Categories
বিবিধ

শিলাবতীর জলে মিলল ট্রাক্টর চালকের দেহ, তদন্তে গড়বেতা থানার পুলিশ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শিলাবতী নদী থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের ১০ নম্বর অঞ্চলের পাটপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ওই মৃত ব্যক্তির নাম প্রসেনজিৎ মাইতি,বয়স আনুমানিক ৩৬ বছর, বাড়ি ওই এলাকায়। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার সকালে শিলাবতী নদীর জলে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তৎক্ষণাৎ খবর দেওয়া হয় গরবেতা থানার পুলিশকে, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ দিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি পেশায় ট্রাক্টর চালক,তবে কি কারণে এই ঘটনা গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

মূল্যবোধ ও মানসিকতা – মানব জীবনে অপরিহার্য অংশ : দিলীপ রায়।

মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি । মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের প্রধান কারণ তার মানবিক গুণাবলি ও নৈতিক চরিত্র । এই মানবিক গুণগুলোর মধ্যে মূল্যবোধ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ । মূল্যবোধ মানুষকে সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দায়িত্বশীল ও আদর্শবান হতে সাহায্য করে । মূল্যবোধের মাধ্যমেই একজন মানুষ ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা এবং ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে শেখে । তাই ‘মূল্যবো্‌ধ’কে মানুষের জীবন পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভিত্তি বলা হয় । অনেকের মতে শিক্ষা শুধু ডিগ্রীধারী নয় । শিক্ষিত শব্দের অর্থ সেই ব্যক্তি যিনি কিনা সুসংস্কৃত অর্থাৎ যাঁর জীবনে মূল্যবোধগুলি পরিস্ফুট । মূল্যবোধগুলি হলোঃ (১) সত্যবাদী, (২) জিতেন্দ্রিয়, (৩) পরোপকারী । আমাদের বর্তমান পদ্ধতিতে এই সদ্‌গুণগুলির পরিমাপের কোনো ব্যবস্থা নেই । যার জন্য শিক্ষার প্রসারের সঙ্গে সুসংস্কারের কোনো যোগাযোগ নেই । তাই সুস্থ, সুন্দর, সমৃদ্ধ আর শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার জন্য সত্যবাদী, জিতেন্দ্রিয় ও পরোপকারী – এই সদ্‌গুণগুলি যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো পরিবেশে অনুশীলন করতে পারে ।
সাধারণত সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সমাজে প্রচলিত ভালো-মন্দ, ঠিক-ভুল, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে মানুষের যে ধারণা গড়ে ওঠে, তাকেই ‘মূল্যবোধ’ বলে । এটা আবার অন্যভাবে বলতে গেলে, মানুষের চিন্তা-ভাবনা, আদর্শ, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আচরণকে যে নীতি ও মানদণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে, তাই ‘মূল্যবোধ’ । মূল্যবোধ মানুষের আচরণকে সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করে এবং তাকে একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে ।
( ২ )
এবার আসছি ‘মানসিকতা’ প্রসঙ্গে। ‘মানসিকতা’ বলতে সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চিন্তাভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ, বিচারবোধ ও আচরণের সামগ্রিক প্রবণতাকে বোঝায় । মানুষ পৃথিবীকে কীভাবে দেখে, কীভাবে বিভিন্ন ঘটনা বা মতামতকে ব্যাখ্যা করে এবং কোন ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে—এসবই তার মানসিকতার পরিচয় বহন করে । অর্থাৎ মানসিকতা কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন চিন্তার সমষ্টি নয়; এটি এমন একটি অন্তর্গত মানসিক কাঠামো (Internal Mental Structure), যেটা কিনা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও কর্মধারাকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবিত করে । অন্যভাবে ‘অন্তর্গত মানসিক কাঠামো’ বলতে মানুষের মনের ভিতরের সেই অদৃশ্য ছাঁচ বা সংগঠনকে বোঝায়, যার সাহায্যে সে বাইরের জগৎ থেকে পাওয়া তথ্য গ্রহণ, বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ এবং ব্যবহার করে ।
একজন মানুষের মানসিকতা গড়ে ওঠে তার শিক্ষা, সামাজিক পরিবেশ, সংস্কৃতি, অভিজ্ঞতা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং ব্যক্তিগত উপলব্ধির মধ্য দিয়ে। ফলে একই ঘটনা ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে বিচার করে, কারণ তাদের মানসিকতার ধরণ আলাদা । কেউ কোনো বিষয়কে যুক্তি ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার করে, আবার কেউ তা সুসংস্কার বা কুসংস্কার, আবেগ বা অন্ধ বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে গ্রহণ করে। এখানেই মানসিকতার প্রকৃত পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে । (সুসংস্কার (Superstition) বলতে মূলত যুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রমাণহীন কোনো অন্ধ বিশ্বাস বা ভ্রান্ত ধারণাকে বোঝায় যা মানুষের অজ্ঞতা, ভয় বা অলীক কল্পনা থেকে সৃষ্টি হয়) ।
একটি বিষয় পরিষ্কার যে অন্ধ বিশ্বাস, কুসংস্কার বা প্রশ্নহীন আনুগত্যের উপর ভিত্তি করে কোনো উন্নত, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে উঠতে পারে না । কারণ অন্ধ বিশ্বাস মানুষের চিন্তার স্বাধীনতাকে সংকুচিত করে এবং সত্য অনুসন্ধানের পথকে বাধাগ্রস্ত করে । সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে প্রয়োজন যুক্তি, নৈতিকতা, মানবিকতা এবং মুক্তচিন্তার বিকাশ । যে সমাজে মানুষ প্রশ্ন করতে শেখে, প্রমাণ ও যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে শেখে এবং অন্যের মতামতকে বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে গ্রহণ করে, সেই সমাজই প্রকৃত অর্থে অগ্রসর ও সভ্য হয়ে উঠতে পারে ।
এই কারণেই বলা যায়, ব্যক্তিগত জীবনে বিশ্বাস একজন মানুষকে পথ দেখাতে পারে, কিন্তু একটি রাষ্ট্র বা সমাজকে পরিচালনা করতে হলে যুক্তিই হচ্ছে প্রধান দিশারী । বিশেষত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যুক্তিবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং যৌক্তিক আলোচনা । যুক্তিনির্ভর মানসিকতা মানুষকে সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায় এবং কল্যাণ-অকল্যাণের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায় ।
এখানে ‘মানসিকতা’ বলতে শুধু সাধারণ চিন্তাধারাকে বোঝানো হচ্ছে না; বরং এমন এক মানসিক প্রবণতা বা দৃষ্টিভঙ্গিকে বোঝানো হচ্ছে, যা আমাদের চিন্তা ও কাজের ধরন নির্ধারণ করে । এটি আমাদের বিশ্বের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিকে গঠন করে এবং সেই মানসিক অভ্যাসগুলিকেও নির্দেশ করে । যার সাহায্যে আমরা বিভিন্ন দাবি, মতবাদ, বিশ্বাস ও যুক্তিকে বিচার করি । অর্থাৎ, মানুষ কোনো বিষয়কে কীভাবে গ্রহণ করবে, কোন তথ্যকে সত্য বলে মেনে নেবে এবং কোন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলবে—সবকিছুই তার মানসিকতার উপর নির্ভর করে ।
আবার যখন এই মানসিকতা যুক্তি, পর্যবেক্ষণ, প্রমাণ ও সমালোচনামূলক বিশ্লেষণের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তাকে বলা হয় ‘বিজ্ঞানসম্মত মানসিকতা’। বিজ্ঞানসম্মত মানসিকতা কেবল বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি এমন এক চিন্তাপদ্ধতি, যা মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায়, প্রমাণ ছাড়া, যুক্তি ছাড়া, কোনো কিছু অন্ধভাবে গ্রহণ না করতে শেখায় এবং সত্য অনুসন্ধানে নিরপেক্ষ থাকতে উৎসাহিত করে ।
অন্যভাবে বলতে গেলে, বিজ্ঞানসম্মত মানসিকতার ক্ষেত্রে আমরা কী জানি তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি । কারণ তথ্য ও জ্ঞান সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু যুক্তিনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী চিন্তার অভ্যাস মানুষকে সবসময় নতুন সত্যের সন্ধান করতে সাহায্য করে । তাই বিজ্ঞানসম্মত মানসিকতা হলো এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি, যা মানুষকে মুক্তমনা, যুক্তিবাদী, মানবিক ও প্রগতিশীল করে তোলে । আর এই মানসিকতার বিকাশই একটি আলোকিত সমাজ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সাহায্য করে ।
জওহরলাল নেহরু’র ‘The Discovery of India’ বইতে তিনি বিজ্ঞানসম্মত মানসিকতাকে “জীবনের অঙ্গ, চিন্তার প্রক্রিয়া, কাজ করার পদ্ধতি এবং সহনাগরিকদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ধরণ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন । তাই বৈজ্ঞানিক মানসিকতা রুপান্তরের ভিত্তি স্থাপন করে । যুক্তি, নৈতিক অনুসন্ধান এবং মানবতাবাদী মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত একটি সমাজ প্রযুক্তিকে দায়িত্বশীল্ভাবে কাজে লাগাতে উদ্বুদ্ধ করে । তাই অগ্রগতিকে কেবল উদ্ভাবন নয়, বরং যুক্তিসঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চিন্তার উপরও ভিত্তি করে গড়ে উঠতে হবে ।
( ৩ )
মানবিক মূল্যবোধ একটি সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রথম শর্ত । যে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ বেশি, সেই সমাজে অপরাধ, হিংসা ও অন্যায় কম থাকে। কারণ মূল্যবোধ মানুষকে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে শেখায় । ন্যায়পরায়ণতা, সততা, শিষ্টাচার, দয়া, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ মানবিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি । বড়দের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সত্য কথা বলা এবং অন্যের ক্ষতি না করা, মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
সমাজভেদে ও ব্যক্তিভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে, তবে কিছু মৌলিক মূল্যবোধ হলোঃ সততা ও ন্যায়পরায়ণতা, সহমর্মিতা ও পরোপকার, শৃঙ্খলাবোধ ও সময়ের সঠিক ব্যবহার, দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যবোধ, শ্রমের মর্যাদা ও সহনশীলতা ।
মূল্যবোধ নিয়ে অনেক কথা । মূল্যবোধ হলো – মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড । মূল্যবোধ হলো – অকৃত্রিম ও অর্জিত আপোষহীন নীতি যা কিনা দৈনন্দিন কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয় । এটি জীবনে ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে এবং ব্যক্তি ও সমাজের যথাযথ সম্পর্ক নির্ণয় করে । সমাজের সদস্যদের আচরণগত ধারণাকে নিয়ন্ত্রণ করে, অখণ্ডতা ও সংহতি বজায় রেখে উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে এই “মূল্যবোধ” । মূল্যবোধের উপাদান, আমরা জানি, নীতি, মান ও বিশ্বাস । এই উপাদানগুলি আবার ব্যক্তি , সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের অবস্থান স্পষ্ট করে – ভালো-মন্দ, দোষ-গুণ, ন্যায়পরায়ণতা ও নৈতিকতার বিচার করে এবং নৈতিক অধিকারের ভিত্তিতে কাজের দিক নির্দেশনা প্রদান করে । স্থান, কাল পাত্রভেদে মূল্যবোধ বিভিন্ন রূপ । উল্লেখ থাকে যে, মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল । সামাজিক পরিবর্তনের ফলে মূল্যবোধেরও পরিবর্তন ঘটে ।
( ৪ )
একজন মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ জন্মগতভাবে আসে না । বরং পরিবার, সমাজ, শিক্ষা ও পরিবেশের মাধ্যমে তা গড়ে ওঠে। পরিবার হলো শিশুর প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । শিশুরা পরিবার থেকেই শিষ্টাচার, সম্মানবোধ, দায়িত্ববোধ ও সততার শিক্ষা লাভ করে । এরপর বিদ্যালয়, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, ধর্মীয় শিক্ষা ও সমাজের বিভিন্ন রীতি-নীতি মানুষের মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । ভালো পরিবেশ ও সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে একজন মানুষ আদর্শ নাগরিক হয়ে উঠতে পারে।
মানবিক মূল্যবোধ মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ সমাজে সম্মান লাভ করে এবং সবার কাছে প্রিয় হয়ে ওঠে। অন্যদিকে মূল্যবোধহীন মানুষ স্বার্থপর, নিষ্ঠুর ও অন্যায় কাজে লিপ্ত হতে পারে। বর্তমান সমাজে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অবক্ষয়, দুর্নীতি, সহিংসতা ও অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো মানবিক মূল্যবোধের অভাব। তাই সমাজকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ করতে হলে মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা অত্যন্ত জরুরি।
এছাড়া মূল্যবোধ ধর্মীয় ও নৈতিক চেতনাকেও জাগ্রত করে। মানবিক মূল্যবোধ মানুষের মনে ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহনশীলতা সৃষ্টি করে। এর ফলে সমাজে সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। একটি উন্নত রাষ্ট্র ও সভ্য সমাজ গঠনের জন্য মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিকের বিকল্প নেই।
পরিশেষে বলা যায়, মূল্যবোধ মানুষের জীবনের অমূল্য সম্পদ। এটি মানুষকে মানবিক, সৎ ও আদর্শবান হতে সাহায্য করে । ব্যক্তিজীবন, সমাজজীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম । মানসিকতা মানব জীবনে ভীষণ প্রাসঙ্গিক । উন্নত মানসিকতার মানুষ সমাজে সত্যিই খুবই প্রয়োজন। এ ধরনের মানুষ শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে ভাবেন না; তারা সমাজ, দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য নিরলস কাজ করেন । তাঁদের চিন্তাভাবনায় থাকে মানবতা, দায়িত্ববোধ, সততা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ! (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ছাড়া যোজনা-৪/২৬, উদ্বোধন-আ/১৪২৩) ।

Share This
Categories
বিবিধ

রাজনৈতিক মহলে শোক, চন্দ্রনাথ রথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ঘিরে কুলুপে ব্যাপক ভিড়।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর ব্লকের কুলুপ গ্রামে আজ এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari-র দীর্ঘদিনের আপ্তসহায়ক তথা ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের দশম দিনের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন আত্মীয়-পরিজন, শুভানুধ্যায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

সকাল থেকেই প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের বাড়িতে শোকের আবহ লক্ষ্য করা যায়। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার বহু মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রয়াতের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। গ্রামের সাধারণ মানুষদের মধ্যেও ছিল গভীর আবেগের ছাপ। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

আজকের এই শ্রাদ্ধানুষ্ঠান উপলক্ষে কুলুপ গ্রামে সকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। কারণ, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্যমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও দেখা গিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন এবং তাঁদের সমবেদনা জানাবেন। পাশাপাশি তিনি কিছু সময় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।

প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথ শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক সহকারীই ছিলেন না, তিনি শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি ছায়াসঙ্গীর মতো পাশে থেকেছেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আজকের এই অনুষ্ঠানে এলাকার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। কুলুপ গ্রাম যেন আজ এক নীরব শোকসভায় পরিণত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর এই সফর ঘিরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

গড়বেতার কড়সায় রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে উদ্ধার জব কার্ড-ভোটার কার্ড, চাঞ্চল্য এলাকায়।।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের কড়সা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিপুল পরিমাণ সরকারি নথি উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ছোটতাড়া এলাকার একটি রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে রাশি রাশি ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড, ভোটার কার্ড, স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের টোকেন এবং অবৈধ সালিশি সভার মীমাংসানামা উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় শাসকদলের পরিচালনাধীন পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বড়সড় প্রমাণ সামনে এল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

এই অঞ্চলের শাসকদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয়দের দাবি, পঞ্চায়েতের তৎকালীন টেকনিক্যাল কর্মী থেকে শুরু করে প্রধান-উপপ্রধান, সকলেই একযোগে সরকারি প্রকল্পগুলোকে নিজেদের উপার্জনের উৎসে পরিণত করেছিলেন। কোনো কাজ না করেই ১২ লক্ষ টাকার পাইপ লাইনের তহবিল আত্মসাৎ এবং হাজার হাজার শৌচালয় নির্মাণের টাকা সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করে পকেটে পুরেছে শাসকদলের একাংশ। এমনকি, ইতিপূর্বে এই পঞ্চায়েতের তত্ত্বাবধানে হওয়া কুখ্যাত গাছ কাটা কেলেঙ্কারি রাজ্য রাজনীতিতে এতটাই শোরগোল ফেলেছিল যে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল।

এছাড়া বালি, মোরাম, পাথর ও মাটি মাফিয়াদের অবাধ সাম্রাজ্য এই এলাকায় শাসকদলের মদতেই পুষ্ট বলে অভিযোগ।
সরকারি নথির পাশাপাশি ওই দলীয় কার্যালয় থেকে বেআইনি সালিশি সভার নথি মেলায় ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত বা আদালতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শাসকদলের স্থানীয় নেতারাই সমান্তরাল প্রশাসন চালাতেন এবং সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে দলবাজি ও সরকারি টাকা লুটের এই চক্রটির শিকড় অনেক গভীরে।

তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ে বর্তমান পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ সুকৌশলে দায় এড়িয়ে কেবল “তদন্ত হোক” বলে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। অথচ অভিযুক্ত বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও রয়েছে ভুরিভুরি দুর্নীতির অভিযোগ। সব মিলিয়ে, এই বিপুল পরিমাণ কার্ড উদ্ধার হওয়ার পর কড়সা গ্রাম পঞ্চায়েতে শাসকদলের লাগামহীন দুর্নীতি ও কাটমানি সংস্কৃতির কঙ্কালসার রূপটিই সাধারণ মানুষের সামনে আবারও উন্মোচিত হলো।

Share This
Categories
বিবিধ

বড়বৈনানে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ, সংকটজনক এক কর্মী।

 

রায়না, নিজস্ব সংবাদদাতা :-পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না ২ নম্বর ব্লকের বড়বৈনান অঞ্চলের বড়বৈনান গ্রামে বিজেপির বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, বিজেপির বিজয় মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূল-কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ১৭ মে বিজেপির পক্ষ থেকে এলাকায় একটি বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষ হওয়ার পর দুপুর প্রায় ২টো নাগাদ বিজেপি কর্মী দিপু দাস, দিলু দাস, শুভঙ্কর দাস এবং প্রতিমা দাস নিজেদের মধ্যে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি দিতে দিতে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ই তৃণমূল-কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করে এবং আচমকাই তাঁদের ওপর চড়াও হয়ে মারধর করে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে দাবি।
বিজেপির অভিযোগ, হামলার ঘটনায় জড়িত বিশ্বনাথ দাস, অনুপ দাস, মিতা দাস এবং আল্পনা দাস। আক্রান্ত চারজনের মধ্যে দিপু দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে রবিবার বড়বৈনান দাসপাড়ার বুথ সভাপতি সুকুমার দাস বলেন,
“আমাদের মাননীয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বার্তা দিয়েছেন সর্বত্র শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। আমরা সেইমতো সকলের সঙ্গে মিলেমিশে থাকছি এবং আগামীদিনেও থাকতে চাই। কিন্তু আজ যেভাবে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে, তাতে আমরা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়”।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Share This
Categories
বিবিধ

কৃতি ছাত্র তমাল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা বিজেপি নেতৃত্বের।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- উচ্চ মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষায় দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করে জটেশ্বরের মুখ উজ্জ্বল করল জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র তমাল বড়ুয়া। জানা গিয়েছে বিজ্ঞান বিভাগে ৪৫০ নম্বর পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে। তমালের এই কৃতিত্বে আনন্দে ভাসছে পরিবার, আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে গোটা এলাকাবাসী। এদিন কৃতী ছাত্রের এই সাফল্যকে সম্মান জানাতে তার বাড়িতে পৌঁছে যায় বিজেপির ফালাকাটা ১ নম্বর মন্ডলের নেতৃত্ব ও কর্মীরা। এদিন উত্তরীয় পরিয়ে, ফুলের তোড়া ও মিষ্টিমুখ করিয়ে তমাল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানানো হয়। পাশাপাশি তার হাতে তুলে দেওয়া হয় উপহারও। উপস্থিত নেতৃত্ব তমালের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তার সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তমাল বড়ুয়ার এই অসাধারণ ফলাফল আগামী দিনের ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেই মনে করছেন এলাকার মানুষ।

Share This
Categories
বিবিধ

গাছ উপড়ে বন্ধ যোগাযোগ, বিদ্যুৎহীন তাসাটি চা বাগান।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শনিবার রাতে ঝড় বৃষ্টির তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে ফালাকাটা ব্লকের তাসাটি চা বাগান এলাকার বিভিন্ন অংশ। প্রবল ঝড় ও দমকা হাওয়ার জেরে একাধিক বাড়ি ও দোকানের টিনের চাল উড়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় গাছ ও বাঁশঝাড় ভেঙে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝড়ের তীব্রতায় বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও গাছ উপড়ে রাস্তার উপর পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। রবিবার সকাল থেকে এলাকাবাসী ভাঙা গাছ গুলি সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজে হাত লাগান। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াক প্রশাসন।

Share This
Categories
বিবিধ

জটেশ্বরে ঝড়-বৃষ্টির দাপট, দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- শনিবার রাতের প্রবল ঝড় যেন মুহূর্তের মধ্যে তছনছ করে দিল ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ধুলাগাঁও এলাকা। ঝড়-বৃষ্টির ভয়াবহ দাপটে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি উঠে এসেছে গোটা এলাকায়। বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক বাড়িঘর। কোথাও ভেঙে গিয়েছে টিনের চাল। ঝড়ের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ছবি ধরা পড়ে একটি মারুতি ভ্যান গাড়িকে ঘিরে। প্রবল ঝড়ের দাপটে রাস্তার ধারে থাকা বিশাল একটি গাছ আচমকাই ভেঙে পড়ে গাড়িটির উপর। মুহূর্তের মধ্যে দুমড়ে-মুচড়ে একেবারে চুরমার হয়ে যায় গাড়িটি। শুধু গাড়িই নয়, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু পরিবারের স্বপ্নের আশ্রয়ও। এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে গাছ ভেঙে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়িঘর। বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় গোটা এলাকা এখনো বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। অন্ধকারে চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঝড় থেমে গেলেও আতঙ্ক এখনো কাটেনি উত্তর ধুলাগাঁওয়ে। রবিবার সকাল থেকেই স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে প্রশাসনের দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।

Share This
Categories
বিবিধ

ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ব্যবস্থা, জটেশ্বরে বিশেষ অভিযান পুলিশের।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বিনা হেলমেটে বাইক চালালেই এবার কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে সঙ্গে থাকছে মোটা অঙ্কের জরিমানাও। শনিবার বিকেলে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বরে ট্রাফিক আইন ভাঙা বাইক আরোহীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালায় জটেশ্বর ফাঁড়ির পুলিশ।
এদিন জটেশ্বর ট্র্যাফিক মোড় এলাকায় রীতিমতো রণংদেহী মেজাজে দেখা যায় পুলিশকে। হেলমেট ছাড়া বাইক দেখলেই আটকানো হয় চালকদের। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনওভাবেই হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো যাবে না। এদিনের ওই অভিযান চলাকালীন বেশ কয়েকজন হেলমেটহীন বাইক আরোহীকে জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি অনেককে সতর্ক করে ট্রাফিক আইন মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। জটেশ্বর ফাঁড়ির ওসি জগদীশ রায় জানান, “হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে আরোহীদের আটকানো হচ্ছে এবং হেলমেট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বোঝানো হচ্ছে। শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন বাজার, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনবহুল এলাকায় গিয়ে নিয়মিত প্রচার চালানো হচ্ছে। হেলমেটহীন বাইক চালকদের বিরুদ্ধে আগামী দিনেও অভিযান চালাবে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

হ্যামিল্টণগঞ্জ স্টেশনে বিজেপি কর্মীদের ঢল, সম্বর্ধিত কালচিনি বিধায়ক।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা : – শপথ গ্ৰহণ করে কালচিনিতে ফিরলেন কালচিনি বিজেপি বিধায়ক বিশাল লামা। এদিন বারোটা নাগাদ হ্যামিল্টণগঞ্জ রেল স্টেশনে নামেন বিধায়ক বিশাল লামা। বিধায়ককে সম্বর্ধনা দেওয়ার জন্য প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থক ও নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন হ্যামিল্টণগঞ্জ রেল স্টেশনে।
সেখানে সবাই বিধায়ককে সম্বর্ধনা দেয়। পরবর্তীতে বাইক মিছিল করে কালচিনি বিধায়ক কার্যালয়ে পৌছায়। বিধায়ক কার্যালয়ে ও প্রচুর কর্মী সমর্থকরা বিধায়ক বিশাল লামাকে সম্বর্ধনা প্রদান করে।

Share This