Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

নারকেল একটি অর্থকারী ফসল। এর উপকার, গুণাগুণ হিসেবের বাহিরে। জীবন জীবিকায় এর ভূমিকা আনস্বীকার্য। যে কোন দেশের অর্থনীতিটে নারকেল এক গুরুত্বপূর্ণ আবদান রাখে। এ এমন এক গাছ যার শুরু থেকে শেষ প্রতিটি অঙ্গই কাজেলগে কোনোনা কোনো ক্ষেত্রে। তাই এর গুরুত্ব বোঝাতে প্রতি বছর ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জুড়ে পালিত হয় বিশ্ব নারকেল দিবস। এই দিনটা পালন করার মূল উদ্দেশ্য হল নারকেলের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং এর উপকারিতা বোঝানো।

 

নারকেল নামটি পর্তুগিজ শব্দ কোকো থেকে এসেছে। যার অর্থ মাথা বা মাথার খুলি এবং বলা বয় যে এটি ইন্দো-মালয় অঞ্চলের কোথও উদ্ভুত হয়েছে। নারকেল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Cocos Nucifera। ৮২ ফুট বা ২৫ মিটার উচ্চতা হয়ে থাকে এই গাছের। বিশ্বব্যাপী নারকেল সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় তিনটি দেশে। যথা ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন। সংস্কৃত ভাষায় নারকেল গাছটিকে কল্পবৃক্ষ বা স্বর্গের গাছ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

 

নারকেল হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম ভার্সেটাইল ফল, এর একাধিক উপকারিতা আছে। এটা যেমন খাওয়া যায়, তেমনই আবার এর তেল রান্না থেকে ত্বক পরিচর্চায় ব্যবহার করা যায়। এই দিনটি সাধারণত এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিতে বিশেষ ভাবে পালিত হয়। কারণ এই অঞ্চলগুলিতে অধিক পরিমাণে নারকেল উৎপাদন হয়ে থাকে। নারকেলের স্বাস্থ্যোপযোগিতা ও বাণিজ্যিক লাভ সম্পর্কে জন সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য বিশ্ব নারকেল দিবস পালিত হয়। ২০০৯ সালে এই দিনটি প্রথম পালিত হয়। তার পর থেকে প্রতিবছর ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব নারকেল দিবস পালিত হয়ে আসছে।

এশিয়া প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (APCC) ২০০৯ সালে এই দিবসটি প্রথম উদযাপন করে। তারপর থেকে, প্রতি বছর UN-ESCAP (United nations economic and social commission for Asia Pacific) এবং APCC একত্রে এই দিবসটি উদযাপন করে। দিবসটি পালনের লক্ষ্য হল, এই ফলের প্রচার এবং এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

আমরা জানি,  বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলগুলির মধ্যে একটি হল নারকেল, পাশপাশি এই ফলের বহুমুখী প্রকৃতি এটিকে বাকি ফলের থেকে আলাদা করে তোলে। নারকেল বা ডাব আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। নারকেলের জল, দুধ এবং তেল আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক, চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারি। ডাব বা নারকেল দিয়ে বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারও তৈরি করা যায়। নারকেল দিবসে, নারকেল থেকে তৈরি বিভিন্ন প্রকার মিষ্টান্ন, নারকেল গাছ থেকে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী এই প্রদর্শনী তে রাখা হয়।

সারা বিশ্বে প্রায় অনেকগুলো দেশেই নারকেলের চাষ হয়। তার মধ্যে, মইক্রোনেসিয়া, ফিজি,ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া,থাইল্যান্ড,ভারত,ব্রাজিল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপিন্স অন্যতম। এর মধ্যে সর্বাধিক নারকেল উৎপাদন হয়, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, ও ব্রিজেলে।
এটা বিশ্বের একটি অন্যতম দরকারি গাছ এবং এটিকে প্রায়ই “জীবনের গাছ” হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এটি মানুষ খাদ্য, জ্বালানী, প্রসাধনী, ভেষজ ঔষধ সরবরাহ, দালান নির্মান সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করে এবং এর রয়েছে আরও নানাবিধ ব্যবহার।

নারকেল চাষের উপর ভারতের প্রায় কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভর করে।  ভারতের কেরল,অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু তে সর্বাধিক নারকেলের চাষ দেখা যায়। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ নারকেল এখানেই চাষ হয়। সমুদ্রের পার্শবর্তী স্থানে,লবনাক্ত মাটিতেই নারকেলের চাষ ভালোভাবে হয়।
নারকেল এমন একটি ফল, যা পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এই গাছের কাঠ থেকে শুরু করে, পাতা, নারিকেলের ছোবড়া, জল, দুধ, মালা, সবটাই ব্যবহৃত হয় কোনও না কোনও কাজে। তাই অর্থনীতিতে নারিকেলের ভূমিকা যে অসীম তা কিন্তু অস্বীকার করা যায় না।

একটি নারকেল গাছে প্রত্যেক বছর ৭০-১০০ টি নারকেল উৎপন্ন হয়। ভারতবর্ষে প্রায় দেড় কোটি গাছ শুধুমাত্র কেরলেই আছে ,যার কারণে কেরল কে কোকোনাট ল্যান্ডও বলা হয়।

 

ডাব বা নারকেলের জল কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা যাক—

 

নারকেল একটি সুস্বাদু পুষ্টিকর ফল। এই ফল কাঁচাও খাওয়া যায়, এবং এর থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও তৈরি হয়,যেমন কেক, লাড্ডু, বরফি ইত্যাদি। তাছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, পুজো তে, এবং রান্নাতেও ব্যাবহার করা হয়।

নারকেলের পাতা জ্বালানির কাজে ব্যবহার করা হয়,নারকেলের পাতা থেকে তৈরি হয় ঝাঁটা যা সর্বত্রই ব্যবহার করা হয়।
নারকেলের ছোবা থেকে তৈরি হয় দড়ি,সোফা, পাদানি এবং বিভিন্ন ব্যাবহারিক জিনিস।

নারকেল গাছ ও জ্বালানির কাজে ব্যবহার করা হয় এবং নারকেল গাছ চেরাই করে ছোটখাটো আসবাবপত্র ও তৈরি করা হয়।

নারকেল থেকে তৈরি হয় নারকেল তেল যা আমাদের চুলের জন্য উপযোগী।  যার ব্যবহার ভারতে এবং অন্যান্য দেশেও রয়েছে।
নারকেলের জল আমাদের শরীরের পক্ষে প্রচুর মাত্রায় উপযোগী।

নারকেলের জলে রয়েছে গ্লুকোজ, ভিটামিন সি,পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম যা আমাদের শরীরের ব্লাড প্রেসার কে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা প্রদান করে।

কোলেস্টল এবং ফ্যাট ফ্রী হবার দরুন এটি হৃদয়ের পক্ষেও লাভদায়ক। এর মধ্যে থাকা আন্টি-অক্সিডেন্টের গুন শরীরের রক্ত সঞ্চালন কে সক্রিয় রাখে। এবং এটি শরীরের ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর।

নারকেলের জল আমাদের শরীরের থাইরয়েড হরমোন কে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

নারকেলের জল আমাদের কিডনির পক্ষেও উপযোগী, যদি প্রতিদিন নারকেলের জল খাওয়া যায় তাহলে কিডনিতে পাথর হবার সম্ভাবনা থাকে না।

তাছাড়া নারকেলের জল রূপচর্চার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়।

 

নারকেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়—

 

নিয়মিত নারকেল খাওয়া ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে অনেক ফাইবার থাকে।
ত্বকের প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে- নারকেল বা ডাবের জল এই জল পান করলে বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমানো যায় এবং ত্বকের টানটান ভাব বজায় থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে নারকেল। নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বক কোমল ও সুন্দর হয়। এছাড়াও নারকেল খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না।

হাড় মজবুত করে- ডাবের জল হাড় মজবুত এবং ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এর ফলে অল্প বয়সে অস্টিওপোরোসিস, আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপেনিয়া ইত্যাদি হাড়ের রোগের সমস্যা রোধ করা যায়।
অ্যাসিডিটি প্রতিরোধ করে- ডাবের জল শরীরের পিএইচ স্তরে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি অ্যাসিডিটি ও বুক জ্বালার হাত থেকে স্বস্তি দেয়।
চুলের টনিকের কাজ করে- চুল ঝরার সমস্যা থাকলে ডাবের জল পান করা শুরু করে দিন।
হজম শক্তি উন্নত করে- ডাবের জল প্রাকৃতিক উপায়ে সতেজতা প্রদান করে। পাশাপাশি শরীরে ব্লটিং ও গ্যাসের জন্য দায়ী সোডিয়ামের পরিমাণও কম করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি পাচনতন্ত্রকেও মজবুত করে।
ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে, হজম শক্তি উন্নত করার পাশাপাশি ডাবের জল শরীররে হাইড্রেট রাখে। এটি শরীরের হারিয়ে যাওয়া পুষ্টি উপাদানগুলিকে পুনঃস্থাপিত করে।
নিয়মিত নারকেল খেলে স্তন ক্যানসার, কোলন ক্যানসারসহ অন্যান্য ক্যানসারেরও ঝুঁকি কমে।
ডাবের জল পান করলে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমে ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে নারকেল।
নারকেলের দুধ  হেপাটাইটিস সি, জন্ডিস ও লিভারের বিভিন্ন অসুখ সারাতে নারকেল দুধ কার্যকরী।
নিয়মিত নারকেল খেলে মাথায় খুশকি ও শুষ্কতা দূর হয়। এছাড়াও নারকেল তেল ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয়।
নারকেলে বেশি ক্যালোরি থাকায় তা দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায়। তাই কাজের মাঝে ক্লান্তি আসলে বা হালকা খিদে পেলে নারকেল খেলে তাৎক্ষণিক অ্যানার্জি বাড়বে।
নারকেলে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। যা কোলেস্টেরল বাড়ায় না বরং আথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে।হৃদযন্ত্র ভালো রাখে নারকেল। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হৃদরোগের সমস্যা দূর করে।
নারকেল রক্তের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরাও পরিমিত নারকেল খেতে পারেন। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

নারকেল সম্পর্কে তথ্য—

(ক) ‘coconut’ শব্দটি ‘nut’ এবং পর্তুগিজ শব্দ ‘coco’ এর সমন্বয়ে উদ্ভূত।
(খ) বিশ্বে নারকেল উৎপাদনের ৯০ শতাংশই আসে এশিয়া থেকে।
(গ) ইন্দোনেশিয়া, Philippines, ব্রাজিল এবং শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় রপ্তানিকারক দেশ।

(ঘ) নারকেল পুরোপুরি পরিপক্ক হতে এক বছর সময় লাগে।

(ঙ) একটি নারকেল গাছ প্রতি বছর কমকরে প্রায় ১০০টি নারকেল দেয়।
তাই বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা ডাবের জলকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই জল ত্বক, হৃদয়, চুল, রক্তচাপ এবং হজমের পক্ষে বিশেষ উপকারী। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে, স্পোর্টস ড্রিঙ্কসের তুলনায় এটি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর, কম ক্যালরি সম্পন্ন। তাই আজ এই বিশেষ দিনটিতে ডাব বা নারকেলের জল কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো ।
ভারতসহ মোট ১৮টি দেশ নিয়ে এপিসিসি সংস্থাটি গঠিত। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারকেল শিল্পের উন্নতির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থ ব্যবস্থাকে মজবুত করা। নারকেলের মূল্য ও উপকারিতা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে পালিত হয় দিনটি। খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ, প্রসাধনী, নির্মাণ সামগ্রী ও অন্যান্য নানা কারণে ব্যবহৃত হয় নারকেল। এই নারকেল গাছকে প্রায়শই ‘Tree Of Life’ নামে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এশিয়া প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (এপিসিসি) নারকেলের মূল্য ও সমাজে তাদের প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই দিনটির প্রচার শুরু করে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও  বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

১ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  জ্ঞান দিবস (রাশিয়া)

(খ) বিদ্রোহ দিবস (লিবিয়া)

(গ) শিক্ষক দিবস (সিংগাপুর)

(ঘ) স্বাধীনতা দিবস (উজবেকিস্তান)

(ঙ) সংবিধান দিবস (স্লোভাকিয়া)

(চ) ইস্টার্ন অর্থোডক্স চার্চে এই দিনে বছর শুরু হয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – আমির ইলাহি, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯১১ – দেবেশ দাশ বাঙালি কথাসাহিত্যিক ।

১৯১৪ – মৈত্রেয়ী দেবী সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বাঙালি কবি, লেখক ও ঔপন্যাসিক।

১৯১৮ – মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।

১৯২০ – রিচার্ড ফার্নসওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেতা ও স্টান্ট।

১৯২৪ – শৈলেন মান্না ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন খ্যাতিমান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৩৫ – (ক) ড.সরোজ ঘোষ বাঙালী সংগ্রহালয় সংস্থাপক ও বিজ্ঞানকে জনসাধারণ্যে লোকায়িত করণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

(খ) মুস্তফা মনোয়ার, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।

১৯৩৯ – লিলি টমলিন, মার্কিন অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেত্রী, লেখিকা, গায়িকা ও প্রযোজক।

১৯৪৭ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক মিহির সেনগুপ্ত।

১৯৬২ – কফিল আহমেদ, বাংলাদেশী কবি, গায়ক এবং চিত্রশিল্পী।

১৯৬৫ – নচিকেতা চক্রবর্তী, ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৭১ – হাকান শুকুর, তুর্কি ফুটবলার যিনি স্ট্রাইকার অবস্থানে খেলেন।

১৯৯০ – টম ব্লান্ডেল, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৮৫৬ – সার্গেই উইনোগার্ডস্কি রুশ অণুজীব বিজ্ঞানী।

১৮৭৭ – ফ্রানসিস উইলিয়াম অ্যাস্টন, নোবেলজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

১৮৮৪ – হেনরি ফোরেল, সুইজারল্যান্ডীয় এন্টোমলজিস্ট।

১৮৯৬ অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মগুরু এবং ইসকন তথা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ, হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য।

১৮৯৭ – পরিমল গোস্বামী বাঙালি সাহিত্যিকে।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – রাশিয়ায় বেলসান স্কুলে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের অপহরণ করে।

১৯০৫ – ব্রিটিশরাজ বঙ্গভঙ্গের নির্দেশ জারি করে।

১৯১৪ – রাশিয়ার সেন্ট. পিটার্সবুর্গের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পেট্রোগার্ড়।

১৯২৩ – জাপানের টোকিও ও ইয়াকোহামায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই লক্ষ লোক নিহত হয়।

১৯২৮ – আলবেনিয়া রাজ্যে পরিণত হয়।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যুদ্ধের সূচনা করে।

১৯৬১ – সাবেক ইউগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬৯ – বাদশাহ ইদ্রিসকে ক্ষমতাচ্যুত করে মুয়াম্মর গাদ্দাফি ক্ষমতায় আসেন।

১৯৭৮ – বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” বা বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

১৯৮৫ – ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার।

১৯৯১ – উজবেকিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯২ – জাকার্তায় দশম জোটনিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮১৮ – কলকাতায় নতুন স্কুল স্থাপনের উদ্দেশ্যে দেশীয় ও ইউরোপীয় শিক্ষানুরাগীদের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয় ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি।

১৮৫৩ – উত্তমাশা অন্তরীন থেকে পৃথিবীর প্রথম ত্রিকোণ ডাকটিকিট ইস্যু করা হয়।

১৬৪৪ – ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইস ৭২ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেণ।

১১৭৪ – ইতালীর পিসা শহরে বিখ্যাত পিসার হেলান টাওয়ার নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – মুফতি আহমেদ কুফতার, সিরিয়ার গ্রান্ড।

১৯০৪ – আলফ্রেড রিচার্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৩০ – জীবন ঘোষাল, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৭০ – নোবেলজয়ী [১৯৫২] ফরাসি সাহিত্যিক ফ্রাঁসোয়া মরিয়াক।

১৯৭৫ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠ শিল্পী সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তী।

১৯৮১ – অ্যান হার্ডিং, মার্কিন মঞ্চ, চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

১৯৮২ – হার্সেল কুরি মার্কিন গণিতবিদ।

১৭১৫ – চতুর্দশ লুই, ফ্রান্সের রাজা।

১৬৪৪ – ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইস (৭২ বছর বয়স)।

১৬৪৮ – মারাঁ মের্সেন, ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৬৮৭ – হেনরি মুর, ইংরেজ দার্শনিক।

১৫৫৭ – জ্যাকস কার্টিয়ার, ফরাসি অভিযাত্রী। তাকে কানাডার অন্যতম আবিস্কারক মনে করা হয়।

১৫৭৪ – গুরু অমর দাস তৃতীয়

১৫৮১ – গুরু অমর দাস চতুর্থ

১১৫৯ – পোপ চতুর্থ অ্যাড্রেইন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩১ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  মালয়শিয়ার স্বাধীনতা দিবস

(খ) কিরগিজিস্তান-এর স্বাধীনতা দিবস

(গ) ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর স্বাধীনতা দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – বার্নার্ড লভেল্, ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৩৬ – ভ্লাদিমির অরলভ, রাশিয়ান লেখক।

১৯০৭ – রামোন ডেল ফিরো ম্যাগসেসে, ফিলিপিনো অধিনায়ক, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম সভাপতি।

১৯১৯ – অমৃতা প্রীতম, ভারতীয় কবি ও লেখক।

১৯২৮ – জেমস হ্যারিসন কোবার্ন, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৪৪ – ক্লাইভ লয়েড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৪৫ – ভ্যান মরিসন, উত্তর আইরিশ গায়ক ও গীতিকার।

১৯৪৯ – এইচ ডেভিড পলিতজার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪৯ – রিচার্ড গিয়ার, আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬০ – হাসান নাসরুল্লাহ, লেবাননের রাজনৈতিক ও আধাসামরিক প্রতিষ্ঠান, হিজবুল্লাহর তৃতীয় মহাসচিব।

১৯৬৩ – ঋতুপর্ণ ঘোষ, বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা ।

১৯৬৯ – জাভাগাল শ্রীনাথ, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯৭০ – নিকোলা গ্রুয়েভস্কি, ম্যাসাডোনিয়া অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৭ – জেফ হার্ডি, আমেরিকান কুস্তিগির ও গায়ক।

১৯৮২ – পেপে রেইনা, স্প্যানিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – রোলানদো জর্জ পিরেস দা ফনসেকা, পর্তুগিজ ফুটবলার।

১৮৪৩ – গেয়র্গ ভন হেরটলিং, জার্মান শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৭ম চ্যান্সেলর।

১৮৪৪ – শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসেবী চন্দ্রনাথ বসু।

১৮৭০ – মারিয়া মন্টেসরি,ইতালীয় চিকিৎসক এবং শিক্ষাবিদ, নিজের নামে প্রতিষ্ঠা করা শিক্ষা দর্শন – “মন্টেসরি শিক্ষাপদ্ধতি”র জন্য সুপরিচিত।

১৮৭৯ – আল্‌মা মাহ্‌লের, অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান সুরকার ও চিত্রশিল্পী।

১৮৮৮ – কানাইলাল দত্ত, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

১৮৯৭ – ফ্রেডরিক মার্চ, আমেরিকান লেফটেন্যান্ট, অভিনেতা ও গায়ক।

১৮২১ – হারমান ভন হেল্মহোল্টয, জার্মান চিকিৎসক ও পদার্থবিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – ইরাকের কাজেমাইন শহরে এক শোকানুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ইরাকি মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়।

১৯০৫ – বঙ্গভঙ্গ বিল পাস হয়।

১৯০৭ – ইংল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যে ইঙ্গ-রুশ মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৭ – মালয়েশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৯ – কলকাতায় খাদ্যের দাবিতে কৃষক মিছিলে ভারতের কংগ্রেস সরকারের গুলি চালনায় ৮০ জন নিহত হয়।

১৯৬২ – লাতিন আমেরিকার দেশ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ব্রিটিশ উপনিবেশবাদীদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৩ – ক্রেমলিন ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে হট লাইন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯৬৫ – মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম উত্তোলন করা হয়।

১৯৬৮ – ভারতে তৈরী উপগ্রহ ‘রোহিনী’ আকাশপথে যাত্রা করে।

১৯৬৮ – ইরানের খোরাশানে মারাত্মক ভূমিকম্পে ১৮ হাজার নিহত হয়।

১৯৭১ – সঙ্গীতশিল্পী আলতাফ মাহমুদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন।

১৯৭৫ – গণচীন কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান।

১৯৯১ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রজাতন্ত্র কিরগিজিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮৪৮ – সংবাদপত্রে প্রথমবারের মত আবহাওয়া বার্তা ছাপা শুরু করে।

১৮৫৮ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ সরকার ভারতের শাসনভার গ্রহণ করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – জর্জ পোর্টার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

২০০৫ – জোসেফ রটব্লাট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পোলিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ পদার্থবিদ।

২০০৮ – কেন ক্যাম্পবেল, ইংরেজ লেখক, অভিনেতা, পরিচালক ও কৌতুকাভিনেতা।

২০১৩ – ডেভিড প্যারাডাইন ফ্রস্ট, ইংরেজ রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

২০২০ – মহামান্য প্রণব মুখোপাধ্যায়,ভারতের প্রথম বাঙালি ও ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি।

১৯২০ – উইলহেম উন্ট, জার্মান চিকিৎসক, মনোবৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক।

১৯৪১ – মারিনা টসভেটাভা, রাশিয়ান কবি ও লেখক।

১৯৬৩ – জর্জ ব্রাকুয়ে, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

১৯৭১ –

বশীশ্বর সেন,খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি কৃষি বিজ্ঞানী।

আবদুল হালিম চৌধুরী জুয়েল, ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম, ক্রিকেটার।

১৯৭৩ – জন ফোর্ড, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৮৫ – ফ্রাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জীববিজ্ঞানী।

১৯৮৬ – উরহো কেকোনেন, ফিনিশ সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৮ম সভাপতি।

১৯৯৩ – স্টেলা ক্রামরিশ, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইতিহাসবিদ ও কিউরেটর যিনি মূলত ভারতীয় শিল্পের ইতিহাস নিয়ে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

১৯৯৭ – প্রিন্সেস ডায়ানা, যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন যুবরাজ্ঞী।

১৮১১ – লুই আন্তনিও ডি বোউগাইনভিলে, ফরাসি নৌসেনাপতি ও এক্সপ্লোরার।

১৮১৪ – আর্থার ফিলিপ, ইংরেজ এডমিরাল, রাজনীতিবিদ ও নিউ সাউথ ওয়েল্স-এর ১ম গভর্নর।

১৮৬৪ – ফের্দিনান্দ লাসালে, জার্মান বিচারক, দার্শনিক, এবং সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মী।

১৮৬৭ – শার্ল বোদলেয়ার, ফরাসী কবি।

১৭৯৫ – ফ্রাসোয়া-আঁদ্রে ডানিকান ফিলিডোর, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইংরেজ দাবা খেলোয়াড় ও সুরকার।

১৬৮৮ – জন বুনয়ান, ইংরেজ প্রচারক, ধর্মতত্ত্ববিদ ও লেখক।

১৪২২ – পঞ্চম হেনরি, ইংল্যান্ডের রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ইতিহাস গর্ভে ফিরে দেখা! : তন্ময় সিংহ রায়।।।

”ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা!”

 

এই রাখি’র বন্ধনে কিভাবে মানুষ বাঁধা পড়ল? পুরাণ থেকে ইতিহাস গর্ভে এ নিয়ে
রয়ে গেছে বেশ কিছু রহস্যময় ও উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ!
এবারে উঁকি মারা যাক পৌরাণিক সেই কাহিনীগুলি’র দরজায়!
প্রথমত, হিন্দু ধর্মের মহাকাব্যদ্বয়ের মধ্যে মহাভারতে লুকিয়ে থাকা রাখি বন্ধনের যে ঘটনা আমরা দেখতে পাই তা হল,
কথিত আছে রাজসূয় যজ্ঞের সময় শিশুপালকে হত্যার পরে স্বয়ং শ্রী-কৃষ্ণের একটি আঙুল কেটে ঝরতে থাকে রক্ত!
এমতবস্থায়, পঞ্চপান্ডবের স্ত্রী দ্রৌপদী
তখন তাঁর শাড়ির আঁচল খানিকটা ছিঁড়ে কৃষ্ণের আঙুলে বেঁধে দেন ও অভিভূত কৃষ্ণ তাঁর অনাত্মীয়া, কিন্তু বোন হিসাবে মেনে নেওয়া দ্রৌপদীকে পরিবর্তে
প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভবিষ্যতে সর্বরকম বিপদে তিনি রক্ষা করবেন তাঁকে।
এই ঘটনার বহু বছর পর, পাশাখেলায় হারের মাধ্যমে কৌরবরা যখন দ্রৌপদীকে অপমান করে তাঁর বস্ত্রহরণ করতে উদ্যত হন, সে মুহুর্তে  কৃষ্ণ অসমাপ্ত বস্ত্র সরবরাহের দ্বারা দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা করে বজায় রাখেন সেই প্রতিদান।

দ্বিতীয়ত, যমুনা তাঁর ভাই স্বয়ং যমের হাতে  বেঁধে দিয়েছিলেন রাখি।

তৃতিয়ত, শুভ ও লাভ নামে গণেশের পুত্রদ্বয়
এক সময় বায়না ধরে যে, নিজেদের বোনের হাতে তারা পরাতে চায় রাখি!
এ পরিস্থিতিতে উপায়ান্তর না দেখে গণেশ তাঁর দুই স্ত্রী ঋদ্ধি ও সিদ্ধি’র অন্তর থেকে নির্গত অগ্নি থেকে সৃষ্টি করেন বোনরূপি সন্তোষী মা-কে, যিনি সন্তোষের অধিষ্ঠাত্রী দেবী নামে অভিহিত হিন্দুধর্মের একজন অ-শাস্ত্রীয় ও লৌকিক নবীন দেবী।

এবারে আলোকপাত করা যাক কিংবদন্তী’র ইতিহাস কি বলছে সে বিষয়ে,
প্রথমত, শত্রুর হাত থেকে নিজের রাজ্যের মান-মর্যাদা রক্ষা করার একান্ত উদ্দ্যেশ্যে,
মুঘল সম্রাট বাবর পুত্র সম্রাট হুমায়ুনের কাছে একবার সাহায্যপ্রার্থী হন চিতোরের বিধবা রানি কর্ণবতী এবং সেই সময়ে তিনি একটি রাখিও পাঠান হুমায়ুনকে। এ বিষয়কে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে এই ঘটনা পরিনত হয় উৎসবে এবং এর জনপ্রিয়তা হতে থাকে ক্রমবর্ধমান!

দ্বিতীয়ত, গ্রীক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণ ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিশেষত এই কারণে বলে আমার মনে হয় যে, এর ফলে গ্রিকদের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও চিন্তাধারার সাথে পরিচিত হয়ে ওঠার একটি সুযোগ আমরা পাই।
যাইহোক, বর্তমান ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া ঝিলাম নদী (ঋগ্বেদে বিতস্তা নদী) সংলগ্ন উপকূলে গ্রিকদের বশ্যতা স্বীকার না করা ঝিলাম রাজ পুরুর সাথে ৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডারের তুমুল যুদ্ধের ফলে সেই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন পুরু।
কিন্তু ইতিহাস বলছে, তাঁর স্বামীর প্রাণ সংশয় হতে পারে, এই আশঙ্কা করে আলেকজান্ডারের স্ত্রী রোক্সানা পুরুর কাছে যান এবং তাঁর হাতে বেঁধে দেন একটি পবিত্র সুতো ও পরিবর্তে পুরু
আলেকজান্ডারের কোনও ক্ষতি করবেন না বলে কথাও দেন।

এদিকে আধুনিক ইতিহাসে চোখ রাখলে আমরা দেখতে পাই,
১৯ শতকে বাংলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন চরম পর্যায়ে থাকাটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে হয়ে উঠেছিল অপরিমিত ভয়ের একটি বিশেষ কারণ, আর যে কোনো উপায়ে এই  আন্দোলনকে দমন করার বিভিন্ন পথ খুঁজতে গিয়েই ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, তারা বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করে ঐক্য শক্তিকে হ্রাস করবে। এ হেন জটিল ও মর্মান্তিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ সহ গোটা ভারতের বিভিন্ন বিশিষ্টজন ও নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছিলেন এবং শুরু করেছিলেন বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে এক সংঘবদ্ধ প্রতিবাদী আন্দোলন!
অতএব ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধের উদ্দ্যেশ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোলকাতা, সিলেট
ও ঢাকা ইত্যাদি থেকে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম ভাই-বোনকে আহ্বান করেছিলেন ঐক্যতার প্রতীক হিসাবে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করার জন্যে!
বলাবাহুল্য সে সময় দেশে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতাও যেন পৌঁছেছিল একেবারে চরম পর্যায়ে!
বলার আর কোনো অপেক্ষা রাখে না যে,
ধর্মীয় অরাজকতা সে সময়েও ছিল, আজও বজায় আছে তা বহাল তবিয়তে!

ক্রমবিবর্তনের মধ্যে দিয়ে একবিংশের ঠিক যে জায়গায় এসে পৌঁছেছে এই উৎসব তা এরূপ,
শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হিন্দু ভাই-বোনদের মধ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে পালন করা হয় এই রাখী বন্ধন নামক উৎসবটি!
উৎসবের ধরণ হিসাবে উল্লেখ্য, সেই বিশেষ দিনে দিদি বা বোনেরা তাঁদের ভাই বা দাদা’র আ-জীবন মঙ্গল কামনা’র উদ্দ্যেশ্যে হাতের কব্জিতে বেঁধে দেয় রাখী নামক একটি পবিত্র সুতোর বন্ধন! পরিবর্তে ভাই বোনকে দেয় কিছু উপহার ও শপথগ্রহণ করে বা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় সারাজীবন বোনকে রক্ষা করায়!
এখানে একটি বিষয় জানানো ভালো, সেই ভাই-বোন যে একই মায়ের গর্ভের হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।
হিন্দু ছাড়াও জৈন ও শিখ প্রভৃতিরা পালন করে থাকেন এই উৎসব!
সর্বশেষ এই যুক্তি পরিলক্ষিত যে, রাখিকে ভাই-বোনের উত্‍সব হিসাবে মনে করা হলেও ইতিহাসে কিন্তু, পুরুষকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করার শুভ প্রতীক হিসাবে তাঁদের কব্জিতে মহিলাদের সুতো বেঁধে দেওয়ার একটি যোগসূত্র থেকেই যাচ্ছে।
আর হয়তো এগুলিই পরে রূপ নেয় রাখি বন্ধন উত্‍সবের!!

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ আন্তর্জাতিক ভিকটিমস অব এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্স দিবস, জানুন দিনটি পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য।

বলপ্রয়োগকৃত নিখোঁজের শিকারদের আন্তর্জাতিক দিবসটি প্রতি বছর ৩০ আগস্ট পালিত হয়। এই উদযাপনটি বিশ্বব্যাপী জোরপূর্বক অন্তর্ধানের গুরুতর সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত।  জোরপূর্বক অন্তর্ধান বলতে বোঝায় গ্রেপ্তার, আটক, অপহরণ, বা রাষ্ট্রের এজেন্ট বা ব্যক্তি/গোষ্ঠী কর্তৃক অনুমোদিত, সমর্থিত বা সহ্য করা ব্যক্তিদের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা।  এটি প্রায়শই একজন ব্যক্তির আটকের বিষয়টি স্বীকার করতে বা তাদের ভাগ্য বা অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রত্যাখ্যানের দ্বারা অনুসরণ করা হয়, যাতে তাকে আইনি সুরক্ষা এবং সুরক্ষা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

 

১৮ ডিসেম্বর, ১৯৯২-এ সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন ৪৭/১৩৩ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বলপূর্বক নিখোঁজ থেকে সমস্ত ব্যক্তির সুরক্ষা সম্পর্কিত ঘোষণাপত্রে বর্ণিত হিসাবে, বলপূর্বক অন্তর্ধান নিম্নলিখিত উপাদানগুলির দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে:
“ব্যক্তিদের তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গ্রেফতার করা হয়, আটক করা হয় বা অপহরণ করা হয় বা অন্যথায় সরকারের বিভিন্ন স্তর বা শাখার কর্মকর্তাদের দ্বারা, বা সংগঠিত গোষ্ঠী বা ব্যক্তিগত ব্যক্তিদের পক্ষে কাজ করে বা সরাসরি সমর্থন দিয়ে তাদের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হয়।  বা পরোক্ষ, সরকারের সম্মতি বা সম্মতি।  এর পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাগ্য বা অবস্থান প্রকাশ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করা বা তাদের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে তা স্বীকার করতে অস্বীকার করা।  ফলস্বরূপ, এই ব্যক্তিরা আইনের সুরক্ষা থেকে বাদ পড়েছেন।”

 

 

 

বলপূর্বক নিখোঁজের শিকারদের আন্তর্জাতিক দিবসের ইতিহাস—-

 

২১শে ডিসেম্বর, ২০১০-এ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, রেজোলিউশন ৬৫/২০৯ এর মাধ্যমে, বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অঞ্চলে বলপূর্বক বা অনিচ্ছাকৃত অন্তর্ধানের ক্রমবর্ধমান ঘটনা সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

এর মধ্যে গ্রেপ্তার, আটক এবং অপহরণের সাথে জড়িত পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেগুলিকে একত্রিত করা হলে বা বলপূর্বক অন্তর্ধানের পরিমাণ, একটি গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

রেজোলিউশনটি নিখোঁজ হওয়ার প্রত্যক্ষদর্শী বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের দ্বারা হয়রানি, দুর্ব্যবহার এবং ভয় দেখানোর ক্রমবর্ধমান প্রতিবেদনগুলিও তুলে ধরে।

তদুপরি, সাধারণ পরিষদ জোরপূর্বক অন্তর্ধান থেকে সকল ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশন গ্রহণকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে।  এই জটিল সমস্যা মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি অনুসারে, অ্যাসেম্বলি 30 আগস্টকে বলপ্রয়োগকৃত নিখোঁজের শিকারদের আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে মনোনীত করেছে।  এই বার্ষিক পালনটি 2011 সালে শুরু হয়েছিল এবং এর উদ্দেশ্য হল বলপূর্বক গুমের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্দশার উপর আলোকপাত করা এবং মানবাধিকারের এই গুরুতর লঙ্ঘন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

 

বলপূর্বক গুম হওয়া ভিকটিমদের আন্তর্জাতিক দিবসের তাৎপর্য–

 

এনফোর্সড ডিসপিয়ারেন্সের শিকারদের আন্তর্জাতিক দিবস একটি আন্তর্জাতিক পালন যা প্রতি বছর ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়।  এটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্থাপিত হয়েছিল বলপূর্বক গুমের অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এবং ভিকটিম ও তাদের পরিবারকে সম্মান জানানোর জন্য।
জোরপূর্বক অন্তর্ধান হল রাষ্ট্রের এজেন্টদের দ্বারা বা রাষ্ট্রের অনুমোদন, সমর্থন বা সম্মতি নিয়ে কাজ করে এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের গোষ্ঠী দ্বারা গ্রেফতার, আটক, অপহরণ বা স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করার অন্য কোন প্রকার, এবং তারপরে স্বীকার করতে অস্বীকার করা।  স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা বা নিখোঁজ ব্যক্তির ভাগ্য বা অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দেওয়া, দীর্ঘ সময়ের জন্য আইনের সুরক্ষা থেকে তাদের অপসারণের অভিপ্রায়ে।
বলপ্রয়োগকৃত নিখোঁজের শিকারদের আন্তর্জাতিক দিবস এই অপরাধের শিকারদের স্মরণ করার এবং তাদের এবং তাদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচারের আহ্বান জানানোর একটি দিন।  এটি বলপূর্বক গুমের অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং এটি প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে আহ্বান জানানোরও একটি দিন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩০ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩০ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক ভিকটিমস অব এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্স দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৫১ – (ক)  ভারতীয় বাঙালি ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত।

(গ) ডানা রসেমারয় সচালন, ইংরেজ বংশোদ্ভূত আইরিশ গায়ক ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬৩ – মাইকেল চিক্লিস, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৭২ – (ক) শ্রীলেখা মিত্র, ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

(খ) চেক প্রাজন্ত্রের ফুটবলার ও সাবেক অধিনায়ক পাভেল নেদভেদ।

(গ) – ক্যামেরন ডাইজ অভিনেত্রী ও ফ্যাশন মডেল।

১৯৮২ – এন্ডি রডিক আমেরিকান টেনিস তারকা।

১৯৮৩ – ইমানুয়েল কুলিও, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

১৯৮৫ – হোলি ওয়েস্টন, ইংরেজ অভিনেত্রী।

১৯১২ – এডওয়ার্ড মিল্স পারসেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ।

১৯১৩ – রিচার্ড স্টোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ অর্থনীতিবিদ এবং পরিসংখ্যানবিদ।

১৯১৭ – ব্রিটিশ রাজনীতিক ডেনিস হিলি।

১৯৩০ – ওয়ারেন বাফেট, মার্কিন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং জনহিতৈষী ব্যক্তি।

১৮৪৪ – শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসেবী চন্দ্রনাথ বসু।

১৮৫২ – ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ রসায়নবিদ।

১৮৫৬ – কার্ল ডেভিড টলমে রুঙ্গে, জার্মান গণিতবিদ ও পদার্থবিদ।

১৮৭১ – আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নিউজিল্যান্ড ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৮৮৪ – থিওডোর সভেডবার্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ রসায়নবিদ ও পদার্থবিদ।

১৭৯৭ – ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ গ্রন্থের লেখিকা ও কবি শেলির স্ত্রী মেরি ওলস্টোনক্র্যাফট শেলি।

১৫৬৯ – জাহাঙ্গীর, মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৭ – রাশিয়া ও বৃটিশ উপনিবেশবাদী সরকার এক চুক্তির মাধ্যমে ইরানকে তিন অংশে বিভক্ত করে।

১৯০৯ – বার্গেস শেল জীবাশ্ম চার্লস ডুলিটল ওয়ালকোট আবিষ্কার করেছিলেন।

১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: জার্মানরা ট্যানেনবার্গের যুদ্ধে রাশিয়ানদের পরাজিত করেছিল।

১৯১৬ – আর্নেস্ট শ্যাকলটন অ্যান্টার্কটিকার এলিফ্যান্ট দ্বীপে আটকা পড়ে থাকা তার সমস্ত লোকের উদ্ধার কাজটি শেষ করেছেন।

১৯১৭ – ভিয়েতনামের কারাগারের রক্ষীরা স্থানীয় ফরাসী কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে থিয়ে নগুইন অনুশাসনে ট্রানহান কান সেনের বিদ্রোহের নেতৃত্বে।

১৯১৮ – ফ্যানি কাপলান বলশেভিক নেতা ভ্লাদিমির লেনিনকে গুলি করে মারাত্মকভাবে আহত করেছিলেন, তিনি বলশেভিকের সিনিয়র অফিসার মাইসেই উরিটস্কি হত্যার পাশাপাশি কয়েকদিন আগে ডিক্রিমিকে অনুরোধ করেছিলেন

১৯৩৩ – এয়ার ফ্রান্স গঠিত হয়।

১৯৪১ – জার্মান বাহিনী লেনিনগ্রাদ অবরোধ করে।

১৯৪৫ – হংকং বৃটিশ বাহিনীর সহায়তায় জাপানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৬ – সোভিয়েত ইউনিয়ন পারমাণবিক পরীক্ষা করে।

১৯৫৭ – যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক পরীক্ষা করে।

১৯৭১ – দিল্লীতে বাংলাদেশ মিশনের উদ্বোধন।

১৯৯১ – আযারবাইজান প্রজাতন্ত্র সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৭ – বসনিয়ায় মুসলিম ক্রোয়েট চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯৯ – পূর্ব তিমুর ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়।

১৮০০ – গ্যাব্রিয়েল প্রসেসার ভার্জিনিয়ার রিচমন্ডে একটি পরিকল্পিত দাস বিদ্রোহ স্থগিত করে, তবে তা ঘটানোর আগেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

১৮১৩ – কুলমের প্রথম যুদ্ধ: ফরাসি বাহিনী অস্ট্রিয়ান-প্রুশিয়ান-রাশিয়ান জোটের কাছে পরাজিত।

১৮৩০ – বুলগেরিয়ার রাজপুত্র ওথো গ্রিসের রাজা নির্বাচিত হন।

১৮৩৫ – অস্ট্রেলিয়া: মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া প্রতিষ্ঠিত।

১৮৫০ – হনুলুলু শহরের মর্যাদা পায়।

১৮৬০ – ব্রিটেনে প্রথম ট্রাম চালু হয়।

১৮৬২ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: রিচমন্ডের যুদ্ধ: জেনারেল উইলিয়াম “বুল” নেলসনের অধীনে এডমন্ড কার্বি স্মিথের অধীনে ইউনিয়ন বাহিনী সেনা সদস্যরা।

১৮৭৩ – অস্ট্রিয়ান অভিযাত্রী জুলিয়াস ফন পেয়ার এবং কার্ল ওয়েপ্রেক্ট আর্কটিক সাগরে ফ্রেঞ্চ জোসেফ ল্যান্ডের দ্বীপপুঞ্জটি আবিষ্কার করেন।

১৮৯৬ – ফিলিপাইনের বিপ্লব: সান জুয়ান দেল মন্টির যুদ্ধে স্প্যানিশ জয়ের পরে ফিলিপাইনের আটটি প্রদেশকে স্পেনীয় গভর্নর-জেনারেল জেনারেল রামন ব্লাঙ্কো ই এরেনাস সামরিক আইনে ঘোষণা করেছিলেন।

১৭২১ – লিস্টাভ-এর শান্তি চুক্তি সম্পাদিত।

১৭২৭ – গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় রাজা জর্জের জ্যেষ্ঠ কন্যা অ্যানিকে প্রিন্সেস রয়্যাল উপাধি দেওয়া হয়।

১৭৯১ – এইচএমএস পান্ডোরা আগের দিন বাইরের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের উপর দৌড়ে যাওয়ার পরে ডুবে গেছে।

১৭৯৯ – দ্বিতীয় কোয়ালিশনের যুদ্ধের সময় স্যার রাল্ফ অ্যাবারক্রম্বি এবং অ্যাডমিরাল স্যার চার্লস মিচেলের কমান্ডে পুরো ডাচ বহরটি ব্রিটিশ বাহিনীর হাতে ধরা হয়েছিল।

১৫৭৪ – গুরু রাম দাস চতুর্থ শিখ গুরু / মাস্টার হন।

১৫৯৪ – স্কটল্যান্ডের কিং জেমস প্রিন্স হেনরির ব্যাপটিজমে একটি মাস্ক ধারণ করেছিলেন।

১৪৬৪ – পোপ পল দ্বিতীয় পোপ পিয়াস দ্বিতীয়র উত্তরাধিকার হিসেবে এবং ২১১ তম পোপ হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।

১৩৬৩ – পয়য়াং হ্রদের পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যেখানে দুই চীনা বিদ্রোহী নেতার (চেন ইউলিয়ানং এবং জু ইউয়ানজ্যাং) সেনাবাহিনী ইউয়ান রাজবংশকে সমর্থন করবে কে তা সিদ্ধান্ত নিতে মিলিত হয়।

১২৮২ – তৃতীয় আরাগোন পিটার ত্রাপানিতে সিসিলিয়ান ভেস্পারদের যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে নামেন।

৭০ খ্রিস্টপূর্ব- হেরোদের মন্দির ধ্বংস করার পরে টাইটাস জেরুজালেম অবরোধের অবসান ঘটিয়েছিলেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

 

২০০১ – আফম আহসানউদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশের ১১ তম রাষ্ট্রপতি।

২০০৬ – নাগিব মাহফুজ, নোবেল বিজয়ী মিশরীয় সাহিত্যিক।

২০১৩ – শেমাস্‌ হীনি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ কবি ও নাট্যকার।

২০১৭ – আব্দুল জব্বার, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী।

১৯১১ – হরিনাথ দে বহুভাষাবিদ ভারতীয় বাঙ্গালী পণ্ডিত।

১৯২৮ – ভিলহেল্ম ভিন, ১৯১১ সালের নোবেলজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

১৯৭৬ – যাদুগোপাল মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী, অনুশীলন সমিতির অবিসংবাদী নেতা ও প্রখ্যাত চিকিৎসক।

১৯৮১ – নীহাররঞ্জন রায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি ইতিহাসবিদ, সাহিত্য সমালোচক ও শিল্পকলা-গবেষক পণ্ডিত।

১৯৮১ – ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আল রাজাই ও প্রধানমন্ত্রী মোহম্মদ জাভেদ বাহোনার পিপলস মোজাহিদিন অব ইরানের বোমা হামলায় নিহত হন।

১৯৮৭ – ফিলিস্তিনের খ্যাতনামা কার্টুনিষ্ট নাজিউল আলী লন্ডনে ইহুদীবাদী ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের হাতে নিহত হন।

১৮৬৮ – প্রসন্নকুমার ঠাকুর, ঊনবিংশ শতকের বাংলার সমাজ সংস্কারক ও হিন্দু কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

১৮৭৭ – তরু দত্ত, ইংরাজী ও ফরাসি ভাষার ভারতীয় বাঙালি কবি।

১৬৫৯ – দারা শিকোহ, আওরঙ্গজেবের ঘাতকের হাতে।

১৪৮৩ – ফ্রান্সের রাজা একাদশ লুই।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

হকি খেলোয়াড় ধ্যান চাঁদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছর ২৯ আগস্ট ভারতে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উৎযাপিত হয়।খেলার জগতের প্রতিটি খেলোয়াড় দের জীবনে এই দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বিশেষ দিন টিতেই অর্জুন, দ্রোনাচার্জ, রাজীব খেলরত্ন, ধ্যান চাঁদ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি ব্যক্তির জীবনে খেলাধুলা এবং খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রতি বছর এই দিবসটি উদযাপিত হয়। আসলে দিনটি কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় মেজর ধ্যান চাঁদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

 

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে (এলাহাবাদ) ১৯০৫ সালের ২৯ অগাস্ট জন্ম হয়  ধ্যানচাঁদের। ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির হয়ে হকি খেলেছিলেন ধ্যানচাঁদের পরিবারের সদস্যরা। বাবা সোমেশ্বর সিংহ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন।  মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯২২ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে যোগ দিয়েছিলেন ধ্যানচাঁদ। সময়ের অভাবে রাতের দিকে অনুশীলনে মগ্ন থাকতেন কিংবদন্তি এই হকি তারকা। রাতের দিকে অনুশীলন করতেন বলে তাঁর সতীর্থরা ‘চাঁদ’ নামে সম্বোধন করতেন ধ্যানচাঁদকে। তিনি পঞ্জাব রেজিমেন্টের মেজর পদে উন্নিত হয়েছিলেন।  ১৯৩২ সালে গোয়ালিয়রের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন ধ্যানচাঁদ। একদম ছোটবেলায় কুস্তিতে মূলত আগ্রহ ছিল ধ্যানচাঁদের। যদিও পরে হকিতে মনোনিবেশ করেন।

 

ইংরেজদের অধীনস্ত ভারতীয় হকি দলের হয়ে ১৯২৮, ১৯৩২ ও ১৯৩৬ অলিম্পিক খেলেন।  প্রতিবারই দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন তিনি। ১৯২৬—১৯৪৯ পর্যন্ত তার ক্যারিয়ার জীবনে তিনি মোট ৫৭০টি গোল করেন।
আন্তর্জাতিক হকি অঙ্গনে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তিনি একাধিকবার তার দেশকে সাফল্যের শীর্ষে নিতে অবদান রেখেছেন। তিনি ভারতীয় এবং বিশ্ব হকির এক কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব। তার স্মরণে ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে আজীবন কৃতিত্বের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার— মেজর ধ্যানচাঁদ পুরষ্কারের প্রবর্তন করা হয়েছে এবং তার জন্মদিনেই দেশটিতে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উৎযাপন করা হয়।  শোনা যায়, হিটলার ধ্যানচাঁদের খেলা দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে তাঁকে জার্মান নাগরিকত্ব দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা নিতে অস্বীকার করেন ধ্যানচাঁদ। তাকে মেডেল পরিয়ে পুরষ্কৃত করেন রাষ্ট্র নায়ক হিটলার । তার পর স্টেডিয়ামে থেকে জিজ্ঞাসা করেন হিটলার, ভারতে কি করেন তিনি ? ধ্যান চাঁদ বলেন ভারতের সেনাবাহিনী তে যুক্ত তিনি । তারপর হিটলার তাকে জার্মানির সেনাবাহিনী তে উচ্চ পদের জন্য আমন্ত্রণ জানান । তবে ধ্যান চাঁদ তার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন । তার আত্মজীবনী ” গোল ” বই টিতে এই ঘটনার কথা লিপিবদ্ধ আছে ।

 

কিংবদন্তি এই হকি তারকার নামে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় মূর্তি গড়া হয়েছে।

১৯৫৬ সালে তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হন।

১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক্সে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ধ্যানচাঁদ। সেবারই হকির জাদুকর হিসেবে নামকরণ হয় ধ্যানচাঁদের।

নয়া দিল্লিতে তার নামে একটি জাতীয় হকি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঝাঁসি তে তার নামেই রয়েছে জাতীয় হকি একাডেমি।

 

আজকের দিনেই রাষ্ট্রপতি অর্জুন ও রাজীব খেলরত্ন পুরস্কার, দ্রোণাচার্য পুরস্কার তুলে দেন ক্রীড়াজগতে দেশের কৃতিদের হাতে। ক্রীড়া সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি ও জাতীয় ক্রীড়া দলগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে , স্কুলে এই দিন টি পালন করা হয়। তবে ভারতের মতন জাতীয় ক্রীড়া দিবস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে উৎযাপিত হয়ে থাকে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরীক্ষা বিরোধী দিবস , জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

সারা বিশ্বে ২৯ আগস্ট পারমাণবিক পরীক্ষা বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় বিশ্ববাসীর মধ্যে পরমাণু অস্ত্র বিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে। ২০০৯ সালের ২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার ৬৪তম অধিবেশনে ২৯ আগস্ট দিনটিকে পারমাণবিক পরীক্ষা বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

 

পারমাণবিক পরীক্ষা শুধু মানব সমাজেরই নয়, পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতেরও ব্যাপক ক্ষতি করে।  পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস আমাদের এই বিষয়ে সতর্ক হয়ে একটি নিরাপদ পারমাণবিক অস্ত্র-মুক্ত ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে হবে। পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিধ্বংসী প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ২৯শে আগস্ট আন্তর্জাতিক পরমাণু পরীক্ষার বিরুদ্ধে দিবস পালন করা হয়।  এই বছর ইভেন্টের ত্রয়োদশ বার্ষিকী চিহ্নিত করে।  এই দিনে, জাতিসংঘ একটি ইভেন্টের আয়োজন করে যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা এবং বিস্ফোরণের প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করে এবং এই ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তাকে আরও হাইলাইট করে।

 

বেশিরভাগ দেশ যারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে তারা তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের কার্যকারিতা এবং বিস্ফোরক ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য পরমাণু পরীক্ষা চালায়।  পারমাণবিক পরীক্ষা একটি দেশের পারমাণবিক শক্তির লক্ষণ।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম ১৯৪৫ সালের জুলাই মাসে এবং ১৯৪৯ সালে প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা পরীক্ষা করে। এটি ১৯৫২ সালে যুক্তরাজ্য, ১৯৬০ সালে ফ্রান্স এবং ১৯৬৪ সালে চীন দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছিল। ভারত ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পরীক্ষা করেছিল যা ছিল  দ্বিতীয়টি  ভারত প্রথমবার পরীক্ষা করেছিল ১৯৭৪ সালে।

 

পরমাণু পরীক্ষার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবসটি জাতিসংঘ কর্তৃক মনোনীত প্রতি বছর ২৯শে আগস্ট পালন করা হয়।  রেজোলিউশনে “পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিস্ফোরণ বা অন্য কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের প্রভাব এবং পারমাণবিক অস্ত্র-মুক্ত বিশ্বের লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম উপায় হিসাবে তাদের বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা এবং শিক্ষা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।”  দিবসটি জাতিসংঘ, সদস্য রাষ্ট্র, আন্তঃসরকারি ও বেসরকারী সংস্থা, একাডেমিক প্রতিষ্ঠান, যুব নেটওয়ার্ক এবং মিডিয়াকে একটি নিরাপদ বিশ্ব অর্জনের জন্য একটি মূল্যবান পদক্ষেপ হিসাবে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবহিত, শিক্ষিত এবং সমর্থন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।  .

 

পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস: ইতিহাস

২ ডিসেম্বর ২০০৯-এ, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৪তম অধিবেশন ২৯ আগস্টকে তার রেজুলেশন ৬৪/৩৫ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত করার মাধ্যমে পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করে।  প্রস্তাবের প্রস্তাবনায় জোর দেওয়া হয়েছে যে “মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের উপর ধ্বংসাত্মক এবং ক্ষতিকারক প্রভাব এড়াতে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা উচিত” এবং “পরমাণু পরীক্ষার সমাপ্তি হল পারমাণবিক পরীক্ষাগুলি অর্জনের অন্যতম প্রধান উপায়।  একটি পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের লক্ষ্য।”
ট্রিনিটি নামক প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষাটি ১৬ জুলাই, ১৯৪৫ সালে নিউ মেক্সিকোতে একটি মরুভূমিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।  ম্যানহাটন প্রকল্পের জে. রবার্ট ওপেনহেইমারের অধীনে পারমাণবিক প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছিল।  প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার পর, ১৯৪৫ সালের ৬ এবং ৯ আগস্ট যথাক্রমে হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা হয়, যা কয়েক লক্ষ মানুষের জীবন দাবি করে।  জাপানের সেই শহরগুলির পরের প্রজন্মগুলি বিকিরণ-প্ররোচিত ক্যান্সার এবং জন্মগত ত্রুটিতে ভুগছিল।
পরবর্তীতে, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৪৯ সালে, যুক্তরাজ্য ১৯৫২ সালে, ফ্রান্স ১৯৬০ সালে এবং চীন 1964 সালে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়। শীতল যুদ্ধের পর্বে (১৯৪৭-১৯৯১) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা দেখা যায়।

 

নিউক্লিয়ার টেস্টিং এর বিপদ–

 

পারমাণবিক পরীক্ষা স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ ডেকে আনে কারণ এটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ নির্গত করে যা সাধারণত বাতাসে এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে।  ১৯৪৫ সাল থেকে বায়ুমণ্ডলে, ভূগর্ভস্থ বা জলের নীচে সমস্ত পরিবেশে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছে।  এই পরীক্ষার অবশিষ্ট বর্জ্য অনেক বছর ধরে থাকে। বিকিরণের এক্সপোজার অঙ্গ, হাড়, ত্বক এবং চোখের ক্ষতি করতে পারে।  বিকিরণ বিশেষ করে লিউকেমিয়া, থাইরয়েড, ফুসফুস এবং স্তন ক্যান্সারের মতো ক্যান্সারের প্রকোপ বৃদ্ধির সাথে যুক্ত। বিকিরণ একজন ব্যক্তির জিনেও মিউটেশন ঘটাতে পারে।  এই জিনগুলি তাদের সন্তানদের কাছে প্রেরণ করা যেতে পারে, যার ফলে জেনেটিক ব্যাধি হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।  পৃষ্ঠের তেজস্ক্রিয় পদার্থ উদ্ভিদের শিকড়ে প্রবেশ করতে পারে এবং ফলস্বরূপ প্রাণীদের দ্বারা গ্রাস করতে পারে।  দূষিত গাছপালা এবং প্রাণীজ খাদ্যের উৎস খাওয়া পরোক্ষভাবে মানুষের স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করতে পারে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

২৯ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৯ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  জাতীয় ক্রীড়া দিবস (ভারত)

(খ) খনি শ্রমিক দিবস (ইউক্রেন)

(গ) পারমাণবিক পরীক্ষা বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – ভারনার ফ্রোসমান, নোবেলজয়ী [১৯৫৬] জার্মান চিকিৎসক।

১৯০৫ – ধ্যানচাঁদ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় হকি খেলোয়াড়।

১৯০৮ – ভেরিয়ার এলউইন, ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ভারতীয় নৃতত্ত্ববিদ, নৃতাত্ত্বিক এবং উপজাতীয় কর্মী।

১৯১৫ – ইনগ্রিড বার্গম্যান, সুইডিশ চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৯২৩ – রিচার্ড স্যামুয়েল অ্যাটনবারা,ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক এবং উদ্যোক্তা।

১৯৫৮ – মাইকেল জ্যাকসন, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার এবং ড্যান্সার।

১৮৬২ – মোরিস মাতরলাঁক, নোবেলজয়ী [১৯১১] কবি ও নাট্যকার।

১৬৩২ – জন লক, প্রভাবশালী ইংরেজ দার্শনিক।

৫৭০ – মুহাম্মাদ, ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৪৭- ভীমরাও রামজি আম্বেডকরকে ভারতীয় সংবিধান খসড়া সমিতির সভাপতি করা হয়।

১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়ন হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

১৯৫৬ – খাদ্যের দাবিতে ঢাকায় ‘ভুখা মিছিল’ হয়।

১৯৯১ – সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সংসদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।

১৮২৫- পর্তুগাল ব্রাজিলের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়।

১৮৩১- মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন।

১৮৩৫ – অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন নগর স্থাপিত হয়।

১৮৪২ – নানকিন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অ্যাংলো-চীন যুদ্ধ শেষ হয়। চুক্তির শর্ত অনুসারে হংকং ভূখণ্ড ব্রিটেনকে লিজ দেওয়া হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২১ – বুদ্ধদেব গুহ, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৬০ – জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী হাজ্জা মাজালি।

১৯৬৬ – সাইয়েদ কুতুব, একজন মিশরীয় ইসলামী চিন্তাবিদ এবং বিপ্লবী রাজনৈতিক সংগঠক।

১৯৭৬ – (১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) কাজী নজরুল ইসলাম, বাঙালি লেখক, সাহিত্যিক, বিদ্রোহী কবি ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি।

১৯৮২ – ইনগ্রিড বার্গম্যান, সুইডিশ চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৯৯৪ – তুষারকান্তি ঘোষ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি সাংবাদিক।

১৯৯৭ – কংসারী হালদার, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার তেভাগা আন্দোলনের খ্যাতনামা নেতা ও এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

১৯৯৯ – মোহনানন্দ ব্রহ্মচারী, ভারতীয় বাঙালি ধর্মগুরু ও যোগী পুরুষ।

১৬০৪ – হামিদা বানু বেগম, মোগল সম্রাজ্ঞী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

২৮ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

২৮ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – (ক) দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায় বাঙালি কবি,ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক।

(খ) সিরিল ওয়াল্টার্স, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেট তারকা।

১৯০৮ – আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য, রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট বাঙালি আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ।

১৯০৯ – বীরেন রায়, ভারতীয় বাঙালি বৈমানিক ও লেখক।

১৯১৩ – লিন্ডসে হ্যাসেট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট খেলোয়াড় ও ধারাভাষ্যকার।

১৯২০ – মানকুমার বসু ঠাকুর ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নৌবিদ্রোহের শহীদ।

১৯০৪ – অতুল্য ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতা, লোকসভার প্রাক্তন সদস্য।

১৯২৮ – শেখ রাজ্জাক আলী, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার।

১৯৪৫ – লতিফুর রহমান, বাংলাদেশি শিল্পপতি, ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান।

১৯৬১ – রিজভী মুফতি –– শ্রীলঙ্কার প্রধান মুফতি

১৯৬২ – ডেভিড ফিঞ্চার, মার্কিন চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মিউজিক ভিডিও পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৬৫ – শানিয়া টোয়েইন, কানাডীয় লোকসঙ্গীত ও পপ গায়িকা।

১৯৮২ – থিয়াগো মোত্তা, ব্রাজিলীয়-ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৯ – সেসার আজপিলিকুয়েতা, স্পেনীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

১৮২৮ – লিও তলস্তয়, রুশ লেখক।

১৮৪৯ – ভন গেটে, জার্মানীর খ্যাতনামা লেখক ও কবি।

১৮৫৫ – স্বর্ণকুমারী দেবী, বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতকার ও সমাজ সংস্কারক।

১৮৭৮ – জর্জ এইচ. উইপেল, মার্কিন চিকিৎসক এবং রোগতত্ত্ববিদ।

১৮৯৯ – শার্ল বোয়ায়ে, ছিলেন একজন ফরাসি অভিনেতা।

১৭৪৯ – ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে, জার্মান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, কূটনীতিবিদ ও প্রশাসনিক।

১৫৯২ – বাকিংহামের প্রথম ডিউক জর্জ ভিলিয়ার্স।

১০২৫ – জাপান সম্রাট গো-রেইজেইয়ে।

 

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৬ – জার্মানি রোমানিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৯ – জেনারেল জন স্মাটস দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৭১ – মুক্তিফৌজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একীভূত করে মুক্তিবাহিনী নামকরণের সিদ্ধান্ত।

১৯৯০ – ইরাক আনুষ্ঠানিকভাবে কুয়েতকে তার ১৯তম প্রদেশ ঘোষণা করে।

১৯৯৭ – ইসরাইল বেহেত্লহেম থেকে অবরোধ তুলে নেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন।

১৮৪৫ – সায়েন্টিফিক আমেরিকানের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৮৫০ – হনুলু শহরের মর্যাদা পায়।

১৮৮৩ – ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বত্র দাসপ্রথা বাতিল ঘোষিত হয়।

১৬১৯ – দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ রোমান সম্রাট হিসেবে নির্বাচিত হন।

১৫১১ – পর্তুগিজরা মালাক্কা দখল করে।

১১৮৯ – তৃতীয় ক্রুসেড শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – খ্যাতিমান বাঙালি ভাস্কর শঙ্খ চৌধুরী।

২০১৬ – শহীদ কাদরী, বাংলাদেশী কবি ও লেখক।

১৯৫৯ – ভারতে সাইকেল নির্মাণ ও বিকাশের অন্যতম পথিকৃৎ বাঙালি শিল্পপতি সুধীরকুমার সেন।

১৯৭৩ – অমিয় বাগচী বাঙালি কবি ও গীতিকার।

১৯৭৮ – রবার্ট শ, ইংরেজ অভিনেতা, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।

১৯৮০ – শিবরাম চক্রবর্তী  প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি রম্যলেখক।

১৯৮৭ – জন হিউস্টন, আইরিশ-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা।

১৯৯০ – সুমিত্রা দেবী (অভিনেত্রী), বাংলা ও হিন্দী চলচ্চিত্রের কৃতী অভিনেত্রী।

১৯৯২ – আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য  রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট বাঙালি আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ।

১৬৪৫ – হুগো গ্রোশিয়াস, ওলন্দাজ প্রজাতন্ত্রের একজন আইনজ্ঞ

১৪৮১ – পর্তুগালের পঞ্চম আফোনসো।

১৩৪১ – আর্মেনিয়ার রাজা পঞ্চম লিও।

৪৩০ – আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস, আলজেরিয়ান বিশপ, সম্ভবত স্বয়ং যীশুর কথিত শিষ্য সাধু পল’র পরেই খ্রিস্ট ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাবিদ ও দার্শনিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This