Categories
বিবিধ

আড়াই শতকের ঐতিহ্যের সাক্ষী মহিষাদল, রাজপরিবারের হাত ছুঁয়েই গড়াল ঐতিহাসিক রথ।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মহিষাদল – পূর্ব মেদিনীপুর:- প্রায় আড়াই শতাব্দীর ঐতিহ্যকে বুকে নিয়ে এবছর ২৫০ বছরে পদার্পণ করল পূর্ব মেদিনীপুরের ঐতিহাসিক মহিষাদল রাজবাড়ির রথযাত্রা। আজও অটুট রয়েছে সেই শতাব্দীপ্রাচীন রাজপরম্পরা—রাজ পরিবারের সদস্যদের হাতের স্পর্শ না লাগা পর্যন্ত রথ টানা শুরু হয় না।

বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে পালকিতে চড়ে রথতলায় পৌঁছান মহিষাদল রাজ পরিবারের সদস্যরা। শাস্ত্র ও প্রাচীন রীতি অনুযায়ী তাঁরা রথের দড়িতে শুভস্পর্শ করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ঐতিহাসিক রথযাত্রার মূল পর্ব।

রাজ পরিবারের আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই রথতলায় ভিড় জমান হাজার হাজার ভক্ত ও দর্শনার্থী। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, কীর্তন এবং ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। রাজ পরিবারের সদস্যদের স্পর্শের পরই হাজারো ভক্ত একসঙ্গে রথের দড়ি টেনে শুরু করেন রথযাত্রা।

প্রায় ২৫০ বছরের ইতিহাস বহনকারী এই রথযাত্রায় আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয় রাজপরিবারের এই বিশেষ প্রথা। পালকিতে রাজ পরিবারের আগমন, রথের দড়িতে তাঁদের শুভস্পর্শ এবং তারপর অসংখ্য ভক্তের সম্মিলিত টানে রথের গড়িয়ে চলা—এই ধারাবাহিকতাই মহিষাদল রথযাত্রার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

প্রতি বছরের মতো এবারও রাজ্যের বিভিন্ন জেলা-সহ দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থী এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে মহিষাদলে ভিড় জমান। ধর্মীয় বিশ্বাস, ইতিহাস ও রাজকীয় ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধনে মহিষাদলের রাজবাড়ির রথযাত্রা আজও বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও গৌরবময় রথ উৎসব হিসেবে নিজস্ব মর্যাদা ধরে রেখেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

রথযাত্রার উৎসবে শোকের ছায়া, পুরীতে দমবন্ধ হয়ে এক ভক্তের মৃত্যু।

পুরী, নিজস্ব সংবাদদাতা: বিশ্ববিখ্যাত পুরী রথযাত্রা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল শ্রীক্ষেত্র। রথ টানার মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করতে বড়দণ্ড (বড় রাস্তা)-এ অপেক্ষারত অবস্থায় শ্বাসরোধ (দমবন্ধ) হয়ে এক ভক্তের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন অসুস্থ ও আহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে ওই ভক্ত হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে পুরী জেলা সদর হাসপাতালে (ডিএইচএইচ) নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অসুস্থ ও আহতদের জরুরি পরিষেবার কর্মীরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন।
ঘটনার পর পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন এবং পুরো ঘটনার খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এদিনও ভগবান জগন্নাথ, ভগবান বলভদ্র ও দেবী সুভদ্রার গুণ্ডিচা মন্দির যাত্রা উপলক্ষে লক্ষাধিক ভক্ত পুরীর বড়দণ্ডে সমবেত হয়েছিলেন। প্রবল বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অসংখ্য ভক্তের উপস্থিতিতে রথযাত্রা ছিল জনসমুদ্রে পরিণত।
তবে মৃত ভক্তের পরিচয়, মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং আহতের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মৌলাড়া রাজ্য সড়কে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, এক যুবকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা লরির পিছনে ধাক্কা বাইকের,ঘটনায় মৃত্যু হয় এক যুবকের,আহত হয় দুইজন,বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের মৌলাড়া এলাকার রাজ্য সড়কে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে রথ দেখে তিনজন একটি বাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে দাঁড়িয়ে থাকা লরির পিছনে ধাক্কা মারে। ঘটনায় আহত তিন জনকে উদ্ধার করে গড়বেতা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। অপরদিকে বাকি আহত দুইজনের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ার কারণে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে সেখান থেকে শুক্রবার কলকাতার SSKM হাসপাতালে প্রান্তরিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে মৃত যুবকের নাম শুভদীপ পাল,বয়স আনুমানিক ২৪ বছর, তিনজনের বাড়ি আমলাশুলি এলাকায়। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

সুব্রত কাপের উদ্বোধনে খেলাধুলার প্রসারে জোর, ছাত্রদের শুভেচ্ছা সভাধিপতি বামদেব গুছাইতের।।।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- তমলুক মহকুমা বিভাগীয় সুব্রত কাপের উদ্বোধন হল। তমলুক মহকুমা বিভাগের সুব্রত কাপের উদ্বোধন হল শুক্রবার তমলুক রাখাল মেমোরিয়াল ফুটবল গ্রাউন্ডে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বামদেব গুছাইত। ছিলেন তমলুক পৌরসভার কাউন্সিলর জয় দাস নায়েক, ডাক্তার মৃদুল দে সহ এলাকার বিশিষ্ট খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সমাজসেবীরা।। এই প্রতিযোগিতায় মহকুমার ১৫ টি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে। উদ্বোধনী ভাষণে জেলার সভাধিপতি বলেন এই মহকুমার যে স্কুলগুলি অংশ গ্রহণ করেছে সেই স্কুলের শিক্ষক মন্ডলী থেকে শুরু করে অংশ গ্রহণকারী খেলোয়াড়দের অভিনন্দন। রাজ্য সরকার যেভাবে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে খেলাধুলার ক্ষেত্রে তাকে মর্যাদা দিতে হবে। খেলাধুলার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দিয়েছে, সেই গুরুত্বকে রক্ষা করার দায়িত্ব খেলার মধ্যেই রাখতে বলে জানান সভাধিপতি।

Share This
Categories
বিবিধ

NEET-এ বাজিমাত পাঁশকুড়ার প্রান্তিক, ৬৩৪ নম্বরে অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ৩০০০।

 

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়ার দক্ষিণ মেচোগ্রামের কৃতী ছাত্র প্রান্তিক মন্ডল এবারের NEET পরীক্ষায় ৬৩৪ নম্বর পেয়ে অল ইন্ডিয়া রেঙ্ক ৩০০০ অর্জন করে নজির গড়েছেন। তাঁর এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকায়। প্রান্তিকের বাবা তপন মন্ডল পেশায় একজন গৃহশিক্ষক এবং মা হাউস ওয়াইফ। ছোটবেলা থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বাবার কাছেই পড়াশোনা। ২০২১ সালে মেচোগ্রাম বিবেকানন্দ মিশন হাই স্কুল থেকে ৯৪ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক এবং ২০২৩ সালে ৮০ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন তিনি।
উচ্চমাধ্যমিকের পর রাজস্থানের Allen Coaching Institute-এ অফলাইন ও অনলাইন—দুই মাধ্যমেই প্রায় দুই বছর কঠোর প্রস্তুতি নেন। সেই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ এবারের NEET পরীক্ষায় ৬৩৪ নম্বর পেয়ে অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ৩০০০ অর্জন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি গানবাজনাতেও সমান দক্ষ প্রান্তিক। ভবিষ্যতে একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করাই তাঁর স্বপ্ন।

Share This
Categories
বিবিধ

বাস ও লরির সংঘর্ষে রক্তাক্ত ফালাকাটা, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি।

আলিপুরদুয়ার,নিজস্ব সংবাদদাতা:- ফালাকাটার ভুটানির ঘাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভয়ংকর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। শুক্রবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ একটি বেসরকারি যাত্রীবাহী বাস ও একটি লরির ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার অভিঘাতে বাসের একাধিক যাত্রী আহত হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফালাকাটা থানার পুলিশ। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আহতদের চিকিৎসা চলছে।

Share This
Categories
বিবিধ

জটেশ্বরে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগমে মুখর শিবমন্দির প্রাঙ্গণ।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রতি বছরের মতো এবছরও রথযাত্রা উৎসবে মেতে উঠেছে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জটেশ্বর শিব মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনে শুরু হয় জগন্নাথদেবের শুভ রথযাত্রা উৎসব। জানা গিয়েছে, ওই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে জটেশ্বর বাজার এলাকায় বসে একদিনের রথের মেলা। বিভিন্ন ধরনের দোকান, খেলনা, মিষ্টি ও খাবারের স্টল ঘিরে উৎসবের আবহে মেতে ওঠেন সাধারণ মানুষ। ফালাকাটা ব্লকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী রথের দড়ি টানতে জটেশ্বরে ভিড় জমান। এদিকে রথযাত্রাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

জমি বিক্রি করে রথ নির্মাণ, দুই শতাব্দী পর আবার জাগছে সেই ঐতিহ্যের রথ।

মথুরাপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- জায়গা জমি বেচে রথ তৈরি করতে গিয়ে সন্দেহের চোখে পড়েছিলেন ইংরেজদের। দেশে তখন স্বদেশী আন্দোলনের জোয়ার।হঠাৎ একজন গ্রামের লোক এত টাকা নিয়ে কলকাতায় কেন সেই সন্দেহে আটক করে ইংরেজ পুলিশ। তাঁর নাম সাধন বৈরাগি। কিন্তু সাধন ও নাছোড়বান্দা তিনি রথ করবেন। এরপর ইংরেজদের পুলিশ তাকে নিয়ে আসে গ্রামে। গ্রামে এসে আসল ঘটনা জেনে ছেড়ে দেয় পুলিশ। তারপর রথ তৈরি করে গ্রামে রথযাত্রা শুরু করেন‌ মথুরাপুরের বটীশ্বরে। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই রথ নষ্ট হয়ে যায়। থেকে যায় সেই রথের চাকা। ক্রমে রথবিহীন রথতলার নাম থেকে যায়। প্রায় ২০০ বছর পর ফের গ্রামের মানুষজন সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নতুন করে রথ তৈরি করছেন। গ্রামবাসীরা কাজে হাত লাগিয়েছেন। এবছর আবার শুরু হবে সেই রথ।

Share This
Categories
বিবিধ

ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়— গ্রামীণ নারী শিক্ষায় দৃষ্টান্ত গড়ল চন্দ্রকোনা রোড বালিকা বিদ্যালয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা রোড :- উন্নয়নের জন্য সবসময় কোনো বিশেষ উন্নয়ন সংক্রান্ত আধিকারিক বা বিশালাকার ফান্ডের প্রয়োজন হয় না, আন্তরিক “ইচ্ছা থাকলে যে উপায় হয়”— তা আরও একবার হাতে-কলমে প্রমাণ করে দেখাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনা রোড বালিকা বিদ্যালয়। উপযুক্ত পরিকাঠামো এবং সচেতনতার অভাবে একটা সময় যেখানে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠন-পাঠন প্রায় বন্ধের মুখে ছিল, আজ সেখানেই বইছে পরিবর্তনের হাওয়া।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা ও শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বদলে গেছে সম্পূর্ণ চিত্রটি। ছাত্রীদের স্কুলমুখী করতে এবং উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি বাড়াতে শিক্ষকেরা নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলেন। অভিভাবকদের বোঝানোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টার সুফলও মিলেছে হাতেনাতে। গত বছর যেখানে একাদশ শ্রেণীতে মাত্র ৩ জন ছাত্রী ভর্তি হয়েছিল, সেখানে চলতি শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান বিভাগে ১২ জন এবং কলা বিভাগে ২৫ জনসহ মোট ৩৭ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ৬৮০ জন পড়ুয়ার এই বিদ্যালয়ে এই সাফল্য শিক্ষকদের উদ্দীপনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য ল্যাবরেটরির প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছিল। সেই চাহিদা পূরণ করে আজ বিদ্যালয়ে পথ চলা শুরু করল আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবের। শালবনী বিধানসভার বিধায়ক বিমান মাহাতো ফিতে কেটে এই ল্যাবের শুভ উদ্বোধন করেন। নতুন ল্যাব পেয়ে খুশি ছাত্রীরাও। সদিচ্ছার জোরে গড়ে ওঠা এই পরিকাঠামো গ্রামীণ নারী শিক্ষায় এক নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

Share This
Categories
বিবিধ

ফাটল ধরা দেওয়াল, খসে পড়ছে ছাদ—দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কিত ছাত্রী ও শিক্ষকরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা রোড :- যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। ভাঙা ছাদ, ফাটল ধরা দেওয়াল আর অনবরত খসে পড়া চাঙড়ের আতঙ্ক নিয়েই ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে চন্দ্রকোনা রোড বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ থেকে জল চুঁইয়ে পড়ে ক্লাসরুমে। ফলে বই-খাতা বাঁচিয়ে কোনোমতে এক কোণে জড়ো হয়েই কাটছে তাদের শিক্ষাজীবন। স্কুলের এই জরাজীর্ণ পরিকাঠামো ছাত্রীদের সুরক্ষাকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

​স্কুলের এই চরম অব্যবস্থা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা দপ্তরের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ জমছে এলাকায়। বিদ্যালয় থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই রয়েছে উন্নয়ন সংক্রান্ত বোর্ড লাগানো একাধিক আধিকারিকের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত অফিস। অথচ, এলাকায় উন্নয়ন তদারকির জন্য এত উচ্চপদস্থ আধিকারিক থাকা সত্ত্বেও কেন বছরের পর বছর ঝুলে রয়েছে স্কুলের সংস্কার? সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার অভাবেই কি আজ এই ঐতিহ্যবাহী বালিকা বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ধ্বংসের মুখে—সেই প্রশ্নই এখন সর্বত্র।

​অভিভাবকদের দাবি, অবিলম্বে স্কুলের ছাদ মেরামত ও নিরাপদ ভবনের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশাসন দ্রুত সদর্থক পদক্ষেপ না করলে আগামীদিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।

Share This