Categories
রিভিউ

আজ ৭ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক বায়োডিজেল দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ প্রাণরসায়নী।

১৯০২ – অ্যান হার্ডিং, মার্কিন মঞ্চ, চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

১৯১১ – নিকোলাস রে, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯১৩ – ওয়লফগাং পাউল, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

১৯২৮ – জেমস র‍্যান্ডি, কানাডীয়-আমেরিকান অবসরপ্রাপ্ত মঞ্চ যাদুকর এবং বৈজ্ঞানিক সংশয়ী।

১৯৩৩ – এলিনর অস্ট্রম, একজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

১৯৩৭ – ডন উইলসন, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯৪৩ – মোহাম্মদ বাদি, মিশরীয় মুসলিম ব্রাদারহুডের অষ্টম প্রধান গাইড( মুরশিদ)।

১৯৪৭ – আনোয়ার ইব্রাহীম, তিনি ছিলেন মালয়েশিয়ার শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৭ম উপ-প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৮ – গ্রেগ চ্যাপেল, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৫১ – জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, তিনি কলম্বিয়ার ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৫৯ তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫৯ – কোনরাড এলস্ট, বেলজিয়াম প্রাচ্যবিদ এবং লেখক।

১৯৫৯ – আলী শাহ, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

১৯৫৯ – রসানা আরকুয়েটে, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৬০ – ডেভিড ডুকভ্‌নি, একজন মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬০ – আন্তোনিও বান্দেরাস, তিনি স্প্যানিশ অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬২ – সুজান কলিন্স, তিনি আমেরিকান লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৩ – ফুলন দেবী, তিনি ছিলেন ভারতীয় আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬৬ – জিমি ওয়েলস, মার্কিন ব্যবসায়ী এবং উইকিপিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা।

১৯৭০ – ব্রেন্ডন পল জুলিয়ান, তিনি নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক।

১৯৭১ – ডমিনিক কর্ক, ইংল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৩ – হাভিয়ের আদেলমার জানেত্তি, আর্জেন্টিনা সাবেক ফুটবল।

১৯৭৪ – মাইকেল শ্যানন, মার্কিন অভিনেতা ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৭৪ – হাইফা আল-মনসুর, তিনি সৌদি আরবের প্রথম নারী চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৭৫ – শার্লিজ থেরন, দক্ষিণ আফ্রিকান-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯৭৫ – ইলহান মান্সিজ, তিনি তুর্কি সাবেক ফুটবলার।

১৯৮০ – ওয়েড ব্যারেট, তিনি ইংরেজ মুষ্টিযোদ্ধা, কুস্তিগীর ও অভিনেতা।

১৯৯০ – লুকাস টিল, তিনি আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৮১০ – কামিল বেন্স, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৪৫ – আবাই কুনানবিউলি, তিনি ছিলেন কাজাখ কবি, সুরকার ও দার্শনিক।

১৮৬৫ – আলেকজান্ডার গ্লাযুনভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান সুরকার, কন্ডাক্টর ও শিক্ষাবিদ।

১৮৬৮ – প্রমথ চৌধুরী, বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক।

১৮৭১ – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং লেখক।

১৮৭৪ – হার্বার্ট হুভার, তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৭৬ – মাতা হারি, একজন ওলন্দাজ নর্তকী।

১৮৭৯ – যোহানেস কৎজ, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৭০২ – মুহাম্মদ শাহ, ভারতের মুঘল সম্রাট ছিলেন।

১৭৪০ – স্যামুয়েল আর্নল্ড, তিনি ছিলেন ইংরেজ সঙ্গীত স্রষ্টা।

১৭৭৯ – কার্ল রিটার, একজন প্রখ্যাত জার্মান ভূগোলবিদ।

১৩৯৭ – দ্বিতীয় আলবার্ট, তিনি ছিলেন জার্মানির রাজা।

১২৬৭ – দ্বিতীয় জেমস, তিনি ছিলেন আরাগনের।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বাংলাদেশের আকাশ থেকে বিশাল আকৃতির একটি বরফ খণ্ড পড়ে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিড়ালদহ মাজারের পাশের একটি বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৯১১ – ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যরা সর্বপ্রথম বেতন গ্রহণের পক্ষে ভোট দেন।

১৯১৩ – বলকান যুদ্ধ অবসানে বুখারেস্ট চুক্তি সম্পন্ন হয়।

১৯১৪ – অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ফ্রান্স যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২০ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত ওসমানিয় সাম্রাজ্যের সাথে মিত্র পক্ষের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৩৭ – চীনের গুরুত্বপূর্ণ থংজং হ্রদ ও কানতুং প্রদেশের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য জাপান হামলা চালায় এবং দুই বছর ঐ দেশ দু’টির মধ্যে যুদ্ধ চলে।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অন্তিম লগ্নে জাপান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

১৮২১ – মিসৌরি আমেরিকার ২৪তম রাজ্যে পরিণত হয়।

১৬৭৫ – রয়াল গ্রিনউইচ অবজারভেটরি স্থাপিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৩ – রামরাম বসু বাংলা গদ্যসাহিত্যের আদি লেখকদের একজন।

১৮৪৮ – জনস জ্যাকব বার্জেলিয়াস, একজন সুয়েডীয় রসায়নবিদ ছিলেন।

১৯৩৮ – কনস্তান্তিন স্তানিস্লাভ্‌স্কি, ছিলেন একজন রুশ মঞ্চ অভিনেতা ও নির্দেশক।

২০০২ – ক্রিস্টেন নিগার্ড, তিনি ছিলেন নরওয়েজিয়ান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ।

২০০৮ – আইজাক হায়েজ, তিনি ছিলেন আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, পিয়ানোবাদক, প্রযোজক ও অভিনেতা।

২০১১ – ন্যান্সি ওয়েক, ব্রিটিশ এজেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে কাজ করেছেন।

২০১৫ – ফ্রান্সেস ওল্ডহ্যাম কেলসি, ছিলেন একজন কানাডীয়-মার্কিন ফার্মাকোলজিস্ট ও চিকিৎসক।

২০১৮ – করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক ও ভারতের তামিল নাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৪১ – (২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতবর্ষের প্রথমনোবেল বিজয়ী বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।

১৯৫৬ – হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি খ্যাতনামা বাঙালি শিক্ষাবিদ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল।

১৯৬৬ – আলবার্ট উক্সিপ, তিনি ছিলেন এস্তোনিয়ান অভিনেতা, উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও অনুবাদক।

১৯৭১ – বাঙালি কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সরোজ দত্ত।

১৯৭৩ – জ্যাক গ্রিগরি, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৭৪ – রোসারিও ক্যাস্তেলানোস, মেক্সিকান কবি ও লেখক।

১৯৭৫ – বার্ট ওল্ডফিল্ড, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৮০ – ইয়াহিয়া খান, তিনি ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন।

১৭২৩ – গুইলাউমে ডুবইস, তিনি ছিলেন ফরাসি অঙ্কবাচক ও রাজনীতিবিদ।

১৭৫৯ – ষষ্ঠ ফেরডিনান্ড, তিনি ছিলেন স্পেনের রাজা।

০৮৪৭ – আল আবু জাফর হারুন ইবনে মুহাম্মদ আল মুতাসিম, তিনি ছিলেন আব্বাসীয় খলিফা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৫ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – অতুল সুর, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ,নৃতাত্ত্বিক, অর্থনীতিবিদ,লেখক ও কলকাতা বিশেষজ্ঞ।

১৯৭৫ – কাজল, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৯১ – সোহাগ গাজী, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

১৯০৬ – জন হিউস্টন, আইরিশ-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা।

১৯৩০ – নীল আর্মস্ট্রং, মার্কিন নভোচারী, প্রথম মানুষ যিনি চাঁদে অবতরণ করেন।

১৯৪০ – অধ্যাপক ড. অনুপম সেন – উপাচার্য, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়; সমাজবিজ্ঞানী এবং একুশে পদক বিজয়ী।

১৯৪৯ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামাল

১৯৬৮ – মারীন ল্য পেন, ফরাসি রাজনীতিবিদ।

১৮০২ – নিল্‌স হেনরিক আবেল, নরওয়েজীয় গণিতবিদ।

১৮৫০ – গি দ্য মোপাসঁ, একজন বিখ্যাত ফরাসি কবি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক।

১৮৮৯ – কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – স্যার মাইকেল সোমারে পাপুয়া নিউগিনির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

২০০৩ – ইন্দোনেশিয়ার ম্যারিয়ট হোটেলে ভয়াবহ গাড়িবোমা হামলা হয়।

২০১৯ – ভারত সরকার সংবিধানের ৩৭০ ধারা তথা অনুচ্ছেদ ও সংলগ্ন ৩৫এ ধারা বাতিল ঘোষণা করে। সেই সাথে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য বিভক্ত করে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ রাজ্য গঠন ঘোষণা করে।

১৯৬৫ – পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭৭ – ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আমির আব্বাস হোয়াইদাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

১৯৭৮ – ভারতের কলকাতায় অহীন্দ্র মঞ্চ স্থাপিত হয়।

১৯৮৪ – বৃষ্টিবিঘ্নিত আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পথে বিমান দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম নারী বৈমানিক সৈয়দা কানিজ ফাতেমা রোকসানাসহ ৪৯জন মারা যায়।

১৯০৫ – বঙ্গদেশ বিভক্ত করার জন্য বঙ্গভঙ্গ আইন ঘোষিত হয়।

১৯১৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওতে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাফিক সংকেত ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।

১৯২২ – জার্মানি ত্যাগ করে আইনস্টানের আমেরিকায় আশ্রয় গ্রহণ।

১৯২৪ – তুরস্কে বহু বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়।

১৯৪৭ – পূর্ববঙ্গ পার্লামেন্টারি দলের নেতা নির্বাচনে খাজা নাজিমুদ্দিনের কাছে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরাজয়।

১৯৪৯ – দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ছয় হাজার মানুষ নিহত হয়।

১৯৬০ – আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬২ – নেলসন ম্যান্ডেলা কারাগারে অন্তরিন হন। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তাঁকে জেলখানায় কাটাতে হয়।

১৯৬৩ – ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৪ – উত্তর ভিয়েতনামের টমকিন উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে।

১৮৯২ – ‘দি ইন্ডিয়ান এ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রমোশন অব ফাইন আর্টস ও ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি’ প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আলেক গিনেজ, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৩২ – অতুল সেন, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৬২ – মেরিলিন মনরো,বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, যৌন আবেদক ও পপ আইকন ছিলেন।

১৯৭৫ – কবি ও সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর।

১৯৭৭ – নোবেলজয়ী [১৯৩২] ব্রিটিশ শারীরতত্ত্ববিদ এডগার অ্যাড্রিয়ান।

১৯৮৪ – বিমান দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম নারী বৈমানিক সৈয়দা কানিজ ফাতেমা রোকসানা।

১৯৮৭ – ইরানের বিমান বাহিনীর পাইলট মেজর জেনারেল আব্বাস বাবায়ী ইরাকের আগ্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় মারা যান।

১৮৯৫ – সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদের অন্যতম প্রবক্তা ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস।

১৭৭৫ – মহারাজা নন্দকুমার, বৃটিশ ভারতে কর কর্মকর্তা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৪ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৪ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৬১ – বারাক ওবামা, (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রাজনীতিবিদ)।

১৯৬৫ – ফ্রেদ্রিক রাইনফেল্‌ৎ, (সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী)।

১৯৬৭ – আরবাজ খান, (ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক)।

১৯০৫ – বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, (বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক)।

১৯১২ – রাউল ওয়ালেনবার্গ, (সুয়েডীয় স্থপতি, ব্যবসায়ী, মানবতাবাদী ও বিশিষ্ট কূটনীতিবিদ)।

১৯২৯ – (ক) কিশোর কুমার, (বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি গায়ক এবং নায়ক)।

(খ) – ইয়াসির আরাফাত, (ফিলিস্তিনি নেতা)।

১৯৩২ – ফ্রান্সিস এলিজাবেথ অ্যালেন, (মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী)।

১৯৩৭ – ডায়ান ক্যানন, (মার্কিন অভিনেত্রী, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক ও সম্পাদক)।

১৯৪৭ – আবুল হাসান, (বাংলাদেশী আধুনিক কবি)।

১৯৫৫ – বিলি বব থর্নটন, (মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গায়ক, গীতিকার)।

১৯৮৩ – গ্রেটা গারউইগ, (মার্কিন অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার)।

১৮৫৯ – ক্যুট হামসুন, (নোবেলজয়ী নরওয়েজীয় কথাশিল্পী)।

১৭৯২ – পার্সি বিশি শেলি, (ইংরেজ কবি)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – ব্রিটিশ রানিমাতা এলিজাবেথের শততম জন্মবার্ষিকী পালন।

২০১১ – থাইল্যান্ডের ইতিহাসে ২৬তম ৫০০ আসনের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

২০১৪ – বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে পিনাক-৬ নামক একটি লঞ্চ প্রায় আড়াইশো যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে ৪৯ জন যাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ৫০ জন নিখোঁজ হন।

২০১৬ – প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঔষধ রপ্তানি শুরু করে বেক্সিমকো ফার্মা।

২০১৯ – যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের শপিংমলে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে ২২ জন নিহত হয়।

১৯০৪ –  (ক) পানামা খালের খনন কাজ শুরু।

(খ) – ‘নাসিমে শুমল’ নামে ইরানের প্রথম দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। দৈনিকটিতে বেশীর ভাগই হাস্য রসাত্বক, বিনোদন ও সমালোচনা ধর্মী লেখা প্রকাশিত হত।

১৯০৬ – ইরানে আলেমদের নেতৃত্বে গণ-আন্দোলনের মুখে তৎকালীন শাসক মুজাফফার উদ্দীন শাহ কাজার সংবিধান প্রণয়নের নির্দেশ জারি করতে বাধ্য হন।

১৯১৪ – (ক) জার্মানি বেলজিয়াম দখল করে নেয়।

(খ) – প্রথম মহাযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জার্মানি যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২০ – সিলেটে সিলেট জেলা খেলাফত কমিটি গঠিত হয় এবং হাওয়া পাড়ায় মৌলবী আবদুল্লাহ বিএল-এর বাসভবনে এর অস্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৯ – বঙ্গীয় আইন পরিষদ এর ২৫ জন মুসলিম সদস্য কলকাতায় একটি সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন।

১৯৩৫ – ওয়েস্ট মিনিস্টারে অবস্থিত বিবিসি’র সদর দফতর “বুশ হাউস” নির্মাণ শেষে লর্ড ব্যালফারের নেতৃত্বে উন্মোচন করা হয়।

১৯৩৫ – ভারতে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট রাজকীয় অনুমোদন লাভ।

১৯৪০ – ইতালিয় সেনাবাহিনী কেনিয়া, সুদান ও ব্রিটিশ সোমালিল্যান্ড দখল করে।

১৯৪১ – নাৎসি জার্মান বাহিনী পোলিশ বিজ্ঞানী ও লেখকদের হত্যা করে।

১৯৪২ – ফিলিপাইন স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৪৩ – কুর্স্কের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৪৬ – যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়।

১৯৪৭ – ইন্ডিয়া ইন্ডিপেন্ডেন্স এ্যাক্ট খসড়া আকারে ব্রিটিশ

কমন্স সভায় উত্থাপিত হয়।

১৯৫১ – চেকোস্লাভাকিয়ার আদালত মার্কিন সাংবাদিক উইলিয়াম এন ওয়াতিসকে ১০ বছরের সাজা দেন।

১৯৬৪ – দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তর ভিয়েতনাম ও মার্কিন যুদ্ধ জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হয়।

১৯৬৭ – ভারতে নাগার্জুন সাগর বাঁধের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

১৯৭২ -(ক) উগান্ডার রাষ্ট্রপতি ইদি আমিন চল্লিশ হাজার এশিয়াবাসীকে উগান্ডা থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।

(খ) দুই কোরিয়া পুনরায় একত্রীকরণের লক্ষ্যে প্রথমবারের মত সরকারি ভাবে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়।

১৯৭৮ – লাতিন আমেরিকার ৮টি দেশের আমাজান নদী সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৮২ – ইরানের চারজন কূটনীতিককে লেবাননের মিলিশিয়ারা অপহরণ করে।

১৯৮৭- (ক)  প্রথম পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ইমরান খান।

(খ) চীনের তেং সিয়াও পিং বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাত করার সময় দুটি মৌলিক তত্ত্ব উত্থাপন করেন।

১৯৮৮ – পাকিস্তানের সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব ও খ্যাতনামা আলেম আল্লামা সাইয়্যেদ আরেফ হোসেন হোসেইনী পেশোয়ার শহরে উগ্রপন্থী ও সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাতবরণ করেন।

১৮০২ – মার্কিন ওয়েস্ট পয়েন্ট সামরিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮২৭ – নিউ ইয়র্ক রাজ্যে দাস প্রথার বিলুপ্তি ঘটে।

১৮২৮ – উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর জেনারেল পদে নিযুক্ত হন।

১৮২৯ – লন্ডনে প্রথম বাস চলাচল শুরু।

১৮৪৮ – কার্ল মার্কস ও ফ্রেডারিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার প্রকাশ করেন।

১৮৫৬ – মৌলভী আহমাদ উল্লাহ ও লখনৌর বেগম হযরত মহলের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধে ইংরেজদের পরাজয়।

১৮৭০ – লর্ড ওয়ানটেজ ব্রিটিশ রেডক্রস সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮৮১ – ভারতের শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্যে প্রথম টয়ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

১৮৮৫ – ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়  উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ।

১৮৮৬ – কলম্বিয়াতে শাসনতন্ত্র গৃহীত হয় ।

১৭০০ – তুরস্ক-রাশিয়া যুদ্ধ বিরতি। আমেরিকার স্বাধীনতা চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণা।

১৭৭৬ – সালের এই দিনে আমেরিকা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৬৬৬ – নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সাগরে যুদ্ধ হয় ।

১৫৭৮ – আল কাছার আল কবিরের যুদ্ধে মুরদের হাতে পর্তুগিজরা পরাজিত হয়।

১৪৯২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অভিমুখে যাত্রা করেন।

১১৮১ – ক্যাসিওপিয়াতে সুপারনোভা দেখা যায় ।

১১৮৭ –  (ক) ক্রুসেডের হাত্তিনের যুদ্ধে জেরুজালেমের রাজা লুসিগনানকে সালাহুদ্দিন আইয়ুবি পরাজিত করেন।

(খ) – সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি বায়তুল মোকাদ্দাস অধিকার করেন।

৯৫৪ – সাইফুদ্দৌলা হামদানী রোমান খ্রিস্টানদের পরাজিত করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – ফ্রেড্রিখ চ্যাপম্যান রবিন্‌স, (মার্কিন বিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী)।

২০২০ – মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (প্রখ্যাত বাঙালি কবি,কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক)।

১৯১৯ – ডেভ গ্রিগরি, (অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার)।

১৯৩১ – রামকৃষ্ণ বিশ্বাস, (বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী)।

১৯৪৮ – মিলেভা মেরিক, (পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রথম স্ত্রী ও সহকর্মী)।

১৯৭৮ -( সাংবাদিক ও লেখক) মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ।

১৯৮১ – মেলভিন ডগলাস, (মার্কিন অভিনেতা)।

১৮৭৫ – হান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন, (ডেনীয় লেখক এবং কবি)।

১০৬০ – প্রথম হেনরি, (ফ্রান্সের রাজা)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

সপ্তাহের কয়েকটা দিন একদম নির্জনে কাটাতে চাইলে ঘুরে আসুন অহলদারা।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে।

 

আপনি কি কখনো পাহাড়ের চূড়ায় থেকেছেন?  একদিকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য সহ একটি পাহাড়ের চূড়া এবং অন্যদিকে তিস্তা নদী দ্বারা বিভক্ত চা বাগান!  আপনি যদি এখনও পরিদর্শন না করে থাকেন তবে একবার চেষ্টা করে দেখুন।  এটা আপনার ইন্দ্রিয় আপ অনুভব করা যাচ্ছে। মানুষের তৈরি কোনো বস্তু দ্বারা আপনার দৃষ্টি বাধাগ্রস্ত হবে না।  তোমার কান শুনবে বাঁশির হাওয়া, মিস হয়ে গেছে এত বছর ধরে।  আপনি শ্বাস নেবেন যা আপনার পুরো শরীরকে শক্তি দেবে।  শেলপু পাহাড়ের একটি মনোরম পাহাড়ের চূড়া অহলদারা NJP থেকে মাত্র  ২ ঘন্টার দূরত্বে।  এটি কেবল কাঞ্চনজঙ্ঘা র উপর সূর্যোদয়ের চমৎকার দৃশ্য, তাজা অক্সিজেন এবং জৈব খাবারের জন্য উপযুক্ত নয় বরং এটি একটি দুর্দান্ত এবং অবিস্মরণীয় সপ্তাহান্তও তৈরি করে।

এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো অহলদারা।

 

অহালদারার মূল আকর্ষণ হল এখানকার পাহারেরে ৩৬০ ডিগ্রী  ভিউ ও এখান থেকে দেখতে পাওয়া বরফ আশ্রিত কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরুপ দৃশ্য এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত সাথে ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়া । আকাশ পরিস্কার থাকলে এই অহলদারা থেকে  কার্শিয়ং, দার্জিলিং, কালিম্পং , চিমনি , প্রভিতি অঞ্চলের পাহাড় ও সমতলে বয়ে চলা তিস্তা নদি ও তরাই দুয়ারস ও অঞ্চল ও দেখতে পারবেন।

 

শিলিগুড়ি থেকে অনতিদুরে সেল্পু হীলে অবস্থিত একটি পাহাড়ি চুড়া হল Ahalara View Point ।এই পাহাড়ি চুড়াটির একদিকে পাইনের গাছ ও অপর দিকে দিগন্ত বিস্ত্রিত ঢেউ খেলান পাহাড় ও সমতলে বয়ে চলা তীস্তা নদীর  অপরুপ দৃশ্য।

 

এই অহলদারার মূল আকর্ষণ হল এখানকার ৩৬০ডিগ্রি পাহারের ভিউ তার সাথে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত এবং আকাশ পরিস্কার থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য যা আপনার মনকে প্রফুল্লিত করে তুলবে। পাহাড়ের চুড়াতে অবস্থিত হওয়াতে ও  আশেপাশে কোন কোলাহল না হওয়ার কারনে এখানে বসে প্রকৃতির রুপ উপভোগ করতে করতে ও কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে দেখতে  অনায়াসে দিন কাটিয়ে ফেলতে পারবেন গোটা দিন।

 

অহালদারাতে আপনারা বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতি ও পাখি ও দেখতে পারবেন, এছাড়া এখানে সিঙ্কনা গাছের চাষ ও হই।
এছাড়াও অহালদারার আশেপাশে দেখতে পারেন…

লাতপাঞ্চার(Latpanchar)–  অহালদারা থেকে মাত্র ৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই লাতপাঞ্চার , এই লাতপাঞ্চার হল পাখি প্রেমি দের জন্য সর্গরাজ্য, এটি Mahananda Wildlife Sanctuary এর একটি পার্ট । এখানে আপনারা দেখতে পাবেন ২৪০ ধরনের বিরল প্রজাতির পাখি যেমন Sultan Tit, Red-Headed Trogan, Orient Hornbill, Rufous Hornbill, প্রভিতি। এছাড়াও এখানে দেখতে পাবেন Cinchona Plantation   এর কারখানা যেখানে Quinine তইরি করা হয়।

ণাম্থিং পোখরি(Namthing Pokhri) – সেল্পু হীল এ অবস্থিত একটি প্রাচিন জলাশয় , এটি বছরের ৬ মাস শুকন থাকে বর্ষা কাল বাদে। এই নাম্থিং পোখরিতে এক ধরনের বিরল প্রজাতির Himalayan Salamander দেখতে পাওয়া যাই । এছাড়াও এখানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও প্রজাপতি দেখতে পাবেন। অহালদারা থেকে এই স্থানটি খুব একটা দুরে নই হাটা পথে এখানে পৌঁছে যেতে পারেন।

সিটং(Sittong) – অহালদারা থেকে প্রায় ৩২ কিমি দূরে অবস্থিত এই গ্রাম টি কমলালেবুর জন্য বিখ্যাত , সিটং কে কমলালেবুর গ্রামও বলা হয় , আপানারা এই সিটং থেকেউ ঘুরে আসতে পারেন।

টেগোর হীল – অহালদারা থেকে অনতি দূরে অবস্থিত এই পাহাড়টিকে স্থানিওরা টেগোর হীল নামেউ ডেকে থাকে । এই পাহাড়ের আকর্ষণ হল এই পাহাড়টির আকৃতি  কবিগুরু  রবিন্দ্রনাথ এর মুখের মত , দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন কবিগুরু শায়িত অবস্থাই আছেন।

 

 

আহলদারায় বহিরঙ্গন কার্যক্রম–

 

সূর্যোদয় পয়েন্ট–

আহলদরা কাঞ্চনজঙ্ঘা চূড়ার উপর সূর্যোদয়ের আশ্চর্যজনক দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত।  একটি উজ্জ্বল এবং রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে, গ্যাংটক, কালিম্পং, আলগারা, বাগোরা, তিনচুলি পাহাড়গুলি এই বিন্দু থেকে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়৷

 

শিটং কমলার বাগানগুলি

 

আহলদরা থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে শিটং গ্রাম৷  গ্রামে প্রচুর কমলার বাগান রয়েছে।  অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে কমলালেবুর গাছে ফল দিয়ে ভরা হয়।

 

পাখি পালন

 

লাটপানচার একজন আগ্রহী পাখি পর্যবেক্ষক এবং একজন ফটোগ্রাফার জায়গাটিকে তাদের স্বর্গ বলে মনে করবেন।  সাধারণ পাখিরা দেখেছে সুলতান টিট, রেড হেডেড ট্রোগান, ওরিয়েন্ট হর্নবিল, রুফাস হর্নবিল, লং-লেজ হর্নবিল, কমন গ্রিন ম্যাগপাই, দার্জিলিং উডপেকার, ওরিয়েন্টাল কোকিল, চেস্টনাট-হেডেড টেসিয়া, কালো গলা সানবার্ড।

 

বেঙ্গল সাফারি—

 

বেঙ্গল সাফারি পার্কের মধ্যে অবস্থিত।  মহানন্দা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বনাঞ্চল হল উত্তরবঙ্গ অঞ্চলের প্রথম প্রাণী সাফারি পার্ক।  আপনি এখানে চিতাবাঘ, বাঘ এবং বিড়ালের মতো প্রাণী দেখতে পাবেন।

 

Ahaldara কাছাকাছি আকর্ষণ—

 

শেলপু পাহাড়—

শেলপু পাহাড় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক মোহনীয় আয়না।  অন্ধকার, গভীর জঙ্গল এবং চিনচোনা উদ্ভিদ স্থানটির প্রকৃত উষ্ণতাকে চিত্রিত করে।  সমস্ত ঋতুতে ফুলের অপ্রতিরোধ্য সুগন্ধে বাতাস ভারী থাকে৷

 

করোনেশন ব্রিজ —

 

একটি একক খিলান দ্বারা সমর্থিত, সেতুটি তিস্তা নদী পেরিয়ে জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলাগুলির সাথে সংযোগ স্থাপন করে একটি বিস্ময়কর এবং অবশ্যই দর্শনীয় পর্যটন স্পট৷

 

মহানন্দা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য—

 

অন্যতম এই অভয়ারণ্যের প্রধান পর্যটন আকর্ষণ যা  ১৫৮ বর্গকিলোমিটারের বেশি বন এলাকা জুড়ে রয়েছে।  ১৯৫৮ সালে, এটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার এবং ভারতীয় বাইসনকে রক্ষা করার জন্য অভয়ারণ্য হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।  এই প্রাণীগুলি ব্যতীত, অন্যান্য উপলব্ধ প্রাণী হরিণ, বার্কিং ডিয়ার, ভাল্লুক, প্যাঙ্গোলিন, হিমালয় কালো ভাল্লুক এবং চিতাবাঘ।

নমথিং পোখরি —-

 

শিল্প পাহাড়ের কাছে অবস্থিত হ্রদটি বছরের ছয় মাস শুকিয়ে যায় এবং হিমালয়ান সালামান্ডারের জন্মভূমি হিসাবে বিখ্যাত।  , একটি অস্বাভাবিক এবং বিপন্ন প্রজাতি।

 

পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক —-

 

চিড়িয়াখানাটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রধানত স্নো চিতাবাঘ, বেঙ্গল টাইগার এবং অনেক বিদেশী প্রাণীর জন্য বিখ্যাত।  পার্কটি ৬৭.৫৬ একর জমি জুড়ে রয়েছে।

 

ঘূম মনাস্ট্রি —-

পর্যটকদের মধ্যে এই জনপ্রিয় গন্তব্যটি ইগা চোয়েলিং মনাস্ট্রি নামেও পরিচিত।  বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রাচীন গৌরবে আঁকা মৈত্রেয় বুদ্ধের ১৫ ফুট উঁচু মূর্তিটি এই অঞ্চলের প্রাচীনতম মঠগুলির মধ্যে একটি।

 

 

কিভাবে আহলদারা পৌঁছাবেন

বায়ু–

বাগডোগরা বিমানবন্দরটি আহলদারার নিকটতম।  বিমানবন্দর থেকে, রিসোর্টে পৌঁছাতে সড়কপথে ১.৫ ঘন্টা (প্রায়) সময় লাগবে।

রেলওয়ে—

আপনি যদি ট্রেন পেতে চান, হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে যে কোনও মুর্সিদাবাদগামী ট্রেনে চড়েন, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নেমে যান, বিশ্রাম তাদের দ্বারা নেওয়া হবে।

রাস্তা—-

জাতীয় এবং রাজ্য সড়ক দিয়ে ১৪ ঘন্টা (প্রায়) গাড়ি চালানো আপনাকে আপনার গন্তব্যে নিয়ে যাবে।  NJP থেকে জায়গাটি মাত্র ২ ঘন্টার পথ।

আহলদারা দেখার সেরা সময়—

গ্রীষ্মে মনোরম আবহাওয়া অতিথিদের আহলদারায় আমন্ত্রণ জানায়।  ভূমিধসের কারণে বর্ষা এড়ানো যায় তবে আহলদরা এড়ানোর মতো উচ্চতা নয়।  যেখানে বর্ষা জীবনে আসা ছোট জলপ্রপাতের একটি চমৎকার দৃশ্য দেয়।  পরাক্রমশালী তিস্তাও এই সময়ে তার পূর্ণ গৌরব পায়।  নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে পাহাড়গুলি দেখার জন্য সবচেয়ে পরিষ্কার এবং মেঘহীন আকাশ দেয়।  কমলার বাগান দেখার জন্যও এই মাসগুলো সেরা সময়।  পাহাড়ে বসন্ত রঙিন হয়ে ওঠে অসংখ্য রঙিন ফুলে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৫১ – আতিউর রহমান, (খ্যাতনামা বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ)।

১৯৮৪ – সুনীল ছেত্রী , (ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক)।

১৯০৫ – দোলোরেস দেল রিও, (মেক্সিকান অভিনেত্রী)।

১৯১৬ – শাকিল বাদায়ুনি, (ভারতীয় উর্দু কবি,লেখক ও গীতিকার)।

১৯৩০ – নির্মল সেন, (বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ)।

১৯৩৯ – উৎপলকুমার বসু, (বাংলা সাহিত্যে হাংরি আন্দোলন-এর একজন খ্যাতনামা কবি)।

১৯৪৮ – জঁ-পিয়ের রাফারাঁ, (ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী)।

১৮৫৬ – (অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী) আলফ্রেড ডেকিন।

১৮৮৬ – মৈথিলীশরণ গুপ্ত (প্রখ্যাত আধুনিক হিন্দি কবি)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – তুরস্ক জার্মানির সঙ্গে সামরিক চুক্তি।

১৯১৪ – পানামা খালের মধ্য দিয়ে প্রথম জাহাজ চলতে শুরু করে এবং এই খালের উদ্বোধন হয়।

১৯১৪ – ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জার্মানি যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪০ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতালিয়ান বাহিনী ব্রিটিশ সোমালিল্যান্ড আক্রমণ করে।

১৯৪১ – জার্মানি রাশিয়ার একটি এলাকা দখল করে নেয়।

১৯৫৪ – ভারতে পরমাণু শক্তি বিভাগ গঠিত হয়।

১৯৫৬ – তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) এ নির্মিত প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায়।

১৯৬০ – আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম দেশ নাইজার পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে এবং জাতিসঙ্ঘের সদস্যভুক্ত হয়।

১৯৯৪ – ভারতের দিল্লিতে অখিল ভারতীয় আয়ুর্বিজ্ঞান সংস্থানে প্রথম হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের চিকিৎসা করা হয়।

১৯৯৯ – পূর্ব তিমুরে নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষে রায়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন পূর্ব তিমুরের অভ্যুদয় ঘটে।

১৮৫৮ – জন স্মীক কর্তৃক নীল নদের উৎস আবিষ্কার।

১৮৮২ – ব্রিটিশ নৌ সেনাদের সুয়েজ খাল দখল।

১৭৯৫ – গ্রিনভিল চুক্তি স্বাক্ষরিত।

১৪৯২ – ইতালির বিশিষ্ট নাবিক ক্রিস্টোফার কলোম্বাস তার সমুদ্র যাত্রা শুরু করেছিলেন।

১৪৯২ – স্পেন থেকে ইহুদিদের বের করে দেওয়া হয়।

১১০৮ – ফ্রান্সের রাজা ষষ্ঠ লুই সিংহাসনে আরোহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – সুভাষ চক্রবর্তী , পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকার এর ক্রীড়া ও পরিবহন মন্ত্রী , এবং ভারতের ছাত্র ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন

১৯২৮ – সৈয়দ আমীর আলী, ভারতীয় মুসলিম আইনজ্ঞ এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি।

১৯৫৪ – বিশিষ্ট ফরাসী লেখিকা সিডেন গ্যাবরিয়াল কোল্ট এই ধরাপৃষ্ঠ।

১৯৫৭ – দেবদাস গান্ধী , মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র এবং খ্যাতনামা সাংবাদিক।

১৯৭৫ – অমর বসু, ব্রিটিশ বিরোধী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৭৮ – সাংবাদিক ও লেখক মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ।

১৮৪৬ – প্রখ্যাত আলেম সাহেবে জাওয়াহের বা রত্নের স্বত্তাধিকারী হিসাবে খ্যাত শেখ মো: হাসান নাজাফী।

১৭২১ – ইংরেজ ভাস্কর ও কাঠ খোদাই শিল্পী গিনলিং গিবনস।

১৪৬০ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় জেমস।

১২৭২ – সপ্তম হিজরীর বিশিষ্ট মনীষি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব গীয়াস উদ্দীন আব্দুল করিম ইবনে আহমদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – মার্কিন অভিনেত্রী হেলেন মর্গান

১৯২৩ – শিমন পেরেজ, পোলীয় বংশোদ্ভূত ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি।

১৮৪১ – বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী, ব্রাহ্মসমাজের আচার্য ও সমাজ সংস্কারক।

১৮৬১ – আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, বাঙালি রসায়নবিদ, বিজ্ঞানশিক্ষক, দার্শনিক ও কবি।

১৮৬৮ – বাংলা চলচ্চিত্রের প্রাণপুরুষ হীরালাল সেন।

১৮৭৬ – পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া,স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ভারতের জাতীয় পতাকার নকশাকার।

১৮৮৭ – টমি ওয়ার্ড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৮৯৯ – মহেন্দ্রনাথ দত্ত, মুদ্রণ শিল্পের ও প্রকাশনা জগতের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব।

১৬৯৬ – উসমানীয় খলিফা প্রথম মাহমুদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১০ – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন-ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর প্রসাশনের পুলিশ বাহিনী অতর্কিতে হামলা চালায়।

২০১৮ – সাঁওতালি উইকিপিডিয়ার যাত্রা শুরু।

১৯১৪ – সোভিয়েত সেনাবাহিনী পূর্ব প্রুশিয়া দখল করে ।

১৯২২ – চীনে টাইফুনের আঘাতে ৬০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে ।

১৯৩৪ – জার্মানির স্বৈরশাসক রূপে এডলফ হিটলারের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

১৯৩৫ – গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট জারি।

১৯৫৩ – ভারতে গভর্ণমেন্ট অব ইন্ডিয়া জারি করা হয় ।

১৯৫৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বলিভিয়া।

১৯৯০ – ইরাকি ট্যাঙ্ক ও পদাতিক বাহিনী কুয়েত দখল করে।

১৮৫৮ – ব্রিটিশ রাজতন্ত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ভারতের শাসনভার গ্রহণ করে এবং ভারতের সর্বোচ্চ শাসককে ‘ভাইসরয়’ পদবি দেওয়া হয়।

১৭১৮ – স্পেনের বিরুদ্ধে লন্ডনে ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া ও হল্যান্ড- এই চতুঃশক্তির মৈত্রী জোট হয়।

১৭৬৩ – মুর্শিদাবাদ দখলের পর ব্রিটিশ সৈন্য বাহিনী মিরকাশিমের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। যুদ্ধে মিরকাশিম পরাস্ত হন।

১৭৯০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আদমশুমারি শুরু হয় ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – ক্রিস্টেন নিগার্ড, নরওয়েজীয় গণিতবিদ, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা মুঘল ও রাজনীতিবিদ।

১৯২২ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, স্কটিশ বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক।

১৯২৩ – ওয়ারেন জি. হার্ডিং, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৩৪ – জার্মানীর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর সেনা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল হিডেন বার্গ।

১৯৭৬ – ফ্রেডিরিক এ্যান্টন ক্রিস্টিয়ান ল্যাং, অস্ট্রীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার।

১৯৮০ -রামকিঙ্কর বেইজ প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি ভাস্কর।

১৯৯৩ – কমল মিত্র, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৮৪৪ – রামকমল সেন,এশিয়াটিক সোসাইটির প্রথম ভারতীয় সচিব,অভিধান প্রণেতা ও ব্যাঙ্ক অফ বেঙ্গলের আজীবন দেওয়ান।

১৮৪৯ – মিসরে মোহাম্মদ আলী পাশা।

১৭১২ – খ্যাতনামা ফরাসী বিজ্ঞানী ড্যানিস পাপিন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন হুগলির চন্দননগর শহরের ২ টি দর্শনীয় স্থান –সেক্রেড হার্ট চার্চ ও নন্দদুলাল মন্দির।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো  হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত চন্দননগর। এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ রাখতে বাধ্য।চন্দননগর , এটির পূর্ব নাম চন্দেরনাগর এবং ফরাসি নাম চন্দ্রনাগর দ্বারাও পরিচিতভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার একটি শহর। এটি চন্দননগর মহকুমার সদর দফতর এবং এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ) দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকার একটি অংশ।  হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই শহরটি ফরাসি ভারতের পাঁচটি জনবসতির মধ্যে একটি ছিল । ঔপনিবেশিক বাংলোগুলিতে ইন্দো-ফরাসি স্থাপত্য দেখা যায়, যার বেশিরভাগই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।।

এই নিবন্ধে আপনি চন্দননগরের নিম্নলিখিত ২টি জনপ্রিয় ভ্রমণ স্থান সম্পর্কে জানতে পারবেন—

 

(ক) সেক্রেড হার্ট চার্চ

(খ) চন্দননগর মিউজিয়াম।নন্দদুলাল মন্দির

 

 

(ক) সেক্রেড হার্ট চার্চ—-

 

সেক্রেড হার্ট চার্চ, চন্দননগর  হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার চন্দননগরে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী চার্চ।  এই গীর্জার একটি অসাধারণ চমৎকার সাদা পাথরের সম্মুখভাগ এবং চিত্তাকর্ষক অভ্যন্তর রয়েছে। বিখ্যাত ফরাসি স্থপতি Jacques Duchatz এই গীর্জাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
সূর্যাস্তের সময় চার্চটিকে আরও সুন্দর দেখায়। বর্তমানে গির্জাটি পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।  এটির গঠনটি ভারতে ফরাসি স্থাপত্যশৈলীর একটি খাঁটি অভিব্যক্তি।  সেক্রেড হার্ট চার্চটি ২৭ জানুয়ারী ১৮৮৪-এ কলকাতার আর্চবিশপ পল গোথালস দ্বারা উদ্বোধন করা হয়েছিল।  চন্দননগরে ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে ১৮৭৫ সালে নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৮৮৪ সালে রেভারেন্ড এম. বার্থেটের অনুরোধে তার ভাই জোয়াকিমের সহায়তায় এটি সম্পন্ন হয়।  এটি ফরাসি স্থপতি জ্যাক ডুচাটজ দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে।

২০০ বছরের পুরানো ফ্রেঞ্চ-স্টাইলের সেক্রেড হার্ট ক্যাথলিক চার্চটি একটি শ্বাসরুদ্ধকর উপাসনার স্থান।।

 

 

(খ) নন্দদুলাল মন্দির—

চন্দননগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর যার আনাচে কানাচে এমন অনেক মন্দির আছে যা বহু প্রাচীন। এই চন্দননগরেই অবস্থিত শ্রীশ্রী নন্দদুলাল জিউর মন্দির। ঐতিহ্য এবং প্রাচীনত্বের সংমিশ্রণ এই মন্দির। প্রতিবছর বহু দর্শনার্থীরা পূর্ণ লাভের আশায় এখানে আসে। চন্দননগরের  লালবাগান  অঞ্চলে  শ্রীদুর্গা  ছবিঘরের  কাছে  নন্দদুলাল  মন্দির  বিখ্যাত।  মন্দিরটি  ১১৪৬  বঙ্গাব্দে ( ১৭৩৯  খ্রীষ্টাব্দে )  চন্দননগরের  তদানীন্তন  ফরাসি  সরকারের  দেওয়ান  ইন্দ্রনারায়ণ  চৌধুরী  প্রতিষ্ঠা  করেন।নন্দদুলাল মন্দির চন্দননগরের মনোমুগ্ধকর শহরে অবস্থিত।শ্রীশ্রী নন্দদুলাল জিউর মন্দিরের আকার এবং কারুকার্য খুবই অনন্য। এটি সম্পূর্ণ পোড়া মাটির তৈরি। মাঝারি উচ্চতার ভিত্তি বেদির উপর স্থাপিত সমতল যা ছাদবিশিষ্ট ও দক্ষিণমুখী দালান। এর দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫১ ফুট ৯ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ১১ ফুট। একবাংলার বা দোচালা সংলগ্ন দালান থাকায় মন্দিরের স্থায়িত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। একবাংলাটির উচ্চতা মূল মন্দিরের চেয়ে বেশী। মন্দিরটির সামনে ও পশ্চিমদিকের দেওয়ালে পোড়ামাটির কয়েকটি ছোট ছোট ফুলের কাজ আছে। মন্দিরে শ্রীশ্রী নন্দদুলাল জিউর বিগ্রহ নিত্য পূজিত হয়। পরবর্তীকালে এই মন্দিরটি সংস্করণও করা হয়। মন্দির সংস্কারের পরেও বহুদিন মন্দিরে কোনো বিগ্রহ ছিল না। মন্দিরে পুরানো বিগ্রহের ছবিকেই পুজো করা হত। তবে ২০০৫ সালে বিগ্রহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। পুরানো বিগ্রহের ছবিটি বর্তমান বিগ্রহের পাশে রাখা আছে। মন্দিরটি প্রাচীন ভারতীয় নিদর্শনগুলির একটি চমৎকার উদাহরণ। এখানে যেতে হলে হাওড়া থেকে ব্যান্ডেলগামী ট্রেনে উঠতে হবে। নামতে হবে চন্দননগর রেলওয়ে স্টেশনে।  এরপর টোটো বা রিক্সায় করে পৌঁছে যেতে পারবেন এই মন্দিরে ।
এর আশেপাশে বেশ কয়েকটি অনন্য মন্দির রয়েছে যা দেবী কালী, মহাদেব এবং অন্যান্য দেবতাদের প্রতি পূজনীয় যা চমৎকার কারুকাজ এবং শৈল্পিক অনুভূতি প্রদর্শন করে।এই অঞ্চলের কয়েকটি মন্দিরের সাথে মন্দিরের ডিভাইডারগুলি খোদাই করা আছে এবং ধর্মীয় আইকন দিয়ে সুসজ্জিতও করা আছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) স্কাউট স্কার্ফ ডে

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৫ – মোমতাজ আলী খান, বাংলাদেশি লোকসঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।

১৯১৯ – মির্জা নূরুল হুদা, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

১৯১৯ – স্ট্যানলি মিডলটন, ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।

১৯২২ – এ কে নাজমুল করিম, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী।

১৯২৪ – ফ্রাঙ্ক ওরেল, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেট খেলোয়াড় ও জামাইকান সিনেটর।

১৯২৮ – এম আর খান, বাংলাদেশি অধ্যাপক, চিকিৎসক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।

১৯৩০ – ফজলুল হালিম চৌধুরী – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো।

১৯৩৩ – মীনা কুমারী , ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও কবি।

১৯৩৫ – জিওফ পুলার, ইংরেজ ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯৩৮ – নাজমুল হক, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডার।

১৯৪০ – মোজাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশি চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

১৯৪২ – আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশি ছাত্রনেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী।

১৯৪৬ – খুরশিদ আলম, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৪৮ – মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৫৫ – ভারতের ক্রিকেটার অরুণলাল।

১৯৬২ – আবু সাইয়ীদ, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৬৩ – দেমিয়ান বিচির, মেক্সিকান-মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬৫ – স্যাম মেন্ডেজ, ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৯৭ – নিগার সুলতানা, বাংলাদেশি প্রমিলা ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৮৬১ – স্যামি জোন্স, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৮৬৮ – মহেন্দ্রনাথ দত্ত, বাঙালি লেখক ও স্বামী বিবেকানন্দর অনুজ।

১৮৮১ – অর্ধেন্দুকুমার গঙ্গোপাধ্যায়, বাঙালি শিল্প সমালোচক ও অধ্যাপক।

১৮৮৫ – নোবেলজয়ী হাঙ্গেরীয় রসায়নবিদ জর্জ দ্য হেবেসি।

১৮৯৫ – বাঙালি পতঙ্গবিশারদ ও উদ্ভিদবিদ গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য।

১৭৪৪ – জঁ-বাতিস্ত লামার্ক, ফরাসি সৈনিক, প্রকৃতিবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

 

১৯১৪ – জার্মানী রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ শুরু।

১৯২০ – ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব ভারতের পেশাদার ফুটবল ক্লাব কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৩ – ভারতে বেসরকারি বিমান সংস্থার জাতীয়করণ হয় এবং ইণ্ডিয়ান এয়ারলাইন্স গঠিত হয়।

১৯৬০ – আফ্রিকার দেশ বেনিন ফরাসী উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৪ – বেলজিয়ান কঙ্গোর নাম পরিবর্তন হয়ে রিপাবলিক অব কঙ্গো হয়।

১৯৬৭ – পূর্ব জেরুজালেমকে গ্রহণ করে নেয়।

১৯৭১ – বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে নিউইয়র্কে ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় পেরু।

১৯৭৫ – ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং আলবেনিয়া ছাড়া অন্য ইউরোপীয় দেশের শীর্ষ নেতাদের সম্মেলন শুরু হয়।

১৮৩৪ – ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোতে দাসপ্রথা বাতিল।

১৮৬১ – দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অর্থায়নে ও মনোমোহন ঘোষের সম্পদনায় পাক্ষিক ‘ইন্ডিয়া মিরর’ প্রকাশিত।

১৮৯৪ – প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ শুরু হয় কোরিয়া নিয়ে।

১৭৭৩ – ব্রিটিশ পার্লামেন্ট উপমহাদেশে শাসন সংস্কারের উদ্দেশ্যে ‘রেগুলেটিং এ্যাক্ট’ আইন বিধিবদ্ধ করে।

১৭৭৪ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধিকৃত ভারতবর্ষের রাজধানী হয় কলকাতা।

১৭৭৪ – যোশেফ প্রিস্টলি অক্সিজেন আবিষ্কার করেন।

১৬৪৮ – সুইজারল্যান্ড স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পায়।

১৬৭২ – ব্রিটিশ বিচারব্যবস্থা চালু হয়।

১৬৯৮ – ইংরেজ কুঠিয়াল জব চার্নক কলকাতা নগর পত্তন করেন।

১৪৯৮ – ইতালির ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে পদার্পণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৫ – সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ।

২০০৯ – কোরাজন অ্যাকুইনো, ফিলিপিনো রাজনীতিবিদ।

২০১৪ – এল. কে. সিদ্দিকী, বাংলাদেশের ৭ম ডেপুটি স্পিকার।

১৯১১ – কনরাড ডুডেন, জার্মান ভাষাতাত্ত্বিক।

১৯২০ – বাল গঙ্গাধর তিলক, ভারতীয় পণ্ডিত ও ভারতীয় জাতীয়তাবাদী নেতা, সমাজ সংস্কারক, আইনজীবী এবং স্বাধীনতা কর্মী।

১৯৪৪ – ম্যানুয়েল এল. কুয়েজন, ফিলিপিনো রাজনীতিবিদ।

১৯৭৭ – কৌতুকাভিনেতা জহর রায়।

১৯৮২ – জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী,বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৮৫ – স্যান্ডি বেল, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – আবু সাঈদ চৌধুরী, বাংলাদেশের ২য় রাষ্ট্রপতি।

১৯৯৯ – নীরদচন্দ্র চৌধুরী, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলার খ্যাতনামা বাঙালি লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

১৮৪৬ – দ্বারকানাথ ঠাকুর, বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

গোয়ার ৪ টি দর্শনীয় সমুদ্র সৈকত।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো  আমাদের আর এক রাজ্য গোয়া । এখন আমরা জানব গোয়ার চারটি সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে।

 

সিঙ্কেরিম সৈকত

 

 সমুদ্র সৈকত আপনাকে তার মনোরম বালুকাময় সৈকত বরাবর হাঁটার আমন্ত্রণ জানায়। আপনি সাঁতার সহ বিভিন্ন ধরণের জল-ভিত্তিক খেলাধুলা এবং উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিয়াকলাপগুলিতে অংশ নিতে পারেন, তবে আপনি কেবল সাঁতার কাটতে পারেন। এই সৈকতের রাতের জীবন বেশিরভাগ সময় সঙ্গীত উত্সব দ্বারা প্রভাবিত হয়। এখানে প্রচুর সংখ্যক হোটেল এবং অন্যান্য ধরণের রিসর্ট রয়েছে। এছাড়াও, আশেপাশের এলাকায় অনেক চমৎকার রেস্তোরাঁ রয়েছে যা তাদের সুস্বাদু খাবার এবং পানীয়ের জন্য পরিচিত। প্রচুর ট্যাক্সি, মোটরসাইকেল এবং বাস পাওয়া যায় বলে সিঙ্কেরিমে যাওয়া সহজ।

অশ্বেম সৈকত

 

অশ্বেম সমুদ্র সৈকত হল একটি দীর্ঘ এবং পরিষ্কার দৈর্ঘ্যের বালি যা জনসাধারণের কাছ থেকে দূরে অবস্থিত, এটি ভ্রমণকারীদের জন্য একটি দুর্দান্ত অবস্থান তৈরি করে যারা শান্তিপূর্ণ ছুটি চান যেখানে তারা যেতে পারেন সূর্য, বালি এবং তরঙ্গে ভিজিয়ে রাখুন। অশ্বেম সৈকতের আশেপাশের জল সাঁতারের জন্য আদর্শ, এবং এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীটি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ প্রদান করে যারা এখনও সমুদ্রের ঢেউ পরিচালনা করার জন্য যথেষ্ট বয়সী নয়। আপনি স্থানীয় রিসর্টগুলির একটিতে স্পা দিনে নিজেকে চিকিত্সা করে বা আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ করতে গিয়ে আরও আরাম করতে পারেন, উভয়ই তাদের শান্ত প্রভাবের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চলে অনুশীলন করা আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজগুলি অত্যন্ত উচ্চ মানের এবং দক্ষতার স্তরের।

মিরামার সৈকত

 

গোয়ানদের জন্য, মিরামার বিচ মুম্বাইয়ের চৌপাট্টির সাথে তুলনীয়। এর প্রধান দর্শনার্থীরা গোয়ানরা, যারা সকালে বা সন্ধ্যায় অবসরে হাঁটার জন্য তাদের বন্ধুদের সাথে দেখা করতে আসে। ফলস্বরূপ, এটি সম্ভবত গোয়ার যেকোনো স্থানের তুলনায় সবচেয়ে কম পর্যটন পরিবেশ রয়েছে। একটি শক্তিশালী আন্ডারকারেন্টের উপস্থিতির কারণে, এই সৈকত সাঁতারের জন্য উপযুক্ত নয়। ভিউ নেওয়ার পাশাপাশি এখানে কিছু কেনাকাটা করাও সম্ভব। এটি প্রায়শই গোয়ার সৈকতগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয় যা পরিবারের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। নভেম্বর থেকে মার্চ মাস ভারতে এই অবস্থানে ভ্রমণের জন্য আদর্শ।

মর্জিম সৈকত

 

যারা নিজেদের মধ্যে রাখতে চান তারা মরজিম বিচকে পছন্দ করবেন। এই সৈকত, যা চাপোরা নদীর উত্তরে পাওয়া যায়, এটি একটি বালুকাময় সমুদ্র সৈকতের একটি অত্যাশ্চর্য উদাহরণ এবং এটি গোয়ার সমুদ্র সৈকতগুলির মধ্যে একটি যা প্রতিদিন খুব কম দর্শক দেখে। অলিভ রিডলি কচ্ছপ হল এই সৈকতে শোয়ের তারকা কারণ এটি তাদের জন্য বাসা বাঁধার আবাসস্থল। মর্জিম সৈকত এক ধরণের বাস্তুশাস্ত্র রয়েছে যা এই ধরণের কচ্ছপের বিকাশ এবং ডিম থেকে বাচ্চা বের করার প্রচার করে, এটি তাদের বসবাসের জন্য একটি আদর্শ জায়গা করে তোলে। এর ফলস্বরূপ মরজিম বিচকে একটি নতুন ডাকনাম দেওয়া হয়েছে: টার্টল বিচ। অত্যাশ্চর্য সূর্যাস্তের দৃশ্যের প্রশংসা করার সময় 3-কিলোমিটার সমুদ্র সৈকত দীর্ঘ হাঁটার জন্য উপযুক্ত।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩১ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক।

১৯১১ – পান্নালাল ঘোষ, বংশীবাদক।

১৯১২ – মিল্টন ফ্রিড্‌ম্যান, নোবেল বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ, পরিসংখ্যানবিদ।

১৯১৮ – পল বয়ার, আমেরিকান বায়োকেমিস্ট এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৩১ – বিশ্বের সেরা ১০ টেনিস সেরা তারকার কোচ নিক বলেতিয়েরি।

১৯৪৪ – জেরাল্ডিন চ্যাপলিন, ইংরেজি, ফরাসি এবং স্পেনীয় ভাষার বিশিষ্ট অভিনেত্রী।

১৯৪৬ – পি সি সরকার জুনিয়র, পুরো নাম প্রদীপচন্দ্র সরকার, ভারতীয় বাঙালি জাদুকর।

১৯৪৭ – মুমতাজ, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৫৫ – আহমদ আবদুল কাদের, ইসলামি চিন্তাবিদ ও রাজনীতিবিদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব

১৯৫৭ – মনতাজুর রহমান আকবর, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৫ – জে কে রাউলিং, ইংরেজ কল্পকাহিনী লেখিকা।

১৯৬৬ – ডিন কেইন, মার্কিন টিভি অভিনেতা। যিনি সুপারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেছন।

১৯৮৯ – ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা, বেলারুশীয় টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯২ – কাইল লারসন, আমেরিকান রেস কার ড্রাইভার।

১৮০০ – ফ্রেডরিখ ভোলার, জার্মান রসায়নবিদ।

১৮৩৫ – ফ্রান্স এর ৫০ তম প্রধানমন্ত্রী হেনরি ব্রিসন।

১৮৭৫ – ফরাসি চিত্রকর জাক ভিয়ঁর।

১৮৮০ – মুন্সি প্রেমচাঁদ, আধুনিক হিন্দি এবং উর্দু ভাষার লেখক।

১৮৯১ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার।

১৭০৪ – গাব্রিয়েল ক্রেমার, সুইজারল্যান্ডীয় গণিতবিদ।

১৭১৮ – ইংরেজ পদার্থবিদ জন ক্যান্টন।

১৭৩৬ – বিখ্যাত ফরাসী পদার্থবিদ চার্লস অগাষ্টিন কুলান।

১৫২৭ – দ্বিতীয় ম্যাক্সিমিলিয়ান, পবিত্র রোমান সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৬ – কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ছোটভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছে সাময়িকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

২০০৭ – বাংলাদেশে অর্ধশত বছরের পুরনো খুলনার পিপলস জুট মিল আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

২০১২ – মাইকেল ফেলপস ১৯৬৪ সালে লারিসা লাথিনিয়ার গড়া অলিম্পিকের এক আসরে সর্বোচ্চ পুরস্কার বিজয়ের রেকর্ড ভাঙ্গেন।

১৯০৮ – স্যার ব্যাডেন পাওয়েল স্কাউট আন্দোলনের সূচনা করেন।

১৯১৯ – এয়েইমারে জার্মানি প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।

১৯২৭ – নাগপুরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধে।

১৯৫৪ – ইতালীয় পর্বতারোহী দল প্রথম হিমালয়ের কে-২ শৃঙ্গে আরোহণ করেন।

১৯৭১ – এপোলো-১৫ মহাকাশ যান চাঁদে যাবার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইয়েমেন।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় দক্ষিণ ভিয়েতনাম।

১৯৭৮ – চট্টগ্রামে এলপি গ্যাস কারখানা উদ্বোধন।

১৯৭৮ – চীনে শেক্সপিয়ারের রচনাবলীর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

১৯৯১ – সোভিয়েত-মার্কিন দূরপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রহ্রাস চুক্তি ‘স্টার্ট’ স্বাক্ষরিত হলে দুদেশের মধ্যে বিরাজমান পাঁচ দশক ব্যাপী বিরোধের অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ ঘটে।

১৯৯২ – জর্জিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৯৫ – আজকের দিনে ভারতের হয়ে প্রথম মোবাইল ফোনে কলকাতার মহাকরণে বসে কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ইউনিয়ন কমিউনিকেশন মিনিস্টার সুখরামের সাথে।

১৮০৬ – বৃটিশ উপনিবেশবাদীরা দক্ষিণ আফ্রিকার ‘কাপ’ এলাকা দখল করে নেয়।

১৮০৭ – লর্ড মিন্টো গভর্নর জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন।

১৮৫৬ – নিউজিল্যান্ডের শহর ক্রাইস্টচার্চকে সিটি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

১৬৫৮ – আওরঙ্গজেব ভারতের মুঘল সম্রাট ঘোষিত হন।

১৪৯৮ – প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে ক্রিস্টোফার কলম্বাস পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের ত্রিনিদাদ আবিষ্কার করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

 

২০০৯ – ইংলিশ ফুটবলার এবং ব্যবস্থাপক বব্বি রবসন।

২০১২ – আমেরিকান গায়ক ও গান লেখক বিল ডস।

২০১৪ – নবারুণ ভট্টাচার্য, ভারতীয় লেখক।

২০১৭ – জান মোরো, ফরাসি অভিনেত্রী, গায়িকা, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক।

২০২২ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সংগীত শিল্পী নির্মলা মিশ্র, (৩০ জুলাই রাত্রি ১২ টা ৫ মিনিটে)।

১৯৪০ – উধাম সিং , ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ মার্ক্সবাদী বিপ্লবী।

১৯৪৩ – হেডলি ভেরিটি, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৪৪ – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালে খ্যাতনামা ফরাসী লেখক এ্যান্টনি দোসান্ত এক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যবরণ করেন।

১৯৭১ – সালাহউদ্দিন মমতাজ, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৮০ – মোহাম্মদ রফি, ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৮০ – শৈলেন্দ্রনাথ গুহরায়, ভারতে মুদ্রণ শিল্পের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শ্রীসরস্বতী প্রেসের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৮১ – ওমর তরিজোস, পানামার স্বৈরশাসক।

১৯৯২ – কমিউনিস্ট নেতা রতন সেন সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন।

১৮৭৫ – অ্যান্ড্রু জন‌সন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তদশ রাষ্ট্রপতি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This