Categories
বিবিধ

মালদা কলেজ ও পলিটেকনিকে গণনা, প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— নির্বাচন পরবর্তী গণনা কেন্দ্রের নিয়মাবলী সম্পর্কিত সর্বদলীয় বৈঠক করলো জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা। শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, পুলিশ সুপার অনুপম সিং সহ অন্যান্য পদস্থ কর্তারা। এছাড়াও শাসক ও বিরোধী শিবিরের বিভিন্ন প্রতিনিধিরাও এই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সেখানেই মালদার দুটি গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক নিয়মাবলী সম্পর্কিত বিষয়গুলি জানানো হয়। এই বৈঠকের মধ্যেই জায়েন্ট স্ক্রিনের ড্রোনের তোলার ছবি দেখিয়ে গণনা কেন্দ্রের প্রবেশ ও বাহিরের পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা কলেজ এবং পলিটেকনিকে দুটি গণনা কেন্দ্র করা হয়েছে। মালদা কলেজে গণনা হবে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের এবং পলিটেকনিকে গণনা হবে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে। সকাল সাতটার মধ্যে গনণা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট প্রবেশ পথ দিয়েই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের ঢুকতে হবে এবং সেখানেই নির্বাচন কমিশনের থেকে দেওয়া প্রয়োজনীয় পরিচয় পত্র ও সমস্ত নতি দেখাতে হবে। দুটি জায়গাতেই গণনা কেন্দ্রের আশেপাশে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও গণনা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট জায়গায় থাকবে শৌচালয়ের ব্যবস্থা।
মালদার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ফলাফল যাই হোক না কেন, গণনা পরবর্তী সমস্ত বিষয়ের ওপর কড়া নজরদারি থাকবে পুলিশ ও প্রশাসনের। কোনরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। ভোটের ফলাফলের পর কোনরকম যাতে হিংসা না ছড়াই সেদিকেও কড়ি নজরদারি চালাবে জেলা পুলিশের প্রশাসন।

Share This
Categories
বিবিধ

মাতৃমা বিভাগে উত্তেজনা, নিরাপত্তারক্ষীদের পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ভুয়ো টিকিট দেখিয়ে মালদা মেডিক্যালের ওয়ার্ডের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ায় নিরাপত্তা রক্ষীদের উল্টে মারধর করার অভিযোগ রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে। নিরাপত্তা রক্ষীদের মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ৪ নিরাপত্তা কর্মী জখম হন। এক মহিলা নিরাপত্তা কর্মী মালদা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ৫ মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ। এদিকে নিরাপত্তা রক্ষীদের ওপর হামলার সময় মালদা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পে জানানোর পরও কোনও পুলিশ কর্মীর দেখা পাওয়া যায় নি। এই ঘটনায় নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন খোদ নিরাপত্তা কর্মীরাই। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সন্ধের দিকে মালদা মেডিক্যালের মাতৃমা বিভাগে। জানা গেছে, ইংরেজবাজার শহরের মহেষমাটি এলাকায় বাড়ি অভিযুক্তদের। তাঁদের এক শিশু ভর্তি রয়েছে মাতৃমার ৪ তলায়। এদিন গেট পাশ দেখিয়ে একে একে ৩ মহিলা ভেতরে প্রবেশ করতে গেলে অতিরিক্ত একজনকে সন্দেহজনকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এক নিরাপত্তা রক্ষী দেবাশিষ মণ্ডল। তাঁর টিকিকটি নিয়ে নেওয়া হলে তখন অন্য অভিযুক্তরা এসে প্রথমে দেবাশিষের ওপর হামলা চালায়। তাঁকে বাঁচাতে অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীরা ছুটে এলে তাঁদের মাটিতে ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় সঙ্গীতা মণ্ডল নামে এক মহিলা নিরাপত্তা কর্মী চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মাতৃমা বিভাগে।

Share This
Categories
বিবিধ

পশ্চিম মেদিনীপুরের Chandrakona Road শহরে কয়েক ঘণ্টার ভয়াবহ যানজটে চরম ভোগান্তির শিকার হলেন সাধারণ মানুষ।

নিজস্ব সংবাদদাতা:- শনিবার সকাল থেকেই National Highway 60-এর উপর দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার জেরে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে শহরের যান চলাচল। কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে থাকা যানবাহনের কারণে নাজেহাল হয়ে পড়েন যাত্রী থেকে শুরু করে অফিসগামী মানুষজন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক পুলিশের কর্মীদের। বহু চেষ্টার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, Ghatal-গামী রাস্তায় রেলগেট থাকায় প্রায়ই এমন যানজটের সৃষ্টি হয়। ট্রেন চলাচলের সময় গেট বন্ধ থাকলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গাড়িগুলিকে, ফলে সমস্যা আরও বাড়ে।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বাসিন্দারা আন্ডারপাস বা সাবওয়ে নির্মাণের দাবি তুলেছেন। তাঁদের মতে, দ্রুত এই ব্যবস্থা করা হলে ভবিষ্যতে যানজট অনেকটাই কমবে এবং শহরবাসী স্বস্তি পাবেন।

Share This
Categories
বিবিধ

মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় পুরস্কার বিতরণ, পড়ুয়াদের উৎসাহ বাড়াতে উদ্যোগ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- Paschim Medinipur জেলার গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের Chandrakona Road শহর সংলগ্ন Dabcha Nabakola High School এবং Kiyaboni Primary School-এ মেধা অন্বেষণ পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো।
পড়ুয়াদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে Aparajeyo স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ২০০ জন ছাত্র-ছাত্রী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ডাবচা নবকোলা হাই স্কুলে প্রায় ১৫০ জন এবং কিয়াবনী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংগঠনের সদস্যরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রসেনজিৎ কুণ্ডু, দিব্যেন্দু সিংহ রায়, প্রিয়াঙ্কা প্রামাণিক, শিবম প্রামাণিক, চিরঞ্জিত রানা, শিবম মান্না সহ অন্যান্যরা।
এই উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করছেন আয়োজকরা।

Share This
Categories
বিবিধ

৪ মে ফলাফলের আগে আবির নিয়েই বার্তা, ‘গেরুয়া ঝড়’ বনাম ‘সবুজ প্রত্যাবর্তন’।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যের দু দফা নির্বাচন ইতিমধ্যেই শান্তিপূর্ণ ভাবে ও নির্বিগ্নে হয়েছে l রাজ্যেএবার পরিবর্তন হবে না প্রত্যাবর্তন তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে চার মে ভোট গণনার দিন l ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দারুন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে l আর এরই মধ্যে মালদা জেলায় বাজার থেকে সবুজের তুলনায় গেরুয়া আবির বেশি বিক্রি হওয়ায় জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলেl আবির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা l তৃণমূলের দাবি ইতিমধ্যেই আমাদের তৃণমূল কর্মী নেতৃত্বরা সবুজ আবির কিনেই ফেলেছি ফলে বাজারে নেই l বিজেপি এই নিয়ে রাজনীতি করছেl যদিও তৃণমূলকে পাল্টা দিয়েছে বিজেপিও সবাই জানে এবার গোটা রাজ্যে গেরুয়া আবির এর ঝড় উঠবে।

মালদা জেলায় নেতাজি কমার্শিয়াল মার্কেট সেখানে দেখা যাচ্ছে যারা আবির ব্যবসায়ী তাদের দোকানে গেরুয়া আবির বেশি পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে সবুজ আবির তেমন বিক্রি হচ্ছে না l চাহিদা তুলনাই গেরুয়া আবি র সেভাবে পাচ্ছে না l আবির ব্যবসায়ী সমু সেন ,অশোক সাহা , নীতিন সাহা , জানান হোলির সময় আবিরের যে চাহিদা থাকে এইবার ভোটে তার থেকে বেশি গেরুয়া আবিরের চাহিদা বাড়ছে l প্রতিদিন 25 থেকে 30 প্যাকেট আবির গেরুয়া বিক্রি হচ্ছে। সেই তুলনায় সবুজ আবির বিক্রি হচ্ছে না l আবিরের এত চাহিদা যে কলকাতার বাজারেও গেরুয়া আবির আমরা পাচ্ছি না l যার ফলে যতক্ষণ রয়েছে ততক্ষনই গেরুয়া আবির আমরা দিতে পারব তারপর আর না l এবার গেরুয়া আবিরের দামও প্রতি ১০ কেজি প্যাকেটে 40 থেকে 50 টাকা করে বেড়েছে বেশি দাম দিয়েও আবির কিনছেন ক্রেতারা l গেরুয়া আবির এর দাম দেড়শ টাকা প্রতি ১০ কেজির প্যাকেট ছিল কিন্তু চাহিদা যেভাবে বেড়ে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে প্রতি ১০ কেজির প্যাকেটে 40 থেকে 50 টাকা করে দাম বেড়েছে l তবে সবুজ আবিরের দাম বাড়েনি।

প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছেন গেরুয়া আবির কিনতে এইভাবে চাহিদা বাড়লে গেরুয়া আবির বাজারে আর পাওয়া যাবে না l

আর এই আবির কেনাবেচা কে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু জানান আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের হাই কমান্ড সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ইতিমধ্যেই দলের কর্মী নেতৃত্বদের নির্দেশ দিয়েছেন যে সবুজ আবির বাজার থেকে সংগ্রহ করে রাখতে সেক্ষেত্রে আমরা আগে থেকেই সবুজ আবির সংগ্রহ করে রেখেছি। এছাড়াও রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্যাসেট ও ডিজে রাখতে বলেছেন l আমরা ইতিমধ্যেই সমস্ত কর্মীরা সরাসরি বাজার থেকে সবুজ আবির কিনেই ফেলেছি সুতরাং যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা এই কথা বলছেন আমার মনে হয় তারা বিজেপি সমর্থিত। আজকে গোটা পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিজেপির কোন কর্মী নেই আজকে বিজেপি এই সেনাবাহিনী ,সাজুয়া গাড়ি অবজারভার কে দিয়ে নির্বাচন করছে l বিজেপির পায়ের তলার মাটি নেই। চার মে চতুর্থবারের জন্য মমতা ব্যানার্জি সরকারি আসছেন চার মেয়ে এত আকাশে বাতাসে সবুজ আবির উড়বে গেরুয়া আবির দেখাই যাবে না

দক্ষিণ মালদা বিজেপির সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী জানান আজকের তৃণমূল কর্মীদের নেতৃত্বরা আগের থেকে সবুজ আবির কিনে রাখছে। আমরা আমাদের দলের কর্মীদের নেতাদেরকে এ সমস্ত কথা বলি না l কারণ চার মে গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড় উঠবেl আকাশে গেরুয়া আবির ছেয়ে যাবে l আজকে তৃণমূলের নেতারাই আমাদেরকে ফোন করছে গেরুয়া আবীর মাখার জন্য l চার তারিখ ভোট গণনার দিন বারোটার পর থেকে দেখবেন একাধিক তৃণমূলের নেতা রা আমাকে ফোন করবে আমাদের দলে ঢোকার জন্য l তৃণমূলের লোকরাই গেরুয়া আবির কিনে ঘরে রাখছেন l

Share This
Categories
বিবিধ

১লা মে-তে হলদিয়া শিল্পনগরে শ্রমিকদের সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠান

হলদিয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শ্রমিকদের অধিকার ও সম্মান রক্ষার দাবিতে এই দিনের সূচনা।১৮৮৬ সালের শিকাগোর শ্রমিক আন্দোলনের স্মরণে এটি পালিত হয়।এই দিনে শ্রমিকদের অবদানকে সম্মান জানানো হয়। আজ হলদিয়া শিল্পনগরে কেঁচেরা ফ্যাক্টরির শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ডঃ রফিকুল হাসান মহোদয় সহ অন্যান্য নেতৃত্ব সর্বোপরি সকল শ্রমিক বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

Jateshwar-এ রুট মার্চ, ওসি জগদীশ রায়ের নেতৃত্বে নিরাপত্তা জোরদার।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলায়।সূত্রের খবর, সামগ্রিকভাবে নির্বিঘ্নেই মিটেছে ভোট পর্ব। তবে ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতেও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপর প্রশাসন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা জুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। চলছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ রুট মার্চ ও টহলদারি। এই প্রেক্ষিতেই ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর সহ বিভিন্ন এলাকায় করা হচ্ছে রুট মার্চ। ওই রুট মার্চের অগ্রভাগে ছিলেন জটেশ্বর ফাঁড়ির ওসি জগদীশ রায়। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

Share This
Categories
বিবিধ

পুলিশি মদতের অভিযোগ ঘিরে এগরায় উত্তেজনা, স্ট্রং রুম চত্বরে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী।।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ঝাটুলাল হাইস্কুলের স্ট্রং রুমের সামনে সকাল ১১টা নাগাদ ধুন্ধুমার কান্ড, পুলিশি মদতের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ, যা নিয়ে রীতিমতো এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এগরা থানার IC সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ফেটে পড়ে পটাশপুরের তৃণমূল প্রার্থী পীযুষ পন্ডা সহ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।

এই খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এগরার মহকুমা শাসক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দল।পটাশপুরের তৃণমূল প্রার্থী পীযুষকান্তি পন্ডার অভিযোগ, এগরা থানার আইসি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থী তপন মাইতিকে স্ট্রং রুমের ভেতরে নিয়ে যায়।

তাঁর দাবি নিয়মের বাইরে গিয়ে একটা দলের প্রার্থীর প্রতি পুলিশের এই ‘বিশেষ আনুকূল্য’ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূলের কয়েকশ কর্মী সমর্থক এগরা থানার আইসিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে আইসির অপসারণের দাবি তুলে স্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষোভের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে স্ট্রং রুম চত্তর,

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন এগরার মহকুমা শাসক মঞ্জিত যাদব। তবে উত্তেজনা পরিস্থিতি না কমায় নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নেমে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এই পরিস্থিতির পর বর্তমানে ওই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

উত্তর দিনাজপুরে বোমা সন্দেহে তোলপাড়, সিআইডি ও বোম স্কোয়াডকে খবর।।

উত্তর দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ভোট গণনার দোরগোড়ায় ইসলামপুরে বোমাতঙ্কের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। খবর দেওয়া হয়েছে বোম স্কোয়াড এবং সিআইডি-কে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে দাড়িভিট এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় জামান স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ওই এলাকার চা বাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। চা বাগানের ভিতরে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ দেখতে পান তারা। সন্দেহ হওয়ায় ব্যাগটি খুলতেই চক্ষু চরক গাছ হয়ে যায় তাদের। কারণ ব্যাগের ভেতরে বোমার মতো একাধিক বস্তু দেখতে পান তারা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয় ইসলামপুর থানার পুলিশকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে যেই বস্তু উদ্ধার হয়েছে তা আদৌ বোমা নাকি অন্যকিছু সেটি খতিয়ে দেখতে বোম স্কোয়াড এবং সিআইডি-কে খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার আধিকারিকরা।

Share This
Categories
বিবিধ

সুখী দাম্পত্যের কামনায় বিয়ের টোপর ভাসিয়ে পুণ্যস্নান, Narayanpur-এ ঐতিহ্যবাহী উৎসব।।

মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ঐতিহাসিক পরম্পরা মেনেই আজও হয়ে আসছে বিয়ের মুকুট বিসর্জন। বেহুলা লক্ষিন্দরের ইতিহাস বিজড়িত দীর্ঘ কয়েক দশকের ঐতিহ্য পরম্পরা মেনে বুদ্ধ পূর্ণিমার পূণ্য লগ্নে পূর্ণ স্নান পুরাতন মালদহের নারায়ণপুরের দেবকুন্ডে। কথিত আছে বেহুলা নাকি তার স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিল এখানে। সেই থেকে এই পুকুরে স্নান ও পুজোর রেওয়াজ শুরু। সুখী দাম্পত্য জীবন কামনায় নব দম্পতিরা বিয়ের ফুল ও মালা ভাসিয়ে এই পুকুরে ডুব দেন।
পুরাতন মালদহের নারায়ণপুর ৮৮ নম্বর বিএসএফ ক্যাম্পের ভেতরে শুক্রবার বুদ্ধ পূর্ণিমার পূণ্য লগ্নে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, নারায়ণপুরের ৮৮ নম্বর বিএসএফ ক্যাম্পের ভেতরে বেহুলা নদীর ধারে একটি পুকুরে এই বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনেই অনুষ্ঠিত হয় দেবকুন্ডের মেলা এবং পূজা অর্চনা। এই মেলায় মঙ্গল কামনার জন্য আসে নব দম্পতি অর্থাৎ যাদের নতুন বিয়ে হয়েছে তারা স্বামী স্ত্রী এসে বেহুলা লক্ষিন্দর ইতিহাস বিজড়িত এই পুকুরে বিয়ের টোপর, ফুলমালা সহ বিভিন্ন সামগ্রী বিসর্জন দিয়ে স্নান করে শুদ্ধি হয়ে পুজো করে এবং এই পুজো করলে নাকি নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখী হয়। তবে শুধু মাত্র এই মেলার দিন সাধারণ মানুষের জন্য ক্যাম্পের ভেতরে আসার জন্য বিএসএফদের কোন বাধা বিপত্তি থাকে না। এই মেলাকে ঘিরে প্রশাসনের দিক থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে।
কথিত আছে, বেহুলা নাকি তার স্বামী লক্ষীন্দের এখানে জীবন দান ফিরে পেয়েছিলেন। সেই থেকে এই পুকুরে স্নান ও পূজো করার রেওয়াজ শুরু হয়েছে অর্থাৎ যারা নব দম্পতি রয়েছে তারা এসে তাদের নতুন বিয়ের থেকে যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রী বিসর্জন দিয়ে বৈবাহিক জীবনের সুখ ও শান্তি কামনা করে।

Share This