দাবি করছেন এলাকার মহিলারা,প্রসঙ্গত গতকাল বেশকিছু কৃষির জমিতে অজানা জন্তুর পায়ের ছাপ লক্ষ্য করাতে যথেষ্ট বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকা জুড়ে,এই দিন সকালে ফের অজানা জন্তুর দেখাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো আতঙ্কের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে। ইতিমধ্যেই বনদপ্তরকে জানানো হয়েছে গোটা ঘটনা, পাশাপাশি বনদপ্তরের তরফ থেকে নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

Share This
Categories
বিবিধ

উখলা-বাঘাখুলিয়া জুড়ে আতঙ্ক: এলাকায় ঘোরাফেরা করছে দুটি হাতি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ভোররাতে হাতির তাণ্ডবে ভাঙলো দুটি দোকান, ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড় থানার অন্তর্গত নয়াবসত রেঞ্জের উখলা এলাকায়, শনিবার বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে শুক্রবার রাতে এলাকায় প্রবেশ করেছে দুটি হাতি,শনিবার ভোর নাগাদ আখছাড়া বিটের উখলা এলাকায় দুটি দোকানের তাণ্ডব চালায়, এই তান্ডবের ফলে যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ইতিমধ্যেই ক্ষতিপূরণের আর্জি জানিয়েছে ওই সব ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা, পাশাপাশি হাতি দুটি উখলা ও বাঘাখুলিয়াতে অবস্থান করছি এমনটাই সতর্কতা জানিয়েছে বনদপ্তর।

Share This
Categories
বিবিধ

৩০০ বছরের সাক্ষী বটগাছের বিদায়, গ্রামবাসীদের চোখে জল ও স্মৃতির ভার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ — প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী বটগাছ ভেঙে পড়ল পাকুয়াহাট-গাজোল রাজ্য সড়কে। শনিবার প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় হঠাৎই গাছটি উপড়ে রাস্তায় পড়ে যায়। এর ফলে প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল। এদিন বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ঘটনা সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য ছাড়া এলাকা জুড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে বামনগোলা থানার পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে করাত মেশিনের সাহায্যে গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করেন। পরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় যানবাহন চলাচল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শতাব্দী প্রাচীন এই বটগাছটি এলাকার এক ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। বহু প্রজন্ম ধরে মানুষ এই গাছের তলায় বিশ্রাম নিতেন, মেলা ও গ্রামীণ সভাও হতো এখানে।

সৌভাগ্যবশত কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে ঐতিহাসিক গাছটির পতনে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

Share This