Categories
বিবিধ

সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে মারধর ও হুমকি — আলিপুরদুয়ারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের ঝড়।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে খোদ পুলিশের কাছে আক্রান্ত বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। স্ত্রী কন্যার সামনেই সাংবাদিককে মহিলা পুলিশ কর্মী মারধর করেন বলে অভিযোগ। এমনকি সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করলে সাংবাদিকের স্ত্রীকেও জেলে ভরার হুমকি দেন অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা পুলিশ কর্মীর নাম কৃষ্ণা বর্মন। বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ আলিপুরদুয়ার জংশন NF Railway Builders Association এর কালিপূজোর ময়দানের এক প্রান্তে সংগীতানুষ্ঠান চলাকালীন গন্ডগোল শুরু হয় দুই দল যুবদের মধ্যে ।এরপর সাংবাদিক অরিন্দম সেন সেই খবরের ভিডিও রেকর্ড করতে গেলে ওই মহিলা পুলিশ কর্মীর রোষের মুখে পড়ে। প্রথমে তার মোবাইল ছিনিয়ে নেন ওই মহিলা পুলিশ কর্মী। এরপরে সাংবাদিক তার গলায় ঝোলানো পরিচয়পত্র দেখিয়ে আর্জি জানান মোবাইল ফিরিয়ে দিতে। কিন্তু উলটে সাংবাদিক-কে সপাটে চর কষান মহিলা পুলিশ কর্মী। এমন দৃশ্যে হতবাক উপস্থিত সকলে। এরপর স্থানীয় সহ তার পরিবার প্রতিবাদে সোচ্চার হলে ওই মহিলা পুলিশ কর্মী -সাংবাদিকের স্ত্রীর হাত টেনে তাকে থানায় ঢুকিয়ে দেবার হুমকি দেন। উত্তেজনার সৃষ্টি হলে অন্যান্ন পুলিশকর্তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। পুলিশের অন্যান্য আধিকারিকের আর্জিতেও নিজের অন্যায় স্বিকার করতে নারাজ অভিযুক্ত ওই কৃষ্ণা বর্মন। এদিকে আক্রান্ত বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক আলিপুরদুয়ার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে জেলা পুলিশের তরফে অভিযুক্ত মহিলা পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল এনকয়ারি শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

অসম-বাংলার সংহতির বার্তা — জলঢাকা নদী সংলগ্ন দুর্গতদের হাতে ত্রাণ তুলে বিজেপির সহায়তা।

জলপাইগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- অসমের হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সরকারের পাঠানো ত্রাণসামগ্রী এবার জলপাইগুড়ির বন্যা কবলিত মানুষের কাছে পৌঁছে দিল বিজেপি। ধূপগুড়ি ব্লকের জলঢাকা নদী সংলগ্ন এলাকার দুর্গতদের হাতে সেই ত্রাণ তুলে দিলেন জেলা বিজেপির নেতা-কর্মীরা।
দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছিল যে বন্যাদুর্গতরা সরকারি সাহায্য পাচ্ছেন না। একইসাথে, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ত্রাণ দিলেও সরকারি নজরদারির অভাব ছিল বলে অভিযোগ করা হয়। শুধু তাই নয়, ত্রাণ বিতরণে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তুলেছিলেন স্থানীয়রা। এই পরিস্থিতিতে অসম সরকার কন্টেনারে করে ত্রাণসামগ্রী পাঠায়। ধূপগুড়ি টাউন ও গ্রামীণ বিজেপি’র তরফে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এলাকার একাধিক উচ্চপদস্থ বিজেপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির দাবি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা বন্যাদুর্গতদের পাশে থাকবে।

Share This
Categories
বিবিধ

‘আর পারছি না বাঁচতে’ — সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতী বালুরঘাটের উৎপল হালদার।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বন্ধুর সাথে স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক জানতে পেরে সুসাইড নোট লেখে অভিমানে আত্মঘাতী এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের খিদিরপুর হালদারপাড়া এলাকায়। মৃতের নাম উৎপল হালদার (২২)। জানা গেছে বছর বছর চারে আগে উৎপল হালদারের বিয়ে হয়। এরপরে তার স্ত্রী উৎপল বাবুর বন্ধুর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় উৎপল বাবুর স্ত্রী কয়েকদিন আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। ঘটনায় ভেঙে পড়ে উৎপল বাবু। গতকাল রাত্রি সোয়া নটা নাগাদ সুইসাইড নোট লিখে উৎপল বাবু নিজের ঘরেই কলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন। বিষয়টি তার পরিবারের লোকেরা দেখতে পেয়ে বালুরঘাট থানার পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট পুলিশ মর্গে পাঠায়। ঘটনায় উৎপল বাবুর পরিবার থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।।

Share This
Categories
বিবিধ

জীবনের লড়াইয়ের মাঝে ভালোবাসার উৎসব — প্রতিবন্ধী রমার ভাইফোঁটা উদযাপন করল দক্ষিণ দিনাজপুর।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বোনের প্রতি ভাইয়ের ভালোবাসার অনন্য উদাহরণ হল ভাই ফোঁটা। আর এই ভাইফোঁটায় শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে কোন বাধা হতে পারে না তার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল রমা ভৌমিক চ্যাটার্জি। ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এক দুর্ঘটনায় বছর চল্লিশের গৃহবধূ রমার কোমর থেকে পা পর্যন্ত অসাড়। চলাফেরার সঙ্গী বলতে হুইল চেয়ার। কিন্তু তাতে কি হয়েছে। অদম্য জেদ আর ইচ্ছা শক্তির জেরে বালুরঘাটে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রায় ৬২ কিলোমিটার দূরে গঙ্গারামপুর সাব ডিভিশনের ঠ্যাঙ্গাপাড়াতে অটোতে করে বৃহস্পতিবার সকাল আটটার সময় স্বামী শিব শংকর চ্যাটার্জী ও একমাত্র মেয়ে রূপমাকে নিয়ে বাপের বাড়ি গিয়ে তার পাঁচ ভাইকে ভাইফোঁটা দিলেন। এত শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে নিয়ে এতদূর প্রায় ৬২ কিলোমিটার ঠ্যাঙ্গাপাড়াতে গিয়ে ভাইফোঁটা দিয়ে কেমন লাগলো জিজ্ঞেস করতে চোখ জলে ভরে ওঠে রমার। বললেন, “এই দিনটা আমার কাছে ভীষণ বিশেষ একটি দিন। আমরা পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন। প্রত্যেক বছর এই দিনটিতে আমি বাপের বাড়ি গিয়ে ভাইদের ভাই ফোঁটা দি। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভাইদের জন্য নিজের সাধ্যমত উপহার নিয়ে গেছি। পরিবারের সবার সঙ্গে এক হতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে।”
২০০৮ সালে বিয়ে হয়ে রমা বালুরঘাটে আসেন। আর্থিক সমস্যা ছিল নিত্যসঙ্গী। স্বামী সামান্য জজমানি করেন এবং টুকটাক সংবাদ পরিবেশনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিয়ের পর থেকে আর্থিক অনটনকে নিত্য সঙ্গী করে তাদের দিন চলছিল। কিন্তু সবকিছু ওলট-পালট হয়ে যায় ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। ঐদিন বালুরঘাটের বাড়িতে ছাদে উঠে ঠাকুর পূজা করার জন্য পা পিছলে ছাদ থেকে পড়ে যান রমা। কিছুক্ষণের জন্য অজ্ঞান হয়ে যান। তারপর বাড়ির লোকজন ধরাধরি করে প্রথমে তাকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল তারপর মালদা এবং কলকাতাতে অস্থি বিশেষজ্ঞর দ্বারা তার চিকিৎসা হয়। কষ্ট করে তার স্বামী তাকে ব্যাঙ্গালোরেও চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে গেছিলেন। সব জায়গার চিকিৎসকেরা তাকে একই কথা বলে যে তিনি আর কোনদিনই উঠে দাঁড়াতে পারবেন না। কারণ তার মেরুদন্ডের হাড় টুকরো টুকরো হয়ে যায় এবং মেরুদন্ডের সঙ্গে যে নার্ভের সাহায্যে হাঁটাচলা করা হয় সেই নার্ভ পেঁচিয়ে জড়িয়ে গেছে। অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতিতে তার অপারেশন করেন কলকাতার এস এস কে এম হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ। তারপর থেকেই বিছানায় শয্যাশায়ী রমা। দীর্ঘদিন ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে বিছানা থেকে কোন রকমে উঠে বসতে পেরেছেন। সাফল্য বলতে ব্যাস ওইটুকুই। তারপর থেকেই সঙ্গী হলো হুইল চেয়ার। স্নান বা নিত্য প্রয়োজনীয় কাজকর্মের জন্য স্বামীর উপর নির্ভরশীল রমা। কিন্তু হার না মানা লড়াইয়ের জেরে তিনি এখন রান্না এবং সেলাইয়ের কাজ করছেন। স্বামী এবং মেয়ে কিভাবে তাকে সহযোগিতা করছেন বলতে গিয়ে রমা বলেন, “আমার স্বামী এবং মেয়ের উপর আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। ওরা না থাকলে আমি এখন যে অবস্থায় আছি সেই অবস্থায় আসতে পারতাম না। ওদের কথাতেই আজকে আমি বাপের বাড়িতে গিয়ে ভাইদের ভাই ফোঁটা দিলাম।”
সংসার চালাতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না, জিজ্ঞেস করাতে রমা বললেন, “অসুবিধা তো হচ্ছেই। আমার স্বামীর আয় সামান্য। তাই আমি মেয়ে এবং মহিলাদের বিভিন্ন পোশাক তৈরি করে কোন রকমের সংসার করছি। মেয়ে দশম শ্রেণীতে বালুরঘাট গার্লস স্কুলে পড়ে। ওই এখন আমার স্বপ্ন। আমি কৃতজ্ঞ আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। রাজ্য সরকার থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা ১০০০ টাকা পাই। তাছাড়া লক্ষীর ভান্ডার থেকে আরও ১০০০ টাকা পাই। এই টাকা আমার সংসারে কাজে লাগে। বিভিন্ন রকমের ওষুধপত্র এবং মাঝে মাঝে ফিজিওথেরাপি করার জন্য যে টাকা লাগে তার সংস্থান এখান থেকেই হয়। স্বামীর পাশে আমি সব সময় আমার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আছি।”
স্বামী শিব শংকর চ্যাটার্জি বলেন, “প্রতিবারই ভাই ফোঁটার সময় আমি ওকে নিয়ে আমার শ্বশুরবাড়ি ঠ্যাঙ্গাপাড়াতে যাই। ওর ভাই ফোঁটা আমি থাকতে কখনো বন্ধ হতে দেব না। রমার অটোতে উঠতে বা নামতে ভীষণ কষ্ট হয়। হুইল চেয়ারে করে ধরাধরি করে ওকে অটোতে ওঠাতে হয়। আবার সেখান থেকে নামাতে হয়। হুইল চেয়ারে বসেই ও ভাইদের ভাই ফোঁটা দেয়। ওকে এরকম অবস্থায় দেখে আমি আমার নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারি না। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি ও যেন ভালো থাকে, সুস্থ থাকে।”
ভাই ফোঁটার দিন, বোন রমা কে পেয়ে দাদা সমীরন ভৌমিক উচ্ছ্বসিত। চোখে জল ধরে রাখতে পারেন না, যখন অটো এসে বাড়ির সামনে থামল। তখন সমীরন ই গিয়ে তার বোনকে অটো থেকে নামিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শুরু হয় ভাই ফোঁটা। শঙ্খ, উলুধ্বনি এবং মিষ্টি সহযোগে ধান দুর্বার আশীর্বাদে ভাইফোঁটা সম্পন্ন হয়। দুপুরে খাওয়া দাওয়া হয় বেশ জমিয়ে।
সমীরন বলেন, “আমার বোনের মতো যারা এরকম শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় ভুগছে আমার বোন তাদের কাছে একটা আদর্শ উদাহরণ। ভালো থাকার অদম্য ইচ্ছা শক্তির দ্বারা সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে যে জয় করা যায় তা রমা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। আমি গর্বিত আমার বোনের জন্য। ও ভালো থাকুক এই আশীর্বাদ করলাম আজ ভাই ফোঁটা তে। প্রতি বছরই এই বিশেষ দিন ফিরে ফিরে আসুক ভাই এবং বোনেদের জীবনে।”
দিনটা ভালোভাবে কাটিয়ে রমা আবার তার স্বামী এবং মেয়েকে নিয়ে সন্ধ্যায় বালুরঘাটের উদ্দেশ্যে চোখে জল নিয়ে রওনা হন। পরদিন থেকেই আবার শুরু হবে জীবন সংগ্রাম এবং বেঁচে থাকার লড়াই। ভাই ফোঁটার এই বিশেষ দিন রমার জীবনে যেন একটু টাটকা হওয়া এবং অক্সিজেন যুগিয়ে দিল।

Share This
Categories
বিবিধ

দীর্ঘদিন ধরে চলছিল মধুচক্র! অবশেষে পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত বালুরঘাটে।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- হোটেলে মধুচক্রের অভিযোগ বালুরঘাটে উত্তেজনা। বালুরঘাটের একে গোপালন কলোনি লাগোয়া বেসরকারি এক লজের মধুচক্রে হানা দিয়ে চালানোর অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে বালুরঘাটের একে গোপালন কলোনির লাগোয়া বেসরকারি ঐ লজে বহুদিন ধরেই মধুচক্রের সহ অবৈধ করবার চলছিল বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার ও একই ঘটনা ঘটলে এলাকার মানুষ থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে হানা দিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। উত্তেজিত স্থানীয়রা হোটেলে ভাঙচুর চালান।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাটে পতঞ্জলি যোগ সমিতি পরিবারের পরিচালনায় এবং ব্যবস্থাপনায় বুড়াকালী বাড়িতে ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান করা হলো।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ঈশ্বরের কাছে ভাইদের সুস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনায় প্রতিবছরের মতো এবছরও বালুরঘাটে পতঞ্জলি যোগ সমিতি পরিবারের পরিচালনায় এবং ব্যবস্থাপনায় আজ সকাল সাতটায় ভ্রাতৃদ্বিতীয়া উপলক্ষ্যে বুড়াকালী বাড়িতে ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান করা হলো। এই ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে পতঞ্জলির বোনেরা ভাইদের ফোঁটা দেয়। অনুষ্ঠানের শেষে ভাইরা বোনেদের হাতে উপহার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বোনেরাও ভাইদের হাতে উপহার তুলে দেয়। আজ এখানকার ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে একটি ছোট্ট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। পতঞ্জলি যোগ সমিতি পরিবারের বোনেদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে মিষ্টি মুখের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার খাবারেরও আয়োজন করা হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

শর্ট সার্কিটেই আগুন? জাতীয় সড়কে স্করপিও গাড়ি মুহূর্তে ভস্মীভূত, প্রাণে রক্ষা তিন যাত্রীর।

মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা :- চলন্ত গাড়িতে আগুন। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো চারচাকা স্করপিও গাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে পুরে ছাই। কালো ধোঁয়ায় ঢাকলো গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরাতন মালদহের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের বাইপাস রোডে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বুলেরো গাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই। যার ফলে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আছে মালদা থানার পুলিশ ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের পেট্রোলিং টিম। জানা গেছে, গাড়িতে মোট তিনজন ছিলেন কোনক্রমে তারা প্রাণে বেঁচে যায়। তবে গাড়িটিকে আগুনের হাত থেকে বাঁচানো যায়নি। আগুন লাগার ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের ইঞ্জিন দেরিতে আশায় একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গাড়ির চালক। দমকলের একটি ইঞ্জিন ছুটে আসে এবং আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগাই যদিও ততক্ষণে আগুনের সর্বস্ব পুড়ে ছাই। তবে দমকলের প্রাথমিক ধারণা শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লেগেছে। প্রায় ঘন্টাখানেক চেষ্টার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

বড় বিপদ এড়াল রেল পুলিশ! মেছেদায় দাঁড়ানো মালগাড়ির ছাদে উঠল যুবক, ইলেকট্রিক বন্ধ করে নামানো হলো নিরাপদে।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- দাঁড়িয়ে থাকা মাল গাড়ির ছাদে উঠে গেলো মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক, পঁচিশ হাজার ভোল্টের ইলেকট্রিক কানেকশন বন্ধ করে নামালো রেল পুলিশ, বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেছেদার স্টেশন চত্বরে, জানা গিয়েছে এই দিন ভারসাম্য এক যুবক হঠাৎই মাল গাড়ির ছাদে উঠে যায়, তার উপর দিয়ে ২৫ হাজার ভোল্টের ইলেকট্রিক তার যাওয়ার কারণে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা করে রেল পুলিশ, তৎক্ষণাৎ ইলেকট্রিক বন্ধ করে ওই ভারসাম্যহীন যুবককে উদ্ধার করে রেল পুলিশ, আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ায় স্টেশন চত্বরে।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদা হরিশ্চন্দ্রপুরে ফ্যান কারখানায় দাউ দাউ করে আগুন, স্থানীয়দের সাহসী ভূমিকায় রক্ষা পেলো আশপাশের এলাকা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ভাতৃদ্বিতীয়ার সন্ধ্যায় ফ্যানের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষয়-ক্ষতি। প্রথমে এলাকাবাসীর তৎপরতা এবং পরবর্তীতে দমকলের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন। বড়সড়ো ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল গোটা এলাকা। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকার হাসপাতালগামী এলাকার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ওই এলাকার একটি ফ্যানের কারখানাতে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। এলাকার মানুষ সাথে সাথে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। খোঁজ দেওয়া হয় দমকলকে। এলাকার সকলে মিলে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণ আনে। পরবর্তীতে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।তবে পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। আগুনের কারণ সঠিক ভাবে জানা যায়নি। তবে অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে।

Share This
Categories
বিবিধ

যাকজমকে বিসর্জনে শেষ হবে ২৫ বছরের কালীপুজোর জয়যাত্রা — ফকির বাজারে উচ্ছ্বাসে ভাসছে গ্রাম।

দাসপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- কালী পুজো —25 বছরের ঐতিহ্যের আলোয় মাতোয়ারা গ্রাম দাসপুর থানার অন্তর্গত ফকির বাজার আমরা কজন ক্লাবের ।
কালী মায়ের পুজো, শুরু হয়েছিল আজ থেকে ২৫ বছর আগে সেই থেকে আজও একই ঐতিহ্য ও ভক্তির আবহে পালিত হয়ে আসছে এই পুজো।

এই পুজোর আরেক বিশেষ দিক হল — মা কালী বিসর্জন হয় খুবি যাকজোমকে তাই ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা থাকে তুঙ্গে। ভক্তি, ঐতিহ্য ও উৎসবের মেলবন্ধনে আবারও প্রস্তুত হয়েছিল দাসপুর থানার অন্তর্গত ফকির বাজার গ্রামে ।

Share This