Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আধুনিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ড্রামাটিক হিরো সাজতে গিয়ে প্রতারণার চোরাবালিতে গুলিয়ে যাচ্ছে সাধারণের সাধ ও সাধ্যের সীমানা : সৌগত রাণা কবিয়াল।

সময়টা আশির দশকে..
কলকাতার অলিগলিতে পুজো পুজো গন্ধ… শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়েদের মনে তখন দারুণ রোমাঞ্চ… বাড়ির বড়দের হাত ধরে শহরের হাতে গোনা বড় পোষাক বিতানের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভেতরে ঢুকেই এক স্বপ্নের জগতে…মনের মতন ঝলমলে পোশাক….ঠিক যেমনটা সিনেমায় দেখায়…! পাশাপাশি নিন্মবিত্তের জন্য পুরোনো কোলকাতার ফুটপাতের টিনের চালা মার্কেট…বোম্বের হালফ্যাশন ডিজাইনের রকমারি পোশাক….যেমন খুশী চাই….!
সেই সময়টাতে নতুন কিছু কেনা মানেই সাতদিন ধরে বাবার মাথার হাজার খানেক পাঁকা চুল বেছে দিয়ে তারপর রবিবার সন্ধ্যায় পাথর পাতা রেললাইন পার হতে হতে চোখে দারুণ এক সুখ নিয়ে বাড়ি ফেরা…! সব মিলিয়ে সাধ আর সাধ্যের মাঝে একটা সুন্দর অপেক্ষা….!

আজকের সময়ে এই গল্পটা গল্প ভেবে বললেও পাঁচ বছরের বুচুও চোখের চশমা উপরে টানতে টানতে বলবে “এমা এ আবার কেমনতর গল্প…গল্পে এমন হয় নাকি ?”….. কি করেই বা হবে…আজকের বুচুদের গল্পে যে যাদুর হ্যারি পটারের ম্যাজিক স্টিক…ভাবার সাথে সাথেই হাতের মুঠোয় সব ইচ্ছে….!
ইচ্ছে পুরণের এমন যুগে অপেক্ষা মানেই অহেতুক সময় নষ্ট…অপেক্ষা মানেই সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যকডেটেড… অপেক্ষা মানেই আদিকালের চাষাপোনা….!

সত্যিই তো…
আজকের পৃথিবীতে সময় রাজা মানুষকে তার সেরা মুহুর্ত উপহার দিয়েছে সভ্যতার সাথে বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে…! প্রতিদিনের জীবনে ভোর থেকে মধ্যরাত….দারুণ দারুণ সব ম্যাজিক…গোটা জীবনটাই এখন আস্ত একটা যাদু….!

গৃহকোণের চাল-ডাল থেকে উচ্চ- মধ্যবিত্তের আয়েসি জীবনধারা…
মানুষের জীবনযাত্রার এই স্বপ্নময় উৎযাপন প্রযুক্তির কল্যাণে আজকের এই সময়ে খেটে খাওয়া নিন্মবিত্তেরও হাতের মুঠোয় দারুণ ফিট….! অথচ, প্রযুক্তির এই চোরা ফাঁদে সাধ আর সাধ্যের মিলন ঘটাতে গিয়ে টান পড়ছে সাধের সঞ্চয়ে…! তীব্র গতিময় আজকের সভ্যতায় নিজের দৃষ্টির সীমানায় সফল হতে গিয়ে অসাবধানে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক-বিষন্নতার জীবন পরিণত হচ্ছে এক নেশাতুর সম্মোহনে…!

হ্যাঁ, আজকের বাজারে হাতের মুঠোয় সব পেয়ে যাওয়ার অমৃত এই সুখের ইচ্ছেতেই অদৃশ্য মরণ ফাঁদ পেতে আমাদের দেশের প্রযুক্তিতে স্বল্প জ্ঞানী মানুষের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে গড়ে উঠেছে বছরে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের দেশী-বিদেশী এই প্রতারণা বানিজ্য….! এই বানিজ্যের বিকিকিনির হাটে কেও কেও বোকা ব্রয়লার হয়ে বিক্রি হচ্ছে হাতে হাতে…! হাতের মুঠোয় পৃথিবী দেখতে দেখতে মাথায় হাত বোলানোর শেয়ালটার হাতে তুলে দিচ্ছে নিজের যত্নের সন্তান….!

কোভিড ও বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির নব সমীকরণের ধাক্কায় অধুনা সময়ে সারা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও অর্থনীতিতে ভারতের মেধা দীপ্ত সফলতার সাথে বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রযুক্তি নির্ভর অর্থ ব্যবস্থাপনায় বা  ই-কমার্স খাতে সাধারণ মানুষের ব্যপক বৈপ্লবিক অংশগ্রহণে দেশে যেমন অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর আধুনিকায়ন হচ্ছে, তেমনই প্রত্যাশিত এই পরিবর্তনের ভেতর লুকিয়ে থাকা সাময়িক দূর্বলতার সুযোগে বাড়ছে দেশি-বিদেশি দুষ্টচক্রের রমরমা ই-বানিজ্য…!

মূলধারার অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্রমবর্ধমান এই সমস্যার মূল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সুরক্ষাব্যবস্থা নেয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে…! নইলে যে পন্ডিত খুঁজতে গা উজাড় অবস্থা…!

উন্নয়নশীল থেকে উন্নত মার্গে পরিনত হতে যাওয়া আজকের ভারতে আধুনিক সভ্যতায় প্রযুক্তির দ্রুততম গতির সাথে ছন্দ মেলাতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছে দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ…! উন্মুক্ত এই বিশ্ব জুড়ে নিজেদের জীবনে প্রযুক্তিকে অতি দ্রুত অপরিহার্য করতে গিয়ে মানুষ হোঁচট খাচ্ছে তার অপরিপক্ক প্রযুক্তি জ্ঞান নিয়ে…! দেশের বিশাল সংখ্যার তরুণ প্রজন্ম মুঠোফোনের তথাকথিত ড্রামাটিক হিরো সাজতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলছে নিজের সাধ আর সাধ্যের সীমানা…! নিজেকে প্রমাণ করার ক্রমবর্ধমান মানুষিক চাপ নিয়ে নিজেদের পাশের মানুষের চাইতে ভরসা করছে টেকনোলজির কিছু সংখ্যাকে…! বিগত দুই দশকের প্রজন্মের উপর আমরা যে পরিমাণ আশা চাপিয়ে দিয়েছি..ঠিক সেই পরিমাণই জটিল করে তুলছি আমরা আমাদের আগামী শতক…!

এখন আমাদের খুঁজে বের করতে হবে যে অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই সময়ে মানুষ জেনে–বুঝে কেন এসব প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছেন…? তবে কি ভার্চুয়াল প্রেমে সোফিয়ার কোলে আগামী প্রজন্মের শুভ উৎপাদন….!

আসলে পণ্য বেচাকেনার এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটিতে স্বল্প পুঁজির  ব্যবসায় অতী দ্রুত লাভবান হওয়ার নেশায় মত্ত বিক্রেতাদের প্রযুক্তিগত অজ্ঞতা ও স্বচ্ছতার অভাবের সাথে দেশের প্রযুক্তি মুখি কিন্তু অপারদর্শী ক্রেতার সমন্বয়ই দেশের ই-কমার্সের এই বৈপ্লবিক অগ্রযাত্রাকে ভয়ংকর ভাবে বাঁধাগ্রস্ত করছে…! কিছুটা এই গরমে পঁচা আমের আমসত্ত্ব আরকি…!

বর্তমানে ই-কমার্সের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা স্বত্তেও একটি বড় সংখ্যার বিনিয়োগকারী কোন নিয়মনীতির ধার ধারছে না…!ব্যবসার অনুমতির জন্য লাইসেন্স সংগ্রহ করা, শিপিং ও ডেলিভারি পলিসি, রিফান্ড পলিসি, অনলাইন প্লাটফর্মে পণ্য সম্পর্কে ক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিতকরণ, ক্রেতাদের তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা প্রদান, বয়স ও লিঙ্গসমতা নিশ্চিতকরণ, কোম্পানির সম্পদ ও দায়ের সীমা, মৌলিক ব্যবসায়িক নীতি মেনে চলা….একটি কোম্পানি বা প্লাটফর্মকে ই-কমার্স হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য উল্লিখিত মৌলিক সব বিষয় মেনে চলতে হয় বাস্তবে যার প্রয়োগ কিনা আশংকাজনক ভাবে কম…!

বর্তমানে দেশে অনলাইন ব্যবসা নিয়ে যে বিতর্ক, অনিশ্চয়তা আর আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে, তার পেছনে অন্যতম মূল কারণ হলো ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েরই বুঝে কিংবা না বুঝে ই-কমার্সের মৌলিক নীতিগুলো অনুসরণ না করা…!
অভিযোগগুলোর মধ্যে নির্ধারিত সময়ে অর্ডারকৃত পণ্য শিপিং ও ডেলিভারি না করা, অনলাইনে পণ্যের শিপিং স্ট্যাটাসের সঙ্গে বাস্তবতার অমিল এবং রিফান্ড করার ক্ষেত্রে গ্রাহক হয়রানি অন্যতম…! এসব বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে প্রতিকারে এই নীতিমালার সঠিক নজরদারির অভাবে ই-কমার্সে সংশ্লিষ্ট বড় সংখ্যার ছোটো বড় মাঝারি কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায়নি… ই-কমার্স প্লাটফর্মে বিক্রির জন্য পণ্যের অরিজিন ও জেনেরিক নাম, উপাদান, উৎপাদকের নাম-ঠিকানা, তারিখ, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ইত্যাদি প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা ক্রেতা অধিকার…যা কিনা অপূর্ণ থেকে যায় অনলাইনের রংচঙয়ে বিজ্ঞাপনের ফাঁদে ক্রেতাদের ভেসে যাওয়া আবেগের কাছে…!

সারা ভারতের ব্যস্ততম শহরগুলোর পাশাপাশি ও তার আশেপাশে কর্পোরেট অফিস পাড়ায় গজিয়ে উঠছে কল সেন্টারের রমরমা ব্যবসা…যার মাধ্যমে অনলাইনে বিনোদন ব্যাস্ত মানুষের বিশ্বাসযোগ্য স্বপ্ন দেখিয়ে লুট হচ্ছে  সাধারণ মানুষের পরিশ্রমের অর্থ…!
প্রযুক্তি নির্ভর আজকের তরুণদের এই স্বেচ্ছা একাকিত্বের সময়ে যেখানে চমকদার বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে তাদের জীবনের নিয়ামক, সেখানে অবশ্য নীতিমালার কিছু নিয়ম বাড়িয়ে দিলেই যে কেল্লাফতে তা ভাবাটা চরম মূর্খতাই বটে…!

আসলে অধুনা ভারতের মাত্রাতিরিক্ত গন চাপে জনতা যেখানে তার মুল্য বুঝতে ভুলছে…সেখানে দাঁড়িয়ে একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য জেনারেল পিতামাতার স্কয়ার ফুটের শহুরে জীবনে সফলতা একমাত্র পরিমাপক যেখানে শুধুই ই-এম-আই নির্ভর দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠা…সেখানে স্বল্প সময়ে আম্বানি রাজার গল্প শুনিয়ে শুনিয়ে প্রজন্মের কাছে একটা বিশাল স্বপ্নের বালুর পিরামিড তৈরির লোভনীয় দৃশ্যটিতে এখন জমজমাট ভিউয়ার…! হ্যামিলনের ইঁদুরের মতন তরুণ সমাজ ছুটছে ইঁদুর ফুলে গণেশ অবতার হবে বলে…! অতিথি হিসেবে এইসব প্রতারণার জলসায় নিয়মিত পাপেট হিরোদের লম্ফঝম্প… সুচতুর ভাবে প্রযুক্তির সুখী সময়টাকে অসুখী করে তুলছে বড় ছোট সব বানিজ্যিক দানবেরা…..!
শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও প্রয়োগ জ্ঞানের অভাবে দেশের আগামী জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশের কাছে প্রযুক্তি মানেই কেবলমাত্র সুস্থ কিংবা অসুস্থ বিনোদন…! বর্তমানে আমাদের দেশের দুটি প্রজন্ম আকস্মিক ভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দ্বিধাগ্রস্থ…! আধুনিক শহুরে বিলাসিতায় হঠাৎ নি:সঙ্গ হয়ে পরা প্রবীণ সমাজ ও প্রযুক্তি অজ্ঞ একটি বিরাট সংখ্যার তরুণ প্রজন্ম… অনলাইন নির্ভর পেটমোটা বনিকদের কাছে যারা খুব সহজ শিকার…!

স্বম্পর্কের গণিতে একলা চলাই যে সময়ের মানব মন্ত্র… সেই সময়ে বড্ড বেশি করে আরও একটি বার অপেক্ষার মুল্য বোঝার দিনের দরকার…! যেখানে ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড় হওয়া বিলিয়নিয়ার থেকে দেশের যুবকদের কাছে সুপার হিরো এলন মাস্ক…সেখানে  বিশ্ব অর্থনীতিতে নিত্য নতুন প্রযুক্তি সংযোজন মানুষকে দ্বিধাগ্রস্থ করবে এটাই স্বাভাবিক…!
আধুনিক ভারতের পরিবার ও সমাজে ফিরিয়ে আনতে হবে ঐতিহ্যগত ভারতের পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ…. কেননা জীবনের সফলতা মানেই যে শুধু মানুষের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠা তা নয়…এর বাইরেও জীবনের বহু ক্ষেত্রে মানুষের সফলতার মানদণ্ড আছে…! একমাত্র সঠিক মানবিক দৃষ্টিকোণই মানুষকে ঠিক-বেঠিক এর তফাৎ বোঝাতে পারে….! তবেই প্রযুক্তির প্রতি অন্ধ মায়া থেকে বেড়িয়ে আজকের নাগরিকেরা তাদের জীবনে প্রযুক্তির অপরিহার্যতার মাত্রা স্ব-ইচ্ছায় নির্ধারণ করতে পারবে… আর তাতে অধুনা ভারতের প্রযুক্তি নির্ভর অর্থনৈতিক মহা মঞ্চটি থেকে নির্বাসন হতে পারে প্রতারণা নামক এই সায়ানাইড বন্ধুটি….!

বি:দ্র:- প্রবন্ধটির কপিরাইট লেখক ও ডেইলি হান্ট দ্বারা সংরক্ষিত |

 

সৌগত রাণা কবিয়াল—
( কবি সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক )

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া দিবসের গুরুত্ব ও তার সমাজিক প্রভাব।

ভূমিকা—

 

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ডে (IDUS) প্রতি বছর ২০ সেপ্টেম্বর পালিত হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ফেডারেশন (FISU) দ্বারা প্রস্তাবিত, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) দ্বারা অনুমোদিত। IDUS একটি বহুবিষয়ক শিক্ষামূলক প্রকল্পের কাঠামোর মধ্যে পড়ে যা সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সংখ্যালঘুদের একীকরণ এবং অ্যান্টি-ডোপিং, অসংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার লক্ষ্যে শারীরিক ও ক্রীড়া শিক্ষা কার্যক্রম, ক্রীড়া সুবিধা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়।  শারীরিক শিক্ষা এবং খেলাধুলার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণার চলমান বিকাশ, জ্ঞান অর্জন এবং স্থানান্তর এবং সর্বোপরি, স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে সামাজিক ও অর্থনৈতিক নীতি বিবেচনায় নিয়ে।

 

কার্যকলাপ—

 

দিবসটির মূল লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে খেলাধুলার গুরুত্ব এবং নাগরিকদের সেবায় মানসম্পন্ন শারীরিক ও ক্রীড়া শিক্ষাকে একীভূত ও বিকাশের জন্য দায়িত্বশীল অভিনেতা হিসাবে সম্প্রদায়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ভূমিকা নিশ্চিত করা।  প্রতি বছর ২০ সেপ্টেম্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েশন, ক্লাব এবং অংশীদারদের নেটওয়ার্কের জন্য ধন্যবাদ, FISU একাডেমিক বিশ্বকে একত্রিত করবে।  ইভেন্টগুলি অবসরকালীন ক্রীড়া কার্যক্রম, প্রতিযোগিতা, আলোচনা কর্মশালা এবং সব বয়সের নাগরিকদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করবে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা—

 

আজকের এবং আগামীকালের নাগরিকদের শিক্ষার সাথে সম্পূর্ণরূপে একত্রিত, মানবিক, সামাজিক এবং নাগরিক মূল্যবোধের ভেক্টর হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার ক্রীড়া জগতে একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
খেলাধুলাকে শিক্ষক এবং ছাত্রদের মধ্যে কথোপকথনের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে, ইউনেস্কো এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ফেডারেশন দ্বারা পালিত আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া দিবসের লক্ষ্য হল তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এবং তাদের মাধ্যমে, সমগ্র সমাজে এই মূল্যবোধগুলিকে উন্নীত করা।
কথোপকথন, আত্মসম্মান এবং অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা, ন্যায্য খেলা এবং শ্রেষ্ঠত্বের অন্বেষণ এই সমস্তই ছাত্র প্রশিক্ষণের প্রণয়ন নীতি।  শিক্ষা এবং খেলাধুলা আমাদের সমাজের মূলে থাকা দরকার এবং এই দিবসটি খেলাধুলাকে সবার জন্য উপলব্ধ করে এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে উৎসাহিত করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সামাজিক ভূমিকা এবং তাদের পাঠ্যক্রম তুলে ধরার জন্য একটি ফোরাম প্রদান করে।

 

ইতিহাস—-

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ফেডারেশন ( FISU ) দ্বারা ইউনেস্কোর কাছে প্রস্তাবিত, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৫ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলন দ্বারা ঘোষণা করা হয়েছিল। এটি প্রথম ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ এটি শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারের শুরুর সাথেই নয়, ১৯২৪ সালে প্রথম বিশ্ব ছাত্র চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর সাথেও মিলে যায়।

 

দিবসটির লক্ষ্য —

দিবসটির লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি সমাজের সেবায় ক্রীড়া শিক্ষাকে একীভূত করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সামাজিক ভূমিকা তুলে ধরা । বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার আন্তর্জাতিক দিবস খেলাধুলাকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখে , খেলাধুলার মূল্যবোধকে প্রচার করে।

 

গুরুত্ব—

 

মানসম্পন্ন শারীরিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি অপরিহার্য ভূমিকা রয়েছে।  এগুলি আত্ম-বিকাশের জন্য, বিশ্ব সম্পর্কে এবং নাগরিকত্ব সম্পর্কে শেখার জায়গা, তবে তাদের অবশ্যই কাউকে পিছিয়ে রাখতে হবে না – কারণ প্রত্যেকের, তাদের অবস্থা বা স্বাস্থ্যের অবস্থা নির্বিশেষে, এক বা একাধিক খেলাধুলা অনুশীলন করার অধিকার থাকা উচিত,  একটি বিনোদনমূলক বা প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে।

 

উপসংহার—

 

তাই FISU-এর সহযোগী অংশীদার হিসাবে, EUSA আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া দিবসের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, এবং  ছাত্র ক্রীড়াবিদ, EUSA সদস্য এবং অংশীদার, বিশ্ববিদ্যালয়, রাষ্ট্রদূত, ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের – বছরের পর বছর ধরে এই উদ্যোগে অংশ নিয়ে চলেছে  , এবং প্রতি বছর ২০ সেপ্টেম্বর উদযাপন চালিয়ে যেতে যতটা সম্ভব অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করে চলেছে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া দিবস।

ইউনিভার্সিটি স্পোর্টের আন্তর্জাতিক দিবস হল একটি জাতিসংঘের শিক্ষাগত, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ( UNESCO ) ছুটির দিন যা প্রতি বছর ২০ সেপ্টেম্বর পালিত হয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৪৩ – সানি আবাচা, নাইজেরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি।

সানি আবাছা জিসিএফআর ( ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩ – ৪ জুন ১৯৯৮) একজন নাইজেরিয়ান সামরিক কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি ১৯৯৩ ক্ষমতা দখল করার পর ১৯৯৮ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্তসামরিকরাষ্ট্রের প্রধান।নাইজেরিয়ার সামরিকইতিহাসেএটি।

 

১৯৪৮ – মহেশ ভাট, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

মহেশ ভাট (জন্ম ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮) একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার যিনি হিন্দি সিনেমায় তার কাজের জন্য পরিচিত।  তার আগের সময়ের একটি স্ট্যান্ড-আউট ফিল্ম হল সরানশ (১৯৮৪), ১৪ তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।  এটি সেই বছরের জন্য সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্রের জন্য একাডেমি পুরস্কারের জন্য ভারতের অফিসিয়াল এন্ট্রি হয়ে ওঠে। ১৯৮৬ সালের ছবি নাম ছিল তার বাণিজ্যিক সিনেমার প্রথম অংশ।  ১৯৮৭ সালে, তিনি তার ভাই মুকেশ ভাটের সাথে “বিশেষ ফিল্মস” ব্যানারের অধীনে কাবজা চলচ্চিত্রের প্রযোজক হন।

 

১৯৫২ – শেখর বসু,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি পরমাণু বিজ্ঞানী।

শেখর বসু ছিলেন একজন ভারতীয় পরমাণু বিজ্ঞানী যিনি পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ভারত সরকারের পরমাণু শক্তি বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

 

১৯৫৭ – বলিউডের ‘মন কি আওয়াজ প্রতীজ্ঞা’ খ্যাত ভারতীয় অভিনেতা অনুপম শ্যাম। 

অনুপম শ্যাম ওঝা (২০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭ – ৮ আগস্ট ২০২১) ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা, যিনি সাধারণত খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করতেন। তিনি স্টার প্লাস টিভি সিরিজ মন কি আওয়াজ প্রতিজ্ঞা (২০০৯ এবং ২০২১) এ সজ্জন সিং ঠাকুরের চরিত্রে উপস্থিত হয়েছিলেন । তা ছাড়া, তিনি লাজ্জা , নায়ক , দুবাই রিটার্ন , পারজানিয়া , হাজারন খোয়াইশেন এমনি (২০০৫), শক্তি: দ্য পাওয়ার , ব্যান্ডিট কুইন , আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত সিনেমা স্লামডগ মিলিয়নেয়ার- এর মতো ছবিতে কাজ করেছেন।(২০০৮) এবং ভারতে সেট করা অসংখ্য আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি সর্বশেষ স্টার ভারত -এর জনপ্রিয় ধারাবাহিক মন কি আওয়াজ প্রতিজ্ঞা 2- এ উপস্থিত হয়েছিলেন ।

 

১৮৩৩ – এর্নেস্তো তেওদরো মোনেতা, ইতালীয় সাংবাদিক, জাতীয়তাবাদী, বিপ্লবী সৈনিক ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ইতালীয় মানব-হিতৈষী।

এর্নেস্তো তেওদরো মোনেতা (ইতালীয়: Ernesto Teodoro Moneta; ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৮৩৩, মিলান, লোম্বার্দিয়া-ভেনেৎসিয়া রাজ্য – ১০ই ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮) একজন ইতালীয় সাংবাদিক, জাতীয়তাবাদী, বিপ্লবী সৈনিক ও পরবর্তীতে একজন শান্তিবাদী ছিলেন যিনি ১৯০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – চেক প্রজাতন্ত্রে সফল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

২০০১ – রাজধানী ঢাকায় রিকশার বিকল্প হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে ‘সিটি সার্কুলার সার্ভিস’ চালু।

২০০৫ – যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবায় হ্যারিকেন রিটার তাণ্ডব।

১৯৪৬ – প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব তথা কান চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯৬৪ – আফগানিস্তানের জাতীয় সংসদ নতুন সংবিধান অনুমোদন করে।

১৯৭০ – সোভিয়েত রকেট লুনা-১৬ চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে।

১৯৭৩ – নারী টেনিস খেলোয়াড় বিলি জিন কিং লন টেনিস খেলার লিঙ্গের যুদ্ধ নামক মুখোমুখি ম্যাচে পুরুষ টেনিস খেলোয়াড় ববি রিগস্‌কে পরাজিত করেন।

১৯৯২ – আহসান মঞ্জিল জাদুঘর সাধারণ দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

 

১৯৯৯ – বিল ক্লিনটন ৯ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে আসেন।

উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন একজন আমেরিকান রাজনীতিবিদ যিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২ তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একজন সদস্য, তিনি পূর্বে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ এবং আবার ১৯৮৩ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আরকানসাসের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

 

১৮৬৭ – হাঙ্গেরীকে অষ্ট্রিয়ার সাথে একিভূত করে বৃহৎ অষ্ট্রিয়ান সাম্রাজ্য গঠন করা হয়।

১৮৩১ – বাষ্পচালিত প্রথম বাস নির্মাণ করা হয়।

 

১৮৩৩ – চার্লস ডারউইন ঘোড়ায় চড়ে বুয়েনস আইরেস যাত্রা করেন।

চার্লস ডারউইন ঊনিশ শতকের একজন ইংরেজ জীববিজ্ঞানী। তিনিই প্রথম প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিবর্তনবাদের ধারণা দেন। তিনিই সর্বপ্রথম অনুধাবন করেন যে সকল প্রকার প্রজাতিই কিছু সাধারণ পূর্বপুরুষ হতে উদ্ভূত হয়েছে এবং তার এ পর্যবেক্ষণটি সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন।

 

১৮৩৯ – নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম থেকে হার্লেম পর্যন্ত রেলপথ খুলে দেওয়া হয়।

১৮৫৪ – অবিভক্ত বাংলায় প্রথম ডাকটিকেট বিক্রি শুরু হয়। ডাকটিকেটের চিত্রশিল্পী ছিলেন নুমারউদ্দীন।

১৮৫৭ – বিদ্রোহী সিপাহিদের হাত থেকে ব্রিটিশ সেনারা দিল্লি পুনর্দখল করে নেয়।

১৮৬৩ – জার্মান ভাষাতাত্ত্বিক, আইনজ্ঞ ও পুরাণবেত্তা ইয়াকপ গ্রিম মৃত্যুবরণ করেন।

১৮৭০ – ইতালির সেনাবাহিনী ফ্রান্সের কাছ থেকে রোম শহর দখল করে।

১৮৭৮ – দ্য হিন্দু ইংরাজী ভাষার সংবাদপত্র জি এস আয়ারের সম্পাদনায় প্রথম ভারতের চেন্নাই শহরে প্রকাশিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – বুরহানউদ্দিন রব্বানী, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট।

বুরহানুদ্দিন রব্বানী (২০ সেপ্টেম্বর ১৯৪০ – ২০ সেপ্টেম্বর ২০১১) ছিলেন একজন আফগান রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষক যিনি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং আবার নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০০১ পর্যন্ত (১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত নির্বাসনে)।

 

১৯৩৩ – অ্যানি বেসান্ত,ব্রিটিশ সমাজতান্ত্রিক, ব্রহ্মজ্ঞানী, নারী অধিকার আন্দোলনকারী, লেখক, বাগ্মী, এবং আইরিশ ও ভারতীয় স্বায়ত্ব শাসনের সমর্থক।

অ্যানি বেসান্ত, বিবাহপূর্ব উড (১লা অক্টোবর ১৮৪৭ – ২০শে সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), একজন প্রাক্তন ব্রিটিশ সমাজতান্ত্রিক, ব্রহ্মজ্ঞানী, নারী অধিকার আন্দোলনকারী, লেখিকা, বাগ্মী, এবং আইরিশ ও ভারতীয় স্বায়ত্বশাসনের সমর্থক।

 

১৯৭১ – নোবেলজয়ী গ্রিক কবি জর্জ সেফেরিস।

জিওরগোস বা জর্জ সেফেরিস ( মার্চ ১৩ [ OS ফেব্রুয়ারি ২৯] ১৯০০ – সেপ্টেম্বর ২০, ১৯৭১), ছিলেন একজন গ্রীক কবি এবং কূটনীতিক । তিনি ২০ শতকেরঅন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রীক কবি এবং নোবেল বিজয়ী ছিলেন।

 

১৯৮৬ – প্রবোধচন্দ্র সেন, বাঙালি ঐতিহাসিক, ছন্দবিশারদ ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ।

প্রবোধচন্দ্র সেন (ইংরেজি: Prabodhchandra Sen) ( ২৭ এপ্রিল, ১৮৯৭ – ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬), প্রখ্যাত বাঙালি ছান্দসিক, রবীন্দ্র-বিশেষজ্ঞ ও ঐতিহাসিক । ঊনিশ শতকের যুক্তিবাদ, মানবতাবাদ এবং সাংস্কৃতিক চেতনার ধারক ছিলেন তিনি।

 

১৯৯৬ – পল এর্ডশ, একজন অতিপ্রজ (prolific) হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ।

পল এর্ডশ একজন প্রতিভাবান, বহুলপ্রজ হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ। তিনি শত শত সহযোগীর সাথে গুচ্ছ-বিন্যাসতত্ত্ব, গ্রাফ তত্ত্ব, সংখ্যাতত্ত্ব, ধ্রুপদী বিশ্লেষণ, আসন্ন মান নির্ণয় তত্ত্ব, সেটতত্ত্ব ও সম্ভাবনা তত্ত্বের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গবেষণা করেছেন।

 

 

১৮৬৩ – ইয়াকপ গ্রিম, জার্মান ভাষাতাত্ত্বিক, আইনজ্ঞ ও পুরাণবেত্তা।

জ্যাকব লুডউইগ কার্ল গ্রিম (৪ জানুয়ারী ১৭৮৫ – ২০ সেপ্টেম্বর ১৮৬৩), যিনি লুডভিগ কার্ল নামেও পরিচিত, ছিলেন একজন জার্মান লেখক, ভাষাবিদ, ফিলোলজিস্ট, আইনবিদ এবং লোকসাহিত্যিক।  তিনি ভাষাতত্ত্বের গ্রিমের আইন প্রণয়ন করেছিলেন এবং তিনি ডয়েচে ওয়ার্টারবুচের সহ-লেখক, ডয়েচে মিথোলজির লেখক এবং গ্রিমস ফেয়ারি টেলস-এর সম্পাদক ছিলেন।  তিনি ছিলেন উইলহেম গ্রিমের বড় ভাই;  একসাথে, তারা ছিলেন ব্রাদার্স গ্রিম নামে পরিচিত সাহিত্যিক জুটি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা রিভিউ

হস্তচালিত তাঁতের কাপড়ে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন রানাঘাটের মেয়ে শান্তিপুরের গৃহবধূ মান্ডবী চক্রবর্তী।

পুজোয় এই বার নতুন চমক  হস্তচালিত তাঁতের কাপড় চাহিদা ভালই ।সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ট উৎসব দুর্গাপুজো। এই বছর একটু বেশি উৎসাহ বিগত দুই বছর করোনা পরিস্থিতিতে সেই ভাবে আনন্দে সামিল হতে পারিনি তাই এই বছর একটু বেশি উৎসাহিত দুর্গাপুজো উপলক্ষে। নদীয়ার  হস্ত চালিত তাঁতের অবস্থা সঙ্গীন। সেই হস্তচালিত কারখানা প্রায় বন্ধের মুখে । অল্প দামে হাতের নাগালে তাঁত শাড়ির বিপুল চাহিদা অন্যদিকে  শ্রমিকের সংখ্যা কমিয়ে লভ্যাংশ ঘরে তোলা।  তাই  ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে সমগ্র হস্ত চালিত তাঁত শিল্প।
হস্তশিল্পের সুদক্ষ কারিগররা কাজ না হাওয়াতে দেশে-বিদেশে হোটেল রেস্তোরা, নির্মাণ কর্মীর কাজ বেছে নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিক হতে বাধ্য হয়েছেন অভাবের সংসার সামলাতে। হাতের সেই বুননের আবেগ, নিখুঁত বুটি সেসব এখন ইতিহাস। তবে দরিদ্র এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের কাছে সস্তার শাড়ি উৎপাদন প্রয়োজনীয় হলেও। কিছু বিত্তবান এবং শিল্পের মর্যাদা দেওয়া মানুষজন আজও আছেন দেশে-বিদেশে। যেখানে তারা উপযুক্ত পারিশ্রমিক দিয়ে   আন্তরিকতার বুনন।রানাঘাটের মেয়ে মান্ডবী চক্রবর্তী, পুঁথি বিদ্যায় গোল্ড মেডেলিস্ট, রবীন্দ্রভারতীতে সংস্কৃতে পিএইচডি পাঠরতা ।

 

 

ছবি আঁকা ফেব্রিক ক্র্যাফ্টের ওপর বিভিন্ন কাজকর্ম করতেন শখে। 2017 সালে বিবাহ সূত্রে  শশুরবাড়ী নদিয়ার শান্তিপুরের সুত্রাগর।  স্বামী অভিক দত্তের বাড়িতে।  বাপের বাড়ি হোক কিংবা শশুর বাড়ি এমনকি কোন নিকট আত্মীয়র বাড়িতেও তাঁতের কোনো অস্তিত্ব নেই। তবে শিল্পের পৃষ্ঠপোষক হওয়ার জন্য এবং বাড়ির কাছে বিখ্যাত তাঁতের হাট হওয়ার সুবাদে মাঝেমধ্যেই সেখানে গিয়ে নিত্যনতুন ডিজাইন, তাঁতিদের সুবিধা ও অসুবিধার কথা শুনতেন তিনি। স্বামী চাকরির সুবাদে সারাদিন থাকেন শান্তিপুরের বাইরে, ছোট্ট একরত্তি ছেলেকে নিয়েই, পৌঁছে যেতেন তাঁতিদের বাড়ি বাড়ি। নিজের আঁকা ছবি শাড়িতে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতে থাকেন তাদের মধ্যে পারদর্শী দুই একজন তাঁত শিল্পীকে দিয়ে। ফেসবুক ,টুইটার সহ নানান সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করিয়ে শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ক্রেতা র দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে শুরু করেন।

 

 

একের পর এক হস্ত চালিত তাঁত শ্রমিকের হাতের কাজের মেধা অন্বেষণ এর মধ্য দিয়ে আজ তার ২২ জন সুদক্ষ তাঁতি। এমনকি সারাদিনে ৫০০ থেকে হাজার টাকা উপার্জনের মধ্যে দিয়ে ,মজুরির দিক থেকে টেক্কা দিয়েছেন,  উন্নত মেশিনে যন্ত্র চালিত মেশিনে কাজ করা তাঁতিদের কেও। শুধু তাই নয় করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যখন, বড় বড় মহাজনরা কাজ দেওয়া বন্ধ করেছিলেন, মান্ডবী দেবী, তার তাঁতিদের মজুরি দিয়ে গেছেন একইভাবে। শান্তিপুর ছাড়িয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালিত তাঁত শিল্পীরা বড় বড় মহাজন ছেড়ে নতুন দিশা দেখেছেন এই গৃহবধূর যোগাযোগে।  তাই এই বছর দুর্গাপূজো উপলক্ষে শাড়ির উপর বিভিন্ন ধরনের নকশা লতাপাতা ফুল এই চিন্তা ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে তিনি বিভিন্ন পোর্ট্রেট এর কাজ শুরু করেন। শারদীয়া আগমনের বিভিন্ন চিত্র, গুপী গাইন বাঘা বাইন, হীরক রাজার দেশের বেশ কিছু সিনেমার উদ্ধৃতি সহ অসাধারণ হাতের কাজ ফুটিয়ে তুলেছেনরবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন পর্যায়ের গান, বিখ্যাত গল্প উপন্যাসের বহুল প্রচলিত অংশ , সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল, ভ্যানগর্গের স্টারি নাইট আরো কত কি। সুতোর সূক্ষ্ম বুননে, তবে হ্যাঁ প্রথমে তিনি নিজে আঁকেন ছবি, এরপর সুদক এখন শুধু শাড়িতেই সীমাবদ্ধ নেই, কুর্তি, ধুতি, ড্রেস মেটেরিয়ালস , স্কার্ফ,ওড়না, ঘর সাজানোয় ব্যবহৃত বিছানার চাদর পর্দার কাপড় থেকে শুরু করে বিভিন্ন সৌখিন ঢাকনায় পর্যন্ত বিস্তারিত হয়েছে। মটকা, রেশম, কটন ,তসর ,স্টান সিল্ক ,লিলেন এ ধরনের নানান উপকরণ পার্শ্ববর্তী ফুলিয়াতে পেলেও, গুণগত মান বজায় রাখতে মাঝেমধ্যে তা অন্যান্য রাজ্য থেকেও আনেন।

 

তবে তার উৎপাদিত পণ্যের কোনো আউটলেট বা দোকান নেই। বিভিন্ন ফ্যাশন ডিজাইনার নামি দামি কোম্পানি , হস্তশিল্পের গবেষক ছাত্রছাত্রী, এবং গুনমুগ্ধরা তা কিনে থাকেন।    শাড়ি বুনতে সাত দিন সময় লাগে কোনটা বা এক মাস এমনকি ৬ মাস পর্যন্ত বোনা চলে একটি শাড়িতেই, সবটাই কাজের উপর নির্ভর। তবে প্লেন থান একদিনই একটা বুনে ফেলা যায়, সেক্ষেত্রে ৩৫০ টাকার মার নেই, হাতের কাজ অনুযায়ী কেউ মজুরি পান প্রতিদিন হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে এসবই নির্ধারণ হয়, শাড়ির বুনন সমাপ্ত হলে, মাঝে প্রয়োজন ভিত্তিক আনুমানিক হিসেবে টাকা নিয়ে থাকেন তারা, হিসাব নিকাশ শেষ হয়, শাড়ি সমাপ্ত হওয়ার পর। তবে এই বার পুজোয় দমফেলার সময় নেই যেমন অর্ডার পেয়েছেন তেমনি চাহিদা আছে।
এই বার পুজোয় কলকাতা, মুম্বাই সহ বিভিন্ন জায়গায় তার কাপড়ের অর্ডার যেমন এসেছে পাশাপাশি দুর্গাপুজো উপলক্ষে বেশ কয়েকটা শাড়ি বিদেশে চলে গেছে। চরম ব্যাস্ততার মধ্যে চলছে কর্মকাণ্ড।

 

https://youtu.be/F9oN9SlRngU

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

মূল্যবান মনুষ্য জীবন ও উদ্বেগ,দুশ্চিন্তা : স্বামী আত্মভোলানন্দ।

ওঁ নমঃ শ্রী ভগবতে প্রণবায় ।

 

 

পরম পবিত্র ভারতভূমিতে জন্মলাভ করে সুদুর্লভ এই মনুষ্য জীবন লাভ। তাই, আসুন আমার, আপনার, সবার জীবনে কিভাবে পরিণত বয়সে উদ্বেগমুক্ত, দুশ্চিন্তা মুক্ত পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, যাপন করবেন বর্তমান ভারতবর্ষতে তার কিছু উপায় জানার চেষ্টা করি।এখন আমাদের পারিবারিক,সামাজিক বন্ধন গুলো খুব শিথিল,ছোট পরিবার,  সুখী পরিবার, যৌথ পরিবার আমাদের শেষ, পারিবারিক বন্ধন ও শেষ। এখন আমাদের বর্তমানে সামাজিক ব্যবস্থায় আপনার
সন্তানদের মোবাইল, বাবা, মা, স্যার, মিস   প্রেমিক প্রেমিকা (Dady, Mammi,Sir,Mam, Mobile,Girl friend, Boy friend)ছাড়া আর কোন কিছু সামাজিক, পারিবারিক সম্পর্ক  আর থাকবে  না। বিশেষ করে আমাদের বাঙ্গালী হিন্দু পরিবারে।

আপনার নিজস্ব স্থায়ী বাসস্থানে বাস করুন যাতে আপনি স্বাধীন ভাবে জীবনযাপন  করতে পারেন, যদি আপনার এটি  কুঁড়েঘর ও হয়, যদি কুঁড়েঘর তাও নাও থাকে, তাও, কাঁদবেন না, দুশ্চিন্তা করবেন না। আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স এবং বৈষয়িক সম্পদ আপনার নিজের কাছে রাখুন, গভীর প্রেমে পড়ে কারও  নামে রাখার কথা ভাববেন না, যদি কিছু না থাকে তবে আরও ভাল, ঝামেলা শেষ।

আপনার সন্তানদের প্রতিশ্রুতির উপর নির্ভর করবেন না, যে তারা আপনাকে সেবা করবে, কারণ সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন হয়। এছাড়াও মনের পরিবর্তন হয় এবং কখনও কখনও তারা  চাইলেও পরিস্থিতির জন্য কিছু করতে পারে না!
আপনার বন্ধুদের গ্রুপে যারা আপনার মত তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন,  যারা আপনার জীবনকে সুখী দেখতে চান, অর্থাৎ সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষী হতে চান যারা, তাদের। কারো সাথে নিজেকে তুলনা করবেন না এবং কারো কাছে কোন কিছু প্রত্যাশা রাখবেন না! কারণ এই জিনিস গুলি আপনাকে  জীবনে দুশ্চিন্তা, কষ্ট ছাড়া কিছুই দেবে না।

আপনার সন্তানদের জীবনে হস্তক্ষেপ করবেন না, তাদের জীবন তাদের নিজের মতো করে বাঁচতে দিন। এবং আপনি আপনার  জীবনকে আপনার মতো করে বাঁচতে দিন, কারণ, সবকিছুই স্বার্থপরতার জগত এখন।কারণ, যৌথ পরিবার আর নেই, সব দাম্পত্য পরিবার, ছোট পরিবার এই নেট দুনিয়াতে। কারণ, আর দশ বছর পর কাকা, পিসি, মাসি,দিদি,দাদা,এই সম্পর্ক গুলি ছোট  পরিবারে আর থাকবে  না। বাবা, মা, এক সন্তান আমাদের সব হিন্দু পরিবারে, এই নেট দুনিয়াতে।কারণ, মাসিবাড়ি, মামাবাড়ি,পিসিবাড়ি গরমের ছুটিতে আর থাকবে না আমাদের। যৌথ পরিবার শেষ আমাদের ভারতবর্ষ বাঙ্গালী হিন্দু পরিবারে।

আপনি আপনার মর্যাদার ভিত্তিতে কাউকে সেবা করতে পারেন। কখনই কিছু করার বা সম্মান পাওয়ার আশায় সেবার চেষ্টা করবেন না, এটি স্বার্থপরতা এবং বিভ্রান্তির দিকে নিয়ে যাবে আপনাকে। মানুষের সবার কথা শুনুন কিন্তু আপনার স্বাধীন চিন্তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন! যাতে আপনার মনে হয়, আমি কিছু করতে না পারলেও এই কাজটি খুব ভালোভাবে করেছি।

জীবনে কখনই দুঃখিত হবেন না যে আমি এটি পারিনি।  জীবনে এমন কিছু করুন বা না করুন কখনই গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন না যে আমি অনেক কিছু করেছি বা করিনি। আপনার জীবন আনন্দের সাথে কাটানোর চেষ্টা করুন, নিজেও খুশি থাকুন এবং অন্যকেও খুশি রাখুন।

আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিন, ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াও, আপনার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী ভাল পুষ্টিকর খাবার খান এবং যতটা সম্ভব আপনার নিজের হাত দিয়ে আপনার নিজের কাজ করুন। ছোটখাটো সমস্যায় পাত্তা দেবেন না, ছোট ছোট শারীরিক সমস্যা বয়সের সাথে সাথে চলতেই থাকে, যেভাবেই হোক একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর উপর যেতেই হবে, তাই ভয়ের কি আছে।

প্রতি বছর একবার বা তার বেশি একটি ছোট ভ্রমণ  করুন যদি আপনি এটি করতে না পারেন, তাহলে পরিচিত এবং কাছের লোকেদের জায়গা পরিদর্শন করুন। কারণ, ভ্রমণ  জীবনে সতেজতার আনন্দএর অনুভূতি নিয়ে আসে।

তাই, সময় থাকতে আপনার সন্তানদের পারিবারিক, সামাজিক শিক্ষা-সংস্কার দিন। এবং ভারতীয় সংস্কৃতি,
ভারতীয়  সভ্যতায় আপনার সন্তানদের শিক্ষিত করে তুলুন। প্রথমে আপনার সন্তানদের প্রতিযোগিতার ইঁদুর দৌড়এ না নামিয়ে ভাল মানুষ তৈরি করুন। তারপর, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী,অধ্যাপক সবকিছু আপনার সন্তান হতে পারবে। আপনাকেও বৃদ্ধাশ্রমএ থাকতে হবে না।বৈদেশিক অর্থ ইনকামের স্বপ্ন দেখাবেন না, জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম, সেবামূলক মনোভাব এর প্রতি সন্তানদের আকৃষ্ট করে তুলুন।

কারণ, আমার, আপনার জীবনে সফলতা ঈশ্বরের দান, পাশে থাকা মানুষগুলোর দান, আপনার বংশধারার দান, পরিস্থিতির দান । এতে  আপনার কৃতিত্ব খুব সামান্যই,  জীবনে আপনি সফল হলেই আপনার জীবন-যন্ত্রণার কাহিনী পৃথিবী  জানবে, মূল্য পাবে… নচেৎ আপনি পরিহাসের পাত্র হবেন, অন্যের আক্রমণের স্থল হবেন।  আপনার অসফলতার কারণ হিসেবে কোনোরকম শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক বা সামাজিক অজুহাত খাড়া করে কোন লাভ নেই, সময় এসব অনুমোদন করে না। আপনাকে  সবটুকু কষ্ট হাসিমুখে বয়ে,এগিয়ে যেতে হবে। তাই অহেতুক অহংকার বর্জনীয়।

প্রার্থনা করুন কিন্তু ভিক্ষা করবেন না, এমনকি ঈশ্বরের কাছেও ভিক্ষা নয়, যদি আপনি ঈশ্বরের কাছে কিছু চান তবে কেবল ক্ষমা এবং সাহস প্রার্থনা করুন। আমি বিশ্বাস করি আপনি যদি নিঃস্বার্থভাবে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন তবে আপনি শীঘ্রই ঈশ্বরের সাথে সংযুক্ত হয়ে যাবেন।

সুমহান ভারত সেবাশ্রম সংঘ এর প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রণবানন্দ  মহারাজ ও বলছেন:-* “যখনই চিত্ত বিশেষ উদ্বেগপূর্ণ হয় তখনই গুরুপ্রদত্ত মন্ত্র জপ করিতে হয়। এইরূপ করিলে উদ্বেগ কমিয়া চিত্তের প্রফুল্লতা ও মনের প্রশান্ততা আসিবে এবং অশান্ত মন শান্ত হইবে।”*
শ্রী শ্রী জগৎ গুরু ভগবান স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের  শুভ ও মঙ্গলময় আশির্বাদ আপনাদের সকলের শিরে বর্ষিত হোক… এই প্রার্থনা করি…!
ওঁ গুরু কৃপা হি কেবলম্ ।
স্বামী আত্মভোলানন্দ

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ -অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত কল্লোল যুগের বিশিষ্ট বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক।

অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত (১৯শে সেপ্টেম্বর, ১৯০৩ – ২৯শে জানুয়ারি, ১৯৭৬) বিশিষ্ট বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্রের পরে সাহিত্যজগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কল্লোল যুগের লেখকদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

 

১৮৯৪ – হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী। 

হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার একজন ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী। তিনি হেমেন মজুমদার বা এইচ. মজুমদার নামেও পরিচিত ছিলেন। হেমেন্দ্রনাথ বর্তমান বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । হেমেন্দ্রনাথের আদি নিবাস বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহের গচিহাটা । ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় গভর্নমেন্ট স্কুল অফ আর্টে ভর্তি হন ।

 

১৯১১ – উইলিয়াম গোল্ডিং, নোবেলজয়ী ইংরেজ কথাসাহিত্যিক।

স্যার উইলিয়াম জেরাল্ড গোল্ডিং (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯১১ – ১৯ জুন ১৯৯৩) একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং কবি ছিলেন।  তাঁর প্রথম উপন্যাস লর্ড অফ দ্য ফ্লাইস (১৯৫৪) এর জন্য সর্বাধিক পরিচিত, তিনি তাঁর জীবদ্দশায় আরও বারোটি কল্পকাহিনী প্রকাশ করেছিলেন।  ১৯৮০ সালে, তিনি রইটস অফ প্যাসেজের জন্য বুকার পুরস্কারে ভূষিত হন, যা তার সমুদ্রের ট্রিলজিতে প্রথম উপন্যাস, To the Ends of the Earth।  তিনি ১৯৮৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯১৯ – জহর রায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতনামা কৌতুক অভিনেতা।

জহর রায় একজন ভারতীয় অভিনেতা। তবে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের কৌতুক-অভিনেতা হিসাবে বেশি পরিচিত। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় সাথে তার কৌতুক অভিনয় বাংলা ছবিতে ভানু-জহর কমেডি যুগের সূচনা করেছিলো। রায় বরিশালের মহিলারায় একটি বাঙালি বৈদ্য পরিবার জন্মগ্রহণ করেছেন। রায় অভিনেতা হলে অনেক ফ্যান ফলো করেছিলো তাকে।

 

১৯২১ – (ক)  পাওলো ফ্রেইরি, ব্রাজিলের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও দার্শনিক।

পাওলো রেগ্লাস নেভেস ফ্রেয়ার (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ – ২ মে ১৯৯৭) ছিলেন একজন ব্রাজিলীয় শিক্ষাবিদ এবং দার্শনিক যিনি সমালোচনামূলক শিক্ষাবিদ্যার প্রধান উকিল ছিলেন।  তার প্রভাবশালী কাজ পেডাগজি অফ দ্য অপ্রসেসডকে সাধারণত সমালোচনামূলক শিক্ষা বিজ্ঞান আন্দোলনের একটি মৌলিক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং Google স্কলারের মতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এটি সামাজিক বিজ্ঞানের তৃতীয় সর্বাধিক উদ্ধৃত বই ছিল।

 

(খ) বিমল কর, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক।

বিমল কর (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ – ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় লেখক এবং ঔপন্যাসিক যিনি বাংলায় লিখেছেন।  তিনি তাঁর অসমায় উপন্যাসের জন্য ভারতের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ লেটারস, সাহিত্য একাডেমি দ্বারা উপস্থাপিত ১৯৭৫ সালের সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পান।

 

১৯২৪ – সুচিত্রা মিত্র, রবীন্দ্র সঙ্গীতের অগ্রগণ্য গায়িকা ও বিশেষজ্ঞ, প্রথিতযশা ও স্বনামধন্য ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠশিল্পী।

সুচিত্রা মিত্র (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২৪ – ৩ জানুয়ারী ২০১১) ছিলেন একজন ভারতীয় গায়ক, সুরকার, রবীন্দ্র সঙ্গীতের শিল্পী বা বাংলার কবি বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অধ্যাপক, এবং কলকাতার প্রথম মহিলা শেরিফের গানের ব্যাখ্যাকারী।  একাডেমিক হিসেবে, তিনি বহু বছর ধরে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান ছিলেন।  মিত্র বাংলা ছবিতে প্লেব্যাক গায়ক ছিলেন (এবং কিছুতেও অভিনয় করেছিলেন)  এবং বহু বছর ধরে ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

 

১৯২৬ – মাসাতোশি কোশিবা, নোবেলজয়ী জাপানি পদার্থবিজ্ঞানী।

মাসাতোশি কোশিবা (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ – ১২ নভেম্বর ২০২০) একজন জাপানি পদার্থবিদ এবং নিউট্রিনো জ্যোতির্বিদ্যার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।  নিউট্রিনো ডিটেক্টর কামিওকান্দে এবং সুপার-কামিওকান্দের সাথে তার কাজ সৌর নিউট্রিনো সনাক্তকরণে সহায়ক ছিল, সৌর নিউট্রিনো সমস্যার জন্য পরীক্ষামূলক প্রমাণ প্রদান করে।

 

 

১৯৩৪ – সুধীর চক্রবর্তী, বাঙালি অধ্যাপক, লেখক,সঙ্গীত-গবেষক এবং লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ।

সুধীর চক্রবর্তী (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ — ১৫ ডিসেম্বর ২০২০) একজন বাঙালি অধ্যাপক, লেখক, গবেষক এবং লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ। বাংলার লোকগান, লোকভাষকে তিনি পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বদুয়ারে।ঔপনিবেশিক গদ্যের ধাঁচাকে সুধীরবাবু সম্পূর্ণ রকম তার নতুন আখ্যান রচনার ধারা দিযে পাল্টে দিয়েছিলেন। প্রবন্ধ মানেই যে একটা গুরু গম্ভীর ভাব দেওয়া বিষয় এই ভাবনাটি সুধীরবাবু নিজের লাবণ্যময় আর রসাল গদ্য ভাষা দিয়ে পাল্টে দিয়েছিলেন।

 

১৯৫৫ – মোহাম্মদ সাদিক, বাংলাদেশী কবি এবং বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ১৩ম চেয়ারম্যান।

মোহাম্মদ সাদিক (জন্ম ১৯শে সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫) হলেন একজন বাংলাদেশী কবি এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ১৩ তম চেয়ারম্যান। কবিতায় অবদানের জন্য তিনি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রদত্ত বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯৭১ – সালমান শাহ, বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রনায়ক।

শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন (বাংলা: শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন; ১৯ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১ – ৬ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৬), যিনি তার মঞ্চ নাম সালমান শাহ নামে পরিচিত, ছিলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।  সাধারণত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সবচেয়ে আইকনিক অভিনেতাদের একজন হিসেবে বিবেচিত, শাহ তিন বছরের একটি ছোট অভিনয় ক্যারিয়ারে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।  তার প্রথম ফিচার ফিল্ম কেয়ামত থেকে কেয়ামত (১৯৯৩) তাকে স্টারডমের দিকে নিয়ে যায়।  পরের দুই বছরে শাহ ব্যবসায়িকভাবে সফল চলচ্চিত্রের একটি সিরিজে প্রধান ভূমিকায় দেখা যায়, যার মধ্যে রয়েছে বিক্কোভ, দেনমোহর, সুজন শখী, শপনার থিকানা, এই ঘোর এ শংসার, সটার মৃত্যু নেই এবং আনন্দো অসরু।

 

১৭৫৯ – উইলিয়াম কিরবি, ইংরেজ পতঙ্গবিদ।

উইলিয়াম কিরবি (১৯ সেপ্টেম্বর ১৭৫৯ – ৪জুলাই ১৮৫০) ছিলেন একজন ইংরেজ কীটতত্ত্ববিদ, লিনিয়ান সোসাইটির একজন মূল সদস্য এবং রয়্যাল সোসাইটির একজন ফেলো, সেইসাথে একজন কান্ট্রি রেক্টর, যাতে তিনি “পার্সন-এর একটি বিশিষ্ট উদাহরণ ছিলেন  প্রকৃতিবাদী”।  উইলিয়াম স্পেন্সের সাথে সহ-রচিত চার-খণ্ডের ইন্টোমোলজির ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রভাবশালী ছিল।

 

১৫৬৩ – পোলান্ডের রাজা তৃতীয় হেনরি।

হেনরি III , যাকে হেনরি অফ ভ্যালোইসও বলা হয় , বা (১৫৭৪ সাল পর্যন্ত) ডুক ডি’আঞ্জু , (জন্ম ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৫৫১, ফন্টেইনব্লু , ফ্রান্স—মৃত্যু ২ আগস্ট, ১৫৮৯ , সেন্ট-ক্লাউড), ১৫৭৪ সাল থেকে ফ্রান্সের রাজা । যার রাজত্বের দীর্ঘস্থায়ী সংকটধর্মের যুদ্ধগুলি রাজবংশীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলির দ্বারা আরও খারাপ করা হয়েছিল কারণ ভ্যালোইস রাজবংশের পুরুষ লাইন তার সাথে মারা যাচ্ছিল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৬ – বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রলয়ঙ্করী সামুদ্রিক ঝড়ে বাংলাদেশের শত শত জেলে প্রাণ হারায়।

১৯০৭ – প্রথম তাপ ও জ্বালানী উৎপাদনকারী উপাদান আবিস্কৃত হয়।

১৯১৫ – জার্মানরা ভিলনা অধিকার করে।

১৯৬০ – পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে পানিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬২ – ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বুর্কিনা ফাসো।

১৯৮১ – বাংলাদেশে আটটি ব্যাংকে কর্মচারী ইউনিয়ন বাতিল করা হয়।

১৯৮৩ – সোভিয়েত আকাশসীমা লঙ্ঘনের কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার বোয়িং ৭৪৭ বিমানে গুলি করা হলে ২৬৯ জন যাত্রীসহ তা জাপান সাগরে ভেঙে পড়ে।

১৯৮৫ – মেক্সিকোয় ভূমিকম্পে ২০ হাজার লোক নিহত।

১৯৯১ – যুক্তরাষ্ট্র ও কুয়েতের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯২ – যুগোশ্লাভিয়া জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কৃত।

১৯৯৪ – যুক্তরাষ্ট্রের ২০ হাজার সৈন্য দক্ষিণ ক্যারিবিয় সাগর তীরবর্তী ক্ষুদ্র দেশ হাইতিতে হামলা চালিয়ে দেশটি দখল করে নেয়।

১৮৪৯ – ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়াকলানে প্রথম বাণিজ্যিক লন্ড্রি চালু হয়।

১৮৬৫ – প্রতিষ্ঠিত হয় আটলান্টা বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৭০ – জার্মানী প্যারিস অবরোধ করে।

১৮৯৩ – নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মতো নারীদের ভোটাধিকার দেয়।

১৭৫৫ – ইংল্যান্ড ও রাশিয়া সামরিক চুক্তি করে।

 

১৭৯৬ – জর্জ ওয়াশিংটন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিদায়ী ভাষণ দেন।

জর্জ ওয়াশিংটন (ফেব্রুয়ারি ২২, ১৭৩২ – ডিসেম্বর ১৪, ১৭৯৯) ছিলেন একজন আমেরিকান সামরিক কর্মকর্তা, রাষ্ট্রনায়ক, এবং প্রতিষ্ঠাতা পিতা যিনি ১৭৮৯ থেকে ১৭৯৭ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। টিনআল কংগ্রেস-এর সেকেন্ড কমান্ড হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।  ১৭৭৫ সালের জুনে সেনাবাহিনী, ওয়াশিংটন প্যাট্রিয়ট বাহিনীকে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধে জয়ের জন্য নেতৃত্ব দিয়েছিল এবং তারপর ১৭৮৭ সালে সাংবিধানিক কনভেনশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিল, যেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের খসড়া ও অনুমোদন করেছিল এবং আমেরিকান ফেডারেল সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল।  এইভাবে ওয়াশিংটনকে “তার দেশের পিতা” বলা হয়।

 

১৫৫৯ – পাঁচটি স্প্যানিশ জাহাজডুবিতে প্রায় ৬০০ জনের মৃত্যু।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৩৬ – বিষ্ণু নারায়ণ ভাতখন্ডে, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রথিতযশা পণ্ডিত।

পণ্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখন্ডে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একজন প্রথিতযশা পণ্ডিতজন। ততকালীন বোম্বাই এর কাছে বালকেশ্বর নামক স্থানে ভাতখন্ডেজী জন্মগ্রহণ করেন। অবস্থাপন্ন ঘরের সন্তান ছিলেন তিনি, সুতরাং শিক্ষালাভে তার কোনও অসুবিধা হয়নি। স্কুলে শিক্ষার পাশাপাশি তিনি সঙ্গীতের দিকে আকৃষ্ট হন।

 

১৯৮৭ – মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন, লোকগীতি সংগ্রাহক ও সম্পাদক।

মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন (৩১ জানুয়ারি ১৯০৪ – ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭) ছিলেন বাংলাদেশী লোকসঙ্গীত, লোকসাহিত্য সংগ্রাহক ও লোকসাহিত্যবিশারদ। তিনি সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ১৯৮৪ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার এবং শিক্ষায় অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

 

১৯৮৯ – সন্তোষকুমারী দেবী, স্বাধীনতা সংগ্রামের কর্মী ও বাংলার প্রথম শ্রমিক নেত্রী।

সন্তোষকুমারী দেবী বা সন্তোষকুমারী গুপ্তা (১৩ জানুয়ারি ১৮৯৭ – ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯) ছিলেন একজন প্রবল জাতীয়তাবাদী এবং মহান স্বরাজ নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের অন্যতম সমর্থক হিসাবে এক ব্যতিক্রমী স্বাধীনতা সংগ্রামী। আবার অন্যদিকে অবিভক্ত বাংলার তথা ভারতের প্রথম অসমসাহসী শ্রমিক নেত্রী।

 

১৮৮১ – জেমস গারফিল্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিংশতম রাষ্ট্রপতি।

জেমস আব্রাম গারফিল্ড (নভেম্বর ১৯, ১৮৩১ – সেপ্টেম্বর ১৯, ১৮৮১) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম প্রেসিডেন্ট, ১৮৮১ সালের মার্চ থেকে ১৮৮১ সালের সেপ্টেম্বরে তার হত্যার আগ পর্যন্ত।  প্রতিনিধিদের এবং হাউসের একমাত্র বর্তমান সদস্য যিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।  রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আগে, তিনি ওহিও সাধারণ পরিষদের দ্বারা মার্কিন সেনেটে নির্বাচিত হয়েছিলেন—যে পদটি তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন যখন তিনি রাষ্ট্রপতি-নির্বাচিত হন।

 

১৩৩৯ – জাপানের সম্রাট গো-দিয়গো।

সম্রাট গো-দাইগো (২৬ নভেম্বর ১২৮৮ – ১৯ সেপ্টেম্বর ১৩৩৯) উত্তরাধিকারের ঐতিহ্যগত ক্রম অনুসারে জাপানের ৯৬তম সম্রাট ছিলেন।  তিনি ১৩৩৩ সালে সফলভাবে কামাকুরা শোগুনেটকে উৎখাত করেন এবং ইম্পেরিয়াল হাউসকে আবার ক্ষমতায় আনতে স্বল্পস্থায়ী কেনমু পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠা করেন।  ১৮৬৮ সালে মেইজি পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত সম্রাটের শেষবারের মতো এটিই ছিল। কেনমু পুনরুদ্ধারটি ১৩৩৬ সালে আশিকাগা তাকাউজি দ্বারা উৎখাত হয়েছিল, আশিকাগা শোগুনেটের সূচনা করে এবং সাম্রাজ্য পরিবারকে দুটি বিরোধী বস্তুতে বিভক্ত করে।  সমর্থিত উত্তর আদালত কিয়োটো এ অবস্থিত এবং ইয়োশিনোতে অবস্থিত Go-Daigo এবং তার পরবর্তী উত্তরসূরিদের নেতৃত্বাধীন সাউদার্ন কোর্ট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস কি, কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

আজ বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস। জল সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতেই প্রতিবছর ১৮ই সেপ্টেম্বর পালন করা হয় ‘বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস।

১৮ সেপ্টেম্বর দিনটি বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস হিসেবে বেছে নেওয়ার কারণটি বেশ চিত্তাকর্ষক। প্রথমে ১৮ অক্টোবর এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ আমেরিকার পরিশ্রুত জল আইন (US clean water act) ১৯৭২ সালের ১৮ অক্টোবর পাশ করা হয়েছিল আর সেই দিনটিকে সম্মান জানানো ছিল উদ্দেশ্য।

 

এই বিশেষ দিবসের জন্য প্রথমে নির্ধারিত করা হয়েছিল ১৮ ই অক্টোবর দিনটিকে। কারণ ১৯৭২ সালের ১৮ ই অক্টোবর আমেরিকায় পাশ হয়েছিল পরিশ্রুত জল আইন বা ক্লিন ওয়াটার অ্যাক্ট। তবে পরবর্তীকালে এই দিবস পালনের দিন পরিবর্তন করা হয়। এই সময় প্রচুর ঠাণ্ডার কারণে অনেক দেশে জল জমে যায়।

তাই এই কর্মসূচিতে যাতে সব দেশ অংশগ্রহণ করতে পারে এজন্য ২০০৭ সালে ১৮ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে নির্ধারণ করা হয়। এই দিবসে জলের গুরুত্ব সম্পর্কে এবং কীভাবে নিজেদের আশেপাশের জলাশয় গুলো যত্ন নেয়া যায় সে সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়।

এই বিশেষ দিবসে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের মানুষ নিজেদের আশেপাশে থাকা জলাশয়ের জল পর্যবেক্ষণ করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। এই কর্ম যজ্ঞের মাধ্যমে অনেক সাধারণ মানুষ এই দিন জানতে পারেন জলে থাকা বিভিন্ন উপাদান এবং পিএইচ মাত্রার কথা। সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে পারেন কোন জল পানীয়র জন্য একেবারে উপযুক্ত।

প্রায় খবরের শিরোনামে চলে আসে কোনো স্থানে বন্যা হচ্ছে তো আবার কোথায় খরায় ভয়াবহ অবস্থা। ছোট থেকে আমরা সবাই জেনে এসেছি জলের অপর নাম জীবন। নদীর পাড়ের মানুষেদের একবার জিজ্ঞাসা করে আসুন, বন্যায় ঘরের মধ্যে এক হাঁটু জল থাকলেও খাওয়ার এক ফোঁটা জল পান না। তাই জল সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতেই প্রতিবছর ১৮ই সেপ্টেম্বর পালন করা হয় ‘বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস।’

 

আমরা জানি পৃথিবীতে  তিন ভাগ জল আর এক ভাগ স্থল, কিন্তু তবুও জল সঙ্কট যেন আমাদের আজ নিত্যসঙ্গী। বিশুদ্ধ পানীয় জলের অপ্রতুলতা আজ এক দারুন সঙ্কটের পরিস্থিতি তৈরি করেছে যা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তার কারনে দিন দিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মানুষকে জলের অপচয় নিযে সচেতন করা চলছে। কিন্তু তবুও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছ অসচেতনতা। কিন্তু মানুষ দ্রুত সচেতন না হলে আগামী প্রজন্মকে এর কুফল ভোগ করতে হবে। যেটা মানব জাতির জন্য মোটেই সুখকর নয়। তাই সকলকে সচেতন করতে প্রতিবছর গুরুত্বপূর্ণ ভাবে পালন করা হয় বিশেষ এই দিবস। এই দিবসের মূল লক্ষ্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জল পান এবং জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সচেতনতা ।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১৮ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা।

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস।

জল সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতেই প্রতিবছর ১৮ই সেপ্টেম্বর পালন করা হয় ‘বিশ্ব জল পর্যবেক্ষণ দিবস।

 

(খ) প্রথম প্রেম দিবস আজ। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটির যাত্রা শুরু হয়।

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম প্রেম দিবস। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটির যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে প্রতিবছরই উদ্‌যাপিত হচ্ছে দিবসটি।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – গ্রেটা গার্বো, সুয়েডীয়-মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯০৭ – এডউইন মাটিসন ম্যাকমিলান, নোবেল বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৫০ – শাবানা আজমি, একজন ভারতীয় অভিনেত্রী।

শাবানা আজমি একজন ভারতীয় অভিনেত্রী। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সমাজকল্যাণমূলক কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। তিনি উর্দু ভাষার কবি কাইফি আজমি ও মঞ্চ অভিনেত্রী শওকত কাইফির কন্যা। তার স্বামী কবি, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার। তিনি পুনের ভারতীয় চলচ্চিত্র ও দূরদর্শন সংস্থানের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

 

১৯৫৪ – স্টিভেন পিংকার, মার্কিন মনোবিজ্ঞানী।

স্টিভেন আর্থার পিঙ্কার (জন্ম ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪) হলেন একজন কানাডিয়ান-আমেরিকান জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানী, মনোভাষাবিদ, জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক এবং জন বুদ্ধিজীবী।  তিনি বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান এবং মনের গণনামূলক তত্ত্বের একজন উকিল।

 

১৯৭০ – ড্যারেন গফ, ইংলিশ ক্রিকেটার।

ড্যারেন গফ ইংরেজ ক্রিকেটার এবং ইয়র্কসায়্যার ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক। তাকে বব উইলিস এর পরে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে ভাল পেস বলার হিসেবে মনে করা হয়। তিনি ৫৮ টেস্ট ম্যাচে ২২৯ উইকেট নেন, তিনি ইংল্যান্ডের ৮তম সফল উইকেট গ্রহীতা।

 

১৯৭৬ – রোনালদো, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

রোনাল্ডো লুইস নাজারিও ডি লিমা, রোনালদো বা রোনালদো নাজারিও নামে পরিচিত, একজন ব্রাজিলিয়ান ব্যবসায়িক মালিক এবং সেগুন্ডা ডিভিশন ক্লাব রিয়াল ভ্যালাডোলিডের সভাপতি, ব্রাসিলিরো সেরি এ ক্লাব ক্রুজেইরোর মালিক এবং একজন প্রাক্তন পেশাদার ফুটবলার যিনি একজন স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেন।

১৮১৯ – জাঁ বার্নার্ড লিওঁ ফুকো, ফরাসি পদার্থবিদ। 

জাঁ বার্নার্ড লিওঁ ফুকো (১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৮১৯ – ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৮) একজন ফরাসী পদার্থবিদ ছিলেন। তিনি পৃথিবীর আহ্নিক গতির প্রদর্শনের জন্য ফুকোর দোলক উদ্ভাবন করেন।

 

১৮৬৯ – জগদানন্দ রায়,ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক।

জগদানন্দ রায় একজন বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ লেখকের পাশাপাশি বাঙালি কল্পবিজ্ঞান লেখক ছিলেন।  তার রচনাগুলি প্রাথমিকভাবে কিশোরদের জন্য লেখা হয়েছিল।  নদীয়ার কৃষ্ণনগরের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি একটি মিশনারি স্কুলে শিক্ষকতা করতে যান এবং বিজ্ঞানের উপর জনপ্রিয় নিবন্ধ লিখেছেন।

 

১৮৮৪ – মন্মথনাথ ঘোষ, প্রখ্যাত জীবনীকার। 

মন্মথনাথের জন্ম বৃটিশ ভারতের কলকাতায় ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ই সেপ্টেম্বর। পিতা অতুলচন্দ্র ঘোষ ছিলেন বহু ভাষাবিদ সাহিত্যসেবী। মাতা সুরবালা ঘোষ ছিলেন ‘মধুরা’ কাব্য গ্রন্থের রচয়িত্রী। মন্মথনাথের পড়াশোনা কলকাতায়। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি সেন্ট্রাল কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে এন্ট্রান্স, ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশন (বর্তমানে স্কটিশ চার্চ কলেজ) থেকে শ্রেষ্ঠ বাংলা রচনার জন্য বঙ্কিমচন্দ্র পদক সহ এফ. এ পাশ করেন। ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে গণিতে স্নাতক হন এবং বিশুদ্ধ গণিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম. এ পাশ করেন।

 

১৮৮৬ – যাদুগোপাল মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী, অনুশীলন সমিতির অবিসংবাদী নেতা ও প্রখ্যাত চিকিৎসক।

যাদুগোপাল মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম চমকপ্রদ চরিত্র, বিপ্লবী অনুশীলন সমিতির অবিসংবাদী নেতা ও প্রখ্যাত চিকিৎসক। রাজনীতিক্ষেত্রে তিনি বাঘা যতীন, অরবিন্দ ঘোষ, মানবেন্দ্রনাথ রায়, মতিলাল রায় প্রভৃতির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

 

১৭০৯ – স্যামুয়েল জনসন, ইংরেজি সাহিত্যের কবি, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক, জীবনীকার, সম্পাদক ও ভাষাতাত্ত্বিক।

স্যামুয়েল জনসন (১৮ সেপ্টেম্বর ১৭০৯ – ১৩ ডিসেম্বর ১৭৮৪), যাকে প্রায়ই ডক্টর জনসন বলা হয়, তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ লেখক যিনি একজন কবি, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, নৈতিকতাবাদী, সাহিত্য সমালোচক, ধর্মপ্রচারক, জীবনীকার, সম্পাদক এবং অভিধানকার হিসেবে দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছিলেন।  অক্সফোর্ড ডিকশনারি অফ ন্যাশনাল বায়োগ্রাফি তাকে “ইংরেজি ইতিহাসের অক্ষরের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি” বলে অভিহিত করেছে।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর প্রধান পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।

পারভেজ মুশাররফ পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি, এবং সাবেক সেনাপ্রধান। ১৯৯৯ সালের ১২ই অক্টোবর তারিখে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নওয়াজ শরীফকে ক্ষমতাচ্যুত করে মোশাররফ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন। পরে ২০০১ সালের ২০শে জুন তারিখে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করেন।

 

১৯০৬ – টাইফুন ও সুনামিতে হংকংয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৯ – নেদারল্যান্ডস নারীদের ভোটাধিকার দেয়।

১৯২২- কলকাতার রঙ্গমঞ্চে ‘শারদোৎসব’-এ রবীন্দ্রনাথের অভিনয়।

১৯২৩ – ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

 

১৯২৪ – হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির জন্য মহাত্মা গান্ধী অনশন শুরু করেন।

১৯৩১ – জাপানের সেনা বাহিনী চীনের উত্তর পূর্বাঞ্চলিয় ভূখণ্ড মানচুরী দখল করে নেয় ।

১৯৩৪ – ইউএসএসআর লিগ অব নেশনসের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৩৪ – মুসোলিনির শাসনে ৮ থেকে ৫৫ বছরের ইতালীয়দের সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।

১৯৬১ – সুইডিস রাজনীতিবিদ ও জাতিসঙ্ঘের দ্বিতীয় মহাসচিব দ্যাগ হেমার শোল্ড এক বিমান দূর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৮২ – পশ্চিম বেইরুটে ছাটিলা ও সাবগার প্যালেস্তিনীয় উদ্বাস্তু শিবিরে গণহত্যা চলে।

১৯৮৮- সামরিক অভ্যুত্থানের পর বার্মা রাষ্ট্রের নাম হয় মিয়ানমার।

১৯৮৯ – বার্মায় সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে এবং বার্মা রাষ্ট্রের নাম হয় মিয়ানমার।

১৯৯১ – বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তিত।

১৮১০ – স্পেনীয় শাসন থেকে মুক্তিলাভের জন্য চিলির স্বাধীনতা ঘোষিত হয়।

১৮১৮ – চিলি স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে ।

১৮৫১ – ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত।

১৭৩০ – ফ্রান্স ও স্পেন শান্তিচুক্তি করে।

১৬৩৫ – সম্রাট দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

 

১৫০২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন।

ক্রিস্টোফার কলম্বাস ছিলেন জেনোয়া প্রজাতন্ত্রের একজন ইতালীয় অভিযাত্রী এবং নেভিগেটর যিনি ক্যাথলিক রাজাদের দ্বারা স্পনসরকৃত আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে চারটি স্প্যানিশ ভিত্তিক সমুদ্রযাত্রা সম্পন্ন করেছিলেন, আমেরিকার বিস্তৃত ইউরোপীয় অনুসন্ধান এবং ইউরোপীয় উপনিবেশের পথ খুলে দিয়েছিলেন।

 

১৪৩৭ – ট্রানসালভানিয়োতে কৃষক বিদ্রোহ হয়।

১১৮০ – ফিলিপ আগাস্তাস ফ্রান্সের রাজা হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২০ – শাহ আহমদ শফী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও দারুল উলুম হাটহাজারীর আচার্য।

শাহ আহমদ শফী (৫ এপ্রিল ১৯৩০ – ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সুন্নি ইসলামিক স্কলার, হেফাজত-ই-ইসলাম বাংলাদেশের প্রধান, আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর রেক্টর এবং বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানও ছিলেন।  .  তিনি ১৯৩০ সালে রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং দারুল উলূম দেওবন্দে শিক্ষা লাভ করেন।

 

১৯৪১ – ফ্রেড কার্নো, ব্রিটিশ কৌতুকাভিনেতা ও গীতিমঞ্চ পরিচালক।

ফ্রেড কার্নো (২৬শে মার্চ, ১৮৬৬ – ১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৯৪১) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গীতিমঞ্চ পরিচালক। স্ল্যাপস্টিক কৌতুকাভিনেতা হিসেবে তিনি কাস্টার্ড-পাই-ইন-দ্য-ফেস গ্যাগ ধারাটিকে জনপ্রিয় করতে ভূমিকা রাখেন। ১৮৯০ এর দশকে মঞ্চে সেন্সরশিপের কারণে কার্নো সংলাপহীন এক ধরনের স্কেচ কৌতুকাভিনয়ের উদ্ভব ঘটান।

 

১৯৫৬ – মোতাহের হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

মোতাহের হোসেন চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ।  তিনি ১৯০৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তানের চট্টগ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৬৭ – জন কক্‌ক্রফট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।

জন ডগলাস কক্‌ক্রফ্‌ট একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৫১ সালে আর্নেস্ট টমাস সিন্টন ওয়াল্টনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। কৃত্রিমভাবে ত্বরিত পারমাণবিক কণার মাধ্যমে পরমাণুর কেন্দ্রভাগের ট্রান্সমিউটেশন নিয়ে গবেষণার কারণে তারা নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।

 

১৯৬৮ – ফ্রাঞ্চট টোন, মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

স্টেনিস্লাউস পাসকেল ফ্রাঞ্চট টোন (জন্ম: ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫ – ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬৮) ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তিনি মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন কাজ করেছেন। তিনি ক্লার্ক গেবল ও চার্লস লটনের সাথে মিউটিনি অন দ্য বাউন্টি (১৯৩৫) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ড্যান্সিং লেডি (১৯৩৩), দ্য লাইভস্‌ অব আ বেঙ্গল ল্যান্সার (১৯৩৫), ডেঞ্জারাস (১৯৩৫), ফাইভ গ্রেভস টু কায়রো (১৯৪৩), অ্যাডভাইস অ্যান্ড কনসেন্ট (১৯৬২), ও ইন হার্ম্‌স ওয়ে (১৯৬৫)।

 

১৯৯২ – মেনকা ঠাকুর, খ্যাতনামা রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

মেনকা ঠাকুর (বিবাহের পূর্বে মেনকা মুখোপাধ্যায়) (১৯১৭ – ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯২) ছিলেন একজন খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও শিক্ষিকা। রবীন্দ্রসঙ্গীত জগতে তিনি ‘মিন্টুদি’ নামে পরিচিত ছিলেন।

 

১৮৯৯ – রাজনারায়ণ বসু, বাঙালি চিন্তাবিদ এবং সাহিত্যিক।

রাজনারায়ণ বসু ছিলেন একজন ভারতীয় লেখক এবং বঙ্গীয় রেনেসাঁর বুদ্ধিজীবী।  তিনি ২৪ পরগণার বোরালে জন্মগ্রহণ করেন এবং কলকাতা, বাংলার হেয়ার স্কুল অ্যান্ড হিন্দু কলেজে অধ্যয়ন করেন।  অন্তরে একেশ্বরবাদী, রাজনারায়ণ বসু বিশ বছর বয়সে ব্রাহ্মধর্মে ধর্মান্তরিত হন।

 

১৭৮৩ – লেওনার্ড অয়লার, সুইস গণিতজ্ঞ ও পদার্থবিদ।

লেওনার্ড অয়লার (১৫ এপ্রিল, ১৭০৭, বাসেল, সুইজারল্যান্ড – ১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩, সেন্ট পিটার্সবার্গ, রাশিয়া) একজন সুইস গণিতবিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ক্যালকুলাস, সংখ্যাতত্ত্ব, অন্তরক সমীকরণ, গ্রাফ তত্ত্ব ও টপোগণিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। আধুনিক গণিতে ব্যবহৃত অনেক পরিভাষা ও ধারণা তার অবদান। গাণিতিক বিশ্লেষণে ব্যবহৃত গাণিতিক ফাংশন-এর ধারণা তারই আবিষ্কার। অয়লার e , পাই এর জন্য π , যোগের জন্য Σ চিহ্নের প্রবর্তন করেন। তিনি বলবিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানেও অবদান রাখেন। সমসাময়িককালে তার মত প্রকাশনা সম্পন্ন কোনো গণিতবিদ ছিলেন না। এমনকি মুদ্রণ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ার পরও তার সমপরিমাণ প্রকাশনা সম্পন্ন বিজ্ঞানীর সংখ্যা খুবই কম।

 

১১৮০ – ফ্রান্সের রাজা সপ্তম লুই।

ফ্রান্সের লুই সপ্তম ফ্রান্সের রাজা লুই ষষ্ঠের পুত্র হিসেবে ১১২০ সালের দিকে জন্মগ্রহণ করেন।  রাজার দ্বিতীয় পুত্র হিসাবে, প্রিন্স লুই প্রাথমিকভাবে একটি গির্জার কর্মজীবনের জন্য নির্ধারিত ছিল।  যাইহোক, তার বড় ভাই ফিলিপ ১১৩১ সালে মারা যাওয়ার পর, লুই তার বাবার নতুন উত্তরাধিকারী হন।  ১১৩৭ সালে লুই ষষ্ঠের মৃত্যুর আগে, রাজা তার ছেলেকে অ্যাকুইটাইনের ধনী উত্তরাধিকারী এলেনরকে বিয়ে করেছিলেন।  তাদের বিবাহের পরে, রাজ্যের অঞ্চল দক্ষিণে পিরেনিস পর্বতমালা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছিল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

(ক)  ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস৷

(খ) বিশ্ব সাইক্লিং দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮২৬ – বের্নহার্ট রিমান, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ।

১৮৬৭ – গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী, শিল্পরসিক এবং মঞ্চাভিনেতা।

১৯১৫ – মকবুল ফিদা হুসেন, অত্যন্ত জনপ্রিয় ভারতীয় চিত্রশিল্পী।

১৯১৮ – সত্য চৌধুরী প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

১৯২২ – হরিপদ কাপালী, বাংলাদেশী কৃষক, হরি ধানের উদ্ভাবক।

১৯২৫ – পিটার ল্যাডিফোগিড, ইংরেজ-মার্কিনী ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯৩৪ – বিনয় মজুমদার, বাঙালি কবি।

১৯৪৪ – (ক)  বিভু ভট্টাচার্য, বাঙালি অভিনেতা।

(খ)রেইনহোল্ড মেসনার, ইতালিয়ান পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী।

১৯৫০ – নরেন্দ্র মোদী, ভারতের ১৫দশ প্রধানমন্ত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৩০ – আমেরিকার বোস্টন শহর প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৮৭ – ফিলাডেলফিয়ার পেনিসেলভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৪৬ – সাপ্তাহিক ‘দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।

১৮৪৮ – সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক অরুণোদয়’ প্রকাশিত হয়।

১৮৭১ – সুইজারল্যান্ড মন্ট সেনিস রেলওয়ে টানেল উদ্বোধন করা হয়।

১৯০৫ – বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি।

১৯১৪ – গ্রিস ও এশিয়া মাইনরে প্রচন্ড ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯২০ – প্রবাসে [তাসখন্দে] ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

১৯২৪ – হিন্দু মুসলমান সম্প্রীতির জন্য মহাত্মা গান্ধীর অনশন।

১৯৩৬ – ইরান-তুরস্ক শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।

১৯৪০ – মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু হয়।

১৯৪৪ – ওস্টল্যান্ড হতে এস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৪৮ – আরব ইসরাইল যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিন সংকট বিষয়ক জাতিসঙ্ঘের মধ্যস্ততাকারী কেন্ট বার্ণাডোট বায়তুল মোকাদ্দাসে ইহুদী অধ্যুষিত এলাকায় ইহুদীবাদীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।

১৯৫৭ – মালয়েশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৬২ – গণবিরোধী হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় ছাত্র আন্দোলন ও হরতাল পালিত হয়।

১৯৬৩ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে জেনিভা নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নসহ ১৭টি দেশের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাবে সকল দেশের উদ্দেশ্যে পরমাণু অস্ত্র অথবা অন্য যে কোনো গণ বিধ্বংসী অস্ত্র পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন না করার আহ্বান জানানো হয়।

১৯৭০ – জর্দান সেনা বাহিনী ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা অভিযান শুরু করেছিল।

১৯৭৪ – বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৮০ – নিকারাগুয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আনাসতোসিও সমোজা দেবাইলি প্যারাগুয়েতে নিহত হন।

১৯৮০ – ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহীদ মোহাম্মাদ আলী রাজাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে দেয়া ভাষণে তার দেশের ওপর ইরাকের ব্যর্থ সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন।

১৯৮২ – হানাদার ইসরাইলী সেনারা লেবাননের সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়গ্রহণকারী নিরিহ ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা চালায়।

১৯৮৩ – ভ্যানেসা উইলিয়াম প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মিস আমেরিকান হন।

১৯৮৮ – সিউলে ১৬০টি দেশের অংশ গ্রহণে ২৪তম অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়।

১৯৮৯ – যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনির্য়া উত্তরাঞ্চলে প্রচন্ড ভূমিকম্প হয়। অনেক সড়ক আর সেতু এই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় । এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়। তা ছাড়া, দুর্গত এলাকায় কমপক্ষে ৫০০ জন আহত হন।

১৯৯১ ‌ – উন্মুক্ত সোর্সকোড ভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের প্রথম সংস্করণ (0.01 Version) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়।

১৯৯১ – এস্তেনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৯৪ – চীনের শিনচিয়াংএর চিওহো প্রাচীন নগরে চীনের হ্যান রাজবংশের সমাধি সংগ্রহশালা আবিষ্কার করা হয়।

২০০৫ – বাংলাদেশে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বাণিজ্যিক ভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৬৫ – স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপ।

১৯৪৮ – এমিল লুধউইক জার্মানীর খ্যাতনামা জীবনীকার।

১৯৫৪ – যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, বাংলা ভাষার কবি।

১৯৬১ – আদনান মেন্দেরেস, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৪ – নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত,বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।

১৯৬৯ – চীনের ছিং রাজবংশের শেষ রাজা ফুই।

১৯৭৭ – উইলিয়াম টলবোট, ইংরেজ উদ্ভাবক ও ফটোগ্রাফির পুরোধা।

২০১২ – হেনরি ফ্রিডলাডের, জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক।

২০১২ – আলেক্সান্দ্র কশক্যন, রাশিয়ান মুষ্টিযোদ্ধা।

২০২১ – আব্দেল-আজিজ বউটেফ্লিকা, আলজেরীয় সৈনিক, রাজনীতিক ও ৫ম প্রেসিডেন্ট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব ওজোন স্তর রক্ষা দিবস ৷

(খ) স্বাধীনতা দিবস – পাপুয়া নিউ গিনি ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার নিকট থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫০৭ – জিয়াজিং, চীন সম্রাট।

১৭৪৫ – মিখাইল কুটুযোভ, রাশিয়ান ফিল্ড মার্শাল।

১৮৫৩ – অ্যালব্রেচ্‌ট কোসেল, জার্মান প্রাণরসায়নবিজ্ঞানী এবং জিনতত্ত্ব অধ্যয়নের অন্যতম পথিকৃৎ।

১৮৫৮ – বোনার ল্‌, কানাডিয়ান স্কটস-মহাজন, রাজনীতিবিদ ও যুক্তরাজ্য প্রধানমন্ত্রী।

১৮৫৯ – ইউয়ান সিকাই, চীনা সাধারণ ও রাজনীতিবিদ ও চীন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি।

১৮৮৮ – ফ্রান্স ঈমিল সিল্লানপা, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ লেখক।

১৮৯৩ – আলবার্ট সযেন্ট-গায়র্গী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান শারীরবিজ্ঞানী ও প্রাণরসায়নবিদ।

১৮৯৩ – গিরিজাপতি ভট্টাচার্য, বিজ্ঞান গবেষক ও সাহিত্যিক।

১৯১৩ – দীনেশ দাস , বিশ শতকের ভারতের বাঙালি কবি।

১৯১৬ – এম এস শুভলক্ষ্মী , ভারত রত্নে সম্মানিত কর্ণাটকী শাস্ত্রীয় সংগীতের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী।

১৯২৩ – লি কুয়ান ইউ, সিঙ্গাপুরের আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রধানমন্ত্রী।

১৯২৪ – লরেন বাকল, মার্কিন অভিনেত্রী। (মৃ. ২০১৪)

১৯২৭ – পিটার ফক, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক।

১৯৩২ – মিকি স্টুয়ার্ট, ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৫২ – মিকি রুর্ক, আমেরিকান বক্সার এবং অভিনেতা।

১৯৫৬ – ডেভিড কপারফিল্ড (জাদুকর), আমেরিকান যাদুকর এবং অভিনেতা।

১৯৫৯ – ডেভিড জন রিচার্ডসন, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার, ম্যানেজার ও আইনজীবী।

১৯৬৬ – অশঙ্কা প্রদীপ গুরুসিনহা, শ্রীলংকান ক্রিকেটার।

১৯৬৮ – ওয়াল্ট বেকার, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৮ – মার্ক এন্থনি, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৭১ – এমি পোয়েহলের, আমেরিকান অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৭৬ – টিনা বারেট, ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৯৮১ – ফ্যান বিংবিং, চীনা অভিনেত্রী, গায়ক ও প্রযোজক।

১৯৮১ – অ্যালেক্সিস বলেডেল, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – সেরগিনহ কাটারিনেন্সে, ব্রাজিলিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৪ – কেটি মেলুয়া, জর্জিয়ান বংশোদ্ভূত ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও গিটার।

১৯৯২ – নিক জোনাস, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার ও গিটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১২ – মস্কো শহরে এক অগ্নিকাণ্ডে এক দিনে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ শহর পুড়ে গিয়েছিল।

১৯০৮ – জেনারেল মোটরস কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠা।

১৯২০ – ওয়াল স্ট্রিটে জেপি বিল্ডিংয়ের সামনে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ হলে ৩৮ জন মারা যায় এবং প্রায় ৪০০ লোক আহত হয়।

১৯৩১ – হিজলি জেলে রাজবন্দিদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়।

১৯৩১ – লিবিয়ায় ইতালীর উপনিবেশ বিরোধী স্বাধীনতাকামী নেতা ওমর মুখতারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর প্রথম মাসে জার্মানীর সেনারা পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশো অবরুদ্ধ করে ফেলে।

১৯৪০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়স্ক পুরুষদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়।

১৯৪১ – ইরানের রেজা শাহ পাহলভি সিংহাসন পরিত্যাগ করেন।

১৯৫৩ – যুক্তরাষ্ট্রের রক্সি থিয়েটারে বিশ্বের প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র ‘দ্য রোব’ প্রদর্শিত।

১৯৫৫ – আন্তর্জাতিক কপিরাইট কনভেনশন চালু হয়।

১৯৭৫ – পাপুয়া নিউ গিনি স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৮ – রিখটার স্কেলে ৭.৫-৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ইরানের তারা শহরে প্রায় ২৫ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৯৮৭ – বিশ্বের ২৭টি দেশ ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু মন্ডলকে রক্ষা করার জন্য ক্লোরোফ্লোরো কার্বন গ্যাস ব্যবহারে বিধিনিষেধ প্রয়োগে চুক্তিবদ্ধ হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

০৩০৭ – ফ্লাভিউস ভ্যালেরিয়াস সেভেরাস, রোমান সম্রাট।

১৭৩৬ – ড্যানিয়েল গ্যাব্রিয়েল ফারেনহাইট, পোলিশ ডাচ পদার্থবিদ, প্রকৌশলী ও থার্মোমিটার উদ্ভাবক।

১৭৮২ – ফারিনেলি, ইতালীয় গায়ক।

১৮৭৫ – আনন্দচন্দ্র বেদান্তবাগীশ ব্রাহ্মসমাজের কর্মকর্তা ও বাঙালি লেখক।

১৯২৫ – আলেক্সান্দ্র্ আলেক্সান্দ্রোভিচ ফ্রিদমান, রাশিয়ান পদার্থবিদ ও গণিতবিদ।

১৯৩১ – (ক)  ওমর মুখতার, প্রখ্যাত লিবীয় স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা।

(খ) সন্তোষ কুমার মিত্র, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন বিপ্লবী শহীদ।

(গ) তারকেশ্বর সেনগুপ্ত,ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী,সূর্য সেনের বিপ্লবী দলের সদস্য ও চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের অন্যতম কর্মী।

১৯৩২ – রোনাল্ড রস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ চিকিৎসক।

১৯৪২ – খ্যাতিমান আইনজীবী, চিন্তাশীল লেখক এবং বিশিষ্ট পণ্ডিত হীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

১৯৪৪ – গুস্টাভ বাউয়ের, জার্মান সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১১তম চ্যান্সেলর।

১৯৪৬ – জেমস জিনস, প্রখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক।

১৯৫৭ – কই বাইসই, চীনা চিত্রশিল্পী।

১৯৬৫ – ফ্রেড কুইম্বি, প্রখ্যাত মার্কিন এ্যানিমেশন নির্মাতা।

১৯৭৩ – ভিক্টর হারা, চিলির গায়ক, গীতিকার, কবি ও পরিচালক।

২০০৭ – রবার্ট জর্ডান, আমেরিকান প্রকৌশলী ও ‘হুইল অব টাইম’ সিরিজ বইয়ের লেখক।

২০০৯ – টিমোথি বেটসন, ইংরেজ অভিনেতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This