Categories
বিবিধ

পুরসভা কার্যালয়ে উল্টো জাতীয় পতাকা, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকার রাজীব গান্ধী মার্কেটে অবস্থিত পুরসভা শাখা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উল্টো উত্তোলনকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ পৌরসভা খোলার সময় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, জাতীয় পতাকাটি উল্টোভাবে তোলা হয়েছে। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এই ঘটনা জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মানজনক এবং অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁদের দাবি, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ জানান, ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। তিনি স্বীকার করেন, পতাকা উত্তোলনে ত্রুটি হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হবে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিজেপি, আরএসপি এবং কংগ্রেস—তিন দলই কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে।
আরএসপি নেতা সর্বানন্দ পান্ডে বলেন, “যারা পতাকা উত্তোলন করেছে, তাদের জাতীয় পতাকার নিয়ম সম্পর্কে কোনো ধারণাই নেই। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন।”
অন্যদিকে বিজেপির নগর মণ্ডল সভাপতি তথা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাসন্তী রায় বলেন, “এ ধরনের ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়। জাতীয় পতাকাকে এভাবে উল্টোভাবে উত্তোলন করা অত্যন্ত অপমানজনক। পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া উচিত।”
কংগ্রেস নেতা মান্তু ঘোষও একই সুরে বলেন, দায়িত্ব জ্ঞান হীন এর অভাব বলে কটাক্ষের সুর এবং নিন্দা জানান।

Share This
Categories
বিবিধ

আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রেরণার পুরুষকে স্মরণে রায়নায় বিশেষ অনুষ্ঠান।

শুভ্র জ্যোতি ঘোষ, বর্ধমান :-পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না ২ নং ব্লকের বড়বৈনান অঞ্চলের সুবলদহ গ্রামে মহান বিপ্লবী রাসবিহারী বসু জন্মজয়ন্তী সাড়ম্বরে পালিত হল।বিপ্লবী রাসবিহারী বসু সুবলদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৮৬ সালে ২৫ শে মে।বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ১২থেকে ১৪ বছর বসবাস করেছে এই গ্রামে, ছোটবেলা থেকে এই গ্রামে গ্রাম্য পাঠশালাতে পড়াশোনা করেছিলেন, পরবর্তীকালে তিনি বিভিন্ন ইস্কুলে পড়াশোনা করেন। তিনি লর্ড হার্ডিঞ্জ উপরে বোমা নিক্ষেপ করেছিলেন। দিল্লিতে পরবর্তীকালে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেস লিগ প্রতিষ্ঠা করেন এবং যার সামরিক শাখা ছিল “ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি” বা “আজাদ হিন্দ ফৌজ”।
বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রায়না বিধানসভার মাননীয় বিধায়ক – সুভাষ পাত্র মহাশয় এছাড়াও আরও বিভিন্ন গুণীজন শিক্ষক, সমাজসেবী মানুষ, সর্বোপরি গ্রামবাসীদের উচ্ছাস ছিল চোখে পড়ার মতো, তাঁর কারন তাঁদের নিজেদের বাড়ির ছেলের জন্মদিন বলে কথা।
মাননীয় বিধায়ক মহাশয় তিনি রাসবিহারী বসুর জন্মভিটেতে সংস্কার এবং ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এর কাছে যে মিউজিয়াম তৈরী হয়েছে তিনি সবরকম সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

ব্লকবাসীকে পরিষেবা পৌঁছে দিতে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক বিশাল লামার।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বিধায়ক হওয়ার পর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করলেন কালচিনি বিধায়ক বিশাল লামা।সোমবার কালচিনি ব্লক কার্যালয়ে কালচিনি বিডিও,ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ সকল গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করেন বিশাল লামা।তিনি বলেন, “রাজ্যের পাশাপশি সকল দপ্তরের কাজে পরিবর্তন আনা দরকার।আগামী দিনে যাতে ব্লকবাসী কোনো সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না থাকে সেই বার্তাও দেন তিনি । পাশাপশি ব্লকের শ্রমিক মহল্লার রেশন সমস্যা নিয়ে সরব হন তিনি দ্রুত সেই সমস্যার সমাধানেও নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের।

Share This
Categories
বিবিধ

গড়বেতায় পথ দুর্ঘটনায় জখম দু’জন, হাসপাতালে ভর্তি চালক ও খালাসি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের ৫ নম্বর অঞ্চলের ভাটমারা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে ইট বোঝাই লরি। ঘটনাই কমবেশি করে আহত হয়েছেন চালক ও খালাসি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার বেলা নাগাদ আসানসোল থেকে ইট বোঝাই করে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চন্দ্রকোনা টাউন যাওয়ার পথে ভাটমারা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ওই ইট বোঝাই লরিটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কৃষি জমিতে উল্টে যায় লরিটি। ঘটনায় কমবেশি করে আহত হয় চালক ও খালাসী। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গড়বেতা থানার পুলিশ গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত দুইজনকে উদ্ধার করে গড়বেতা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে চালক ও খালাসীর এখনো নামও পরিচয় জানা যায়নি।

Share This
Categories
বিবিধ

সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাধা মানবে না গ্রামবাসীরা, কুচলিবাড়িতে হুঁশিয়ারি।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সীমান্তে কাঁটাতারহীন এলাকায় বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু হতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের তিনবিঘা সীমান্তের কুচলিবাড়ি এলাকায়। অভিযোগ, বিজিবির আপত্তি ও স্থানীয় একাংশ মানুষের বাধার জেরে জমি মাপজোকের কাজ ঘিরে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। এরপর বিষয়টি বিএসএফের উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পাশাপাশি এলাকার বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদদেরও অবগত করা হয়। শনিবার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে দুটি পৃথক ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। একটি বৈঠক হয় বিজিবির সঙ্গে এবং অন্যটি হয় স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিজেপি বিধায়ককে নিয়ে।

বৈঠকে স্থানীয় ভারতীয় নাগরিকদের একাংশ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনবিঘা এলাকায় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজে কোনও বাধা মানা হবে না। প্রয়োজনে পুনরায় রক্তাক্ত আন্দোলনের পথেও হাঁটতে প্রস্তুত বলেও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বাংলাদেশি পক্ষের চাপে ভারতীয় সেনা বা ভারতবাসী মাথা নোয়াবে না।

দীর্ঘদিন ধরে ওই সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় গরু পাচার, মানব পাচার এবং অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা বেড়ে চলছিল বলে অভিযোগ। ফলে দেশের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছিল। অনুপ্রবেশকারীদের অবাধ যাতায়াতকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের চিন্তাও বাড়ে।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সীমান্ত সংলগ্ন জমি দ্রুত বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জমি হস্তান্তরের পরই বর্তমানে মাপজোকের কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজও শুরু হবে।

আর সেই উদ্যোগকেই কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কুচলিবাড়ি সীমান্ত এলাকা।

Share This
Categories
বিবিধ

বুলডোজার মিছিল ঘিরে বীরপাড়ায় ব্যাপক জনসমাগম।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বুলডোজারে চেপে ধন্যবাদ যাত্রা হল আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বিধানসভার অন্তর্গত বীরপাড়ায়। বুলডোজারের ছিলেন সাংসদ মনোজ টিজ্ঞা, বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু। বীরপাড়ার সিংহানিয়া ময়দান থেকে শুরু হয় এই ধন্যবাদ যাত্রা। শেষ হয় বীরপাড়া চৌপথিতে। শয়ে শয়ে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল এই মিছিলে। এর আগে জেলায় বুলডোজার নিয়ে মিছিল হয়নি।এটাই ছিল এই মিছিলের আকর্ষণ।

মিছিল শেষে মনোজ টিজ্ঞা জানান, ” জনগণ দুহাত ভরে আশীর্বাদ দেওয়ার কারণে বিজেপির ২০৭টি আসন পেয়েছে। জনগণ আমাদের উপর আস্থা রেখেছে। এই কারণেই এই ধন্যবাদ যাত্রার আয়োজন। “

Share This
Categories
বিবিধ

দাসপুরে স্বাস্থ্য কর্মীদের দাবি শুনলেন বিধায়ক তপন কুমার দত্ত।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক তপন কুমার দত্ত মহাশয় কে দাসপুর ১ এবং দাসপুর দুই CHM সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনার পাশাপাশি তাদের একগুচ্ছ দাবি জানালেন।
নবনির্বাচিত বিধায়কের কাছে আরজি করেন জাতি কর্ম সুনিশ্চয়তা ও উপযুক্ত বেতন পরিকাঠামো সাথে সাথে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি লাভ হয়, দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত সমস্ত স্বাস্থ্য ও কর্মচারীদের কে সম্পূর্ণভাবে আশ্বাস দেন তাদের দাবি অবশ্যই বিধানসভায় এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই তুলে ধরবেন।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের সোনাখালী থেকে শুভেন্দু চক্রবর্ত্তীর রিপোর্ট, আনন্দ নিউজ, সবার আগে সবার পাশে।

Share This
Categories
বিবিধ

মানসিক হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগে চাপে একাধিক বিডিও।

নিজস্বসংবাদদাতা, বিশেষ প্রতিবেদন :- রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু ব্লক স্তরের প্রশাসনিক মানসিকতায় বিন্দুমাত্র বদল আসেনি— এই অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফুঁসছেন একাধিক ব্লকের সরকারি কর্মচারীরা। অভিযোগের তির খোদ ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও (BDO)-দের দিকে, যাঁরা বিগত সরকারের আমল থেকেই স্বপদে বহাল রয়েছেন।

কর্মীদের অভিযোগ, ওই বিডিওদের আচরণ অত্যন্ত কর্কশ এবং অসহযোগিতাপূর্ণ। সামান্য কারণেও অধস্তন কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মানসিক হেনস্থা এবং প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নতুন সরকার আসার পর কর্মসংস্কৃতি বদলের আশা করেছিলেন কর্মীরা, কিন্তু আড়াই বছর কেটে গেলেও এই আধিকারিকদের চেয়ারে কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভের পারদ চড়েছে।

সরকারি কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, শাসকদল বদলালেও স্থানীয় প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্তাদের ‘দাদাগিরি’ কমেনি। বরং তাঁদের একনায়কতন্ত্রের কারণে ব্লকের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। মানসিক চাপের মুখে পড়ে অনেকেই ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। অবিলম্বে ওই বিডিও-দের অপসারণ বা বদলির দাবি জানিয়েছেন কর্মীরা। দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামীদিনে মহকুমা শাসক বা জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

Share This
Categories
বিবিধ

সরকারি জমি ও জলাশয় দখলের অভিযোগ, নিশানায় প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রীর স্বামী।

ধুপগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে সরকারি জমি ও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার দাবিতে সোচ্চার হলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। তৎকালীন তৃণমূল নেতাদের ভয়ে এতদিন যাঁরা মুখ খুলতে সাহস পাননি, প্রশাসন বদলে যেতেই তাঁরা এখন ক্যামেরার সামনে এসে প্রকাশ্যে ওই বেআইনি নির্মাণে বুলডোজার চালানোর দাবি জানাচ্ছেন।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। ধূপগুড়ি থানার অন্তর্গত মাগুরমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের নাথুয়া-ধূপগুড়ীগামী রাজ্য সড়কের পাশে সরকারি জায়গা দখল এবং একটি জলাশয় ভরাট করে কংক্রিটের ছাদ বাড়ি বানানোর অভিযোগ ওঠে। সেই সময় ‘আমরা সময় কলকাতা’-য় খবরটি সম্প্রচারিত হওয়ার পর ধূপগুড়ি ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর তৎপরতা দেখায় এবং কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়। কিন্তু অভিযোগ, তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে প্রশাসনের একাংশের মদতে দিনের আলোতেই ফের কাজ শুরু করে বহুতলটি সম্পূর্ণ করা হয় এবং ব্যবহারও শুরু হয়।স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপির অভিযোগের তির মাগুরমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃণমূল সদস্যার স্বামী মাধব রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্থানীয় এক ব্যক্তির থেকে পুকুরের সামান্য অংশ কিনে, তার আড়ালে বিস্তর সরকারি জমি ও পুরো জলাশয়টিই বেআইনিভাবে ভরাট করে এই নির্মাণ সম্পন্ন করেন তিনি।এতদিন ক্ষমতা ও ভয়ে মাগুরমারীর বাসিন্দারা প্রতিবাদ করতে না পারলেও, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসতেই ছবিটা বদলেছে। গ্রামবাসীদের দাবি, তৃণমূল জমানার এই সমস্ত বেআইনি কীর্তি অবিলম্বে গুঁড়িয়ে দিক প্রশাসন। এখন দেখার, নতুন সরকারের জমানায় ধূপগুড়ির এই বিতর্কিত অবৈধ নির্মাণের ওপর সত্যিই প্রশাসনের বুলডোজার চলে কি না।

Share This
Categories
বিবিধ

হিন্দু-মুসলিমের যৌথ অংশগ্রহণে মানবিক উদ্যোগ, আয়োজনে বিজেপি যুব মোর্চা।

নাদনঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা:- এদিন ভারতীয় জনতা পার্টির যুব মোর্চার উদ্যোগে শ্রীরামপুর নাদনঘাটের ৩ নম্বর মণ্ডলে এক বৃহৎ রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। মানবিক এই কর্মসূচিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিশেষভাবে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের যৌথ উপস্থিতি সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল ছবি তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী স্মৃতিকণা বসু, পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক প্রাণকৃষ্ণ তপাদার, কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সভাপতি প্রদ্যুৎ ভৌমিক, সুভাষ পাল সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজকদের বক্তব্য, সমাজের সকল বিভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে ভারতীয় জনতা পার্টি সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলেও জানানো হয়।

Share This