পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- চন্দ্রকোনারোডের একটি বেসরকারি আবাসনে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রশিক্ষণ মহা অভিযানের আয়োজন,দ্বিতীয় দিনে উপস্থিত বিধায়ক । পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহরের একটি বেসরকারি আবাসনে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রশিক্ষণ মহা অভিযানের আয়োজন করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। রবিবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ মহা অভিযানের দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ সোমবার উপস্থিতন শালবনী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিমান মাহাতো,এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ও জেলার একাধিক নেতৃত্ব।
Month: July 2026
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ইংরেজবাজার পুর এলাকায় এবার অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে তৎপর- প্রশাসন। শুরু রাজনৈতিক তরজা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার জায়গায় অবৈধ নির্মাণ। প্রায় এগারো জন দোকানদারকে নোটিশ দিল জেলা প্রশাসন। নোটিসে পরিষ্কার বলা হয়েছে আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে জেলা প্রশাসনিক ভবনে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিতে। এই বিল্ডিং এ কোন বাণিজ্যিক কাজকর্ম করা যাবে না।
আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এর আগেও মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থা অবৈধ নির্মাণ করেছে এই অভিযোগে ছিলো মালদা। যদিও জেলা ক্রিয়া সংস্থা সংস্থা দাবি করে এই নির্মাণটি অবৈধ নয়।
মালদার ইংরেজবাজার পুরো এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জেলা ক্রীড়া সংস্কার দপ্তর সংলগ্ন চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে তিন তালা এই বিল্ডিং। যেখানে প্রায় 11 জন দোকানদার রয়েছে। রয়েছি মোবাইলের দোকান থেকে রেস্টুরেন্ট।
স্থানীয় দোকানদাররা বলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছ থেকে তারা এই দোকান লিজ ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়। মাসে এক হাজার টাকা করে ভাড়াও দিতে হয়।
মালদা থেকে ইংরেজ বাজারের বিধায়ক অম্লান ভাদুরি বলেন, কোনরকম অবৈধ নির্মাণ রাখা হবে না এক এক করে প্রত্যেককে নোটিশ দেওয়া হবে। তার জবাব না দিতে পারলে সেই নির্মাণ ভাঙ্গা হবে। যারা নির্মাণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর হবে।
তৃণমূল পরিচালিত ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান, তথা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন এই নির্মাণটি অবৈধ নয়।
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– ভাইব্র্যান্ড ভিলেজেস প্রজেক্টে মালদহের সীমান্তের একাধিক গ্রামে নেওয়া হল বেশকিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা। জেলার সীমান্তবর্তী ছয়টি ব্লকের ২৯টি সীমান্তবর্তী গ্রামকে ভাইব্রেন্ট ভিলেজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই গ্রামগুলিতে আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিপুল পরিকল্পনা নেওয়া হল। সীমান্তের গ্রামগুলিতে সরাসরি গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসা বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য এই প্রকল্পে কাজ করা হবে। এতদিন যে গ্রামগুলি ছিল পিছিয়ে পড়া, সেগুলিকেই প্রথমসারির গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ। “আমার গ্রাম আমার কল্পনা” এই শীর্ষক আলোচনা সভা থেকে উঠে আসবে পরিকল্পনা। যেখানে ওপর থেকে কোনও উন্নয়ন পরিকল্পনা চাপিয়ে দেওয়া হবে না। বরং নিজেদের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে গ্রামবাসীদের পরামর্শেই প্রকল্প তৈরি হবে।
সোমবার থেকে মালদহে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হল। এদিন মালদা ব্লকের সীমান্তবর্তী আদমপুর বর্ডার আউটপোস্টে গ্রামবাসীদের সঙ্গে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আলোচনায় বসেন। ঠিক হয়েছে, মালদা ব্লকের আদমপুরে মহানন্দায় নদী আরতি, মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রে স্মার্ট ক্লাসরুম , মহামায়া কালী মন্দিরে কালচারাল ব্লক, আমজাত সামগ্রী শিল্প কেন্দ্র, বাজারের সৌন্দর্যায়ন, বিভিন্ন মন্দিরের সীমানা প্রাচীর, কমিউনিটি হল, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মানউন্নয়ন, সৌরবিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন প্রভৃতি একাধিক কাজ হবে।
এদিন আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন মালদহের জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুড়, মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, বিজেপি বিধায়ক গোপাল সাহা, বিডিও অনীক রায় সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা।
প্রচুর সংখ্যার গ্রামবাসী ও মহিলারাও হাজির ছিলেন আলোচনায়।
পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- অবিরাম বৃষ্টিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট ব্লকের গুরুত্বপূর্ণ দেউলিয়া খ্যানাডিহি রাজ্য সড়কে নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তির শেষ থাকছে না সাধারণ মানুষের। স্কুল ছাত্রছাত্রীকে থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীদের জল পেরিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের কাজকর্মের জন্য। এই সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন অরাজনৈতিক দল মাঠে ময়দানে আন্দোলন শুরু করলেও এই আন্দোলনের ফল এখনো পর্যন্ত কিছু পাওয়া যায়নি বলেই খবর। বেশ কয়েক বছর আগে এই সমস্যা দূর করার জন্য ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাকা রাস্তা বেশ কিছুটা উঁচু করলেও জল বেরোনোর জন্য বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা আরো ঘনীভূত হয়েছে।
এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে কোলাঘাট ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় থানা ও পঞ্চায়েত দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করা হয়ে ছিল। এই বৈঠকে কোন সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি। স্থানীয় দোকানদার দাবি ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধার বরাবর যে নিকাশি ব্যবস্থাটি রয়েছে রাজ্য সড়ক দেউলিয়া খন্যাডিহি রাস্তার উপর জল জমা ওই নিকাশি সঙ্গে সংযুক্ত করলে এই সমস্যা সমাধান হতে পারে। বর্তমানে যে জল জমা হচ্ছে তা রাস্তার উপর দিয়ে বয়ে স্থানীয় একটি জলাভূমিতে গিয়ে পড়ছে। নিচু এলাকার ঘরবাড়ি গুলি অধিক বৃষ্টিপাত হলে আতঙ্কে রয়েছে ডুবে যাওয়ার ভয়ে।
স্থানীয় দোকানদার সুকুমার অধিকারী ও জগদীশ মল্লিক জানান বর্ষাকালীন সময়ে এই সমস্যা আরো তীব্র আকার ধারণ করে। অধিক বৃষ্টিপাত হলে দোকানের ভিতরে জল ঢুকে যাচ্ছে। দোকান ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও এখনো পর্যন্ত তার গুরুত্ব প্রকাশ্যে আসে নি। কোলাঘাট ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায় বিষয়টি যাতে দ্রুত সমাধান করা যায় তা নিয়ে উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবে।
পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ অনুযায়ী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থানের স্বার্থে জেলা পুলিশের উদ্যোগে রবিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। পাশাপাশি জেলা পুলিশের উদ্যোগে চালু করা হলো স্ব-রোজগার অ্যাপ। এই অ্যাপের মধ্য দিয়ে জেলার বেকার শিক্ষিত যুবক যুবতীরা তাদের পড়াশোনা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন। এই দিন জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই ২৬ টা কোম্পানি যুক্ত হয়েছে এই অ্যাপে। তারা আগামী এক বছরের মধ্যে দেড় হাজার কর্মসংস্থান তৈরি করবে। যার মধ্যে ৩০% থাকবে যুবতীরা।
পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আমলাগোড়া রেঞ্জের মাগুরাশোলের জঙ্গলে থাকা ১৫ থেকে ১৬ টি হাতির একটি বড় দল সোমবার সকালে পুনরায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরিয়ে মাগুরাশোলের জঙ্গলে প্রবেশ করেছি বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে জাতীয় জাতীয় সড়ক পারাপারের সময় দু’ধারে দাঁড়িয়ে রইলো যাত্রীবাহী বাস সহ একাধিক যানবাহন। তবে বনদপ্তরের তরফ থেকে পার্শ্ববর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করার পাশাপাশি হাতিগুলির গতিবিধির উপর নজর রেখেছে বনদপ্তরের কর্মীরা।
পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রকে ওরাল সেক্সয়ের ঘটনায় বিদ্যালয়ের অস্থায়ী সাফাই কর্মী ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে। এবার বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপালের অপসারণ চেয়ে সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের গেটে বিক্ষোভ দেখালেন কিছু অভিভাবক। বিদ্যালয়ের গেটে দড়ি দিয়ে বেঁধে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। বহু ছাত্র-ছাত্রী, বিদ্যালয়ের স্টাফ স্কুলে ঢুকতে বাধাপ্রাপ্ত হন। অভিভাবকদের বিক্ষোভে ছোট ছোট শিশুরা অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সাময়িক ব্যাহত হয় পঠন-পাঠন। গত শুক্রবার ওই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রকে ওরাল সেক্সের অভিযোগ ওঠে বিদ্যালয়ের এক সাফাই কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ আসার পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই সাফাই কর্মীকে আটক করে রাখে। পুলিশ এলে পুলিশের হাতে ওই সাফাই কর্মীকে তুলে দেওয়া হয়। ভিক্ষভকারী অভিভাবকদের বক্তব্য বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল কে অপসারণ করতে হবে। ঋণ অভিভাবকদের হৈহট্টগোলে বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠনের পরিবেশ সাময়িক বিঘ্নিত হয়।
পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ অনুসারে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে কেশপুর ও আনন্দপুর থানার যৌথ সহযোগিতায় এলাকার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর চাকরির পরীক্ষার উপযুক্ত করে তুলতে ‘প্রস্তুতি’ নামে একটি পাইলট প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে। রবিবার আনন্দপুর ফুটবল ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ সূচনা হয়। এইদিন শুভ সূচনা করেন জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, এছাড়াও এই দিন উপস্থিত ছিলেন,অ্যাডিশনাল এসপি, ডিএনটি, সি আই,কেশপুর ও আনন্দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার ও বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।এইদিন জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাজ্যে পুলিশে ব্যাপক নিয়োগের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় কেশপুর ও আনন্দপুরের বিভিন্ন স্কুলের প্রায় ৫০০–৬০০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩৫০ জনই ছাত্রী। তিনি বলেন, এই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারীদের পুলিশ কনস্টেবল ও আধাসামরিক বাহিনীর বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, শারীরিক অনুশীলন এবং লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্প ধাপে ধাপে সমগ্র পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, বর্তমানে কর্মরত পুলিশকর্মীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়াবেন এবং কীভাবে সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়, সে বিষয়ে দিকনির্দেশ দেবেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, পুলিশ যে সাধারণ মানুষের বন্ধু এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পাশে রয়েছে, এই উদ্যোগ তারই প্রতিফলন। বিশেষভাবে ছাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের নিরাপত্তা, আত্মনির্ভরতা এবং আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এই ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই লক্ষ্যেই এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে। এদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রী, সাথি ঘোষ বলেন, এই উদ্যোগ তাদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস জাগিয়েছে। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই সঠিক দিশা ও অনুপ্রেরণা পেলে ভবিষ্যতে স্বাবলম্বী হওয়া অনেক সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রশিক্ষণ শিবিরে শারীরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান (GK), জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (GI) সহ বিভিন্ন বিষয়েরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনি এই উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরও এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— আবাস যোজনায় সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামের একাধিক মহিলার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ফের বিতর্কে তৃণমূলের দুই স্থানীয় নেতা। এদিন রবিবার সকাল দশটা নাগাদ জানা গিয়েছে প্রায় সাত বছর আগে নেওয়া সেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে গাজোল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতারিত মহিলারা।
অভিযোগ, গাজোল ব্লকের করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর এলাকার কয়েকজন মহিলার কাছ থেকে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তাঁদের কেউই সরকারি ঘর পাননি। বিষয়টি ধামাচাপাই পড়ে থাকলেও সম্প্রতি রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর আবাস যোজনার নতুন করে ঘর সমীক্ষা শুরু হলে সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সমীক্ষায় গিয়ে সরকারি কর্মীরা জানান, অভিযোগকারী মহিলাদের নামে ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর অনুমোদিত হয়েছে। অথচ তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি ঘর, এমনকি ঘরের জন্য বরাদ্দ টাকাও পাননি তাঁরা। এরপরই প্রতারিত মহিলারা অভিযুক্ত নেতাদের কাছে টাকা ফেরত ও ঘরের বিষয়ে জবাব চাইতে গেলে, অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করা হয় এবং উল্টে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়।এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ মহিলারা গাজোল থানায় দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের দাবি, নেওয়া টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তা হিসেবে তাঁদের আবাস যোজনার ঘর নিশ্চিত করতে হবে।
যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গাজোল থানার পুলিশ।
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– মাছ ধরতে গিয়ে মহানন্দা নদীর স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হলেন ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। ঘটনাটি ঘটে রতুয়া থানার বাহারাল গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘুড়ঘুরামনি গ্রামে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রতুয়া থানার পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। জানা গিয়েছে, ঘুড়ঘুরামনি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস। বয়স ৭০বছর। শনিবার সকালে তাঁর ১৫ বছরের নাতিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মহানন্দা নদীতে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরার সময় তিনি নদীর জলে কিছুটা এগিয়ে গেলে বর্ষার ফুলে ওঠা নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে তলিয়ে যান। নাতি তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। পরে সে চিৎকার করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী নদীতে তল্লাশি অভিযান চালায়। তবে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চললেও নিখোঁজ বৃদ্ধের কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনাকে ঘিরে নদীর পাড়ে ভিড় জমায় স্থানীয় বাসিন্দারা।