Categories
বিবিধ

কাঁচকল মোড়ে তৃণমূলের নতুন উদ্যোগ, পানিহাটির ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা প্রকাশ।

পানিহাটি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পানিহাটির কাঁচকল মোড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসের সামনে ‘প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন নির্মল ঘোষ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষ, চেয়ারম্যান সোমনাথ দে, সম্রাট চক্রবর্তী সহ দলের কর্মী-সমর্থকরা।
এই প্রতিজ্ঞা স্তম্ভে পানিহাটির উন্নয়নের জন্য একাধিক পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে—
• জরুরি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিদিনের বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন নিশ্চিত করা
• ২৮ ও ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে দুটি নতুন নিকাশী নালা নির্মাণ
• ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি পাম্পিং স্টেশন স্থাপন
• ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে জল সংকট দূর করা
• মহিষপোতা ও রামচন্দ্রপুরে সলিড ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ
• মহোৎসব তলাঘাটে তীর্থস্থান হিসেবে পূর্ণাঙ্গ পরিকাঠামো গড়ে তোলা
• পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পরিষেবা মান উন্নত করা
• আগরপাড়া উসুমপুরে ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা

Share This
Categories
বিবিধ

বড়ঞায় হারানো জমি ফেরানোর ডাক অধীরের, সভায় কংগ্রেসে যোগ বহু পরিবার।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মুর্শিদাবাদ :- মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা (৬৭ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে) কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে অনুষ্ঠিত এক জনসভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

সভার মঞ্চ থেকেই গড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েত ও সবলদহ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মহিষ গ্রাম থেকে প্রায় ৩০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি ছেড়ে জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন। এছাড়া সুন্দরপুর অঞ্চল থেকেও একাধিক পরিবার কংগ্রেসের পতাকা তুলে নেন বলে জানা গেছে।

নব্য যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগত জানান অধীর চৌধুরী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “বড়ঞা বরাবরই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ছিল। সেই হারানো জমি পুনরুদ্ধার করে আবারও বড়ঞাকে কংগ্রেসের শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”

সভায় কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়ে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের দলবদল বড়ঞা কেন্দ্রের সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

বড়ঞা (এসসি সংরক্ষিত) বিধানসভা কেন্দ্রটি ঐতিহ্যগতভাবে কংগ্রেসের প্রভাব বলয় হিসেবে পরিচিত। অধীর চৌধুরীর এই সভা ও যোগদান কর্মসূচি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব।

Share This
Categories
বিবিধ

লেকটাউন মোড় থেকে বিশাল মিছিল, জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সুজিত বসু।

দমদম, নিজস্ব সংবাদদাতা:-আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আমি নিজেই। বাংলায় বহিরাগতদের কোনও জায়গা নেই। Bওদের শূন্য হাতেই ফিরতে হবে।।শুক্রবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে কার্যত এমনটাই জানালেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী তথা বিধাননগরের তৃণমূলের প্রার্থী সুজিত বোস। ভোট-বঙ্গে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ। নিত্যদিন জনসভা-সমাবেশ থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে নিশানা শানাচ্ছে রাজ্যের শাসক ও বিরোধী উভয়পক্ষই। টানা চারবারের পরে পঞ্চমবারে জয়ের লক্ষ্যে জনতার সমর্থন নিতে বিরাট রোড শো আয়োজন করা হয়। দক্ষিণ দমদম পৌরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে লেকটাউন মোড় থেকে ঢাক, শ্রী খোল সহযোগে এক বিশাল মিছিলের সূচনা করেন তিনি। মিছিলে বিশেষভাবে অংশ নেন পুরুষ ও মহিলা কর্মী-সমর্থক। রাজ্যের উন্নয়নকে সামনে রেখে জনতার উদ্দেশ্যে ভোট প্রার্থনা করেন প্রার্থী সুজিত বোস। পথের দুধারে বহু সাধারণ মানুষ কোথাও পুষ্পবৃষ্টি আবার কোথাও ফুলের মালা পরিয়ে প্রার্থীকে বরণ করেন।

Share This
Categories
বিবিধ

আলু কেনায় দুর্নীতির দাবি, শালবনীতে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ালেন বিমান মাহাতো।

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর :- নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই তেতে উঠেছে জঙ্গলমহলের রাজনীতি। এবার আলু চাষিদের বঞ্চনা এবং শাসকদলের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘কাটমানি’র বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে শালবনী বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক উত্তাপ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী বিমান মাহাতো। তাঁর সাফ দাবি, তৃণমূলের আমলে কৃষক নয়, পকেট ভরছে লুটেরা সিন্ডিকেটের।

এদিন শালবনীর বিধানসভায় প্রচার চলাকালীন বিমান মাহাতোর সাথে হঠাৎ দেখা হয় এক চাষীর নিজের অভাব অভিযোগ জানাতেই বিমান মাহাতো সংবাদ মাধ্যমের উদ্দেশ্যে শাসকদলকে আক্রমণ করে বলেন, সরকারিভাবে চাষীদের কাছ থেকে আলু কেনার নামে প্রহসন চলছে। কৃষকরা যখন ন্যায্য দামের আশায় হাহাকার করছেন, তখন সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে আলু দেওয়ার নাম করে তৃণমূলের মেজ-সেজ নেতারা সাধারণ চাষিদের থেকে মোটা অংকের ‘কাটমানি’ আদায় করছেন। তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূল মানেই লুণ্ঠন। চাষির রক্ত জল করা ঘামের টাকায় ভাগ বসাচ্ছে শাসকদলের নেতারা। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ টাকা সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে যাওয়ার বদলে চলে যাচ্ছে দলের তহবিলে।”

বিজেপি প্রার্থী এদিন চাষিদের সামনে বিকল্প দিশার কথা তুলে ধরেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, কেন্দ্রে বিজেপি সরকার রয়েছে এবং প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশাতেও বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। বাংলায় বিজেপি জিতলে এই দুই সরকারের সহযোগিতায় শালবনীর আলুকে সরাসরি ভিনরাজ্যের বাজারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। বিমান মাহাতোর কথায়, “আমাদের সরকার এলে হিমঘরের কালোবাজারি বন্ধ হবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট কমিয়ে চাষিদের উৎপাদিত ফসল ভিনরাজ্যে পাঠানোর সুশৃঙ্খল পথ তৈরি করা হবে, যাতে কৃষকরা লাভের মুখ দেখেন।”

বিমান মাহাতো এদিন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে কৃষি ক্ষেত্রে তৃণমূলের তৈরি করা তোলাবাজি সিন্ডিকেট সমূলে উৎখাত করা হবে। অন্য রাজ্যে আলু রফতানির মাধ্যমে চাষিদের জন্য বড় বাজার নিশ্চিত করা হবে। যারা চাষিদের ন্যায্য পাওনা থেকে টাকা কেটে নিয়েছে, তাদের প্রতিটি পয়সার হিসাব দিতে হবে।

বিজেপি প্রার্থীর এই কড়া ও ঝাঁঝালো আক্রমণ শালবনীর কৃষিজীবী মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু চাষিদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভকে হাতিয়ার করে বিমান মাহাতো সরাসরি শাসকদলের মূলে আঘাত করতে চাইছেন। তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও, ‘কাটমানি’ আর ‘ভিনরাজ্যে রফতানি’—এই দুই ইস্যুকে কেন্দ্র করে বর্তমানে শালবনীর লড়াই এক অনন্য মাত্রা পেয়েছে। এখন দেখার, ইভিএমে চাষিরা তাঁদের ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটান কি না।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাটে রাজনৈতিক পালাবদল, বিজেপির বুথ সভাপতি এবার আরএসপিতে।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বিজেপির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে বামফ্রন্ট তথা আর এস পি দলে যোগদান করলো বিজেপির প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ও বিজেপির বুথ সভাপতি বিপ্লব মহন্ত। জানাযায় রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট বিধান সভার ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বঙ্গী বৈদ্যনাথ পাড়ার সংসদের প্রাক্তন সদস্য ও বুথ সভাপতি বালুরঘাটে আর এস পির জেলা দপ্তরে এসে যোগদান করেন। এদিন বিপ্লব মহন্তের হাতে আর এস পি দলের পতাকা তুলে দেন পার্টির জেলা সম্পাদিকা সুচেতা বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন জেলা নেতৃত্ব অমর সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। বিপ্লব মহন্ত বলেন তিনি ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন তার সঙ্গে আরো পঞ্চাশ জন সহযোগী বিজেপি থেকে আর এস পি তে যোগদান করেন। আগামী দিনে তিনি আর এস পি দলের আদর্শ ও নীতি মেনে দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

Share This
Categories
বিবিধ

‘মিসিং এমপি’ পোস্টারে সরগরম পূর্ব পাঁশকুড়া, রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন।।

নিজস্ব সংবাদদাতা, তমলুক:বিধানসভা ভোটের প্রচারের আর মাত্র দু’দিন বাকি। তার মাঝে একবারও দেখা নেই তমলুকের সাংসদের। আর ঠিক এই কারণেই কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে একাধিক পোস্টার ফেললো পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার অন্তর্গত জশাড় গ্রামে।জশাড় ব্রীজের গায়ে একাধিক পোষ্টার লাগানো রয়েছে।পোস্টারে লেখা রয়েছে “মিসিং বিজেপি এম পি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, এম পি তমলুক লোকসভা”।রবিবার সকাল থেকে এই চাঞ্চল্যকর পোষ্টার পড়ার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ, পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মাইতির সমর্থনে এলাকার সাংসদকে একটা দিনও দেখা যায়নি নির্বাচনী প্রচারে। তবে এই পোস্টারে কাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে তা সুস্পষ্টভাবে লেখা নেই। আর এই পোষ্টারকে ঘিরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে রীতিমতো কটাক্ষ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অসীম মাজি কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা ভোটে জেতার পর থেকে কতবার কোলাঘাট এলাকার মানুষ ওনাকে চোখে দেখেছেন তা হাতেগুনে বলা যাবে।ভোটে জেতার পর কি উন্নয়ন কোলাঘাটের জন্য করেছেন তা কারোর চোখে পড়েনি।যদিও বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মাইতি আমার বিরোধী হলেও সাংসদ হিসেবে অভিজিৎ বাবুর উচিত ছিল প্রার্থীর হয়ে একটা দিন হলেও প্রচার করা। তা কিন্তু কেউই দেখতে পায়নি সাংসদের উপস্থিতি। যদিও বিষয়টি বিজেপির আভ্যন্তরীণ বিষয়।
তবে সাংসদের অনুপস্থিতি ও পোস্টার পড়া প্রসঙ্গে পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মাইতি বলেন, এই পোস্টার ফেলা তৃণমূলেরই চক্রান্ত। অভিজিত বাবু হলদিয়াতে প্রধানমন্ত্রীর সভায় এসেছিলেন। আমার পাশেই উনি বসেছিলেন। তিনি সেই সময় জানিয়েছিলেন তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। যদিও এখনো দু’দিন বাকি আছে নির্বাচনী প্রচারের।এর মধ্যে আসলেও উনি আসতে পারেন ।সবমিলিয়ে তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে যে পোষ্টার পড়েছে তা নিয়ে কোলাঘাট এলাকায় এখন জোরদার চর্চা শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিড়ি শ্রমিকদের পাশে বসে বিড়ি বেঁধে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বিড়ি শ্রমিকদের পাশে বসে নিজের হাতে বিড়ি বেঁধে এক অভিনব প্রচার সারলেন মোথাবাড়ি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ এদিন বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ মোথাবাড়ি বিধানসভার রাজনগর মডেল এলাকায় নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে দেখেন এলাকার বেশ কিছু মহিলারা বসে বিড়ি বাঁধছেন, আর সেই দেখেই বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ তিনি নিজেই মাটিতে বসে তাদের সঙ্গে বিড়ি বাঁধতে শুরু করেন। মহিলা বিড়ি শ্রমিকদের কাছ থেকে বিড়ি বাধাও শিখলেন। বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে বসে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করেন তাদের সমস্যার কথা শুনেন। বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ জানান, আজকে এই শ্রমিকদের সঠিক পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে না প্রায় এক হাজার বিড়ি বাঁধলে সামান্য টাকা দেয়া হয়, রাজ্যের কর্মসংস্থান নেই, বিড়ি বাধার কাজের টাকা পেতে গেলে দিতে হয় কাঠ মানি এমনটাই অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর তাই আগামী দিনে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসলে এই বিড়ি শ্রমিকদেরকে প্রতিদিন মজুরি হিসেবে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি মহিলাদের অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে ৩০০০ টাকা করে একাউন্টে দেওয়া হব l

যদিও মোথাবাড়ি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষের বক্তব্যে পাল্টা দিয়েছে তৃণমূলও মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, বিজেপি শুধু মিথ্যা কথা বলে আমাদের সরকার বিড়ি শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়েছে, ভোটের সময় বিজেপি বিভিন্ন ধরনের নাটক শুরু করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদা বিধানসভায় বিজেপির জয়ের দাবি, প্রচারে আত্মবিশ্বাসী গোপাল সাহা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিমবঙ্গ তথা মালদা বিধানসভার মানুষের একটাই কথা এবারে পরিবর্তন চাই। প্রত্যেক বারের মতো এবারও বিজেপি ব্যাপক হারে লিড দিবে এই বিধানসভা থেকে। এ রাজ্যে যে দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকার চলছে, সেই তৃণমূল সরকারের পরিবর্তন সবাই চাইছে। ভোট প্রচার হাতে মাত্র আর দু দিন, সোমবার নিজের বিধানসভার ৮ মাইল হাট ঘুরে ঘুরে এমনটাই জানালেন মালদা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহা।

Share This
Categories
বিবিধ

স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটের আশ্বাস, মালদহে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা : – ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মালদহে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনে পৌঁছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক। বৈঠকে রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক হিমাংশু কুমার লাল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে মনোজ আগরওয়াল। বৈঠকে উপস্থিত মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারও। বৈঠক শেষে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল খতিয়ে দেখেন কন্ট্রোল রুমও। পরে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, পোলিং বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। বুথে কেউ ঢুকতে পারবে না ! যে ভোটার নেই, যার কাছে RO থেকে সার্টিফিকেট নেই। বিভিন্ন জায়গায় CAPF থাকবে। ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে, যেখানে গন্ডগোল হবে সেখানে যাবে। রাজ্য পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা দেখবে। BLO থেকে শুরু করে কার কি কাজ আছে আমরা কি ধরনের অ্যাকশন করব সমস্ত রাজনৈতিক দলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি বেশি গন্ডগোল হয়, অভিযোগ আসে আমরা রি-পোল জানাবো। ওসিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দুই এক জন সাসপেন্ড হয়েছে। তাদের সাথেও আমরা বৈঠক করব। কার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আছে? সেটাও খতিয়ে দেখব। আইনের উপর কেউ নেই। এবার শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ ভোট হবে, কেউ ভয় করবেন না। পরিযায়ী শ্রমিক যারা এখানে আসবেন ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু তাদের হয়ে অন্য কেউ ভোট দিতে পারবে না। ট্রাইব্যুনাল যাদেরকে অ্যাড করবে তাদের নাম আমরা ভোটার লিস্টে উঠেয়ে দিব। যাদের বাদ দিবে তাদের নাম কাটা যাবে। পোস্টাল ব্যালট শুরু হয়েছে। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর ভোট দেওয়া নিশ্চিত করব আমরা। কন্ট্রোলরুম প্রত্যেক জেলাতে হচ্ছে, সিও দপ্তরে হচ্ছে। প্রত্যেক বুথ কভার হবে। প্রত্যেক বিধানসভায় তিনটি করে স্কিন থাকবে। প্রত্যেকটা সময় নজরদারি চালানো হবে। যারা নজরদারি চালাবেন তাদের নির্দিষ্ট সময় রিপোর্ট দিতে হবে কি দেখলেন না দেখলেন। যারা নজরদারি চালাচ্ছেন তাদের সম্পূর্ণ রিপোর্ট দিয়ে লিখিতভাবে বেড়াতে হবে। এবার তিন জায়গায় সিসিটিভি নজরদারি হচ্ছে। RO অফিসে হচছে DO অফিসে হচ্ছে এবং CO অফিসে হচ্ছে। বুথে CAPF যে থাকবে ভেতরে সে সবসময় নজর রাখবে কোন গন্ডগোল হলে সঙ্গে সঙ্গে খবর দিবে। আমরা সম্পূর্ণভাবে শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছতা রাখার প্রয়াস চালাচ্ছি। সিভিক ভলেন্টিয়াররা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো ডিউটিতে থাকবে না। তারা সাধারণ মানুষের মতো জীবন যাপন করবে। এবার খুব কড়া ও শক্ত নির্বাচন হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

বসিরহাট দক্ষিণে প্রচার ঘিরে সংঘর্ষের অভিযোগ, পথে নামল কংগ্রেস।

বসিরহাট, নিজস্ব সংবাদদাতা :- কংগ্রেসের প্রচার ও ফ্লাগ ফেস্টুন লাগানোর সময় বাধা ও হামলার অভিযোগ ৷ অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে ৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাস্তা অবরোধ বিক্ষোভ ৷
ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার পিফা গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবক এলাকায় ৷ বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী আবু এসাক গাজীর অভিযোগ পিফা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২৭ নম্বর বুথে দেবক গ্রামে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী প্রচার ও ফ্ল্যাগ ফেস্টুন লাগানোর সময় তৃণমূল নেতা কর্মীরা এসে হামলা চালায় বলেই অভিযোগ ৷ বেশ কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছে আহত প্রায় তিনজন ৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসিরহাট মালঞ্চ রোড তেতুলতলা এলাকায় প্রায় 40 মিনিট রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ দেখায় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ৷ অবশেষে ঘটনাস্থলে আসে বসিরহাট থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জাওয়ানরা ৷ পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে ন্যায় বিক্ষোভকারীরা ৷ ওই একই এলাকায় গত কয়েকদিন আগে বিজেপির প্রার্থী সৌর্য ব্যানার্জির প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রার্থী গিয়ে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়।বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটায় রাজনৈতিক উত্তাপ চড়ছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

Share This