Categories
বিবিধ

বন্ধের পর ফের চালু ১০০ দিনের কাজ, শালবনিতে স্বস্তির হাওয়া।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ব্লকে ফের শুরু হল মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পের (১০০ দিনের কাজ) কাজ। বৃহস্পতিবার শালবনির সাতপাটি অঞ্চলের শঙ্কর বাঁধ এলাকায় নতুন পুকুর নির্মাণের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। দীর্ঘদিন পর কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ও আনন্দের আবহ দেখা যায় শ্রমিক মহলে।, শঙ্কর বাঁধে নতুন পুকুর নির্মাণের এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৭ টাকা। প্রকল্পে যুক্ত প্রত্যেক শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ২৬০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই কাজের মাধ্যমে মোট ৭১৭৩টি শ্রমদিবস তৈরি হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় বহু গ্রামীণ শ্রমিকের হাতে কাজ ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
এদিন একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের কাজের সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং এলাকার বহু বাসিন্দা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে কৃষিনির্ভর ও শ্রমনির্ভর পরিবারগুলির কাছে এই কাজ নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই ১০০ দিনের কাজ বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিক সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। রাজ্য ও কেন্দ্রের টানাপোড়েন, বরাদ্দ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ কার্যত থমকে ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এর জেরে গ্রামীণ এলাকায় বহু পরিবার নিয়মিত আয়ের উৎস হারিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে ফের এই প্রকল্প চালু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া বইছে শ্রমিকদের মধ্যে।
স্থানীয় শ্রমিকদের কথায়, দীর্ঘদিন ধরে কাজ না থাকায় সংসার চালাতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। কেউ কেউ অন্যত্র কাজের খোঁজে যেতে বাধ্য হন, আবার কেউ ধারদেনা করে দিন কাটিয়েছেন। এখন ফের কাজ শুরু হওয়ায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। তাঁদের আশা, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু অস্থায়ী কর্মসংস্থানই নয়, গ্রামে জলসংরক্ষণ ও পরিবেশগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এবার শুধু ১০০ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না কর্মসংস্থানের সুযোগ। ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে শ্রমিকরা ১২৫ দিনের কাজ পাবেন বলেও জানানো হয়েছে। ফলে গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের জন্য আরও বেশি কর্মদিবস এবং আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই আশাবাদী শালবনি ব্লকের শ্রমিকরা।
শালবনির সাতপাটি অঞ্চলে শঙ্কর বাঁধে নতুন পুকুর নির্মাণ প্রকল্প শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন বহু মানুষের হাতে কাজ ফিরছে, অন্যদিকে তেমনই গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন, জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সম্পদ সৃষ্টির দিক থেকেও এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর ১০০ দিনের কাজ ফের শুরু হওয়ায় শালবনির গ্রামীণ জীবনে নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছ

Share This
Categories
বিবিধ

১৭ জন মহিলা-সহ ১১৭ রক্তদাতা, চন্দ্রকোনারোডে সিপিএমের মানবিক উদ্যোগ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গ্রীষ্মকালীন রক্তের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে এবং মুমূর্ষ রোগীদের সাহায্যার্থে বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোডে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলো CPI(M),এই দিন চন্দ্রকোনারোড দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গনে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই দিন এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন দাপুটে CPI(M) নেতা সুশান্ত ঘোষ,অরবিন্দ ব্যানার্জি,সনৎ চক্রবর্তী, নীলাঞ্জন ব্যানার্জি সহ অন্যান্য CPI(M) নেতৃত্ব। এই দিন বেলা ১১ টা থেকে শুরু হয় এই রক্তদান শিবিরের। জানা গিয়েছে এই রক্তদান শিবিরের ১৭ জন মহিলা সহ ১১৭ রক্তদাতা রক্তদান করেন বলে দলীয় তরফে জানানো হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মুমূর্ষ রোগীদের পাশে দাঁড়াতে চন্দ্রকোনারোডে রক্তদান শিবিরের আয়োজন।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ব্লাড ব্যাংকের রক্তের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে এবং মুমূর্ষ রোগীদের সাহায্যার্থে বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহরে চন্দ্রকোনারোড জোন রাষ্ট্রীয় আলু বীজ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস কক্ষ উদ্বোধনের পাশাপাশি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। জানা গিয়েছে এই রক্তদান শিবিরে ৫৩ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক সঞ্জীব ওঝা,সভাপতি বিদ্যুৎ প্রামানিক, সৌমেন হাজরা, স্বদীপ ভকত, নিখিলেশ শর্মা,অরিজিৎ সিং সহ অন্যান্য সমিতির সদস্যরা। এছাড়াও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ধীমান কোলে,গৌতম কৌড়ি, পলাশ সেন,সুশান্ত কারক সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

Share This
Categories
বিবিধ

পুরাতন মালদায় রাতের দুর্ঘটনা, বাইক-টোটো মিলিয়ে আহত ৮ জন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দুটি মোটর বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হলেন টোটোর ছয় জন যাত্রী lরেহাই পেলেন না দুজন মোটর বাইক চালক।ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ পুরাতন মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতমাইল সংলগ্ন এলাকায।জানাযায় মঙ্গলবার রাত্রে দুই বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক বাইক ছিটকে গিয়ে ধাক্কা মারে পথ চলতি এক টোটো তে।টোটো তে থাকা ৬ জন যাত্রী ও আহত হয়েছেন । জানাযায় একজন বাইক চালকের নাম সুজিত টুডু,পিতা মিকাই টুডু বাড়ি ইংরেজবাজার থানার বিশ্বনাথ মোড় এক নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় |দ্বিতীয় বাইক চালকের নাম অরিত্র শিল,বয়স ২৬ বছর । পিতা অসীম শীল । বাড়ি হবিপুর থানার রিসিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোড়ামারী এলাকায় |আহতদের তৎক্ষণাৎ মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মালদা থানার পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

নামখানা-কাকদ্বীপ-রায়দিঘি থেকে ডায়মন্ড হারবারে ইলিশের জোয়ার।

উত্তর ২৪ পরগণা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- অবশেষে সপ্তাহের শেষে ইলিশ আসল বাজারে। ইলিশগুলি বেশ বড় সাইজের। প্রায় ১০০ টনের মত ইলিশ বাজারে চলে আসায় খুশি ইলিশপ্রেমীরা। ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্রবাজারের মাধ্যমে এই ইলিশ ছড়িয়ে পড়বে রাজ্যজুড়ে।

মরশুমের প্রথম থেকেই জালে ইলিশ আসায় খুশি মৎস্যজীবীরা। এ নিয়ে মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে অলোক হালদার জানিয়েছেন, “জালে ইলিশ ভাল পরিমাণে আসছে। নামখানা, কাকদ্বীপ, রায়দিঘি সমস্ত জায়গা থেকে ডায়মন্ড হারবারে প্রায় ১০০ টনের উপর ইলিশ গিয়েছে। এবছর ইলিশ নিয়ে আশাবাদী তাঁরা।

এই অল্প সময়ের মধ্যে যে পরিমাণ ইলিশ এসেছে, তা দেখে মৎস্যজীবীরা জানাচ্ছেন এরপরের ট্রিপে ইলিশ ছেয়ে যাবে বাজারে।

Share This
Categories
বিবিধ

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট।

বামনহাট, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বামনহাটের অদূরে পাথরসন এলাকায় শনিবার ভোরে রেললাইনের পাশ থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আহত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ বর্মন (প্রায় ৩০)। তিনি বামনহাট দক্ষিণ লাউচাপড়ার হরিটপাট এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম পয়াতু বর্মন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ পাথরসন এলাকায় রেললাইনের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় বিশ্বজিৎকে। প্রতিদিনের মতো এদিনও সকাল ৫টার দিকে বামনহাট থেকে শিলিগুড়িগামী একটি ডিএমইউ (DMU) প্যাসেঞ্জার ট্রেন রওনা দেয়। ট্রেনটি এলাকা অতিক্রম করার কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করেন।

ঘটনার পরপরই এলাকাবাসীর তৎপরতায় তাঁকে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে খাবার খাওয়ার পর বিশ্বজিৎ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি বাড়িতে ফিরেছিলেন কি না, সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত নন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তিনি কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি বা চিকিৎসাগত নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।

প্রাথমিকভাবে এলাকায় আত্মহত্যার চেষ্টার জল্পনা ছড়ালেও, এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণে ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনায় বিশ্বজিতের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

শীতলকুচিতে আবাসের টাকা ফেরত, রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক।।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শীতলকুচি অঞ্চলের কার্য্যীর দিঘি এলাকায় আবাস যোজনার টাকা ফেরত পাওয়াকে কেন্দ্র করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য শরৎচন্দ্র বর্মন গ্রামবাসীদের ডেকে নিজের হাতে টাকা ফেরত দেন।

জানা যায়, শীতলকুচির ২৩৫ নম্বর বুথে ৪২টি আবাস যোজনার ঘর বরাদ্দ হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। এদিন ২০ জন উপভোক্তাকে দুই হাজার টাকা করে ফেরত দেওয়া হয় এবং বাকি ২২ জনকে পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

টাকা হাতে পেয়ে খুশি গ্রামবাসীরা জানান, তাঁদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমানে দুই হাজার টাকা করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য শরৎচন্দ্র বর্মন জানান, এই টাকা তিনি একা নেননি, বুথ কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও নিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচির খরচের জন্য এই টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে তিনি নিজের ব্যক্তিগত অর্থ থেকেই গ্রামবাসীদের টাকা ফেরত দিচ্ছেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীতলকুচির রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

Share This
Categories
বিবিধ

আসামের নম্বরযুক্ত গাড়ির দাপাদাপি, পিছনে ঝুলন্ত টলকর্মীকে বাঁচালেন বাবলু।

ইসলামপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ইসলামপুরের এক যুবকের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন একটি টলপ্লাজার কর্মী। অভিযোগ, আসামের নম্বরযুক্ত একটি ছোট গাড়ির চালক একের পর এক লরিকে ওভারটেক করতে করতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত গাড়ির পিছনের অংশে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই কর্মীকে নিয়ে ছুটে যায়। গোটা ঘটনাটি নিজের ক্যামেরায় রেকর্ড করেন ইসলামপুর শহরের বাসিন্দা মহম্মদ বাবলু।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে মহম্মদ বাবলু এক রোগীকে নিয়ে ইসলামপুর থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ঘোষপুকুর টলপ্লাজায় আসামের নম্বরযুক্ত একটি গাড়ির চালকের সঙ্গে টলকর্মীদের বচসা হয়। কিছুক্ষণ পর বাবলু লক্ষ্য করেন, টলপ্লাজা থেকে কিছুটা দূরে ওই গাড়ির পিছনের দরজায় এক ব্যক্তি ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তিনি নিজের গাড়ি দিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার ধাওয়া করেন এবং শেষ পর্যন্ত গাড়িটিকে থামাতে সক্ষম হন। এরপর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা টলকর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। খবর দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির চালকসহ গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বেড়াতে নিয়ে গিয়ে খুন! বকখালির জঙ্গলে বালি খুঁড়ে উদ্ধার মহিলার দেহ।

বকখালি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দীর্ঘ ২৩ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে পর্যটন কেন্দ্র বকখালির হেনরিজ আইল্যান্ডের গভীর জঙ্গল থেকে উদ্ধার হলো নিখোঁজ মহিলার পচাগলা মৃতদেহ। খুনের পর প্রমাণ লোপাট করতে গভীর জঙ্গলে বালি চাপা দিয়ে দেহটি পুঁতে রাখার চেষ্টা করেছিল অভিযুক্ত । শুক্রবার দুপুরে জয়নগরের বকুলতলা থানা এবং স্থানীয় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বকখালীর হেনরিজ আইল্যান্ডের জঙ্গল থেকে রাবিয়া ফকির(৩৪)নামের ওই মহিলার দেহটি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জিয়ারুল সরদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবারের নজর এড়িয়ে বকুলতলা থানা এলাকার বাসিন্দা রাবিয়া ফকিরকে সঙ্গে নিয়ে এলাকারই যুবক জিয়ারুল সরদার বকখালীতে বেড়াতে এসেছিল। এরপর থেকে ওই মহিলার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।গত ২৬শে মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন রাবিয়া। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর রাবিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে অবশেষে বকুলতলা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে ১৮ই জুন বৃহস্পতিবার পুলিশ অভিযুক্ত জিয়ারুল সরদারকে গ্রেফতার করে। পুলিশের ম্যারাথন জেরার মুখে ভেঙে পড়ে পেশায় ড্রাইভার জিয়ারুল স্বীকার করে যে, গত ২৬শে মে সে রাবিয়াকে ফুঁসলিয়ে বকখালিতে বেড়াতে নিয়ে আসে। সেখানেই সুযোগ বুঝে হেনরিজ আইল্যান্ডের গভীর জঙ্গলে রাবিয়াকে মেরে ফেলার পর বালি চাপা দিয়ে চলে যায় সে।
শুক্রবার দুপুরে ধৃত জিয়ারুলকে সাথে নিয়ে বকখালির হেনরিজ আইল্যান্ডের জঙ্গলে পৌঁছায় বকুলতলা ও ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ। সেখানে জিয়ারুলের দেখিয়ে দেওয়া নির্দিষ্ট জায়গা খুঁড়তেই বালির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে রাবিয়ার শরীরের অংশ। তার কিছুটা দূরে বালির উপর পড়েছিল রাবিয়া ফকিরের পচাগলা দেহ। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা এবং কেন রাবিয়াকে খুন করা হলো তা নিয়ে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

৫০-৬০ জন দুষ্কৃতীর হামলার অভিযোগ, আগুনে ভস্মীভূত প্রাক্তন প্রধানের বাড়ি।

পুটিমারি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রফিকুল হকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শুক্রবার গভীর রাতে একদল দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় বাড়ির পাঁচটি ঘর এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র, পোশাক-আশাক ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বেশ কয়েকটি মোটরবাইকে করে ৫০ থেকে ৬০ জন মুখোশধারী দুষ্কৃতী রফিকুল হকের বাড়ির কাছে আসে। অভিযোগ, তারা প্রথমে বাড়ির পাশের ট্রান্সমিটার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। চারিদিকে অন্ধকার নেমে আসার পর পরপর দুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বোমার বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে তাঁরা প্রাণভয়ে বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যান। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা ছোট ছোট প্লাস্টিকের প্যাকেটে করে পেট্রোল এনে বাড়ির বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের এক সদস্য জানান, “হঠাৎ বাড়ির সামনে বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আমরা প্রাণভয়ে বেরিয়ে যাই। এরপর পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে ঘরের ভেতর থেকে কোনও জিনিসপত্রই বের করতে পারিনি।”
ঘটনায় বাড়ির পাঁচটি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। পাশাপাশি ঘরে থাকা আসবাবপত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
তবে কারা বা কী উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ধারণা নেই বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা

Share This