Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

জানকীদেবী বাজাজ: স্বাধীনতার লড়াই থেকে গ্রামীণ সমাজসেবায় এক মহীয়সী নারীর যাত্রা।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এমন অনেক নারীর নাম রয়েছে, যাঁরা সরাসরি বড় রাজনৈতিক মঞ্চে না থেকেও আন্দোলনের ভিতকে শক্তিশালী করেছিলেন। তাঁরা কখনও চরকা কেটেছেন, কখনও বিদেশি বস্ত্র বর্জনের আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, কখনও সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার স্বাধীনতার পরে গ্রামোন্নয়ন ও নারীকল্যাণের কাজে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

জানকীদেবী বাজাজ ছিলেন সেই ধারারই এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।

স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তিনি খাদি ও চরকার প্রচার, সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে কাজ এবং অস্পৃশ্যতা দূরীকরণের উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৩২ সালের Civil Disobedience Movement-এ অংশ নেওয়ার জন্য তাঁকে কারাবরণও করতে হয়। স্বাধীনতার পরে তাঁর কাজ থেমে যায়নি; তিনি বিনোবা ভাবের ভূমিদান আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত হন। ১৯৫৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করে।

তাঁর জীবন তাই স্বাধীনতার আগে ও পরে—দুই ভারতকেই দেখার একটি অনন্য জানালা।

ছোটবেলার জীবন

জানকীদেবী বাজাজের জন্ম ৭ জানুয়ারি ১৮৯৩ সালে মধ্যপ্রদেশের জাওরায়। তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী মারওয়ারি পরিবারে জন্মেছিলেন।

তৎকালীন ভারতীয় সমাজে মেয়েদের জীবনের পরিসর ছিল অত্যন্ত সীমিত। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয় জামনালাল বাজাজের সঙ্গে। পরবর্তী সময়ে জামনালাল বাজাজ একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হয়ে ওঠেন।

কিন্তু জানকীদেবীর নিজের পরিচয় শুধু একজন শিল্পপতির স্ত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি।

স্বামী যখন জাতীয় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন, তখন তিনিও ধীরে ধীরে জনজীবন ও সমাজসেবার কাজে প্রবেশ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর নিজের কাজই তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচয় দেয়।

গান্ধীর আদর্শের প্রভাব

জামনালাল বাজাজ মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন ছিলেন। গান্ধীর সরল জীবনযাপন, স্বদেশি, খাদি এবং গ্রামীণ উন্নয়নের ধারণা বাজাজ পরিবারের জীবনেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

জানকীদেবীও চরকা কাটতে শুরু করেন এবং খাদি ব্যবহারে গুরুত্ব দেন। বিদেশি বস্ত্র বর্জনের আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন জীবনীমূলক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।

চরকা তাঁর কাছে শুধু একটি সুতো কাটার যন্ত্র ছিল না। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় চরকা হয়ে উঠেছিল আত্মনির্ভরতা ও স্বদেশি অর্থনীতির একটি প্রতীক।

তিনি নিজের জীবনযাপনেও সেই আদর্শ অনুসরণ করার চেষ্টা করেন।

নারীদের সংগঠিত করার কাজ

জানকীদেবী বুঝেছিলেন, স্বাধীনতার আন্দোলনকে সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছে দিতে হলে নারীদেরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে হবে।

তিনি নারীসমাজের মধ্যে খাদি, স্বনির্ভরতা ও সামাজিক কাজের গুরুত্ব নিয়ে কাজ করেন। নারীকল্যাণ এবং সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।

তৎকালীন সময়ে কোনও নারী প্রকাশ্যে সামাজিক আন্দোলনে অংশ নিলে তাঁকে শুধু বাইরের সামাজিক বাধাই নয়, পারিবারিক ও প্রচলিত রীতিনীতির সঙ্গেও লড়াই করতে হতো।

জানকীদেবীর ক্ষেত্রে সেই পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটেছিল।

তিনি নিজের পরিচিত সামাজিক পরিসরকে ব্যবহার করে আরও বেশি নারীকে সামাজিক কাজে যুক্ত করার চেষ্টা করেন।

অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে অবস্থান

জানকীদেবীর সামাজিক কাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে অবস্থান।

১৯২০-এর দশকে তিনি তথাকথিত ‘হরিজন’ সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক অবস্থার উন্নতির কাজে যুক্ত হন। তাঁদের মন্দিরে প্রবেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগেও তিনি অংশ নেন।

এটি ছিল সেই সময়ের অত্যন্ত সংবেদনশীল সামাজিক প্রশ্ন।

ভারতীয় সমাজে জাতপাত ও অস্পৃশ্যতার দীর্ঘ ইতিহাস ছিল। স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বহু সমাজকর্মী রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি সামাজিক সংস্কারের কথাও বলেছিলেন।

জানকীদেবীর কাজ সেই বৃহত্তর সামাজিক পরিবর্তনের ধারার অংশ হয়ে ওঠে।

Civil Disobedience Movement এবং কারাবাস

১৯৩০-এর দশকে স্বাধীনতা আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

১৯৩২ সালের Civil Disobedience Movement-এ জানকীদেবী সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এর জন্য তাঁকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

একজন নারী হিসেবে কারাবাসের অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য সহজ ছিল না। কিন্তু আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের দায় তিনি নিজেই গ্রহণ করেছিলেন।

স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের অংশগ্রহণের ইতিহাসে এই ধরনের ঘটনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাঁদের ভূমিকা শুধু মিছিল বা জনসভায় উপস্থিত থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; অনেক নারী গ্রেফতার, কারাবাস এবং সামাজিক চাপও সহ্য করেছিলেন।

জানকীদেবীর ক্ষেত্রেও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার চেয়ে বড় হয়ে উঠেছিল।

গরুসেবা ও গ্রামীণ সমাজ

জানকীদেবীর সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল গোসেবা।

১৯৪২ সাল থেকে তিনি দীর্ঘ সময় Akhil Bharatiya Goseva Sangh-এর সভাপতি হিসেবে কাজ করেন বলে জীবনীমূলক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।

এই কাজের সঙ্গে তাঁর গ্রামীণ ভারতের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সম্পর্ক ছিল।

ভারতের বহু গ্রামীণ পরিবারের জীবনে গবাদি পশু কৃষি ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। ফলে গ্রামীণ সমাজে পশুপালন, কৃষি এবং অর্থনৈতিক জীবনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

জানকীদেবীর সমাজসেবার দৃষ্টিভঙ্গিতে তাই গ্রাম ও সাধারণ মানুষের জীবন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল।

স্বাধীনতার পরে নতুন কাজ

১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীর সামনে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে—কিন্তু গ্রামাঞ্চলের দারিদ্র্য, ভূমিহীনতা, অশিক্ষা ও সামাজিক বৈষম্য কীভাবে কমবে?

জানকীদেবী সেই প্রশ্ন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি।

স্বাধীনতার পরে তিনি বিনোবা ভাবের ভূমিদান আন্দোলন-এর সঙ্গে যুক্ত হন। ভূমিদান আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল ভূমির মালিকদের কাছ থেকে জমি দান নিয়ে ভূমিহীনদের মধ্যে তা বিতরণের মাধ্যমে গ্রামীণ বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করা। জানকীদেবী এই সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন।

অর্থাৎ তাঁর স্বাধীনতার ধারণা শুধু ব্রিটিশ শাসনের অবসানে শেষ হয়নি।

স্বাধীনতার পরেও তিনি সামাজিক ন্যায় ও গ্রামীণ উন্নয়নের প্রশ্নকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছিলেন।

নিজের জীবনের কথা নিজেই লিখেছিলেন

জানকীদেবী তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মজীবনী লেখেন—‘মেরি জীবন যাত্রা’।

বইটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।

আত্মজীবনী কোনও ব্যক্তির জীবনের শুধু ঘটনাপঞ্জি নয়। নিজের সময়কে একজন মানুষ কীভাবে দেখেছেন, কোন ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন এবং নিজের কাজের অর্থ কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন—তাও সেখানে ধরা পড়ে।

জানকীদেবীর আত্মজীবনী তাই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাস বোঝার একটি মূল্যবান উৎস।

পদ্মবিভূষণে সম্মান

১৯৫৬ সালে জানকীদেবী বাজাজকে পদ্মবিভূষণ প্রদান করা হয়। সরকারি পদ্ম পুরস্কারের তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে এবং তাঁকে Social Work-এর ক্ষেত্রে সম্মানিত করা হয়।

এই সম্মান তাঁর দীর্ঘ সামাজিক কাজের একটি জাতীয় স্বীকৃতি ছিল।

তাঁর বিশেষত্ব ছিল—তিনি কোনও একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের মধ্যে আটকে ছিলেন না।

স্বাধীনতা আন্দোলন, খাদি, নারীকল্যাণ, সামাজিক সংস্কার, গোসেবা এবং গ্রামীণ উন্নয়ন—বিভিন্ন ক্ষেত্র তাঁর কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

তাঁর নামে আজও কাজ চলছে

জানকীদেবীর মৃত্যুর পরও তাঁর নাম সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকেছে।

তাঁর স্মৃতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। Jamnalal Bajaj Foundation-এর একটি পুরস্কারও তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা নারী ও শিশুদের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বাস্থ্য, জীবিকা এবং সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কাজ করা নারীদের সম্মানিত করে।

অর্থাৎ তাঁর কাজ শুধু অতীতের ইতিহাস হয়ে থাকেনি; তাঁর নাম পরবর্তী প্রজন্মের সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।

একজন গৃহবধূ থেকে সমাজকর্মী

জানকীদেবীর জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবর্তনগুলির একটি হল তাঁর সামাজিক ভূমিকার বিস্তার।

একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারে অল্প বয়সে বিবাহিত একজন নারী ধীরে ধীরে কীভাবে বৃহত্তর সমাজের প্রশ্ন নিয়ে কাজ করতে শুরু করলেন—তাঁর জীবন সেই পরিবর্তনের একটি উদাহরণ।

তিনি কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন না, বড় কোনও প্রশাসনিক পদেও ছিলেন না। কিন্তু নিজের সামাজিক অবস্থান, পরিচিতি এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তিনি জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত হন।

এখানেই তাঁর জীবনের বিশেষত্ব।

স্বাধীনতার অর্থ তাঁর কাছে কী ছিল?

জানকীদেবীর কর্মজীবন দেখলে বোঝা যায়, তাঁর কাছে স্বাধীনতার ধারণা কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।

খাদি ও স্বদেশি অর্থনীতি তাঁকে আত্মনির্ভরতার দিকে টেনেছিল।

অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে কাজ তাঁকে সামাজিক সমতার প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করেছিল।

ভূমিদান আন্দোলন তাঁকে গ্রামীণ অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রশ্নের মুখোমুখি করেছিল।

নারীকল্যাণের কাজ তাঁকে সমাজের অর্ধেক মানুষের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত রেখেছিল।

এই বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে তাঁর সামাজিক দর্শনের নানা দিক প্রকাশ পায়।

শেষ অধ্যায়

জানকীদেবী বাজাজ ২১ মে ১৯৭৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

কিন্তু তাঁর জীবনের শেষের সঙ্গে তাঁর কাজের সমাপ্তি ঘটেনি।

যে সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও পুরস্কার তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলির মাধ্যমে তাঁর স্মৃতি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছেছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের উন্নয়ন, শিক্ষা, দক্ষতা এবং গ্রামীণ জীবিকার সঙ্গে যুক্ত কাজের ক্ষেত্রে তাঁর নাম আজও ব্যবহৃত হয়।

উত্তরাধিকার

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বড় বড় রাজনৈতিক ঘটনার পাশাপাশি এমন অসংখ্য মানুষের জীবন রয়েছে, যাঁদের কাজ ছিল সমাজের ভিতরে পরিবর্তন তৈরি করা।

জানকীদেবী বাজাজ তাঁদেরই একজন।

তাঁর জীবনে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সমাজসেবা আলাদা দুটি অধ্যায় ছিল না। বরং একটি থেকে অন্যটির জন্ম হয়েছে।

স্বাধীনতার আগে তিনি স্বদেশি ও সামাজিক সংস্কারের কাজে যুক্ত হয়েছেন। আন্দোলনের সময় কারাবরণ করেছেন। স্বাধীনতার পরে গ্রামীণ সমাজের প্রশ্নে কাজ করেছেন। ভূমিদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। নারীকল্যাণের কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

এই দীর্ঘ পথচলা দেখায়, একটি দেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরে সেই স্বাধীনতাকে সাধারণ মানুষের জীবনে অর্থবহ করে তোলার কাজও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

জানকীদেবী বাজাজের জীবন তাই ইতিহাসের একটি শান্ত অথচ গভীর অধ্যায়—যেখানে রাজনৈতিক স্বাধীনতার সঙ্গে সামাজিক দায়িত্ব, আত্মনির্ভরতার সঙ্গে মানবিকতা এবং ব্যক্তিগত জীবনযাপনের সঙ্গে জনকল্যাণ একসূত্রে গাঁথা।

তাঁর নাম মনে করিয়ে দেয়—দেশ গড়ার কাজ শুধু ক্ষমতার কেন্দ্রে হয় না; গ্রামের উঠোনে, চরকার পাশে, সমাজের প্রান্তিক মানুষের ঘরে এবং সাধারণ মানুষের জীবনের মধ্যেও সেই নির্মাণ চলতে থাকে।

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *