Categories
গল্প বিবিধ

গল্প : যে বন্ধ জানালার ওপারে অপেক্ষা করছিল এক নতুন পৃথিবী।

১. যে জানালা দিয়ে আকাশ দেখা যেত না

মল্লিকপুর গ্রামের এক প্রান্তে ছিল একটি পুরোনো দোতলা বাড়ি। বাড়িটির নাম ছিল ‘শান্তিনিবাস’। একসময় সেখানে হাসি, গল্প আর মানুষের যাতায়াতে মুখর থাকত প্রতিটি ঘর। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির মানুষজন ছড়িয়ে পড়েছিলেন নানা জায়গায়। কেউ শহরে চাকরি পেয়েছেন, কেউ সংসার গড়েছেন অন্যত্র। বাড়িতে থেকে গিয়েছিলেন শুধু ছিয়াত্তর বছরের সরলা দেবী।

বাড়ির দক্ষিণ দিকের একটি জানালা বহু বছর ধরে বন্ধ ছিল। জানালাটির কাঠ ফুলে গিয়েছিল, পাল্লায় জমেছিল ধুলো, আর লোহার ছিটকিনিতে ধরেছিল মরচে। একসময় সেই জানালা খুললেই দেখা যেত বিস্তীর্ণ মাঠ, দূরের তালগাছ আর বিকেলের আকাশ। এখন বাইরে আগাছা বেড়েছে, মাঠের একাংশে তৈরি হয়েছে নতুন বাড়ি।

সরলা দেবী প্রায়ই জানালাটির সামনে বসে থাকতেন।

তাঁর স্বামী অমলেন্দু জীবিত থাকতে এই জানালার পাশে বসে খবরের কাগজ পড়তেন। তাঁদের একমাত্র ছেলে অরিন্দম ছোটবেলায় এই জানালা দিয়ে ঘুড়ি ওড়ানো দেখত। সেই দিনগুলো চলে গেছে। ছেলে এখন বেঙ্গালুরুতে থাকে। কাজের ব্যস্ততায় ফোন করে, কিন্তু বছরে একবারের বেশি বাড়িতে আসতে পারে না।

সরলা দেবী কখনও অভিযোগ করতেন না। শুধু বিকেলের দিকে জানালার সামনে বসে থাকতেন, যেন বন্ধ কাঠের পাল্লার ওপারে এখনও তাঁর পুরোনো পৃথিবীটি অপেক্ষা করছে।

একদিন বাড়ির মেরামতির কাজে এসেছিল পাশের বাড়ির মেয়ে তিথি। সে কলেজে পড়ে। কাজের ফাঁকে সরলা দেবীকে জানালার পাশে বসে থাকতে দেখে জিজ্ঞাসা করল, “ঠাকুমা, জানালাটা খোলেন না কেন?”

সরলা দেবী হেসে বললেন, “অনেক বছর খোলা হয়নি মা। এখন আর খুলবে কি না জানি না।”

তিথি জানালার পাল্লায় হাত রেখে বলল, “চেষ্টা করে দেখতে দোষ কী?”

সরলা দেবী একটু চুপ করে থেকে বললেন, “সব বন্ধ জিনিস খোলা যায় না রে। কিছু কিছু বন্ধ হয়ে গেলে আর আগের মতো হয় না।”

তিথি কথাটার অর্থ পুরো বুঝল না। কিন্তু জানালাটির দিকে তাকিয়ে তার মনে হলো, কাঠের পাল্লা দুটো শুধু একটি ঘরকেই অন্ধকার করে রাখেনি, সরলা দেবীর জীবন থেকেও যেন কিছু আলো আটকে রেখেছে।

২. একটি অদ্ভুত আবিষ্কার

পরের রবিবার তিথি তার বাবা সমীরবাবুকে নিয়ে শান্তিনিবাসে গেল। সমীরবাবু কাঠের কাজ জানতেন। তিনি জানালাটি পরীক্ষা করে বললেন, “পাল্লা নষ্ট হয়েছে, কিন্তু পুরোপুরি নয়। একটু যত্ন করলে খোলা সম্ভব।”

সরলা দেবী প্রথমে রাজি হলেন না।

“এত খরচ করে কী হবে? এখন আর জানালা খুলে কী দেখব?”

তিথি বলল, “খরচের কথা ভাববেন না, ঠাকুমা। আমরা যতটা পারি নিজেরাই করব। আর জানালা খুললে কী দেখা যাবে, সেটা তো না খুললে বোঝা যাবে না!”

অবশেষে সরলা দেবী সম্মতি দিলেন।

সমীরবাবু সাবধানে পুরোনো ছিটকিনি খুললেন। কাঠের পাল্লার জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার করা হলো। নষ্ট অংশ মেরামত করা হলো, আর জানালার চারপাশের আগাছা সরিয়ে দেওয়া হলো।

কাজ করতে গিয়ে তিথি জানালার নিচে একটি ছোট কাঠের তাক দেখতে পেল। তাকটি এতটাই ধুলোয় ঢাকা ছিল যে আগে চোখেই পড়েনি। তার ওপর রাখা ছিল একটি টিনের বাক্স।

সরলা দেবী বাক্সটি দেখে চমকে উঠলেন।

“এটা তো অমলেন্দুর বাক্স!”

বাক্সের মধ্যে ছিল কিছু পুরোনো চিঠি নয়, বরং নানা রকম বীজের ছোট প্যাকেট, গাছের পরিচর্যা নিয়ে লেখা হাতে তৈরি নোট, আর বাড়ির চারপাশে কোন গাছ কোথায় লাগানো হয়েছিল তার একটি পুরোনো তালিকা।

সরলা দেবী বাক্সটি হাতে নিয়ে বললেন, “তোমার দাদু গাছ খুব ভালোবাসতেন। বাড়ির বাগানটা তিনিই তৈরি করেছিলেন। কোন ঋতুতে কোন গাছ লাগাতে হবে, সব লিখে রাখতেন।”

তিথি আগ্রহ নিয়ে নোটগুলো দেখতে লাগল। কিছু বীজের প্যাকেটে নাম লেখা ছিল, কয়েকটিতে শুধু তারিখ। অনেক বীজই হয়তো আর অঙ্কুরিত হবে না। তবু বাক্সটি যেন একটি হারিয়ে যাওয়া অভ্যাসের স্মৃতি বহন করছিল।

“ঠাকুমা, এই বাগানটা আবার তৈরি করা যায় না?” তিথি জিজ্ঞাসা করল।

সরলা দেবী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “বাগান করতে লোক চাই, সময় চাই। এখন আর সে বয়স আছে?”

তিথি মৃদু হেসে বলল, “আপনাকে একা করতে হবে না। আমরা সবাই মিলে করব।”

৩. পুরোনো বাগানের নতুন পরিকল্পনা

পরের সপ্তাহে তিথি তার কলেজের দুই বন্ধু এবং কয়েকজন প্রতিবেশীকে নিয়ে এল। তারা প্রথমে বাগানের অবস্থা দেখল। কোথাও ভাঙা টব, কোথাও শুকনো ডাল, আবার কোথাও আগাছায় ঢেকে থাকা মাটির অংশ।

কেউ কেউ বলল, “এত বড় জায়গা পরিষ্কার করতে অনেক সময় লাগবে। বরং ছোট করে শুরু করাই ভালো।”

তিথি সেই পরামর্শ মেনে নিল। তারা ঠিক করল, পুরো বাগান একসঙ্গে সাজানোর চেষ্টা না করে জানালার সামনে একটি ছোট অংশে কাজ শুরু করবে।

সরলা দেবী পুরোনো নোট দেখে জানালেন, সেখানে আগে শিউলি, জবা, অপরাজিতা আর তুলসী ছিল। কিছু গাছের বীজ নতুন করে সংগ্রহ করা হলো। স্থানীয় নার্সারি থেকে কয়েকটি চারা আনা হলো। পুরোনো টবগুলো পরিষ্কার করে ব্যবহার করা হলো।

তিথি বুঝতে পারল, গাছ লাগানো শুধু মাটি খুঁড়ে চারা বসিয়ে দেওয়া নয়। মাটির ধরন, জল দেওয়ার পরিমাণ, সূর্যের আলো—সবকিছুর দিকে নজর রাখতে হয়।

সরলা দেবী নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তাদের অনেক কিছু শেখালেন।

“চারা লাগানোর পর প্রতিদিন বেশি জল দিলেই যে গাছ ভালো হবে, তা নয়,” তিনি বলতেন। “গাছেরও নিজের মতো করে বেড়ে ওঠার সময় আছে।”

তিথি হেসে বলত, “মানুষের ক্ষেত্রেও কথাটা মিলে যায়, তাই না ঠাকুমা?”

সরলা দেবী উত্তর দিতেন না। শুধু মুখে মৃদু হাসি ফুটে উঠত।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জানালার সামনের জায়গাটি বদলে গেল। সব গাছ একসঙ্গে বড় হয়নি। দু-একটি চারা শুকিয়েও গেল। কিন্তু কয়েকটি নতুন পাতা দেখা দিল, আর অপরাজিতার লতায় ছোট্ট একটি কুঁড়ি ফুটল।

সেদিন তিথি ছুটে গিয়ে সরলা দেবীকে ডাকল।

“ঠাকুমা, দেখুন! ফুল আসছে!”

সরলা দেবী ধীরে ধীরে উঠে জানালার কাছে এলেন। বহু বছর পর তিনি নিজে হাত দিয়ে জানালার পাল্লা ঠেলে খুললেন।

বাইরের আলো ঘরের মেঝেতে এসে পড়ল।

তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর বললেন, “এত বছর পর বুঝলাম, জানালাটা শুধু বন্ধ ছিল না। আমিও যেন নিজের মনটা বন্ধ করে রেখেছিলাম।”

তিথি তাঁর হাত ধরল।

৪. যখন সবাই পাশে দাঁড়াল

বাগানটির কথা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ল। পাড়ার ছোট ছেলেমেয়েরা বিকেলে এসে গাছ দেখত। কেউ শুকনো পাতা সরিয়ে দিত, কেউ টবে জল দিত। তবে তিথি তাদের শিখিয়ে দিয়েছিল, অনুমতি ছাড়া গাছের ডাল ভাঙা যাবে না, অপরিচিত গাছের পাতা মুখে দেওয়া যাবে না এবং অতিরিক্ত জল দেওয়াও ঠিক নয়।

সরলা দেবী এখন প্রতিদিন বিকেলে জানালার পাশে বসতেন। কখনও শিশুদের গাছের গল্প বলতেন, কখনও তাদের শেখাতেন কীভাবে একটি ছোট চারাকে যত্ন করে বড় করতে হয়।

একদিন পাড়ার আট বছরের মেয়ে পিউ এসে বলল, “ঠাকুমা, আমার বাড়িতে একটা গাছ লাগাব। কিন্তু মা বলে, আমাদের বাড়িতে জায়গা নেই।”

সরলা দেবী বললেন, “জায়গা ছোট হলেও একটা টব তো রাখা যায়। তবে এমন গাছ বেছে নিস, যেটার জন্য যত্ন করতে পারবি।”

পিউ মাথা নাড়ল। পরের সপ্তাহে সে একটি ছোট টবে গাছ লাগিয়ে নিয়ে এল। সরলা দেবী তাকে দেখিয়ে দিলেন কীভাবে মাটি আলগা করতে হয় এবং গাছের অবস্থা দেখে জল দিতে হয়।

বাগানটি আর শুধু সরলা দেবীর স্মৃতির জায়গা রইল না। এটি হয়ে উঠল পাড়ার শিশুদের শেখার একটি ছোট্ট ক্ষেত্র।

তিথি একদিন প্রস্তাব দিল, “আমরা কি প্রতি মাসে একদিন সবাই মিলে গাছের যত্ন আর পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করতে পারি?”

সবাই রাজি হলো। মাসে একদিন বাগানে ছোট্ট সমাবেশ বসতে লাগল। সেখানে শিশুরা গাছের বৃদ্ধি দেখত, পাখি পর্যবেক্ষণ করত এবং বাড়ির বর্জ্য কীভাবে আলাদা করে রাখা যায়, তা শিখত।

কেউ কোনও বড় ঘোষণা করল না। কোনও ব্যানার লাগানো হলো না। তবু ছোট ছোট অভ্যাসের মধ্যে দিয়ে পাড়ার মানুষের সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে উঠল।

৫. দূরে থাকা ছেলের ফিরে আসা

দুর্গাপুজোর আগে অরিন্দম কয়েক দিনের জন্য বাড়ি এল। বহুদিন পর বাড়িতে ঢুকে সে প্রথমেই অবাক হলো। মায়ের ঘরের দক্ষিণের জানালাটি খোলা। বাইরে সবুজ গাছ, টবে ফুটে থাকা ফুল আর কয়েকটি শিশুর হাসির শব্দ।

সে মাকে জিজ্ঞাসা করল, “এত কিছু হলো কীভাবে?”

সরলা দেবী বললেন, “তিথি আর পাড়ার ছেলেমেয়েরা করেছে। আমি শুধু পুরোনো গাছগুলোর কথা বলেছি।”

অরিন্দম মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল, তাঁর মধ্যে যেন নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে।

রাতে খাওয়ার পর মা-ছেলে জানালার পাশে বসল। বাইরে শিউলির গন্ধ ভেসে আসছিল।

অরিন্দম বলল, “মা, তুমি আগে ফোনে বলতে যে বাড়িটা খুব ফাঁকা লাগে। আমি ভেবেছিলাম, তোমাকে শহরে নিয়ে গেলে হয়তো ভালো থাকবে। কিন্তু তোমার এই জায়গাটার সঙ্গে যে এত স্মৃতি জড়িয়ে আছে, সেটা ঠিক বুঝিনি।”

সরলা দেবী শান্ত গলায় বললেন, “আমি তোকে দোষ দিইনি বাবা। তোর নিজের জীবন আছে। কিন্তু মানুষ শুধু ছাদের নিচে থাকলেই ভালো থাকে না। তার কথা শোনার কেউ থাকা দরকার, তার সঙ্গে কিছু ভাগ করে নেওয়ার মানুষ থাকা দরকার।”

অরিন্দম মায়ের হাত ধরে বলল, “আমি এবার থেকে নিয়মিত ফোন করব। আর যতটা সম্ভব সময় বের করে আসব। শুধু ফোন করলেই যে সব দায়িত্ব শেষ হয় না, সেটাও বুঝেছি।”

মা হেসে বললেন, “তুই নিজের কাজ মন দিয়ে কর। কিন্তু নিজের মানুষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগটুকু রেখো। সম্পর্কও গাছের মতো—যত্ন না পেলে ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়।”

পরদিন অরিন্দম তিথি ও তার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করল। বাগানের জন্য কয়েকটি উপযুক্ত গাছের চারা কিনে দিল। তবে তিথি তাকে মনে করিয়ে দিল, “শুধু চারা কিনে দিলেই হবে না। এগুলো বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও আমাদের নিতে হবে।”

অরিন্দম হেসে বলল, “ঠিক বলেছ। এবার থেকে আমিও ছুটিতে এসে সাহায্য করব।”

৬. খোলা জানালার আলো

এক বছর পরে শান্তিনিবাসের দক্ষিণের জানালাটি আর কখনও বন্ধ রাখা হতো না। বর্ষার দিনে বৃষ্টি বেশি হলে পাল্লা টেনে দেওয়া হতো, আবার বৃষ্টি থামলে জানালা খুলে দেওয়া হতো। জানালার সামনে ছোট্ট বাগানটি আরও সবুজ হয়ে উঠেছিল।

সরলা দেবী এখন আগের চেয়ে বেশি কথা বলতেন। তাঁর শরীর অবশ্য বয়সের নিয়মে দুর্বল হচ্ছিল, কিন্তু প্রতিদিন বিকেলে জানালার পাশে বসার অভ্যাসটি তিনি ছাড়েননি।

একদিন তিথি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, “ঠাকুমা, এই জানালাটা খুলে আপনার সবচেয়ে বড় কী লাভ হয়েছে জানেন?”

সরলা দেবী হেসে বললেন, “বাইরের আলো দেখতে পাচ্ছি।”

তিথি মাথা নেড়ে বলল, “শুধু আলো নয়। আমরা সবাই আপনাকে নতুন করে চিনতে পেরেছি। আপনার পুরোনো অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগছে। আর আপনার বাড়িটাও আবার মানুষের হাসিতে ভরে উঠেছে।”

সরলা দেবী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, “হয়তো এটাই জীবনের নিয়ম। কোনও কিছু শেষ হয়ে গেলেই সব শেষ হয়ে যায় না। কখনও পুরোনো কিছুর মধ্যেই নতুন শুরুর পথ লুকিয়ে থাকে।”

সন্ধ্যা নেমে এল। জানালার বাইরে আকাশে প্রথম তারা দেখা দিল। বাগানের পাতায় হালকা বাতাস লাগল। দূরে কয়েকটি শিশু বাড়ি ফিরছিল, তাদের হাসির শব্দ ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল।

সরলা দেবী জানালার কাঠে হাত রেখে বাইরে তাকিয়ে রইলেন।

একসময় যে জানালা তাঁকে অতীতের কথা মনে করিয়ে দিত, এখন সেই জানালাই তাঁকে প্রতিদিন নতুন দিনের অপেক্ষা করতে শেখায়।

তিনি বুঝেছিলেন, জীবনের সব বন্ধ দরজা জোর করে খুলতে হয় না। কখনও একটি জানালা খুলে দেওয়াই যথেষ্ট—যার মধ্য দিয়ে আলো আসে, বাতাস আসে, আর ফিরে আসে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক।

নৈতিক শিক্ষা: একাকিত্ব দূর করতে সব সময় বড় কোনও ব্যবস্থা দরকার হয় না। আন্তরিক সঙ্গ, ছোট ছোট যৌথ উদ্যোগ এবং মানুষের অভিজ্ঞতাকে সম্মান করার মধ্য দিয়েও নতুন জীবনের সূচনা হতে পারে। অতীতকে আঁকড়ে ধরে থেমে না থেকে, তার ভালো স্মৃতিগুলোকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানকে সুন্দর করে তোলাই জীবনের প্রকৃত শিক্ষা।

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *