Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব নগরবাদ দিবস, জানুন দিনটি সম্পর্কে কিছু কথা ।

বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস WTPD,  যা  বিশ্ব নগরবাদ দিবস নামেও পরিচিত।  ছুটির দিনটি প্রতি বছর 8ই নভেম্বর পালন করা হয় এবং এর উদ্দেশ্য হল বাসযোগ্য শহুরে সম্প্রদায় তৈরিতে পরিকল্পনার ভূমিকা প্রচার করা।  বিশ্ব নগরবাদ দিবস শহর এবং অঞ্চলগুলির উন্নয়নের দ্বারা সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে।  WTPD পেশাদার পরিকল্পনাবিদ এবং সাধারণ সম্প্রদায়কে একত্রিত করে তা দেখতে কিভাবে আমরা বিশ্বকে একটি আদর্শ জায়গায় রূপ দিতে পারি যেখানে আমরা থাকতে এবং কাজ করতে চাই।

 

বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবসে, প্রতি বছর  ৮নভেম্বর, সারা বিশ্বের পরিকল্পনাকারীরা এবং সম্প্রদায়গুলি একত্রিত হয়ে উদযাপন করে যে কীভাবে ভাল পরিকল্পনা মানুষের জীবনকে উন্নত করে এবং সমাজকে বৃহত্তরভাবে উপকৃত করে, যেখানে বসবাস, কাজ এবং একসাথে খেলার জায়গা তৈরি করে।
আর্জেন্টিনার অধ্যাপক কার্লোস মারিয়া ডেলা পাওলেরা, প্যারিসের ইনস্টিটিউট ডি আরবানিজমের একজন স্নাতক, 1949 সালে বুয়েনস আইরেসে বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস শুরু করেছিলেন।
বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস প্রতি নভেম্বরে চারটি মহাদেশের ৩০টি দেশে পালিত হয়।  এটি স্বাস্থ্যকর, সমৃদ্ধ সম্প্রদায় তৈরিতে পরিকল্পনাকারীদের ভূমিকা এবং পরিকল্পনার স্বীকৃতি এবং প্রচার করার একটি বিশেষ দিন।
এপিএ সদস্যদের এই দিনে সারা বিশ্বের সহকর্মীদের সাথে তাদের জ্ঞান এবং নেতৃস্থানীয় অনুশীলনগুলি ভাগ করে নেওয়ার জন্য এবং সবার জন্য আবাসনে আন্তর্জাতিক সাফল্যের গল্প থেকে শেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে;  শহরের স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করা;  শহুরে সংকটের প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা;  অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উচ্চাভিলাষী জলবায়ু ব্যবস্থা এবং অন্যান্য ক্ষেত্র যা মার্কিন পরিকল্পনা অনুশীলনকে উন্নত করবে।

 

নগর পরিকল্পনা কি?

 

নগর পরিকল্পনা একটি প্রযুক্তিগত এবং রাজনৈতিক উভয় প্রক্রিয়া যা শহুরে সম্প্রদায়ের জমি এবং নকশার ব্যবহার দেখে।  নগর পরিকল্পনা নিশ্চিত করে যে মানব ও স্যাটেলাইট সম্প্রদায়ের সুশৃঙ্খল বিকাশ রয়েছে।  যেহেতু আধুনিক সমাজ টেকসই উন্নয়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মুখোমুখি হচ্ছে, নগর পরিকল্পনা একটি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।

 

এই বছরের থিম—

 

এই বছরের থিম হল Learn Globally, Apply Locally, এবং এটি বিশ্বব্যাপী পরিকল্পনা ও পরিকল্পনা সংস্কৃতি থেকে শেখার মূল্যের উপর ফোকাস করবে, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উদ্ভাবনী, টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত সমাধানকে উৎসাহিত করবে।

 

বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবসের ইতিহাস—

 

বিশ্ব নগরবাদ দিবস ১৯৪৯ সালে বুয়েনস আইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কার্লোস মারিয়া ডেলা পাওলেরা দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।  তিনি আঞ্চলিক এবং বিদেশে উভয় পরিকল্পনায় জনসাধারণের এবং পেশাগত আগ্রহকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য করেছিলেন।  প্রফেসর কার্লোস বাসযোগ্য পরিস্থিতি তৈরিতে পরিকল্পনাকারীদের দ্বারা পরিচালিত ভূমিকা প্রচারের আশা করেছিলেন।
আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ সার্টিফাইড প্ল্যানার্স এই দিনটিকে সমর্থন করে এবং প্রতি বছর বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে এটিকে প্রচার করে।  ইনস্টিটিউট বাসযোগ্য শহুরে সম্প্রদায় তৈরিতে তাদের ভূমিকার জন্য আমেরিকান পরিকল্পনাবিদদের কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেয় এবং প্রশংসা করে।
চারটি মহাদেশের ৩০টি দেশ বিশ্ব নগরবাদ দিবস পালন করে আজ, অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

 

কিভাবে বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস উদযাপন করা যায়

স্থানীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জনসাধারণকে একাধিক বিষয় বুঝতে সাহায্য করার জন্য পরিকল্পনা সমিতি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।  আপনার এলাকার আশেপাশে যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করুন।  যাইহোক, যদি কোনটি না থাকে, আপনি এখনও অনলাইনে কিছু প্রচারণা দেখতে পারেন।  ওয়ার্ল্ড টাউন প্ল্যানিং ডে অনলাইন কনফারেন্স প্রায়ই ইভেন্ট, প্রচারাভিযান, এবং প্রাসঙ্গিক ক্রিয়াকলাপগুলি সারা বিশ্ব জুড়ে সকলের দেখার জন্য সম্প্রচার করে।
আপনার স্থানীয় আশেপাশে, অফিস, এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও একটি ইভেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিন।  ইভেন্টে কিছু পেশাদার পরিকল্পনাবিদ, পণ্ডিত এবং রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানান।  পেশাদারদের সাথে একত্রে, জনসাধারণকে সঠিক পরিকল্পনা কী তা বুঝতে সাহায্য করুন এবং আমরা এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম যেখানে বাস করতে চাই এমন জায়গা তৈরিতে কীভাবে প্রত্যেকে অবদান রাখতে পারে।  তারপরে আপনি লেখকদের সবচেয়ে উদ্ভাবনী ধারণা দিয়ে পুরস্কৃত করতে পারেন।
আপনি আপনার সম্প্রদায়গুলিতে পরিকল্পনার তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার এই সুযোগটিও নিতে পারেন।  #WorldUrbanismDay, #WTPD, বা #WorldTownPlanningDay হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার চিন্তা শেয়ার করুন।  আপনি আপনার এলাকার বেশিরভাগ লোকের অজ্ঞতার স্তরে বিস্মিত হবেন।

 

কেন বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস উদযাপন করব?

 

বিশ্ব নগরবাদ দিবস পালন করার অনেক কারণ রয়েছে।  এই দিনটি উদযাপনের মাধ্যমে, পরিকল্পনা পেশাদার এবং সাধারণ জনগণ উভয়ের কাছে নগর এবং আঞ্চলিক পরিকল্পনার আদর্শের বিশ্বব্যাপী কভারেজ রয়েছে।  বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস সারা বিশ্বে নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতিও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, WTPD বিশ্বব্যাপী মানব বসতি এবং ব্যবস্থায় যথাযথ পরিকল্পনার অবদানগুলি তুলে ধরে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – কনরাড লরেঞ্জ, অস্ট্রিয়ান প্রাণিবিদ্যাবিত, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আর্থলজিস্ট ও পক্ষীবিদ।

 

১৯১৩ – আলবেয়ার কামু, একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলজেরীয় বংশোদ্ভূদ ফরাসী সাহিত্যিক।

 

১৯২২ – গোলাম আযম, বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতা। রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী।

 

১৯২৯ – এরিক ক্যান্ডেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান স্নায়ুবিজ্ঞানী ও সাইকোলজিস্ট।

১৯৩১ – আমিনুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

১৯৪৩ – মাইকেল স্পেন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৫৪ – কমল হাসান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৭১- ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী।

১৯৭৮ – রিও ফার্ডিনান্ড, ব্রিটিশ ফুটবলার।

 

১৯৭৯ – রাইমা সেন, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯৮১ – অনুষ্কা শেট্টি,ভারতীয় ছবির নায়িকা, যিনি প্রকৃতরুপে তেলুগু, তামিল ছবিতে কাজ করেন।

 

১৮৫৮ – বিপিন চন্দ্র পাল, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৮৬৭ – মারি ক্যুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৮৭৯ – লিওন ত্রোত্‌স্কি, সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজান্ত্রিক বিপ্লবী।

 

১৮৮৮ – স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, ভারতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী।

১৭২৮ – ক্যাপ্টেন জেমস কুক, ব্রিটিশ নৌ-সেনাপতি ও আবিস্কারক।

৯৯৪ – ইবনে হাজম, প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০২০ – বিশ্বের প্রথম ৬জি উপগ্ৰহ উৎক্ষেপণ করে

১৯১৬ – জ্যানেট র‌্যানকিম মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।

 

১৯১৭ – লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

১৯২৪ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আয়ার্সে উপস্থিত হন।

 

১৯৪১ – পার্ল হারবারে জাপানীদের বোমা আক্রমণ শুরু হয়।

 

১৯৪৪ – ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট সব রেকর্ড ভঙ্গ করে চতুর্থবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

 

১৯৫৬ – জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে সুয়েজ খাল নিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটে।

 

১৯৭৫ – বাংলাদেশের তৎকালীন সেনা প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সিপাহী জনতার মিলিত অভ্যুত্থানে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত হন।

১৯৭৫ – খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয় এবং সিপাহীদের গুলিতে নিহত হন।

১৯৮৭ – তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রপতি হাবিব বুরগিয়া ক্ষমতাচ্যুত হন এবং আবেদিন বিন আলী নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৮৮ – আর্মেনিয়ায় ভূমিকম্পে লক্ষাধিক লোক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৯ – কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত পূর্ব জার্মান সরকার ইস্তফা দেন।

১৯৯০ – মেরি রবিনসন আইরিশ প্রজাতন্ত্রের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।

১৯৯৬ – ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে সাইক্লোনে আড়াই হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৮২৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ ঘোষণা করেন।

১৮৯৩ – যুক্তরাষ্ট্রের কলরাডো অঙ্গরাজ্যে নারী ভোটাধিকার দেওয়া হয়।

১৭৮৩ – ইংল্যান্ডে সর্বশেষ প্রকাশ্য ফাঁসি হয়।

১৬৫৯ – ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে ঐতিহাসিক পাইরনসিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৬৬৫ – বৃটেনের সরকারী প্রকাশনা দ্যা লন্ডন গেজেট প্রথম প্রকাশিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – হেভিওয়েট মুষ্টিযোদ্ধা জো ফ্রেজিয়ার।

 

২০১২ – এলেন ডগলাস, আমেরিকান লেখক।

 

২০১৯ – বাঙালি কবি,লেখিকা এবং শিক্ষাবিদ নবনীতা দেবসেন।

 

১৯২৩ – অশ্বিনীকুমার দত্ত, বাঙালি রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক।

 

১৯৬৮ – গর্ডন কভেন্ট্রি, অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৭৫ – খালেদ মোশাররফ, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।

 

১৯৭৫ – এ.টি.এম. হায়দার, বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

 

১৮৬২ – বাহাদুর শাহ জাফর, মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস কি, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছর ভারতে ৭ই নভেম্বর জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস পালন করা হয় ক্যান্সারের প্রাথমিক সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করার জন্য। এই দিনে, বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা, সরকারী সংস্থা এবং অলাভজনক গোষ্ঠীগুলি জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে সচেতনতা প্রচারণা, সেমিনার এবং স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করতে এবং দেশব্যাপী ক্যান্সারের বোঝা কমানোর জন্য কাজ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, ক্যান্সার মানুষের মধ্যে মৃত্যু ঘটায় দ্বিতীয় সবচেয়ে মারাত্মক রোগ।  ক্যান্সারে মারা যাওয়া মানুষের অবস্থা ভারতের জন্য একটি গুরুতর হুমকি।

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ২০২৩: জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ৭ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।  WHO এর পরিসংখ্যান অনুসারে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলি ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% জন্য দায়ী।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, ক্যান্সার মানুষের মধ্যে মৃত্যু ঘটায় দ্বিতীয় সবচেয়ে মারাত্মক রোগ।  এই দিনটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হল মারণ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ২০২৩: ইতিহাস—-

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ হর্ষ বর্ধন প্রথম জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ঘোষণা করেছিলেন। তিনি রাজ্য স্তরে একটি ক্যান্সার প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং বিনামূল্যে স্ক্রিনিংয়ের জন্য পৌরসভার ক্লিনিকগুলিতে যাওয়ার জন্য নাগরিকদের অনুরোধ করেছিলেন।

জাতীয় ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, যা ১৯৭৫ সালে সারা দেশে ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রবেশের সুবিধার্থে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এই মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে জাতির লড়াইয়ে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি চিহ্নিত করেছে।  ১৯৮৪-১৯৮৫ সালে, প্রাথমিক ক্যান্সার সনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধের উপর জোর দেওয়ার জন্য পরিকল্পনার পদ্ধতিটি দশ বছর পরে সংশোধিত হয়েছিল।

 

 

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ২০২৩: তাৎপর্য–

 

 

কারণ ভারতে প্রচুর ক্যান্সারের ঘটনা পরবর্তী পর্যায়ে আবিষ্কৃত হয়, যা বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়, এই অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে।  এই দিবসটির জাতীয় উদযাপনের লক্ষ্য হল ক্যান্সার রোগ সম্পর্কে জনসাধারণের জ্ঞান ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা এবং সরকার সহ সকল স্টেকহোল্ডারকে পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা।

এটি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আমরা যে পদক্ষেপগুলি নিতে পারি তার রূপরেখা দেয় এবং লক্ষণগুলি সম্পর্কে আমাদের অবহিত করে।  ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে কারণ এটি মৃত্যুর অন্যতম সাধারণ কারণ।

মেরি কুরি পোল্যান্ডের ওয়ারশতে ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।  তিনি রেডিয়াম এবং পোলোনিয়াম আবিষ্কারের জন্য দায়ী ছিলেন, যা রেডিওথেরাপি তৈরি করতে সাহায্য করেছিল, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

 

 

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস “থিম” ২০২৩ কি?

প্রতি বছর, জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ক্যান্সার সচেতনতা এবং প্রতিরোধের বিভিন্ন দিকের উপর জোর দিয়ে একটি অনন্য থিম গ্রহণ করে।  উদাহরণস্বরূপ, ২০২২ সালে, থিম ছিল ‘ক্যান্সার বৈষম্য করে না,’ জোর দিয়ে যে ক্যান্সার প্রত্যেককে প্রভাবিত করে, বয়স, লিঙ্গ বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে।  ২০২৩ সালে, থিম হল ‘ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ’, সবার জন্য সমান ক্যান্সারের যত্নের গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া।

 

 

ক্যান্সারের জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা—

 

 

ক্যান্সারের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার লক্ষ্য ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করা এবং ক্যান্সারের ধরণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।  ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করা যেতে পারে:—

তামাক পরিহার করা।

একটি স্বাস্থ্যকর শরীরের ওজন বজায় রাখা

ফল এবং শাকসবজি সহ একটি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।

নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করা।

অ্যালকোহল সেবন এড়ানো বা হ্রাস করা।

অতিবেগুনী বিকিরণ এক্সপোজার এড়ানো।

ক্যান্সার স্ক্রীনিং পরীক্ষার সময়সূচী।

 

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ২০২৩: শুভেচ্ছা-

 

রাত যতই গাঢ় হোক না কেন, ভোর হতেই হবে।  লড়াই যতই বেদনাদায়ক হোক না কেন, ক্যান্সার অবশ্যই যেতে হবে যাতে আপনি বেঁচে থাকতে পারেন।  শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠুন!

তোমার কষ্টের মধ্য দিয়ে আমি তোমাকে বলতে চাই যে আমি তোমার জন্য প্রার্থনা করছি।  সমস্ত স্বাচ্ছন্দ্যের ঈশ্বর আপনাকে ধরে রাখুন এবং আপনাকে প্রতিদিনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার শক্তি দিন।

ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাওয়া আমি জানি, এবং আপনিও কঠিন।  আমি এটা মাধ্যমে আপনার জন্য এখানে,  আপনার সুস্থ মন এবং সুস্থতার জন্য প্রার্থনা।

আসল বিষয়টি হ’ল ক্যান্সারে মারা যাওয়া লোকের তুলনায় বেশি লোক ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছে এবং এতে বেঁচে আছে।  কখনো আশা ছাড়বেন না।

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস ২০২৩ : উক্তি–

“ক্যান্সার একটি যাত্রা, কিন্তু আপনি একা রাস্তায় হাঁটুন।  পথে থামার এবং পুষ্টি পাওয়ার জন্য অনেক জায়গা রয়েছে, আপনাকে কেবল এটি গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হতে হবে।”- এমিলি হলেনবার্গ

“ক্যান্সার আমার সমস্ত শারীরিক ক্ষমতা কেড়ে নিতে পারে।  এটি আমার মনকে স্পর্শ করতে পারে না, এটি আমার হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারে না এবং এটি আমার আত্মাকে স্পর্শ করতে পারে না।”- জিম ভালভানো

“সর্বোপরি, ক্যান্সার একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন যা আমাকে বিশ্বাস এবং স্থিতিস্থাপকতা সম্পর্কে শেখায়।” – ক্রিস কার

“আপনার জীবন যাপন করার দুটি উপায় আছে।  কিছুই একটি অলৌকিক ঘটনা যেন এক হয়।  অন্যটি যেন সবকিছুই অলৌকিক।” – আলবার্ট আইনস্টাইন

“সময় সংক্ষিপ্ত হচ্ছে।  তবে প্রতিদিন যে আমি এই ক্যান্সারকে চ্যালেঞ্জ করি এবং বেঁচে থাকি তা আমার জন্য বিজয়।”- ইনগ্রিড বার্গম্যান

 

 

জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস হল এমন একটি দিন যা ব্যক্তিদের তাদের স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমর্থন করার জন্য একত্রিত করার, শিক্ষিত করার এবং ক্ষমতায়নের জন্য।  সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে, প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য পরামর্শ দিয়ে এবং সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে, আমরা সম্মিলিতভাবে এমন একটি বিশ্বে অবদান রাখতে পারি যেখানে ক্যান্সার প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা যায় এবং কার্যকরভাবে চিকিত্সা করা হয়।

ক্যান্সার নির্মূল করার জন্য আমাদের এমনকি ছোট উদ্যোগ এবং দয়ার কাজগুলি এই নিরলস রোগের সাথে লড়াইকারীদের জীবনে একটি বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।  একসাথে, আমরা যারা প্রয়োজন তাদের আশা এবং সাহায্য প্রদান করতে পারি, বিশ্বকে সবার জন্য একটি ভাল জায়গা করে তুলব।

 

তাই, যখন আপনি আশা রাখবেন, তখনই সব সম্ভব হবে!

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করা আমাদের লক্ষ্য।  আমরা এটা করতে পারি এটা আমাদের আত্মায় আছে! ক্যান্সার শেষ নয়, লড়াই চালিয়ে যান। লড়াই করুন, প্রতিকার খুঁজুন।

 

তাই এটি একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য উদ্বেগ হওয়ার কারণে, জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবসটি রোগের ঝুঁকির কারণ, সাধারণ ক্যান্সারের ধরন যা জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে এবং লক্ষণগুলি দেখা দেওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসা সহায়তা চাওয়ার তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করার জন্য পালন করা হয়।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

।।সংগৃহীত : ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৬ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৬ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

 

১৯২১ – জেমস জোনস, মার্কিন সৈনিক, সাংবাদিক ও লেখক।

১৯২৫ – মাইকেল বউকুয়েট, ফরাসি অভিনেতা।

 

১৯২৬ – হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

 

১৯৩১ – আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশী অভিনেতা।

 

১৯৩২ – ফ্রাঁসোয়া অ্যাংলার্ট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বেলজীয় পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৩৪ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় বাঙালি লেখক।

 

১৯৪৪ – আলী যাকের, বাংলাদেশী টেলিভিশন ও মঞ্চ অভিনেতা।

১৯৪৭ – ক্যারোলিন সেয়মউর, ইংরেজ অভিনেত্রী।

 

১৯৫৫ – মারিয়া শ্রিভার, মার্কিন সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৯৭২ – থান্ডি নিউটন, ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।

 

১৯৮৭ – আনা ইভানোভিচ, সার্বীয় টেনিস খেলোয়াড়।

 

১৯৮৮ – এমা স্টোন, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৯০ – আন্দ্রে হোর্স্ট শুর্লে, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৮১৪ – অ্যাডলফ স্যাক্স, বেলজীয় বংশোদ্ভূত ফরাসি যন্ত্রপ্রকৌশলী ও স্যাক্সোফোনের উদ্ভাবক।

১৮৪১ – আরমান্ড ফালিয়েরেস, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৯ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৫১ – চার্লস ডও, মার্কিন সাংবাদিক ও অর্থনীতিবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৭৫ – আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি, দেশটির ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯১৭ – লেলিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়।

১৯৫২ – প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ হয়।

১৯৬২ – দক্ষিণ আফ্রিকাকে জাতিসংঘ থেকে বহিস্কার করা হয়।

১৯৭৫ – আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি, দেশটির ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৮৫ – আলী হাসান মুইনি তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৮৮ – চীনের জুনান প্রদেশে ভূমিকম্পে প্রায় ১ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯০ – পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নওয়াজ শরিফ শপথ গ্রহণ করেন।

১৯৯১ – ফিলিপাইনে টাইফনে ৭ সহস্রাধিক লোকের মত্যু। ১৯৯৬-বিল ক্লিনটন পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৯২ – তাতারস্তান এর সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৪ – তাজিকিস্তান এর সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ – বিল ক্লিনটন পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮১৩ – মেক্সিকোর স্বাধীনতা ঘোষিত হয়।

১৮৬০ – আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮৮৪ – ডমিনিকান রিপাবলিক সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৬৩ – নবাব মীর কাশিমের কাছ থেকে ব্রিটিশরা পাটনা ছিনিযে় নেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – হিলডা ব্রাইড, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০১০ – সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়,প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী,পাঞ্জাবের রাজ্যপাল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০২১ – বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী অরুণ দত্ত।

১৯৪১ – মরিস লি ব্লাঞ্চ, ফরাসি লেখক।

১৯৬৪ – হান্স ভন ইউলার-ছেলপিন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান সুইস প্রাণরসায়নবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৭০ – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি লেখক।

 

১৯৮৫ – সঞ্জীব কুমার, একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

 

১৯৯১ – জিন টিয়েরনেয়, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৪৯২ – আন্টইনে বুস্নইস, ফরাসি সুরকার ও কবি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৫ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৯২ – জে বি এস হ্যালডেন, বৃটিশ-ভারতীয় বিজ্ঞানী। 

জন বারডন স্যান্ডারসন হ্যালডেন (John Burdon Sanderson Haldane, FRS (/ˈhɔːldeɪn/; ৫ নভেম্বর ১৮৯২ – ১ ডিসেম্বর ১৯৬৪) ডাকনাম “জ্যাক” বা “জেবিএস” ছিলেন ব্রিটেন এবং পরবর্তীকালে ভারতের একজন বিজ্ঞানী। তিনি শারীরবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান, এবং গণিত এর রচনার জন্য খ্যাত ছিলেন।

১৮৯৩ – প্রতিমা ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও নৃত্যবিশারদ।

 

১৯০১ – এডি পেন্টার, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৫ – ধীরাজ ভট্টাচার্য, বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের সফল অভিনেতা।

 

১৯১৮ – বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাহিত্যিকে বাণী রায়।

 

১৯২০ – ডগলাস নর্থ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৩৬ – উভে জেলার, প্রখ্যাত জার্মান ফুটবলার।

 

১৯৪৮ – উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপ্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৫৪ – জেফ্রি স্যাক্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৫৫ – ভারতের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক করণ থাপার।

 

১৯৫৯ – ব্রায়ান এডামস, কানাডীয় গায়ক, গিটারবাদক ও গীতিকার।

১৯৬৪ – আবেদি পেলে, ঘানার প্রখ্যাত ফুটবলার।

 

১৯৭৪ – অ্যাঞ্জেলা নাথালিয়া গসসোও, জার্মান গায়ক ও গীতিকার।

১৯৭৯ – ডেভিড সুয়ায, হন্ডুরাসের ফুটবলার।

১৯৮৩ – মাইক হাঙ্কে, জার্মান ফুটবলার।

 

১৮৫৪ – পল সাবায়টিয়ার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।

 

১৮৭০ – চিত্তরঞ্জন দাশ, বাঙালি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।

 

১৮৮৫ – উইল ডুরান্ট, আমেরিকান ইতিহাসবিদ, দার্শনিক ও লেখক।

 

১৮৮৭ – বিপিনবিহারী গঙ্গোপাধ্যায়, স্বদেশী আন্দোলনের প্রথম যুগের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও বিপ্লবী।

 

১৮৮৮ – লোকগীতি সংগ্রাহক ও কবি আশুতোষ চৌধুরী।

১২৭১ – মাহমুদ ঘাযান, মঙ্গোল শাসক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট বুশের রিপাবলিকান পার্টি বিজয় লাভ করে।

 

২০২০ – নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণ করেন জেসিন্ডা আরর্ডান।

 

১৯১১ – ইতালি তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ত্রিপোলি দখল করে নেয়।

 

১৯৪৫ – কলাম্বিয়া জাতিসংঘে যোগদান করে।

 

১৯৭৫ – অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক সেনাবাহিনীর হাতে পদচ্যুত হন।

 

১৯৯৩ – ফ্রান্স, জার্মানি ও বেলজিয়াম ন্যাটোর বিকল্প ইউরোপীয় বাহিনী ইউরো কর্পস গঠন করে।

 

১৯৯৬ – পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদ খান লেঘারি বেনজির ভুট্টোর সরকারকে বরখাস্ত করেন এবং পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ভেঙে দেন।

১৭৯৫ – বাংলা নাটকের প্রথম বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয় ‘ক্যালকাটা গেজেট’ পত্রিকায়।

 

১৫৫৬ – পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে মোগল সম্রাট আকবরের বাহিনীর হাতে হেমু পরাস্ত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে আল দুজাইল ট্রায়ালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

 

২০০৭ – নিল্স লিয়েডহল্ম, সুইডিশ ফুটবলার ও ম্যানেজার।

 

২০১১ – ভূপেন হাজারিকা, স্বনামধন্য ভারতীয় কন্ঠশিল্পী।

 

২০২১ – ‘দুঃখের রানী’ হিসেবে পরিচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় গায়িকা মারিলিয়া মেন্ডনকা।

 

১৯১৫ – ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফিরোজ শাহ মেহতা।

 

১৯৪৪ – আলেক্সিস কাররেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি সার্জন ও জীববিজ্ঞানী।

 

 

১৯৭৪ – অহীন্দ্র চৌধুরী, বাঙালি অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব।

 

১৯৭৫ – এডওয়ার্ড লাউরি টাটম, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও অধ্যাপক।

 

১৯৮২ – ফরাসি চলচ্চিত্রকার জাক তাতি।

 

১৯৯৫ – ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।

 

১৮৭৯ – জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল, স্কটল্যান্ডীয় গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৩৭০ – ক্যাসিমির তৃতীয় গ্রেট, পোলিশ রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৪ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৪ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং মরণোত্তর দেহ দান দিবস। (২রা থেকে ৪ঠা নভেম্বর)।

 

(খ) জাতীয় সংবিধান দিবস।(বাংলাদশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – জোসেফ রটব্লাট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পোলিশ-ইংরেজ পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯১৬ – ওয়াল্টার ক্রঙ্কিটে, মার্কিন সাংবাদিক, কণ্ঠ অভিনেতা ও প্রযোজক।

 

১৯২৫ – ঋত্বিক ঘটক, বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

১৯২৯ – শকুন্তলা দেবী, মানব কম্পিউটার নামে পরিচিত ভারতীয় লেখক।

 

১৯৩৩ – চার্লস কুয়েন কাও, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চীনা বংশোদ্ভূত হংকং-এর পদার্থবিদ ও প্রকৌশলী।

 

১৯৪৬ – লরা বুশ, মার্কিন শিক্ষাবিদ ও ৪৫ তম ফার্স্ট লেডি।

১৯৫০ – চার্লস ফ্রাইয়ের, মার্কিন লেখক।

 

১৯৫৫ – এন্ড্রু কিশোর, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৭১ – তাবু, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – আইলা ইউসুফ, নাইজেরিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – মারকেল জান্সেন, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৮১২ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সংস্কৃত পণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতি।

 

১৮৮২ – কাজী ইমদাদুল হক, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৯০ – ক্লাবুন্ড, জার্মান কবি ও লেখক।

 

১৮৯৭ – জানকী অম্মল, প্রখ্যাত ভারতীয় উদ্ভিদবিজ্ঞানী।

 

১৬১৮ – আওরঙ্গজেব, মুঘল সম্রাট।

১৫৭৫ – গুইডো রেনি, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৮ – (ক)  গঙ্গা নদীকে ভারতের জাতীয় নদী হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

(খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট  নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

২০২০ – (ক) -প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ায়।

(খ) -সৌদি কাফফারা বা কফিল পদ্ধতি সংস্কারের বিধিমালা ঘোষিত হয়।

১৯১৮ – সাম্রাজ্যবাদী অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার এক সপ্তাহ বাকি থাকতে মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৫ – জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বা জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৬ – সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমন করার জন্য সোভিয়েত সেনাবাহিনী হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশের সংবিধান জাতীয় সংসদে প্রণীত হয়।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কুয়েত।

১৯৭৮ – শাহ সরকারের বিরুদ্ধে ইরানের মুসলিম জনগোষ্ঠির বিদ্রোহের মুখে শরীফ ইমামির সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

১৯৯০ – ইরানি বিশিষ্ট গবেষক ডক্টর ফারার্মায অশুরি জাপানে প্রাকৃতিক কিছু বস্তুর মাঝে রশ্মি-বিরোধী গুণ-বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছিলেন।

১৯৯২ – ডেমোক্রেটিক পার্টির বিল ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৪ – মো: আলী সিদ্দীকী বাংলাদেশি সঙ্গীত শিল্পী।

 

২০২১ – বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিক, কলকাতা পুরসভার সাবেক মেয়র সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

 

১৯১৮ – উইলফ্রেড ওয়েন, ইংরেজ সৈনিক ও কবি।

 

১৯২১ – জাপানের প্রধানমন্ত্রী হারা তাকাশি টোকিওতে আততায়ীর দ্বারা নিহত হন।

১৯২৪ – গাব্রিয়েল ফাউরে, ফরাসি পিয়ানোবাদক, সুরকার ও শিক্ষাবিদ।

১৯৪৯ – ইরানের প্রধানমান্ত্রী আবদুল হোসেন।

 

১৯৮২ – বীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, ভারতের খ্যাতনামা শিল্পপতি এবং দেশে ভারী শিল্প স্থাপনের সূচনাকারী।

১৯৯৫- ইসহাক রবিন চরমপন্থী এক ইসরাইলীর হাতে নিহত হন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরায়েলি জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৫ – আফগান কবি ও সাংবাদিক নাদিয়া আঞ্জুমান।

১৯৯৭ – রণেশ দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯৯৯ – ম্যালকম মার্শাল, বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

 

১৮৪৭ – ফেলিক্স মেন্ডেলসহ্ন, জার্মান পিয়ানোবাদক, সুরকার ও পথপ্রদর্শক।

১৭০২ – জন বেনবও, ইনি ছিলেন ইংরেজ এডমিরাল।

 

১৭৭১ – কবি ও সাংবাদিক জেমস মন্টোগোমারি।

১৬৬৫ – বিজয়পুরের সুলতান মুহাম্মদ আদিল শাহ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জেল হত্যা দিবস (বাংলাদেশ)৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – প্রদ্যোতকুমার ভট্টাচার্য, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

প্রদ্যোতকুমার ভট্টাচার্য ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি ছাত্রাবস্থায় বিপ্লবী দলের সভ্য হন। মেদিনীপুরের ম্যাজিস্ট্রেট রবার্ট ডগলাসকে হত্যার জন্য যে দুজন যুবক আক্রমণ চালান, প্রদ্যোত তাদের একজন। এই আক্রমণের ফলে ডগলাসের মৃত্যু ঘটে।

 

১৯১৩ – নিখিল চক্রবর্তী, খ্যাতনামা সাংবাদিক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও ভারতের প্রসার-ভারতীর বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান ।

 

১৯১৯ – অরবিন্দ পোদ্দার, বাঙালি লেখক, অধ্যাপক ও গবেষক।

অরবিন্দ পোদ্দার (৩ নভেম্বর ১৯১৯ ―২০ জুন ২০২১) একজন বাঙালি লেখক, সাহিত্য সমালোচক, প্রাবন্ধিক, অধ্যাপক ও গবেষক ছিলেন। মার্কসবাদী সমাজতত্ত্ব থেকে শুরু করে বাংলার নবজাগরণ, বঙ্কিমচন্দ্র থেকে ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাসে নিজের প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রেখেছেন।

 

 

১৯৩৩ – অমর্ত্য সেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ।

অমর্ত্য সেন (জন্ম: ৩ নভেম্বর ১৯৩৩) অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার বিজয়ী একজন ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক। দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্রের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অফ সুইডেন পুরস্কার (যা অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার হিসেবে পরিচিত) লাভ করেন।

 

১৯৩৪ – রুমা গুহঠাকুরতা, বাঙালি অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, গায়িকা ও ক্যালকাটা ইয়ুথ ক্যয়ারের প্রতিষ্ঠাতা।

রুমা গুহ ঠাকুরতা (৩ নভেম্বর ১৯৩৪ – ৩ জুন ২০১৯) ছিলেন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী এবং গায়িকা যিনি মূলত বাংলা ভাষার চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত ছিলেন।  তিনি ১৯৫৮ সালে কলকাতা ইয়ুথ কোয়ার প্রতিষ্ঠা করেন।

 

১৯৪০ – সনি রোডস, আমেরিকান গায়ক ও গিটার।

১৯৪৫ – গার্ড ম্যুলার, প্রাক্তন পশ্চিম জার্মান ফুটবলার।

১৯৬৪ – পাপরিকা স্টেন, ডেনিশ অভিনেত্রী, গায়ক ও পরিচালক।

১৯৭৩ – মৌসুমী, বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রী।

 

১৯৭৪ – সোনালী কুলকার্নি, তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী।

সোনালী কুলকার্নী একজন ভারতীয় অভিনেত্রী। তিনি ভারতের পুনেতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হিন্দি, কন্নড়, মারাঠি, তামিল এবং গুজরাটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি মে মাদাম, দিল চাহতা হে এবং ট্যাক্সি নম্বর ৯২১১ এ অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান।

 

১৯৮৭ – গেমমা ওয়ার্ড, অস্ট্রেলিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী।

 

১৯৮৯ – শুভশ্রী গাঙ্গুলী, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী।  

শুভশ্রী গাঙ্গুলী ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি একটি ওড়িয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও প্রশংসা পেয়েছিলেন। তিনি ফেয়ার এভার আনন্দলোক নায়িকার খোঁজে-এর বিজয়ী হয়েছিলেন। শুভশ্রী অনুভব মহান্তির বিপরীতে মাতে তা লাভ হেলারে নামে ওড়িয়া চলচ্চিত্রে মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন।

১৯৯৫ – কেন্ডাল জেনার, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

 

১৮৬৬ – দীনেশচন্দ্র সেন, লোকসাহিত্য বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।

 

১৮৯৭ – আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাংলাদেশের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০২০ – ৫৯ তম মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯০৩ – মধ্য আমেরিকার প্রজাতন্ত্র পানামা কলম্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯২৮ – তুরস্কে আরবি হরফের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে তার পরিবর্তে রোমান হরফ চালু করে।

১৯৫৭ – লাইকা নামের একটি রাশিয়ার কুকুরকে নিয়ে জীবন্ত প্রাণী বহনকারী প্রথম নভোযান স্পুটনিক-২ মহাশূন্যে পাঠানো হয়।

১৯৭০ – ব্রিটিশ আশ্রিত রাজ্য ডোমিনিকার স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৫ – বাংলাদেশের চার জাতীয় নেতা তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয়।

১৮৩৮ – ভারতে বহুল প্রচারিত ইংরাজী দৈনিক দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৪৯৩ – ইতালিয়ান নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার দ্বিতীয় অভিযাত্রায় ক্যারিবিয়ান সাগরে ডোমিনিকা আবিষ্কার করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

 

২০১৪ – গর্ডন টুলক, আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

২০১৭ – আবদুর রহমান বিশ্বাস, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি।

আবদুর রহমান বিশ্বাস ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বরিশালের শায়েস্তাবাদ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেন। তার আনুগত্য ছিল পাকিস্তান সরকারের প্রতি।

 

১৯৫৪ – আঁরি মাতিস, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

১৯৭৫ – তাজউদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

 

১৯৭৫ – সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। ১৭ এপ্রিল থেকে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৯৭৫ – মোঃ মনসুর আলী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৭৫ – আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (২৬ জুন ১৯২৩ – ৩ নভেম্বর ১৯৭৫) বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে গঠিত অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। একজন নির্লোভ, সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।

 

১৯৭৭ – মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা, বাংলাদেশী রসায়নবিদ, গ্রন্থকার এবং শিক্ষাবিদ।

 

১৯৭৭ – ফ্র্যাডেরিক চালমার্স‌ বোর্ন‌, পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর।

স্যার ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন ইংরেজ প্রশাসক। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ ভারতে দায়িত্বপালন করেছেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অধিরাজ্যে দায়িত্বপালন করেন।

 

১৯৯০ – ভারতের বলিউডের হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাতা শশধর মুখার্জী।

শশধর মুখার্জি হিন্দি সিনেমার একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। তিনি ১৯৩০-এর দশকে বোম্বে টকিজে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে ১৯৪৩ সালে রায় বাহাদুর চুনিলাল, অশোক কুমার এবং জ্ঞান মুখার্জির সাথে ফিল্মিস্তান স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫০-এর দশকে, তিনি তার নিজস্ব স্টুডিও ফিল্মালয় শুরু করেন।

 

 

১৯৯১ – বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক।

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। তিনি কলকাতার বাসিন্দা ছিলেন। পঙ্কজকুমার মল্লিক ও কাজী নজরুল ইসলামের সমসাময়িক বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ১৯৩০-এর দশক থেকে সুদীর্ঘকাল অল ইন্ডিয়া রেডিওয় বেতার সম্প্রচারকের কাজ করেছেন।

 

১৯৯৯ – ইয়ান বান্নেন, স্কটিশ অভিনেতা।

ইয়ান এডমন্ড ব্যানেন (২৯ জুন ১৯২৮ – ৩ নভেম্বর ১৯৯৯) ছিলেন একজন স্কটিশ অভিনেতা যিনি চলচ্চিত্রে, মঞ্চে এবং টেলিভিশনে দীর্ঘ কর্মজীবনে ছিলেন।  দ্য ফ্লাইট অফ দ্য ফিনিক্স (১৯৬৪)-এ অভিনয়ের জন্য তিনি একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, যিনি এই সম্মান প্রাপ্ত প্রথম স্কটিশ অভিনেতা, পাশাপাশি সিডনি লুমেটের দ্য অফেন্স (১৯৭৩) এবং জন বোরম্যানের অভিনয়ের জন্য দুটি BAFTA ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন।  Hope and Glory (১৯৮৭)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

এই উৎসবের মরসুমে জোশ সকলের মুখে হাসি ফোটাতে সাহায্য করেছে।

আমাদের CSR কার্যক্রমকে আরও উৎসাহ দিতে, এই দুর্গা পূজা জোশ ডিজিটাল পার্টনার হিসেবে কলকাতা-ভিত্তিক জনপ্রিয় এনজিও বন্ধু এক আশার সাথে তাদের মহৎ উদ্যোগ – আনন্দ দান উৎসব ২০২৩-এর একটি অংশ হতে হাত মেলাচ্ছে – যেখানে সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া এলাকার ২৫,০০০ শিশু  বাংলায় তুলে দেওয়া হবে নতুন জামা।

 

এনজিওটি ৬ অক্টোবর কলকাতার বিড়লা মিউজিয়ামে মাসব্যাপী অনুদান শিবিরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।  ডিজিটাল যুগে, আমাদের কাছে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার রয়েছে যখন সঠিক কারণে ব্যবহার করা হলে তা একটি বিশাল লহরী প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে!  হ্যাঁ, এটা সোশ্যাল মিডিয়া!

জোশের বাংলা সম্প্রদায়ের নির্মাতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এবং বেশ কয়েকটি শিশুকে পোশাক বিতরণ এবং তাদের মুখে হাসি ফোটাতে অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে বাংলা চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন সেলিব্রিটিও উপস্থিত ছিলেন যারা এনজিওর অনুগত পৃষ্ঠপোষক।  রণজয় বিষ্ণু, অন্তরা চ্যাটার্জি এবং সৌমোজিৎ আদক নামে এই সেলিব্রিটিরা এমন একটি মহৎ কাজের সাথে যুক্ত থাকার জন্য জোশকে একচেটিয়া চিৎকার দিয়েছিলেন।  আঞ্চলিক মিডিয়া চ্যানেলগুলিতে সমিতিটিকে আরও হাইলাইট করা হয়েছিল।

আনন্দ দান উৎসবের লক্ষ্য হল আগামী দিনে বেশ কিছু গ্রামীণ এলাকা জুড়ে দরিদ্র শিশুদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করা এবং উৎসবের মরসুমে তাদের মুখে হাসি আনা।  জোশ পরিবার আমাদের প্রভাবশালীদের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্যোগটি প্রচার করে আরও সচেতনতা ছড়িয়ে দেবে।

এসোসিয়েশন সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, বন্ধু এক আশার সাধারণ সম্পাদক নুপুর রায় বলেন, “আমাদের সাথে যোগদান করার জন্য এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এই উদ্যোগটি দূর-দূরান্তে নেওয়ার জন্য আমরা সত্যিই জোশের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা সবাই জানি সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি এবং কখন  প্রভাবশালীরা আমাদের কারণের প্রতি আগ্রহ দেখায় এটি আমাদের সকলকে আরও খুশি এবং গর্বিত করে।”

 

 

আমাদের নির্মাতারা ইভেন্টটি একচেটিয়াভাবে কভার করেছেন এবং এমন একটি মহৎ অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে তাদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন।  “আমি সত্যিই জোশের কাছে কৃতজ্ঞ যে আমাকে এমন একটি হৃদয়গ্রাহী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য,” বলেছেন শর্মিষ্ঠা, পেশায় একজন আইনজীবী এবং জোশের অনুগত স্রষ্টা৷  এখানে আমাদের নির্মাতাদের দ্বারা ভাগ করা কিছু একচেটিয়া স্নিপেট রয়েছে:

 

এখানে আরও পড়ুন:

 

https://share.myjosh.in/video/04a9ddac-048e-4f0e-9e53-717a3f1659c9?u=0xb07e5a2a6102917e

 

https://share.myjosh.in/video/fd51c22a-7800-4684-815c-cc441ccf5290?u=0x4a976dc3e4907f1d

 

https://share.myjosh.in/video/649e4d96-3083-4b93-a127-ad4115352da3?u=0x6ab8f8b93fe4ab20

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৯ – অরুণ মিত্র, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও অনুবাদক।

১৯১১ – অডয়সেয়ান ইয়টিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

 

১৯২৯ – (ক)  – অমর গোপাল বসু, বাঙালি ভারতীয়-আমেরিকান ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্বখ্যাত অডিও ইকু্ইপমেন্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোস কর্পোরেশন এর প্রতিষ্ঠাতা।

(ক)নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডীয়-মার্কিন পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড এডওয়ার্ড টেইলর।

 

১৯৩৫ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও গল্পকার।

১৯৫৯ – স্কটিশ অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার পিটার মুলান।

 

১৯৬৫ – শাহরুখ খান, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৭২ – সামান্থা এমাক অ্যাণ্ড, ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়ক ও পরিচালক।

 

১৯৭৭ – অস্ট্রেলীয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার ভিক্টর ট্রম্পার।

 

১৯৮২ – ফরাসি ফুটবলার চার্লস ইটান্ডজে।

১৮১৫ – জর্জ বুল, ইংরেজ গণিতবিদ ও দার্শনিক।

 

১৮৩৩ – মহেন্দ্রলাল সরকার, ভারতীয় চিকিৎসক ও অধ্যাপক।

 

১৮৬৫ – ওয়ারেন জি. হার্ডিং, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৭৭ – ভিক্টর ট্রাম্পার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৮৮৬ – বাংলাভাষার প্রথম প্রাণপুরুষ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ।

১৮৯৮ – জাকির হুসাইন, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

 

১৭৯৫ – জেমস কে. পোক, আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১১ তম প্রেসিডেন্ট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – রাশিয়া ওসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৬ – ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য আবাসভূমি বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ব্রিটেনের সম্মতির কথা ঘোষণা করেন।

১৯২০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের প্রথম নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু হয়।

১৯৩০ – হাইলে সোলাসি ইথিওপিয়ার সম্রাট হন।

১৯৪৯ – ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। এর আগে দেশটি সাড়ে তিনশ বছর ধরে হল্যান্ডের উপনিবেশ ছিল।

১৯৫৭ – সোভিয়েট ইউনিয়ন স্পুটনিক -২ নামে ২য় বারের মত কৃএিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রেরণ করে।

১৯৬৩ – সৌদি আরবের রাজা সাউদকে সরিয়ে তার সৎভাই ফয়সাল রাজা হন।

১৮৮০ – জেমস গার্ফিল্ড যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮৭৬ – কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়ান রিফর্মার অ্যাসোসিয়েশন’ বা ‘ভারত সংস্কার সভা’ স্থাপিত হয়।

১৮৮৯ – উত্তর ডাকোটা ও দক্ষিণ ডাকোটা যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৩৯ ও ৪০তম রাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

১৭৭২ – মর্নিং পোস্ট পত্রিকার প্রথম প্রকাশ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – দক্ষিণ আফ্রিকার অভিনেতা হেনরি কেলে।

২০১২ – সুইডিশ অভিনেতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার হান্স লিন্ডগ্রেন।

২০১৩ – ক্লিফোর্ড নাস, আমেরিকান লেখক ও অধ্যাপক।

১৯৫০ – জর্জ বার্নার্ড শ’, নোবেলজয়ী আইরিশ নাট্যকার।

১৯৬৩ – এনজিও ডিনহ ডিয়েম, ভিয়েতনামী রাজনীতিবিদ, ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৬ – পিটার জোসেফ উইলিয়াম ডিবাই, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।

 

১৯৭৪ – বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক বরকতউল্লাহ।

 

১৯৭৫ – পিয়ের পাওলো পাসোলিনি, ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৯৬ – ইভা ক্যাসিডি, আমেরিকান গায়ক ও গিটারিস্ট।

 

১৮১৮ – স্যামুয়েল রোমিলি, বিখ্যাত ব্রিটিশ আইন সংস্কারক।

১৮৪৬ – যিশাইয়র টেগ্নের, সুইডিশ কবি ও বিশপ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব নিরামিষ দিবস কি, কেন পালিত হয় এবং এর গুরুত্ব।

আজ ‘বিশ্ব নিরামিষ দিবস’, পৃথিবীজুড়ে বাড়ছে ভেগানদের সংখ্যা,  ভেগান শব্দটির সঙ্গে অনেকেরই পরিচয় নেই। নিরামিষাশীরা যখন প্রাণীজাত সমস্ত খাবারের সঙ্গে আড়ি করেন, তখন তাদের বলে ভেগান। অর্থাৎ শুধু মাছ মাংস নয় ভেগানরা ডিম, দুধ আর দুধের যে কোনও খাবার যেমন ছানা, দই, পনীর, সন্দেশ, রসগোল্লাও খান না।

তার মানে, খাবারের প্লেটে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, মধু কিছুই থাকবেনা।ভিগানিজমে বিশ্বাসীরা এটাকে নিয়ে গেছেন আরও দূরে যেমন চামড়া, উল বা মুক্তার মতো বিষয়গুলো থেকেও দুরে থাকতে হবে।এটাকেই বলা হয় ভিগানিজম, প্রতিনিয়ত এতে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে।

প্রাণীর শরীর থেকে যেহেতু অনেক ধরনের ভাইরাস ছড়ায় এবং তা অতিমারির রূপও ধারণ করতে পারে, ফলে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানীদের একাংশ জোর দিচ্ছেন প্রাণীজ প্রোটিন বর্জন করার উপর।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের অনেকেই বলেন, নিরামিষ খেলে নাকি বেশিদিন বাঁচা যায়।

ভিগানুয়ারি একটা ব্রিটিশ চ্যারিটি সংস্থা যারা জানুয়ারি মাসে ভেগানিজমে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য মানুষকে সহায়তা করে। তারা বলছে, প্রতি বছরই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০১৯ সালে ১৯০ দেশের আড়াই লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছে।

যেহেতু প্রোটিনের বিকল্প উৎস আছে বাজারে সে কারণে ভিগানিজম বৈশ্বিক ইন্ডাস্ট্রিতে রূপ নিচ্ছে। ভেগানিজমের কেন্দ্রে রয়েছে প্রাণী জগতের প্রতি ভালোবাসা। পশুহত্যার বিরোধী অনেকেই এই খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। বলা হয়, হিপিদের কারণেই নাকি এই ডায়েট সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়েছে। শান্তির বাণী ছড়ানোর জন্য তাঁরা প্রাণীজাত খাবার বর্জনের ডাক দিয়েছিলেন। ভারতেও এই ডায়েট ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে।এই খাদ্যাভ্যাসে যেহেতু কোনও রকমের মাংস, মাছ, ডিম এবং দুগ্ধজাত জিনিস খাওয়া যায় না, তাই এগুলো থেকে যে ফ্যাট আসে, সেটাও শরীরে প্রবেশ করে না। অনেক রোগব্যাধিও যে কারণে শরীর থেকে দূরে থাকে। তাই রোগা হওয়ার চেষ্টায় অনেকেই এই ডায়েট মেনে চলেন। ‘ভেজিটেরিয়ান’ শব্দের প্রথম তিনটি ও শেষ দু’টি অক্ষর নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘ভেগান’ (Vegan) শব্দটি।  ১৯৪৪ সালে যুক্তরাজ্যের ডাল্টন ওয়াটসন প্রতিষ্ঠা করেন ভেগান সোসাইটি। মি. ওয়াটসনই ‘ভেগান’ শব্দটির প্রচলন ঘটান।

প্রতি বছর  বিশ্ব নিরামিষ দিবস পালনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র নিরামিষ খাবারের প্রচারই নয়, পরিবেশ ও প্রাণীর সুরক্ষার পাশাপাশি নিরামিষ খাবারের উপকারিতা সম্পর্কেও মানুষকে সচেতন করা।

 

।।তথ্য সংগৃহীত : ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

 

Share This