Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

জানুন ৪০০ বছরের প্রাচীন শীতলা মায়ের পুজোর ইতিহাস ও সংস্কৃতি।।।

রানাঘাট হবিবপুর পুরাতন বাজারের প্রাচীন ও ঐতিহ্য জাগ্রত শীতলা মায়ের পুজো আনুমানিক ৪০০ বছরের প্রাচীন তাকে ঘিরে চলে ১০ দিন উত্‍সব ও মেলা। এখানকার শীতলা মা শুধুমাত্র একটা বট বৃক্ষে পূজিত হয়ে আসছে বিগত ৪০০ বছর ধরে। কথায় আছে বিশ্বাসে মেলায় বস্তু তর্কে বহুদূর হয়তো এই মায়ের কাছে না আসলে অনেকে বিশ্বাস করতে পারবে না এমনটাই জানাচ্ছেন পুজো উদ্যোগতারা ।

এখানে কোনো মূর্তি হিসেবে পূজিত হয়না শুধুমাত্র বট গাছটি শীতলা দেবী হিসেবে পূজিত হয়ে আসছে ৪০০ বছর ধরে।
কথিত আছে গঙ্গা নদী প্রবাহিত ছিল এই বট বৃক্ষে পাশ দিয়ে কোনো এক সময় চাঁদ সদাগর বাণিজ্য করতে গিয়ে এই স্থানে বটো বৃক্ষ নিজে পূজা দিয়েছিলেন।
প্রথমে এক অবাঙালি ব্রাহ্মণ পুজো করলেও বর্তমানে হবিবপুরের ভট্টাচার্য বাড়ির পুরুষেরা বংশানুক্রমিক এই পূজার দায় ভার পায়।
কথিত আছে মায়ের স্বপ্ন আদেশ”হয় ভট্টাচার্য পরিবার কে পুজো করবার তারপরথেকেই তারা পুজো করে আসছেন । চৈত্র মাসের শীতলা অষ্টমী তিথিতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের সমাগম হয় এই পুজোতে । তারপর ব্রাহ্ম মুহূর্ত সময়কালে ভট্টাচার্জি বাড়ির বর্তমান পুরোহিত গদাই ভট্টাচার্য চন্ডী পাঠ দাঁড়া দেবী শক্তির গুনোগান করেন।
লোকমূখে শোনা যায় এক সময় বট বৃক্ষের সামনে দিয়ে ভাগীরথী গঙ্গা নদী প্রবাহিত ছিল। এখন গঙ্গা ৭ কিলোমিটার দূরে তারাপুরে অবস্থান করছে।
মা শীতলা দেবী এতই জাগ্রত যারা মায়ের কাছে আসেন বা পূজা দেন তারা উপলব্ধি করতে পারেন এই দেবী কে ভক্তিভরে ডাকলে মা ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরন করেন এবং অনেকের মনোবাঞ্ছা পূরন হলে তাদের ওজনে বাতাসা ছিটান ভক্তরা। ৬ দিনের হরিনাম সংকীর্তনে ৩ টনের অধিক পরিমাণে বাতাসা ছিটানো হয় ভক্তদের মাঝে।
শুধু হবিবপুর গ্রামের মানুষ এই পূজা সামিল হোন না রাজ্য বিভিন্ন প্রান্তের ভক্তদের পাশাপাশি দেশ বিদেশের ভক্তদের ঢল নামে এই পূজাতো এবছর ১০ হাজারের অধিক ভক্তদের সমাগম ঘটবে অনুমান করা হচ্ছে পূজা দিতে সকাল থেকে বিরাট লম্বা লাইন পড়ে ভক্তরা ডালা সাজিয়ে অনেন ডাবের জল, গঙ্গার জল, দুধ ,আলতা, সিঁদুর ফল, ফুল নিয়ে এসে মায়ের কাছে ভক্তি ভরে পূজা দেন মহা সমারোহে পুজো হয়, অঞ্জলী পরে ও বিশেষ হোমজঙ্গ হয় এবং এখনও পর্যন্ত এই দশদিনের উত্‍সবে অধিকাংশ বাড়িতে নিরামিষ আহার করে থাকেন তাদের বাড়িতে কোনো আমিষ খান না । এই শীতলা মায়ের বিভিন্ন মতবাদ আছে এখানে আগে একজন অবাঙালি সাধুঁ থাকত তিনি স্বপ্নাদেশ পেয়েছিল মায়েরা ৭ বোন মায়েরা এই বট বৃক্ষে অবস্থান করে আছেন আজও সাধারণ মানুষের ধারণা বিশ্বাস, এই বট গাছে অবস্থান করে আছেন লোক মূখে শোনা যায় অনেক ভক্তকে মা দেখা দিয়েছেন।পুজোর আগেরদিন অধিবাস পুজোর দিন নিয়ম অনুযায়ী পুজোর দিন ভোরবেলা মাকে ১০৮ কলশি গঙ্গার জল দিয়ে মাকে স্নান করাতে হবে তাই প্রতিবছর হাজার হাজার ভক্তদের দেখা যায় ১৪ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে আসা যাওয়া করে শান্তিপুর থানার অন্তর্গত কুমলে গঙ্গার থেকে জল নিয়ে এসে মাকে স্নান করানো হয়।যদিও পুজো ঘিরে চলে ১০দিনের কীর্তন ও অনুষ্ঠান। এদিন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে ভোট প্রচার শুরু করেন। অপরদিকে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী বর্ণালীদের আয়ো মাতৃ মন্দিরে গিয়ে পূজা অর্চনা করেন।

।। নদীয়া, রানাঘাট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) শিশু দিবস (হংকং, তাইওয়ান)।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮৯ – মাখনলাল চতুর্বেদী, ভারতীয় কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার এবং সাংবাদিক।
১৯২৯ – আবুল খায়ের, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনেতা।
১৯৩২ – অ্যান্থনি পারকিন্স, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৩৩ – সনজীদা খাতুন, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সঙ্গীতজ্ঞ এবং শিক্ষক।
১৯৪১ – জিয়া উদ্দিন, দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশের সভাপতি, জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুরের মহাপরিচালক।
১৯৪২ – চিত্রশিল্পী কালাম মাহমুদ।
১৯৬০ – হুগো ওয়েভিং, নাইজেরীয়-অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।
১৯৬৫ – রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৭৯ – হিথ লেজার, অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।
১৯৮৭ – সামি খেদিরা, জার্মান ফুটবলার।
১৯৮৯ – স্টিভেন ফিন, ইংরেজ ক্রিকেটার।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮৯৮ – বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন কর্তৃক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী : স্থান ক্লাশিক থিয়েটার, কলকাতা।
১৯৪৯ – ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬০ – ইতিহাসের এই দিনে সেনেগাল স্বাধীনতা লাভ করে। সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। এর রাজধানীর নাম ডাকার। সেনেগাল নদী থেকে দেশটির নামকরণ করা হয়।
১৯৬৮ – মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং আততায়ীর হাতে নিহত হন।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৭৫ – মার্কিন তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস ও পল অ্যালেন মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৭৯ – পাকিস্তানি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো এর ফাঁসি। তিনি পাকিস্তান পিপলস্‌ পার্টির প্রধান ছিলেন। হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৭৯ সালে সামরিক আদালত তাকে মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত করে।
১৯৮৪ – ভারতীয় নভোচারী রাকেশ শর্মা সোভিয়েত সহযোগিতায় মহাকাশ অভিযান করে। তিনি ভারতীয় প্রথম নভোচারী। রাকেশ ছিলেন ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের পাইলট। তিনি সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯২৮ – অনুরূপচন্দ্র সেন, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৩২ – উইলহেম অসওয়াল্ড, নোবেল বিজয়ী (১৯০৯) জার্মান রসায়নবিদ।
১৯৩৯ – গাজি বিন ফয়সাল, ইরাকের দ্বিতীয় বাদশাহ।

১৯৫০ – (ক)  সুন্দরীমোহন দাস, বাঙালি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং লেখক।
(খ) উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী ও সাংবাদিক।
১৯৭১ – যোগেশচন্দ্র ঘোষ, প্রখ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিশারদ এবং শিক্ষাবিদ। তিনি সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৭৯ – জুলফিকার আলী ভুট্টো, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
১৯৮৩ – গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।
১৯৯০ – মোহাম্মদ জাকারিয়া, বাঙালি অভিনেতা ও টেলিভিশন প্রযোজক।
২০০৪ – সুখেন দাস, বাংলার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।
২০১৩ – রজার ইবার্ট, মার্কিন চলচ্চিত্র সমালোচক ও চিত্রনাট্যকার।
২০২১ – দীপা চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

অনুরূপচন্দ্র সেন : অন্তরালে থেকে যাওয়া ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।।।।

ভূমিকা:- ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল বহু মানুষের কঠোর পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। হিন্দু মুসলিম সকল শ্রেণীর মানুষ এই মুক্তির আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিলেন। আর তাঁদের সেই বলিদনের ইতিহাসে অনেকের কথাই অজানা। ভারত উপমহাদেশের বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারত স্বাধীন হয়।

এই অন্দোলনে যে সকল বিপ্লবীর নাম সর্বজন স্বীকৃত তাঁদের মধ্যে অনুরূপচন্দ্র সেন প্রথমসারির একজন অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন। অনুরূপচন্দ্র সেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি দেশমতৃকার শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন সম্পূর্ণ রূপে।
ভারতের স্বাধীনতা অন্দলনের অন্যতম বিপ্লবী বীর ছিলেন অনুরূপচন্দ্র সেন। অনুরূপচন্দ্র সেন (১৮৯৮ – ৪ এপ্রিল ১৯২৮) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী । যুগান্তর দলের অন্যতম নেতা অনুরূপচন্দ্র সেন। আজ আমরা ক’জন মনে রেখেছি অনুরূপ সেনকে? স্মৃতির অন্তরালে থেকে গিয়েছেন তিনি। অনুরূপচন্দ্র সেন এম.এ. ক্লাসের ছাত্র থাকাকালে বিপ্লবী দলের সভ্য হন।
জন্ম ও শিক্ষা– অনুরূপচন্দ্র সেনের জন্ম অবিভক্ত বাংলার (বর্তমানে বাংলাদেশ) চট্টগ্রামের নোয়াপাড়ার এক দরিদ্র পরিবারে। পিতার নাম কমলকুমার সেন। চট্টগ্রাম মাদ্রাসা থেকে ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে ৭৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে আই.এ এবং ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে বি.এ পাশ করেন ।
মাস্টারদা সূর্য সেন এর সঙ্গে সম্পর্ক– মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী মাস্টারদা সূর্য সেন ও তিনি দুজনেই চট্টগামের নোয়াপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। একসঙ্গে তাঁরা দেশ মায়ের সেবায় ব্রতী হয়েছেন। তারা ছিলেন পরস্পরের সমবয়েসী বন্ধু। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার বুড়ুল হাইস্কুলে শিক্ষকতাকালীন নানা সামাজিক কাজে নিজেকে ও ছাত্রদের জড়িয়ে রাখতেন। ছাত্র ছাত্রীরা তার উৎসাহে হাতে লেখা জাতীয়তাবাদী ‘সাধনা’ পত্রিকা বের করে। অস্ত্র প্রশিক্ষন, লাঠি খেলা, দেহচর্চা ইত্যাদির গোপন আখড়া গড়ে তুলে স্থানীয় ছাত্র-যুবদের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব।
বিপ্লবী কর্মকাণ্ড- যে পাঁচজনকে নিয়ে১৯১৮ সনে চট্টগ্রাম বিপ্লবী দলের কেন্দ্র গঠিত হয় তিনি তার অন্যতম ছিলেন। যদিও তিনি অন্তরালেই থেকে গেছেন ভারতের বৈপ্লবিক আন্দোলনের ইতিহাসে। অপর চারজন হচ্ছেন সূর্য সেন, নগেন সেন (জুলু), অম্বিকা চক্রবর্তী ও চারু বিকাশ দত্ত। চট্টগ্রাম বিপ্লবীদের গোপন সংবিধান তারই রচিত।
গুপ্ত সমিতি বা পল্লি হিতৈষণী সমিতি গঠন-বুড়ুল হাইস্কুলে গণিতের শিক্ষক হিসাবে চাকরি করতে এসে স্থানীয় যুবকদের সশস্ত্র আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন চট্টগ্রাম বিপ্লবী দলের নায়ক মাস্টারদা সূর্য সেনের প্রধান সহকারী অনুরূপচন্দ্র। যদিও ১৯০৫ সাল থেকেই বুড়ুল-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সূচনা হয়ে গিয়েছে। তবে মাস্টারদার নির্দেশেই ১৯২২ সালে স্টিমারে করে নলদাঁড়ি ঘাটে প্রথম পা রাখেন যুগান্তর দলের অন্যতম নেতা অনুরূপচন্দ্র। শিক্ষকতার পাশাপাশি এলাকার সংস্কৃতিচর্চাতেও ভূমিকা ছিল অনুরূপচন্দ্রের। এলাকার যুবকদের সশস্ত্র বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ করতে গড়েছিলেন ‘গুপ্ত সমিতি’ বা ‘পল্লি হিতৈষণী সমিতি’-র মতো সংগঠন।
অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাবরণ- অনুরূপচন্দ্র সেন ১৯২২ সালে দলের নির্দেশে সেখানে সমাজসংস্কারমূলক কাজের সঙ্গে সঙ্গে বিপ্লবীদের এক ঘাঁটি তৈরি করেন। মজুত করে রাখা হতো আগ্নেয়াস্ত্র এবং নিষিদ্ধ বই ও পত্রপত্রিকা। অনুরূপবাবুর হাত ধরে সশস্ত্র বিপ্লবের মন্ত্রে দীক্ষা নিয়েছিলেন স্থানীয় যুবকরা। সঙ্গে পান প্রিয় ছাত্র প্রভাস রায়, মুরারীশরণ চক্রবর্তী প্রমুখকে। সন্ধ্যা হলে হুগলি নদীর পাড় লাগোয়া বাতিঘরের মাঠে তাঁদেরকে নিয়ে চলত অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ। চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুন্ঠনের অনেক আগেই স্থানীয় বিড়লাপুর-মায়াপুরে অস্ত্রভাণ্ডার লুন্ঠনের পরিকল্পনা করেছিলেন অনুরূপচন্দ্র। কিন্তু এলাকার জমিদার ও ব্রিটিশ পুলিশের কড়া নজরদারিতে তা ভেস্তে যায়। কিন্তু এর মাঝে দক্ষিণেশ্বর বোমার মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। দক্ষিণেশ্বর বোমা মামলায় ১৯ ডিসেম্বর ১৯২৬ তারিখে গ্রেপ্তার হন বুড়ুল থেকেই।
গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে অরন্ধন – ১৯২৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বুড়ুল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ পুলিস। এরপর তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় নলদাঁড়ি ঘাটে। সেখান থেকে কলকাতায়। সেদিন ব্রিটিশ পুলিসের বিরুদ্ধে জড় হয়ে আওয়াজ তুলেছিলেন এলাকার মানুষ। শিক্ষক অনুরূপচন্দ্রকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে একদিন গোটা এলাকায় হয় অরন্ধন। বিচারে অনুরূপচন্দ্রের সাজা হয়। তাঁকে আলিপুর মেট্রোপলিটন জেলে রাখার এক মাস পর জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে প্রবল অত্যাচার ও চরম অব্যবস্থায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন তিনি।
আসুস্থতা ও বেনারস যাত্রা — দিন কে দিন বেড়েই চলেছিল তাঁর অসুস্থতা। ক্রমেই যেন বিছানা থেকে উঠে বসারই ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছিলেন। স্বাস্থ্য ভেঙে পড়লে তার প্রভাব মনের ওপর পড়তে বাধ্য। সেই ছাত্রাবস্থাতেই মনে আধ্যাত্মিকভাব জাগ্রত হয়েছিল। বিবাগী হয়ে চলে যেতে চেয়েছিলেন হিমালয়ে। তবে বিপ্লবীদলে যোগ দেওয়ার পর বেশ কয়েক বছর বৈরাগ্যভাব স্তিমিত হয়েছিল। কিন্তু ১৯২৫-এর পর থেকে মনের মধ্যে শ্রীঅরবিন্দের প্রভাব ব্যাপকভাবে কাজ করেছে। তারপর দীর্ঘদিন রোগে ভুগে জীর্ণ হয়ে অনুরূপের বেঁচে থাকার ইচ্ছাটাও যেন নষ্ট হয়ে গেছে। মন মনে চেয়েছিলেন ভগবানের শরণ নিতে। এমন সময় এলো ওপরমহল থেকে অর্ডার। বাংলায় আর থাকতে পারবেন না। আপনাকে এক্সটার্নমেন্টে যেতে হবে। কোথায় যেতে চান আপনি?” প্রশ্নটা শুনে হেসে ফেললেন অনুরূপ। প্রহসন আর কাকে বলে! আবার একই প্রশ্ন, “আপনি কোথায় যেতে চান বলুন?” “বেনারস।” অনুরূপের মুখ দিয়ে যেন আপনা আপনি বেরিয়ে এসেছিলো শব্দটা। তাই কথাটা বলে হেসে ফেললেন উনি, সে হাসি তাচ্ছিল্যের! অবাক কাণ্ড! অনুরূপের আবেদন সরকার মেনে নিল। তাই কদিন বাদেই পোঁটলা-পুঁটলি নিয়ে ভগ্ন-শরীরে কোনোমতে উনি পৌঁছলেন কাশীধামে। উঠলেন ‘পার্বতী আশ্রম’ নামের একটা হোটেলে।
মৃত্যু– আসুস্থ অনুরূপচন্দ্রকে পরে কাশীতে পাঠানো হয়। সেখানে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় শ্রীরামকৃষ্ণ অনাথ আশ্রমে মারা যান (৪ এপ্রিল ১৯২৮ ) মহান এই স্বাধীনতা সংগ্রামী বীর।

।।তথ্যঋণ- সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় : ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক।।।

ভূমিকা :- ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল কিছু মানুষের অব্যর্থ পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। ভারত উপমহাদেশের বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারত স্বাধীন হয়, তার মূলে যে সকল বিপ্লবীর নাম সর্বজন স্বীকৃত তাঁদের মধ্যে কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় প্রথমসারির একজন অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু শহীদ ভগত্‍ সিং-এর মতই নয় বরং শক্তিশালী নারীদের দ্বারা প্রশস্ত হয়েছিল যারা তাদের মাটিতে দাঁড়িয়েছিল এবং দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ব্রিটিশদের সাথে লড়াই করেছিল।

কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি দেশমতৃকার শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন সম্পূর্ণ রূপে। ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিকন্যা ছিলেন কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ।বকমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন বিশিষ্ট নেত্রী । স্বাধীনতার পর ভারতীয় হস্তশিল্প, থিয়েটারকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা অবিস্মরণীয়।

শৈশব-

কমলাদেবী ৩ এপ্রিল ১৯০৩ সালে ম্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পিতামাতার চতুর্থ এবং কনিষ্ঠ কন্যা সন্তান। তার বাবার নাম আন্নানথায়া ধারেশ্বর ও মায়ের নাম গিরিজাবা। কামালদেবী একজন ব্যতিক্রমী ছাত্রী ছিলেন এবং অল্প বয়স হতে তিনি দৃঢ়চেতা এবং সাহসী ছিলেন। তার বাবা-মা’র মহাদেব গোবিন্দ রানাডে, গোপাল কৃষ্ণ গোখলে এবং রামাবাই রানাডে এবং অ্যানি বেসন্তের মতো মহিলা নেতাসহ অনেক বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীদের সাথে বন্ধুত্ব ছিল। যা তরুণ কমলাদেবীকে স্বদেশী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের জন্য উত্‍সাহী করে তুলেছিল।

বৈবাহিক জীবন–

কমলাদেবী ১৯০৩ সালের ৩ এপ্রিল ম্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার পিতামাতার চতুর্থ এবং কনিষ্ঠ কন্যা। তাঁর পিতার নাম অন্নথায় ধরেশ্বর এবং মাতার নাম গিরিজাবা। কমলদেবী একজন ব্যতিক্রমী ছাত্রী ছিলেন এবং ছোটবেলা থেকেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সাহসী ছিলেন। তার বাবা-মা মহাদেব গোবিন্দ রানাডে, গোপাল কৃষ্ণ গোখলে এবং রমাবাই রানাডে এবং অ্যানি বেসান্তের মতো মহিলা নেত্রী সহ অনেক বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং বুদ্ধিজীবীদের বন্ধু ছিলেন। যা তরুণ কমলাদেবীকে স্বদেশী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে উত্‍সাহী করে তুলেছিল।

লন্ডন গমন-

বিয়ের কিছুদিন পর, হরিন্দ্রনাথ লন্ডন ভ্রমণে চলে যান এবং কয়েক মাস পরে কমলদেবী তার সাথে যোগ দেন। সেখানে, তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেডফোর্ড কলেজে ভর্তি হন এবং পরে সমাজবিজ্ঞানে ডিপ্লোমা অর্জন করেন।
স্বাধীনতা আন্দোলনের আহ্বান–
লন্ডনে থাকাকালীন, কমলাদেবী ১৯২৩ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সম্পর্কে জানতে পারেন এবং অবিলম্বে গান্ধীর সংগঠন সেবাদল, দেশের সেবার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠনে যোগ দিতে ভারতে ফিরে আসেন।
১৯২৬ সালে তিনি অল ইন্ডিয়া উইমেনস কনফারেন্স (AIWC) এর প্রতিষ্ঠাতা মার্গারেট ই ক্যাসিনের সাথে দেখা করেন, মাদ্রাজ প্রাদেশিক পরিষদে যোগদানের জন্য অনুপ্রাণিত হন। এইভাবে তিনি ভারতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রথম মহিলা নেতা হয়েছিলেন। কয়েকদিন প্রচারণা চালাতে পারলেও ৫৫ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। পরের বছর তিনি অল ইন্ডিয়া উইমেনস কনফারেন্স (AIWC) প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রথম সাংগঠনিক সম্পাদক হন। পরের কয়েক বছরে, এআইডব্লিউসি একটি সম্মানিত জাতীয় সংস্থায় পরিণত হয়, যার শাখা এবং স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি ছিল এবং এর মাধ্যমে আইনি সংস্কারের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে।
ভারত সরকার ১৯৫৫ সালে পদ্মভূষণ এবং ১৯৮৭ সালে পদ্মভুবন প্রদান করে, যা ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বেসামরিক পুরস্কার। তিনি ১৯৬৬ সালে কমিউনিটি লিডারশিপের জন্য র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালে, তাঁর জীবনের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ, তিনি সঙ্গীত নাটক একাডেমি ফেলোশিপ রত্ন সাদাস্যে ভূষিত হন।

তাঁর লেখা বইসমুহ–

ভারতীয় নারীর সচেতনতা (The Awakening of Indian women)
জাপান-এর দুর্বলতা ও শক্তি (Japan-its weakness and strength)
স্বাধীনতার জন্য ভারতীয় নারী যুদ্ধ (Indian Women’s Battle for Freedom)
ভারতীয় কার্পেট এবং মেঝে কভার (Indian Carpets and Floor Coverings)
ভারতীয় সূচিকর্ম (Indian embroidery)
ভারতীয় লোক নৃত্যের ঐতিহ্য (Traditions of Indian Folk Dance)
এছারাও আরও অনেক বই তিনি লিখেছেন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৩ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮১ – স্বামীনারায়ণ , ভারতীয় যোগী, সন্ন্যাসী এবং ধর্মীয় নেতা।

১৭৮৩ – ওয়াশিংটন আরভিং, মার্কিন ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার, ইতিহাসবেত্তা ও কূটনীতিক।
১৮৮১ – ইতালীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ও ৩০ তম প্রধানমন্ত্রী আল্কিডে ডি গাস্পেরি।
১৮৮৪ – জিমি ম্যাথুজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৮৯৩ – লেসলি হাওয়ার্ড, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯০৩ – কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক।
১৯১৪ – শ্যাম মানেকশ’ পারস্য বংশোদভূত ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম ফিল্ড মার্শাল।
১৯২২ – ডরিস ডে, মার্কিন অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পী, ও প্রাণি-কল্যাণকর্মী।
১৯২৪ – মার্লোন ব্রান্ডো, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯২৫ – ইংরেজ পাইলট, রাজনীতিবিদ ও উদ্ভাবন অ্যান্থনি নীল ওয়েজউড টনি বেন।
১৯২৯ – ফজলুর রহমান খান, বাংলাদেশী স্থপতি ও পুরকৌশলী।
১৯৪৮ – ওলন্দাজ শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক ও কূটনীতিক জাপ ডি হুপ শেফার।

১৯৫০ – আলমগীর, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৬১ – মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার এডি মারফি।
১৯৭৩ – ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার প্রভু দেব।
১৯৭৮ – টমি হাস, জার্মান টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮২ – কানাডীয় অভিনেত্রী কবিয়ে স্মুল্ডেরস।
১৯৮৩ – ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় বেন ফস্টার।
১৯৮৫ – ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক লিওনা লুইস।
১৯৮৬ – মার্কিন অভিনেত্রী অ্যামান্ডা লরা বাইন্স।
১৯৮৮ – ওলন্দাজ ফুটবলার তিম ক্রুল।
১৯৯২ – রুশ সাঁতারু জুলিয়া আন্দ্রেইভানা ইফিমোভা।
১৯৯৫ – তাসকিন আহমেদ, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০৪৩ – ইংল্যান্ডের রাজা হিসেবে এডওয়ার্ডের অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
১৩১২ – ভিয়েনার দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
১৫৫৯ – স্পেন ও ফ্রান্স দ্বিতীয় চুক্তি করে।
১৬৬১ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া, অস্ত্র নির্মাণ ইত্যাদির অধিকারসংক্রানৱ সনদ লাভ করে।
১৭৮৩ – সুইডেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করে।
১৮৫৭ – রানী ভিক্টোরিয়াকে ‘ভারত সম্রাজ্ঞী’ ঘোষণা করা হয়।
১৮৬০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ঘোড়ার ডাক চালু হয়।
১৮৯০ – ইউরোপের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, জার্মান সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রথম চ্যান্সেলর অটো ভন বিসমার্ক পদচ্যুত হন।
১৯৩৯ – ডেনমার্ক ও নরওয়েতে জার্মান বাহিনী অনুপ্রবেশ করে।
১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ইরাকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা রশিদ আলী আল গিলানী বাগদাদ দখল করে নেন।
১৯৫৪ – শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুক হক চার সদস্য বিশিষ্ট যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী সভা গঠন করেন।
১৯৯৫ – ভিয়েতনাম মার্কিন বিরোধী প্রতিরোধ যুদ্ধে জয়লাভের ২০তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করে।
২০০২ – ইসরাইলী সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনের জর্দান নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত জেনিন শহরে ভয়াবহ হামলা শুরু করে।
২০০৫ – বাংলাদেশী অভিনেতা সিয়াম আহমেদ খাঁ এর জন্মদিন ।
২০১৩ – আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেস ও লা প্লাতায় রেকর্ড বৃষ্টির পর বন্যায় ৫০ জন নিহত হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮০ – ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ, ভারতের মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
১৬৮২ – স্পেনীয় চিত্রশিল্পী ও শিক্ষাবিদ বারটলমে এস্তেবান মুড়িলও।
১৮৯৭ – জার্মান পিয়ানোবাদক ও সুরকার জোহানেস ব্রামস।
১৯০৯ – প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও শিক্ষাব্রতী নগেন্দ্রনাথ ঘোষ।
১৯৩২ – বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রসিদ্ধ বাঙালি চিত্রশিল্পী ।

১৯৪০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী চট্টল গৌরব মহিমচন্দ্র দাস ।
১৯৪১ – হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবি, রাজনীতিবিদ ও ২২ তম পাল টিলেকি প্রধানমন্ত্রী।
১৯৪৩ – জার্মান অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক কনরাড ভেইডট।
১৯৬৯ – প্রথম ভারতীয় সবাক চলচ্চিত্র যন্ত্র স্থাপয়িতা মধু শীল।

১৯৭৫ – ভারতে জ্যোতির্বিজ্ঞানচর্চায় অন্যতম পথিকৃৎ রাধাগোবিন্দ চন্দ্র।
১৯৭৭ – জ্যাক রাইডার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৭৯ – সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ, বাংলাদেশী প্রখ্যাত বিচারপতি।

১৯৮৬ – সাহিত্যিক সাংবাদিক অসীম রায়।

১৯৯১ – গ্রাহাম গ্রিন, খ্যাতিমান ইংরেজ ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও সমালোচক।

১৯৯৮ – মেরি কার্টরাইট, ব্রিটিশ গণিতবিদ
২০১৩ – জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার রুথ প্রাওয়ের ঝাবভালা।

২০১৭ – কিশোরী আমোনকর, ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের, খেয়াল, ঠুমরি ও ভজন ইত্যাদির গায়িকা।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব শিশু বই দিবস, জানুন দিনটি সম্পর্কে কিছু কথা।।।

প্রোতি বছর, বিভিন্ন দেশ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ করতে বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি মাসে বিভিন্ন বিশেষ দিন চিহ্নিত করে। এর মধ্যে, বিশ্ব শিশু বই দিবস শিশু সাহিত্য উদযাপনের জন্য নিবেদিত একটি দিন হিসাবে দাঁড়িয়েছে। এই উপলক্ষে, শিশুসাহিত্যের অগ্রগতি, বিশেষ করে বাংলা ভাষায় মূল্যায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উন্নত রুচি, দৃঢ় মূল্যবোধ এবং সুস্থ মানসিকতা সম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য উচ্চমানের শিশুসাহিত্য অপরিহার্য।
রূপকথার মায়াময় জগতটি হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের কাছে অনেক ঋণী, যিনি 2 এপ্রিল, 1805-এ ডেনমার্কের ওডেন্সে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। “দ্য অগ্লি ডাকলিং,” “থাম্বেলিনা,” “দ্য লিটল মারমেইড,” “দ্য রেড শুস” এবং “দ্য স্নো কুইন” এর মতো চিত্তাকর্ষক গল্পের জন্য পরিচিত, অ্যান্ডারসেনকে রূপকথার অবিস্মরণীয় স্রষ্টা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি 4 আগস্ট, 1875-এ তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শিশুদের জন্য লিখতে এবং তার ভালবাসা প্রকাশ করতে থাকেন।
তার জন্মদিন উপলক্ষে, সুইজারল্যান্ডের ইন্টারন্যাশনাল বোর্ড অন বুকস ফর ইয়াং পিপল (IBBY) প্রতি 2শে এপ্রিল বিশ্ব শিশু বই দিবস উদযাপন করে। দিনটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়, যা প্রখ্যাত লেখক ও প্রকাশকদের তরুণ পাঠকদের জন্য মানসম্পন্ন বই তৈরি ও প্রচার করতে উৎসাহিত করে। শিশুদের পড়ার প্রতি ভালবাসার প্রতি অনুপ্রাণিত করুন।
বিশ্ব শিশু বই দিবসের থিমটি প্রতি বছর IBBY দ্বারা নির্ধারিত হয়, যার প্রায় প্রতিটি দেশে শাখা রয়েছে। প্রতি বছর, একটি দেশকে উদযাপনের আয়োজন করার জন্য বেছে নেওয়া হয় এবং সেই দেশের একজন বিখ্যাত শিশু লেখক বিশ্বের শিশুদের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখেন। এই চিঠির উপর ভিত্তি করে, একজন প্রখ্যাত শিল্পীকে একটি পোস্টার ডিজাইন করতে বলা হয়, যা শিশু সাহিত্যের বিশ্ব উদযাপনে অবদান রাখে।
হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের কল্পনাপ্রসূত গল্প শিশুদের জন্য একটি অনন্য জগত তৈরি করেছে, তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক বিকাশের জন্য স্বপ্ন এবং বাস্তবতাকে মিশ্রিত করেছে। তার কাজগুলি, বিশ্বব্যাপী উদযাপিত, শিশুদের অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের ক্লাসিক মূল্যের জন্য স্বীকৃত, তার জন্মদিনটিকে বিশ্ব শিশু বই দিবসের সমার্থক করে তোলে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০২ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস
(খ) বিশ্ব শিশুতোষ বই দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮০৫ – হান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন, ডেনীয় লেখক এবং কবি।  .
১৮৪০ – এমিল জোলা, ফরাসি ঔপন্যাসিক।  .
১৮৬২ – নিকোলাস মরি বাটলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।  .
১৮৯৮ – হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কবি, নাট্যকার ও অভিনেতা।  .
১৯০২ – বিখ্যাত হিন্দুস্তানী খেয়াল সঙ্গীতজ্ঞ বড়ে গুলাম আলী খান।  .
১৯০৩ – ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী।

১৯১৪ – আলেক গিনেজ, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯২৭ – পুশকাস, হাঙ্গেরীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৪১ – ববি মুর, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৪৩ – বিন্দেশ্বর পাঠক, ভারতীয় সমাজবিজ্ঞানী, সামাজিক উদ্যোক্তা এবং সুলভ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৮ – মোহাম্মদ নাসিম, বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
১৯৫৩ – দেব্রালি স্কট, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৬৩ – কার্ল বিটটিয়ে, ইংরেজ পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৭৩ – দিমিত্রি লিপারটভ, রাশিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৭৫ – অ্যাডাম রদ্রিগেজ, মার্কিন অভিনেতা ও পরিচালক।
১৯৮০ – গেভিন হাফেরনান, কানাডীয় পরিচালক ও চিত্রনায়ক।
১৯৮৩ – পোল কেপডেভিল, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮৬ – ইব্রাহীম আফেলায়, ডাচ ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০০ – বিটোফেন তার প্রথম সিম্ফনির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন ভিয়েনায়।
১৮২৭ – যুক্তরাষ্ট্রে জোসেপ ডিক্সন প্রথম লিড পেন্সিল নির্মাণ করেন। তিনি ম্যাচাচুসেটস অঙ্গ রাজ্যের সালেমে পেন্সিল নির্মানের কারখানা স্থাপন করেন।
১৮৪৫ – সুর্যের প্রথম আলোকচিত্র গ্রহণ করা হয়েছিলো।
১৮৫১ – রামা (সপ্তম) থাইল্যান্ডের রাজা হন।
১৯১২ – ইল্ল-ফাটেড আরএমএস টাইটানিক সমুদ্রের ট্রায়াল শুরু করে।
১৯১৭ – তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি আহবান জানান।
১৯৪১ – মরু শিয়াল হিসেবে খ্যাতিমান জার্মানীর বিখ্যাত লেফটেনেন্ট জেনারেল এডউইন রোমেল লিবিয়া পুনঃদখলের অভিযান শুরু করেন।
১৯৬৩ – মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮২ – ফকল্যান্ডস যুদ্ধ: আর্জেন্টিনা ফক্‌ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আক্রমণ করে।
১৯৮৯ – সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ হাভানায় ভ্রমণ করেন ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে দেখা করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৭ – জার্মান লেখক জহান হাইনরিশ জং।

১৯১৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান লেখক পল হেইসা।
১৯২৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ থিওডোর উইলিয়াম রিচার্ডস।

১৯৩৩ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় ক্রিকেটার রণজিত সিংহ।

১৯৫৩ – কবি, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও আইনজ্ঞ আসাফ আলী।

১৯৫৮ – জাপানি শিক্ষক ও সমাজ কর্মী জসেই টডা।
১৯৬৫ – অতুলচন্দ্র দত্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৭২ – টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার উদ্ভাবক মার্কিন আবিষ্কারক স্যামুয়েল মোর্স।
১৯৮৬ – আইনজীবী ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন।
১৯৯৪ – মার্কিন অভিনেত্রী বেটি ফুরনেসস।
১৯৯৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী হানেস উলফ গোস্তা আল্‌ফভেন।
২০০৫ – ইংরেজ অভিনেত্রী বেত্তী বলটন।
২০১২ – অস্ট্রেলিয়ান এক্সপ্লোরার, লেখক ও প্রকৌশলী ওয়ারেন বন্যথন।
২০১৪ – ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়ক ল্যন্ডসি হল্যান্ড।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব ।।।।

চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষায় অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার স্নায়ুবিক বিকাশের প্রতিবন্ধকতার প্রতিফলন। বিশ্বজুড়েই এটি একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২রা এপ্রিল পালিত হয়।আজ ১৬তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।

অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দিনটি পালিত হয়।
একসময় অটিজম ছিল একটি অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যু। এটি নিয়ে সমাজে নেতিবাচক ধারণা ছিল। তবে যত দিন গিয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে।
এই দিনটিতে জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে তার সদস্য দেশগুলিকে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণে উৎসাহিত করে। দিবসটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক “৬২/১৯৯ ধারা অনুযায়ী মনোনয়ন লাভ করে। “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস” প্রস্তাবটি ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয়েছিল এবং সেটি গৃহীত হয়েছিল একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর। এটি প্রস্তাব করেছিলেন জাতিসংঘে কাতারের প্রতিনিধিবৃন্দ যাদের মধ্যে ছিলেন প্রিন্সেস শিখা মোজাহ বিনতে নাসের আল-মিসনদ এবং তার স্বামী, কাতার রাজ্যের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি। সকল সদস্যরাষ্ট্র তাঁদের এ প্রস্তাবকে সমর্থন করে।
এই প্রস্তাবনাটি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিনা ভোটে পাশ এবং গৃহীত হয়েছিল। মূলত মানবাধিকার উন্নয়নে জাতিসংঘের পূর্ববর্তী উদ্যোগসমূহের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবেই এমনটি করা হয়েছিল। তাই, অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ‘রূপান্তরের অভিযাত্রায় সবার জন্য নিউরোবান্ধব অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গঠন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার (২ এপ্রিল) পালিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। ১৬তম বছরের মতো এবার পালিত হচ্ছে দিবসটি।

অটিজমের লক্ষণ—-

তার সমবয়সী শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় না। এই রোগে আক্রান্ত শিশু কারো সাথেই, সে সমবয়সী হোক কিংবা অন্য যে কোনো বয়সী হোক তার সাথে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। কিছু কিছু বাচ্চা আবার ১ থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত খেলাধুলা কথাবার্তা সব ঠিক থাকে কিন্তু হঠাৎ করে কথা ও সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।
গবেষণা বলছে, পরিবেশের প্রভাবের পাশাপাশি জিন শিশুর বৃদ্ধিকে এমনভাবে প্রভাবিত করতে পারে যাতে ASD দেখা দিতে পারে। সময়ের আগেই শিশুর জন্ম, পারিবারিক ইতিহাস, বাবা মায়ের বয়স বেশি হওয়ার কারণগুলিও রয়েছে এই রোগের নেপথ্যে।
এই রোগের লক্ষণ গুলি হলো , সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে অসুবিধা হয় শিশুদের এবং মুখের অভিব্যক্তির অভাব, চোখের যোগাযোগের অভাব, ডাকার পরে উত্তর দিতে দেরি হওয়া এবং অস্বাভাবিক সুরে কথা বলা। চলন্ত বস্তু বা বস্তুর কোনও অংশে মনোনিবেশ করাতে সমস্যা দেখা দেয়, রুটিন বা সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন হলেই অনভ্যাসের জেরে বিরক্তি এবং নতুন পরিবেশে সামঞ্জস্য রক্ষার ক্ষেত্রে জটিলতার সম্মুখীন হয় শিশুরা। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে মানবিক পরিবেশে গড়ে তোলা হলে তারাও পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।
চিকিৎসকদের একাংশ বলেন যদি সময়মতো রোগ ধরা পড়ে এবং সংবেদনশীলভাবে তার যত্ন নেওয়া হয় তাহলে এই রোগ নিয়েও সুন্দর, সৃজনশীল জীবনযাপন করা যেতেই পারে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার শুরুর দিক থেকে বিষয়টির যত্ন নিলে আপনার শিশু সামাজিক, যোগাযোগ বাড়ানোর, কার্যকরী এবং আচরণগত নানান দক্ষতা শিখতে শুরু করে।প্রতিটি অভিভাবকের উচিত নিজেদের সন্তানের সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটানো। সেই সঙ্গে মনোযোগ দিতে হবে সন্তানের মধ্যে প্রকাশ পাওয়া অটিজমের লক্ষণগুলির উপরেও। যদি দেখা যায়, সন্তান স্বাভাবিক আচরণ করছে না, সে ক্ষেত্রে তার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া বাঞ্ছনীয়। আর এমন লক্ষণ দেখা দিলে তা নিয়ে একেবারেই গাফিলতি কিংবা অবহেলা করা ঠিক নয়। সময় মতো অটিজম শনাক্ত করা গেলে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই শিশুকে স্বাভাবিক জীবন দেওয়া যেতে পারে। আর লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অটিজমে আক্রান্ত শিশুর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় বড় শব্দ অথবা বাক্যের পরিবর্তে ছোট-ছোট শব্দ অথবা বাক্য ব্যবহার করে কথা বলা উচিত। আক্রান্ত শিশুকে অন্য কোনও শিশু কিংবা অন্য কারওর সঙ্গে তুলনা করা চলবে না। তাকে নতুন-নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ করাতে হবে। অটিজমে আক্রান্ত শিশু রাগারাগি করলে তাকে বকুনি দেওয়া একেবারেই উচিত নয়, বরং তাকে ভালোবেসে কথা বলেই সব কিছু বোঝানো উচিত।
সর্বপরি, অটিজমের চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, আচরণগত শিক্ষা এবং মনস্তাত্বিক পদ্ধতি যেমন সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক আচরণ এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।
উল্লেখ্য, বিশ্ব অটিজম দিবস স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত জাতিসংঘের সাতটি দিবসের মধ্যে অন্যতম। এইদিন সেইসকল পৃথক পৃথক অটিজম সংস্থাগুলি ঐক্যবদ্ধ হয় যারা বিশ্বজুড়ে এরকম মানসিক বিকাশসংক্রান্ত ব্যাধিতে আক্রান্তদের সম্পর্কে গবেষণা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা প্রদান এবং তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করে।বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস বিশ্বব্যাপী অটিস্টিক ব্যক্তিদের অধিকারের সমর্থনের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক তৈরি করা হয়েছিল দিনটি।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ

জানুন এপ্রিল ফুল দিবস কি, কেন পালিত হয়।।।।

এপ্রিল ফুল দিনটি আমাদের সকলের কছে এক অতি পরিচিত দিন। আমরা মজার ছলে এই দিনটিতে চেনা জানা আমাদের পরিচিত দের মজা করে বোকা বানিয়ে থাকি।

এপ্রিল ফুল দিবস প্রতিবছর এপ্রিল মাসের প্রথম দিন পালিত হওয়া একটি দিবস। মাঝে মাঝে একে সকলকে বোকা বানানোর দিন বলে উদ্‌যাপন করা হয়। মাসের প্রথম দিনটিতে সারা পৃথিবী জুড়ে পালিত হয় ‘এপ্রিল ফুল’।

অনেক বছর ধরেই এটি পালিত হয়ে আসছে। কিন্তু কীভাবে এটি শুরু হয়েছিল, সেটি অনেকেরই জানা নেই। এই দিন প্রতিবেশীদের উপর কৌতুক করার জন্য একটি দিন হিসাবে সর্বত্র স্বীকৃত। ঐতিহাসিকদের মতে, ১৫৬৪ সালে ফ্রান্সে নতুন ক্যালেন্ডার চালু করাকে কেন্দ্র করে এপ্রিল ফুল ডে’র সুচনা হয়। ঐ ক্যালেন্ডারে ১লা এপ্রিলের পরিবর্তে ১লা জানুয়ারীকে নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে গণনার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে কিছু লোক তার বিরোধিতা করে। যারা পুরনো ক্যালেণ্ডার অনুযায়ী ১লা এপ্রিলকেই নববর্ষের ১ম দিন ধরে দিন গণনা করে আসছিল, তাদেরকে প্রতি বছর ১লা এপ্রিলে বোকা উপাধি দেয়া হতো। ফ্রান্সে পয়সন দ্য আভ্রিল পালিত হয় এবং এর সাথে সম্পর্ক আছে মাছের। এপ্রিলের শুরুর দিকে ডিম ফুটে মাছের বাচ্চা বের হয়। এই শিশু মাছগুলোকে সহজে বোকা বানিয়ে ধরা যায়। সেজন্য তারা ১ এপ্রিল পালন করে পয়সন দ্য এভ্রিল অর্থাৎ এপ্রিলের মাছ। সে দিন বাচ্চারা অন্য বাচ্চাদের পিঠে কাগজের মাছ ঝুলিয়ে দেয় তাদের অজান্তে। যখন অন্যরা দেখে তখন বলে ওঠে পয়সন দ্য আভ্রিল বলে চিৎকার করে। কবি চসারের ক্যান্টারবারি টেইলস(১৩৯২) বইয়ের নানস প্রিস্টস টেইল এ এই দিনের কথা খুজে পাওয়া যায়।
যুক্তরাজ্যে এপ্রিল ফুলের দিন প্রাপককে অর্থাৎ যিনি এপ্রিলের বোকা হন তাকে “এপ্রিল ফুল!” বলে হাসি তামাশা ও চিৎকার করে প্রকাশ করা হয়।
তাই বছরের পর বছর ধরে ১ এপ্রিল বন্ধু-বান্ধব, ভাইবোন এবং সহকর্মীরা আমাদের বোকা বানায়। জীবনে কমপক্ষে একবার বোধ হয় আমরা সকলেই ‘এপ্রিল ফুল’ (April Fool) হয়েছি। এদিন যে কোনও বয়সের মানুষ উৎসাহের সঙ্গে একে অপরকে বোকা বানানোর খেলায় অংশ নেয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বোকা হওয়ার পরেও কেউ রাগ করেন না, বরং নিজেই সেই খেলায় জড়িয়ে পড়েন।
তবে এই ‘এপ্রিল ফুলস ডে’ -র পিছনের রয়েছে ইতিহাস। জানেন কীভাবে এটি শুরু হয়েছিল?
এই দিনটি চালু হওয়ার পিছনে এক এক রকম সংস্কৃতির সঙ্গে যোগ রয়েছে এই কাহিনির। দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী।
কথিত আছে যে ১৩৮১ সাল থেকে এই দিনটি উদযাপন শুরু হয়। আসলে ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় রিচার্ড এবং বোহেমিয়ার রানী অ্যান বাগদানের ঘোষণা করেন। বাগদানের তারিখ রাখা হয়েছিল ৩২ মার্চ। মানুষ উদযাপন শুরু করেন। পরে, তারা বুঝতে পারেন যে, ক্যালেন্ডারে ৩২ মার্চ কোনও তারিখ নেই। তখন তারা বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, তারা বোকা হয়েছেন। এরপর থেকে এপ্রিল ফুলস ডে উদযাপন শুরু হয়।
রোমান তত্ত্ব: রোমান দেবতা প্লুটো যখন তার স্ত্রী পারসিফনকে অপহরণ করে আনেন, তখন পারসিফনের মা সেরিস মেয়েকে খোঁজার অনেক চেষ্টা করেন। কিন্তু পান না। মেয়ে তখন মাটির নীচে। কিন্তু তাঁর মা ‘বোকার মতো’ মাটির উপরে খুঁজতে থাকেন। সেই ‘বোকামি’র কথা ভেবেই নাকি রোমানরা এই দিনটিতে বোকামি দিবস পালন করত।
ক্যালেন্ডার বদল: এই দিনটি ঘিরে আরও একটি বিশ্বাসও রয়েছে যে, আগে ফ্রান্সে এপ্রিলেই নববর্ষ উদযাপিত হত। ১৫৮২ সালে চার্লস পোপ গ্রেগরি দ্বাদশ ফ্রান্সে পুরনো ক্যালেন্ডার পরিবর্তন করে, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করেন। তা সত্ত্বেও অনেকে পুরনো ক্যালেন্ডার অনুসরণ করতে থাকেন। এরপর থেকে ১ জানুয়ারিতে নতুন বছরের সূচনার দিন হিসাবে পালন হওয়া শুরু হয়। তবে, অনেকে এটি মানতে অস্বীকার করেন এবং এপ্রিল মাসেই বর্ষারম্ভের দিন পালন করতে থাকেন। যারা নতুন ক্যালেন্ডারকে সমর্থন করেছেন তারা এপ্রিলে নতুন বছর সমর্থনকারীদের ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা শুরু করেছিলেন। এই ব্যক্তিদের ‘এপ্রিল ফুল’ বলা শুরু হয় এবং এজন্য এপ্রিলের প্রথম দিনেই ‘এপ্রিল ফুলস ডে’ হিসাবে প্রচলিত হয়। নতুন ক্যালেন্ডারের পক্ষ যাঁরা, তাঁদের ডাকা হত এপ্রিল ফিশ বলে। সেই থেকেই এপ্রিল ফুলের গল্প শুরু হয়। ‘এপ্রিল ফুল’-এর ইতিহাস নিয়েই এটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি প্রচলিত গল্প।
ব্রিটিশ কাহিনি: ব্রিটিশ লোককথা বলে, নটিংহ্যামশায়ারের ‘গথাম’ শহর নাকি ছিল বোকাদের শহর। ত্রয়োদশ শতকের নিয়ম ছিল, সে দেশের রাজা যেখানে যেখানে পা রাখবেন, তা হয়ে যাবে রাষ্ট্রের সম্পত্তি। যখন গথামবাসীরা শুনলেন, রাজা আসছেন, তাঁরা নাকি বললেন, ঢুকতে দেবেন না। রাজা সৈন্য পাঠালেন। সৈন্য এসে দেখল সারা শহরে ভয়াবহ কাণ্ড! সবাই বোকার মতো কাজ করছে। তারা ফিরে গিয়ে রিপোর্ট দিল। রাজা বললেন, এমন বোকাদের শাস্তি দেয়া যায় না। তাই তিনি মাফ করে দিলেন। গথাম স্বাধীন থাকল। সেই থেকে দিনটি ‘বোকা দিবস’।
নেদারল্যান্ডসের কাহিনি: ১৫৭২ সালের ১ এপ্রিল। এদিন নেদারল্যান্ডসের ডেন ব্রিয়েল শহরটি স্প্যানিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়। এই দিন বিদ্রোহীরা স্পেনের শাসকদের বোকা বানিয়ে ছাড়ে। তার পর থেকেই নাকি এপ্রিল ফুল পালন করা হয়।
জার্মান লোককথা: ১৫৩০ সালের ১ এপ্রিল, জার্মানির অগসবারগ শহরে একটি আলোচনাসভা বসার কথা ছিল। আলোচনার ফলের কথা ভেবে অনেকে বিপুল টাকা বাজি ধরেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই সভা বসেই না। বহু মানুষের টাকা গচ্চা যায়। এই বোকামি থেকেই এপ্রিল ফুলের শুরু।
ব্রিটিশরা ভারতে ১৯ শতকে এই দিনটি উদযাপন শুরু করে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব যতই যতই বাড়ছে ততই, এই সম্পর্কিত মিম মারাত্মকভাবে ভাইরাল হচ্ছে। তবে মজা করার সময় মাথায় রাখা জরুরি, আপনার কোনও কথা যেন অপর মানুষটিকে কষ্ট না দেয়। আমাদের এই মজা যেন অন্যকে কষ্ট না দেয়ে সে বিষয়েও সচতং থাকতে হবে। আননদ টুকু যেন এই মজার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তবেই দিনটি প্রকৃত সার্থক ভাবে রূপায়িত হবে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট, উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০১ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০১ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) ১ এপ্রিল অনেক দেশে এপ্রিল ফুলস্ ডে বা অল ফুলস্ ডে হিসেবে পরিচিত।
(খ) জাতীয় বিমান বাহিনী দিবস (ভারত)।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৭৮ – উইলিয়াম হার্ভে, রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির অন্যতম উদ্ভাবক।

১৮০৯ – নিকোলাই গোগোল, রুশ ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।

১৮১৫ – জার্মানি পুনর্গঠনের অন্যতম পুরোধা অটো ফন বিসমার্ক।

১৮৬৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রীয় রসায়নবিদ রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি।

১৮৭০ – অতুলচন্দ্র সেন, বাঙালি লেখক।
১৯০৭ – চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।
১৯০৮ – আব্রাহাম মাসলো, মার্কিন মনোবিজ্ঞানী।
১৯১৯ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন শল্যবিদ জোসেফ এডওয়ার্ড মুর।

১৯২৯ – আবেদ হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার বাদক ও সুরকার।
১৯৩১ – চিকিৎসক, প্রাবন্ধিক ও কথাশিল্পী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা ।
১৯৩২ – রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
১৯৩৩ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ ক্লোদ কহেন-টানউডজি।

১৯৩৬ – পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের খান।
১৯৪৭ – মার্কিন লেখক ফ্রান্সিন প্রোস।
১৯৫৩ – সাবেক ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার আলবের্তো জ্যাকহেরনি।
১৯৭৬ – জাপানি টেনিস খেলোয়াড় ইয়ুকা ইয়োশিদা।
১৯৮৩ – ফ্রাংক রিবেরি, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – মার্কিন অভিনেতা জশ জাকারম্যান।
১৯৯৩ – বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলম।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৫৫ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় এর প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়।
১৮৬৭ – সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৮৬৯ – এই সময়কালে ভারতে আয়কর চালু হয়।
১৮৬৯ – নদিয়া টাউন কমিটি নামে নবদ্বীপ পৌরসভা স্থাপিত হয়।
১৮৭৮ – কলকাতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১২ – ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেয়া হয়।
১৯৩৫ – ১৯৩৪ সালের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক আইন বলে আজকের দিনে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপিত হয়েছিল।
১৯৩৬ – ভারতে ওড়িশা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৭ – ভারত আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৯ – স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।
১৯৪২ – ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র জনযুদ্ধ প্রকাশিত হয়।
১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে আগ্রাসন শুরু করে।
১৯৫৭ –
অল ইন্ডিয়া এয়ার (AIR) এর অন্যতম নাম রাখা হয় আকাশবাণী।
ভারতে পুরাতন মুদ্রা (৬৪ পয়সায় এক টাকা) বহাল রেখে দশমিক মুদ্রা (১০০ পয়সায় এক টাকা) চালু হয়।
১৯৬০ – যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম আবহাওয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে।
১৯৭১ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এই দিনে পাকিস্তানি সেনারা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় এক হাজার বাঙালিকে হত্যা করে।
১৯৭৯ – ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
১৯৯২ – বসনিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৯৭ – প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বিল পাস করা হয়।
১৯৯৮ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পবিত্র ঈদুলফিতর ও ঈদুল-আজহা উপলক্ষে জাতিসংঘের স্টাফদের জন্য ২ দিনের ছুটি বাধ্যতামূলক করে।
২০০১ – নেদারল্যান্ডসে সমকামীদের মধ্যে বিয়ে বৈধ করা হয়। এটি প্রথম দেশ, যেখানে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬২১ – ইতালিয়ান চিত্রশিল্পী ক্রিস্টফানো আলোরি।

১৯৭৯ – মার্কিন অভিনেত্রী বারবারা লুডডয়।

১৯৮৩ – কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান।

১৯৮৪ – ইংরেজ লেখক এলিজাবেথ গউডগে।
১৯৯৪ – ফরাসি ফটোগ্রাফার রবার্ট ডইস্নেয়াউ।

২০০০ – একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।
২০১২ – তুর্কি অভিনেতা একরাম বোরা।
২০১৩ – ইরানি অভিনেত্রী আসাল বাদিঈ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This