Categories
বিবিধ

বিশেষভাবে সক্ষমদের সহায়তা, বুলবুলচন্ডীতে কমিউনিটি হলের শিলান্যাস বিজেপি বিধায়কের।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা: বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের পাশে দাঁড়াতে সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ করলেন জোয়েল মুর্মু। পাশাপাশি তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে দুটি কমিউনিটি হল নির্মাণের শিলান্যাসও করা হয় বুলবুলচন্ডী এলাকায়।
বুধবার ভারতীয় জনতা পার্টি-র বুলবুলচন্ডী কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রায় একশো জন বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের হাতে হুইলচেয়ার, চশমা সহ বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম তুলে দেন হবিবপুরের বিজেপি বিধায়ক জোয়েল মুর্মু।
এছাড়াও তিনি তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে বুলবুলচন্ডীর দুটি পৃথক এলাকায় কমিউনিটি হল নির্মাণের শিলান্যাস করেন। জানা গিয়েছে, মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাব-এ প্রায় চার লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি কমিউনিটি হল এবং বুলবুলচন্ডী স্পোর্টিং অ্যাসোসিয়েশন-এ প্রায় ছয় লক্ষ টাকা ব্যয়ে আরও একটি কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হবে।
শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বিধায়ক জোয়েল মুর্মু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ অচিন্ত্যকুমার সরকার, বিজেপির ৫ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রামেশ্বর মাহাতো সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
এদিনের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

Share This
Categories
বিবিধ

গাজোলে বিজেপিতে যোগ শতাধিক কর্মীর, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে গাজোল বিধানসভা এলাকায় নিজেদের শক্তি বাড়াল ভারতীয় জনতা পার্টি। চিন্ময় দেব বর্মন-এর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রায় শতাধিক কর্মী-সমর্থক।
রবিবার মাঝরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেগুনবাড়িতে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এই যোগদান হয়। এদিন চিন্ময় দেব বর্মনের হাত ধরে নবাগতরা বিজেপির পতাকা তুলে নেন।
বিজেপি বিধায়কের দাবি, বাংলায় পরিবর্তন আনতে এবং নরেন্দ্র মোদী-র হাত শক্ত করতেই এই যোগদান। তাঁর মতে, আগামী দিনে গাজোল বিধানসভায় বিজেপির সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।
যোগদানকারী কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। এলাকায় নৈরাজ্য ও দুর্নীতি বাড়ছে বলেও তাঁদের দাবি। সেই কারণেই পরিবর্তনের আশায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে জানান তাঁরা।
যদিও এই যোগদান কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁদের কটাক্ষ, এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক নাটক ছাড়া আর কিছু নয়।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকে গাজোল বিধানসভা এলাকাকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হয়। গত লোকসভা নির্বাচনেও এই বিধানসভা এলাকা থেকে বিজেপি উল্লেখযোগ্য লিড পেয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বিধানসভা ভোটের আগে এই যোগদানকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

Share This
Categories
বিবিধ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জনসংযোগে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, সরব রাজ্য সরকারের সমালোচনায়।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগ কর্মসূচি জোরদার করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে খড়গপুর শহরে চা-চক্র, পথসভা ও দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।
এদিন খড়গপুর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির চিহ্নিত করা দেওয়াল লিখন মুছে ফেলার অভিযোগ তোলেন তিনি। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর প্রবীর ঘোষ সেই দেওয়াল মুছে নিজেদের প্রচার লিখন শুরু করেছিলেন। পরে নিজেই সেখানে বিজেপির দেওয়াল লিখন করেন দিলীপ ঘোষ।
পথসভা ও জনসংযোগ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, খড়গপুর শহরে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে এবং তার পেছনে পুলিশের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর দাবি, “পুলিশ খড়গপুর শহরে গুন্ডা তৈরি করছে এবং রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থেকে সেই পরিস্থিতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য খড়গপুরকে আবার শান্ত পরিবেশে ফিরিয়ে আনা।”
গ্যাস সংকট প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে, কিন্তু কালোবাজারি রুখতে নজরদারি প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, এই সংকট শাসক দলের মদতেই তৈরি হচ্ছে।
এছাড়াও বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি ও সংসদে অপসারণ নোটিশ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা। তাঁর বক্তব্য, সাংবিধানিক ইস্যুকে সামনে রেখে প্রতিবাদ করে কেউ লাভবান হয়নি, বরং এতে বিরোধীদেরই রাজনৈতিক ক্ষতি হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ বয়কট প্রসঙ্গেও তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “যে তৃণমূল রাষ্ট্রপতি রাজ্যে এলে দেখা করে না, তারা আবার দিল্লিতে কোন মুখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট চায়।”

Share This
Categories
বিবিধ রিভিউ

থ্যালাসেমিয়া ও মুমূর্ষ রোগীদের সাহায্যে রক্তদান শিবির ডাবচা-য়।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা: থ্যালাসেমিয়া ও মুমূর্ষ রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল যুবভারতী স্পোর্টিং ক্লাব। শুক্রবার চন্দ্রকোনা রোড শহর সংলগ্ন ডাবচা হরি মন্দির প্রাঙ্গণে এই রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এদিনের শিবিরে মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে মোট ৬০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। সংগৃহীত রক্ত থ্যালাসেমিয়া ও সংকটাপন্ন রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই মানবিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় যথেষ্ট উৎসাহ দেখা যায়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন অজয় কুমার সামন্ত, কাশীনাথ সামন্ত, শুভজিৎ মান্না, অলোক কুমার মাইতি, প্রসেনজিৎ কুণ্ডু সহ এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবীরা।
উদ্যোক্তাদের দাবি, ভবিষ্যতেও সমাজের কল্যাণে এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

DA দাবী নিয়ে চন্দ্রকোনারোডে গড়বেতা দক্ষিণ চক্র বিদ্যালয় পরিদর্শক অফিস প্রাঙ্গনে ধর্মঘট শিক্ষকদের ।

পশ্চিম মেদিনীপুর , নিজস্ব সংবাদদাতা:- সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী DA দাবী নিয়ে শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড দক্ষিণ চক্র শিক্ষক পরিদর্শক কার্যালয় অফিস প্রাঙ্গনে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ডাকে ধর্মঘট করলো শিক্ষকরা। তাদের দাবি অবিলম্বে তাদের বকেয়া DA প্রদান করতে হবে। তবে আগামী দিনে তাদের এই দাবি না মানা হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ার দিলেন ধর্মঘটে শামিল শিক্ষক শিক্ষিকারা। এই দিন এই ধর্মঘটে উপস্থিত ছিলেন ধীমান কোলে,বিশ্বরূপ দাস, শান্তি রঞ্জন বাক,চিত্তরঞ্জন মান্না, সৌরভ নায়েক সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ।

Share This
Categories
বিবিধ

যৌথ মঞ্চ বনাম সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন, রণক্ষেত্র মালদা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ডাকা ধর্মঘট ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি মালদহে। মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ দপ্তরে তালা মেরে বিক্ষোভ। প্রতিবাদ জানিয়ে সোচ্চার তৃণমূল পরিচালিত সরকারি সংগঠন রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন। আর যাকে ঘিরে কিছুক্ষণের জন্য একেবারে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় জেলা শিক্ষাভবন চত্বর। দুই সংগঠনের মধ্যে হাতাহাতি সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খায় পুলিশ। তবে যদিও পরে পুলিশি নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অভিযোগ, ধর্মঘটের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে। এর প্রতিবাদ করা হলে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সদস্যরা তাদের মারধর করে। পাল্টা রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের অভিযোগ, যারা সরকারি কর্মী না তারা পিকেটিং করে বাধা প্রদান করে সরকারি কর্মচারীদের কাজকর্মে। এরই প্রতিবাদ করাই যৌথ মঞ্চের সদস্যরা তাদের দিকে তেরে এসে মারধর করে।

Share This
Categories
বিবিধ

গ্যাস সংকটে ভোগান্তি মালদা-য়, ডিস্ট্রিবিউটরদের দোকানে দীর্ঘ লাইন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে গ্যাস সরবরাহে। তার জেরে গ্যাস সংকটের আশঙ্কায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরাও। এমনই পরিস্থিতির ছবি দেখা যাচ্ছে মালদা জেলায়।
জেলার বিভিন্ন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের দোকানে দেখা যাচ্ছে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। অনেকেই অভিযোগ করছেন, বুকিং করলেও সময়মতো গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। ফলে দৈনন্দিন রান্নাবান্না নিয়ে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
গ্রাহকদের একাংশের দাবি, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই গ্যাস সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। শহর ও গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, গ্যাস না পেলে রান্না করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, পরিস্থিতি এমন থাকলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে পরিবারগুলিকে।
এদিকে গ্যাস সংকটের জেরে সমস্যায় পড়েছেন জেলার হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের দাবি, বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে তাতে সর্বোচ্চ দু’দিন কাজ চালানো সম্ভব। এরপর গ্যাস না পেলে হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের মতে, এমন পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে জেলার পর্যটন শিল্পও বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
অন্যদিকে গ্যাসের অভাব ঘিরে ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হচ্ছে ডিস্ট্রিবিউটরদের কর্মীদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

জলাশয় ভরাটের অভিযোগে উত্তাল কোলাঘাট, জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জলাশয় ভরাটের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে কোলাঘাট এলাকায়। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে মাটি ফেলে একটি পুরনো পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জেলাশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রূপনারায়ণ নদীর পাড়ে অবস্থিত কোলা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সত্যনারায়ণ মিল পাড়া এলাকায় একটি পুরনো পুকুর দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যবহার করতেন। অভিযোগ, গত তিন-চার বছর ধরে পুকুরটির কোনো সংস্কার করা হয়নি। সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে রাতের বেলায় সেখানে মাটি ফেলে পুকুর ভরাটের কাজ চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির ৬১২ এবং ৬১৮ দাগে সরকারি নথিতে এখনও পুকুর হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ, প্রোমোটারের মাধ্যমে বিপুল অর্থের বিনিময়ে পুকুরটি ভরাটের কাজ করানো হচ্ছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, পুকুরটির সামনে একটি স্কুল রয়েছে এবং এটি এলাকার সৌন্দর্যেরও অংশ ছিল। তাই পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে জেলাশাসক, গ্রাম পঞ্চায়েত, বিডিও ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক।
অন্যদিকে জমির মালিকদের দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির ৬১২ এবং ৬১৬ দাগে পুকুর হিসেবে কোনো উল্লেখ নেই, বরং তা ‘বাস্তু’ হিসেবে নথিভুক্ত। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় আবর্জনা ফেলে জায়গাটি নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছিল, তাই তারা জমি ভরাট করছেন। তাদের বক্তব্য, এটি পুকুর নয়, বাস্তু জমি—তাই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
ইতিমধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন বলে জানা গিয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

রান্নার গ্যাসের সংকটে তমলুক বর্গভীমা মন্দিরে ভোগ বিতরণ সাময়িক বন্ধের সিদ্ধান্ত।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রান্নার গ্যাসের সংকটের জেরে ভক্তদের জন্য ভোগ বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল Bargabhima Temple কর্তৃপক্ষ। এই মন্দিরটি Bargabhima Shakti Peetha হিসেবে পরিচিত এবং হিন্দু ধর্মের ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম বলে মানা হয়।
জানা গিয়েছে, প্রতিদিন মন্দিরে মায়ের ভোগ নিবেদন করা হয় এবং ভক্তদের জন্য প্রসাদেরও ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু সম্প্রতি রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আগামী ২১ মার্চের পর থেকে সাধারণ ভক্তদের জন্য মায়ের ভোগ বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।
মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যেসব ভক্ত আগাম ভোগের বুকিং করেছিলেন তাদেরও ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের সমস্যা মিটে গেলে আবার ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা চালু করা হবে।
অন্যদিকে ভক্তদের একাংশ জানিয়েছেন, অনেক দূর-দূরান্ত থেকে তারা মন্দিরে এসে মায়ের ভোগ পাওয়ার আশায় থাকেন। ভোগ বন্ধ হয়ে গেলে তারা নিরাশ হয়ে ফিরতে বাধ্য হবেন। তাই দ্রুত রান্নার গ্যাসের সমস্যার সমাধান করে পুনরায় ভোগের ব্যবস্থা চালু করার আবেদন জানিয়েছেন ভক্তরা।

Share This
Categories
বিবিধ

দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবার লক্ষ্যে কড়সা গ্রাম পঞ্চায়েতে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা: দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হল Karsa Gram Panchayat-এ। বুধবার Garbeta III Block-এর অন্তর্গত এই গ্রাম পঞ্চায়েতে অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করা হয়।
জানা গিয়েছে, Salboni Assembly Constituency-এর বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী Srikanta Mahato-র তহবিল থেকে এই অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে এলাকার বাসিন্দারা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের বিডিও দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই অ্যাম্বুলেন্স চালু হলে এলাকার অসুস্থ মানুষদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এর ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় সুবিধা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

Share This