Categories
রিভিউ

আজ ২৬ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৬ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৬ – ফ্রাসোয়া মিটেরান্ড, ফরাসি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ২১ তম রাষ্ট্রপতি।

François Marie Adrien Maurice Mitterrand (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারী ১৯৯৬) ১৯৮১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, ফ্রান্সের ইতিহাসে সেই পদের দীর্ঘতম ধারক।  সোশ্যালিস্ট পার্টির প্রথম সেক্রেটারি হিসেবে, তিনিই প্রথম বামপন্থী রাজনীতিবিদ যিনি পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের অধীনে রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করেছিলেন।

 

১৯১৯ –  ইরানের শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভী।

 

১৯২৭ – শ্রীস্বপন কুমার, শ্রীভৃগু, ডাক্তার এস এন পাণ্ডে নামে পরিচিত গোয়েন্দা কাহিনীকার,জ্যোতিষী ও ডাক্তার সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে।

দীপক চ্যাটার্জী নামক গোয়েন্দার সৃষ্টিকর্তার আসল নাম সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে বা এস এন পান্ডে। তিনি আর জি কর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ডাক্তারি পড়তেন। এস এন পান্ডের নামে চিকিৎসা বিদ্যার ওপরেও বই আছে একাধিক। স্বপনকুমার নামে এই রহস্য-রোমাঞ্চ কাহিনীগুলি তিনি লিখতেন। আবার তিনি শ্রীভৃগু নামেও জ্যোতিষ মহলে খ্যাত ছিলেন।[৩

 

 

১৯৪৭ – যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি হিলারি রডহাম ক্লিন্টন।

হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন পররাষ্ট্রসচিব। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য, এবং নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সিনেটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। হিলারি ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি বিল ক্লিনটনের স্ত্রী।

 

১৯৫২ – অ্যান্ড্রু মোশন, ইংরেজ কবি ও লেখক।

স্যার অ্যান্ড্রু মোশন (জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৯৫২) হলেন একজন ইংরেজ কবি, ঔপন্যাসিক এবং জীবনীকার, যিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত কবি বিজয়ী ছিলেন। তার বিজয়ী হওয়ার সময়, মোশন কবিতা আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা কবিতা এবং অডিও রেকর্ডিংয়ের একটি অনলাইন সম্পদ।  কবিরা তাদের নিজস্ব কাজ পড়ছেন।  ২০১২ সালে, তিনি বিল ব্রাইসনের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করে গ্রামীণ ইংল্যান্ডকে রক্ষা করার প্রচারণার সভাপতি হন।

 

১৯৬৫ – আরুন ক্বক, হংকং গায়ক, ড্যান্সার ও অভিনেতা।

১৯৭২ – রিয়াজ, বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৭৪ –  ভারতীয় অভিনেত্রী, প্রযোজক এবং সাবেক মডেল রবিনা ট্যান্ডন।

রবীনা ট্যান্ডন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, প্রযোজক, এবং প্রাক্তন মডেল। তিনি প্রাথমিকভাবে বলিউড চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, যদিও তিনি কয়েকটি তেলুগু, তামিল, কন্নড় ও বাংলা চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন। ২০২৩ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯৮২ – নিকোলা অ্যাডামস, ইংরেজ মুষ্টিযোদ্ধা।

 

১৯৮৫ –  ভারতীয় অভিনেত্রী অসিন।

অসিন থোট্টুমকাল (জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৯৮৫), অসিন নামে পরিচিত, একজন ভারতীয় প্রাক্তন অভিনেত্রী যিনি প্রধানত তামিল, হিন্দি এবং তেলেগু ছবিতে অভিনয় করেছিলেন।  তিনি একজন প্রশিক্ষিত ভরতনাট্যম নৃত্যশিল্পী।  তিনি তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন।  তিনি দক্ষিণ ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তার অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন, কিন্তু পরে তার মনোযোগ বলিউডে স্থানান্তরিত করেছিলেন।  তিনি আটটি ভাষায় কথা বলেন।

 

১৯৯২ –  দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আমালা পল।

অমলা পল (জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৯৯১) হল একজন ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি প্রধানত তামিল, মালয়ালম এবং তেলুগু ছবিতে অভিনয় করেন।  তিনি মালায়ালাম চলচ্চিত্র নীলথামারা (২০০৯) এর মাধ্যমে তার অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন।  তিনি ময়না (২০১০) ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য সেরা অভিনেত্রীর জন্য তামিলনাড়ু রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছিলেন।

 

১৯৯৪ – আলিএ ডে-বেরয়, আমেরিকান অভিনেত্রী।

 

১৮০১ – বাংলার অগ্রগণ্য সমাজপতি মহারাজা রমানাথ ঠাকুর।

মহারাজা রমানাথ ঠাকুর ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর কলকাতার এক অগ্রগণ্য সমাজপতি। তিনি ঠাকুর পরিবারের জোড়াসাঁকো শাখার নীলমণি ঠাকুর এর পুত্র, দ্বারকানাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ ভ্রাতা এবং প্রসন্নকুমার ঠাকুরের জ্ঞাতিভ্রাতা। পরবর্তীকালে তিনি কলকাতার বটতলা অঞ্চলে পারিবারিক সম্পত্তির অধিকারী হন।

 

 

১৮৭৩ – আবুল কাশেম ফজলুল হক, অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

আবুল কাসেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ – ২৭ এপ্রিল ১৯৬২), যিনি শের-ই-বাংলা (বাংলার সিংহ) নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি ছিলেন একজন বাঙালি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ যিনি লাহোর প্রস্তাব পেশ করেছিলেন যার উদ্দেশ্য ছিল একটি স্বাধীন পাকিস্তান তৈরি করা।  তিনি ব্রিটিশ রাজের সময় বাংলার প্রথম এবং দীর্ঘতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৮৭৯ –  রুশ বিপ্লবী নেতা লিও ট্রটস্কি।

১৮৮০ – আন্দ্রে বেলি, রুশ দেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক।

 

১৮৮১ – বীরেন্দ্রনাথ শাসমল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা।

বীরেন্দ্রনাথ শাসমল (২৬ অক্টোবর ১৮৮১ – ২৪ নভেম্বর ১৯৩৪) একজন আইনজীবী এবং রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।  দেশের প্রতি ভালবাসা ও কাজ এবং স্বদেশী আন্দোলনে তার প্রচেষ্টার জন্য তিনি মেদিনীপুরের “দ্য আনক্রাউনড কিং” এবং “দেশপ্রাণ” নামে পরিচিত ছিলেন।

 

১৮৮৮ – মোহিতলাল মজুমদার, বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত বাঙালি ও সাহিত্য সমালোচক।

মোহিতলাল মজুমদার (জন্ম : ২৬শে অক্টোবর, ১৮৮৮ – মৃত্যু : ২৬শে জুলাই, ১৯৫২) বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি এবং সাহিত্য সমালোচক। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রবন্ধকার ছিলেন। গভীর অন্তর্দৃষ্টি, নিপুণ বিশ্লেষণ ও ভাব-গম্ভীর ভাষার মহিমায় মোহিতলালের সমালোচনাধর্মী গ্রন্থগুলো ধ্রুপদী সাহিত্যের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।

 

১৮৯০ –  ভারতীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ গণেশ শংকর ভর।

১৭৫৭ –  অস্ট্রিয়ান দার্শনিক কার্ল লিওনহার্ড রেইনহোল্ড।

১৭৫৯ – জর্জ দান্টন, ফরাসি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, বিচার ও মন্ত্রী।

১৬৭৩ – ডিমি্ট্রি কান্টেমির, মল্দাভিয়ান ভূগোলবিদ, ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।

১৫৬৪ – হান্স লিও হাসলের, জার্মান অর্গানবাদক ও সুরকার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০০ –  নিউ ইয়ার্ক সাবওয়ের প্রথমভাগ খুলে দেওয়া হয়।

১৯১২ –  টেমসের নিচে উলউইচ টানেল খুলে দেওয়া হয়।

১৯২১ –  সলোমন পোর্টর হুড লাইবেরিয়ার মন্ত্রী হন।

১৯২১ –  শিকাগো থিয়েটার খুলে দেওয়া হয় ।

১৯২২ –  চাপের মুখে ইতালির মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করে।

১৯৩৪ – মহাত্মা গান্ধীর উদ্যোগে গ্রামীণ শিল্প সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৬ – মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে চীনে লংমার্চ শুরু।

১৯৪১ –  আমেরিকায় সঞ্চয়পত্র বিক্রি শুরু হয়।

১৯৪৭ –  ইরাক ব্রিটিশ সেনাদের দখল থেকে মুক্ত হয়।

১৯৪৭ –  ব্রিটেন থেকে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা অর্জনের সময় কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের রাজা এই অঞ্চলকে ভারতের অংশ বলে ঘোষণা করেন।

১৯৪৯ –  প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রম্যান ন্যূনতম মজুরি ৪০ সেন্ট থেকে বাড়িয়ে ৭৫ সেন্ট করেন।

১৯৫০ – মাদার টেরিজা ভারতের কলকাতা শহরে মিশনারিজ অব চ্যারিটি নামে একটি সেবা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৫২ –  পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন গঠিত হয়।

১৯৫৫ –  অস্ট্রিয়ার স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৫ –  ভিলেজ ভয়েসের প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়।

১৯৫৫ –  মার্কিন সরকারসহ পশ্চিমা সরকারগুলোর ষড়যন্ত্রে দক্ষিণ ভিয়েতনাম গঠন করা হয়।

১৯৫৬ – আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা গঠিত হয়।

১৯৫৯ –  পাকিস্তান সরকার মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ জারি করে।

১৯৬২ – ভারত-চীন যুদ্ধের সময় সারা ভারতে প্রথম জরুরি অবস্থা জারি করা হয় ।

১৯৭১ – চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৮৮ –  ব্রিটেনের ‘বুকার প্রাইজ’ পান অস্ট্রেলীয় কথা শিল্পী পিটার কেরি।

১৯৯৪ –  জর্দানের বাদশাহ হোসেন মার্কিন সরকারের মধ্যস্থতায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের সাথে আপোস চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

১৮১৪ –  ভারতের গভর্নর জেনারেল নেপালী গুর্খাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

১৮৬৩ –  ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়। ব্রিটেনের ফুটবল সমিতি লণ্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ফুটবল খেলার প্রথম নিয়মাবলী প্রণয়ন করা হয়, তাতে আধুনিক ফুটবলের জন্ম ঘোষিত হয়। পরে এই দিনকেই আধুনিক ফুটবলের জন্মদিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

১৮৬৩ –  জেনেভায় সংগঠিত হয় বিশ্ব রেড ক্রস।

১৮৯৬ –  আবিসিনিয়া ও ইতালি শান্তি চুক্তি করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – আর্থার কর্ণবার্গ, নোবেল পুরস্কার আমেরিকান প্রাণরসায়নী।

আর্থার কর্নবার্গ (মার্চ ৩, ১৯১৮ – অক্টোবর ২৬, ২০০৭) ছিলেন একজন আমেরিকান বায়োকেমিস্ট যিনি ১৯৫৯ সালে রিবোনিউক্লিক অ্যাসিড এবং লেইক ডিঅক্সিস অ্যাসিড এবং লেইক অ্যাসিডের সাথে জৈব সংশ্লেষণের প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ১৯৫৯ সালে শারীরবিদ্যা বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন।  নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক সেভেরো ওচোয়া।  তিনি ১৯৫১ সালে আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি থেকে এনজাইম রসায়নে পল-লুইস পুরস্কারে ভূষিত হন, একটি L.H.D.  ১৯৬২ সালে ইয়েশিভা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি এবং ১৯৭৯ সালে বিজ্ঞানের জাতীয় পদক। ১৯৯১ সালে, কর্নবার্গ আমেরিকান একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টের গোল্ডেন প্লেট পুরস্কার এবং ১৯৯৫ সালে গার্ডনার ফাউন্ডেশন পুরস্কার পান।

 

২০১৩- আমেরিকান গায়ক, গীতিকার এবং প্রযোজক আল জনসন।

২০২২ – স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯০৯ – ইটো হিরবুমি, জাপানি রাজনীতিবিদ, জাপান ১ম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯১৭ – বাংলা চলচ্চিত্রের প্রাণপুরুষ হীরালাল সেন।

হীরালাল সেন ছিলেন একজন বাঙালি চিত্রগ্রাহক, যাঁকে সাধারণত ভারতের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একজন বলে গণ্য করা হয়। এছাড়া, তাকে ভারতের সর্বপ্রথম বিজ্ঞাপনবিষয়ক চলচ্চিত্রের নির্মাতা বলেও গণ্য করা হয়। সম্ভবতঃ ভারতের প্রথম রাজনীতিক ছবিও তিনিই বানিয়েছিলেন। ১৯১৭ সালে এক অগ্নিকাণ্ডে তার তৈরি সকল চলচ্চিত্র নষ্ট হয়ে যায়।

 

১৯৪৬ – কিথ হোপউড, ইংরেজ গায়ক, গীতিকার, গিটারিস্ট ও প্রযোজক।

১৯৫৭ – গেরট্য কোরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী।

১৯৫৯ – জার্মান ফুটবলার আন্দ্রিয়াস হিনযে।

 

১৯৭৭ – জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও গায়ক।

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র (নভেম্বর ১১, ১৯১১ – অক্টোবর ২৬, ১৯৭৭; বঙ্গাব্দ অগ্রহায়ণ ৪, ১৩১৮ – কার্তিক ১১, ১৩৮৪) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক, গায়ক। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম।

 

১৯৭৯- দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি পার্ক চুং হি আততায়ীর হাতে নিহত।

১৯৮৯- ১৯৮৭ সালে নোবেলজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ চার্লস জন পেডারসেন।

১৯৯৫ –  ফিলিস্তিন ইসলামী জিহাদ দলের মহাসচিব ডঃ ফাতহি শাক্বাকি ইসরাইলী।

১৮৮০ – এন্ডরেই বেল্য, রাশিয়ান লেখক, কবি ও সমালোচক।

১৭৬৪ – উইলিয়াম হগারথ, ইংরেজ চিত্রশিল্পী ও খোদকার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের জনপ্রিয়তায় আজও জন জোয়ারে রাজবাড়ী, দেবীকে বরণ ডালা দিয়ে বরণ করে সিঁদুর খেলায় মাতলেন রাজবাড়ীর রানিমা।

বিষাদের সুরে উমাকে বিদায়, সকাল থেকেই রাজ বাড়িতে ডালি হাতে নিয়ে হাজার হাজার দর্শনার্থীদের ভিড়। ভক্তবৃন্দদের সাথে সিঁদুর খেলায় মাতলেন রাজবাড়ীর রানিমা।

 

 

নদীয়ার কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণচন্দ্র রাজার রাজগৃহে দেবী দুর্গার আরাধনায় মাতোয়ারা হয় গোটা কৃষ্ণনগরবাসী। পূজার পাঁচটা দিন সকাল থেকে রাত্রি কাতারের কাতারের ভক্তদের আনাগোনা লেগেই থাকে রাজবাড়ীতে। তবে দশমীর দিন এক অন্য চিত্র ধরা পড়ে রাজবাড়ীতে।

 

 

শুধু নদীয়া জেলা নয় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী আসেন রানী মাকে একবার দেখার জন্য। যদিও দেবী দুর্গাকে প্রথমে বরণ করেন রাজবাড়ীর বর্তমান রানী মা অমৃতা রায়, এরপর অন্যান্য দর্শনার্থীদের বরণ করার সুযোগ মেলে। এখনো সাবিকি আনার ছোঁয়ায় যেন নজর কারে গোটা রাজবাড়ী।

 

 

তাই সিঁদুর খেলার মধ্যে দিয়ে মন ভার থাকলেও রাজবাড়ির সিঁদুর খেলায় সকলেই যে অংশগ্রহণ করতে চান তা প্রত্যেক বছর এই দশমীর দিনেই অনেকটাই বোঝা যায়।

 

 

তবে যদি নিরঞ্জনের ক্ষেত্রে রাজবাড়ির সেই চিরাচরিত নিয়ম এখনো বজায় রয়েছে। সন্ধ্যের আগেই বেয়ারা দিয়ে দেবীকে রাজবাড়ীর পুকুরে বিসর্জন করা হয়, তবে সাবেকিআনার খামতি থাকে না এক ফোটাও।

Share This
Categories
নারী কথা রিভিউ

হাটি পরিবারে, দশমীতে শিবকে খেতে দেওয়া হয় চ্যাং মাছ এবং খাওয়ানো হয় গাঁজা!

শাস্ত্রীয় রীতিনীতি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে ৭০০ বছরের হাটি বাড়ির দুর্গাপুজো আজও হয়ে আসছে পূর্বের মতোই। পরিবার সূত্রে জানা যায় পুজোর বাসনপত্র সাজ সরঞ্জাম সবকিছুই দিয়েছিলেন ডঃ বিধান চন্দ্র রায়, কারণ এই পরিবারের সঙ্গে ছিল তাঁর নিবিড় সম্পর্ক, আর ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের দেওয়া সেই সমস্ত বাসনপত্র সাজ সরঞ্জাম আজও বিরাজ করছে হাটিবাড়ির দুর্গা পুজোর মন্ডপে।

 

 

হাটিবাড়ির দুর্গাপুজোর পূর্বের রীতি অনুযায়ী দশমীর দিন অদ্ভুতভাবে পুকুর থেকে খামারে উঠে আসে একটি চ্যাং মাছ আর সেটি লাগে পূজার কাজে । প্রচলন আছে যে দেবী দুর্গা কে শিব বলেছিলেন- তোমার বাপের বাড়িতে এসে শুধুমাত্র নিরামিষ খেলাম, অন্য কিছু তো পেলাম না।

 

 

তখন দেবী দুর্গা তাকে দিয়েছিলেন একটি জীবন্ত চ্যাং মাছ এবং বলেছিলেন তুমি ফিরে গিয়ে খেও আর সেই প্রচলিত প্রবাদ থেকেই দশমীর দিন সুতো কাটার পরে চ্যাং মাছ দেওয়া হয় শিবকে এবং খাওয়ানো হয় গাঁজাও। সচরাচর এই ধরনের আচার-আচরণ দেখা যায় না দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে শুধুমাত্র হাটি পরিবারের রীতি অনুযায়ী এই ধরনের আনুষ্ঠানিক পুজো হয়ে থাকে বলেই জানা যায় পরিবার সূত্রে।

 

।।কলমে : আবদুল হাই, বাঁকুড়া।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

দশমীকে কেন বলা হয় ‘বিজয়া’? জানুন আসল কারণ।

বিজয়াদশমী বিভিন্ন কারণে পালন করা হয় এবং ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নভাবে উদযাপন করা হয়।  ভারতের দক্ষিণ, পূর্ব, উত্তর-পূর্ব এবং কিছু উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যে, বিজয়াদশমী দুর্গা পূজার সমাপ্তি চিহ্নিত করে, যা ধর্ম পুনরুদ্ধার ও রক্ষা করার জন্য মহিষের রাক্ষস মহিষাসুরের উপর দেবী দুর্গার বিজয়কে স্মরণ করে।  উত্তর, মধ্য এবং পশ্চিম রাজ্যগুলিতে, এটি রামলীলার সমাপ্তি চিহ্নিত করে এবং রাজা রাবণের উপর ভগবান রামের বিজয়কে স্মরণ করে।  বিকল্পভাবে, এটি দুর্গা বা সরস্বতীর মতো দেবীর একটি দিককে শ্রদ্ধা দেখায়।
বিজয়াদশমী উদযাপনের মধ্যে রয়েছে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ এবং কার্তিকেয়ের কাদামাটির মূর্তি নিয়ে নদী বা সমুদ্রের দিকে শোভাযাত্রা, গান ও মন্ত্রের সাথে, তারপরে ছবিগুলিকে জলে নিমজ্জিত করা হয় এবং বিদায় জানানো হয়।  অন্যত্র, অশুভের প্রতীক রাবণের সুউচ্চ মূর্তিগুলিকে আতশবাজি দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়, মন্দের ধ্বংসকে চিহ্নিত করে।  উত্সবটি আলোর গুরুত্বপূর্ণ উত্সব দীপাবলির প্রস্তুতিও শুরু করে, যা বিজয়াদশমীর বিশ দিন পরে উদযাপিত হয়।

 

পুরাণ—

প্রাচীনকালে মহিষাসুর নামে এক ভয়ঙ্কর রাক্ষস ব্রহ্মার বর পেয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠে।  তিনি স্বর্গ, নশ্বর ও পাতাল তার ক্ষমতাবলে অধিকার করেন।  এমনকি মহিষাসুর দেবতা ইন্দ্রকে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করেছিলেন।  ব্রহ্মা তাকে এমন বর দিয়েছিলেন যে কোন মানুষ তাকে হত্যা করতে পারেনি।  তাই দেবতারা সিদ্ধান্ত নিলেন যে মহিষাসুরকে বধ করতে হলে একজন নারীর সাহায্য নিতে হবে।  কিন্তু এমন নারী কোথায়?  তখন সকল দেবতার সম্মিলিত শক্তি থেকে দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে।  পুরাণে মহিষাসুর বধের কাহিনী অনুসারে নয় দিন নয় রাত যুদ্ধ করার পর শুক্লা দশমীতে মা দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেন।  এই বিজয় বিজয়া দশমী হিসাবে চিহ্নিত।

রামায়ণের গল্প—

ত্রেতা যুগে লঙ্কার রাজা দশানন রাবণ শ্রী রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতা দেবীকে অপহরণ করেছিলেন।  পূর্বাবস্থায়, দেবী দুর্গার আশীর্বাদে, রাম তার স্ত্রীকে উদ্ধার করতে লঙ্কায় যাত্রা করেন।  তিনি শুক্লা দশমীতে রাবণ বধ করেন।  রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রামের এই বিজয় বিজয়া দশমী হিসাবে চিহ্নিত।

মহাভারতের গল্প—

মহাভারতেও এই বিশেষ তিথির উল্লেখ আছে।  বারো বছরের নির্বাসন এবং এক বছরের অস্পষ্টতার পর, আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমী তিথিতে পাঁচ পাণ্ডব তাদের লুকানো অস্ত্রগুলি একটি শমী গাছের খাঁজে উদ্ধার করেন এবং নিজেদের ঘোষণা করেন।মহাভারতে বিজয়াদশমী সেই দিনটিকেও চিহ্নিত করে যেদিন পাণ্ডব যোদ্ধা অর্জুন কৌরবদের পরাজিত করেন । মহাকাব্যটি পাণ্ডব ভাইদের গল্প বলে যারা বিরাটের রাজ্য মৎস্যে গোপন পরিচয়ের অধীনে নির্বাসনের তেরো বছর অতিবাহিত করেছিল বলে জানা যায় । বিরাটে যাওয়ার আগে, তারা এক বছরের জন্য নিরাপদ রাখার জন্য শমী গাছে তাদের স্বর্গীয় অস্ত্রগুলি ঝুলিয়ে রেখেছিল বলে জানা গেছে। এই সময়েই কৌরবরা রাজ্য আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন যেখানে অর্জুন শমী গাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেন এবং সমগ্র কৌরব বাহিনীকে পরাজিত করেন।

বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারে—

অনেকের মনেই বিজয়া দশমীর আসল নাম অশোক বিজয়া দশমী।  অশোক বিজয়া দশমী মৌর্য সম্রাট অশোক বিজয়া উৎসব কলিঙ্গ যুদ্ধে বিজয়ের পর 10 দিন ধরে পালন করেছিলেন।  সেখান থেকেই বিজয়া দশমী নামটি এসেছে।  এবং শুক্লা দশমীতে তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন।  তাই এই দিনটি বৌদ্ধদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ।

বিজয়া দশমীর তাৎপর্য-

অনেকের মতে, এই দিনে দেবী মৃত মূর্তি থেকে মুক্তি পান।  তাই এটি বিজয়া দশমী নামে পরিচিত।  দেবী চিন্ময়ীকে মৃন্ময়ী রূপে চারদিন ধরে পূজা করা হয়, দশমীতে অজু করার পর দেবী দুর্গা তার থেকে মুক্তি পান।

 

পশ্চিমবঙ্গে বিজয়া দশমীকে বিজয়া দশমী হিসাবে পালন করা হয়, নবমীর পরপরই ( দুর্গা পূজার নবম এবং শেষ দিন )। এটি শোভাযাত্রার দ্বারা চিহ্নিত যেখানে প্রতিমাগুলিকে একটি পুকুর, নদী বা সমুদ্রে নিয়ে যাওয়া হয় দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর জন্য, আতশবাজি ফাটানো, নাচ, ঢোল বাজানো, সঙ্গীত এবং আনন্দের সাথে। অনেকে তাদের মুখ সিঁদুর দিয়ে চিহ্নিত করে ( সিন্দুর ) বা লাল পোশাক পরে। এটি কিছু ভক্তদের জন্য, বিশেষ করে বাঙালি হিন্দুদের জন্য এবং এমনকি অনেক নাস্তিকদের জন্য একটি আবেগপূর্ণ দিন কারণ মণ্ডলী বিদায়ের গান গায়। শোভাযাত্রাটি জলে পৌঁছলে দুর্গা ও তার চার সন্তানের মাটির মূর্তিগুলোকে বিসর্জন দেওয়া হয়; কাদামাটি দ্রবীভূত হয় এবং তারা শিবের সাথে কৈলাশ পর্বতে এবং সাধারণভাবে মহাজগতে ফিরে আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। লোকেরা মিষ্টি এবং উপহার বিতরণ করে এবং বন্ধু, আত্মীয়স্বজন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে তাদের “শুভ বিজয়া” শুভেচ্ছা জানায়।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জোশ গ্রামীণ মহিলাদের গল্প তুলে ধরতে এনজিও বিন্দি ইন্টারন্যাশনালের সাথে হাত মিলিয়েছে।

Josh, একটি ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংক্ষিপ্ত ভিডিও প্ল্যাটফর্ম, একটি বড় এবং উৎসাহী ব্যবহারকারী সম্প্রদায়ের সাথে তার আধিপত্যকে সুসংহত করে বাজারে নেতা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।  ব্যবহারকারীরা স্রষ্টা বা দর্শক হোক না কেন, তারা সর্বজনীনভাবে অ্যাপের দেওয়া সামগ্রীর প্রশংসা করে।

 

একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে, জোশ সম্প্রতি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত এনজিও, বিন্দি ইন্টারন্যাশনালের সাথে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে সহযোগিতা করেছেন, যার লক্ষ্য গ্রামীণ নারীদের গল্প তুলে ধরা এবং কীভাবে তারা জীবনে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে বিভিন্ন টেকসই কার্যক্রমে নিযুক্ত হচ্ছেন।

 

 

সহযোগিতার অংশ হিসেবে, সোম্য শেখাওয়াত, দীপ্তি শর্মা, দীপক যাদব এবং গোবিন্দ বিশুকর্মা নামে চারজন হিন্দি সম্প্রদায়ের প্রভাবশালীরা রাজস্থানের কিশানগড়ের ডিজিটাল কমিউনিটি স্কুল এবং হারমারা গ্রামের বিন্দি ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পাস উভয়ই পরিদর্শন করেছেন।

 

পরিদর্শনকালে, জোশের প্রভাবশালীরা গ্রামীণ নারীদের সাথে ডিজিটাল শিক্ষা, সৌর প্রশিক্ষণ, এবং স্যানিটারি প্যাড উৎপাদন সহ উদ্ভাবনী উদ্যোগের সাথে অর্থপূর্ণ মিথস্ক্রিয়া করেছে।  লাইভ স্ট্রীম এবং চিত্তাকর্ষক ভিডিওগুলির মাধ্যমে, তারা এই মহিলাদের দ্বারা নিযুক্ত উদ্ভাবনী পদ্ধতিগুলি তুলে ধরে।  কিশানগড়ের ডিজিটাল কমিউনিটি স্কুলে তাদের পরিদর্শনের সময়, বিষয়বস্তু নির্মাতারা শিশুদের সাথে নিযুক্ত হন এবং তাদের চিত্তাকর্ষক ডিজিটাল সাক্ষরতা দেখে বিস্মিত হন।  সহযোগিতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে, বিন্দি ইন্টারন্যাশনালের হেড অফ কমিউনিকেশনস, স্বপ্না সরিতা মোহান্তি বলেন, “জোশের মাধ্যমে, আমরা আমাদের এনজিও এবং এই গ্রামীণ মহিলাদের দূর-দূরান্তে গৃহীত উদ্যোগগুলিকে তুলে ধরতে সোশ্যাল মিডিয়া এবং প্রভাবশালী বিপণনের শক্তিকে কাজে লাগাতে চাই৷  আমরা আশা করি এই একীকরণ এই ধরনের বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সম্প্রদায়ের মনোবলকে এগিয়ে আসতে এবং তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।”

 

 

জোশ অ্যাপটিতে #WonderWomen প্রচারাভিযান প্রবর্তন করেছেন, বিষয়বস্তু নির্মাতাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে লোকেরা কীভাবে এগিয়ে যেতে পারে এবং এই শক্তিশালী মহিলাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে পারে তা আলোকিত করতে।  জোশের স্রষ্টা গোবিন্দ, যিনি দিল্লি থেকে সমস্ত পথ বিন্দি ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন, তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং বলেছেন, “আমাকে এমন একটি হৃদয়গ্রাহী উদ্যোগের অংশ করার জন্য আমি জোশের কাছে কৃতজ্ঞ। এই গ্রামীণ মহিলাদের সাথে যোগাযোগ করা খুবই আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা ছিল।  এবং বাচ্চারা।”

 

Here is the challenge link:

https://share.myjosh.in/challenge/edb40945-053b-43f7-8434-479a82e626f6 Josh creators beautifully captured their on-ground visit. Here are the links: https://share.myjosh.in/video/947ee379-e4bb-478f-b48b-68d1e9c493c6?u=0xed5455a5ab39e987 https://share.myjosh.in/content/30822679-ae04-47cf-89af-2941eba647fe?ref_action=click&flow_id=36affe17-6334-4453-a5a8-445a640b4066 https://share.myjosh.in/content/9a45d49e-d591-4ff2-a245-aeb065759fcd?ref_action=click&flow_id=e14cdf22-31bb-49e7-a9c0-498bd8905589 https://share.myjosh.in/content/79f89416-89a3-49fa-b2ff-27333615b009?ref_action=click&flow_id=69ae59b9-2539-4374-80a2-997827e6cee8

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

পূর্বপুরুষের শতবর্ষ প্রাচীন দুর্গাপূজার ঐতিহ্য পরম্পরা ধরে রাখতে লন্ডন থেকে এ প্রজন্মের সাহেব মেমেরা শান্তিপুরের আগা বাড়িতে।

লন্ডনের বাসিন্দা এরিন ,জেনি ,সাশা এরা কেউই জন্মসূত্রে ভারতীয় নয়, এমনকি তার মা দেবী পাল বর্নও নয়, তবে দাদু উৎপলেন্দু পাল নদীয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা ছিলেন। আর সেই সূত্রেই হয়তো তাদের রক্তে বইছে বাঙালিয়ানা। তাইতো সুদূর লন্ডন থেকে দাদুর সাথে বাবা লরেন্স মা দেবিপাল এর সাথে শান্তিপুরের তিলিপাড়ায় শতবর্ষ প্রাচীন দুর্গাপূজা দেখতে এসেছে। তাদের জীবনে এই প্রথম ভারতে আসা এবং দুর্গাপূজা দেখাও। তবে মা দেবী পাল ছোটবেলায় একবারই এসছিলেন বাবা উত্তলেন্দু পালের সাথে।
তিলিপাড়ার এই বাড়ি স্থানীয় আগা বাড়ি নামেই পরিচিত। শোনা যায় উৎপলেন্দু বাবুর দাদু নগেন্দ্র পাল একসময় বাংলাদেশের বাসিন্দা ছিলেন সেখানেই জমিদারদের বিভিন্ন কাজে নিযুক্ত শ্রমিকদের তত্ত্বাবধান করতেন পালকির আগে আগে চলতেন বলেই জমিদারদের দেওয়া উপাধি “আগা”।
তবে উৎপলেন্দু বাবু ছোট থাকাকালীন তার বাবা প্রবোধ রঞ্জন পালের হাত ধরে শান্তিপুরে আসা। বাবার সাথে ইংরেজদের সুসম্পর্কের কারণে তিনি আসামসহ দেশের বাইরে ইমারতী ব্যবসায়ী হিসাবে সুপ্রসিদ্ধ হয়ে ওঠেন অল্পদিনের মধ্যেই। ছেলে উৎপলেন্দু কে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পাঠান ইউনাইটেড কিংডমে।

 

 

যদিও সেখানেই সু প্রতিষ্ঠিত হয়ে তিনি বিবাহ করেন সে দেশের মেম। চাকুরিরত সময়কালের মধ্যে কয়েক বছর বাদে বাদে কলকাতায় বাগবাজারের বাড়ি চট্টগ্রামের জমি জমা সম্পত্তি এবং শান্তিপুরের এই বাড়িসহ নতুনহাট ডাকঘর এলাকায় তাদের বিষয় সম্পত্তি দেখাশোনা করা এবং সেই সাথে এই দুর্গা পুজোর আয়োজন করতেন মাঝে মাঝে। তবে অবসর গ্রহণের পর প্রায় প্রত্যেক বছরই তিনি এই দুর্গা পুজোতে আসেন। কাটিয়ে যান দীর্ঘ সময়, থাকেন দূর্গা পূজার লক্ষ্মীপূজো কালীপুজো পর্যন্ত।
মেয়ে জামাই দু নাতনি নিয়ে আসা 89 বছর বয়সী মনের দিক থেকে তরতাজা এই যুবক উৎপলেন্দু পাল জানান,
তার ঠাকুর দাদা নগেন্দ্র পাল এই বাড়িতে দুর্গা পুজোর সূচনা করেন ছোটবেলায় এই বাড়িতে পুজোর কটা দিন এক দেড়শ পরিবার সদস্যদের ভিড় থাকতো সবসময়।

 

 

বর্তমানে পেশার কাজে বাইরে থাকার সুবাদে কিংবা এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মধ্যে আবেগ কমে যাওয়ার কারণে এখন শান্তিপুরে থাকা দুটি পরিবার কলকাতার এক পরিবার এবং লন্ডনে থাকা তাদের পরিবারের সদস্যরা এ কটা দিন একসঙ্গে মজা করেন।যদিও দুর্গাপুজোর আগে কালী পূজার সূচনা হয়, বাড়ির এই ঠাকুরদালান স্থাপিত হয়েছে ১৩৪৮ সালে অর্থাৎ ঠাকুরদালানের বয়স ৮২ বছর। কিন্তু দুর্গা বা কালি দুই পুজোই শতাব্দী প্রাচীন। তবে বাবার হাতে কার্তিক পূজার সূচনা। বাংলাদেশ থেকে এ দেশে বর্তমান এই বাড়িতে শুধুমাত্র একটি মাটির ঘর ছিলো ।
সেই সময় থেকে বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের নিমাই দাস জানান। যেহেতু শূদ্রের ঘরে দুর্গাপুজো তাই আজও তিলি পাড়ার বারোয়ারির তত্ত্বাবধানে ব্রাহ্মণ দিয়ে ভোগ রান্না করিয়ে মাকে দেওয়া হয়।
উৎপলেন্দু বাবুর ভাই স্বরাজ পালের পুত্র সৌমক এ প্রজন্মের ছেলে, তার স্ত্রী গৌরবীকে সাথে নিয়ে এ পুজোর ধারাবাহিকতা রেখে চলেছে ছোটবেলা থেকে।

 

 

মফস্বলের সকলে ঠাকুর দেখতে কলকাতা মুখি হলেও স্ত্রী পুত্রসহ পূজোর কটা দিন শান্তিপুরের বাড়ির পুজোর দিকে থাকে মন। সৌমক বলে মায়ের কাছে প্রতিবারই তিনি প্রার্থনা করেন সন্তান যেন এই পুজোর ধারাবাহিকতা আগামীতে বজায় রাখতে পারেন।
অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ননদ নন্দাই এবং তাদের মেয়েদের প্রসঙ্গে বাড়ির বউ গৌরবী বলেন, ঢাক কাঁসর উলু শঙ্খ ধ্বনি দেওয়া পুজোর যাবতীয় জোগাড় করা পর্যন্ত তারা নিজেদের আগ্রহে শিখে নিয়েছে এই দুদিনেই। বাঙালি খাদ্য খাবার থেকে শুরু করে কিছুটা ইংরেজি মেশানো কথাবার্তা এবং আকার ইঙ্গিততে ওরা আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। তবে এবার পুজোর বাড়তি পাওনা সকলকে একসাথে পাওয়ার খুশি। তবে কলকাতায় মেয়ে এবং শ্বশুর বাড়ি হয়েও আদি শশুর বাড়ি শান্তিপুরেই পূজোর সেরা আনন্দ পাওয়া যায় ।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – রাইচাঁদ বড়াল, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক।

রাইচাঁদ বড়াল (ইংরেজি:Raichand Boral) একজন বাঙালি সুরশিল্পী সঙ্গীত পরিচালক ও সঙ্গতিয়া হিসাবে খ্যাতিমান ছিলেন। তিনি ১৯৪০ ও ১৯৫০ এর দশকে অসংখ্য বাংলা ও হিন্দী চলচ্চিত্রের গানে সুরারোপ করেন। ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে অর্জন করেন।

 

১৯১০ – সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর, ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।

সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী। তিনি এক তামিল পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে তারার বিবর্তন এবং জীবন চক্র সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক আবিষ্কারের জন্য তাকে উইলিয়াম আলফ্রেড ফাউলারের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

 

১৯২৪ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি কবি।

নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি কবি। তিনি বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত আধুনিক বাংলা কবিদের অন্যতম। উলঙ্গ রাজা তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থ লেখার জন্য তিনি ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। কবি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সাথে দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন।

 

 

১৯২৮ – মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

মিজানুর রহমান চৌধুরী (১৯ অক্টোবর ১৯২৮ – ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি রাষ্ট্রপতি এরশাদের আমলে ৯ জুলাই ১৯৮৬ থেকে ২৭ মার্চ ১৯৮৮ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

 

১৯৬১ – সানি দেওল, ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক।

সানি দেওল (জন্ম অজয় সিং দেওল, ১৯ অক্টোবর, ১৯৫৬ ) একজন ভারতীয় অভিনেতা,নির্দেশক ও প্রয়োজক। তিনি বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের পুত্র ও ববি দেওলের ভাই। দেওল দুইবার করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন।

 

১৯৮৩ – রেবেকা ফার্গুসন, সুয়েডীয় অভিনেত্রী।

১৮৬৪ – ওগ্যুস্ত ল্যুমিয়ের, ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্রের অগ্রদূত।

 

১৮৯৬ – চারুচন্দ্র ভাণ্ডারী, প্রবীণ গান্ধীবাদী ও সর্বোদয় নেতা। 

চারুচন্দ্র ভাণ্ডারী (১৯ অক্টোবর ১৮৯৬ – ২৪ জুন ১৯৮৫) ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান কংগ্রেসকর্মী, প্রবীণ গান্ধীবাদী এবং সর্বোদয় নেতা। তিনি আচার্য বিনোবা ভাবের ঘনিষ্ট সহযোগী হিসাবে বাংলায় সর্বোদয় আন্দোলনের প্রধান প্রচারক ছিলেন এবং ভূদান আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নেন।

 

১৮৯৭ – সেলিমুজ্জামান সিদ্দিকী, পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী।

সলিমুজ্জামান সিদ্দিকী ( ১৯ অক্টোবর ১৮৯৭ – ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানি পণ্যের বিশেষায়িত মুহাজিস্ট বা ১৪ এপ্রিল ছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক ড করাচির ।

 

১৮৯৯ – গুয়াতেমালার নোবেলজয়ী (১৯৬৭) কথাশিল্পী মিগুয়েল আনজেল আন্তুরিয়াস।

 

১৬০৫ – টমাস ব্রাউন, ইংরেজ সাহিত্যিক।

স্যার থমাস ব্রাউন (  ১৯ অক্টোবর ১৬০৫ – ১৯ অক্টোবর ১৬৮২) ছিলেন একজন ইংরেজ পলিম্যাথ এবং বিভিন্ন কাজের লেখক যা বিজ্ঞান ও চিকিৎসা, ধর্ম এবং গুপ্ততত্ত্ব সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার ব্যাপক শিক্ষাকে প্রকাশ করে । তার লেখাগুলি প্রাকৃতিক জগতের প্রতি গভীর কৌতূহল প্রদর্শন করে , যা বেকোনিয়ান অনুসন্ধানের বৈজ্ঞানিক বিপ্লব দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং ক্লাসিক্যাল এবং বাইবেলের সূত্রগুলির পাশাপাশি তার নিজের ব্যক্তিত্বের আইডিওসিঙ্ক্রাসিসের উল্লেখ দ্বারা পরিবেষ্টিত হয় । যদিও প্রায়শই মেল্যাঙ্কোলিয়ার সাথে মিশে যাওয়া হিসাবে বর্ণনা করা হয়, ব্রাউনের লেখাগুলিও বুদ্ধি এবং সূক্ষ্ম হাস্যরসের দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, যদিও তার সাহিত্যের শৈলীটি ধারা অনুসারে বৈচিত্র্যময়, যার ফলে একটি সমৃদ্ধ, অনন্য গদ্য রয়েছে যা রুক্ষ নোটবুক পর্যবেক্ষণ থেকে পালিশ বারোক বাগ্মিতার পরিসরে রয়েছে।

 

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৩ – কামাল পাশার নেতৃত্বে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪২ – চলচ্চিত্রবিষয়ক প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘চিত্রপঞ্জি’ প্রকাশিত হয়।

১৯৪৪ – ফিলিপাইনে মার্কিন সেনাদের সাথে জাপানী সৈন্যদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯৫০ – জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়ং দখল করে।

১৯৫১ – ব্রিটেন সুয়েজ খান অঞ্চল অধিকার করে।

১৯৫৪ – একদল অস্ট্রেলীয় অভিযাত্রী কর্তৃক পৃথিবীর ষষ্ঠ উচ্চতম পর্বত চো ওইয়ু বিজয়।

১৯৬২ – ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯৬৫ – চীন-নেপাল আনুষ্ঠানিক প্রত্যক্ষডাক-ব্যবস্থা চালু হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হন্ডুরাস।

১৯৭২ – বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৭৩ – স্পেনে বন্যায় ২শ’ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৭৬ – ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলী হাসান সালামাহ্ ইহুদীবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মুসাদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে লেবাননে শাহাদাত বরণ করেন।

১৯৭৭ – দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮ টি বর্ণবাদ বিরোধী সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা।

১৯৮৩ – বামপন্থী সামরিক অভ্যুত্থানে গ্রেনেডার প্রধানমন্ত্রী মবিশ নিহত।

১৯৮৬ – দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তে বিমান দুর্ঘটনায় মোজাম্বিকের প্রেসিডেন্ট সামোর মাশেল ৩০ জন সহযাত্রীসহ নিহত হন।

১৯৮৮ – ভারতে পৃথক বিমান দুর্ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত।

১৯৯১ – বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের অবসান হয়।

১৯৯৩ – পিপলস পার্টির নেত্রী বেনজীর ভুট্টো দ্বিতীয় বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়।

১৯৯৬ – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সোনারগাঁয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর-এর উদ্বোধন হয়।

১৯৯৬ – পেইচিংয়ে চীনের প্রথম হট এয়ারশীপ ” চীন ১ নম্বর” সাফল্যের সঙ্গে আকাশে উড়ে ।

১৮১২ – প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে নেপোলিয়ন মস্কো ত্যাগে বাধ্য হন।

১৮৮৮ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।

১৭৮১ – যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ সেনা প্রধান লর্ড কর্ণওয়ালিস মার্কিন সেনা প্রধান জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করার মাধ্যমে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – বসনিয়ার বিশিষ্ট লেখক ও রাজনীতিবিদ আলী ইজ্জাত বেগুভিচ।

 

২০০৪ – কেনেথ আইভার্সন, টুরিং পুরস্কার বিজয়ী কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

কেনেথ ইউজিন আইভার্সন (ডিসেম্বর ১৭, ১৯২০, ক্যামরোজ, আলবার্টা, কানাডা – অক্টোবর ১৯, ২০০৪,  টরন্টো, ওন্টারিও, কানাডা) টুরিং পুরস্কার বিজয়ী একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী। তিনি ১৯৫৭ সালে এপিএল প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করার জন্য সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন। গাণিতিক চিহ্নসমূহ এবং প্রোগ্রামিং ভাষা তত্ত্বের ব্যাপারে তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৯ সালে তাকে টুরিং পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

 

২০১৪ – বাংলাদেশের ইতিহাসবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক সালাহ্উদ্দীন আহমদ ।

এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ ভারতীয় উপমহাদেশের খ্যাতিমান উদারবাদী, মুক্তচিন্তক ঐতিহাসিক। পেশাগত জীবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি বিশ্বাসে ও আচরণে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত এবং মুক্তচিন্তা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব। সত্য প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে সভ্যতার বীজতলা বলেই জেনেছেন।

 

২০১৮ – প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর

১৯২২ – চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়,যশস্বী বাঙালি লেখক।

১৯৩৬ – মহান চীনা সাহিত্যিক লু স্যুন ।

১৯৩৭ – আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, নিউজিল্যান্ডীয় নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৭৪- ফররুখ আহমদ,বাঙালি কবি।

সৈয়দ ফররুখ আহমদ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী কবি । এই বাঙালি কবি ‘মুসলিম রেনেসাঁর কবি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি বাংলা কাব্যজগতের সর্বাধিক সনেট রচয়িতা। তার কবিতায় বাংলার অধঃপতিত মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের অনুপ্রেরণা প্রকাশ পেয়েছে।

 

১৯৯০ – অশোকবিজয় রাহা, ভারতীয় বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক।

অশোকবিজয় রাহা (১৪ নভেম্বর ১৯১০ – ১৯ অক্টোবর ১৯৯০)ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক এবং সমালোচক। তিনি রবীন্দ্র অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন বিশ্বভারতীতে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

১৯৯৫ – জহুরুল ইসলাম, শিল্পপতি ও “ইসলাম গ্রুপ” এর প্রতিষ্ঠাতা।

জহুরুল ইসলাম (১ আগস্ট ১৯২৮ – ১৯ অক্টোবর ১৯৯৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী উদ্যোক্তা। তিনি ছিলেন “ইসলাম গ্রুপ” এর প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান।

 

১৭৪৫ – ইংরেজ সাহিত্যিক জোনাথন সুইফট ।

জোনাথন সুইফট ( জন্ম: ৩০ নভেম্বর, ১৬৬৭ – মৃত্যু: ১৯ অক্টোবর, ১৭৪৫) ছিলেন বিখ্যাত অ্যাংলো-আইরিশ প্রাবন্ধিক, ব্যাঙ্গাত্মক-কবিতা লেখক ও পাদ্রী। তিনি ডাবলিনের সেন্ট প্যাট্রিক ক্যাথেড্রালের ডীন নিযুক্ত হয়েছিলেন। ১৭২৬ সালে গালিভার’স ট্রাভেলস নামের একটি ইংরেজি উপন্যাস রচনা করে তিনি স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। এটিকে ইংরেজি সাহিত্যের একটি ধ্রুপদি গ্রন্থ মনে করা হয়। এছাড়াও, এ টেল অব এ টাব (১৭০৪) ও এ মডেস্ট প্রোপোজাল (১৭২৯) নামের ছোট গল্পগুলোও তার অবিস্মরণীয় কীর্তিরূপে স্বীকৃত। ইংরেজি সাহিত্যে সুইফটকে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাঙ্গাত্মক-কবিতা লেখক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রথমে হুইগ ও পরে কনজারভেটিভ (টোরি) দলের জন্যে ক্ষুদ্র পুস্তিকা রচনা করেছিলেন তিনি। ব্যাঙ্গাত্মক-কবিতার তুলনায় কবিতায় তিনি তেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেননি। লেমুয়েল গালিভার, আইজ্যাক বিকারস্টাফ, এমবি ড্রাপিয়ারসহ বিভিন্ন ছদ্মনামে তার সকল রচনাসমগ্র প্রকাশ করেছেন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – মিরিয়াম হপকিন্স, আমেরিকান অভিনেত্রী। 

এলেন মিরিয়াম হপকিন্স (১৮ অক্টোবর ১৯০২ – ৯ অক্টোবর ১৯৭২) ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেত্রী। তিনি ১৯৩০ সালে প্যারামাউন্ট পিকচার্সের সাথে প্রথম চুক্তিবদ্ধ হন এবং আর্নস্ট লুবিচ ও জোয়েল ম্যাক্রিয়াসহ অন্যান্য পরিচালকদের সাথে কাজ করেন। অভিনেত্রী বেটি ডেভিসের সাথে তার দীর্ঘকাল ব্যাপী দ্বন্দ্ব বিপুল আলোচিত ছিল। বেকি শার্প চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। হপকিন্স পরবর্তীকালে টেলিভিশন নাটকের অগ্রদূত হিসেবে আবির্ভূত হন।

 

১৯০৫ – ফেলিক্স হওফোয়েত-বোদরি, আইভেরিয়ান রাজনীতিবিদ এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯০৬ – শিল্প ও সাহিত্যজগতের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব লেডি রাণু মুখোপাধ্যায়। 

লেডি রাণু মুখোপাধ্যায় বা রাণু মুখার্জি (১৮ অক্টোবর , ১৯০৬ – ১৫ মার্চ , ২০০০) রবীন্দ্র অনুরাগী ভারতের শিল্প ও সাহিত্যজগৎের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তিনি ভারতের চারুকলা প্রতিষ্ঠান অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস, কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা। ফরাসি সরকারের লিজিয়ঁ দ’নরে সম্মানিতা বাঙালি মহিলা।

 

১৯১৮ – পরিতোষ সেন, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী।

পরিতোষ সেন ( অক্টোবর ১৮, ১৯১৮ – অক্টোবর ২২, ২০০৮) একজন প্রখ্যাত ভারতীয় চিত্রশিল্পী। চল্লিশের দশকে তিনি এবং আরও কয়েকজন মিলে তৈরি করেন ক্যালকাটা গ্রুপ – যা পরবর্তীতে ভারত ও বাংলার শিল্পের বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

 

১৯১৯ – পিয়ের ট্রুডো, কানাডীয় রাজনীতিবিদ এবং কানাডার ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯২০ – মেলিনা মার্কুরি, গ্রিক অভিনেত্রী, গায়িকা ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯২৫ – ইলা মিত্র, বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেতা।

ইলা মিত্র (১৮ অক্টোবর ১৯২৫- ১৩ অক্টোবর ২০০২) একজন বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেতা। তিনি মূলত তেভাগা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। বাংলার শোষিত ও বঞ্চিত কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি সংগ্রাম করেছেন। ভোগ করেছেন অমানুষিক নির্যাতন।ইলা মিত্র বিষয়ে নাচোলে আলাউদ্দীন আহমেদ বটু একটি তথ্য সমৃদ্ধ বই প্রকাশ করেন যার নাম ইলা মিত্র ও নাচোল।

 

১৯২৬ – চাক বেরি, মার্কিন গায়ক, গীতিকার এবং রক এ্যান্ড রোল সংগীতের প্রবর্তক।

১৯২৬ – ক্লাউস কিন্‌স্কি, জার্মান অভিনেতা।

 

১৯২৭ – জর্জ সি. স্কট, মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। 

জর্জ ক্যাম্পবেল স্কট (১৮ অক্টোবর ১৯২৭ – ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯) হলেন একজন মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তিনি মঞ্চে তার কাজের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ভূমিকা হল স্ট্যানলি কুবরিকের ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ অর: হাউ আই লার্ন্ডস টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য বম্ব (১৯৬৪)-এ জেনারেল বাক টারগিডসন, ফ্রাংকলিন স্ক্যাফনারের প্যাটন (১৯৭০)-এ জেনারেল জর্জ এস. প্যাটন এবং ক্লাইভ ডোনারের আ ক্রিসমাস ক্যারল (১৯৮৪)-এ এবেনেজার স্ক্রুজ।

 

১৯৩৩ – আরউইন মার্ক জ্যাকবস, তড়িৎ প্রকৌশলী।

১৯৩৯ – লি হার্ভে অসওয়াল্ড, মার্কিন রাষ্ট্রপতি জন এফ. কেনেডির আততায়ী।

 

১৯৪০ – পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র অভিনেতা।

পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং মঞ্চ অভিনেতা। তিনি বাংলায় অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সন্দীপ রায় পরিচালিত সত্যজিৎ রায়-এর গল্পের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত যেখানে ভূতের ভয় চলচ্চিত্রে তিনি তাড়িনীখুড়ো চরিত্রে অভিনয় করেছেন  । এছাড়া তিনি জি বাংলার জনপ্রিয় কমেডি অনুষ্ঠান মীরাক্কেলের ) একজন নিয়মিত বিচারক। বর্তমানে তিনি জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক বয়েই গেলোতে অভিনয় করছেন।

 

১৯৫০ – ভারতীয় এবং ব্রিটিশ অভিনেতা ওম রাজেশ পুরী।

ওম রাজেশ পুরি ওবিই (জন্ম: ১৮ অক্টোবর ১৯৫০- মৃত্যু: ৬ জানুয়ারি, ২০১৭) ছিলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি মূলত ভারতীয় এবং ব্রিটিশ মূলধারার বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে থাকেন। এছাড়াও তিনি মুক্তধারার চলচ্চিত্র, আর্ট ফিল্ম এবং হলিউডে অসাধারন অভিনয়ের খ্যাতি রয়েছে। তিনি সর্বাধিক ৪ বার ভারতীয় বেসামরিক পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

 

১৯৫২ – রয় ডায়াস, শ্রীলঙ্কার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৫৬ – মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, বিখ্যাত আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড় ও কোচ।

১৯৬১ – গ্ল্যাডস্টোন স্মল, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৬৪ – শেখ রাসেল, শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র।

১৯৬৫ – জাকির নায়েক, ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষক।

১৯৬৮ – স্টুয়ার্ট ল, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার।

১৯৭৮ – জয়তিকা সারাভানান, ভারতীয় তামিল অভিনেত্রী।

১৯৮১ – নাথান হারিৎজ, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৪ – ফ্রিডা পিন্টো, ভারতীয় অভিনেত্রী এবং মডেল।

১৯৮৪ – এস্পারেন্জা স্পলডিং, আমেরিকান জ্যাজ বেসবাদক, সেল্লোবাদক এবং গায়ক।

১৯৮৭ – জ্যাক এফ্রন, আমেরিকান অভিনেতা এবং গায়ক।

১৮০৪ – রাজা মংকুট, শ্যামদেশের (থাইল্যান্ডের) চক্রী রাজবংশের চতুর্থ রাজা ছিলেন।

১৮৫৪ – বিলি মারডক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৮৫৯ – অঁরি বের্গসন, বিশিষ্ট ফরাসি দার্শনিক।

১৮৭৫ – লেন ব্রন্ড, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৮৯৪ – এইচ. এল. ডেভিস, মার্কিন ঔপনাসিক ও কবি।

১৮৯৮ – লট্টে লেনিয়া, অস্ট্রীয়-মার্কিন অভিনেত্রী।

১৭৮৫ – টমাস লাভ পিকক, ইংরেজি ঔপন্যাসিক, কবি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – চীনের সাংহাইএ এপেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই শীর্ষ সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের মধ্যে সন্ত্রাস দমন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। চীনের তৎকালীণ প্রেসিডেন্ট চিয়াং ছে মিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ যথাক্রমে এই শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেন।

২০০২ – চীনের তথ্যকরণ নেত্রী গ্রুপ ‘ চীনের জাতীয় অর্থনীতি আর সমাজ উন্নয়নের পঞ্চম দশম পালা পরিকল্পনার তথ্যকরণ পরিকল্পনা’ প্রকাশিত হয়।

২০২০ – দীর্ঘ ৩০ বছর পর সৌদি ও ইরাকের মধ্যে স্থলসীমান্ত উন্মুক্ত করা হয়।

১৯১০ – চীনের সাংহাইএর খ্রিষ্টিন ধর্মের যু্ব সমিতির উদ্যোগে চীনের প্রথম জাতীয় গেমসের উদ্বোধন হয়।

১৯১২ – ইতালী ও তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফতের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯১২ – বুলগেরিয়া, সার্বিয়া, গ্রীস ও মন্ট্রিনিগ্রো ওসমানিয় তুর্কী সেনাদের ওপর হামলা শুরু করার মাধ্যমে প্রথম বলকান যুদ্ধ শুরু করে।

১৯৬৭ – রুশ মহাশূন্যযান ভেনাস-৪ প্রথমবারের মতো শুক্রে নিরাপদে অবতরণ করে।

১৯৭১ – পাক-ভারত সীমান্ত থেকে উভয়পক্ষের সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য মস্কোস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রস্তাব।

১৯৭২ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পদক জুলিও কুরি লাভ করেন।

১৯৭৩ – মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চা ও মেডিকেল টিম প্রেরণ করা হয়।

১৯৮৪ – আফ্রিকার মহা দেশে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় খরা দেখা দেয়। এ সব দেশের মধ্যে ইথিওপিয়ার দুর্যোগ সবচেয়ে গুরুতর। আফ্রিকার ৩৪টি দেশ সাংঘাতিক খরার শিকার হয় এবং ২৪টি দেশে অনাহার দেখা দেয়। কমপক্ষে এক কোটি লোক গৃহহারা হয়।

১৯৮৫ – দক্ষিণ আফ্রিকার বোথা সরকারের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ কবি বেঞ্জামিন মালায়েস [২৮]-এর ফাঁসি হয়।

১৯৮৫ – চীনের প্রথম জাতীয় কিশোর-কিশোরী গেমস চীনের জেনযৌ শহরে সাফল্যজনকভাবে সমাপ্ত হয়।

১৯৮৯ – পূর্ব জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান এরিক হোনেকার ক্ষমতা হারান।

১৯৯২ – চীনা কমিউনিস্ট পার্টি চতুর্দশ কংগ্রেসে সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতির প্রতি সমর্থন জানায়।

১৯৯৫ – চীনের রাজধানী পেইচিংএ চীন আর রাশিয়া দু’দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে দু’দেশের পশ্চিমাংশের সীমান্ত নির্ধারণ সংক্রান্ত চুক্তি অনুমোদন হয় ।

১৯৯৮ – এশিয়া ও প্রশান্ত মহা সাগরীয় অঞ্চলের পরিবেশ আর উন্নয়ন সম্মেলনের ষষ্ঠ বার্ষিক অধিবেশন চীনের গুয়েলিন শহরে সমাপ্ত হয়।

১৮৬৬ – রাশিয়া সরকারিভাবে আলাস্কাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়।

১৭৪৮ – গ্রেট ব্রিটেন, স্পেন ও সার্ডিনিয়ার মধ্যে ‘আইলা শাপেল’-এর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৫৬৫ – ফিলিপাইন আনুষ্ঠানিকভাবে স্পেনের উপনিবেশে পরিণত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – শঙ্কু মহারাজ প্রখ্যাত বাঙালি ভ্রমণ সাহিত্যিক। 

শঙ্কু মহারাজ (৭ মার্চ ১৯৩১ – ১৮ অক্টোবর ২০০৪; আসল নাম জ্যোর্তিময় ঘোষদস্তিদার) হলেন বাংলা সাহিত্যে সুপরিচিত ভ্রমণ কাহিনিকার।

 

২০০৫ – জনি হেইন্স, ইংরেজ ফুটবলার।

২০০৭ – লাকি ডুবে, দক্ষিণ আফ্রিকার একজন রেগে শিল্পী।

 

২০১৮ – আইয়ুব বাচ্চু, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী। 

আইয়ুব বাচ্চু (১৬ আগস্ট ১৯৬২ – ১৮ অক্টোবর ২০১৮) একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতজ্ঞ, গায়ক-গীতিকার এবং গীটারবাদক ছিলেন। তিনি রক ব্যান্ড এল আর বি এর গায়ক ও গীটারবাদক হিসেবে পুরো বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন। তাকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতের ধারায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী এবং গীটারবাদক বলা হয়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধীন চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছিলেন।

 

১৯১৪ – কবি আজিজুর রহমান।

 

১৯২৩ – মোহাম্মদ নজিবর রহমান, বাংলা ভাষার ঔপন্যাসিক।

মোহাম্মদ নজিবর রহমান (১৮৬০ – ১৮ অক্টোবর, ১৯২৩) বাংলা ভাষার একজন ঔপন্যাসিক যিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে সাহিত্যের জগতে প্রবেশ করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে একজন ঔপন্যাসিক হিসাবে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তাকে ঊনবিংশ শতাব্দীর বিকাশোন্মুখ মধ্যবিত্ত বাঙালি মুসলমান সমাজের প্রতিনিধি গণ্য করা হয়। তার আনোয়ারা উপন্যাসটি বিষাদসিন্ধুর পর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের জগতে ব্যাপক জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।

 

১৯৩১ – টমাস আলভা এডিসন, মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী।

টমাস এডিসন বা টমাস আলভা এডিসন (১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৭ – ১৮ অক্টোবর, ১৯৩১) ছিলেন মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী। তিনি গ্রামোফোন, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা বিংশ শতাব্দীর জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।

 

১৯৭৮ – রামোন মের্কাদের, স্পেনীয় সাংবাদিক, লিওন ট্রটস্কির হত্যাকারী।

Ramon Mercader (Jaime Ramón Mercader del Rio, ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯১৩ – ১৮ অক্টোবর ১৯৭৮), ছিলেন একজন স্প্যানিশ কমিউনিস্ট এবং NKVD গোপন এজেন্ট যিনি ১৯৪০ সালের আগস্টে মেক্সিকো সিটিতে বিপ্লবী লিওন ট্রটস্কিকে হত্যা করেছিলেন। মার্কাডারকে মেক্সিকো সিটিতে 9 বছর এবং 8 মাস কারাবাস করা হয়েছিল  নির্বাসিত রাশিয়ান কমিউনিস্টকে বরফের কুঠার দিয়ে হত্যা করার জন্য।

 

১৯৯৩ – শহীদ ডাঃ মিজানুর রহমান ও মোঃ বোরহান উদ্দিন শাহাদাত।

 

১৮৭১ – চার্লস ব্যাবেজ, ইংরেজ গণিতবিদ।

চার্লস ব্যাবেজ একজন ইংরেজ যন্ত্র প্রকৌশলী, গণিতবিদ, আবিষ্কারক ও দার্শনিক। তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক মনে করা করা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে দুইটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরি করেছিলেন।

 

১৬৭৮ – চিত্রশিল্পী ইয়াকপ ইয়োরদানস।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব ট্রমা দিবস৷

(খ) আন্তর্জাতিক দারিদ্র বিমোচন দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জাঁ আর্থার, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯১৫ – আর্থার মিলার, মার্কিন নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং লেখক।

১৯১৭ – মার্টিন ডনেলি, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৯১৮ – রিটা হেওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী।

১৯১৯ – ঝাও জিয়াং, চীনা রাজনীতিবিদ।

১৯২০ – মন্টগামারি ক্লিফট, মার্কিন অভিনেতা।

১৯২৫ – ড. খালিদ মাহমুদ, পাকিস্তানি বিচারক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

১৯৩৩ – উইলিয়াম অ্যান্ডার্স, হংকং বংশোদ্ভূত আমেরিকান জেনারেল ও মহাকাশচারী।

১৯৩৪ – জনি হেইন্স, ইংরেজ ফুটবলার।

১৯৩৭ – পাক্সটন হোয়াইটহেড, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৪৪ – বিভু ভট্টাচার্য, বাঙালি অভিনেতা।

১৯৪৪ – রেইনহোল্ড মেসনার, ইতালিয়ান পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী।

১৯৪৭ – বৃন্দা কারাত, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৫৫ – স্মিতা পাতিল, ভারতীয় চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চ অভিনেত্রী।

 

১৯৬৫ – অরবিন্দ ডি সিলভা, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার।

পিন্নাদুয়াগে অরবিন্দ ডি সিলভা (জন্ম: ১৭ অক্টোবর, ১৯৬৫) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার সাবেক ও বিখ্যাত ক্রিকেট তারকা ও প্রশাসক। তাকে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাটসম্যানদের একজনরূপে গণ্য করা হয়। এছাড়াও, তিনি তার সময়কালে সর্বাধিক মার্জিত রূচিসম্পন্ন খেলোয়াড় ছিলেন। অদ্যাবধি বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৩ উইকেট লাভ করেছেন অরবিন্দ ডি সিলভা। স্বল্পকালের জন্য জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান হিসেবে ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা দল থেকে পদত্যাগ করেন।

 

১৯৭০ – অনিল কুম্বলে, ভারতীয় ক্রিকেটার ও কোচ।

অনিল রাধাকৃষ্ণ কুম্বলে (জন্ম ১৭ অক্টোবর ১৯৭০) একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট কোচ এবং ধারাভাষ্যকার যিনি ১৮ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তার জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা লেগ স্পিন বোলারদের একজন হিসাবে বিবেচিত, তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ৬১৯ উইকেট নিয়েছিলেন এবং ২০২১ সাল পর্যন্ত সর্বকালের চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী।

 

১৯৭২ – ওয়াইক্লেফ জঁ, হাইতীয়-মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৭৯ – মার্ক গিলেস্পি, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৮০ – মোহাম্মদ হাফিজ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

মোহাম্মদ হাফিজ সারগোদায় জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানি ক্রিকেট খেলোয়াড়। বর্তমানে তিনি পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের টি২০ ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করছেন। ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ও মাঝে মধ্যে ডানহাতি অফস্পিন বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে থাকেন।

 

১৯৯২ – মাহনাজ সানী রাজেন,বাংলাদেশী প্রকৌশলী

১৯৯৪ – বেন ডাকেট, ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৮১৭ – সৈয়দ আহমদ খান, ভারতীয় উপমহাদেশের দার্শনিক ও রাজনীতিবীদ। 

স্যার সৈয়দ আহমদ খান বাহাদুর, সাধারণত স্যার সৈয়দ নামে সমধিক পরিচিত, ভারতের একজন বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ যিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতের মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেন।

 

১৮২৬ – বের্নহার্ট রিমান, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ।

 

১৮৭৮ – বার্লো কারকিক, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও রাগবি খেলোয়াড়। 

উইলিয়াম ” বারলো ” কারকিক (১৭ অক্টোবর ১৮৭৮ – ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৭) ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াবিদ যিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ক্রিকেট এবং ভিক্টোরিয়ার হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি এসেনডনের হয়ে ভিক্টোরিয়ান ফুটবল লীগে ( ভিএফএল) অস্ট্রেলিয়ান রুলস ফুটবল খেলেছিলেন ।

 

১৮৮৯ – সাতকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও সশস্ত্র বিপ্লবী।

সাতকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় (১৭ অক্টোবর ১৮৮৯―৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৭) ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও সশস্ত্র বিপ্লবী।

 

১৮৯০ – রয় কিলনার, ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৭৭৪ – লালন, বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। 

মানবতার সাধক ফকির লালন শাহের আজ ১৭ অক্টোবর প্রয়াণ দিবস। তাঁকে জানাই হৃদয়ের শ্রদ্ধাঞ্জলি। লালন শাহ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন, সাঁইজী লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত ছিলেন।

 

১৫৭৭ – ক্রিস্টফানো আলরি, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – দেশে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বাণিজ্যিক ভাবে কয়লা উত্তোলন শরু।

১৯০৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাইট ভ্রাতৃদ্বয় অরভিল রাইট ও উইলবার রাইট সাফল্যের সঙ্গে উড়োজাহাজের উড্ডয়ন ঘটান।

১৯০৫ – বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি।

১৯১৪ – গ্রিস ও এশিয়া মাইনরে প্রচন্ড ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯২০ – প্রবাসে [তাসখন্দে] ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

 

১৯২৪ – হিন্দু মুসলমান সম্প্রীতির জন্য মহাত্মা গান্ধীর অনশন।

১৯৩৬ – ইরান-তুরস্ক শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।

১৯৪০ – মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু হয়।

১৯৪৪ – ওস্টল্যান্ড হতে এস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৪৮ – আরব ইসরাইল যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিন সংকট বিষয়ক জাতিসঙ্ঘের মধ্যস্ততাকারী কেন্ট বার্ণাডোট বায়তুল মোকাদ্দাসে ইহুদী অধ্যুষিত এলাকায় ইহুদীবাদীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।

১৯৫৭ – মালয়েশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৬২ – গণবিরোধী হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় ছাত্র আন্দোলন ও হরতাল পালিত হয়।

১৯৬৩ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে জেনিভা নিরস্ত্রিকরণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নসহ ১৭টি দেশের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাবে সকল দেশের উদ্দেশ্যে পরমাণু অস্ত্র অথবা অন্য যে কোনো গণ বিধ্বংসী অস্ত্র পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন না করার আহ্বান জানানো হয়।

১৯৭০ – জর্দান সেনা বাহিনী ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা অভিযান শুরু করেছিল।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হন্ডুরাস।

১৯৭৪ – বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৮০ – নিকারাগুয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আনাসতোসিও সমোজা দেবাইলি প্যারাগুয়েতে নিহত হন।

১৯৮০ – ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহীদ মোহাম্মাদ আলী রাজাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে দেয়া ভাষণে তার দেশের ওপর ইরাকের ব্যর্থ সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন।

১৯৮২ – হানাদার ইসরাইলী সেনারা লেবাননের সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়গ্রহণকারী নিরিহ ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা চালায়।

১৯৮৩ – ভ্যানেসা উইলিয়াম প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মিস আমেরিকান হন।

১৯৮৮ – সিউলে ১৬০টি দেশের অংশ গ্রহণে ২৪তম অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়।

১৯৮৯ – যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনির্য়া উত্তরাঞ্চলে প্রচন্ড ভূমিকম্প হয়। অনেক সড়ক আর সেতু এই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় । এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়। তা ছাড়া, দুর্গত এলাকায় কমপক্ষে ৫০০ জন আহত।

১৯৯১ ‌ – উন্মুক্ত সোর্সকোড ভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের প্রথম সংস্করণ (0.01 Version) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়।

১৯৯১ – এস্তেনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৯৪ – চীনের শিনচিয়াংএর চিওহো প্রাচীন নগরে চীনের হ্যান রাজবংশের সমাধি সংগ্রহশালা আবিষ্কার করা হয়।

১৮৪৬ – সাপ্তাহিক ‘দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।

১৮৪৮ – সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক অরুণোদয়’ প্রকাশিত হয়।

১৮৭১ – সুইজারল্যান্ড মন্ট সেনিস রেলওয়ে টানেল উদ্বোধন করা হয়।

১৭৮৭ – ফিলাডেলফিয়ার পেনিসেলভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।

১৬৩০ – আমেরিকার বোস্টন শহর প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

 

২০২২ – মাসুম আজিজ, একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশী অভিনয়শিল্পী, নাট্যকার এবং নাট্য নির্মাতা।

মাসুম আজিজ একজন বাংলাদেশী অভিনেতা এবং নাট্য নির্মাতা। এছাড়া তার মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রে অভিনয়ের খ্যাতি রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি থিয়েটারে কাজের মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ১৯৮৫ সালে তিনি প্রথম টিভি নাটকে অভিনয় করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ৪০০ এর অধিক সংখ্যক নাটকে অভিনয় করেন।

 

১৯১৮ – গর্ডন হোয়াইট, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। 

গর্ডন চার্লস হোয়াইট (৫ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮২ – মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৯১৮) কেপ প্রদেশের পোর্ট সেন্ট জোন্সে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯০৬ থেকে ১৯১২ সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেংয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, লেগব্রেক বোলিং করতেন গর্ডন হোয়াইট।

 

১৯৩৩ – শৈলেন্দ্রচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী। 

শৈলেন্দ্রচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  (ফেব্রুয়ারি, ১৯১৪ – ১৭ অক্টোবর, ১৯৩৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি বাল্যকাল থেকেই গোপন বিপ্লবী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ১৭ বছর বয়সে আই.এস.সি. পড়ার সময় বন্দি হন। প্রথমে হিজলি বন্দিনিবাসে থাকেন। এখান থেকে বি.এ. পরীক্ষা দিয়ে ডিস্টিংশনসহ পাস করেন। পরে তাকে রাজস্থানের দেউলি বন্দীশিবিরে পাঠানো হয়। এখানে অসুস্থ হয়ে ভুল ব্যবস্থার জন্য মারা যান।

 

১৯৩৪ – নোবেলজয়ী [১৯০৬] স্পেনীয় জীববিজ্ঞানী শান্তিয়াগো রামন হাই কাজাল মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৩৭ – ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী ও লেখক।

১৯৪৮ – এমিল লুধউইক জার্মানীর খ্যাতনামা জীবনীকার।

১৯৫৪ – সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার বাঙালি লেখক ও সম্পাদক।

সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (( ১৮৯১ – ১৭ অক্টোবর, ১৯৫৪) বিংশ শতকের প্রথম দিকে অর্থাৎ প্রাক-স্বাধীনতার সময় বাংলায় তথা ভারতবর্ষের সংবাদপত্র জগতে, জাতীয়তাবাদকে সামনে রেখে নির্ভীক, তেজস্বী ও আপোসহীন সাংবাদিকতায় ও সম্পাদনায় যাঁরা দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তাদের অন্যতম ছিলেন। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রথমদিকের সম্পাদক ছিলেন তিনি। তারই সময় বাংলা সাহিত্য পত্রিকা দেশ প্রথম প্রকাশিত হয়।

 

১৯৫৮ – চার্লি টাউনসেন্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৬১ – আদনান মেন্দেরেস, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৩ – জাক আদামার, ফরাসি গণিতবিদ।

১৯৬৯ – চীনের ছিং রাজবংশের শেষ রাজা ফুই চিকিৎসার ব্যর্থতায় মারা যান।

১৯৭৭ – উইলিয়াম টলবোট, ইংরেজ উদ্ভাবক ও ফটোগ্রাফির পুরোধা।

 

১৯৮৩ – ফ্রান্সের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী রেমন্ড এ্যারন মৃত্যুবরণ করেন।

রেমন্ড ক্লদ ফার্দিনান্দ অ্যারন ( ১৪ মার্চ ১৯০৫ – ১৭ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ফরাসি দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী, রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, ঐতিহাসিক এবং সাংবাদিক, ফ্রান্সের 0তম শতাব্দীর অন্যতম প্রধান চিন্তাবিদ।

 

১৯৮৭ – আব্দুল মালেক উকিল, বাংলাদেশী আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।

 

১৯৯৩ – সাংবাদিক এস এম আলী।

 

১৯৯৭ – কার্লোস এস্কালেরাস, হন্ডুরীয় রাজনীতিবিদ ও পরিবেশবাদী। 

কার্লোস এস্কালেরাস মেজিয়া ( জন্ম: ১০ আগস্ট, ১৯৫৮ – মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৯৯৭) কোলনের তোকোয়া এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট হন্ডুরীয় রাজনীতিবিদ ও পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলনকারী ছিলেন।

 

১৯৯৮ – হাকিম সাইদ, পাকিস্তানি পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।

১৮৩৭ – জহান নেপমুক হুমেল, অস্ট্রিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

 

১৮৪৯ – ফ্রেদেরিক ফ্রান্সিস শোপাঁ, পোলিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

ফ্রেদেরিক ফ্রান্সিস শোপাঁ (১ মার্চ ১৮১০ – ১৭ অক্টোবর ১৮৪৯) ছিলেন ফ্রেঞ্চ-পোলিশ বংশোদ্ভুত সুরকার, দক্ষ পিয়ানোবাদক এবং সংগীত শিক্ষক। তিনি রোমান্টিক সংগীতের অন্যতম সেরা গুরু ছিলেন। শোপাঁ ওয়ারসোর জেলাওয়াওলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ওয়ারশোতে বড় হন এবং সেখানেই সংগীত শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

 

১৮৮৯ – রুশ সাহিত্যিক নিকোলাই চেরনিশেভস্কি।

 

১৮৯০ – লালন, বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। 

১৬৬৫ – স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপ।

১৫৮৬ – ফিলিপ সিডনি, ইংরেজ সভাসদ ও কবি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস, জানুন দিনটির ইতিহাস, তাৎপর্য ও গুরুত্ব ।

আজ, ১৭ অক্টোবর, জাতিসংঘ ঘোষিত দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস।  জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়।  দিবসটির মূল লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও মানবিক বৈষম্য দূর করা।  আমাদের দেশেও দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়।

 

১৯৯৫ সালকে জাতিসংঘ দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক বছর হিসাবে ঘোষণা করেছে।  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পর্যবেক্ষণে দেশে দারিদ্র্য ও বঞ্চনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।  ১৯৯০-এর দশকে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে দারিদ্র্য ও বঞ্চনা দূরীকরণ একটি অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে।  এ ক্ষেত্রে দারিদ্র্য ও বঞ্চনা দূরীকরণে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়টি মাথায় রেখে ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এ বিষয়ে কয়েকটি এনজিওর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো হয়।
বিশেষ করে, ফরাসি ভিত্তিক এনজিও এটিডি ফোর্থ ওয়ার্ল্ড সহ চরম দারিদ্র্য নির্মূলের জন্য তাদের আন্দোলনের সাফল্যের জন্য ১৭ অক্টোবরে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য দূরীকরণ দিবস উদযাপনের পর্যালোচনা করা হয়েছিল।  এই আলোকে সাধারণ পরিষদও উল্লিখিত বৈঠকে ১৭ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য দূরীকরণ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

 

দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবসের লক্ষ্য হল দারিদ্র্য এবং সমাজে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে বোঝাপড়া এবং সংলাপকে উন্নীত করা।  এটি একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে দারিদ্র্য একটি জটিল, বহুমুখী সমস্যা যা আয়ের অভাবের পরিবর্তে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়গুলিকে প্রভাবিত করে৷  যদিও দারিদ্র্য নির্মূল করা একটি কঠিন কাজ, সমস্যাটি মোকাবেলা করা পণ্য-নির্ভর অঞ্চলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বহুমুখীকরণ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যেতে পারে।  দিবসটি দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতা, মানবাধিকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল্য তুলে ধরে।  এটি একটি গুরুতর তবে আশাব্যঞ্জক উপলক্ষ।  থিম থেকে ইতিহাস পর্যন্ত, দিনটি সম্পর্কে আরও জানতে নিচে স্ক্রোল করুন।

 

দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৩ থিম—-

 

দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য এই বছরের আন্তর্জাতিক দিবসের প্রতিপাদ্য হল “শালীন কাজ এবং সামাজিক সুরক্ষা: সকলের জন্য চর্চায় মর্যাদা রাখা,” যার লক্ষ্য হল শালীন কাজের সর্বজনীন প্রবেশাধিকার এবং সমস্ত মানুষের জন্য মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখার উপায় হিসাবে সামাজিক সুরক্ষা।

 

 

 

দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবসের ইতিহাস—-

 

দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবসটি প্রথম ১৭ অক্টোবর, ১৯৮৭ তারিখে পালিত হয়েছিল। সেই দিন ১০০০০০ এরও বেশি লোক প্যারিসের ট্রোকাডেরোতে উপস্থিত হয়েছিল, যা ১৯৪৮ সালের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র লেখার স্থান ছিল, যারা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে।  চরম দারিদ্র্য, সহিংসতা এবং ক্ষুধায় মারা গিয়েছিল।  তারা যুক্তি দিয়েছিল যে দারিদ্র্য মানবাধিকার লঙ্ঘন করে এবং সেই অধিকারগুলি সমুন্নত রাখতে সহযোগিতা প্রয়োজন।  তারপর থেকে, ১৭ অক্টোবর, বিভিন্ন বয়স, ধর্ম এবং সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকেরা তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করতে এবং সুবিধাবঞ্চিতদের প্রতি তাদের সহানুভূতি দেখাতে একত্রিত হয়েছে।  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ৪৭/১৯৬, ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে গৃহীত হয়েছে, ১৭ অক্টোবরকে দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছে।

 

দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস তাৎপর্য—

 

 

 

এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্য বহন করে কারণ এটি তার সমস্ত মাত্রায় দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের বিশ্বব্যাপী অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।  এটি এই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের দুঃখকষ্ট দূর করার জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে দারিদ্র্য থেকে উদ্ভূত গভীর সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবাধিকারের সমস্যাগুলি মোকাবেলার প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেয়।  এই দিনটি সংহতি এবং টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্বেষণের আহ্বান জানায় যা নিশ্চিত করে যে কেউ পিছিয়ে থাকবে না, কারণ আমরা এমন একটি বিশ্বের জন্য সংগ্রাম করি যেখানে দারিদ্র্য ব্যক্তিদের মর্যাদা, সুযোগ এবং আশার জীবনযাপনে আর বাধা দেয় না।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This