Categories
বিবিধ

সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে গড়বেতায় বিজেপির কর্মী সম্মেলন।।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বুধবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক নম্বর ব্লকের গড়বেতা শহরে বিজেপির পক্ষ থেকে কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গড়বেতা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রদীপ লোধা, বিজেপির সাংগঠনিক ঝাড়গ্রাম জেলার সভাপতি তুফান মাহাতো, মন্ডল সভাপতি সৌমেন শুকুল সহ একাধিক বিজেপির নেতা কর্মীরা। মূলত সাংগঠনিকের উপর নজর দেওয়ার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসাতে যাতে কোন বিজেপির নেতা কর্মীরা জড়িত না থাকে তার করা বার্তা দিলেন জেলা নেতৃত্ব ।

Share This
Categories
কবিতা

শেষ বিকেলের প্রেম।

শেষ বিকেলের নরম রোদে তোমায় প্রথম দেখেছিলাম,
আকাশজুড়ে কমলা রঙ, আর বাতাসে ছিল এক অদ্ভুত শান্তি।
তুমি জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দূরে তাকিয়ে ছিলে,
আর আমি নিঃশব্দে হারিয়ে যাচ্ছিলাম তোমার মায়াভরা চোখে।
সেদিন সূর্যটা ধীরে ধীরে ডুবছিল পশ্চিম আকাশে,
ঠিক যেমন ধীরে ধীরে আমি ডুবে যাচ্ছিলাম তোমার ভালোবাসায়।
চারপাশে পাখিরা ফিরছিল নিজেদের ঘরে,
আর আমার মন খুঁজে নিচ্ছিল তোমাকেই নিজের ঠিকানা করে।
তুমি হেসে বলেছিলে,
“বিকেলগুলো কেন এত সুন্দর জানো?”
আমি তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলেছিলাম,
“কারণ এই সময়টায় তোমাকে সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে।”
তোমার চুলে তখন রোদের শেষ আলো খেলছিল,
মনে হচ্ছিল কোনো কবিতা নীরবে জন্ম নিচ্ছে।
তুমি চুপচাপ পাশে বসেছিলে,
আর আমার হৃদয় হাজার গল্প লিখে যাচ্ছিল তোমাকে নিয়ে।
শেষ বিকেলের হাওয়ায় ছিল কদম ফুলের গন্ধ,
ছিল অদ্ভুত এক নরম বিষণ্নতা।
কারণ বিকেল মানেই তো ধীরে ধীরে ফুরিয়ে যাওয়া,
তবুও সেই ফুরিয়ে যাওয়ার মাঝেই লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে সুন্দর ভালোবাসা।
আমি তোমার হাতটা আলতো করে ধরেছিলাম,
তুমি কিছু বলোনি, শুধু মৃদু হেসেছিলে।
সেই হাসির মধ্যেই ছিল হাজারটা অনুভূতি,
যা আজও আমার হৃদয়ে বেঁচে আছে।
সূর্যটা যখন একেবারে হারিয়ে গেল আকাশের কোণে,
তুমি ধীরে বলেছিলে,
“একদিন যদি আমি হারিয়ে যাই?”
আমি তখন নিঃশব্দে বলেছিলাম,
“তাহলে প্রতিটি শেষ বিকেলে আমি তোমাকেই খুঁজবো।”
আজও যখন বিকেলের আলো ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসে,
আমি তোমার কথাই ভাবি।
আকাশের রঙ বদলাতে দেখলে মনে হয়,
তুমি হয়তো এখনো কোথাও বসে সেই একই আকাশ দেখছো।
শেষ বিকেলের সেই ভালোবাসা
আজও আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতি।
কারণ কিছু ভালোবাসা কখনও শেষ হয় না,
তারা শুধু বিকেলের রঙ হয়ে হৃদয়ে থেকে যায় চিরকাল।

Share This
Categories
অনুগল্প

নীল শাড়ির মেয়ে।

প্রতিদিন সকাল আটটার লোকাল ট্রেনে একই মেয়েটাকে দেখত সৌরভ।
নীল শাড়ি, খোলা চুল, আর হাতে একটা সাদা ডায়েরি। জানালার পাশে বসে সে কখনো বাইরে তাকিয়ে থাকত, কখনো ডায়েরিতে কিছু লিখত।
অদ্ভুত ব্যাপার হলো, পুরো ট্রেনে এত ভিড়ের মাঝেও মেয়েটার মধ্যে এক ধরনের নীরবতা ছিল। যেন সে অন্য এক জগতে থাকে।
সৌরভ প্রতিদিন ঠিক তার উল্টো দিকের সিটে বসার চেষ্টা করত। কিন্তু কোনোদিন কথা বলতে পারেনি।
একদিন সাহস করে একটা ছোট্ট কাগজে লিখল—
“আপনাকে প্রতিদিন দেখি। আপনার নীরবতাটা খুব সুন্দর।”
কাগজটা মেয়েটার ডায়েরির ভেতর আলতো করে রেখে নেমে গেল সে।
পরের দিন ট্রেনে উঠে সৌরভ অবাক।
মেয়েটা আজও সেই একই জায়গায় বসে আছে। তবে আজ তার হাতে একটা নীল খাম।
ট্রেন ছাড়তেই মেয়েটা খামটা বাড়িয়ে দিল।
কাঁপা হাতে খুলে দেখল সৌরভ।
ভেতরে লেখা—
“আমি কথা বলতে পারি না। তাই লিখেই উত্তর দিলাম… আমিও আপনাকে প্রতিদিন দেখি।”
সৌরভ জানালার বাইরে তাকাল। সকালের রোদ তখন ধীরে ধীরে শহরের ওপর ছড়িয়ে পড়ছে।
আর ভিড়ের সেই লোকাল ট্রেনে দুটো নীরব হৃদয় প্রথমবার একে অপরকে ছুঁয়ে ফেলল।

Share This
Categories
অনুগল্প

ফেলে আসা বিকেল।

বহু বছর পর আজ আবার সেই মাঠটার পাশ দিয়ে হাঁটছিল অনির্বাণ। শহর বদলেছে, রাস্তা বদলেছে, শুধু পুরোনো বটগাছটা এখনও আগের মতো দাঁড়িয়ে আছে।
এই মাঠেই প্রতি বিকেলে দেখা হতো তাদের।
মেঘলা সবসময় আগে এসে বসে থাকত। হাতে একটা গল্পের বই, চুলে হালকা বাতাস। আর অনির্বাণ দৌড়ে এসে বলত,
— “আবার এত তাড়াতাড়ি চলে এলে?”
মেঘলা হেসে বলত,
— “কিছু অপেক্ষা ভালো লাগে।”
তারপর একদিন হঠাৎ সব বদলে গেল। মেঘলার বাবার বদলি হলো অন্য শহরে। যাওয়ার আগের বিকেলে মেঘলা বলেছিল,
— “যদি কোনোদিন ফিরে আসি, এই মাঠেই তোমাকে খুঁজবো।”
তারপর কেটে গেছে বারো বছর।
আজ অফিসের কাজে হঠাৎ এই শহরে এসে অনির্বাণের মনে হলো, একবার মাঠটার কাছে যাক।
বিকেলের শেষ আলো তখন ঘাসের ওপর পড়েছে। দূরে কয়েকটা বাচ্চা খেলছে।
হঠাৎ বটগাছটার নিচে একটা পরিচিত মুখ দেখতে পেল সে।
সাদা শাড়ি, হাতে সেই একই ধরনের বই।
মেঘলা।
দু’জনেই কিছুক্ষণ চুপচাপ তাকিয়ে রইল।
তারপর মেঘলা মৃদু হেসে বলল,
— “দেখলে? কিছু অপেক্ষা সত্যিই ফুরোয় না।”
ডুবন্ত সূর্যের আলোয় তখন পুরোনো সেই বিকেলটা আবার ফিরে এসেছিল।

Share This
Categories
অনুগল্প

অচেনা স্টেশনের মানুষ।

রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা। ছোট্ট নির্জন স্টেশনটায় ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য। চারপাশে হালকা কুয়াশা, চায়ের দোকান থেকে ধোঁয়া উঠছে।
ঈশিতা জানালার পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ তার চোখ পড়ল প্ল্যাটফর্মের এক কোণে দাঁড়ানো একজন মানুষের দিকে।
কালো শাল গায়ে, হাতে পুরোনো একটা ব্যাগ। লোকটা বারবার ট্রেনের প্রতিটা জানালার দিকে তাকাচ্ছিল, যেন কাউকে খুঁজছে।
ট্রেন ছাড়ার বাঁশি বাজতেই হঠাৎ লোকটা ঈশিতার জানালার সামনে এসে দাঁড়াল।
মৃদু হেসে বলল,
— “মাফ করবেন… আপনি কি নীলাঞ্জনাকে চেনেন?”
ঈশিতা অবাক হয়ে মাথা নাড়ল,
— “না তো।”
লোকটার চোখে এক মুহূর্তের জন্য হতাশা নেমে এলো। তারপর ধীরে বলল,
— “আজ পঁচিশ বছর হলো… এই একই ট্রেনে ও চলে গিয়েছিল। যাওয়ার আগে বলেছিল, একদিন ঠিক ফিরে আসবে।”
ট্রেন চলতে শুরু করল।
ঈশিতা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল মানুষটাকে। কুয়াশার ভেতর সে এখনো দাঁড়িয়ে আছে, ঠিক একই জায়গায়।
হয়তো কোনো মানুষ নয়, একটা অপেক্ষাই দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে।

Share This
Categories
বিবিধ

‘মামলা তুলে নিতে হুমকি’ — বিস্ফোরক অভিযোগ সৃষ্টির বাবার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– মালদা শহরের কিশোরী সৃষ্টি কেশরীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যে পালাবদলের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে তদন্তের দাবিতে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপির মহিলা মোর্চার তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল মালদা শহরের দক্ষিণ বালুচরে সৃষ্টির বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দেয়।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় ১১ বছরের স্কুলছাত্রী সৃষ্টি কেশরী। দু’দিন পর ইংরেজবাজার শহরের নিয়ন্ত্রিত বাজার এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তার মুণ্ডুহীন দেহ। পরে একটি পুরনো গুদামঘরের ছাদ থেকে উদ্ধার হয় কাটা মুণ্ডু। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা রাজ্যে। তদন্তে জাতীয় ও রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরাও মালদায় এসেছিলেন। সেই সময় এক আত্মীয়কে গ্রেফতার করা হলেও পরিবারের অভিযোগ ছিল, আসল ঘটনার ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।প্রতিনিধি দলে ছিলেন তন্দ্রা পাল, নারায়নী বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্তরা চম্পটি। সৃষ্টির বাবা মনোজ কেশরী অভিযোগ করেন, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি এক দুষ্কৃতী তাঁর গলা টিপে ধরেও মারার চেষ্টা করে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, “আরজি কর কাণ্ডের মতোই আমার মেয়ের খুনের ঘটনাতেও নতুন করে তদন্ত হোক, দোষীরা শাস্তি পাক।”বিজেপি নেত্রী তন্দ্রা পাল জানান, বিষয়টি নারী সুরক্ষা মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলকে লিখিতভাবে জানানো হবে। পাশাপাশি প্রতিনিধি দলের দাবি, আসামিপক্ষের আইনজীবীর পিছনে কারা বিপুল অর্থ দিচ্ছে তা খতিয়ে দেখলেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য সামনে আসবে।

Share This
Categories
বিবিধ

হলং এলাকায় জঙ্গল থেকে রাস্তায় বাইসন, দুর্ঘটনার কবলে কলকাতাগামী লরি।।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা : বাইসনকে বাঁচাতে গিয়ে সড়কের ধারে পালটে গেল একটি লরি আহত লরির চালক ও খালাসী।

ঘটনাটি ঘটেছে মাদারিহাট হলং এলাকায় এশিয়ান হাইওয়েতে। গৌহাটি থেকে কোলকাতা গামী একটি লরি যখন তোর্ষা সেতু ক্রশ করে কিছুদূর এগোনোর পর লরির চালক দেখে সড়কে আচমকা জলদাপাড়া জঙ্গল থেকে একটি বাইসন চলে আসে। গাড়ির চালক তখন বাইসনটিকে বাঁচাতে গিয়ে সড়কের ধারে লরি পালটে খেয়ে পড়ে যায়। এই ঘটনায় লরি ক্ষতিগ্ৰস্থ হয় এবং লরিতে থাকা দুজন আহত হয়। কিন্ত বাইসনটি বেঁচে যায়।

Share This
Categories
বিবিধ

নাদনঘাট থানার অভিযানে গ্রেপ্তার তৃণমূলের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলো পূর্বস্থলী ১ ব্লকের নসরতপুর পঞ্চায়েত এলাকার এক তৃণমূল নেতাকে। অভিযুক্ত অমল হালদার, যিনি ওই পঞ্চায়েতের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ।অভিযোগ, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। এই ঘটনায় গতকাল নাদনঘাট থানায় অমিত হালদার নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তের পর অভিযুক্ত অমল হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নাদনঘাট থানার পুলিশ। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ।অন্যদিকে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ তদন্তের পরই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বারবার নোটিশের পরও মেলেনি সাড়া, স্কুলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল দপ্তর।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার অভিযোগে জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা মালতীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী-র মেয়ের নামে থাকা একটি বেসরকারি স্কুলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বিদ্যুৎ বন্টন দপ্তর। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল সরালো মালদা রতুয়া এলাকায়।

    অভিযোগ, বছরের পর বছর বিদ্যুতের বিল পরিশোধ না করায় স্কুলটির বকেয়া বিল বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৬ লক্ষ টাকায়। বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির দাবি, ১১ লক্ষ টাকার মূল বকেয়ার পাশাপাশি প্রায় ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছিল। একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও সদুত্তর মেলেনি। এরপরই গত সপ্তাহে স্কুলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।  

এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, এত বিপুল পরিমাণ বকেয়া থাকা সত্ত্বেও এতদিন কেন কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই বিষয়টি দীর্ঘদিন চাপা ছিল।

এদিকে উত্তর মালদা বিজেপির সহ-সভাপতি অভিষেক মিশ্র এই ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা হলেও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, রতুয়ার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাকি সেচ দপ্তরের জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। যারা অবৈধভাবে জমি দখল করে রেখেছে বা সরকারি পাওনা মেটাচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবৈধভাবে দখল করা জমি সরকারকে ফিরিয়ে না দিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির মালদার রিজিওনাল ম্যানেজার সৌমেন দাস জানিয়েছেন, বিগত দিনে রেজিনা খাতুনের নামে থাকা একটি স্কুলের বকেয়া বিদ্যুতের বিল পাহাড় প্রমাণ টাকায় পরিণত হয়েছিল। ১১ লক্ষ টাকার বিদ্যুতের বিলের পাশাপাশি ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা নিয়ে মোট ১৬ লক্ষ টাকা বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করার বারবার নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনও সদুত্তর না মেলায় অবশেষে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দপ্তরের বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

যদিও এ বিষয়ে আব্দুর রহিম বক্সী ক্যামেরার সামনে কোন মুখ না খুললেও তিনি জানান বকেয়া বিদ্যুৎ বিল মিটিয়ে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে কিছুটা মিটি দেওয়া হয়েছে l তবে কেন এতদিন বিল পরিশোধ করা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি মুখ খোলেননি।

Share This
Categories
অনুগল্প

জানালার ওপারে তুমি।।

প্রতিদিন রাত ঠিক ন’টায় মীরা জানালার পাশে এসে দাঁড়ায়। সামনের বাড়িটার দ্বিতীয় তলার জানালায় তখন আলো জ্বলে ওঠে।
সেখানে একটা ছেলে বসে থাকে। কখনো বই পড়ে, কখনো গিটার বাজায়, কখনো শুধু চুপচাপ বাইরে তাকিয়ে থাকে।
দু’জনের কখনো কথা হয়নি। পরিচয়ও নেই। তবু অদ্ভুত এক অভ্যাস তৈরি হয়ে গিয়েছিল।
মীরা অপেক্ষা করত আলো জ্বলার জন্য।
আর ছেলেটা হয়তো অপেক্ষা করত জানালার পাশে মীরাকে দেখার জন্য।
একদিন হঠাৎ সামনের বাড়িটা অন্ধকার।
একদিন… দু’দিন… পুরো এক সপ্তাহ।
মীরার কেমন যেন অস্থির লাগতে শুরু করল। সে বুঝতেই পারেনি, অচেনা মানুষটার জন্য তার এতটা ভাবনা জমে গেছে।
অষ্টম দিনের রাতে আবার আলো জ্বলে উঠল।
মীরা ছুটে জানালার পাশে এসে দাঁড়াল।
ছেলেটা আজও সেখানে। তবে আজ তার হাতে একটা ছোট্ট কাগজ।
সে কাগজটা জানালার কাঁচে তুলে ধরল।
তাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা—
“তুমি না এলে জানালাটাও ফাঁকা লাগে।”
মীরার ঠোঁটে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠল। বাইরে তখন হালকা বৃষ্টি, আর দুটো জানালার মাঝখানে নীরব একটা ভালোবাসা জন্ম নিচ্ছে।

Share This