Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

কেন পালিত হয় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস, দিনটির পালনের গুরুত্ব কি?

ভূমিকা—

আজ আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচার দিবস বা আন্তর্জাতিক বিচার দিবস হিসাবেও পালন করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের উদীয়মান ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে ১৭ জুলাই সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস পালিত হয়। ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠনের চুক্তি গ্রহণের তারিখকে স্মরণ করে রাখার জন্য এই দিনটিকে গ্রহণ করা হয়।  তাই আজ মানবতাবিরোধী অপরাধসহ যেকোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সকলের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে  দেশে দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।

 

ইতিহাস—

 

আমরা জানি বিশ্বব্যাপী সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোর বিচার প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে বিশ্বের অনেক দেশেই বিচ্ছিন্নভাবে নানা রকমের আন্দোলন হয়েছে। তবে এ ধরনের বিচার প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা মোটেই সহজ ছিল না। এর ধারনা আর প্রেক্ষাপটটিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত এ রকম একটি আদালত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়। ফলে পরবর্তী সময়ে নুরেমবার্গ ও টোকিওতে সংঘটিত হওয়া অপরাধের বিচার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এসব ঐতিহাসিক ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ন্যায়বিচার পাবার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। গণমানুষের প্রত্যাশাকে আশার আলো দেখিয়ে দিতে সাহায্য করে।

এসব ঘটনা ও সাফল্য ‘রোম সংবিধি’ এর মতো চুক্তি প্রতিষ্ঠার পটভূমি তৈরি করতে সাহায্য করে। শুরুতে ১২০টি দেশ ভোটের মাধ্যমে ‘রোম সংবিধি’ অনুমোদন করে। প্রক্রিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ এই চুক্তির সঙ্গে একাত্ম হয়েছে। ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ১৯৯৮ সালের এই দিনে নেদারল্যান্ডসের হেগে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১০ সালের ১ জুন উগান্ডার রাজধানী কাম্পালাতে অনুষ্ঠিত রোম বিধির রিভিউ কনফারেন্সে ১৭ জুলাই দিনটি আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ।

 

পালনের উদ্দেশ্য—-

 

অপরাধের বিচার করে বিশ্বজুড়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য পালিত হয় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।  অপরাধ সেটা যেখানেই হোক আর যে দেশেই হোক, মানুষ যেন বিচার প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারে সেই ধারনাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার দিবস।

একটি স্বাধীন দেশের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হওয়া আবশ্যক। দেশের প্রতিটি মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়া তার নাগরিক অধিকার। এই ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করাই এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য।

বিশ্বের নানা স্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোকে যেন বিচার প্রক্রিয়ায় সম্মুখীন করা যায়, সেজন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা পাওয়া এই বিশেষ আদালতটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। তবে যে কোনো দেশেই এই আদালতের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।

 

পালনের গুরুত্ব—

 

আসলে ন্যায়বিচার একটি আপেক্ষিক বিষয়। দেশ, কাল হিসেবে ন্যায়বিচার ভিন্ন। এমনকি অনেক সময় বিচার করলেও তা কার্যকর করা যায় না। সেক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলা যায় না। ন্যায়বিচার হতে পারে জলের জন্য, শিক্ষার জন্য, সমঅধিকারের জন্য কিংবা অন্য যে কোনো বিষয়ে। এক্ষেত্রে প্লেটোর রিপাবলিক বইয়ের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। প্লেটো সেখানে বলেছেন সমাজ তৈরি হয় ন্যায়ের মধ্য দিয়ে। ঘরের মধ্যে, সমাজের মধ্যে ন্যায়বিচার হচ্ছে কিনা, ধনী দেশের সঙ্গে সম্পর্কে গরিবের ন্যায়বিচার হচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে। সেই বিচারের মধ্য দিয়েই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পায়।

 

উপসংহার—

 

সর্বপরি বলা যায় ন্যায়বিচার ভাবনা টা কেবল মাত্র খাতায় কলমে সীমাবদ্ধ হলে চলবে না। একটি মনুষ প্রকৃত ন্যায়বিচার পাচ্ছে কিনা সেটাও পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় প্রকৃত ন্যায় বিচার পর্থীরা বঞ্চিত থেকে যায়। সমাজিক প্রভাব প্রতিপত্তি, অর্থবল এর প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই নিজেদের দোষ ঢেকে দিতে সক্ষম হয়, যা কখনই কাম্য নয়। তাই ভাবতে হবে দৃশ্যমান বিচারের বাইরেও একটি বিচার আছে। সেখানে মৌলিক ন্যায়বিচার করতে পারছেন কিনা সেটি বিবেচনায় নিতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য ন্যায়বিচার করা সম্ভব না হলে সিস্টেম বদলাতে হবে। যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ন্যায়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত না হতে পরে। ন্যায়বিচার পাওয়া একটি মানুষের সমাজিক আধিকার। তাই প্রতি বছর, সারা বিশ্বের লোকেরা এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক বিচার, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সমর্থনে বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করে থাকে এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস পালন করে থাকে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১৭ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – নীরদাকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী ( খ্যাতনামা সেতারবাদক)।

১৯১২ – অমিতা সেন (সংগীত, নৃত্য ও অভিনয়ে পারদর্শিনী)।

১৯১৩ –  রুজে গারুদী , (বিখ্যাত ফরাসী দার্শনিক ফ্রান্সের মার্সাই শহরে জন্ম গ্রহণ করেন)।

১৯১৫ – বিজন ভট্টাচার্য, (একজন বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব)।

১৯৩০ – শচীন ভৌমিক, (হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন বিখ্যাত গল্প লেখক এবং চিত্রনাট্যকার) ।

১৯৩৫ – (ক) ডাইঅ্যান ক্যারল, (মার্কিন অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পী ও মডেল)।

(খ) – ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড, (কানাডীয় অভিনেতা)।

১৯৪৪ – কার্লোস আলবার্তো তোরেস, (ব্রাজিলীয় ফুটবলার)।

১৯৫৪ –  এঙ্গেলা মার্কেলে (জার্মান চ্যান্সেলর)।

১৯৬০ – কিম বার্নেট, (ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৭২ – ইয়াপ স্টাম, (ওলন্দাজ ফুটবলার)।

১৯৭৫ –  আন্দ্রে এডামস, (নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার)।

১৮৩১ -মনোমোহন বসু, (বিশিষ্ট বাঙালি নাট্যকার ও লেখক)।

১৮৯৪ – জর্জ ল্যমেত্র্‌, (বেলজীয় বিশ্বতত্ত্ববিদ)।

১৮৯৯ – জেমস ক্যাগনি, (মার্কিন অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী)।

১৪৮৭ – পারস্যের শাহ ইসমাইলের জন্ম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০০ – প্রকাশিত হয়  ব্রিটিশ ম্যাগাজিন পাঞ্চ ।

১৯২৮ –  পেনারে আলভারো ওবরেগন আততায়ীর গুলিতে নিহত (মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি)।

১৯৩৩ – স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ শুরু।

১৯৪৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধানরা পটসডাম সম্মেলনে যোগ দেন।

১৯৫৫ – ক্যালফোর্নিয়ায় ডিজনিল্যান্ড উদ্বোধন হয়।

১৯৬৩ – স্পেনে গৃহযুদ্ধ শুরু।

১৯৬৮ – ইরাকে ১৭ জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়, আবদুর রহমান আরিফ ক্ষমতাচ্যুত হন এবং বাথ পার্টি ক্ষমতায় আসে।

১৯৭৩ – আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ জহির শাহের পতনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।

১৯৭৬ – পূর্ব তিমুর ইন্দোনেশিয়ার ২৭ তম প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৭৭ – বাংলাদেশের কর্ণফুলীর মোহনায় জেটি চালু হয়।

১৮২১ – স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লোরিডাকে আমেরিকার কাছে হস্তান্তর করে।

১৮২৩ –  কলকাতায় সাধারণ শিক্ষা সমিতি গঠিত হয় গভর্নর জেনারেল জন এ্যাডামের প্রস্তাব অনুসারে।

১৮৬১ – কংগ্রেস কাগজের নোট অনুমোদন করে।

১৭১২ – ইংল্যান্ড, পর্তুগাল ও ফ্রান্স যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে।

১৭৬২ –  রাশিয়ার জার মনোনীত হন দ্বিতীয় ক্যাথেরিন।

১৭৯০ – টমাস সেইন্ট প্রথম সেলাই কলের পেটেন্ট করেন।

১৪২৯ –  ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে অভিষিক্ত হন দাউফিন।

১০৫৪ – অভিষেক হয়  সম্রাট তৃতীয় হেনরির পুত্র চতুর্থ হেনরির ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৯ – স্বরূপ দত্ত, (ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা)।

২০২০ – এমাজউদ্দিন আহমদ,( বাংলাদেশি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য)।

১৯১২ – অঁরি পোয়াঁকারে, (ফরাসি গণিতবিদ, তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও দার্শনিক)।

১৯১২ – ঝুল অঁরি পোয়েকার, (ফরাসি গণিতবিদ ও পদার্থবিদ)।

১৯৩১ – সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, (বাংলাদেশের মুসলিম জাগরণের কবি, ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ)।

১৯৮৪ – মালতী ঘোষাল, (ভারতীয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী)।

১৯৮৫ – সুভো ঠাকুর, (কলকাতা গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা)।

১৯৯২ – কানন দেবী, (ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী এবং গায়িকা)।

১৮৩৫ – টিরট সিং, (মেঘালয়ের খাসি জনগোষ্ঠীর প্রধান)।

১৭৯০ – অ্যাডাম স্মিথ, (স্কটিশ দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১২ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – পাবলো নেরুদা,১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী চিলির কবি,কূটনীতিজ্ঞ ও রাজনীতিক।

১৯০৯ – বিমল রায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯১৩ – উইলিস ল্যাম্ব, নোবেলজয়ী মার্কিন পদার্থবিদ।

১৯২১ -সুকুমারী ভট্টাচার্য,প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতির বিদগ্ধ গবেষক ও প্রখ্যাত অধ্যাপক।

১৯৩৭ – লিওনেল জস্‌পাঁ, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৫ – সঞ্জয় মাঞ্জরেকার, ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটার।

১৯৭৮ – টোফার গ্রেস, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৯০ – রেচেল ব্রসনাহ্যান, মার্কিন ও ব্রিটিশ অভিনেত্রী।

১৮৪৫ – যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ, বাঙালি সংস্কৃত পণ্ডিত,চিন্তাবিদ,সাংবাদিক ও জনপ্রিয় জীবনীগ্রন্থের প্রণেতা।

১৮৫৪ – জর্জ ইস্টম্যান, আমেরিকান উদ্ভাবক ও ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।

১৮৬৩ – আলবেয়ার কালামেত্ত, বিসিজি টিকার উদ্ভাবক ফরাসি জীবাণুবিদ ।

১৮৬৫ – জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার, আফ্রো-আমেরিকান বিজ্ঞানী, আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে প্রভূত উন্নত সাধন করেন।

১৮৬৯ – শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক।

১৭৩০ – জোসিয়া ওজেউড, ইংল্যান্ডের পটুয়া।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – একটি গাড়ি বোমা হামলায় স্পেনের মাদৃদে নয় জন ব্যক্তি আহত হন। এজন্য বাস্ক বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ETA কে দায়ী করা হয়।

১৯১২ – আমেরিকায় প্রথমবারের মতো বিদেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

১৯২০ – কাজী নজরুল ইসলাম ও কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদের যুগ্মসম্পাদনায় নবযুগ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৯৪০ – ব্রিটেনের নৌ-বাহিনী আলজেরিয়ার ক্যাবিয়ে পোতাশ্রয়ে ভিড় করে বেশ কয়েকটি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়।

১৯৪১ – মস্কোতে ইঙ্গ-রুশ চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৪১ – মস্কোতে প্রথমবারের মতো জার্মান বাহিনী বোমা বর্ষণ করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তাঞ্জানিয়া।

১৯৭৫ – ব্রিটেনে নগ্ন দৌড়ের ঘটনা দেখা দেয়।

১৯৭৫ – ব্রিটিশ কমনওয়েলথের রাগবির ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯০ – রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েল্তসিন কম্যুনিস্ট পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৯১ – সকালে হংকংএর ছিডে বিমান বন্দরে হংকং এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় টাকা ছিনতাই ঘটনা ঘটে।

১৯৯৩ – জাপানের উত্তরাঞ্চলের ৭.৮ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ১৯৬ জন মারা যান।

১৯৯৮ – ফ্রান্সের প্যারিসে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়, সেই খেলায় ফ্রান্স ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে। ম্যাচটি সারা বিশ্বে ১.৭ বিলিয়ন লোক প্রত্যক্ষ করে।

১৮৭৮ – ব্রিটেন সাইপ্রাস দখল করে।

১৭০০ – গ্রিনল্যান্ড গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে।
১৬৭৪ – শিবাজি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি করেন।

১৫৪৩ – ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি ষষ্ঠবারের মতো বিয়ে করেন।

১৫৭৬ – হোসেন কুলি খান বাংলার শাসক নিযুক্ত হন।

১৫৮০ – স্লাভিক ভাষায় বাইবেল প্রকাশিত হয়।

১৪৪২ – আলফনসো নেপলসের রাজা হন।

১২৩৩ – ক্রুসেডার নৌ-সেনারা মিশরের ঐতিহাসিক আলেক্সান্দার বন্দরটি অবরোধ করে।

১১০৯ – ক্রুসেডাররা ত্রিপোলি নগরী দখল করে।

১০৯৬ – পিটার দি হারমিট এর অধীনস্থ একদল ক্রুসেডার বুলগেরীয়ার সোফিয়ায় পৌছায়। তারা এখানে আর একটি দলের সাথে যোগ দিয়ে কন্সটান্টিনোপলের (ইস্তানবুল) দিকে রওনা দেয়।

৭১১ – তারেক বিন যিয়াদ তার বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – অমর গোপাল বসু,বাঙালি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রকৌশলী, বিশ্ববিখ্যাত অডিও ইকুইপমেন্ট প্রস্তুতকারক সংস্থা বোস কর্পোরেশন এর প্রতিষ্ঠাতা।

১৯০২ – ইতালির সন্ত জোহানেস গোয়ালবার্তাসে।

১৯৯১ – ইরানের বিশিষ্ট মনীষী আল্লামা সাইয়্যেদ তাহের সাইয়্যেদযাদেহ হাশেমী

১৯২৬ – ইংরেজ পুরাতাত্ত্বিক গায়ট্রুড বেল।

১৯৯৯ – রমাতোষ সরকার ভারতের বিশিষ্ট বাঙালি জ্যোর্তিবিজ্ঞানী।

১৮০৪ – মার্কিন রাজনীতিক আলেকজান্ডার হ্যামিলটন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস; জানুন দিনটি পালনের লক্ষ্য ও গুরত্ব সম্পর্কে।

সূচনা—-

 

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস । ১৯৮৯ সাল থেকে পালন করা শুরু হয় দিনটি। এর পিছনে রয়েছে বিশেষ কতকগুলি  কারণ।আজকের বিশ্বে ক্রমশ  দ্রুত বাড়ছে জনসংখ্যা। কিন্তু আমরা জানি জনসংখ্যা বাড়লেও বসবাসের জায়গা কিন্তু সেই একই। এর প্রভাব তাই সমাজে বিভিন্ন রূপে প্রভাব পড়ে। সে সমাজিক হোক কিংবা অর্থনীতি সর্বক্ষেত্রেই। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে মারাত্মক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে নষ্ট হচ্ছে স্থিতাবস্থাও। কারন অতিরিক্ত জনসংখ্যা যেমন সম্পদ তেমনি এর সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও রয়েছে যথেষ্ঠ। তাই এর ভালো-মন্দ এবং অন্যান্য দিকগুলি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ১১ জুলাই অর্থাৎ আজকের দিনটি ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

 

কবে শুরু হয়—-

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হল একটি বার্ষিক ইভেন্ট , ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে গুরুত্ব প্রদান ও জরুরী মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় যা আজও গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়ে চলেছে। তবে আজকের দিনে দাড়িয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করে শুধু  খাতায় কলমে নয়, প্রতিটি রাষ্ট্রকে বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ঠ গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। তা না হলে এই জন বিস্ফরন কোন কোনো ক্ষেত্রে অভিশাপ ডেকে আনতে পারে।

 

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের লক্ষ্য—

 

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের লক্ষ্য হল পরিবার পরিকল্পনার গুরুত্ব , লিঙ্গ সমতা , দারিদ্র্যের মতো বিভিন্ন জনসংখ্যার বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকার রক্ষা কর। বহু মানুষ তাঁদের লিঙ্গ, জাতি, শ্রেণী, ধর্ম, যৌন অভিমুখ, অক্ষমতা এবং নাগরিকত্বের উপর ভিত্তি করে বৈষম্য, হয়রানি এবং হিংসার সম্মুখীন হন। অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে বহু জায়গাতেই মানবাধিকারও খর্ব হয়। এই বিষয়টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই দিনটি পালন করা হয়।সারা বিশ্বে এদিন নানা ধরনের সেমিনার, আলোচনাসভা, শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান, নানা ধরনের প্রতিযোগিতা, স্লোগান, কর্মশালা, বিতর্ক, গান ইত্যাদির আয়োজন করা হয়। এই যাবতীয় সমস্যা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতেই পালন করা হয় এই বিশেষ দিনটি।

 

ইতিহাস—-

১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের উন্নয়ন কর্মসূচির তৎকালীন গভর্নিং কাউন্সিল এই দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১১ জুলাই, ১৯৯০ তারিখটি থেকে ৯০টিরও বেশি দেশে প্রথম এই দিনটি পালিত হয়। তারপর থেকে, সরকার ও সুশীল সমাজের সহযোগিতায় ইউএনএফপিএ জাতীয় অফিসের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করে আসছে।

 

দিনটি পালনের গুরুত্ব—-

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে প্রতি মিনিটে বিশ্বে ২৫০টি শিশু জন্মগ্রহণ করে।  রাষ্ট্রসংঘ জনসংখ্যা বৃদ্ধিকেই নিয়ন্ত্রণ করার  চেষ্টা করছে। তবে জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে কিছুটা বিতর্কও আছে। অনেকের মতে পৃথিবীর যা সম্পদ রয়েছে তাতে সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৩০০ কোটি লোককে জায়গা দেওয়া সম্ভব। তাদের মতে ধীরে ধীরে জনসংখ্যা কমিয়ে আনা উচিত। কেবল এ ভাবেই প্রকৃতির ওপর যে নির্যাতন চলছে তা বন্ধ করা যাবে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নত বন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব বলে মনে করেন অনেকে। জনসংখ্যা সমস্যায় জর্জরিত চিন এক সন্তান নীতির মাধ্যমে জনসংখ্যা কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। আবার কিছু দেশ ঋণাত্নক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের কারণে উল্টো নীতিও গ্রহণ করেছে।

 

জনসংখ্যা ও মানব সম্পদ—-

 

তবে, জনসংখ্যা কখনই সমস্যা নয়, এটি হলো সম্পদ। কেননা জনসংখ্যাই হতে পারে জনসম্পদ। মূলধন ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নির্ভর করে দক্ষ জনসম্পদের ওপর। তাই দক্ষ জনসম্পদ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ও অপরিহার্য শর্ত। অতিরিক্ত জনসংখ্যার দক্ষতা বাড়াতে গেলে অনেক সময় সম্পদেরও প্রয়োজন হয়। কিন্তু জনসংখ্যা কম হলে সীমিত সম্পদ দিয়েও তাদের দক্ষ করে তোলা সম্ভব হয়।

তাই বলা চলে ‘জনসংখ্যা’ যে কোনো দেশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। দেশটির আয়তন, ভৌগোলিক অবস্থা বা অবস্থান, সুস্থ কিংবা অসুস্থ, শিক্ষিত বা অশিক্ষিত জনগোষ্ঠী—এই সব বিচারেই ‘জনসংখ্যা’ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

 

একটি দেশের মূল অবকাঠামো জনসংখ্যা—-

 

একটি দেশের জনগণ তথা সাধারণ গণমানুষ দেশটির প্রধান চালিকাশক্তি বা প্রাণশক্তি। আর সে প্রাণের প্রকাশ বা স্পন্দন মনোরম হতে পারে যদি মানুষ সাধারণ খাদ্যে-স্বাস্থ্যে-শিক্ষায় সবল ও কর্মক্ষম থাকে। সমৃদ্ধ একটি দেশ নির্মাণ তাহলেই সম্ভবপর হয়।একটি দেশের মূল অবকাঠামো হচ্ছে জনসংখ্যা। যদিও বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ দেশে জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়া এক ধরনের আতঙ্কের খবর। বলা হয়, একুশ শতাব্দীতে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ সবচেয়ে সংকটজনক অবস্থার জন্ম দিতে চলেছে। জনসংখ্যা-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রতি বছর ১১ জুলাই ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

 

উপসংহার—-

 

তাই সামগ্রিক বিষয়টির গুরুত্ব অনুভব করে প্রতি বছর ১১ই জুলাই রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে সারা বিশ্বে ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ পালিত হোয়ে আসছে।  জনসংখ্যাকে সম্পদ বলা হলেও অতিরিক্ত জনসংখ্যা সম্পদ নয়, বরং অতিরিক্ত জনসংখ্যা  বোঝা। করণ যত জনবৃদ্ধি হবে ততই নানান সামস্যা তৈরি হবে। দেখা দেবে প্রাপ্ত অপ্রপ্তির শূন্যতা। পুষ্টি, অপর্যাপ্ত শিক্ষার সুযোগ, বেকারত্ব, চিকিৎসা সেবার অপ্রতুলতা ইত্যাদি সমস্যার মূলে রয়েছে অতিরিক্ত জনসংখ্যা। তাই মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হচ্ছে গুরুত্ব সহকারে।।

।।তথ্য: সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১১ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৬ – আলেক্সান্দ্র মিখাইলোভিচ প্রখরভ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত রাশিয়ান পদার্থবিদ।

১৯২৭ – থিওডর মেইম্যান, লেজার রশ্মির উদ্ভাবক মার্কিন বিজ্ঞানী।

১৯২৯ – ডেভিড কেলি, আইরিশ অভিনেতা।

১৯৩৩ – সুভাষ চৌধুরী বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিক্ষক গবেষক  ও সমালোচক ।

১৯৩৬ – বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক আল মাহমুদ।

১৯৪৬ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন গেরিলা যোদ্ধা মাগফার আহমেদ চৌধুরী আজাদ।

১৯৫৬ – রবিন রেনুচি, ফরাসি অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৬৩ – লিসা রিনা, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৬৬ – নাদিম আসলাম, পাকিস্তানের ইংরেজ লেখক।

১৯৬৭ – ঝুম্পা লাহিড়ী, পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালি বংশোদ্ভূত লেখিকা।

১৯৭২ – মাইকেল রসেনবাউম, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৭৫ – লিল কিম, আমেরিকান র্যা পার ও অভিনেত্রী।

১৯৮১ – বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পূর্ণিমা।

১৯৮৬ – ইয়য়ান গউরকুফ্, ফরাসি ফুটবল।

১৮৮২ – বাবা কাঁশীরাম,ভারতীয় কবি, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং সমাজ সংস্কারক।

১৮৯৭ – শিবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি শ্রমিক নেতা, সাম্যবাদী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৭৩২ – ঝসেফ লালাদঁর, ফরাসি জ্যোতির্বিদ।

১৭৬৭ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি জন কুইন্সি এডাম্‌স।

১৫৫৮ – রবার্ট গ্রীনে, ইংরেজ লেখক ও নাট্যকার।

১২৭৪ – রবার্ট ব্রুস, স্কটল্যান্ডের রাজা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – নাইজেরিয়ায় গ্যাসোলিন পাইপ বিস্ফোরিত হয়ে ২০০ নিহত হয়।

২০০২ – চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে সংঘর্ষে ৮ ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়।

২০০৬ – ভারতের মুম্বাইয়ে সিরিজ বোমা হামলায় ২০৯ জন নিহত হয়।

২০১১ – ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মিরসরাইয়ের আবু তোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের বড়তাকিয়া সড়কে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৪২ শিক্ষার্থীসহ ৪৫ জন মৃত্যুবরণ করেন।

২০২১ – ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকায় দীর্ঘ ২৮ বছর পর পুনরায় শিরোপা লাভ করে আর্জেন্টিনা

১৯১৯ – নেদারল্যান্ডে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস ও রোববার ছুটি, আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২১ – মঙ্গোলিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৩০ – অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।

১৯৪১ – মস্কোতে ইঙ্গ-রুশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬০ – পাশ্চাত্যের বিভেদ ও শাসন করার নীতির ফসল হিসেবে কঙ্গোয় দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬০ – জায়ারের কাতাঙ্গা প্রদেশের স্বাধীনতার চেষ্টা চালানো হয়।

১৯৬২ – টেলস্টার উপগ্রহের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফ্রান্সে টিভি সম্প্রচার শুরু হয়।

১৯৭৯ – আমেরিকার প্রথম স্পেস স্টেশন ‘স্কাইল্যাব’ ভারত মহাসাগরে ভেঙ্গে পড়ে।

১৯৮২ – বিশ্বকাপ ফুটবলে পশ্চিম জার্মানিকে পরাজিত করে ইতালির তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়নশিপ লাভ করে।

১৯৯০ – বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাসের খনি আবিস্কৃত হয়।

১৯৯১ – জেদ্দায় ফিরতি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৬৬ হাজী নিহত হয়।

১৯৯৫ – ৮ হাজারেরও বেশি বসনীয় মুসলমান সেব্রেনিৎসা শহরে সার্ব রমপন্থীদের হাতে নিহত হয়।

১৯৯৮ – বিশ্বকাপ ফুটবলে ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন হয়।

১৮২৩ – ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।

১৮৩২ – সতীদাহ প্রথা বিলোপের বিরুদ্ধে ভারতের গোঁড়া হিন্দুদের আবেদন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নাকচ হয়ে যায়।

১৮৭৮ – ব্রিটেন সাইপ্রাস দখল করে।

১৮৮২ – ব্রিটিশ নৌবহর থেকে আলেকজান্দ্রিয়ায় বোমা বর্ষণ করা হয়।

১৮৮৯ – অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।

১৫৭৬ – হুসাইন কুলি খান বাংলার শাসক নিযুক্ত হন।

৭৫০ – খলিফা দ্বিতীয় মারওয়ান নিহত হওয়ার মধ্যদিয়ে উমাইয়া বংশের খেলাফতের অবসান।

৭৮৮ – মরক্কোতে ইদ্রিসী রাষ্ট্র গঠিত।

৬২১ – হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর কাছে আকাবায় মদিনাবাসীর প্রথম শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – ভীষ্ম সাহনী, ভারতীয় লেখক, নাট্যকার ও অভিনেতা।

২০০৫ – ফ্রান্সেস লাংফরড, মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়িকা।

২০১৩ – এগবেরট ব্রিস্কেরন, জার্মান গণিতবিদ।

২০২০ – এবিএম হোসেন, বাংলাদেশি ইতিহাসবিদ ও ইসলামি শিল্পকলা বিশেষজ্ঞ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ইমেরিটাস অধ্যাপক।

১৯০৫ – মোহাম্মদ আবদুহ, মিশরীয় আইনজ্ঞ ও পণ্ডিত।

১৯৩৭ – জর্জ গেরশ্বিন, মার্কিন পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯৫৭ – সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান, ৩য় আগা খান নামে পরিচিত শিয়া সম্প্রদায়ের ৪৮তম ইমাম।

১৯৭৪ – পার ফাবিয়ান লাগেরকভিস্ট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৯৮৩ – রস ম্যাকডোনাল্ড, মার্কিন বংশোদ্ভূত কানাডীয় লেখক।

১৯৮৫ – বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা বাঙালি কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

১৯৮৯ – লরন্স অলিভিয়ে, ইংরেজ অভিনেতা ও পরিচালক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১০ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় মৎস্যচাষী দিবস। (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – নোবেলজয়ী জার্মান রসায়নবিদ কুট আলডার

১৯১৩ – বিশিষ্ট বাঙালি চিত্রশিল্পী রথীন মৈত্র।

১৯১৫ – নোবেলজয়ী মার্কিন ঔপন্যাসিক সল বেলো

১৯১৮ – শুভ গুহঠাকুরতা, প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ও ‘দক্ষিনী’প্রতিষ্ঠাতা।

১৯২৫ – ডা. মাহাথির মোহাম্মদ, মালয়েশীয় রাজনীতিবিদ ও মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

১৯২৮ – অ্যান্থনি মাসকারেনহাস, পাকিস্তানি সাংবাদিক, “দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ”খ্যাত লেখক

১৯৩১ – মতি নন্দী, ভারতের বাঙালি লেখক ও ক্রীড়া সাংবাদিক।

১৯৪৬ – সু লিয়ন, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৪৯ – সুনীল গাভাস্কার, ভারতের জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেট খেলোয়াড়, অধিনায়ক ও প্রথিতযশা ব্যাটসম্যান

১৯৬৮ – মার্কিন অভিনেতা জনাথন গিলবার্ট

১৯৮০ – মার্কিন অভিনেত্রী জেসিকা সিম্পসন

১৮৩৪ – চেক সাহিত্য সমালোচক, কবি ও গল্পকার ইয়ান নেরুদা

১৮৫৬ – নিকোলা টেসলা, বিখ্যাত সার্বীয়-মার্কিন আবিষ্কারক, পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী

১৮৭১ – মার্সেল প্রুস্ত্‌, ফরাসি বুদ্ধিজীবী, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার ও সমালোচক

১৮৮৩ – মন্মথনাথ ঘোষ (বিদ্যাবিনোদ), বাঙালি শিল্পোদ্যোগী ও সাহিত্যিক।

১৮৮৫ – ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশী বহুভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

১৮৯৩ – কেশবচন্দ্র নাগ, বাংলার প্রখ্যাত গণিতজ্ঞ ও গণিতের সর্বাধিক প্রচলিত পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা।

১৬৩৫ – রবার্ট হুক, ইংরেজ বিজ্ঞানী।

১৪৫২ – স্কটল্যান্ডের রাজা তৃতীয় জেমস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০০ – অস্ট্রেলিয়ায় সংবিধান গৃহীত হয়।

১৯২১ – মঙ্গোলিয়া নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করে।

১৯৪০ – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালে মার্শাল হেনরি পেটেইন ফ্রান্সের শাসনভার গ্রহণ করেন।

১৯৪২ – দুরারোগ্য ব্যাধিতে কাজী নজরুল ইসলাম চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যান।

১৯৪৬ – ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা ৷

১৯৫৭ – ড.হীরালাল চৌধুরীর গবেষণায় ভারতে মাছ চাষে প্রণোদিত প্রজনন পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়।

১৯৬২ – যোগাযোগ উপগ্রহ ‘টেলিস্টার’ মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়।

১৯৬৬ – মহাকাশযান জেমিনি ১০ উৎক্ষেপন করা হয়।

১৯৬৮ – আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টাক্লারাতে ইন্টেল কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৩ – ৩০০ বছর ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকার পর বাহামাস দ্বীপপুঞ্জ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৬ – গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের ইতিহাসে রুমানিয়ার জিমন্যাস্ট নাদিয়া কোমিনিচি প্রথমবারের মতো পারফেক্ট ১০ স্কোর করেন।

১৯৮৯ – বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংবিধানের ৯ম সংশোধনী পাস।

১৯৯১ – বরিস ইয়েলৎসিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।

১৯৯২ – হানা সচুকা পোল্যান্ডের প্রথম মহিলা সরকার প্রধান নির্বাচিত।

১৮৪২ – নোটারি স্ট্যাম্প আইন পাস হয়।

১৮৫৪ – স্যর চার্লস উডের বিখ্যাত ডেসপ্যাচ প্রকাশিত হয়।

১৮৫৭ – মিরাটে সিপাহী বিদ্রোহের সূত্রপাত।

১৮৭১ – কলকাতা ও অন্যান্য পৌরসভার রাস্তাঘাট তৈরি রক্ষার খরচনির্বাহের জন্য নীতিনির্ধারক আইন চালু হয়।

১৭৪১ – ডেনমার্কের নাগরিক ভিতুস ব্রিংক আলাস্কা ভূখণ্ড আবিষ্কার করেন।

১৫২০ – রাজা পঞ্চম চার্লস ও রাজা অষ্টম হেনরি শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেন।

১৫২৬ – পানিপথের যুদ্ধে জয় লাভ করে মোগল সম্রাট বাবর আগ্রায় পদার্পণ করেন।

১৫৫৩ – লেডি জেন গ্রে ইংল্যান্ডের রানি হন।

৮৭৪ – নরওয়ের জেলেরা উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপ দেশ আইসল্যান্ড আবিষ্কার করে।

৭১৫ – মুহাম্মদ বিন কাসেম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি এর মৃত্যু।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার ও কূটনীতিবিদ।

২০১৪ -জোহরা সেহগল, ভারতীয় অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী এবং নৃত্য পরিচালক ছিলেন।

১৯৭৭ – প্রখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী অতুল বসু প্রয়াত হন।

১৮১৭ – জেন অস্টেন, একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

১৮৯৩ -শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক নওয়াব আব্দুল লতিফ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৯ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৯ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৬ – এডওয়ার্ড হিথ, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯২১ – সৈয়দ মুহাম্মদ আহসান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

১৯২৫ – গুরু দত্ত নামে পরিচিত বসন্ত কুমার শিবশঙ্কর পাদুকোন, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতা।

১৯৩২ – যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ড।

১৯৩৩ – অলিভার স্যাক্স, একজন স্নায়ু বিশেষজ্ঞ৷

১৯৩৮ – সঞ্জীব কুমার, একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

১৯৫৬ – টম হ্যাংক্‌স্, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৫৭ – টিম ক্রিং, মার্কিন চিত্রনাট্য রচয়িতা এবং টেলিভিশন প্রযোজক।

১৮১৯ – সেলাই মেশিনের মার্কিন উদ্ভাবক এলিয়াস হাউ।

১৮৫৮ – জার্মান-মার্কিন নৃবিজ্ঞানী ফ্রান্স বোয়াস।

১৭৮৬ – জার্মান ভাস্কর রুডলফ শ্যাডো।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – আফ্রিকার দেশগুলোর নেতৃবৃন্দ অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটির স্থলে আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

২০১১ – সুদান থেকে পৃথক হয়ে যায় দক্ষিণ সুদান।

১৯১৯ – জার্মানির ভার্সাই চুক্তি অনুমোদন।

১৯৪১ – সোভিয়েত ইউনিয়নের পসকভ অঞ্চল জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়।

১৯৪৬ – শ্যামদেশের রাজা আনন্দ মাইদল আততায়ীর হাতে নিহত।

১৯৪৮ – এক মাস যুদ্ধ বিরতির পর আরব ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৫৫ – নিউক্লিয়াস অস্ত্র প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে রাসেল আইনস্টাইনের ইশতেহার প্রকাশ।

১৯৬৯ – বাঘকে ভারতের জাতীয় পশু হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

১৯৭১ – মরক্কোর বাদশা হোসেনের জন্মদিন অনুষ্ঠানে হামলা। ১০০ লোক নিহত।

১৯৭২ – দখলদার ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সদস্যরা ফিলিস্তিনের সংগ্রামী লেখক গাসান কানানিকে হত্যা করে।

১৯৭৩ – বাহামা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৮৯ – আর্জেন্টিনায় ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম বেসামরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে কার্লোস মেনেমের শপথ গ্রহণ।

১৯৯১ – মেক্সিকোতে দীর্ঘস্থায়ী (৫৮ সেকেন্ড) সূর্যগ্রহণ। ২০৩২ সালের আগে এতো দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ হবে না বলে ধারণা।

১৯৯৬ – বরিস ইয়েলৎসিন পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় রাশিয়ার পুনরায় চেচনিয়া আক্রমণ।

১৯৯৭ – শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে হলিফিল্ডের কানে কামড় দেয়ায় মাইক টাইসন এর লাইসেন্স বাতিল। ৩০ লাখ ডলার জরিমানা।

১৮১০ – নেপোলিয়ানের অধীনে হল্যান্ড ফরাসী সাম্রাজ্যের অধিভুক্ত হয়।

১৮১৬ – আর্জেন্টিনা স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮৭৭ – উইম্বলডন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়।

৭৪২ – ইমাম ইবন শিহাব যুহরীর মৃত্যুবরণ ।

৬২৮ – হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কর্তৃক রাজন্যবর্গের নামে পত্র প্রেরণ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৭ – সুমিতা সান্যাল, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

২০২০ – (ক) সাহারা খাতুন, বাংলাদেশি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

(খ) রঞ্জন ঘোষাল, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী, গায়ক, গীতিকার, লেখক ও নাট্যব্যক্তিত্ব।

১৯১১ – রাজকুমার সর্বাধিকারী, বাঙালি সাংবাদিক, লেখক ও হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক।

১৯২২ – ওগাই মোরি, জাপানি সাহিত্যিক।

১৯৩৪ – দীনেশচন্দ্র মজুমদার ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৬৯ – সুখলতা রাও, শিশু সাহিত্যিক।

১৯৮৫ – কবি ও সাহিত্যিক আহসান(?)।

১৯৯৪ – কিম ইল সুং, উত্তর কোরীয় রাষ্ট্রনায়ক।

১৯৯৯ – অশোক মিত্র, ভারতীয় দক্ষ প্রশাসক, সমাজ বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রাবন্ধিক, বিশিষ্ট শিল্প ঐতিহাসিক ও শিল্প সমালোচক।

১৮৫০ – জ্যাকারি টেইলার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি।

১৮৫৬ – আমাদিও আভোগাদ্রো, ইতালীয় রসায়নবিদ।

১৭৯৭ – এডমান্ড বার্ক, অ্যাংলো-আয়ারল্যান্ডীয় লেখক, রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ ও দার্শনিক।

৮৭৪ – হযরত বায়েজীদ বোস্তামী, সুফি ও ইসলাম ধর্মপ্রচারক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৮জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’র উদ্যোগে, পালিত হয় ‘জ্যোতিষ বিরোধী দিবস’

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৪ – জ্যোতি বসু, ভারতীয় বাঙালি কমিউনিস্ট নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৩৯ – মার্কিন ধনকুবের ডেভিড রকফেলার।

১৯৪৯ – ইয়েদুগুরি সন্দিন্তি রাজশেখর রেড্ডি, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৫১ – অ্যাঞ্জেলিকা হিউস্টন, মার্কিন অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও স্মৃতিকথাকার।

১৯৬৬ – রেবতী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৭২ – সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভারতীয় ক্রিকেটার ও অধিনায়ক।

১৯৮১ – আনাস্তাসিয়া মিসকিনা, রুশ প্রমিলা টেনিস তারকা।

১৮৩৯ – জন রকফেলার,মার্কিন শিল্পপতি, উদ্যোক্তা ও জনদরদী।

১৮৭৫ – জার্মান দার্শনিক এর্নস্ট ব্লখ।

১৮৯২ – ইংরেজ লেখক রিচার্ড অলডিংটন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৬ – দীর্ঘ ৪৪ বছর বন্ধ থাকার পর নাথুলা পাস সীমান্তপথটি ভারত চীনের সাথে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়।

২০১৮ – বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী পাশ হয়।

১৯১৮ – ভারতের সংবিধান সংস্কার সম্পর্কে মন্টেগু-চেমসফোর্ড রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।

১৯২০ – ব্রিটেন কেনিয়া অধিগ্রহণ করে।

১৯৩৭ – তুরস্ক, ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তান সান্দাবাদ চুক্তিতে সই করেছিল।

১৯৪৮ – আমেরিকা প্রথম বিমানবাহিনীতে মহিলা নিয়োগ করে।

১৯৭২ – প্রথম আরব মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ইরাক।

১৯৯০ – আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে পশ্চিম জার্মানি বিশ্বকাপ ইতালিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়।

১৮০৭ – রাশিয়ার তিলসিত এলাকায় বিখ্যাত তিলসিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৫৮ – সিপাহি বিদ্রোহের অবসানের পর লর্ড ক্যানিং ‘শান্তি’ ঘোষণা করেন।

১৭৬০ – ফ্রান্স-ভারত যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী শেষ নাভাল যুদ্ধে ফ্রান্সকে পরাজিত করে।

১৪৯৭ – ভাস্কো দা গামা লিসবন থেকে ভারত অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – অমিয়ভূষণ মজুমদার,বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

২০০৩ – সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি), বিংশ শতাব্দীর উল্লেখযোগ্য ভারতীয় বাঙালি কবি ও গদ্যকার।

২০০৬ – জুন অ্যালিসন, মার্কিন অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী ও গায়িকা।

২০১১ – আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

২০১৫ – আমজাদ খান চৌধুরী, ব্যবসায়ী, শিল্প উদ্যোক্তা এবং প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা।

২০২২ – শর্মিলী আহমেদ বাংলাদেশী টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

২০২২- খুরশিদ আলম খান,  বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক।

২০২২ – শিনজো আবে, জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৩ – ইংরেজ ঔপন্যাসিক অ্যানথোনি হোপ।

১৯৪৮ – ডেভ নোর্স, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৬৭ – ভিভিয়েন লেই,অস্কার বিজয়ী বৃটিশ অভিনেত্রী।

১৯৯৪ – উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা ও সেদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব কিম ইয়েল সুং।

১৯৯৭ – আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।

১৮২২ – পার্সি বিশি শেলি,ঊনিশ শতকের প্রথম দিকের ইংরেজ কবি।

১৮৫৫ – মেরু অভিযাত্রী স্যার উইলিয়াম এডওয়ার্ড পিয়ারি।

১৮৭৭ – বাংলা সংবাদপত্র জগতের অন্যতম পুরোধা জন ক্লার্ক মার্শম্যান।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জানুন কি ভাবে শুরু হলো বিশ্ব চকলেট দিবস এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

চকলেট খেতে কে না ভালোবাসে। চকলেট অনেকের কাছেই এক দুর্বলতা। চকলেট শুধু স্বাদেই ভালো নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।  ডার্ক চকলেট খাওয়া কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। হার্টের স্বাস্থ্য এবং রক্তচাপের উন্নতিও ডার্ক চকলেট থেকে দেখা যায়। চকলেটের অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে তা নিয়ম মেনে খাওয়া উচিৎ। একই সময়ে, এটি অতিরিক্ত ওজন হ্রাস এবং ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, স্ট্রোক, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, নার্ভাসনেস এবং অস্থিরতা, কিডনির উপর প্রভাবের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। পেটে ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথার মতো সমস্যাও হতে পারে। অতএব, এটি সীমিত পরিমাণে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি জিনিস সকলের শরীরে সমান ভাবে প্রভাব ফেলে না।

 

পাশাপাশি চকলেট বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে প্রদানের চল আছে, যা আজও বহমান। তাই এই ভালোবসার জিনিসটির ওপরে আজকের দিনটি বিশেষ ভাবে পালিত হয়। আজ বিশ্ব চকলেট দিবস। বিশ্ব চকলেট দিবস, কখনও কখনও আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস হিসাবে পালন করা হয়। বিশ্বব্যাপী ৭ জুলাই, বিশ্ব চকলেট দিবস ২০০৯ সাল থেকে পালন করা হয়।
প্রতি বছর এই দিনটিতে বিশ্বজুড়ে চকলেট প্রেমীরা তাদের প্রিয় খাবারে কোনো বাধন ছাড়াই খেতে দেখা যায় ।  চকলেট দুধ, গরম চকলেট, চকলেট ক্যান্ডি বার, চকলেট কেক, ব্রাউনিজ বা চকলেটে আচ্ছাদিত যেকোনো কিছু সহ চকলেট থেকে তৈরি সব ধরনের জিনিস দিয়ে দিনটি উদযাপন করে ।

জানা যায় চকলেট গ্রীষ্মমন্ডলীয় থিওব্রোমা ক্যাকো গাছের বীজ থেকে আসে।  কোকো বিনগুলিকে অনেক জায়গায় ম্যাজিক বিন বলা হয়।  কমপক্ষে তিন সহস্রাব্দ ধরে চাষ করা হয়েছে এবং মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং উত্তর দক্ষিণ আমেরিকায় এটি বৃদ্ধি পায়।  প্রায় ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কোকো বীজ ব্যবহার করার প্রথম পরিচিত পাওয়া যায় । বিশ্ব চকলেট দিবসে  মেরিঙ্গু পাই, মিল্ক চকলেট পুডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের চকলেট কেক বেকারি, কফি শপ এবং অনেক দোকানে দেখা যাবে। এই দিনটি উদযাপন করার জন্য, লোকেরা তাদের বন্ধু, আত্মীয় এবং পার্টনারকে চকলেট উপহার দেয়।
চকলেটের ইতিহাস প্রায় ২৫০০ বছরের পুরনো বলে জানা যায়। অ্যাজটেক (অ্যাজটেক ছিল একটি মেসোআমেরিকান সংস্কৃতি যা মধ্য মেক্সিকোতে ১৩০০ থেকে ১৫২১ সাল পর্যন্ত উত্তর-শাস্ত্রীয় যুগে বিকাশ লাভ করেছিল।) চকলেট আবিষ্কার করে প্রথম। তারা বিশ্বাস করত যে এটি জ্ঞানের দেবতা কোয়েটজালকোটল তাদের দিয়েছিলেন। তারা অন্যান্য জিনিস লেনদেনের জন্য কোকো ব্যবহার করত বা বলুন, কোকো বীজ মুদ্রা হিসাবে ব্যবহৃত হত।

 

 

জনা যায় ১৬ শতক পর্যন্ত, চকলেট তেঁতো ছিল।  বলা হয় যে ১৫১৯ সালে, স্প্যানিশ অভিযাত্রী হার্নান কর্টেসকে একটি চকোলেট পানীয় দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি তার সঙ্গে স্পেনে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং ভালো স্বাদের জন্য এতে ভ্যানিলা, চিনি এবং দারুচিনি যোগ করেছিলেন। স্বাদ পরিবর্তনের পর, চকলেট সারা বিশ্বে পছন্দ হতে শুরু করে। এর পরে, ১৫৫০ সালে, ইউরোপে প্রথমবারের মতো ৭ জুলাই চকলেট দিবস পালিত হয়। এর পরে, এটি বিশ্বের অনেক দেশে পালিত হতে শুরু করে।

অনেক বড় বড় চকলেট কোম্পানি ঊনিশ এবং বিংশ শতকে শুরু হয়েছিল। ১৮৬৮ সালে ক্যাডবেরি, ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছিল। ২৫ বছর পরে, মিল্টন এস দ্বারা শিকাগোতে ওয়ার্ল্ডস কলম্বিয়ান এক্সপোজিশনে চকলেট প্রক্রিয়াকরণ সরঞ্জাম কেনা হয়েছিল। হার্শে এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং বিশ্বখ্যাত চকলেট নির্মাতাদের একজন। তিনি চকলেট-কোটেড ক্যারামেল উৎপাদন করে কোম্পানিটি শুরু করেছিলেন। নেসলে ১৮৬০-এর দশকে উদ্ভূত হয়েছিল এবং বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য গোষ্ঠীগুলির মধ্যে একটিতে পরিণত হয়েছে।
তবে আবার বিভিন্ন দেশে চকলেট দিবস বিভিন্ন সময় উদযাপন করাও হয়ে থাকে। যেমন ২৮ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় চকলেট দিবস। ইউএস ন্যাশনাল কনফেকশনার্স অ্যাসোসিয়েশন ১৩ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস হিসাবে তালিকাভুক্ত করে,  যা কাকতালীয়ভাবে চকলেট উৎপাদক মিল্টন এস. হার্শে (জন্ম: ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭) এর জন্ম তারিখের সাথে মিলে যায়। ঘানা, কোকোর দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক, ১৪ ফেব্রুয়ারি চকলেট দিবস উদযাপন করে।  লাটভিয়ায়, ১১ জুলাই বিশ্ব চকলেট দিবস পালিত হয়।

 

তাই যদি দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে চান তবে প্রিয়জনদের বা কাছের মানুষ, বন্ধু বান্ধবদের চকলেট গিফ্ট করে সবাইকে চমকে দিন বা আপনার প্রিয়জনকে এক বাক্স চকোলেট এবং ফুল পাঠান উপহার হিসাবে। আর  বিশ্ব চকলেট দিবস সম্পর্কে যারা জানেন না তারা আপনার সাথে উদযাপন করতে পেরে রোমাঞ্চিত হবেন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক) বিশ্ব চকলেট দিবস

(খ) আজ বিশ্ব সমবায় দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ভিত্তোরিও দে সিকা, ইতালীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯০৫ – প্রবোধকুমার সান্যাল প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও পরিব্রাজক ।

১৯১৪ – অনিল বিশ্বাস, ভারতীয় সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯২০ – দিলীপকুমার বিশ্বাস প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের একজন দিকপাল ঐতিহাসিক ।

১৯৪৪ – আইভি রহমান, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী।

১৯৪৪ – ইয়ান উইলমুট, ইংরেজ ভ্রুণতত্ত্ব বিজ্ঞানী এবং এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কটিশ সেন্টার ফর রিজেনারেটিভ মেডিসিন বিভাগের সভাপতি।

১৯৬৩ – পাকিস্তানের টেস্ট অলরাউন্ডার নাভিদ আনজুম।

১৯৬৫ – আমেরিকান অভিনেত্রী কারেন মালিনা হোয়াইট।

১৯৬৭ – পল ফারব্রেস, ইংরেজ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটার।

১৯৮১ – মহেন্দ্র সিং ধোনি, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং সাবেক অধিনায়ক।

১৯৮২ – মমতাজ আলীয়া আকবরী, বাংলাদেশী মডেল, উপস্থাপক, অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – মোহাম্মদ আশরাফুল, বাংলাদেশী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং সাবেক অধিনায়ক।

১৯৮৮ – কেটি পার্কিন্স, নিউজিল্যান্ডীয় প্রমিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৯২ – স্প্যানিশ অভিনেত্রী ও গায়িকা নাথালিয়া রামোস।

১৮০৬ – ইতালিয়ান ইতিহাসবিদ ও মন্ত্রী মাইকেল আমারি।

১৮৮৭ – চিত্রশিল্পী মার্ক শাগাল।

১৮৮৮ – বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক নরেন্দ্র দেব।

১১১৯ – জাপানের সম্রাট সোতুকু।

১০৫৩ – জাপানের সম্রাট সিরাকাওয়া।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – ১২২ বছর পর শুক্র গ্রহের ট্রানজিট বাংলাদেশের আকাশে পরিষ্কার দেখা যায়।

২০০৫ – লন্ডনের তিনটি মেট্রো স্টেশন এবং একটি বাসষ্ট্যান্ডে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে ৫০ জন নিহত এবং ৭০০ এরও বেশি মানুষ আহত হয়।

১৯০৪ – নরওয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯০৫ – লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন।

১৯২৭ – বিবিসি প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ডের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে।

১৯২৯ – ভ্যাটিক্যান সিটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে।

১৯৩১ – বিশিষ্ট ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাস সাইকেলে চড়ে বিশ্ব পরিভ্রমণ শুরু করেন।

১৯৩২ – মন্ট্রিলের ক্রিকেট ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি করেন স্যার ডোন্যাল্ড ব্র্যাডম্যান।

১৯৩৭ – উত্তর চীনে জাপান হামলা চালায়।

১৯৪৮ – বিশেষ আইন বলে স্বাধীন ভারতে প্রথম বহুমুখী নদী উপত্যকা প্রকল্প ‘দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন’ (সংক্ষেপে ডিভিসি) স্থাপিত হয়।

১৯৫০ – যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতিত্বে কোরিয় বিষয় পরিচালনা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা।

১৯৫৭ – চীনের পর্বতারোহীরা নতুন বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করেন।

১৯৭১ – জেড ফোর্স (বাংলাদেশ) গঠন দিবস

১৯৭২ – টানাকা কাখুই জাপানের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৭৩ – ইরাকে সরকার উৎখাতে জড়িত থাকার দায়ে ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড।

১৯৭৭ – সলোমন দ্বীপপুঞ্জের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৮ – উত্তর পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত সোলাইমান দ্বীপপুঞ্জ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৮২ – কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর ইংরেজী দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ প্রকাশিত হয়।

১৯৮৭ – ভারতে বাসে শিখ চরমপন্থীদের হামলায় ৪৬ হিন্দু নিহত।

১৯৯১ – বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আইন পাস।

১৯৯১ – জর্দানে সামরিক শাসন প্রত্যাহার।

১৮৫৫ – ব্রিটিশবিরোধী সাঁওতাল বিদ্রোহ ব্যাপকতা ও বিস্তার লাভ করে।

১৮৯৬ – বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম সিনেমা প্রদর্শিত হয়।

১৪৯৫ – রাজা দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ নেপলসে ফিরে আসেন।

১৭৬৩ – বাংলার নবাব হিসেবে মীরজাফর পুনরায় ক্ষমতা লাভ করেন।

১৬০৭ – ‘গড সেভ দ্য কিং’ গানটি প্রথম গীত হয়।

১৫৫০ – প্রথম চকোলেট বাজারে আসে।

১০৩৭ – সেলজুকি রাষ্ট্রের সূচনা।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – আহসান উল্লাহ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

২০১৪ – এডুয়ার্ড শেভার্দনাদজে, জর্জীয় রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

২০২১ – বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার।

১৯১০ – বাংলাদেশের ইসলামী চিন্তাবিদ, সমাজ সংস্কারক, সাহিত্যিক মুন্সী মেহেরুল্লাহ।

১৯৩০ – আর্থার কোনান ডয়েল, স্কটিশ সাহিত্যিক, শার্লক হোম্‌সের গল্পসমূহের জন্য বিখ্যাত।

১৯৩১ – দীনেশ গুপ্ত, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৬৫ – ইংল্যান্ডের পেসার বিল হিথচ।

১৯৭২ – তালাল বিন আবদুল্লাহ, জর্ডানের দ্বিতীয় বাদশাহ।

১৯৯০ – ভারতের মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা লালডেঙ্গা।

১৯৯৮ – মাসুদ আবিওলা, নাইজেরিয়ায় শীর্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা।

১৭১৮ – চক্রান্তের অভিযোগে পিতা রাশিয়ার পিটার দ্য গ্রেটের নির্দেশে পুত্র আলেঙ্সিকে পিটিয়ে হত্যা।

১৫৭৩ – ইতালির স্থপতি জাকোমা দা ভিনিওয়ার।

১৩০৪ – পোপ একাদশ বেনেডিক্ট।

১৩০৭ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম এডওয়ার্ড।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This