Categories
বিবিধ

শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে কুর্নিশ, দোমুয়ানি হাই স্কুলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের উপস্থিতি।।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহর সংলগ্ন দোমুয়ানি হাই স্কুলে মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সফল পড়ুয়াদের ফুল, উত্তরীয় ও স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শালবনী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিমান মাহাতো। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রকোনারোড বিট হাউসের আইসি অনুপ ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট সমাজসেবী ধীমান কোলে-সহ এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, নিয়মানুবর্তিতা ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং পড়ুয়াদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

Share This
Categories
বিবিধ

বলরামপুরে নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সূচনা, স্থানীয়দের চিকিৎসা পরিষেবায় মিলবে স্বস্তি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের ১ নম্বর রসকুণ্ড অঞ্চল অন্তর্গত বলরামপুরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও সহজলভ্য করতে নির্মিত নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো মঙ্গলবার। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন শালবনী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিমান মাহাতো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ধীমান কোলে, প্রণব ঘোষ-সহ এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হওয়ার ফলে বলরামপুর ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা স্থানীয় স্তরেই পাবেন। এতে চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমবে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এলাকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

Share This
Categories
বিবিধ

রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ল পরিবার, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের রনজিৎপুর গ্রামের বাসিন্দা পিয়ারি বিবির মৃত্যুর পর একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিবারের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে আশাদ্বীপ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে রেফার করার কথা জানিয়ে ৫০ হাজার টাকার বিল পরিশোধ করতে বলা হয়। স্বজনদের দাবি, দুপুর থেকে রোগীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করলেও দীর্ঘ সময় তাঁকে ছাড়া হয়নি। পরে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় তাঁরা জানতে পারেন, রোগীর মৃত্যু নাকি কয়েক ঘণ্টা আগেই হয়েছিল।
এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মৃতার স্বামী নিজাম শেখের দাবি, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, মৃত্যুর প্রকৃত সময়, চিকিৎসার সমস্ত নথি এবং ৫০ হাজার টাকার বিলের হিসাব খতিয়ে দেখা হোক। এদিকে রনজিৎপুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।
তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত সত্য প্রশাসনের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

কেশপুরে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ বিধায়কের, ফোনে হুমকি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- “এলাকায় গেলে ডিম ছোড়া হবে, আসবেন না”— ফোনে এমন হুমকি নিয়মিত পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করলেন কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা। মঙ্গলবার মেদিনীপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত ভি.বি.জি. রাম জি’ পঞ্চ সম্মেলন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জেলা পরিষদ হল থেকে বেরিয়ে শিউলি সাহা বলেন, “নিশ্চিতভাবেই আমারও কষ্ট যে আমি কেশপুরে যেতে পারছি না। বাংলার বর্তমান পরিস্থিতির কথাই মন্ত্রীর কাছে বলতে এসেছিলাম। আমাদের কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। শুধু প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকলেই হবে না বা মঞ্চে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানালেই হবে না। কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে থাকে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু কিছু উৎসাহী মানুষ রাতারাতি ঝান্ডা ধরে নিয়েছেন। এগুলো পুলিশকেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।” উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে কেশপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে শিউলি সাহা প্রায় ৫০ হাজার ভোটে জয়ী হন। পরে তিনি দলবদল করে অন্য রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কেশপুরের একাংশ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁকে ঘিরে সমালোচনা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা গিয়েছে। শিউলি সাহার দাবি, ভোটে জয়ের পর থেকে তিনি এখনও কেশপুরে যেতে পারেননি। তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ও আর আগের জায়গায় নেই। তিনি বলেন, “যে বাড়িতে আমার বিধায়ক কার্যালয় ছিল, বাড়ির মালিক জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে বলেছিলেন। পরে সব আসবাবপত্র কলকাতায় নিয়ে যেতে হয়েছে। এখন কেশপুরে নতুন করে ঘর খুঁজছি, কিন্তু কেউ ভাড়া দিতে চাইছেন না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এলাকায় গেলেই ডিম ছোড়া হবে বলে ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।” নিরাপত্তার দাবিতে তিনি জানান, “আমি মন্ত্রী, এসপি, ডিএম, স্থানীয় পুলিশ ও বিডিও-র কাছে আবেদন জানাব, যাতে জনপ্রতিনিধিরা নিরাপদে কাজ করতে পারেন। কেউ এলাকায় গিয়ে ঢিল খাবে, মাথা ফাটবে, গাড়ি ভাঙচুর হবে— এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে পারে না। অতীত ভুলে নতুন বাংলা গড়ার যে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, সেই লক্ষ্যেই আমরাও কাজ করতে চাই। কিন্তু এখনও সেই পরিবেশ তৈরি হয়নি বলেই আমার মনে হয়।”
বিধায়কের এই অভিযোগকে ঘিরে কেশপুরের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

Share This
Categories
বিবিধ

নীলগঞ্জে ভোরের বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য, দমকলের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে আগুন।

উত্তর ২৪ পরগনা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- উত্তর ২৪ পরগনার নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির চত্বরে মঙ্গলবার সকাল প্রায় সাড়ে ৬টা নাগাদ উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ বাজি ও বারুদে হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়ায় গোটা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’দিন আগে নীলগঞ্জের নারায়ণপুর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি ও বারুদ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি নিষ্ক্রিয় না করে পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন একটি গোডাউনে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার ভোরে আচমকাই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে গোডাউনের ভিতরে থাকা বাজিগুলি একের পর এক ফাটতে থাকে এবং ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, যে গোডাউনে বাজি ও বারুদ রাখা ছিল তার উপরের তলায় একটি পরিবার বসবাস করত। বিস্ফোরণের তীব্রতায় তারা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। এছাড়াও গোডাউনের বাইরে একটি টিনের ড্রামে বারুদ ভর্তি অবস্থায় রাখা ছিল বলে অভিযোগ। সেই ড্রাম থেকেই আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের দাবি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। তবে বারুদের উপস্থিতির কারণে আগুন নেভাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। বিস্ফোরণের জেরে আশপাশের রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে অবিস্ফোরিত বাজি ও বিস্ফোরকের অংশ, ফলে এলাকায় চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।
কীভাবে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল এবং উদ্ধার হওয়া বাজি-বারুদ নিরাপত্তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

Share This
Categories
বিবিধ

প্রযুক্তির জোরে বন্যপ্রাণ সুরক্ষা, জলদাপাড়ায় এআই নজরদারিতে সফল বনদপ্তর।

নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার :- রাত ১২টা ৩২ মিনিটে এআই-সক্ষম (AI-enabled) নজরদারি ক্যামেরায় বনাঞ্চলের সীমানার কাছে একটি হাতির পাল জড়ো হয়ে পাশের একটি গ্রামের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিডিও জলদাপাড়া কন্ট্রোল রুমে পৌঁছে যায়।
কন্ট্রোল রুম থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ের বনকর্মীদের সতর্ক করা হয়। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল (Rapid Response Team) ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতির পালের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সম্ভাব্য মানুষ-হাতি সংঘাত সফলভাবে এড়াতে সক্ষম হয়। পুরো ঘটনাটি এআই-ভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থায় রেকর্ড হয়েছে।
এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রায় প্রতিদিন রাতেই নিবেদিতপ্রাণ বনকর্মীরা এ ধরনের একাধিক সতর্কবার্তার ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন। বন্যপ্রাণী ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। আধুনিক প্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার সমন্বয় বন্যপ্রাণ সংরক্ষণকে আরও শক্তিশালী করছে এবং মানুষ ও হাতির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের আশপাশে হাতির চলাচলের একাধিক করিডরে বর্তমানে এআই-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ-হাতি সংঘাত প্রতিরোধের পাশাপাশি জাতীয় উদ্যানের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

জল জীবন মিশনের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগে তদন্ত, মালদা সফরে কড়া বার্তা প্রতিমন্ত্রীর।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :—– জল জীবন মিশন প্রকল্পে দেশের অন্যান্য রাজ্যে যেখানে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কাজ হয়ে গিয়েছে সেখানে বিগত সরকারের আমলে এরাজ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ। এই রাজ্যে টাকা বরাদ্দ এবং টাকা খরচের সঠিক হিসেব পর্যন্ত নেই। জল জীবন মিশন প্রকল্পে কেন্দ্রের টাকা নয়ছয় এর ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষী হলে কেউই ছাড় পাবে না,- মঙ্গলবার মালদহে প্রকল্পের পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিয়ে এমনই জানালেন জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য।

তিনি জানান, ডিসেম্বরের মধ্যেই যত বেশি সম্ভব কাজ শেষ করে ফেলা হবে। আপাতত তিন মাসের টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ৭৫ শতাংশ কাজ হয়ে আটকে রয়েছে এমন প্রকল্পগুলিকে দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মালদা জেলায় এমন ৭৯ টি জায়গায় আগামী তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছনো হবে। জল না পৌঁছলে কোনও অবস্থাতেই সরকার টাকা দেবে না

এদিন মালদায় এসে প্রথমে জেলা প্রশাসন, জন প্রতিনিধি এবং দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে জেলাশাসক, একাধিক সরকারি ও বিরোধী বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিক বৈঠকের পর মালদহে দপ্তরের কাজে যুক্ত ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনায় বসে কাজের অগ্রগতি এবং সুবিধে অসুবিধের খোঁজ নেন মন্ত্রী। সঠিকভাবে কাজ করে থাকলে ঠিকাদাররা বকেয়া পেয়ে যাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Share This
Categories
বিবিধ

শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি, র‍্যালি করে থানায় বিজেপি নেতৃত্ব।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অবমাননার অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে হবিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন মালদা জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য তারাশঙ্কর রায়। মঙ্গলবার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে র‍্যালি করে থানায় পৌঁছে তিনি পুলিশের হাতে অভিযোগপত্র তুলে দেন।

অভিযোগে তারাশঙ্কর রায় দাবি করেন, গত ২৪ জুলাই নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত এক আন্দোলনে শ্রীলেখা মিত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি অশ্লীল ছবি প্রকাশ্যে প্রদর্শন করেন। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনায় দেশের প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তা জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

থানায় যাওয়ার আগে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং শ্রীলেখা মিত্রের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা গেছে।

হবিবপুর থানার পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে শ্রীলেখা মিত্রের প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।এদিন উপস্থিত ছিলেন, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা উত্তর মালদা সাংগাঠনিক জেলার সভাপতি তারা শংকর রায় , উওর মালদা যুব মোর্চার জেলার সেক্রেটারি সঞ্জনী মার্ডি। হবিবপুর বিধানসভা যুব মোর্চার কনভেনার কানাই সরকার ,ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা হবিবপুর মন্ডল ৪ এর সভাপতি অমিত প্রামানিক, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা হবিবপুর মন্ডল ৫ এর সভাপতি প্রফুল্ল মাহাতো, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা হবিবপুর মন্ডল ৩ এর সভাপতি মেঘনাথ সাহা।

Share This
Categories
বিবিধ

বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ, জমি দখল ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- জোড়া অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। মালতিপুরের তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বকশির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ। মালদার রতুয়ার ঘটনা।
রতুয়া থানার রুকুন্দিপুরের বাসিন্দা শকুন্তলা ঘোষ রতুয়া থানায় অভিযোগ করেছেন। রতুয়া বিডিও অফিসের সামনে তাদের একটি আসি শতক দেবতর সম্পত্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৬০ শতক জমি দখল করেছেন আব্দুর রহিম বক্সী সহ ৮ জন ব্যক্তি।
শকুন্তলা ঘোষের ছেলে বলেন রতুয়ার রুকুনদীপুরে তাদের একটি মন্দির রয়েছে, রতুয়া বিডিও অফিসের কাছে সেই মন্দিরের একটি দেবতর সম্পত্তি রয়েছে। ২০১৫ সালে তাদের এই জমিটি দখল হয়ে যায়। এর আগেও বারবার তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। সেই সময় তৃণমূলের সরকার ছিল রহিম বকশি তৃণমূলের বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন আর সেই কারণে পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয় নি। তাদেরকে মাঝেমধ্যেই হুমকি দেওয়া হতো।
সরকার পরিবর্তনের পর তার মা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তারা তাদের মন্দিরের এই দেবতর সম্পত্তি ফেরত চান। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা চান।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রহিম বক্সী। তিনি বলেন যেই জমিটির কথা বলা হচ্ছে। সেই শকুন্তলা ঘোষের সাথে আমার আগে সেটেলমেন্ট হয়ে গিয়েছিল এখন কেন অভিযোগ করছে বুঝতে পারছি না। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।
ঠিক পাশাপাশি আব্দুর রহিম বক্সীর বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ। এবার জমি দখলের অভিযোগ। এবার সরকারি জমি দখলের অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের মালতি পুরের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। আর এসপির জেলা সম্পাদক সর্বানন্দ পান্ডের অভিযোগ, যে জায়গাটিতে আব্দুর রহিম বক্সী তার এনজিও ও স্কুল করেছে সেটি সেচ দপ্তরের জায়গা। প্রয়াত গনি খান চৌধুরী যখন রাজ্যের সেচমন্ত্রী ছিলেন সেই আমলে ওইখানে সেচ দপ্তর একটি ইনস্পেকশন বাংলো করে। পরবর্তী কালে বামফ্রন্ট আমলে সেটি সংস্কার হয়। বাংলার অবশিষ্ট জমি বামফ্রন্টের সময় রহিম বকশি তার এনজিও সংস্থার মাধ্যমে লিজ নেয়। কিন্তু সেটি আর রিনিউ করেনি। এরপর অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মাণ কার্য চালিয়েছে। এখনো সেই জমি দখল করে রয়েছে। জমিতে রয়েছে তার এনজিও সংস্থার দপ্তর ও তার প্রাইভেট স্কুল। আমি এর আগে বারবার অভিযোগ জানিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর থানায় অভিযোগ করেছি।
মিথ্যাও ভিত্তিহীন অভিযোগ পালটা দাবি আব্দুর রহিম বক্সির।
এবার পার পাওয়া যাবে না কটাক্ষ বিজেপি নেতৃত্বের।
তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক অভিষেক সিংহানিয়া, তিনি বলেন এতদিন তৃণমূলের পায়জামা পাঞ্জাবি পরা এই ল্যান্ড মাফিয়ারা যা খুশি করতো এবার এরা ঠেলা বুঝতে পারবে। পুলিশ আইন অনুযায়ী যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে।
জেলার পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন অভিযোগ পেয়েছি ঘটনা তদন্ত শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মোদিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট বিতর্ক, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে থানার দ্বারস্থ বিজেপি।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মালদার মানিকচক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের সামাজিক মাধ্যমে করা একটি পোস্টকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে তিনি কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে মানিকচক থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি যুব মোর্চার নেতৃত্বরা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে গ্রেপ্তারির দাবি জানিয়েছেন মানিকচকের যুব মোর্চার সভাপতি সৌরভ রজক।

Share This