Categories
রিভিউ

আজ ১ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব ভেগান দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৭৮ – কার্লোস সাভেদ্রা লামাস, আর্জেন্টাইন রাজনৈতিক নেতা, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ।

 

১৮৮৯ – ফিলিপ নোয়েল-বেকার, ব্যারন নোয়েল-বেকার, কানাডিয়ান শান্তি কর্মী, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৯২৬ – আবু ইসহাক, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

১৯৩২ – একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

১৯৪৫ – নরেন্দ্র দাভোলকার , ভারতীয় চিকিৎসক,সমাজসেবী ও মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি।

 

১৯৪৫ – আবু সাইয়িদ, বাংলাদেশের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

 

১৯৪৯ – মাইকেল ডি. গ্রিফিন, নাসার প্রধান প্রশাসক।

১৯৫০ – রবার্ট বি. লাফলিন, আমেরিকান পদার্থবিদ, নোবেল পুরস্কার পদার্থবিজ্ঞান বিজয়ী।

 

১৯৬২ – আনিস বাজমি, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।

১৯৬৩ – মার্ক হিউজ, ওয়েলসীয় ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

১৯৬৮ – আকরাম খান, সাবেক বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

 

১৯৭৩ – ঐশ্বরিয়া রাই, ভারতীয় অভিনেত্রী।

 

১৯৭৪ – ভিভিএস লক্ষ্মণ, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বাংলাদেশের বিচার বিভাগ কে নির্বাহি বিভাগ হতে আলাদা করা হয়।

২০২০ – চীনে আদমশুমারি শুরু হয়।

১৭৯৪ – ‘ক্যালকাটা মান্থলি জার্নাল’ নামে মাসিক পত্রিকা প্রকাশনা শুরু হয়।

১৮০০ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস হলেন দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি যিনি দি এক্সিকিউটিভ ম্যানসন এ থাকা শুরু করেন (পরবর্তীকালে যার নাম হয় হোয়াইট হাউস)

১৮২১ – পানামার ভূখণ্ড স্পেনের উপনিবেশিক কবল থেকে মুক্ত হয়ে কলোম্বিয়ার সাথে যুক্ত হয়।

১৮৫৮ – ব্রিটিশ রাজতন্ত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ভারতের শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

১৮৬৪ – প্রথম পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে মানি অর্ডার পদ্ধতি চালু হয়।

১৮৮০ – কলকাতায় প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রাম চলাচল শুরু হয়।

১৮৯৭ – ইতালীয় ফূটবল দল জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাব গঠিত হয়।

১৯০৩ – পানামার স্বাধীনতাকামী জনতার আন্দোলন সফল হয় এবং তারা স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯১৩ – সানফ্রান্সিসকোতে হরদালের নেতৃত্বে গদর (বিপ্লবী) আন্দোলনের সূচনা হয়।

১৯২৪ – মঙ্গোলীয় প্রজাতন্ত্রের জন্ম হয়।

১৯৪৪ – আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা (ICAO) গঠিত হয়।

১৯৫২ – যুক্তরাষ্ট্র সর্ব প্রথম হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালায়। এই বোমাটি হিরোশিমাতে নিক্ষিপ্ত বোমার চেয়ে প্রায় পাঁচশো গুণ বেশি শক্তিশালী।

১৯৫৪ – আহমদ বিন বালার নেতৃত্বে আলজেরিয়ায় স্বাধীনতাকামী যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৫৫ – পর্তুগালে ভূমিকম্পে ৩০ হাজার লোক নিহত হয়।

১৯৫৬ – বাংলা ভাষা আন্দোলন (মানভূম) এর ফলস্বরূপ মানভূমের একটা অংশ পশ্চিমবঙ্গের সাথে যুক্ত হয় পুরুলিয়া জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৫৬ – ভারতে রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ মোতাবেক মহীশূর রাজ্য বর্তমানে কর্নাটক, কেরালা ও মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের আত্মপ্রকাশ ও পুনর্গঠন হয়।

১৯৬৩ – দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি নগো দিন দিয়েম নিহত হন।

১৯৭৯ – বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল করে।

১৯৮১ – অ্যান্টিগুয়া ও বারমুডা স্বাধীন হয়।

১৯৯২ – বাংলাদেশে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার মূল ক্যাম্পাস শান্তিডাঙ্গাতে উদ্বোধন করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৭৩ – দীনবন্ধু মিত্র, বাঙালি নাট্যকার ।

১৯০৩ – টেওডোর মম্‌জেন, জার্মান লেখক, নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী।

১৯১৫ – বাংলা ক্রিকেটের জনক সারদারঞ্জন রায়।

 

১৯৫০ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

 

১৯৫৫ – রামনাথ বিশ্বাস,ভারতীয় বিপ্লবী, সৈনিক, ভূপর্যটক ও ভ্রমণকাহিনী লেখক। ইনি ১৯৩৬ ও ১৯৩৭ সালে সাইকেলে চড়ে বিশ্বভ্রমণ করেন।

 

১৯৭০ – ফ্রাঁসোয়া মারিয়াক, নোবেলজয়ী ফরাসি সাহিত্যিক।

 

১৯৮৪ – নিবারণ পণ্ডিত, গণসঙ্গীত রচয়িতা।

 

১৯৯৩ – সেভেরো ওচোয়া, স্পেনীয় বায়োকেমিস্ট, নোবেল পুরস্কার চিকিৎসা/ওষুধ বিজয়ী।

 

১৯৯৬ – জুনিয়াস রিচার্ড জয়েবর্ধনে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩১ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  হ্যালোউইন ৷

হ্যালোইন বা হ্যালোউইন, এছাড়াও অলহ্যালোইন অল হ্যালোজ’ ইভ, বা অল সেইন্টস’ ইভ হিসাবে পরিচিত, একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন বা ছুটির দিন যা প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ৩১ অক্টোবর তারিখে, অল হ্যালোজ’ ডে বা সমস্ত হ্যালোজ দিবসে পাশ্চাত্য খ্রিস্টীয় ভোজোৎসবের প্রাক্কালে।

 

(খ) বিশ্ব সঞ্চয় দিবস ৷(ভারত) ব্যতীত

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৩১ – জপমালা ঘোষ, বাংলা ছড়ার গানের জনপ্রিয় গায়িকা।

জপমালা ঘোষ (জন্ম: ৩১ অক্টোবর ১৯৩১ – মৃত্যু: ১৮ মে ১৯৯৯) একজন বাঙালি গায়িকা। পিতা জীবনকৃষ্ণ মজুমদার। তার প্রাথমিক শিক্ষা পিতার কাছে। তিনি মূলত ছড়ার গান গাওয়ার জন্য বিখ্যাত। জপমালা ঘোষের জন্ম হয় বর্তমান মায়ানমারের রেঙ্গুনে। আদি নিবাস অসমের ডিগবয়ে। ছোটবেলায় কলকাতার আকাশবাণীতে শিশুমহলে গান গাইতেন। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে আকাশবাণীর গল্পদাদুর আসরে প্রথম গান করেন। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে কলম্বিয়া রেকর্ড কম্পানি থেকে তার প্রথম রেকর্ড বের হয় প্রবীর মজুমদারের কথা ও সুরে কাটুম-কুটুম । তিনি ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে আকাশবাণীর নিয়মিত শিল্পী ছিলেন ।

 

১৯৪৪ – কিংকি ফ্রিড্‌ম্যান, মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, লেখক, রাজনীতিবিদ ও কলাম লেখক।

রিচার্ড এস. কিন্‌কি ফ্রিড্‌ম্যান (Kinky Friedman) (জন্ম অক্টোবর ৩১, ১৯৪৪) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন নামকরা কান্ট্রি (country) সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, লেখক, রাজনীতিবিদ এবং কলাম লেখক। এর পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু ডিটেকটিভ উপন্যাসও লিখেছেন।

 

১৯৪৬ – স্টিফেন রেয়া, আইরিশ অভিনেতা।

 

১৯৬৩ – দুঙ্গা, ব্রাজিলীয় ফুটবলের সাবেক মধ্যমাঠের রক্ষণাত্মক খেলোয়াড়।

কার্লোস কেটানো ব্লেদর্ন ভেরি আইজুতে জন্মগ্রহণকারী ব্রাজিলীয় ফুটবলের সাবেক মধ্যমাঠের রক্ষণাত্মক খেলোয়াড়। তবে তিনি দুঙ্গা নামেই সমধিক পরিচিত। ১৯৯৪ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর তিনি ব্রাজিল দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

১৯৭৬ – গুটি, স্প্যানিশ ফুটবলার।

হোসে মারিয়া গুটিয়েরেস হার্নান্দেজ (জন্ম ৩১ অক্টোবর ১৯৭৬), গুটি নামে পরিচিত , একজন স্প্যানিশ প্রাক্তন পেশাদার ফুটবলার যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন , বর্তমানে একজন ম্যানেজার ।

 

১৮৩৫ – এডলফ ভন বাইয়ের, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।

জোহান ফ্রেডরিখ উইলহেম অ্যাডলফ ভন বেয়ার (  ৩১ অক্টোবর ১৮৩৫ – ২০ আগস্ট ১৯১৭) একজন জার্মানরসায়নবিদযিনিনীল সংশ্লেষিত করেছিলেন এবংচক্রীয় যৌগের জন্য একটি নামকরণIUPAC জৈব নামকরণেরঅংশ হিসাবে প্রসারিত এবং গৃহীত হয়েছিল)। তিনিবাভারিয়া রাজ্যেসম্মানিতহনরসায়নে নোবেল পুরস্কারপান।

 

১৮৭৫ – সর্দার বল্লভভাই পটেল, একজন ভারতীয় পণ্ডিত ও

জাতীয়তাবাদী নেতা। তাকে ভারতের লৌহমানব বলা হয়।
বল্লভভাই প্যাটেল ছিলেন একজন ভারতীয় পণ্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতা। তিনি সরদার প্যাটেল নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তাকে ভারতের লৌহমানব বলা হয়। তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ প্রধানমন্ত্রী।

 

১৮৮০ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি কমিউনিস্ট বিপ্লবী বীরেন চট্টোপাধ্যায়।

বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ( ৩১ অক্টোবর, ১৮৮০―৬ এপ্রিল ১৯৩৭) একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কমিউনিস্ট বিপ্লবী। চট্টো নামে বিপ্লবী মহলে পরিচিত ছিলেন।

 

১৮৮৭ – চীনের রাষ্ট্রনায়ক চিয়াং কাইশেক।

চিয়াং কাই-শেক বিংশ শতাব্দীর একজন চীনা সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা। প্রমিত চীনা ভাষায় তিনি জিয়াং জিয়েশি বা জিয়াং ঝংঝেং নামেও পরিচিত। সান ইয়াৎ-সেনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী চিয়াং ছিলেন চীনা জাতীয়তাবাদী দল ও কুওমিঙটাং দলের একজন প্রভাবশালী সদস্য। তিনি কুওমিঙটাঙের হোয়ামপোয়া সামরিক অ্যাকাডেমির কমান্ড্যান্ট ছিলেন।

 

১৮৯৫ – বি. এইচ. লিডডেল্‌হার্ট, ইংরেজ সৈনিক, ইতিহাসবিদ ও তাত্তিক।

 

১৭৯৫ – জন কিটস, ইংরেজি সাহিত্যের একজন রোম্যান্টিক কবি।

জন কিটস (৩১ অক্টোবর ১৭৯৫ – ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮২১) ছিলেন লর্ড বায়রন এবং পার্সি বাইশে শেলির সাথে রোমান্টিক কবিদের দ্বিতীয় প্রজন্মের একজন ইংরেজ কবি । ২৫ বছর বয়সে যক্ষ্মা রোগে মারা যাওয়ার সময় তাঁর কবিতাগুলি চার বছরেরও কম সময় ধরে প্রকাশিত হয়েছিল। সেগুলি তাঁর জীবদ্দশায় উদাসীনভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর খ্যাতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।  শতাব্দীর শেষের দিকে, তিনি প্রাক-রাফেলাইট ব্রাদারহুডের অনেক লেখককে দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত করে ইংরেজি সাহিত্যের ক্যাননে স্থান পান ; 1888 সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা একটি ওডকে “অন্তিম মাস্টারপিসগুলির মধ্যে একটি” বলে অভিহিত করেছিল।

 

১৪৪৮ – জন অষ্টম পালাইওলগস, বাইজেন্টাইন সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৪ – রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিএসইসি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ভবনে আমার দেশ এবং এনটিভি, আরটিভিসহ বেশ কয়েকটি মিডিয়া হাউজ ছিল।

২০১৯ – ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ দুটি পৃথক রাজ্য হিসাবে পরিণত হয়।

১৯১৪ – কৃষ্ণসাগরে রাশিয়াকে আক্রমণ করে তুরস্ক।

১৯১৮ – যুক্তরাষ্ট্র আর জাপানের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বে সে বছরে ব্যাপক ফ্ল‌ু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৮ – অষ্ট্রিয়ায় বিপ্লব শুরু হয়। অষ্ট্রিয়ার বিপ্লবী জনগণ অষ্ট্রিয়া প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেন। অষ্ট্রিয়ার রাজা রাজধানী ত্যাগ করতে বাধ্য হন। রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বিরাট মিছিলের আয়োজন করেন।

১৯২০ – ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৬ – কলকাতায় বাংলা ভাষায় মুসলমানদের প্রথম দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক আজাদ’ প্রকাশিত হয়।

১৯৪০ – ব্রিটেনের যুদ্ধ শেষ হয়।

১৯৫৮ – প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত লেখক বাস্ট্রেনাক নোবেল সাহিত্য পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।

১৯৬৬ – বিশিষ্ট সাঁতারু মিহির সেন পানামা খাল অতিক্রম করেন।

১৯৭২ – ঢাকায় মেজর (অবঃ) এম এ জলিল এবং আসম রবের নেতৃত্ব জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ ) গঠিত।

১৯৮০ – লন্ডনের ইভনিং নিউজ পত্রিকায় ‘বিদায় লন্ডন’ শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। যার ফলে এই শতাধিক ইতিহাস সম্পন্ন পত্রিকার বন্ধ হয়ে যায়। অব্যবস্থাপনার কারণে এই পত্রিকা অভুতপূর্ব আথির্ক সংকটে পড়ে।

১৯৮৪ – নিজের দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

১৯৮৮ – চার বোনকে একত্রে বিয়ে করে ভুটানের রাজা ওয়াংচুকের চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন।

১৯৯০ – ঢাকা শহরে সম্প্রদায়িক দাঙ্গা-কারফিউ জারি হয়।

১৯৯৪ – চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বেজিং-সিউল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৯১ – জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি প্রাণহানি ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – সিদ্ধার্থ ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি কল্পবিজ্ঞান লেখক।

২০০৬ – অমৃতা প্রীতম, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ভারতীয় লেখক ও কবি।

২০১৩ – জেরার্ড ডি ভিলিয়ার্স, ফরাসি সাংবাদিক ও লেখক।

২০২০ – স্কটিশ অভিনেতা, ‘জেমস বন্ড’ খ্যাত অভিনেতা শন কনারি প্রয়াত হন।

২০২২ – জামশেদ জে ইরানি স্টিল ম্যান অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত ভারতীয় শিল্পপতি।

১৯২৫ – মাক্স লিন্ডার, ফরাসি অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯২৬ – হ্যারি হুডিনি, হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ঐন্দ্রজালিক ও হুডিনি।

১৯৬০ – এইচ. এল. ডেভিস, মার্কিন ঔপন্যাসিক ও কবি।

 

১৯৭৫ – শচীন দেববর্মণ, বাঙালি সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, লোকসঙ্গীত শিল্পী। 

শচীন দেববর্মণ বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত শিল্পী । প্রায়শ তাকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।

 

১৯৮৪ – ইন্দিরা গান্ধী, ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। 

ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী ছিলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী এবং ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। ইন্দিরা গান্ধীই হলেন একমাত্র মহিলা যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।

 

১৯৮৬ – রবার্ট সেন্ডারসন মুল্লিকেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।

 

১৯৮৭ – রাজচন্দ্র বসু প্রখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ । 

রাজ চন্দ্র বসু(১৯ জুন ১৯০১ – ৩১ অক্টোবর ১৯৮৭) ছিলেন একজন ভারতীয়-আমেরিকান গণিতবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ।তিনি বোস-মেসনার অ্যালজেব্রা, সমিতির পরিকল্পনা তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত। তিনি এস.এস. শ্রীকান্দি ও ই.টি. পার্কারের সাথে মিলে ল্যাটিন বর্গের ১৭৮২ সালের লিওনার্ট অয়লার অনুমানকে ভুল প্রমাণ করেন।

 

১৭৪৪ – লিওনার্দো লিও, ইতালীয় সুরকার।

লিওনার্ড অ্যান্টনি লিও (জন্ম নভেম্বর 1965) একজন আমেরিকান আইনজীবী এবং রক্ষণশীল আইনি কর্মী । তিনি ফেডারেলিস্ট সোসাইটির দীর্ঘদিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি স্টিভেন ক্যালাব্রেসির সাথে , সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সহ-চেয়ারম্যান।

 

১৭৯৩ – জ্যাকুইম পিয়ে, ফরাসি উগ্রপন্থী নেতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ হ্যালোইন দিবস, জানুন হ্যালোইন কখন এবং কেন পালিত হয়।

হ্যালোইন বা হ্যালোউইন, এছাড়াও অলহ্যালোইন অল হ্যালোজ’ ইভ, বা অল সেইন্টস’ ইভ হিসাবে পরিচিত, একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন বা ছুটির দিন যা প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ৩১ অক্টোবর তারিখে, অল হ্যালোজ’ ডে বা সমস্ত হ্যালোজ দিবসে পাশ্চাত্য খ্রিস্টীয় ভোজোৎসবের প্রাক্কালে।  এটি ফসল কাটার মরসুমের শেষ এবং শীতের শুরু, বা বছরের “অন্ধকার অর্ধেক” চিহ্নিত করেছিল।  হ্যাঁ, হ্যালোউইনের বেশ প্রাচীন ও “পবিত্র” ইতিহাস রয়েছে!  হ্যালোউইনের উত্স এবং আমরা কীভাবে এই দিনটি উদযাপন করি তা জানুন।

 

হ্যালোইন কখন হয়?

 

হ্যালোইন, ঐতিহ্যগতভাবে “অল হ্যালোস ইভ” নামে পরিচিত, খ্রিস্টীয় পবিত্র দিন অল হ্যালোস ডে বা অল সেন্টস ডে (নভেম্বর 1) এর আগের সন্ধ্যায় উদযাপিত হয়।  তাই, হ্যালোইন সবসময় 31 অক্টোবর পালিত হয়।

 

হ্যালোইন, অল হ্যালোস ইভের সংকোচন, 31 অক্টোবর, অল সেন্টস (বা অল হ্যালোস) দিবসের আগের সন্ধ্যায় পালন করা একটি ছুটির দিন।  উদযাপনটি পশ্চিমা খ্রিস্টান অল সেন্টস উৎসবের আগের দিনটিকে চিহ্নিত করে এবং অলহলোটাইডের মরসুমের সূচনা করে, যা তিন দিন স্থায়ী হয় এবং অল সোলস ডে দিয়ে শেষ হয়।  বেশিরভাগ ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার বেশিরভাগ অংশে, হ্যালোউইন পালন করা অনেকাংশে অধর্মীয়।

 

হ্যালোউইনের উৎপত্তি হয়েছিল প্রাচীন ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের সেল্টদের মধ্যে সামহেন উৎসবে।  সমসাময়িক ক্যালেন্ডারে 1 নভেম্বরের সাথে সম্পর্কিত দিনে, নতুন বছর শুরু হবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল।  সেই তারিখটিকে শীতকালীন সময়ের শুরু বলে মনে করা হত, যে তারিখে পশুদের চারণভূমি থেকে ফেরত আনা হয়েছিল এবং জমির মেয়াদ পুনর্নবীকরণ করা হয়েছিল।  সামহেন উত্সবের সময় যারা মারা গিয়েছিল তাদের আত্মা তাদের বাড়ি দেখতে ফিরে আসবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল এবং যারা বছরের মধ্যে মারা গিয়েছিল তারা অন্য জগতে যাত্রা করবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল।  লোকেরা শীতের জন্য তাদের চুলার আগুন জ্বালানোর জন্য এবং অশুভ আত্মাদের ভয় দেখানোর জন্য পাহাড়ের চূড়ায় আগুন জ্বালায় এবং তারা কখনও কখনও মুখোশ এবং অন্যান্য ছদ্মবেশ পরিধান করত যাতে ভূতের দ্বারা চিনতে না পারে।  এটি সেই উপায়ে ছিল যে ডাইনি, হবগোবলিন, পরী এবং দানবদের মতো প্রাণীরা দিনের সাথে যুক্ত হয়েছিল।  বিবাহ, স্বাস্থ্য এবং মৃত্যুর মতো বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্যও সময়টিকে অনুকূল বলে মনে করা হয়েছিল।  খ্রিস্টীয় 1ম শতাব্দীতে রোমানরা যখন সেল্টদের জয় করেছিল, তখন তারা মৃতদের মৃত্যু এবং ফসলের দেবী পোমোনার স্মরণে তাদের নিজেদের ফেরালিয়া উৎসব যোগ করেছিল।

 

7ম শতাব্দীতে পোপ বনিফেস IV অল সেন্টস ডে প্রতিষ্ঠা করেন, মূলত 13 মে, এবং পরবর্তী শতাব্দীতে, সম্ভবত একটি খ্রিস্টান পালনের সাথে পৌত্তলিক ছুটির পরিবর্তে এটিকে 1 নভেম্বরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সবার আগে সন্ধ্যায়  সাধু দিবস একটি পবিত্র, বা পবিত্র, ইভ এবং এইভাবে হ্যালোইন হয়ে ওঠে।  মধ্যযুগের শেষের দিকে, ধর্মনিরপেক্ষ ও পবিত্র দিনগুলি একত্রিত হয়ে গিয়েছিল।  সংস্কারটি মূলত প্রোটেস্ট্যান্টদের ধর্মীয় ছুটির অবসান ঘটিয়েছিল, যদিও ব্রিটেনে বিশেষ করে হ্যালোইন একটি ধর্মনিরপেক্ষ ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতে থাকে।  অন্যান্য উত্সবগুলির সাথে, হ্যালোইন উদযাপন মূলত আমেরিকান উপনিবেশবাদীদের মধ্যে নিষিদ্ধ ছিল, যদিও 1800 এর দশকে সেখানে উত্সবগুলি গড়ে উঠেছিল যা হ্যালোইনের ফসল কাটা এবং অন্তর্ভুক্ত উপাদানগুলিকে চিহ্নিত করে।  19 শতকের মাঝামাঝি থেকে যখন আইরিশ সহ বিপুল সংখ্যক অভিবাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়, তখন তারা তাদের হ্যালোইন রীতিনীতিগুলি তাদের সাথে নিয়ে যায় এবং 20 শতকে হ্যালোইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ছুটিতে পরিণত হয়, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে।

একটি ধর্মনিরপেক্ষ ছুটির দিন হিসাবে, হ্যালোইন বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছে।  একটি হল সাধারণত নিরীহ প্র্যাঙ্কগুলি টানার অভ্যাস।  উদযাপনকারীরা পার্টিতে এবং ট্রিক-অর-ট্রিটিং-এর জন্য মুখোশ এবং পোশাক পরেন, যা দরিদ্রদের খাবারের জন্য ভিক্ষা করার অনুমতি দেওয়ার ব্রিটিশ অভ্যাস থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়, যাকে “সোল কেক” বলা হয়।  ট্রিক-অর-ট্রিটাররা ঘরে ঘরে এই হুমকি দিয়ে যায় যে তারা ট্রিট না পেলে ট্রিট করবে, সাধারণত ক্যান্ডি।  হ্যালোইন পার্টিতে প্রায়ই আপেলের জন্য ববিংয়ের মতো গেম অন্তর্ভুক্ত থাকে, সম্ভবত রোমান উদযাপন পোমোনা থেকে উদ্ভূত।  কঙ্কাল এবং কালো বিড়ালের পাশাপাশি, ছুটির দিনটি উদযাপনে ভূত, ডাইনি এবং ভ্যাম্পায়ারের মতো ভীতিকর প্রাণীকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।  আরেকটি প্রতীক হল জ্যাক-ও’-লণ্ঠন, একটি ফাঁপা কুমড়ো, মূলত একটি শালগম, একটি দানবীয় মুখ খোদাই করা এবং ভিতরে একটি মোমবাতি দিয়ে জ্বলে।  20 শতকের মাঝামাঝি থেকে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) তার প্রোগ্রামগুলির জন্য অর্থ সংগ্রহকে হ্যালোউইনের একটি অংশ করার চেষ্টা করেছে।

 

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব সঞ্চয় দিবস : জানুন দিনটির ইতিহাস এবং কেন এটি পালন করা হয়।

সঞ্চয় বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করে।  স্টোরেজ গুরুত্বপূর্ণ।  সংক্ষেপে, আমাদের মা এবং বাবা আমাদের একটি পয়সা বাঁচাতে এবং একটি পয়সা উপার্জন করতে শেখান।  এর গুরুত্ব সত্যিই অপরিসীম।  তাই এর গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ বিশ্ব সঞ্চয় দিবস পালিত হচ্ছে, বিশ্ব সঞ্চয় দিবস।  প্রতি বছর, বিশ্ব সঞ্চয় দিবস, যা পূর্বে  ওয়ার্ল্ড থ্রিফট দিবস নামে পরিচিত ছিল, 30 অক্টোবর পালিত হয়। আজকের এই দিনটি দেশের অর্থনীতি এবং ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের গুরুত্বকে উন্নীত করতে ব্যবহৃত হয়।  সয়া বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য এবং হ্যাকাররা এই সঞ্চয় বিকাশের মূল পরিসংখ্যান।  এই কারণেই বলা হয় যে একটি পয়সা সংরক্ষণ করা একটি পেনি।  কারণ আপনি আপনার সঞ্চয় দিয়ে আরও কিছু করা শুরু করতে পারেন।

 

দিবসটি কেন পালিত হয়?

কথায় আছে, অর্থ উপার্জন করা কঠিন কিন্তু ব্যয় করা সহজ।  মানুষ তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য কিছু অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করে, যা ভবিষ্যতের জন্য ভালো নয়।  দেখা যায় জীবন দিয়ে পরিশ্রম করেও কেউ দুই মুঠো ভাত খেতে পারছে না।  এই সমস্ত মানুষ প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করছে।

তাই, আধুনিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এবং বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিদের জন্য সঞ্চয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব সঞ্চয় দিবস পালিত হয়।  বিশ্বের অনেক দেশে, বেকারত্ব এবং দারিদ্র্যের হার বেশি, যা খুব সাধারণ এবং দরিদ্র লোকদের বাঁচাতে অনেক বাধা তৈরি করে।  ফলস্বরূপ, বেকারত্ব, অসুস্থতা, অক্ষমতা বা বার্ধক্যের সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব হয়।  এই সময়ের কথা মাথায় রেখে টাকা বাঁচাতে মানুষকে শিক্ষিত ও সচেতন হতে হবে।

 

ইতিহাস—-

বিশ্ব সঞ্চয় দিবস সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থায় সঞ্চয় এবং খুচরা ব্যাংকিংয়ের ভূমিকা তুলে ধরে।  বিশ্ব সঞ্চয় দিবস 1924 সালের 30 অক্টোবর সাধারণ জনগণের কাছে ব্যাঙ্ক সঞ্চয়ের গুরুত্ব উন্নীত করার জন্য এবং ব্যাঙ্কগুলির প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  এটি ইতালির মিলানে প্রথম ইন্টারন্যাশনাল সেভিংস ব্যাংক কংগ্রেস (ওয়ার্ল্ড সোসাইটি অফ সেভিংস ব্যাংকস) এর সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  বর্তমানে বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
কংগ্রেসের শেষ দিনে ইতালির অধ্যাপক ফিলিপ্পো রাভিজ্জা এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক সঞ্চয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন।  উদ্দেশ্য ছিল অর্থ সঞ্চয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা।  সমৃদ্ধি ও সম্পদের জন্য সঞ্চয়ের চেতনা মানুষের জীবনে একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য।  মধ্যবিত্ত ও সাধারণ মানুষ যত বেশি সঞ্চয় করবে, তত বেশি পারিবারিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাড়বে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর, মানুষ আর সঞ্চয় করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল না।  সেভিংস ব্যাঙ্কগুলি তখন স্কুল-কলেজ, অফিস, খেলাধুলা এবং মহিলা সমিতিগুলিকে সহায়তা করার জন্য সঞ্চয় প্রচারের জন্য কাজ করেছিল।  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই বিশ্ব সঞ্চয় দিবস জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।  আর তখন থেকেই বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ইতালি, কিউবা, কলম্বিয়া, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি প্রজাতন্ত্রে বিশ্ব সঞ্চয় দিবস পালিত হয়ে আসছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩০ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩০ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

বিশ্ব সঞ্চয় দিবস(ভারত)

বিশ্ব মিতব্যয় দিবস অর্থ সঞ্চয়ের গুরুত্বকে প্রচার করে এবং কীভাবে সঞ্চয় আমাদের কঠিন সময়গুলোকে উপশম করতে পারে । এটি অর্থ সঞ্চয় করার জন্য ব্যয় করার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – রাগনার গ্রানিট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ীফিনিশ সুইডিশ শারীরবিজ্ঞানী।

Ragnar Arthur Granit (30 অক্টোবর 1900 – 12 মার্চ 1991) [2] একজন ফিনিশ-সুইডিশ বিজ্ঞানী যিনি 1967 সালে ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হালদান কেফারের সাথে হার্টলাইন এবং জর্জ ওয়াল্ড ” চোখে প্রাথমিক শারীরবৃত্তীয় এবং রাসায়নিক চাক্ষুষ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত তাদের আবিষ্কারের জন্য ” ।

 

১৯০১ – খান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন, বাংলাদেশী কবি ও সাহিত্যিক।

 

১৯০১ – সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা ভাষার একজন প্রধান আধুনিক কবি। বিংশ শতকের ত্রিশ দশকের যে পাঁচ জন কবি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনা ঘটান তাদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ অন্যতম। বুদ্ধদেব বসুর মতে, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একাধারে কবি ও বিদ্বান, স্রষ্টা ও মনস্বী।

 

১৯০৮ – পিটার স্মিথ, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৯ – হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা,ভারতের প্রসিদ্ধ নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯২৬ – রফিকউদ্দিন আহমদ, তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ।

 

১৯২৮ – ড্যানিয়েল নাটান্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান মাইক্রো জীববিজ্ঞানী।

ড্যানিয়েল নাথানস ( উইলমিংটন , ডেলাওয়্যার , অক্টোবর 30 , 1928 – বাল্টিমোর , মেরিল্যান্ড , নভেম্বর 16 , 1999 ) একজন আমেরিকান মাইক্রোবায়োলজিস্ট । 1978 সালে, সীমাবদ্ধ এনজাইম আবিষ্কারের জন্য তিনি ভার্নার আরবার এবং হ্যামিল্টন ও. স্মিথের সাথে মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার ভাগ করে নেন ।

 

১৯৩৩ – দারা দোতিওয়ালা, ভারতীয় ক্রিকেট আম্পায়ার।

১৯৩৯ – লেল্যান্ড এইচ হার্টওয়েল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জীববিজ্ঞানী।

১৯৪১ – টেওডর ডব্লিউ. হানসচ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৪৬ – বদিউল আলম, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা ও বীর উত্তম।

 

১৯৬০ – দিয়েগো মারাদোনা, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার। 

দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা একজন আর্জেন্টিনীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় এবং ম্যানেজার ছিলেন। ভক্তদের কাছে এল পিবে দে অরো ডাকনামে পরিচিত মারাদোনা তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় আর্জেন্তিনোস জুনিয়র্স এবং নাপোলির হয়ে একজন মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছেন।

 

 

১৯৬২ – কোর্টনি ওয়ালশ, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ও কোচ।

কোর্টনি অ্যান্ড্রু ওয়ালশ, ওজে জামাইকার কিংস্টনে জন্মগ্রহণকারী খ্যাতিমান ও সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮৪ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের ফাস্ট বোলাররূপে প্রতিনিধিত্ব করেন।

 

১৯৬৩ – মাইক ভেলেটা, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৬৪ – হুমায়ূন কবীর ঢালী, বাংলাদেশী শিশু সাহিত্যিক।

১৯৬৬ – আবু মুসআব আল-যারকাউয়ি, জর্ডানীয় সন্ত্রাসবাদী।

 

১৯৭৪ – মাইক হেসন, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচ।

মাইকেল জেমস হেসন ওতাগোর ডুনেডিনে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান প্রধান কোচ। এরপূর্বে তিনি কেনিয়া এবং ওতাগো দলের কোচ ছিলেন। এছাড়াও তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

১৯৭৭ – দিমিত্রি মাসকারেনহাস, ইংরেজ ক্রিকেটার।

আদ্রিয়ান দিমিত্রি মাসকারেনহাস লন্ডনের চিজউইকে জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৭-২০০৯ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। উইকিপিডিয়া

 

১৯৮৭ – জুনায়েদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

১৯৮৮ – জানেল প্যারিস, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৯১ – শেন ডোরিচ, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

১৮২৮ – ইংরেজ রসায়নবিদ ও বিদ্যুৎ বাতির উদ্ভাবক জোসেফ সোয়ানে।

১৮৩৪ – স্যামুয়েল বোর্ন, ব্রিটিশ আলোকচিত্রশিল্পী।

 

১৮৫৩ – প্রমথনাথ মিত্র, ভারতে বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

প্রমথনাথ মিত্র ( বাংলা : প্রমথনাথ মিত্র ; ৩০ অক্টোবর 1853 – 1910), যিনি ব্যাপকভাবে পি. মিত্র নামে পরিচিত , ছিলেন একজন বাঙালি ভারতীয় ব্যারিস্টার এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদী যিনি ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন অনুশীলন সমিতির প্রথম দিকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ।

 

১৮৭০ – অস্ট্রেলীয় ঔপন্যাসিক হেনরি হ্যান্ডেল বিচার্ডসনের ।

১৮৭৩ – হ্যারি ফস্টার, ইংরেজ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার।

১৮৮৭ – সুকুমার রায়, বাঙালি লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার।

১৮৮৮ – নাট্যকার ও চিকিৎসক জেমস ব্রিডির ।

১৮৯৫ – গেরহারড ডমাগক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রোগবিদ্যাবিৎ ও জীবাণুবিদ।

১৮৯৫ – ডিকিনসন ডাব্লিউ রিচার্ডস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও শারীরবিজ্ঞানী।

১৮৯৬ – রুথ গর্ডন, মার্কিন অভিনেত্রী, চিত্রনাট্যকার ও নাট্যকার।

১৭৩২ – দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীন।

১৭৩৫ – জন অ্যাডামস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।

১৭৯৫ – ইংরেজ কবি জন কিটসের ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৩ – ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ স্বেচ্ছায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

২০১১ – দেশের প্রথম নারী মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর বিজয় লাভ করেন।

১৯১৮ – হাঙ্গেরিতে বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সুচনা হয়।

১৯১৮ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক আত্মসমর্পণ করে।

১৯১৮ – অস্ট্রিয়া বিপ্লব সংগঠিত হয়।

১৯২০ – ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২২ – ইতালিতে বেনিতা মুসোলিনি ফ্যাসিবাদী মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

১৯৪৫ – ভারত জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে।

১৯৫২ – ঢাকায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৮ – স্যার অ্যাডমন্ড হিলারি দক্ষিণ মেরুতে পদার্পণ করেন।

১৯৭৩ – কেনিয়ায় হাতি শিকার ও হাতির দাঁতের ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৮২ – পর্তুগালে আট বছরের সামরিক শাসনের অবসান ঘটে।

১৯৮৩ – পূর্ব তুরস্কে ভূমিকম্পে ১২শ লোক মৃত্যু বরণ করে।

১৯৯১ – মার্কিন ও সোভিয়েত প্রেসিডেন্টদ্বয়ের উপস্থিতিতে মাদ্রিদে ইসরাইলি আরব ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৯২ – পৃথিবী গোলাকার বলে গ্যালিলিও গ্যালিলির মতবাদ যে সত্য ছিল, তা রোমান ক্যাথলিক চার্চ স্বীকার করে নেয় ৩৬০ বছর পর।

১৮৬৪ – অস্ট্রিয়ার সম্রাট এবং প্রুশিয়া ও ডেনমার্কের রাজা দ্বয়ের মধ্যে ঐতিহাসিক ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৯১ – জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – ক্লিফোর্ড গার্টস, মার্কিন নৃবিজ্ঞানী।

ক্লিফোর্ড গার্টস একজন মার্কিন নৃবিজ্ঞানী। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির প্রিন্সটনে অবস্থিত ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

২০১০ –  হ্যারি মুলিসচ, ডাচ লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৯১০ – অঁরি দ্যুনঁ, সুইস ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী।

১৯১৫ – জেরি হ্যাজলিট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৩৬ – টেডি উইনিয়ার্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার ও ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা।

এডওয়ার্ড জর্জ উইনিয়ার্ড, ডিএসও, ওবিই (ইংরেজি: Teddy Wynyard; জন্ম: ১ এপ্রিল, ১৮৬১ – মৃত্যু: ৩০ অক্টোবর, ১৯৩৬) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সাহারানপুর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা ছিলেন।[১] ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৮৯৬ থেকে ১৯০৬ সময়কালে ইংল্যান্ড দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

 

১৯৬১ –  লুইজি ইনাউডি, ইতালিয় অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ইতালীয় প্রজাতন্ত্রের ২য় প্রেসিডেন্ট।

 

১৯৬৮ – কনরাড রিক্টার, মার্কিন ঔপন্যাসিক।

কনরাড মাইকেল রিক্টার ছিলেন একজন মার্কিন ঔপন্যাসিক। তার সাহিত্যকর্মসমূহ বিভিন্ন সময়কালের মার্কিন জীবন নিয়ে রচিত। তার দ্য অ্যাওয়েকেনিং ল্যান্ড ত্রয়ীর শেষ গল্প দ্য টাউন ১৯৫১ সালে কথাসাহিত্যে পুলিৎজার পুরস্কার অর্জন করে। তার দ্য ওয়াটার্স অব ক্রনস ১৯৬১ সালে কথাসাহিত্যে ন্যাশনাল বুক পুরস্কার অর্জন করে।

 

১৯৬৯ – ভিক রিচার্ডসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৭৫ –  গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

 

১৯৮৫ – ফজলে লোহানী, বাংলাদেশী সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব।

ফজলে লোহানী বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। বিটিভির ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান যদি কিছু মনে না করেন-এর উপস্থাপক হিসেবে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তার ভাই ফতেহ লোহানী ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৮৮ – তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী), প্রখ্যাত বাঙালি নাট্য ব্যক্তিত্ব।

 

১৮৯৩ –  কানাডা জন অ্যাবট, কানাডিয়ান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রধানমন্ত্রী।

স্যার জন জোসেফ ক্যাল্ডওয়েল অ্যাবট (মার্চ 12, 1821 – অক্টোবর 30, 1893) ছিলেন একজন কানাডিয়ান আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ যিনি 1891 থেকে 1892 সাল পর্যন্ত কানাডার তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৭৭৫ – তুর্কি সুলতান তৃতীয় ওসমান।

 

১৬২৬ –  ওয়লেব্ররড স্নেল, ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ।

Willebrord Snellius (জন্ম Willebrord Snel van Royen) (13 জুন 1580 – 30 অক্টোবর 1626) ছিলেন একজন ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ, ওরফে স্নেল।  তার নাম সাধারণত স্নেলের সূত্র নামে পরিচিত আলোর প্রতিসরণের সূত্রের সাথে যুক্ত।

 

১৫০১ – উজবেক কবি ও চিন্তানায়ক নাজিমুদ্দিন মির আলিশের নভোইয়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৯ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব স্ট্রোক দিবস

29 অক্টোবর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস পালন করা হয় স্ট্রোকের গুরুতর প্রকৃতি এবং উচ্চ হারের উপর আলোকপাত করার জন্য , এই অবস্থার প্রতিরোধ ও চিকিত্সা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং বেঁচে থাকাদের জন্য আরও ভাল যত্ন ও সহায়তা নিশ্চিত করতে। এই দিনে, বিশ্বব্যাপী সংস্থাগুলি বিশ্বব্যাপী স্ট্রোকের ক্ষতিকর প্রভাবগুলিকে উন্নত করার জন্য শিক্ষা, পরীক্ষা এবং উদ্যোগের উপর জোর দিয়ে ইভেন্টের সুবিধা দিয়েছে। বার্ষিক অনুষ্ঠানটি 2006 সালে ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন (WSO) দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং WSO 2010 সালে স্ট্রোককে একটি জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিল । এবং বিশ্ব স্ট্রোক দিবসে অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এবং অগ্রগতি সমর্থন করার জন্য আউটরিচ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – হেনরি গ্রীন, ইংরেজ লেখক।

 

১৯১১ – অনাথবন্ধু পাঁজা, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

অনাথবন্ধু পাঁজা (২৯ অক্টোবর, ১৯১১ – ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি গোপন বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স দলের সদস্য ছিলেন। পেডি ও ডগলাস নিহত হবার পর বার্জ নামে এক ইংরেজ মেদিনীপুরের ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে আসেন। ১৯৩৩ সালে ২ সেপ্টেম্বর অনাথবন্ধু পাঁজা এবং তার সঙ্গী মৃগেন্দ্রনাথ দত্ত কর্তৃক বার্জ নিহত হয়। কিন্তু পুলিসের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই এবং মৃগেন্দ্রনাথ পরদিন মারা যান।

 

১৯১৮ – কবি তালিম হোসেন।

১৯২০ – বারুজ বেনাসেরাফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভেনেজুয়েলার বংশোদ্ভূত আমেরিকান ঔষধ আবিষ্কারক।

১৯২৬ – নাজমউদ্দিন এরবাকান, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৫ – ইসাও টাকাহাটা, জাপানি পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৪১ – মতিউর রহমান (বীরশ্রেষ্ঠ), বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।

বীর শ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের অন্যতম।

 

১৯৪৭ – রবার্ট সার্ভিস, ইংরেজ ঐতিহাসিক।

রবার্ট সার্ভিস (জন্ম অক্টোবর ২৯, ১৯৪৭) একজন ইংরেজ ঐতিহাসিক। তিনি মূলত বিংশ শতাব্দীর রাশিয়া নিয়ে গবেষণা করে থাকেন। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রুশ ইতিহাসের অধ্যাপক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তার লেখা দুটি জীবনী সমালোচকদের দ্বারা বহুল প্রশংসিত হয়েছে।

 

১৯৬৪ – ইয়াসমিন লে বন, ইংরেজ মডেল।

ইয়াসমিন লে বন ( জন্ম ২৯ অক্টোবর ১৯৬৪) একজন ইংরেজ মডেল। ১৯৮০-এর দশকে তিনি সর্বাধিক উপার্জনকারী মডেলদের একজন ছিলেন এবং পপ তারকা সাইমন লে বনের স্ত্রী হিসেবেও পরিচিত ।

 

 

১৯৭১ – ম্যাথু হেডেন, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

ম্যাথু লরেন্স হেইডেন, এএম কুইন্সল্যান্ডের কিঙ্গারয় এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার হিসেবে সমগ্র ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তার শক্তিশালী ও আক্রমণধর্মী ব্যাটিং সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল।

 

১৯৮১ – রীমা সেন, ভারতীয় অভিনেত্রী।

রিমা ১৯৮১ সালের ২৯ অক্টোবর কলকাতায় বৈদ্যব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতার সেন্ট টমাস গার্লস স্কুল থেকে মাধ্যমিক জীবন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তাদের পরিবারসহ মুম্বাই-এ স্থানান্তরিত হন।

 

১৮৭৭ – উইলফ্রেড রোডস, ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

 

উইলফ্রেড রোডস ইয়র্কশায়ারের কির্কহিটনে জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ও পেশাদার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ১৮৯৯ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন।

 

১৮৭৯ – ফ্রাঞ্জ ভন পাপেন, জার্মান সৈনিক,রাজনীতিবিদ ও চ্যান্সেলর।

ফ্রাঞ্জ জোসেফ হারম্যান মাইকেল মারিয়া ভন পাপেন, এরবস্যালজার জু ওয়ার্ল আন্ড নিউওয়ার্ক ( 29 অক্টোবর 1879 – 2 মে 1969) ছিলেন একজন জার্মানরক্ষণশীলরাজনীতিবিদ,কূটনীতিক,প্রুশিয়ান সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিএবংজেনারেল স্টাফঅফিসার। তিনিজার্মানির চ্যান্সেলরএবং তারপর1933 থেকে 1934 সাল পর্যন্ত অ্যাডলফ হিটলারেরঅধীনেভাইস-চ্যান্সেলর

 

১৮৮২ – জাঁ গিরাউডউক্স, ফরাসি লেখক ও নাট্যকার।

১৮৯৭ – হিটলারের সহযোগী ও প্রচারক গোয়েবলস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৬ – রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বাংলাদেশের তত্ত্বাবধ্যায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

১৯২০ – ভারতের জাতীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, আলিগড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৩ – ঐতিহাসিক ওসমানী সাম্রাজ্যের (১২৯৯ – ১৯২৩) বিলুপ্তি ঘটিয়ে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র হিসেবে “তুরস্ক” রাষ্ট্রের পত্তন ঘটান।

১৯২৫ – সুইজারল্যান্ডের লোকোর্নোয় ১২ দিন ব্যাপী বৈঠকে লোর্কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৪ – টাঙ্গানিকা ও জাঞ্জিবারের একত্রীভূত নাম ঘোষিত হয় তাঞ্জানিয়া।

১৯৭৪ – জর্জ ফোর ম্যানকে পরাজিত করে মোহাম্মাদ আলী ক্লে শ্রেষ্ঠ বিশ্ব মুষ্টিযোদ্ধা খেতাব অর্জন করেন।

১৮৫১ – রাধাকান্ত দেব ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে কলকাতায় ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭৬ – কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৮ – কনস্টানটিনোপল চুক্তি অনুযায়ী সুয়েজ খাল অবরোধ মুক্ত হয়।

১৮৮৯ – ব্রিটিশ দক্ষিণ আফ্রিকা কোম্পানি কার্যক্রমের সনদপত্র পায়।

১৭৬২ – ফ্রেইবার্গে দ্বিতীয় ফ্রেডেরিকের নেতৃত্বে প্রুশীয়দের কাছে অষ্টয়দের পরাজয় ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – (ক) শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ একজন বাংলাদেশী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তিনি রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রাম, খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন ছয়টি ওডিআই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল ১৯৯৭ সালের জুলাইতে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে।

 

২০১৩ -(খ)  গ্রাহাম স্টার্ক, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক লাইনারে একজন পার্সারের ছেলে,  স্টার্ক ইংল্যান্ডের চেশায়ারের উইরালে নিউ ব্রাইটনে ( ওয়ালাসির অংশ ) জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ওয়ালসি গ্রামার স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং লন্ডনের লিসিয়াম থিয়েটারে প্যান্টোমাইমে 13 বছর বয়সে তার পেশাদার মঞ্চে আত্মপ্রকাশ করেন ।

 

১৯১০ – কালীপ্রসন্ন ঘোষ,বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী।

কালীপ্রসন্ন ঘোষ (২৩ জুলাই ১৮৪৩ – ২৯ অক্টোবর ১৯১০) ছিলেন একজন বাঙালী সাহিত্যিক। তিনি ছিলেন একাধারে লেখক, সাংবাদিক ও বাগ্মী।

 

১৯১১ – জোসেফ পুলিৎজার, হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রকাশক, আইনজীবী ও রাজনীতিক।

জোসেফ পুলিৎজার হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভূত খ্যাতনামা আমেরিকান সাংবাদিক ছিলেন। অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধ থেকে ঊনবিংশ শতকের সূচনালগ্ন পর্যন্ত তিনি ছিলেন একাধারে সফলতম লেখক ও সংবাদপত্র প্রকাশক। অর্জিত বিপুল অঙ্কের অর্থ কলম্বিয়া স্কুল অব জার্নালিজম যা বর্তমানে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদান করেন।

 

১৯৩৩ – ফ্রান্সের পল পাইনলেভে, ফরাসি গণিতবিদ ও রাজনীতিবিদ, ৮৪ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৯ – জর্জ গার্দিজিয়েফ, আর্মেনিয় ফরাসি সন্ন্যাসী, মনোবৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক।

 

১৯৭১ – আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ প্রাণরসায়নী।

আর্নে টিসেলিয়ুস বা আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস (ইংরেজি: Arne Tiselius বা Arne Wilhelm Kaurin Tiselius) একজন সুইডিশ প্রাণরসায়নবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৪৮ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯৮৬ – মিমিস ফোটোপুলোস, গ্রিক অভিনেতা, গায়ক ও একাডেমিক।

 

১৯৮৮ – কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক।

কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন উল্লেখযোগ্য নেত্রী। স্বাধীনতার পর ভারতীয় হস্তশিল্প, নাট্যকলাকে পুনরুজ্জীবিত করতে তাঁর নিরলস প্রয়াস অবিস্মরণীয়।

 

১৯৯৯ – গ্রেগ, বেলজিয়ান লেখক ও চিত্রকর।

১৭৮৩ – জাঁ লে রন্ড ডি’আলেম্বেরট, ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ ও দার্শনিক।

১২৬৮ – কনরাডিন, ইতালিয়ান রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস, জানুন দিনটি পালনের গুরুত্ব।

প্রতি বছর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস 29শে অক্টোবর পালিত হয় যাতে স্ট্রোকের গুরুতর প্রকৃতি এবং উচ্চ হারের উপর জোর দেওয়া হয়।  স্ট্রোক প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেও দিবসটি পালন করা হয়।

 

বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের ইতিহাস (WSD)—-

 

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক কংগ্রেসে 29শে অক্টোবর 2004-এ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  পরে 2006 সালে জনসচেতনতার জন্য দিবসটি ঘোষণা করা হয়।  2006 সালে, ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক ফেডারেশন এবং ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রোক সোসাইটি একীভূত হয়ে বিশ্ব স্ট্রোক সংস্থা তৈরি করা হয়েছিল।  সেই থেকে, ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএসও) বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের (ডব্লিউএসডি) ব্যবস্থাপনা এবং সমর্থনের যত্ন নিচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী স্ট্রোক ডেটার অগ্রগতির কারণে 1990 এর দশকে বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের তাগিদটি অস্তিত্বে আসে।  2010 সালে, ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএসও) সচেতনতার অভাব এবং প্রত্যেকের জন্য রোগ নির্ণয় এবং চিকিত্সার সঠিক অ্যাক্সেসযোগ্যতার কারণে প্রবণতা মৃত্যুর হার এবং অক্ষমতা রোধ করতে স্ট্রোককে একটি জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।  এটি অনুমান করা হয় যে, 2016 সালে, স্ট্রোকের (অকালমৃত্যুর একটি পরিমাপ) কারণে 11 কোটি 60 লাখ সম্ভাব্য জীবন মৃত্যু এবং পঙ্গুত্বের জন্য হারিয়ে গেছে।

 

বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের গুরুত্ব (WSD)—

 

বিশ্বব্যাপী, মস্তিষ্কের স্ট্রোক মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ এবং অক্ষমতার তৃতীয় প্রধান কারণ এবং মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ।  প্রতি বছর আনুমানিক ১৮ লাখ মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়।  এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলি, যার মধ্যে ভারত একটি অংশ, স্ট্রোকের ক্ষেত্রে 100 শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে যেখানে উন্নত দেশগুলি 42 শতাংশ হ্রাস পেয়েছে৷

ভারতে স্ট্রোকের গড় হার প্রতি এক লাখ (1,00,000) জনসংখ্যার 145 জন।  গবেষকদের মতে, প্রতি মিনিটে তিনজন ভারতীয় স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।

যদিও বয়স্ক বয়সের লোকেরা সাধারণত ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়, তবে এটি যে কোনও বয়সে যে কেউ হতে পারে।  ঝুঁকির কারণগুলি বোঝা এবং লক্ষণগুলি সনাক্ত করা ব্রেন স্ট্রোক প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।  একই সাথে প্রাথমিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিত্সা সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বাড়ায়।

 

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস 2023 থিম—

 

এই বছর, 2023, বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের থিম হল “একসাথে আমরা #স্ট্রোকের চেয়ে বড়।” “Together we are #Greater Than Stroke.”  এটি উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, ধূমপান, খাদ্য এবং ব্যায়ামের মতো ঝুঁকির কারণগুলির প্রতিরোধের উপর জোর দেয়, কারণ প্রায় 90% স্ট্রোক ঝুঁকির কারণগুলিকে মোকাবেলা করে প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৭ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

(ক) অকুপেশনাল থেরাপি দিবস ৷

 

(খ) অডিওভিস্যুয়াল হেরিটেজ দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – আব্বাসউদ্দিন আহমদ, প্রখ্যাত বাংলা লোকসঙ্গীত গায়ক।

 

১৯০৪ – যতীন্দ্র নাথ দাস, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

যতীন্দ্র নাথ দাস, ছিলেন একজন ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং বিপ্লবী ভগৎ সিংয়ের সহকর্মী। আত্মত্যাগী, সাহসী মানুষটি লাহোর ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হয়ে ১৯২৯ সালের ১৪ই জুন গ্রেপ্তার হন। জেলবন্দীদের অধিকারের দাবিতে ওই বছরই ১৩ই জুলাই অনশন শুরু করেন তিনি। ৬৩ দিন অনশনের পর ১৩ই সেপ্টেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে জেলেই মৃত্যু হয় তার।

 

 

১৯১৪ – ইংরেজ কবি ডিলান টমাস।

 

১৯১৫ – মৃগেন্দ্রনাথ দত্ত, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী নেতা।

মৃগেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি গোপন বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স দলের সদস্য ছিলেন। পেডি ও ডগলাস নিহত হবার পর বার্জ নামে এক ইংরেজ মেদিনীপুরের ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে আসেন।

 

১৯২০ – কে. আর. নারায়ানান, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ১০ম রাষ্ট্রপতি।

কোচেরিল রমন নারায়ানান ভারতের ১০ম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এবং ভারতের নবম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন । এযাবৎকালে তিনি সবচেয়ে বেশি বয়েসে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন ।

 

১৯৩২ – কবি সিলভিয়া প্লাথ।

১৯৪৪ – সিরাজ সিকদার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা।

 

১৯৪৭ – বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।

কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম (জন্ম: ১৪ জুন ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঘা সিদ্দিকী নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক, যিনি ভারতীয় বাহিনীর সাহায্য ব্যতিরেকেই ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঢাকা আক্রমণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন।

 

১৯৫২ – রবার্তো বেনিগনি, ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৪ – মার্ক অ্যান্থনি টেলর, সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৬৮ – ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, গায়ক, প্রতিচ্ছায়াবাদী এবং প্রযোজক দিলিপ।

 

১৯৭৭ – কুমার সাঙ্গাকারা, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার।

কুমার চোকশানাদা সাঙ্গাকারা মাতালে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার। এছাড়াও তিনি শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করছেন। এরপূর্বে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ও টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

 

১৯৮৪ – ইরফান পাঠান, ভারতীয় ক্রিকেটার।

ইরফান খান পাঠান হলেন একজন ভারতীয় ক্রিকেটার যিনি ২০০৩ সালে একদিনের আন্তর্জাতিকে আত্মপ্রকাশ করেন। বর্তমানে তিনি ভারতের ওয়ানডে ক্রিকেটে ৮ম সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক ও টোয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক।

 

১৯৮৬ -ডেভিড ওয়ার্নার, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

ডেভিড অ্যান্ড্রু ওয়ার্নার নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের প্যাডিংটনে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। খুবই দ্রুত রান সংগ্রহকারী বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। এছাড়াও দলের প্রয়োজনে উইকেট-রক্ষণেও ভূমিকা রাখেন।

 

১৯৮৭ -সেবাস্টিয়ান গাক্কি, কানাডিয়ান অভিনেতা।

১৯৯৩ – শারমিন আকতার নিপা (মাহিয়া মাহী) বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৮১১ – আইজ্যাক সিঙ্গার, মার্কিন শিল্পোপতি, সিঙ্গার কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা।

১৮৪৪ -ক্লাস পন্টুস আরনল্ডসন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

১৮৪৯ – চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়,যশস্বী বাঙালি লেখক।

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় (ইংরেজি: Chandrashekhar Mukhopadhyay) (২৭ অক্টোবর, ১৮৪৯ — ১৯ অক্টোবর, ১৯২২), বাংলার যশস্বী লেখক। প্রাবন্ধিক রূপে বিশেষ খ্যাতিমান ছিলেন তিনি।

 

১৮৫৮ – থিওডোর রুজ্‌ভেল্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম রাষ্ট্রপতি।

থিওডোর রুজ্‌ভেল্ট জুনিয়র (ইংরেজি: Theodore Roosevelt, Jr. থ়ীওডোর্‌ রৌজ়াভ়েল্ট্‌ জূনিয়ার্‌) (জন্ম:অক্টোবর ২৭, ১৮৫৮ – মৃত্যু: জানুয়ারি ৬, ১৯১৯) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম রাষ্ট্রপতি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৫ – নরওয়ে সুইডেনের কাছ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯১০ – জাপান রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক বছর যুদ্ধ পরিচালনার পর বিজয় লাভ করে এবং কোরিয় ভূখণ্ডকে নিজ দেশের সাথে সংযুক্ত করে।

১৯১৪ – ব্রিটিশ যুদ্ধ জাহাজ অডাসিয়াস ডুবে যায়।

১৯১৭- ফ্রান্সের যুদ্ধে মার্কিনীদের অংশগ্রহণ।

১৯১৯ – ভারতবর্ষে প্রথম খিলাফত দিবস পালিত হয়।

১৯৪০ – চীনের ইয়ানআন শহরে সিনহুয়া বেতারের নির্মাণকাজ শুরু হয়।

১৯৪৭ – কাশ্মীরের সার্বভৌমত্ব অধিকার করার জন্যে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ ঘটে।

১৯৫৪ – ওয়াল্ট ডিজনির প্রথম টিভি শো ডিজনিল্যান্ডের প্রিমিয়ার হয়।

১৯৫৮ – পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খান রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পাকিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৬১ – মরিতানিয়া এবং মঙ্গোলিয়া জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৬২ – যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।

১৯৭১ – কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাম বদলে জায়ারে করা হয়।

১৯৭৯ – সেন্ট ভিনসেন্টের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৮৬ – দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

১৯৮৯ – যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া রাজ্যের কাম্পোশান কারাগারে বারবার দু’টি বিরাট দাঙ্গা ঘটে, ফলে বন্দী ও পুলিশসহ মোট ১২০ জন আহত হয়, গোটা কারাগারের ১৪টি জায়গা ধ্বংস হয় ।

১৯৯১ – তুর্কমেনিস্তান সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯৯১ – বিপ্লবের [১৯৪৭] পর পোল্যান্ডে প্রথম অবাধ সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮০৩ – ফরাসিদের দ্বারা বার্লিন দখল হয়।

১৮০৬ – ফ্রান্সের সেনাবাহিনী বার্লিনে প্রবেশ করে।

১৭৭৫ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী গঠিত হয়।

১৭৯৮ – ফরাসি সেনাবাহিনী আয়ারল্যান্ড দখলের ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।

১৬৫১ – ইংরেজ সেনাবাহিনী আয়ারল্যান্ডের লিমেরিক দখল করে।

১৬৭৬ – পোল্যান্ড ও তুরস্ক শান্তিচুক্তি করে।

১৫২৬ – মোগল সম্রাট বাবর দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৪৯২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস কিউবা আবিষ্কার করেন।

১২৭৫ – আমস্টারডাম নগরীর প্রতিষ্ঠা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – তরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলার বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা মহানায়ক উত্তম কুমারের অনুজ।

তরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায় ( ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩১ – ২৭ অক্টোবর ২০০৩ ) একজন বিখ্যাত বাঙালি অভিনেতা। ইনি কিংবদন্তি নায়ক উত্তম কুমারের ভাই। বহু সিনেমায় সফল ভাবে ইনি পার্শ্বচরিত্র অভিনয় করেছেন।

 

২০০৮ -ফ্রাঙ্ক নাগাই, জাপানি গায়ক।

ফ্রাঙ্ক নাগাই (মার্চ ১৮, ১৯৩২ – অক্টোবর ২৭, ২০০৮) একজন জাপানি গায়ক ছিলেন।  তার আকর্ষণীয় ব্যারিটোন ভয়েসের জন্য পরিচিত।  তার আসল নাম ছিল কিয়োতো নাগাই ( নাগাই কিয়োতো)।

 

২০১৩ -ডারর্যকন রান্ডাল, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

 

১৯০৭ – ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় ভারতের বাঙালি ব্রহ্মবাদী ব্যক্তিত্ব,সাংবাদিক ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী।

ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি ধর্মপ্রচারক ও প্রকাশক। তিনি বেশ কয়েকটি পত্রিকা প্রকাশ ও পরিচালনা করেছিলেন। তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্বকবি আখ্যায়িত করেন। ব্রহ্মবান্ধব হুগলি জেলার খন্যানের বাসিন্দা ছিলেন। তার পিতার নাম দেবীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

১৯৩৭ – ভারতের খ্যাতনামা হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী আবদুল করিম খাঁ।

উস্তাদ আব্দুল করিম খাঁ ছিলেন একজন ভারতীয় হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী। তিনি ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের কিরানা ঘরানার স্থপতি হিসাবে চিরস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৬৮ -লিজে মাইটনার, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক।

 

১৯৭৫ – কাফি খাঁ নামে পরিচিত প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী, প্রখ্যাত বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী।

প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী (English Prafullachandra Lahiri) ( ৮ নভেম্বর ১৯০০―২৭ অক্টোবর ১৯৭৫) ‘কাফি খাঁ’ বা পিসিয়েল নামে সমধিক পরিচিত বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী। বাংলা কার্টুনে পথিকৃত গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগ্য উত্তরসূরী ছিলেন তিনি। বাংলার প্রথম এডিটোরিয়াল কার্টুনিস্ট তিনিই।

 

১৯৮০ -জন হ্যাসব্রাউক ভ্যান ভ্লেক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও গণিতবিদ।

 

১৯৯১ -জর্জ বার্কার, ইংরেজ লেখক ও কবি।

জর্জ গ্র্যানভিল বার্কার (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯১৩ – ২৭ অক্টোবর ১৯৯১) ছিলেন একজন ইংরেজ কবি , যিনি নিউ অ্যাপোক্যালিপটিক্স আন্দোলনের সাথে পরিচিত , যেটি পৌরাণিক এবং পরাবাস্তব থিম সহ ১৯৩০ এর দশকের বাস্তববাদের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। এলিজাবেথ স্মার্টের সাথে তার দীর্ঘ যোগাযোগ ছিল গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল স্টেশন আই স্যাট ডাউন অ্যান্ড ওয়েপ্টের কাল্ট-উপন্যাসের বিষয় ।

 

১৬০৫ – মোগল সম্রাট আকবর।

জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট, যিনি ১৫৫৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিষ্টাব্দ অব্দি রাজত্ব করেন। পৃথিবীর ইতিহাসে ইনি মহান শাসকদের অন্যতম হিসেবে মহামতি আকবর নামেও পরিচিত। পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে আকবর ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেন।

 

১৬৭৫ -গিলে্‌স ডে রবেরভাল, ফরাসি গণিতবিদ।

১৫০৫ – রাশিয়ার জার তৃতীয় আইভান।

১৪৪৯ -উলুগ বেগ মির্জা মোহাম্মদ তারেঘ বিন শাহরুখ, তিমুরীদ বংশীয় সুলতান এবং প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ ও গণিতবিদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব অকুপেশনাল থেরাপি দিবস ও কিছু কথা।

প্রতি বছর ২৭শে অক্টোবর বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস পালন করা হয়।  এই দিনটি পেশাগত থেরাপির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং মানুষের মঙ্গল এবং জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে পেশাগত থেরাপিস্টদের ভূমিকা প্রচার করার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

অকুপেশনাল থেরাপি হল একটি স্বাস্থ্যসেবা পেশা যা সমস্ত বয়সের ব্যক্তিদেরকে তাদের জন্য অর্থপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়াকলাপ এবং কাজগুলিতে জড়িত হতে সহায়তা করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  পেশাগত থেরাপিস্টরা এমন ব্যক্তিদের সাথে কাজ করে যাদের শারীরিক, মানসিক, উন্নয়নমূলক বা মানসিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে তাদের স্বাধীনতা অর্জনে এবং তাদের দৈনন্দিন কার্যকলাপে অংশগ্রহণের ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করার জন্য।

বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবসে, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সমস্যাগুলির বিস্তৃত পরিসরের মোকাবেলায় পেশাগত থেরাপির তাত্পর্য তুলে ধরার জন্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।  পুনর্বাসনের সুবিধার্থে পেশাগত থেরাপির ভূমিকা সম্পর্কে বোঝাপড়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সেমিনার, কর্মশালা, পাবলিক বক্তৃতা এবং প্রদর্শনী অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, বয়স্কদের সমর্থন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা করা।
পেশাগত থেরাপি কি?

 

অকুপেশনাল থেরাপি হল একটি স্বাস্থ্য পেশা যা সমস্ত বয়সের ব্যক্তিদেরকে তাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য অর্থপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় ক্রিয়াকলাপ এবং কাজগুলিতে অংশগ্রহণ করতে সহায়তা করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  পেশাগত থেরাপির প্রাথমিক লক্ষ্য হল লোকেদের স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং স্বাধীনতার প্রচার করে এমন ক্রিয়াকলাপগুলিতে জড়িত হতে সক্ষম করা।  অকুপেশনাল থেরাপিস্টরা এমন ব্যক্তিদের সাথে কাজ করে যাদের শারীরিক, জ্ঞানীয়, উন্নয়নমূলক বা মানসিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পাদন করার ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এমন বাধাগুলি অতিক্রম করতে সাহায্য করে।

 

বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবসের ইতিহাস—

 

থমাস কিডনার, একজন বিখ্যাত পেশাগত তাত্ত্বিক এবং ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য প্রমোশন অফ অকুপেশনাল থেরাপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য 27 অক্টোবর, 2010-এ দিবসটি প্রথম পালিত হয়েছিল।  সেই থেকে, এই দিনটি পেশার প্রচারের জন্য প্রতি বছর পালিত হয়ে আসছে।  বছরের পর বছর ধরে, অনেক দেশ আন্দোলনে যোগ দিয়েছে এবং কিছু দেশে অক্টোবরে দিবস বা পেশাগত থেরাপি সপ্তাহ উদযাপন করছে, এই বিবেচনায় যে এই তারিখটি বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলতে বেছে নেওয়া হয়েছে।

 

27 অক্টোবরকে বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস হিসাবে মনোনীত করার সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল পেশাগত থেরাপিস্টদের তাদের পেশার প্রচার এবং তাদের পরিষেবার গুরুত্বের পক্ষে সমর্থন করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা।  এই দিনটি বিশ্বব্যাপী পেশাগত থেরাপি সম্প্রদায়ের জন্য তাদের কৃতিত্বগুলি উদযাপন করার, জ্ঞান এবং সর্বোত্তম অনুশীলনগুলি ভাগ করে নেওয়ার এবং ব্যক্তি, পরিবার এবং সম্প্রদায়ের উপর পেশাগত থেরাপির প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি সুযোগ হিসাবে কাজ করে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস বিভিন্ন ইভেন্ট, প্রচারাভিযান এবং বিশ্বব্যাপী অকুপেশনাল থেরাপি অ্যাসোসিয়েশন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্বারা সংগঠিত উদ্যোগ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।  এই ক্রিয়াকলাপগুলি শারীরিক, জ্ঞানীয়, বা মানসিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যক্তিদের স্বাধীন এবং পরিপূর্ণ জীবন পরিচালনা করতে সক্ষম করার জন্য পেশাগত থেরাপির তাত্পর্য তুলে ধরার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবসের বার্ষিক পালন স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসনে পেশাগত থেরাপির ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বোঝার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।  এটি বিশ্বব্যাপী অকুপেশনাল থেরাপি পেশাদারদের মধ্যে সহযোগিতা এবং যোগাযোগ বাড়াতে সাহায্য করেছে, যা পেশা এবং এর পরিষেবাগুলির অগ্রগতি এবং বিকাশের দিকে পরিচালিত করে।

 

 

 

বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস ২০২৩-এর থিম—

 

এই বছর বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস উদযাপন করবে ‘সম্প্রদায়ের মাধ্যমে ঐক্য’ থিম।  থিমটি অংশগ্রহণ এবং সম্প্রদায়ের মিথস্ক্রিয়া সহজতর করার জন্য অন্যদের সাথে একসাথে কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের ভূমিকা প্রচার করে।  একটি পেশা হিসাবে, আমরা সামগ্রিকভাবে ব্যক্তি এবং সমাজের সুবিধার জন্য অনেক গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়ের সাথে সহযোগিতা করি।

 

বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবসের তাৎপর্য—

 

অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা, রোগী এবং সম্প্রদায় সহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের জন্য ওয়ার্ল্ড অকুপেশনাল থেরাপি দিবস গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব বহন করে।  এই দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য হল:

সচেতনতা বৃদ্ধি: বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পেশাগত থেরাপির ভূমিকা এবং উপকারিতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।

অকুপেশনাল থেরাপি পরিষেবাগুলির জন্য অ্যাডভোকেসি: এই দিনটি পেশাগত থেরাপিস্টদের বিভিন্ন সেটিংস জুড়ে ব্যক্তিদের মুখোমুখি হওয়া শারীরিক, জ্ঞানীয় এবং মনোসামাজিক চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলায় তাদের পেশার গুরুত্বের পক্ষে সমর্থন করার একটি সুযোগ দেয়।

কৃতিত্ব উদযাপন: এটি বিশ্বব্যাপী পেশাগত থেরাপি সম্প্রদায়কে তাদের কৃতিত্ব উদযাপন করতে, সাফল্যের গল্প শেয়ার করতে এবং ব্যক্তি, পরিবার এবং সম্প্রদায়ের উপর পেশাগত থেরাপির হস্তক্ষেপের ইতিবাচক প্রভাব প্রদর্শন করতে দেয়।

পেশাগত উন্নয়নের প্রচার: বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস পেশাগত থেরাপিস্টদের মধ্যে চলমান পেশাদার বিকাশ এবং জ্ঞান-ভাগকে উৎসাহিত করে, ক্ষেত্রের সেরা অনুশীলন এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতির বিনিময়কে উৎসাহিত করে।

ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন: পেশাগত থেরাপি হস্তক্ষেপ কীভাবে তাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে, কার্যকরী ক্ষমতার উন্নতি করতে এবং তাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করে তা তুলে ধরে এই দিনটি শারীরিক বা মানসিক চ্যালেঞ্জে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নের উপর জোর দেয়।

কমিউনিটি এনগেজমেন্ট: এটি পেশাগত থেরাপিস্ট এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করে, পেশাগত থেরাপি পরিষেবার মূল্য এবং সামাজিক কল্যাণে তাদের অবদান সম্পর্কে গভীর বোঝার প্রচার করে সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে সহজ করে।

বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা: বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবস পেশাগত থেরাপি সংস্থাগুলির মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সহযোগিতার প্রচার করে, বিশ্বব্যাপী পেশাগত থেরাপির ক্ষেত্রকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ধারণার আদান-প্রদান, গবেষণার ফলাফল এবং সংস্থানকে উৎসাহিত করে।

নীতি সমর্থনের জন্য অ্যাডভোকেসি: এটি পেশাগত থেরাপি পরিষেবাগুলির অ্যাক্সেসযোগ্যতা এবং গুণমান উন্নত করার জন্য নীতি সহায়তা এবং অর্থায়নের জন্য ওকালতি করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে, এটি নিশ্চিত করে যে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ এবং সহায়তার অ্যাক্সেস রয়েছে।

বিশ্ব পেশাগত থেরাপি দিবসের তাৎপর্যকে স্বীকৃতি দিয়ে, স্টেকহোল্ডাররা সম্মিলিতভাবে বিশ্বব্যাপী ব্যক্তি এবং সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং মঙ্গল বৃদ্ধিতে পেশাগত থেরাপির গুরুত্ব প্রচারের দিকে কাজ করতে পারে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জানুন অডিওভিস্যুয়াল হেরিটেজ দিবস কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

অডিওভিজ্যুয়াল নথি, যেমন ফিল্ম, রেডিও এবং টেলিভিশন প্রোগ্রাম, অডিও এবং ভিডিও রেকর্ডিং, ২০ এবং ২১ শতকের প্রাথমিক রেকর্ড ধারণ করে। বিশ্বব্যাপী পালিত অডিওভিজ্যুয়াল হেরিটেজের জন্য বিশ্ব দিবস, বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অডিওভিজ্যুয়াল উপাদান সংরক্ষণের গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া।  অডিওভিজ্যুয়াল হেরিটেজে শুধুমাত্র চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং রেডিও নয় বরং রেকর্ডিং, ফটোগ্রাফ এবং ডিজিটাইজড আর্কাইভগুলিও অন্তর্ভুক্ত যা আমরা আমাদের অতীতকে কীভাবে বুঝি, আমাদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিচয়গুলিকে রূপদান করি তা জানায় এবং প্রভাবিত করে৷  এই দিনটি এই উপকরণগুলির দুর্বলতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তাদের রক্ষা করার জরুরি প্রয়োজন।
অডিওভিজ্যুয়াল হেরিটেজের জন্য বিশ্ব দিবসের ধারণাটি ২০০৫ সালে জাতিসংঘের শিক্ষাগত, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (UNESCO) দ্বারা শুরু হয়েছিল। ভারতে, এই দিনটির তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ দেশটি একটি সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অধিকারী যা এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।  বিভিন্ন অডিওভিজ্যুয়াল উপায়।  ভারতীয় চলচ্চিত্রের, বিশেষ করে, একটি দীর্ঘ এবং বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে, যার শুরু প্রথম পূর্ণ-দৈর্ঘ্যের ফিচার ফিল্ম, “রাজা হরিশ্চন্দ্র”, যা ১৯১৩ সালে মুক্তি পায়। তখন থেকে, সিনেমা ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করেছে, ভাষাগত এবং  আঞ্চলিক বাধা।  ঐতিহ্যগত শিল্প ফর্ম, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, নৃত্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্কৃতিতেও উল্লেখযোগ্য অডিওভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টেশন রয়েছে, যা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
ভারতে, ফিল্ম আর্কাইভ, জাদুঘর, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য নিবেদিত অন্যান্য সংস্থা দ্বারা সংগঠিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অডিওভিজ্যুয়াল হেরিটেজের জন্য বিশ্ব দিবস পালন করা হয়।  এই উদ্যোগগুলি সচেতনতা বৃদ্ধি, সংরক্ষণ কৌশলগুলির উপর কর্মশালা পরিচালনা এবং বিশেষ স্ক্রীনিং বা প্রদর্শনীর মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা এবং সংরক্ষণাগারভুক্ত সামগ্রী প্রদর্শনের উপর ফোকাস করে।  বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভারতের সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণের তাৎপর্যের উপর জোর দিয়ে প্রতি বছর ২৭ অক্টোবর অডিওভিজ্যুয়াল হেরিটেজের জন্য বিশ্ব দিবস পালন করা হয়।

 

২০২৩ সালের অডিওভিজ্যুয়াল হেরিটেজের জন্য বিশ্ব দিবস ২৭ অক্টোবর “বিশ্বের কাছে আপনার জানালা” থিমের অধীনে পালিত হবে।The 2023 World Day for Audiovisual Heritage will be celebrated on 27 October under the theme “Your Window to the World”.  উদযাপনটি হল  UNESCO এবং অডিওভিজ্যুয়াল আর্কাইভস অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়কারী কাউন্সিলের (CCAAA) মূল উদ্যোগ যা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আমাদের ঐতিহ্যকে রক্ষা করে এমন অডিওভিজ্যুয়াল সংরক্ষণ পেশাদার এবং প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানানোর জন্য।  বিশ্বের কাছে একটি জানালা হিসাবে, অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য আমাদের এমন ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে সক্ষম করে যেগুলিতে আমরা উপস্থিত হই না, অতীতের কণ্ঠস্বর শুনতে এবং এমন আখ্যান তৈরি করে যা তথ্য দেয় এবং বিনোদন দেয়।  ফিল্ম এবং ভিডিওতে ক্যাপচার করা রেকর্ড করা শব্দ এবং ভিজ্যুয়াল ইমেজের অন্বেষণের মাধ্যমে, আমরা কেবল সাংস্কৃতিক সম্পদের জন্য উপলব্ধিই করি না বরং এটি থেকে মূল্যবান পাঠও অর্জন করি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This