Categories
রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয়।

১৯৮৯ সাল থেকে প্রতিবছর ১৩ অক্টোবর সারা বিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস’ উৎযাপিত হয়ে আসছে।দুর্যোগ হল প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট ঘটনা যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির কারণ হতে পারে। এগুলি ভূমিকম্প, বন্যা, হারিকেন, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল এবং মহামারী সহ বিভিন্ন কারণের কারণে হতে পারে। দুর্যোগ সম্প্রদায় এবং ব্যক্তিদের উপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলতে পারে। তারা বাড়িঘর এবং ব্যবসা ধ্বংস করতে পারে, প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি ব্যাহত করতে পারে এবং জীবন ও জীবিকার ক্ষতি করতে পারে।

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) হল দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং তাদের প্রভাবগুলি হ্রাস করার প্রক্রিয়া। DRR-এর মধ্যে বিস্তৃত পরিসরের ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা, উচ্ছেদ পরিকল্পনা এবং দুর্যোগ-প্রতিরোধী অবকাঠামো।দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস হল দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস সম্পর্কে আরও জানার এবং প্রতিরোধের সংস্কৃতি প্রচার করার একটি সুযোগ।  এটি আরও ভাল দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস নীতি এবং অনুশীলনের জন্য সমর্থন করার একটি দিন।

 

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের জন্য আন্তর্জাতিক দিবসের ইতিহাস—

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আহ্বানের পর ১৯৮৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দিবস পালন করা হচ্ছে।  প্রতি বছর ১৩ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই দিনটি ঝুঁকি সচেতনতা এবং দুর্যোগ হ্রাসের একটি বিশ্বব্যাপী সংস্কৃতি প্রচারের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।  এটি দুর্যোগের প্রতি তাদের দুর্বলতা হ্রাস করার জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যক্তি এবং সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা উদযাপন করে এবং তারা যে ঝুঁকির সম্মুখীন হয় তা হ্রাস করার গুরুত্বের উপর জোর দেয়।
২০১৫ সালে জাপানের সেন্দাইতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের তৃতীয় জাতিসংঘের বিশ্ব সম্মেলনে, এটি হাইলাইট করা হয়েছিল যে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে, জীবনহানি এবং যথেষ্ট সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।  আকস্মিক সূচনা বিপর্যয় প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ লোককে বাস্তুচ্যুত করে, এবং এই দুর্যোগগুলির মধ্যে অনেকগুলি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃদ্ধি পায়।  এই ধরনের ঘটনাগুলি টেকসই উন্নয়নে বিনিয়োগকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে এবং এই বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে বাধা দেয়।  এই দিবসটি পালন স্থানীয় সম্প্রদায় থেকে শুরু করে বৈশ্বিক মঞ্চ পর্যন্ত সকল স্তরে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের জন্য জরুরি প্রয়োজনের উপর জোর দেয়।

 

 

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ হ্রাস ২০২৩ দিবসের তাৎপর্য—

 

প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করা হয়।  দিনটি দুর্যোগের দুর্বলতা এবং এর ফলে জীবন, অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি কমাতে অগ্রগতি উদযাপন করার সুযোগ দেয়।  প্রতি বছর, দিবসটি বিশ্বজুড়ে সম্প্রদায়গুলিতে কাজ করা ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেয় যাতে তারা বিপর্যয়ের প্রতি তাদের সংবেদনশীলতা হ্রাস করে এবং তাদের মুখোমুখি হওয়া ঝুঁকিগুলি হ্রাস করা কতটা জরুরি সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।  সরকারী উন্নয়ন সহায়তা (ODA) আকারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং তীব্র আবহাওয়ার ঘটনা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের প্রতিক্রিয়ায় দুর্যোগ স্থিতিস্থাপকতার জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।

 

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ২০২৩ থিম—

 

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ২০২৩ দিবসের থিম হল, “একটি স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যতের জন্য বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা”। The theme for the 2023 observance is “Fighting Inequality for a Resilient Future”.

 

এই থিমটি সেন্ডাই ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সারিবদ্ধ, একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জীবন, জীবিকা, অর্থনীতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতি প্রতিরোধ এবং হ্রাস করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  সেন্ডাই ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে সাতটি বৈশ্বিক লক্ষ্য এবং 38টি সূচক রয়েছে যা অগ্রগতি পরিমাপ করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তির পরিপূরক।  উভয় কাঠামোই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য তাদের প্রচেষ্টায় পরস্পর সংযুক্ত।  লক্ষ্য হল দুর্যোগের ঝুঁকির মধ্যে থাকা বৈষম্যগুলিকে মোকাবেলা করে আরও ন্যায়সঙ্গত এবং স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যত তৈরি করা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

নদিয়ার দুটি প্রাচীন দূর্গা পুজোর ইতিহাস ও তার সম্পর্কে কিছু কথা।

রানাঘাটের পালবাড়ির পুজো ২৬৫বছরে পদার্পণ করলো।

 

২৬৫বছরের পাল বাড়ির পুজো। নদিয়ার প্রাচীন পুজো রানাঘাটের পালবাড়ির বনেধি পুজো ২৬৫বছরে পদার্পণ করলো। প্রাচীন জমিদার বাড়ির এতিহ্য বাড়িটি আজও রয়েছে তবে রক্ষণা বেখ্যনে কিছুটা ভাটা পড়লেও জমিদার বাড়ির এতিহ্য আজও রয়েছে পরিবার ভাগ হয়েছে কিন্তূ দূর্গাপূজা আজও তার  এতিহ্য ধরে রেখেছে।

 

 

265 বছরের পুজো সাগরেস্বর পাল এই পুজো শুরু করেছিলেন। তাদের বংশধর এই পুজো করে আসছেন। এই বাড়িতে চারটে শরিক প্রথ্যেক বছর হয়এই পুজো করেন ।বৈশিষ্ট্য এখানে মাকে লুচি ভোগ ও কাচা ভোগ দেওয়া হয়। নবমীর দিন কাদা খেলা অষ্টমীর দিন ধুনো পড়ানো হয়। এই পুজোর জনপ্রিয়তা। তবে পুজোর বিশিষ্ট দিন গুলি আনন্দ উচ্ছল থাকে।

 

 

তবে এই পুজোর একটি আশ্চর্য ঘটনা ঘটনা ঘটে থাকে পুজোর দশমীর দিন কেউ না কেউ প্রসাদ চাইতে আসে বাড়ি থেকে প্রসাদ দিতে গেলে তাকে আর দেখা যায় না। এই পুজো ঘিরে পরিবারের সদস্য ছাড়াও বাইরে থেকে এই পুজোতে আসে একসঙ্গে সবাই মিলে দিন গুলো আনন্দে কাটে।

 

 

 রানাঘাট হিজুলির গাঙ্গুলি বাড়ির পুজো 

 

রানাঘাটের প্রাচীন পুজোর মধ্যে অন্যতম রানাঘাট হিজুলির গাঙ্গুলি বাড়ির পুজো ১৮৭ বছরে।১৮৩৭ সালে পুজো শুরু হয়। এই পুজো শুরু করেন স্বর্গীয় গণেশ গাঙ্গুলি লক্ষ্মীনারায়ণ গাঙ্গুলি তার আগে এই পুজো হয়েছিল কিন্তু সেটা জানা যায় নি। এখানে মা দুর্গা এক চালা ঢাকের সাজ।

 

 

মৃৎ শিল্পী তিন পুরুষ ধরে প্রতিমা তৈরি করে আসছেন। জন্মাষ্টমীর পরের দিন নন্দ উৎসবের দিন ঠাকুরের কাঠামো পুজো হয়। তবে রীতি হচ্ছে মেয়েদের নামে প্রথম সংকল্প করা হয়। সেই রীতি মেনে এখনও পরম্পরায় ঘরের মহিলাদের নামে সংকল্প হয়।চার দিনই বলি হয়। বর্তমানে ফল বলি হয়। জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় ছাগ বলি হতো।

 

 

সেই ছাগ বলি বন্ধ হয়ে যায়। তারপর স্বপ্নাদেশ দুর্গা পুজো সূচনা। দেড় মণ ভোগ হয় চার দিন কলাই ডালের খিচুড়ি করা হয়। পুরোপুরি গঙ্গা জল দিয়ে সমস্ত কাজ করা। আর চার দিন ১২জন স্থানীয় ব্রাম্বন দের নেমেন্তন্ন করে খাওয়ানো হয়। সেই রীতি আজও চলে আসছে।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১২ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ৷

বাত ও মাস্কুলোস্কেলেটাল রোগের অস্তিত্ব এবং প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে মানুষের সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ১২ অক্টোবর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস পালিত হয়। সত্য: বয়স্কদের মধ্যে আর্থ্রাইটিস বেশি দেখা যায় বটে, কিন্তু এটি যেকোনও বয়সে হতে পারে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ২০-৪০ বছর বয়সেই দেখা যায়।

 

(খ) বিশ্ব দৃষ্টি দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পর্বতপ্রেমিক, অক্লান্ত পরিব্রাজক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনিকার।

উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (১২ই অক্টোবর,১৯০২ – ১২ অক্টোবর, ১৯৯৭), একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক, যাঁর প্রধান বিচরণক্ষেত্রটি হল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ধারা, ভ্রমণ-কাহিনী। মণিমহেশ নামক ভ্রমণকাহিনীর জন্যে, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে, তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯২৪ – কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

১৯২৭ – এহতেশাম হায়দার চৌধুরী, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৩১ – উলাহ্‌-ইয়োহান ডাল, নরওয়েজীয় কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

 

১৯৪০ – প্রখ্যাত বাঙালি প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী, অভিনেতা বিকাশ রায়ের পুত্র সুমিত রায়। 

সুমিত রায় (১২ অক্টোবর ১৯৪০ — ২৬ মে ২০২১) ছিলেন প্রখ্যাত প্রযুক্তিবিদ ও কারিগরি বিজ্ঞানী। মোবাইলের প্রথম নকশাকার ও আবিষ্কর্তা। বাংলা চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেতা বিকাশ রায়ের পুত্র ছিলেন তিনি।

 

১৯৪৪ – কারী আব্দুল গণী, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও কারী

১৯৫৫ – হরিশংকর জলদাস, বাংলাদেশী লেখক।

 

১৯৬০ – হ্যাপী আখন্দ, বাংলাদেশি পপ রক গায়ক।

হ্যাপি আখন্দ (১২ অক্টোবর ১৯৬০ – ২৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭) ছিলেন একজন বাংলাদেশী রক গায়ক, গীতিকার।  তিনি ছিলেন বাংলাদেশের অগ্রগামী রক সঙ্গীতশিল্পীদের একজন।  তিনি রক ব্যান্ড মাইলসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।  তাকে কখনো কখনো বাংলাদেশী সঙ্গীতের রাজপুত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়।  তার উল্লেখযোগ্য গানের শিরোনাম “আবার এলো যে সন্ধ্যা (আবার সন্ধ্যায়)”, “কে বাঁশি বাজায় রে? (কে বাঁশি বাজায়?)” এবং আরও অনেক কিছু।  তিনি ২৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭ তারিখে ২৭ বছর বয়সে মারা যান।

 

১৯৮১ – দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুহাসিনী রাজারাম নাইডু ( চলচ্চিত্র নাম স্নেহা)।

সুহাসিনী রাজারাম নাইডু (জন্ম ১২ অক্টোবর ১৯৮১), পেশাগতভাবে স্নেহা নামে পরিচিত , একজন ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি প্রাথমিকভাবে তামিল এবং তেলেগু চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি কয়েকটি মালায়ালাম এবং কন্নড় ভাষায়ও অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।

 

 

১৮৬৪ – কামিনী রায়, বাঙালি কবি।

কামিনী রায় (জন্ম: ১২ই অক্টোবর ১৮৬৪ – মৃত্যু: ২৭শে সেপ্টেম্বর ১৯৩৩) একজন প্রথিতযশা বাঙালি মহিলা কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিত্ব। তিনি একসময় “জনৈক বঙ্গমহিলা” ছদ্মনামে লিখতেন।

 

১৮৬৫ – আর্থার হার্ডেন, নোবেলজয়ী ইংরেজ জীবরসায়নবিদ।

স্যার আর্থার হার্ডেন, (১২ অক্টোবর ১৮৬৫ – ১৭ জুন ১৯৪০) একজন ব্রিটিশ বায়োকেমিস্ট ছিলেন।  তিনি ১৯২৯ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান হ্যান্স কার্ল অগাস্ট সাইমন ভন অয়লার-চেলপিনের সাথে চিনির গাঁজন এবং ফার্মেন্টেটিভ এনজাইমের তদন্তের জন্য।  তিনি বায়োকেমিক্যাল সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং 25 বছর ধরে এর জার্নালের সম্পাদক ছিলেন।

 

১৮৯৬ – নোবেলজয়ী [১৯৭৫] ইতালীয় কবি ও গল্পকার ইউজিনিও মন্তাল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৮ – বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯০৯ – কলকাতায় অনুশীলন সমিতি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।

১৯৬৪- তিন রুশ নভোচারী ভ্লাদিমির কোমানভ, কন্সতান্তিন ফিওক্তিস্তভ ও বোসি ইয়োগোরভ নভোযান ভস্তক-২৪ এ করে মহাশূন্যে পাড়ি দেন। তারা ২৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট মহাশূন্যে ভ্রমণ শেষে ভূপৃষ্ঠে অবতরণ করেন।

১৯৬৮ – ঘানা, স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।

১৯৭৬ – বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয় । সৌদি আরব এই মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে, তাই এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সৌদি আরবের বাদশাহ খালেদ।

১৯৮৬ – এল সালভেদারে ভূমিকম্পে ১৮০০ জন লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯২ – কলকাতায় প্রথম দক্ষিণ এশীয় উৎসব শুরু।

 

১৯৯৯ – পাকিস্তানের সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে অপসারণ করে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৯৯ – হলো জাতিসংঘের ধার্য করা ” বিশ্বের ৬০০ কোটি লোকসংখ্যা দিবস”। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের বিভিন্ন মহলের লোকেরা যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে এক বিরাট সমাবেশ অনুষ্ঠিত করে লোকসংখ্যা ও উন্নয়নের এই অভিন্ন বিশ্বজনীন সমস্যার ওপর মনোযোগ দিয়েছেন।

১৯৯৯ – টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি স্থাপন করা হয়।

১৭৮১ – ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দক্ষিণ ভারতের নাগাপট্টম অধিকার করে।

১৫৩২ – ফ্রাসোয়া পিজারোর নেতৃত্বে স্প্যানিশ বাহিনী পেরুর উপর হামলা চালায়।

 

১৪৯২- পর্তুগিজ নাবিক কলম্বাস পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) পৌঁছান, আবিষ্কার হয় আমেরিকা মহাদেশ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৯১ – ভারতের কমিউনিস্ট ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রামী বিশ্বনাথ মুখোপাধ্যায় ।

 

১৯৯৭ – উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পর্বতপ্রেমিক, অক্লান্ত পরিব্রাজক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনিকার।

উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (১২ই অক্টোবর,১৯০২ – ১২ অক্টোবর, ১৯৯৭), একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক, যাঁর প্রধান বিচরণক্ষেত্রটি হল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ধারা, ভ্রমণ-কাহিনী। মণিমহেশ নামক ভ্রমণকাহিনীর জন্যে, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে, তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯২৪ – ফরাসী কথাশিল্পী আনাতোল ফ্রাঁস।

আনাতোল ফ্রাঁস (১৬ এপ্রিল ১৮৪৪ – ১২ অক্টোবর ১৯২৪) ছিলেন একজন ফরাসি, কথাসাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক এবং ঔপন্যাসিক। আনাতোল ফ্রাঁসের প্রকৃত নাম আনাতোল তিবো। বিশ শতকের প্রথম দিকে আনাতোল ফ্রাঁস ছিলেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কথাশিল্পীদের একজন। ফ্রাঁসের সাহিত্য জীবনের সূচনা সাংবাদিক ও কবি হিসেবে।

 

১৯৭৮- প্রখ্যাত সমাজসেবী ও সর্বোদয় সেবক শিশিরকুমার সেন।

শিশিরকুমার সেন (১৮৯৬ — ১২-১০-১৯৭৮)। নদীয়ার সাহেবনগরের সর্বোদয় সেবক। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় দেশসেবার প্রেরণায় বিড়লা কোম্পানীর চাকরি ছেড়ে সস্ত্রীক গান্ধীজী প্ৰদৰ্শিত পথে গঠনমূলক গ্ৰামসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৪২-এর আন্দোলনে ডায়মণ্ডহারবার খাদি-মন্দিরের অধিকাংশ কর্মী যখন কারারুদ্ধ, তখন তিনি ও তাঁর স্ত্রী (কবি, লেখিকা, সর্বোদয় সেবিকা নিরূপমা দেবী) ডায়মন্ডহারবার খাদি মন্দিরের মধুসূদনপুর আশ্রমে এসে বসবাস শুরু করেন এবং ১৯৪৩ খ্রী. দুর্ভিক্ষের সময় ঐ অঞ্চলের দুর্গত অধিবাসীদের সর্বতোভাবে সেবা করেন। ব্ৰাহ্মসমাজভুক্ত ছিলেন। তাঁর চেষ্টায় এই সেবাকার্যে মধুসূদনপুর কেন্দ্রের ব্রাহ্মসমাজ সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। এরপর সাহেবনগরে কেন্দ্ৰ স্থাপন করে তাঁর মাধ্যমে গঠনমূলক কাজ করতেন। নিরুপমা দেবীর পরিচালনায় সেখানে কস্তুরবা ট্রেনিং কলেজ চলত। ১৯৫৫ খ্রী. তিনি নদীয়া জেলায় ভূদান-যজ্ঞ-পদযাত্রা করেন এবং তখন থেকে ভূদান-গ্রামদানের কাজ করে আসছিলেন। ‘সর্বোদয় প্ৰকাশন মণ্ডল’ সংস্থা গঠন করে তিনিই প্ৰথম বাংলায় সর্বোদয় সাহিত্য প্রচারের ব্যবস্থা করেন।

 

 

১৯৮১- ভারতের পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ ড. গুরুপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।

 

১৯৮৬ – চীনে কোটনিসের নেতৃত্বে ভারতের মেডিক্যাল মিশনের অন্যতম সদস্য ডাঃ বিজয় কুমার বসু, ভারতে আকুপাংচার চিকিৎসার সূচনাকারী।

ডাঃ বিজয় কুমার বসু(ইংরেজি: Dr. Bijaykumar Basu) ( ১ মার্চ, ১৯১২ – ১২ অক্টোবর, ১৯৮৬),দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে ডা. অটলের নেতৃত্বে ভারত থেকে চীনে প্রেরিত পাঁচ-সদস্যের মেডিক্যাল মিশনের অন্যতম সদস্য ও ভারতের প্রথম আকুপাংচার সমিতির প্রতিষ্ঠাতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

২৫০ বছরের প্রাচীন মহিষাদল রাজবাড়ির পুজোয় আজও মানুষের ঢল নামে।

বর্তমান সময়ে থিমের রমরমা। মন্ডপ থেকে প্রতিমা সবেতেই থিমের ছোঁয়া। দর্শনার্থীদের ভীড় জমলেও কমেনি প্রাচীন রাজবাড়ির পুজোয় ভীড়। আগেকার সেই জৌলুস, আড়ম্বর আজ অনেক টাই কমে গিয়েছে। কিন্তু নিয়ম মেনেই প্রতিপদে ঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজো। প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই দুর্গাপুজো দেখতে আজও ভিড় জমান দূর দূরান্তের পাশাপাশি  স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিমা দর্শন করতে আসেন ভিন জেলা, রাজ্যের দর্শনার্থীরাও।
রানি জানকীর আমলে আনুমানিক ১৭৭৬ সালে মহিষাদল রাজ বাড়ির দুর্গাপুজো শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রাজ বাড়ির ঠাকুর দালানে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। রাজত্ব চলে যাওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর জৌলুস কমেছে। কিন্তু, নিয়ম-আচারে ছেদ পড়েনি। তাই প্রথা অনুযায়ী মহালয়ার পরদিন অর্থাৎ প্রতিপদের দিন ঘট স্থাপন করে মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর সূচনা হয়। ‘মহালয়ার পরের দিন রাজবাড়ির দুর্গা মণ্ডপ লাগোয়া অশ্বত্থ গাছের তলায় নটি ঘট ওঠে। ষষ্ঠী থেকে প্রতি দিনই ঘটপুজো হবে। সপ্তমী থেকে মূর্তি পুজো হয়। প্রতিমার এক পাশে ঘট, অন্য পাশে ধান রাখা হয়। এই দুর্গাপুজো করার পরই শুষ্ক গ্রামে ধান ফলে ছিল। তাই ভালো ফসলের আশায় আজও দেবীর পাশে ধান রাখা হয়। এই ধনের বীজের অঙ্কুর থেকেই পূর্বাভাস পাওয়া যায় এলাকায় ফসল কেমন হবে। পুজোয় ১০৮টি নীলপদ্ম দেওয়ার চলও রয়েছে, যা আসত উত্তর প্রদেশ থেকে। কিন্তু এখন তা আর হয় না, সাদা পদ্মে মায়ের পুজো হয়। আগে মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় যাত্রাপালা, ভোগ বিতরণ, কামান দেগে সন্ধিপুজো, বিসর্জনের শোভাযাত্রা সবই হত। পুজোর দিন গুলিতে ঠাকুর দালানেই যাত্রা হত। রাজবাড়ির মহিলারা পর্দার আড়াল থেকে যাত্রা দেখতেন। পুজোর দিন অনুযায়ী ভোগ রান্না হত। যেমন, ষষ্ঠীতে ছয় মন, সপ্তমীতে সাত মন, অষ্টমীতে আট মন, নবমীতে নয় মন চালের প্রসাদ তৈরি করে বিতরণ করা হত। এখন তা আর সম্ভব হয় না। অষ্টমীর সন্ধ্যায় কামান দেগে রাজবাড়ি সহ আশপাশের এলাকার পুজোমণ্ডপে সন্ধি পুজো শুরু হত। দশমীতে বড় নৌকায় করে শোভাযাত্রা বেরতো এবং রাজবাড়ির সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া হিজলি টাইডাল ক্যানাল হয়ে গেঁওখালিতে রূপনারায়ণ নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হত। এখন সে সবই অতীত। রাজত্ব ঘোচার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রাপালা বন্ধ হয়েছে। পুজোর দিন গুলিতে অবশ্য এখনও ভোগ রান্না করা হয়। কিন্তু তা যৎসামান্য। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কবি গান হলেও এখন আর হয় না চাত্রাপালা। কামানের পরিবর্তে আতশবাজি এদিকে সরকার কামান দাগায় নিষেধাজ্ঞা জারি করায় সেটাও ইতিহাসের খাতায় চলে গিয়েছে। এখন কামান দাগার পরিবর্তে আতস বাজির রোশনাইয়ের মধ্যে দিয়ে সন্ধিপুজো করা হয়। বিসর্জনের শোভা যাত্রাও অতীত। রাজবাড়ি লাগোয়া রাজদিঘিতেই প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। তবে আড়ম্বর কমলেও ঐতিহ্যের টানে আজও বহু মানুষ মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় সামিল হন। দর্শনার্থীদের যাতে কোনও রকম অসুবিধে না হয়, তার জন্য বর্তমান রাজ পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নজরে রেখেছেন। পুজোয় আগত দর্শনার্থী বা পর্যটকদের পরিষেবা দিতে রাত্রীযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে মূল্য দিয়ে থাকতে হবে। মহিষাদল রাজবাড়ির বর্তমান প্রজন্ম হিসাবে রাজবাড়ি দেখা শোনা করে থাকেন শংকরপ্রসাদ গর্গ ও হরপ্রসাদ গর্গ। রাজবাড়ির পুজো দেখতে এবং রাজ বাড়ির অপরূপ পরিবেশের অনুভূতি নিতে হলে আস্তে হবে মহিষাদলে। প্রাচীন মহিষাদলের ঠাকুর দালান ভগ্নদশায় পরিনত হয়। পুজোর সময় ভীষণ সমস্যা হত। দর্শনার্থীদের কথা ভেবে স্থানীয় বিধায়ক তিলককুমার চক্রবর্তীর উদ্যোগে সেই ঠাকুরদালান নতুন করে নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রজ্যের বহু মানুষ এখানে রাজবাড়ি ও রাজবাড়ির পুজো দেখতে আসেন তাদের কথা ভেবে রাজ পরিবার ও স্থানীয় প্রশাসন রাজবাড়িকে সাজি তোলার কাজ চলছে।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং এর গুরুত্ব।

আর্থ্রাইটিস একটি বেদনাদায়ক রোগ যা মানবদেহের এক বা একাধিক জয়েন্টকে প্রভাবিত করে।  আর্থ্রাইটিস জয়েন্টে ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যায়, যা ব্যক্তির প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপকে আরও বাধা দেয়।  যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করা হয়, আর্থ্রাইটিস একজনের নড়াচড়ার পরিধি কমিয়ে দিতে পারে এবং সোজা হয়ে বসতেও অসুবিধা হতে পারে।  আর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলি সাধারণত বয়সের সাথে আরও খারাপ হয়।

 

আর্থ্রাইটিসের প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে কয়েকটি হল জয়েন্টে ব্যথা, জয়েন্টের চারপাশে লালভাব, ফোলাভাব এবং কোমলতা এবং জয়েন্টগুলোতে শক্ত হওয়া, বিশেষ করে সকালে।  আর্থ্রাইটিসের প্রাথমিক লক্ষণগুলি লক্ষ্য করা এবং চিকিত্সা করা প্রাথমিক পর্যায়ে বেদনাদায়ক রোগের সাথে মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।

 

প্রতি বছর ১২ অক্টোবর বিশ্ব বাত দিবস (WAD) পালন করা হয়।  দিনটি আর্থ্রাইটিস, বাতজনিত অবস্থা এবং অন্যান্য পেশীবহুল রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নিবেদিত।  বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস পালনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল আর্থ্রাইটিস নামে পরিচিত একটি দুর্বল স্বাস্থ্য অবস্থার লক্ষণ, উপসর্গ, কারণ, প্রাথমিক রোগ নির্ণয়, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করা।
আর্থ্রাইটিস হল বিভিন্ন ধরনের যৌথ-সম্পর্কিত অবস্থার জন্য একটি সমন্বিত শব্দ।  এই অবস্থায় ভুগছেন এমন লোকেরা প্রায়শই ব্যথা, প্রদাহ, শক্ত হওয়া এবং জয়েন্টগুলিতে গতিশীলতা হ্রাসের মতো উপসর্গে ভোগেন।  রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থারাইটিস, জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস, গাউট, সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস, সেপটিক আর্থ্রাইটিস এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন ধরনের বাত রয়েছে।  প্রতিটি ধরনের আর্থ্রাইটিস লক্ষণ, উপসর্গ এবং কারণের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তিত হয়।

ওয়ার্ল্ড আর্থ্রাইটিস ডে ২০২৩ থিম—

 

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ২০২৩-এর থিম হল “জীবনের সকল পর্যায়ে একটি RMD সহ জীবন যাপন।”

 

ওয়ার্ল্ড আর্থ্রাইটিস ডে মানুষের জন্য রিউম্যাটিক এবং মাস্কুলোস্কেলিটাল ডিজিজ (RMDs) এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।  এটি আরএমডির ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও চিকিৎসা শিক্ষাকেও প্রচার ও উৎসাহিত করে।

 

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের ইতিহাস এবং তাৎপর্য—

 

আর্থ্রাইটিস অ্যান্ড রিউম্যাটিজম ইন্টারন্যাশনাল (এআরআই) বিশ্ব বাত দিবস (ডব্লিউএডি) প্রতিষ্ঠা করেছে।  ১৯৯৬ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস পালিত হয়।
প্রতি বছর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস উপলক্ষে, আর্থ্রাইটিস ফাউন্ডেশনের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বাত এবং পেশীর রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে এবং এই বিধ্বংসী স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ব্যবস্থাপনায় বাধা দূর করতে সহযোগিতা করে।

আর্থ্রাইটিসের মতো স্বাস্থ্যের অবস্থা যতটা মনোযোগ দেওয়া উচিত ততটা পায় না।  ফলে মানুষ সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা পায় না।

 

 

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস উদযাপনের মূল তাৎপর্য হল আর্থ্রাইটিস সম্পর্কে বোঝার প্রচার করা, মিথ এবং ভ্রান্ত ধারণাগুলি দূর করা এবং অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করা।

 

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১১ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস গোটা বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর ১১ অক্টোবর তারিখে পালন করে। এই দিবসকে মেয়েদের দিনও বলা হয়। ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম এই দিবস পালন করা হয়েছিল। লিংগ বৈষম্য দূর করা এই দিবসের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র সমূহ হল শিক্ষার অধিকার, পরিপুষ্টি, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা, ও বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বলপূর্বক তথা বাল্যবিবাহ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – জয়প্রকাশ নারায়ণ, জনপ্রিয়ভাবে জে পি বা লোক নায়ক নামে পরিচিত ভারতীয় স্বাধীনতা কর্মী, তাত্ত্বিক, সমাজতান্ত্রিক এবং রাজনৈতিক নেতা।

জয়প্রকাশ নারায়ণ (১১ অক্টোবর ১৯০২ – ৮ অক্টোবর ১৯৭৯) জনপ্রিয়ভাবে জে পি বা লোক নায়ক (ইংরেজি ভাষায় দি পিপলস লিডার) নামে পরিচিত, তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় স্বাধীনতা কর্মী, তাত্ত্বিক, সমাজতান্ত্রিক এবং রাজনৈতিক নেতা।

 

১৯১৬ – ভারতরত্নে ভূষিত সমাজকর্মী, রাজনীতিক নানাজী দেশমুখ।

চন্ডিকাদাস অমৃতরাও দেশমুখ, যিনি নানাজি দেশমুখ নামে বেশি পরিচিত (১১ অক্টোবর ১৯১৬ – ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০), ছিলেন ভারতের একজন সমাজ সংস্কারক এবং রাজনীতিবিদ।  তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং গ্রামীণ স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে কাজ করেছেন।  তিনি মরণোত্তর ভারত সরকার কর্তৃক ২০১৯ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার, ভারত রত্ন প্রদান করেন।  তিনি ভারতীয় জনসংঘের একজন নেতা এবং রাজ্যসভার সদস্যও ছিলেন।

 

১৯২১ – নীলিমা ইব্রাহিম, বাঙালি শিক্ষাবিদ।

নীলিমা ইব্রাহিম (১১ অক্টোবর ১৯২১ – ১৮ জুন ২০০২) একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক এবং সমাজকর্মী ছিলেন।  তিনি বাংলা সাহিত্যে তার পাণ্ডিত্যের জন্য সুপরিচিত কিন্তু তার চেয়েও বেশি তার অমি বীরাঙ্গনা বলচি বইয়ে ১৯৭১ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ধর্ষিত ও নির্যাতিত মহিলাদের চিত্রণের জন্য।  তিনি বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৬৯ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৬ সালে বেগম রোকেয়া পদক এবং ২০০০ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

 

১৯৩৬ – সি. গর্ডন ফুলেরটন, আমেরিকান কর্নেল, প্রকৌশলী ও মহাকাশচারী।

 

১৯৪২ – অমিতাভ বচ্চন, জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেতা।

অমিতাভ বচ্চন (১১ অক্টোবর ১৯৪২) হলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক, টেলিভিশন হোস্ট, মাঝে মাঝে প্লেব্যাক গায়ক এবং প্রাক্তন রাজনীতিবিদ, যিনি হিন্দি সিনেমায় কাজ করেন।  পাঁচ দশকেরও বেশি চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে, তিনি ২০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।  বচ্চনকে ব্যাপকভাবে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এবং প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে গণ্য করা হয়।  তাকে বলিউডের শাহেনশাহ, সাদি কে মহানায়ক (হিন্দি, “শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ অভিনেতা”), স্টার অফ দ্য মিলেনিয়াম বা বিগ বি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ১৯৭০-৮০-এর দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের দৃশ্যপটে তার আধিপত্য ফরাসিদের তৈরি করেছিল।  পরিচালক ফ্রাঁসোয়া ট্রুফো এটিকে “এক-মানুষ শিল্প” বলেছেন।

 

১৯৫৭ – পল বওন, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৬৫ – রনিত রায় ভারতীয় জনপ্রিয় ধারাবাহিক আদালতের অভিনেতা।

রনিত বোস রয় (জন্ম ১১ অক্টোবর ১৯৬৫) হলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা, তিনি প্রাথমিকভাবে হিন্দি টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের পাশাপাশি কয়েকটি বাংলা, তামিল এবং তেলেগু সিনেমার জন্য পরিচিত।  রয় তার কর্মজীবনে একটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, দুটি স্ক্রিন পুরস্কার, পাঁচটি আইটিএ পুরস্কার এবং ছয়টি ভারতীয় টেলি পুরস্কার সহ অসংখ্য প্রশংসা অর্জন করেছেন।

 

১৯৭৩ – তাকেশি কানেসিরো, জাপানি অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৮৩ – ব্র্যাডলি জেমস, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৮৭১ – আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রাচীন পুঁথি সংগ্রাহক।

আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ (১১ অক্টোবর ১৮৭১ – ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩) ছিলেন ব্রিটিশ ভারত ও পূর্ব পাকিস্তানের একজন বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ ও সাহিত্যের ঐতিহ্য অন্বেষণকারী অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

 

১৮৭৭ – চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক, সম্পাদক ও অনুবাদক। 

চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৭৭ সালের ১১ই অক্টোবর অবিভক্ত বাংলার মালদহের চাঁচলে জন্ম গ্রহণ করেন। তাদের আদি বাসস্থান ছিল বর্তমান বাংলাদেশের যশোরে। বাবা গোপালচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, মা মুক্তকেশী দেবী। ১৮৯৫ সালে বলাগড় হাই স্কুল থেকে এন্ট্রান্স, ১৮৯৬ সালে জেনারেল অ্যাসেম্ব্লিজ (বর্তমান স্কটিশ চার্চ কলেজ) থেকে এফ.এ এবং ১৮৯৯ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন। ১৮৯৬ সালে দুমকা নিবাসী রাধারাণী দেবীর সঙ্গে বিবাহ হয়। কিন্তু বিবাহের মাত্র চার বছর পরেই ১৯০০ সালে রাধারাণীর মৃত্যু হলে তিনি পদ্মাবতী দেবীর সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। অধ্যাপক কনক বন্দ্যোপাধ্যায় এঁদের সন্তান।

 

১৮৮৪ – ফ্রেডরিখ কার্ল রুডলফ বার্জিয়াস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত আর্জেন্টিনার রসায়নবিদ।

১৮৮৪ – আন্না এলিয়ানর রুজভেল্ট, আমেরিকান মানবাধিকার কর্মী, রাজনীতিবিদ ও ৩৯ তম ফার্স্ট লেডি।

১৮৮৫ – ফ্রাসোয়া মাউরিয়াক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি লেখক, কবি ও নাট্যকার।

 

১৭৩৮ – আর্থার ফিলিপ, ইংরেজ এডমিরাল ও রাজনীতিবিদ।

আর্থার ফিলিপ (১১ অক্টোবর ১৭৩৮ – ৩১ আগস্ট ১৮১৪) ছিলেন একজন ব্রিটিশ রয়্যাল নেভি অফিসার যিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের কলোনির প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

 

১৬১৬ – আন্দ্রিয়াস গ্রয়ফিউস, জার্মান কবি ও নাট্যকার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – লন্ডনে প্রথমবারের মত একটি মুসলিম মাধ্যমিক স্কুলকে সরকারী হিসাবে অনুমোদন দেয়া হয়।

২০০০ – চীনের ইনজিনিয়ারীন , প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান মহলের সবচেয়ে বড় আকারের এবং সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন – আন্তর্জাতিক ইনজিনিয়ারীন, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সম্মেলন পেইচিংএর গণ মহা ভবনে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।

২০০১ – চীনের রাষ্ট্রীয় মানদন্ডকরণ ব্যবস্থাপনা কমিটি পেইচিংএ প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০০২ – চীনের ছ’টি বে-সামরিক বিমান পরিবহন লিমিটেড কোম্পানি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করা হয়।

১৯২৩ – জার্মান মুদ্রার বিপজ্জনক মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। ১ পাউন্ডের মূল্যমান দাঁড়ায় ১ হাজার কোটি মার্ক।

১৯৩৭ – চীনের সাংহাইএ চীন আর জাপানের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়। এই লড়াইয়ে দু’পক্ষের বিপুল সংখ্যক সৈন্য হতাহত হয়।

১৯৫৭ – প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী পদত্যাগ করেন।

১৯৬২ – চীন-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬৪ – কায়রোতে ৪৭ জোট নিরপেক্ষ দেশের সম্মেলন সমাপ্ত হয়।

১৯৭২ – চীন আর জার্মানীর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৪ – গিনি-বিসাউ ও গ্রানাডা জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৭৮ – জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বর্ণবাদবিরোধী বিশেষ অধিবেশন অনষ্ঠিত হয়।

১৯৮৯ – তিব্বতের রাজধানী লাসায় অবস্থিত পোতালা প্রাসাদের মেরামত প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পে চীন সরকার ৩ দশমিক ৫ কোটি ইউয়ান বরাদ্দ করে।

১৯৯১ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার কিছু আগে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা কেজেবির তৎপরতা বন্ধ করে দেয়া হয়।

 

১৮৭১ – শিকাগোর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আয়ত্তে আনা হয়।

১৮৯৯ – দক্ষিণ আফ্রিকায় হল্যান্ড ও বৃটিশদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৭৩৭ – কলকাতায় যুগপৎ ভূমিকম্প ও ঘূর্ণিঝড়ে তিন লাখ লোকের মৃত্যু ঘটে।

১৬৬৯ – পিটার দি গ্রেট রাশিয়ার জার হন।

১৫০৩ – দ্বিতীয়বার ভারত ভ্রমণ শেষে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা মোজাম্বিকের তাগুসে উপস্থিত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – চিন্ময় কুমার ঘোষ,শ্রী চিন্ময়,নামে পরিচিত, বাঙালি মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক, লেখক, শিল্পী, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ।

চিন্ময় কুমার ঘোষ (শ্রী চিন্ময় নামে বেশি পরিচিত, ২৭ আগস্ট, ১৯৩১ – ১১ অক্টোবর, ২০০৭), ছিলেন একজন মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক। ১৯৬৪ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটি চলে যান এবং সেখানে যোগ ধর্ম চর্চা শুরু করেন। চিন্ময় নিউ ইয়র্কের কুইন্স শহরে প্রথম মেডিটেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরে ৬০টি দেশে তার অনুসারীর পরিমাণ দাড়ায় ৭,০০০। এছাড়া লেখক, শিল্পী, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে তিনি বিভিন্ন কনসার্ট ও মেডিটেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দৌড়, সাঁতার ও ভার উত্তোলনের মত আথলেটিকের সাথেও জড়িত ছিলেন। তিনি ম্যারাথন ও অন্যান্য দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন এবং তিনি নিজেও দৌড়বিদ ছিলেন। পরবর্তীতে হাঁটুতে আঘাতপ্রাপ্ত হলে ভার উত্তোলনে মনোনিবেশ করেন।

 

২০১২ – ফ্রাঙ্ক আলমো, ফরাসি গায়ক।

২০১৯ – রবার্ট ফরস্টার, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

 

২০২১ – বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী স্বপন গুপ্ত।

স্বপন গুপ্ত (১৯৪৬ – ১১ অক্টোবর ২০২১) ছিলেন একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে “সঙ্গীত মহাসম্মান” প্রদান করে।

 

১৯৩৮ – নগেন্দ্রনাথ বসু, বাংলা বিশ্বকোষের প্রথম প্রণেতা,প্রত্নতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবিদ।

নগেন্দ্রনাথ বসু ( ৬ ই জুলাই ১৮৬৬-১১ ই অক্টোবর ১৯৩৮) বাংলা বিশ্বকোষের সংকলক, বাংলা ভাষায় প্রথম বিশ্বকোষ এবং হিন্দি বিশ্বকোষ, হিন্দিতে প্রথম বিশ্বকোষের লেখক, পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবিদও ছিলেন।

 

১৯৪০ – লুলুইস কোম্পানিস, স্প্যানিশ আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও কাতালোনিয়ার ১২৩ তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৩ – জঁ ককতো, ফরাসি লেখক, নাট্যকার, শিল্পী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

জিন মরিস ইউজিন ক্লেমেন্ট কক্টো (৫ জুলাই ১৮৮৯ – ১১ অক্টোবর ১৯৬৩) একজন ফরাসি কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, ডিজাইনার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, ভিজ্যুয়াল শিল্পী এবং সমালোচক ছিলেন।  তিনি ছিলেন পরাবাস্তববাদী, আভান্ট-গার্ড এবং দাদাবাদী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান শিল্পী এবং ২০ শতকের প্রথম দিকের শিল্পের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।  জাতীয় পর্যবেক্ষক পরামর্শ দিয়েছেন যে, “শৈল্পিক প্রজন্মের মধ্যে যাদের সাহস বিংশ শতাব্দীর শিল্পের জন্ম দিয়েছে, কোক্টো একজন রেনেসাঁর মানুষ হওয়ার সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছেন।”

 

১৯৮৮ – বনিটা গ্রানভিলে, আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়ক ও প্রযোজক।

 

১৯৯১ – গোলাম সামদানী কোরায়শী, বাংলাদেশী সহিত্যিক, গবেষক ও অনুবাদক।

গোলাম সামদানী কোরাইশি (৫ এপ্রিল ১৯২৯ – ১১ অক্টোবর ১৯৯১) একজন বাংলাদেশী কবি এবং লেখক ছিলেন।  বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৭ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করে।

 

১৮৫২ – গটথল্ড আইজেনস্টাইন, জার্মান গণিতবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৮৯৬ – অ্যান্টন ব্রুকনার, অস্ট্রিয়ান অর্গানবাদক, সুরকার ও শিক্ষাবিদ।

অ্যান্টন ব্রুকনার , সম্পূর্ণ জোসেফ অ্যান্টন ব্রুকনার , (জন্ম ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮২৪, অ্যানসফেল্ডেন, অস্ট্রিয়া—মৃত্যু ১১ অক্টোবর, ১৮৯৬, ভিয়েনা), অস্ট্রিয়ান কম্পোজার অনেকগুলি অত্যন্ত মৌলিক এবং স্মারক সিম্ফোনির। তিনি একজন সংগঠক এবং শিক্ষকও ছিলেন যিনি অনেক পবিত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষ কোরাল সঙ্গীত রচনা করেছিলেন ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস, জানুন দিনটি পালনের গুরুত্ব।

সূচনা :

 

“বিশ্বব্যাপী মেয়েরা তাদের শিক্ষা, তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা এবং সহিংসতামুক্ত জীবনযাপনের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়।”  প্রতিবন্ধী মেয়েরা সহায়তা এবং পরিষেবা অ্যাক্সেসে অতিরিক্ত বাধার সম্মুখীন হয়,’ জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বলে। প্রতি বছর ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়।  ১১ অক্টোবর, ২০১২ তারিখে, জাতিসংঘ প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস উদযাপন করে।  এ বছর আন্তর্জাতিক মেয়ে দিবসের এগার তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে।

 

এই দিবস পালনের ইতিহাস:

১৯ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক মেয়ে শিশু দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।  বিশ্বজুড়ে মেয়েদের অধিকার এবং মেয়েরা যে অনন্য চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হয় তা স্বীকৃতি দেওয়া।

বেসরকারী সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা স্পনসর করা একটি প্রকল্প হিসাবে জন্ম হয়েছিল মেয়ে শিশুর আন্তর্জাতিক দিবস।  প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের “কারণ আমি একটি মেয়ে” নামক আন্দোলনের ফলে এই দিবসের ধারণাটি উদ্ভূত হয়েছিল।  এই আন্দোলনের মূল এজেন্ডা হল বিশ্বজুড়ে কন্যা শিশুর পুষ্টি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।  এই সংগঠনের কানাডিয়ান কর্মীরা সকলেই এই আন্দোলনকে বিশ্ব মঞ্চে প্রতিষ্ঠা করতে কানাডা সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কানাডায় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালনের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়।  ১৯ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে, এই প্রস্তাবটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয় এবং ১১ অক্টোবর, ২০১২ তারিখে, প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়।  প্রতি বছর একটি থিম আছে.  কন্যা শিশু দিবসের প্রথম প্রতিপাদ্য ছিল “বাল্য বিবাহ বন্ধ করা”।  দ্বিতীয়বারের মতো, ২০১৩ সালে, থিম ছিল “মেয়েদের জন্য শিক্ষা খাতে উদ্ভাবন”।  তৃতীয় এবং চতুর্থ মেয়াদের থিম ছিল, “কিশোরীদের ক্ষমতায়ন এবং সহিংসতার চক্রের অবসান” এবং “কিশোরীদের ক্ষমতায়ন: ২০৩০ এর রোডম্যাপ”।

 

আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবসের তাৎপর্য:

শিক্ষা, পুষ্টি, জোরপূর্বক বাল্যবিবাহ, আইনি অধিকার এবং চিকিৎসার অধিকার সম্পর্কে সচেতনতার অভাবের মতো বিশ্বজুড়ে মেয়েরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয় সে সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করে।  প্রতি বছর দিবসটির থিম পরিবর্তিত হয়।
জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, “এখন সময়, আমাদের সবাইকে মেয়েদের কাজ, তাদের অধিকারের দায়িত্ব নিতে হবে।”  তাদের নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখতে হবে।  এটাই এই দিনের গুরুত্ব।

 

দিবসটি পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য :

 

লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা এই দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য।  অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে শিক্ষার অধিকার, পুষ্টি, আইনি সহায়তা এবং ন্যায়বিচার, চিকিৎসা সুবিধা এবং বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং জোরপূর্বক ও বাল্যবিবাহ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বাঁকুড়ার জেলার ছাতনা রাজবাড়ির দুর্গা পূজার ইতিহাস জানলে অবাক হবেনই হবেন।

বাঁকুড়ার জেলার এই রাজবাড়ির দুর্গা পূজার ইতিহাস জানলে অবাক হবেনই হবেন। বাঁকুড়ার ছাতনা রাজবাড়ীর দুর্গাপূজা একদম নিখুঁত ভাবে প্রথা মেনে করা হলেও কি কারণে রাজ পরিবারের সদস্যরা পুজোর পর আর মায়ের মুখ দেখেন না? কিজন্য যান না মায়ের মন্দির? কিভাবে সন্ধ্যে নামতেই চুপি চুপি হয়ে যায় বিসর্জন। কারণ গুলি জানতে পৌঁছে গেলাম ছাতনা রাজবাড়ীর বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহ দেও এর কাছে।

 

 

রাজপাট না থাকলেও, এদিন তিনিই সুন্দর করে বলে দিলেন সমস্ত ইতিহাস। বলে দিলেন সামন্ত ভুম ছাতনার সঙ্গে কুলদেবী মা বাসুলীর গভীর সম্পর্ক। বর্তমান রাজার মুখেই জানা গেল ঠিক কিভাবে সামন্ত ভুম ছাতনা এবং মল্লভূম বিষ্ণুপুরের মধ্যে এক বিবাদের জেরে শুরু হয়েছিল ৬০০ বছরের প্রাচীন ছাতনা রাজবাড়ির দুর্গাপুজো।

 

 

প্রদীপ সিংহ দেও জানান ছাপনার ভূমিপুত্র চারণ কবি বড়ু চন্ডীদাসকে কেন্দ্র করে চরম বিবাদ সৃষ্টি হয় বিষ্ণুপুর এবং সামন্ত ভুম ছাতনার মধ্যে। তারপর এই দৈব বিবাদ মেটাতে সন্ধি হয়। কথিত আছে সন্ধিতে উল্লেখ করা ছিল সামন্তভূমের কুলদেবী মা বাসুলি পুজিত হবেন বিষ্ণুপুরে এবং মল্লভূমের মা মৃন্ময়ীর আরাধনা হবে সামন্ত ভুম ছাতনায়। তখন থেকেই শুরু ছাতনা রাজবাড়ীর বিষ্ণুপুরি আদলে দুর্গোৎসব।

 

 

নিষ্ঠা ভরে পূজিত হন মা মৃন্ময়ী। নিজের হাতে পুজো করেন বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহ দেও। পূজার পর পুনরায় বাসুলি মন্দিরে গিয়ে পূজা সেরে নেন মানসিক শান্তির জন্য। নির্ঘণ্ট অনুযায়ী ছাতনার রাজবাড়িতে দুর্গোৎসব শেষ হলে মন্দিরে এসে মায়ের মুখ দেখেন না রাজ পরিবারের সদস্যরা।

 

 

বিসর্জনের দিন সময় হলে সূর্যাস্তের পর ছাতনার এক বিশেষ পাড়া থেকে জমা হন একাধিক মানুষ। বংশপরম্পরা অনুযায়ী বিগত ৬০০ বছর ধরে এনারাই করে আসছেন বিসর্জনের কাজ। বিসর্জনের সময় ঘরের ভেতরে থাকেন রাজ পরিবারের সদস্যরা। তাদের অজান্তেই হয়ে যায় মায়ের বিসর্জন।

 

 

একটি ছোট প্রতিবেদনে ছাতনা রাজবাড়ী, কুলদেবী মা বাসুলি এবং রাজবাড়ীর দুর্গাপুজোর পুরো পুঙ্খানুপুঙ্খ ইতিহাস তুলে ধরা সম্ভব নয়। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক কিংবদন্তি। প্রতিবছর ছাতনা রাজবাড়ীতে আগ্রহীরা জমা হন দূর দূরান্ত থেকে। জেনে নেন রাজবাড়ীর ইতিহাস এবং দুর্গাপুজোর কিংবদন্তিগুলি।

 

।।কলমে : আবদুল হাই,বাঁকুড়া।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১০ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১০ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস (১০ অক্টোবর) হল পৃথিবীর সকলের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতার দিন। এটি ১৯৯২ সালে প্রথমবার পালন করা হয়েছিল।কিছু দেশে একে মানসিক রোগ সচেতনতা সপ্তাহের অংশ হিসাবে পালন করা হয় ।

 

(খ) স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস।

 

(গ) আন্তর্জাতিক মৃত্যুদন্ড বিরোধী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – হেলেন হায়েজ, আমেরিকান অভিনেত্রী।

হেলেন হেইস ম্যাকআর্থার (অক্টোবর ১০, ১৯০০ – মার্চ ১৭, ১৯৯৩) ছিলেন একজন আমেরিকান অভিনেত্রী যার ক্যারিয়ার বিরাশি বছর বিস্তৃত ছিল।  তিনি শেষ পর্যন্ত “আমেরিকান থিয়েটারের ফার্স্ট লেডি” ডাকনাম পেয়েছিলেন এবং তিনি ছিলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি এবং প্রথম মহিলা যিনি একটি এমি, একটি গ্র্যামি, একটি অস্কার এবং একটি টনি পুরস্কার (একটি ইজিওটি) জিতেছিলেন।  এছাড়াও তিনি অভিনয়ের ট্রিপল মুকুট জয়ী প্রথম ব্যক্তি ছিলেন;  আজ অবধি, একমাত্র অন্য ব্যক্তিরা যারা উভয়ই সম্পন্ন করেছেন তারা হলেন রিটা মোরেনো এবং ভায়োলা ডেভিস।  হেইস ১৯৮৬ সালে রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রিগানের কাছ থেকে আমেরিকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডমও পেয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালে, তিনি ন্যাশনাল মেডেল অফ আর্টসে ভূষিত হন।

 

১৯০১ – আলবার্তো গিয়াকোমেটি, সুইস ভাস্কর ও চিত্রকর।

 

১৯০৬ – আর. কে. নারায়ণ, ভারতীয় লেখক।

রাসিপুরম কৃষ্ণস্বামী আইয়ার নারায়ণস্বামী (আর কে নারায়ণ নামেই বেশি পরিচিত; ১০ অক্টোবর ১৯০৬ – ১৩ মে ২০০১) একজন ভারতীয় লেখক এবং ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি কাল্পনিক দক্ষিণ ভারতীয় শহর মালগুডিতে তাঁর কাজের জন্য পরিচিত।  তিনি মুল্ক রাজ আনন্দ এবং রাজা রাও-এর সাথে ইংরেজিতে প্রাথমিক ভারতীয় সাহিত্যের একজন প্রধান লেখক ছিলেন।

 

১৯০৮ – সবুর খান, রাজনৈতিক পার্লামেন্টারিয়ান।

১৯১০ – দ্বারকানাথ কোটনিস, ভারতের পাঁচজন চিকিৎসকের মধ্যে একজন যাঁরা দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধের সময় চীনে চিকিৎসা সহায়তায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন।

১৯১২ – অনিল মুখার্জি, বাংলাদেশী লেখক এবং রাজনীতিবিদ।

১৯১৩ – ক্লাউডে সাইমন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মালাগাসি ফরাসি লেখক।

১৯১৬ – সমর সেন, ভারতীয় বাঙালি কবি এবং সাংবাদিক।

১৯২৪ – এড উড, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৩০ – হ্যারল্ড পিন্টার, সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ সাহিত্যিক।

১৯৩০ – ইভস চাউভিন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৩৫ – খলিল আল-ওয়াজির, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা।

১৯৩৬ – গেরহার্ড এরটল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৯৩৭ – সিরাজুল ইসলাম (অভিনেতা), বাংলাদেশী মঞ্চ, বেতার ও টিভির সুপরিচিত অভিনেতা।

১৯৪১ – কেন সারো-ওয়িওা, নাইজেরিয়া লেখক ও সমাজ কর্মী।

১৯৫৪ – ফার্নান্দো সান্টস, সাবেক পর্তুগিজ ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৫৭ – রুমিকো তাকাহাশি, জাপানি লেখক ও অঙ্কনশিল্পী।

১৯৬৬ – টনি আলেকজান্ডার অ্যডামস, সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

১৯৭৪ – জুলিও রিকার্ডো ক্রুজ, সাবেক আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

 

১৯৭৯ – নিকোলাস মাসু, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।

নিকোলাস আলেজান্দ্রো ম্যাসু ফ্রাইড ( জন্ম ১০ অক্টোবর ১৯৭৯), ডাকনাম এল ভ্যাম্পিরো (স্প্যানিশ, ‘দ্য ভ্যাম্পায়ার’), একজন চিলির সাবেক পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়। একজন সাবেক বিশ্ব নং একক, তিনি ২০০৪ এথেন্স অলিম্পিকে একক ও দ্বৈত স্বর্ণপদক জিতেছিলেন । ১৯৮৮ সালে অলিম্পিক টেনিসের পুনঃপ্রবর্তনের পর থেকে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি একই গেমসে উভয় স্বর্ণপদক জিতেছেন ,  এবং তারা চিলির মাত্র দুটি অলিম্পিক স্বর্ণপদক । মাসু ২০০৩ মাদ্রিদ মাস্টার্সের ফাইনালেও পৌঁছেছেন এবং ছয়টি একক শিরোপা জিতেছেন। তিনি ২০২০ ইউএস ওপেনের কোচ ছিলেন ২০১৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন এবং প্রাক্তন বিশ্ব নং 3 ডমিনিক থিয়েম ।

 

১৯৮২ – ইয়াসির আল-কাহতানি, সৌদি আরব ফুটবল।

 

১৯৮৬ – এজেকিয়েল গারাই, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।

এজেকিয়েল মার্সেলো গারাই গোন্সালেস (জন্ম ১০ অক্টোবর ১৯৮৬) একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার যিনি পর্তুগীজ ক্লাব এস. এল. বেনফিকা এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে খেলেন। ২০১১ সালে বেনফিকার হয়ে খেলছেন গারাই।

 

১৯৯১ – জারদান শাকিরি, সুইস ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৯৪ – বায় সূজী, দক্ষিণ কোরিয়ার গায়ক, ড্যান্সার ও অভিনেত্রী।

১৮১৩ – জুসেপ্পে ভের্দি, ইতালীয় সুরকার।

১৮২২ – নরেন্দ্রকৃষ্ণ দেব, কলকাতার শোভাবাজারের মহারাজা।

মহারাজা স্যার নরেন্দ্রকৃষ্ণ দেব বাহাদুর, কে.সি.আই.ই (English Maharaja Sir Narendrakrishna Deb, Bahadur, KCIE) (ইং ১০ অক্টোবর ১৮২২ – ২০ শে মার্চ ১৯০৩) কলকাতার শোভাবাজার রাজ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মহারাজা নবকৃষ্ণ দেবের পৌত্র ও রাজা রাজকৃষ্ণ দেবের পুত্র। [১]

 

১৮২৫ – পল ক্রুগার, দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট।

১৮৩০ – দ্বিতীয় ইসাবেলা, স্পেনের রানী।

১৮৪৪ – বদরুদ্দিন ত্যাবজী, অবিভক্ত ভারতের খ্যাতনামা বিচারপতি।

১৮৬১ – ফ্রিডটজফ নান্সেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নরওয়েজিয়ান এক্সপ্লোরার ও বিজ্ঞানী।

১৮৭০ – তিনকড়ি,বাংলা রঙ্গমঞ্চের অভিনেত্রী।

 

১৮৯৯ – শ্রীপাদ অমৃত ডাঙ্গে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ।

শ্রীপাদ অমৃত ডাঙ্গে, (১০ অক্টোবর ১৮৯৯ – ২২ মে ১৯৯১), ছিলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ যিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ভারতীয় ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের একজন অধ্যবসায়ী ছিলেন।  বিংশ শতাব্দীতে, কমিউনিস্ট এবং ট্রেড ইউনিয়ন কার্যকলাপের জন্য ডাঙ্গেকে কর্তৃপক্ষের দ্বারা গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং সামগ্রিকভাবে ১৩ বছরের জন্য জেলে রাখা হয়েছিল।

 

১৭৩১ – হেনরি ক্যাভেন্ডিস, ফরাসি ইংরেজি রসায়নবিদ, পদার্থবিদ ও দার্শনিক।

 

১৭৩৩ – রাজা নবকৃষ্ণ দেব,কলকাতার শোভাবাজার রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম দুর্গাপূজার সূচনা কারী।

নবকৃষ্ণ দেব (English Nabakrishna Deb) যিনি রাজা নবকৃষ্ণ দেব (ইং ১০ অক্টোবর ১৭৩৩- ২২ শে ডিসেম্বর ১৭৯৭) নামে বেশি পরিচিত ও শোভাবাজার রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। ১৭৫৭ সালে কলকাতায় নতুন তৈরি শোভাবাজার রাজবাড়িতে তিনি প্রথম দুর্গাপূজা শুরু করেন যা কলকাতা শহরের সবথেকে পুরোনো দুর্গাপূজা।

 

১৬৮৪ – জাঁ-আন্টইনে ওয়াটেয়াউ, ফরাসি চিত্রশিল্পী।

১৪৬৫ – প্রথম সেলিম, উসমানীয় খলিফা ও নবম উসমানীয় সুলতান।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০২ – হল্যান্ডের হেগ শহরে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম বৈঠক বা এজলাস অনুষ্ঠিত হয়।

১৯১১ – চীনে দু হাজার বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।

১৯১৩ – পানামা খালের গাম্বোয়া বাধ ভেঙে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর একাকার হয়ে যায়।

১৯১৭ – জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রাজিল যুদ্ধ ঘোষণা করে।

 

১৯১৯ – পানামা খাল খনন শেষ হয় এবং একে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

১৯৩২ – সোভিয়েত ইউনিয়নের নেভা নদীর উপর লেনিন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।

 

১৯৪২ – কবি কাজী নজরুল ইসলাম মস্তিক ব্যাধিতে আক্রান্ত (মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সুস্থ হননি) হন।

১৯৪৩ – চিয়াং কাই শেক চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৫৯ – আজেন্টিনায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬৪ – এশিয়ার প্রথম টোকিও অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬৭ – প্রায় ১০০ দেশের মধ্যে মহাশূন্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

১৯৭০ – দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপ দেশ ফিজি দ্বীপপুঞ্জ ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭১ – দিনাজপুরের চড়ারহাট গ্রামে হানাদার বাহিনী মেতে ওঠে হত্যাযজ্ঞে। প্রায় শতাধিক মানুষকে গভীর রাতে ঘুম থেকে তুলে একত্রিত করে নির্মমভাবে হত্যা করে তারা। তাদের মধ্য থেকে গুলিবিদ্ধ ১১ জন প্রাণে বেঁচে গেলেও শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় সেখানে। পাশের আন্দোল গ্রামটিও রেহাই পায়নি হানাদারদের হাত থেকে।

১৯৭২ – বঙ্গবন্ধুকে বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রদান করা হয়।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গিনি।

১৯৮৬ – সালভাদের ভুমিকম্পে দুই সহস্রাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯৭ – ফ্রান্সের ৪০ জাতি শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

 

১৭৫৬ – লর্ড রবার্ট ক্লাইভ মাদ্রাজ থেকে ৫টি যুদ্ধজাহাজে ৯০০ সৈন্য নিয়ে কলকাতা দখলের জন্য যাত্রা করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – সিরিমাভো বন্দরনায়েকে, শ্রীলঙ্কার ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ।

সিরিমা রাতওয়াত্তে দিয়াস বন্দরনায়েকে (১৭ এপ্রিল ১৯১৬ – ১০ অক্টোবর ২০০০), সাধারণত সিরিমাভো বন্দরনায়েকে নামে পরিচিত), ছিলেন একজন শ্রীলঙ্কার রাজনীতিবিদ।  ১৯৬০ সালে তিনি শ্রীলঙ্কার (তখন ডোমিনিয়ন অফ সিলন) প্রধানমন্ত্রী হয়ে বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৬০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি (SLFP) এর সভাপতিত্ব করেছিলেন এবং দুইবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন  প্রধান নির্বাহী হিসাবে, ১৯৬০ থেকে ১৯৬৫ এবং ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭, এবং আবার ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদ্ধতিতে, তার কন্যা চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার সভাপতিত্বে শাসন করছেন।

 

২০০৪ – ক্রিস্টোফার রীভ, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

২০০৫ – মিল্টন অবোটে, উগান্ডা রাজনীতিবিদ ও ২য় প্রেসিডেন্ট।

২০১০ – জোয়ান সুথেরলান্ড, অস্ট্রেলীয় সুইস সরু ও অভিনেত্রী।

 

২০১১ – জগজিৎ সিং, ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম গজল গায়ক।

জগজিৎ সিং (জন্ম জগমোহন সিং ধীমান; ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪১ – ১০ অক্টোবর ২০১১) ছিলেন একজন ভারতীয় সুরকার, গায়ক এবং সঙ্গীতজ্ঞ।  তিনি অসংখ্য ভাষায় রচনা করেছেন এবং গেয়েছেন এবং গজলের পুনরুজ্জীবন ও জনপ্রিয়তার জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয়, একটি ভারতীয় ধ্রুপদী শিল্প ফর্ম, জনসাধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক কবিতা বেছে নিয়ে এবং শব্দ ও সুরের অর্থের উপর আরও জোর দেওয়ার মাধ্যমে সেগুলি রচনা করে  তাদের দ্বারা উদ্ভূত.  ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পরিপ্রেক্ষিতে, তার রচনাশৈলী এবং গায়কি (গান) বোল-প্রধান হিসাবে বিবেচিত হয়, যা শব্দের উপর জোর দেয়।  তিনি প্রেম গীত (১৯৮১), আর্থ (১৯৮২), এবং সাথ সাথ (১৯৮২), এবং টিভি সিরিয়াল মির্জা গালিব (১৯৮৮) এবং কাহকাশান (১৯৯১) এর মতো চলচ্চিত্রের জন্য তার সঙ্গীতে এটি তুলে ধরেন।  সমালোচকদের প্রশংসা এবং বাণিজ্যিক সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিংকে সর্বকালের সবচেয়ে সফল গজল গায়ক এবং সুরকার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।  পাঁচ দশকের কর্মজীবন এবং অনেক অ্যালবামের সাথে, তার কাজের পরিসর এবং প্রস্থকে রীতি-সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

 

২০১৫ – রিচার্ড এফ. হেক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

২০১৯ – রাম মোহন, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শিক্ষামূলক জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র মীনার রূপদানকারী।

 

২০২১ – পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের।

আবদুল কাদের খান  (১ই এপ্রিল ১৯৩৬ – ১০ অক্টোবর ২০২১) পাকিস্তানে শ্রদ্ধাসহকারে মহসিন-ই-পাকিস্তান (উর্দু: محسن پاکِستان‎‎; আক্ষরিকভাবে: পাকিস্তানের উদ্ধারক), অতি জনপ্রিয় ডঃ এ. কিউ. খান, ছিলেন একজন পাকিস্তানি পরমাণু বিজ্ঞানী এবং একজন ধাতুবিদ্যা প্রকৌশলী।

 

২০২২ – মুলায়ম সিং যাদব, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও একসময়ের ভারতের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

মুলায়ম সিং যাদব (২২ নভেম্বর ১৯৩৯ – ১০ অক্টোবর ২০২২) ছিলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, একজন সমাজবাদী ব্যক্তিত্ব এবং সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।  ছয় দশকেরও বেশি সময়ব্যাপী তার রাজনৈতিক কর্মজীবনে, তিনি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিন মেয়াদে এবং ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।  দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্য, তিনি লোকসভার ময়নপুরী, আজমগড়, সম্বল ও কনৌজ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্বকারী সাতবারের সংসদ সদস্য, দশবার বিধানসভার সদস্য, বিধান পরিষদের সদস্য এবং বিরোধী দলের পদের নেতা ছিলেন  পাশাপাশি বেশ কয়েকবার।  প্রবীণ রাজনীতিবিদ ছিলেন ভারতীয় রাজনীতিতে তার সময়ের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, এবং পার্টির নেতা ও কর্মীরা প্রায়ই নেতাজি (অর্থাৎ হিন্দিতে সম্মানিত নেতা) এবং ধরতিপুত্র (মাতৃভূমির পুত্র) নামে পরিচিত ছিলেন।  ২০২৩ সালে, সমাজতান্ত্রিক নেতাকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হয়েছিল, যা ভারত সরকার কর্তৃক ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।

 

১৯১৩ – জাপান কাতসুরা তারো, জাপানি রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৩ – এডিথ পিয়াফ, ফরাসি গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৯৬৪ – গুরু দত্ত,বিংশ শতকের পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচালক,প্রযোজক ও অভিনেতা।

১৯৭১ – সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ, বাঙালি কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।

১৯৮৩ – রাফ রিচার্ডসন, ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৮৪ – আবদুল করিম আমিরি ফিরুজকুহি, ইরানের প্রখ্যাত কবি, গবেষক ও অধ্যাপক।

সাইয়্যেদ মোস্তফা কুলি মুনতাজাম আল-দাওলার পুত্র আমিরি ফিরুজকুহি ফিরুজকুহের ফারহাবাদে জন্মগ্রহণ করেন ।
তার পূর্বপুরুষরা করিম খানের শাসনামল থেকে কাজার শাসনের শেষ পর্যন্ত গভর্নর এবং সামরিক কমান্ডার ছিলেন , যাতে তাদের সকলের নাম আমির, যার অর্থ আমির বা রাজা । তার পিতা কাজার মুজাফ্ফর আল-দীন শাহের অধীনে একজন আধুনিকতাবাদী ছিলেন যিনি শাহের সাথে একজন সেনাপতি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে ইউরোপে গিয়েছিলেন, এইভাবে পশ্চিমা সভ্যতার সর্বশেষ অগ্রগতিগুলি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

 

১৯৮৪ – আয়াতুল্লাহ মীর্যা খলিল কামারেহয়ী, বিখ্যাত মুফাসসির ও অধ্যাপক।

১৯৮৫ – ইয়ুল বরয়নের, রাশিয়ান অভিনেতা।

১৯৮৫ – জর্জ অরসন ওয়েলস, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৯৪ – শেখ মোহাম্মদ সুলতান (এস এম সুলতান), বাংলাদেশী প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।

শেখ মোহাম্মদ সুলতান (১০ আগস্ট ১৯২৩ – ১০ অক্টোবর ১৯৯৪), এস এম সুলতান নামে পরিচিত, ছিলেন একজন বাঙালি ঔপনিবেশিক শিল্পী যিনি চিত্রাঙ্কন এবং অঙ্কনে কাজ করতেন।  তার খ্যাতি তার প্রাত্যহিক জীবনের ক্রিয়াকলাপে নিযুক্ত অতিরঞ্জিতভাবে পেশীবহুল বাংলাদেশী কৃষকদের তার আকর্ষণীয় চিত্রের উপর নির্ভর করে।  সুলতানের প্রথম দিকের কাজগুলি পশ্চিমা টেকনিক এবং ফর্মগুলি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল, বিশেষ করে ইমপ্রেশনিজম, তবে, তার পরবর্তী কাজগুলিতে বিশেষ করে, ১৯৭৬ সালে প্রদর্শিত কাজগুলিতে, আমরা আবিষ্কার করি যে তার শিল্প প্রযুক্তি এবং ফর্মগুলিকে উপনিবেশিত করার একটি ধ্রুবক প্রলোভন রয়েছে।

 

১৮২৭ – উগো ফস্কল, ইতালীয় লেখক ও কবি।

 

১৮৩৭ – চার্লস ফুরিয়ার, ফরাসি দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।

ফ্রাঁসোয়া মারি চার্লস ফুরিয়ার (৭ এপ্রিল ১৭৭২ – ১০ অক্টোবর ১৮৩৭) ছিলেন একজন ফরাসি দার্শনিক, একজন প্রভাবশালী প্রারম্ভিক সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ, এবং কল্পনিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।  তার কিছু মতামত, যাকে তার জীবদ্দশায় র্যাডিকাল বলে ধরে নেওয়া হয়েছে, আধুনিক সমাজে মূলধারায় পরিণত হয়েছে।  উদাহরণস্বরূপ, ফুরিয়ারকে ১৮৩৭ সালে নারীবাদ শব্দের উদ্ভবের কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

 

১৮৭২ – উইলিয়াম এইচ. সেওারড, আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ২৪ তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

১৬৫৯ – আবেল তাসমান, ডাচ বণিক ও এক্সপ্লোরার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস, জানব দিনটির গুরুত্ব।

স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস, অক্টোবর মাস ধরে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য প্রচারাভিযান যা স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাসব্যাপী প্রচারাভিযান জাতীয় স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পরিচিত।  স্তন ক্যান্সারের প্রতি ব্যাপক মনোযোগ আনার প্রথম সংগঠিত প্রচেষ্টা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 1985 সালের অক্টোবরে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি এবং ইম্পেরিয়াল কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ফার্মাসিউটিক্যালস (পরবর্তীতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার অংশ) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সপ্তাহব্যাপী ইভেন্ট হিসাবে ঘটেছিল।  তারপর থেকে, রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক সনাক্তকরণের পদ্ধতি সম্পর্কে লোকেদের শিক্ষিত করা এবং গবেষণায় সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহের প্রচারাভিযানগুলি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রসারিত হয়েছে।  আজ, অলাভজনক সংস্থা, সরকারী সংস্থা এবং চিকিৎসা সমিতি স্তন ক্যান্সার সচেতনতা প্রচারের জন্য একসাথে কাজ করে।

 

বিশ্বব্যাপী, স্তন ক্যান্সার সবচেয়ে সাধারণ  স্ক্রীনিং এবং চিকিত্সার বৈশ্বিক বৈষম্য, সেইসাথে বিশ্বব্যাপী এই রোগের ক্রমাগত উচ্চ ঘটনা, ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিক থেকে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা প্রচারে আন্তর্জাতিক আগ্রহের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করেছে।
স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস জুড়ে, বিজ্ঞান ফোরাম, শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম, এবং তথ্যমূলক প্যামফলেট এবং পোস্টারগুলি প্রচারের উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়
স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাসের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রতীক হল গোলাপী রঙ।  ১৯৯০ এর দশকে গোলাপী ফিতা সমর্থনের প্রাথমিক প্রতীক হিসাবে দাঁড়িয়েছিল।  যাইহোক, গোলাপী রঙটি বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে পোশাক, পোস্টার এবং ইন্টারনেট ওয়েব সাইটগুলি ব্যক্তিগত প্রদর্শনের জন্য এবং Estée Lauder, Inc., একটি সুগন্ধি এবং প্রসাধনী কোম্পানি, গ্লোবাল ইলুমিনেশন চালু করেছে, একটি প্রকল্প যেখানে প্রধান বিশ্ব  স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাসের সমর্থনে অক্টোবরে এক বা তার বেশি দিনের জন্য ল্যান্ডমার্কগুলিকে গোলাপী আলোয় আলোকিত করা হয়।  আলোকিত ল্যান্ডমার্কের মধ্যে রয়েছে সিডনি অপেরা হাউস, নায়াগ্রা জলপ্রপাত, ব্র্যান্ডেনবার্গ গেট, এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং, তাইপেই ১০১ বিল্ডিং এবং লন্ডনের টাওয়ার।

স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাসের প্রকাশ্য বাণিজ্যিকীকরণ স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের সমাধান হিসেবে ম্যামোগ্রাফির সমালোচনার উৎস।  সমালোচকরা দাবি করেন যে অক্টোবর মাসটি মহিলাদের ম্যামোগ্রাফি করতে উত্সাহিত করার বিষয়ে আরও বেশি হয়ে উঠেছে, স্তন ক্যান্সারের কারণ, প্রতিরোধ এবং চিকিত্সা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ আলোচনার চেয়ে ম্যামোগ্রাফি প্রযুক্তি সরবরাহকারী সংস্থাগুলির জন্য স্ক্রীনিং প্রোগ্রামগুলি ব্যয়-কার্যকর থাকে তা নিশ্চিত করে৷  অধিকন্তু, স্তন ক্যান্সার সচেতনতা প্রচারণাগুলি নারীদের স্টিরিওটাইপিং এবং বস্তুনিষ্ঠ করার জন্য এবং স্তন ক্যান্সারের সম্পূর্ণ নারীকরণের জন্য সমালোচিত হয়েছে, গোলাপী পণ্যগুলির অত্যধিক বিপণন এবং এই পণ্যগুলি থেকে স্তন ক্যান্সার গবেষণা বা সম্পর্কিত কারণগুলিতে দান করা হয় সামান্য বা কোন অর্থ।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This