Categories
বিবিধ

খড়িগেড়িয়ায় বিজেপির প্রশিক্ষণ শিবির, অংশ নিলেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার নেতা-কর্মীরা।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:-বিজেপির পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে রবিবার অনুষ্ঠিত হল দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান ২০২৬। খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত খাড়িগেড়িয়ায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে একটি বেসরকারি হোটেলে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ শিবিরে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিজেপির বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং কর্মীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন বলে জানা যায়। রবিবার বিকেলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেন। তাঁর উপস্থিতিতে শিবিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়।
এদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে খাড়িগেড়িয়া এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

Share This
Categories
বিবিধ

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে চন্দ্রকোনারোডে জাতীয় কংগ্রেসের মিছিল ও পথসভা।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর লাগামছাড়া দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহরে প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভার আয়োজন করল জাতীয় কংগ্রেস।
এই দিন চন্দ্রকোনারোড শহরের জাতীয় কংগ্রেস কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করার পর চন্দ্রকোনারোড শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরাস্তার মোড়ে এসে শেষ হয়। সেখানে পথসভার মাধ্যমে এদিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ হয়।
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি,সাধারণ মানুষের উপর বাড়তে থাকা আর্থিক চাপ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে এদিনের পথসভায় সরব হন কংগ্রেস নেতৃত্ব।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যকরী সভাপতি অরূপ মুখার্জি, সাধারণ সম্পাদক আশিস মাঝি ও রণদীপ চক্রবর্তী, ব্লক কংগ্রেস সভাপতি শেখ সাদ্দাম আলী-সহ জাতীয় কংগ্রেসের অন্যান্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।
জানা গিয়েছে, ব্লক কংগ্রেস সভাপতি শেখ সাদ্দাম আলীর নেতৃত্বেই এদিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি সংগঠিত হয়। কর্মসূচিকে ঘিরে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ দেখা যায়।

Share This
Categories
বিবিধ

বেতন না পেয়ে সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতি, এক সপ্তাহ ধরে আবর্জনায় জেরবার মেদিনীপুর শহর।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে কার্যত আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহর। শহরের বিভিন্ন ভ্যাট থেকে আবর্জনা উপচে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও সেই আবর্জনা কার্যত পাহাড়ের আকার নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যানের অফিসের গেটে আবর্জনা ভর্তি বালতি রেখে বিক্ষোভ দেখালেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পৌরসভার উদাসীনতার কারণে সাফাই কর্মীরা কয়েক মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। বেতন না পাওয়ার প্রতিবাদে গত ২৩ আগস্ট থেকে কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন সাফাই কর্মীরা। এর জেরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে শহরে বন্ধ রয়েছে নিয়মিত সাফাই অভিযান।
শহরের বিভিন্ন এলাকার ভ্যাট থেকে আবর্জনা উপচে রাস্তায় এসে পড়েছে। পঞ্চুরচকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তির সামনেও জমেছে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা। দিনের পর দিন আবর্জনা জমে সেখানে কার্যত স্তূপের আকার নিয়েছে। বিশ্বকবির মূর্তির সামনে এমন দৃশ্য অত্যন্ত দৃষ্টিকটু বলে অভিযোগ শহরবাসীর। আবর্জনার স্তূপ থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। পাশাপাশি বাড়ছে মশা-মাছির উপদ্রব। ভ্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নাকে-মুখে চাপা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। শুধু ভ্যাট নয়, রাস্তার ধারের ড্রেনগুলিতেও আবর্জনা জমে ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
এদিন বিক্ষোভ চলাকালীন যুব কংগ্রেস কর্মীরা বলেন, “বাড়ির আবর্জনা ফেলব কোথায়? তাই পৌরসভায় নিয়ে এসেছি।” তাঁদের দাবি, অবিলম্বে মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করতে হবে এবং পৌরসভার পরিষেবা ব্যবস্থার হাল ফেরাতে হবে। অন্যদিকে, কর্মবিরতিতে থাকা সাফাই কর্মীদের দাবি, বেশ কয়েক মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। তাঁদের বক্তব্য, খালি পেটে কাজ করা সম্ভব নয়। যতক্ষণ না তাঁদের বকেয়া বেতন মেটানো হচ্ছে, ততক্ষণ কর্মবিরতি চলবে। সাফাই কর্মীদের আরও অভিযোগ, পৌরসভায় বহু শূন্য পদ থাকলেও সেখানে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে না। অবসর নেওয়া শ্রমিকদেরও প্রাপ্য টাকা-পয়সা দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের সমস্ত দাবি মেদিনীপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান সৌমেন খানের কাছে জানানো হয়েছে বলে জানান শ্রমিকরা।
সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে এক সপ্তাহ ধরে শহরজুড়ে আবর্জনা জমে থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের মধ্যেও। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন শহরবাসী।

Share This
Categories
বিবিধ

চড়া দামে নিত্যপণ্য বিক্রি বন্ধে বার্তা, ফালাকাটা বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠক।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:-নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম যাতে অস্বাভাবিক ভাবে না বাড়ে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য মূল্যে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারেন, তা খতিয়ে দেখতে ফালাকাটা বাজার পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। এদিন ফালাকাটা বাজারে যান ফালাকাটার বিডিও আদৃতা সমাদ্দার, ফালাকাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঘোরনাথ রায়, ফালাকাটা মিউনিসিপ্যালিটির এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। বাজারের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান মূল্য, ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয় এবং বাজারদরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়।
এদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত ও ন্যায্য মূল্যে সামগ্রী বিক্রি করার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

মেয়ে ও দুই নাতনিকে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে সীতা, মিলল মাথা গোঁজার আশ্বাস।

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর অবশেষে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ার আশ্বাস পেলেন পার্ক স্ট্রিটের সেই ‘সীতা’ ওরফে রশিদা। মঙ্গলবার বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষের সঙ্গে সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির হন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মেয়ে এবং দুই নাবালিকা নাতনি।
জানা গিয়েছে, নিজের থাকার জন্য একটি স্থায়ী বাসস্থানের আবেদন নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছন সীতা ওরফে রশিদা। তাঁর পরিস্থিতির কথা শুনে তাঁকে আর ফুটপাথে থাকতে হবে না বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার জন্য পুরসভাকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মহিলা বাচ্চাকে নিয়ে আমার কাছে এখানে এসেছিলেন। আমি তাঁকে বলেছি, আর ফুটপাথে থাকার দরকার নেই, আমরা ব্যবস্থা করে দেব। পুরসভাকে বলেছি। ওরা ব্যবস্থা করবে।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ওই মহিলা রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাসের পর সীতা ওরফে রশিদা এবং তাঁর পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দীর্ঘদিন ধরে মাথা গোঁজার একটি স্থায়ী আশ্রয়ের প্রত্যাশায় থাকা পরিবারের জন্য এই আশ্বাস কতটা বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিকট শব্দে ঘুম ভাঙল, মুহূর্তেই ধস দোতলা বাড়ির অংশে! মানিকতলায় চাঞ্চল্য।

মানিকতলা, নিজস্ব সংবাদদাতা: গভীর রাতে আচমকাই বিকট শব্দ। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দোতলা বাড়ির একাংশ। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসিন্দাদের মধ্যে। তবে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বাড়িতে থাকা দুই পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার গভীর রাতে মানিকতলার ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউটের কাছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ার সময় ভিতরে ছিলেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

জানা যায়, ওই সময় একটি পরিবারের সদস্যরা ঘুমোচ্ছিলেন। অন্য পরিবার তখন রাতের খাবার খেতে ব্যস্ত ছিল। আচমকাই বাড়ির একটি অংশ ভেঙে পড়ার বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বাড়ির ভিতরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন বাসিন্দারা।

ঘটনার পর আশপাশের বাসিন্দারাও ছুটে আসেন। গভীর রাতে হঠাৎ বাড়ির অংশ ভেঙে পড়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তি মিললেও বাড়িটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, বাড়িটির বাকি অংশের অবস্থাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ফের কোনও অংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা দ্রুত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Share This
Categories
বিবিধ

ভূতনির ভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখলেন বিধায়ক, কাজের মান নিয়ে বাসিন্দাদের অভিযোগ শুনলেন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ভূতনির ভাঙ্গন কবলিত এলাকা মঙ্গলবার পরিদর্শন করেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মন্ডল। কেশরপুর কালুটন টোলা, বসন্তটোলা পশ্চিম রতনপুর সহ বিভিন্ন ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। বিধায়ক ছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন সেচ দপ্তরের আধিকারিক সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি কথা বলে স্থানীয় এলাকাবাসীদের সাথে কাজের মান নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে বিধায়কের দাবি কাজ নিয়ে কোন গাফিলতি বরদাস্ত নয় এই নিয়ে বেশ কয়েকজন ঠিকাদার কেউ ধমক দেন তিনি। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন কাজ নিয়ে কোন গাফিলতি হলে কোন টাকা পাবে না ঠিকাদার সংস্থা। তৃণমূল আমলের মত কাজ না করে টাকা পাওয়ার দিন শেষ, কাজের তদারকির জন্য সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার নির্দেশ দেন তিনি। যেন কেন প্রকারে বন্যা ও ভাঙন রুখতে তৎপর দেখা যায় বিধায়ককে।

Share This
Categories
বিবিধ

কালভার্ট আছে, সংযোগপথ নেই! কাদা-জল পেরিয়ে যাতায়াতে নাজেহাল কুশলপুরের বাসিন্দারা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কালভার্ট তৈরির পরও মেলেনি রাস্তার সঙ্গে সংযোগ। কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট না করায় তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত। কাদা ও জমা জল পেরিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত কালভার্ট কার্যত অব্যবহারের মুখে। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশলপুর গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছরখানেক আগে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ, নির্মাণের পর কালভার্টের দু’পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ফেলে রাস্তার সঙ্গে সমতল করা হয়নি। রাস্তার তুলনায় কালভার্টটি উঁচু হওয়ায় দুই প্রান্তে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে জল-কাদা জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কালভার্ট তৈরি হলেও সংযোগপথের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ায় সাইকেল, মোটরবাইক তো দূরের কথা, সাধারণ পথচারীদেরও চলাচলে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কালভার্ট এড়িয়ে জলাশয়ের ধার দিয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করছেন তাঁরা। বাসিন্দা এনামুল হক ও রফিকুল ইসলামের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে তিন-চারটি গ্রামের মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। কবরস্থান ও শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে মাঠের ফসল আনা-নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কালভার্ট নির্মাণের পরও সংযোগপথ তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমার বদলে বেড়েছে।
বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কালভার্ট নির্মাণের পর রাস্তার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা হল না কেন? প্রায় এক বছর ধরে কেনই বা পড়ে রয়েছে এই অসম্পূর্ণ কাজ? সরকারি অর্থ খরচ করে এমন পরিকাঠামো তৈরি করে তা ব্যবহারযোগ্য না করে রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। দ্রুত কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট করে রাস্তার সঙ্গে সমতল সংযোগ তৈরি এবং কাঁচা অংশ পাকা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, শুধু কালভার্ট বানালেই হবে না, সেটিকে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করাও প্রশাসনের দায়িত্ব।

Share This
Categories
বিবিধ

পদযাত্রা ঘিরে বচসা থেকে হাতাহাতি, কেশপুরে প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠী সংঘাত।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর বরাবরই রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। এবার রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকারের ১০০ দিন পূর্তির মধ্যেই বিজেপির অন্দরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। আদি ও নব্য বিজেপির দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কেশপুর। অভিযোগ, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় নাম জড়িয়েছে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অজয় কৃষ্ণ প্রধানেরও।

অজয় কৃষ্ণ প্রধানের অভিযোগ, সোমবার বিকেলে কেশপুরের চার নম্বর গোলার অঞ্চলের কোনান গ্রামে ডবল ইঞ্জিন সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে পদযাত্রা ও পথসভার আয়োজন করা হয়। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

অভিযোগ, সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন কর্মী ওই পদযাত্রা ও পথসভা করতে বাধা দেন। অজয় কৃষ্ণ প্রধানের দাবি, “চার তারিখের পর যারা বিজেপির ঝান্ডা ধরেছে”, তারাই কর্মসূচিতে বাধা দেয়। বিষয়টির প্রতিবাদ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দলের অভ্যন্তরীণ এই কোন্দলের কথা ইতিমধ্যেই বিজেপির উচ্চ নেতৃত্ব এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন জেলা সহ-সভাপতি অজয় কৃষ্ণ প্রধান।

রাজ্যে বিজেপির ১০০ দিন পূর্তির কর্মসূচিকে ঘিরে যখন দলের নেতা-কর্মীরা সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির বার্তা দিচ্ছেন, ঠিক সেই সময় কেশপুরে দলের অন্দরের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন করে অস্বস্তি বাড়াল বিজেপির অন্দরমহলে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতার বার্তা, চন্দ্রকোনারোডের নতুনপাড়ায় স্বাস্থ্য শিবির।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে এবং গড়বেতা-৩ নম্বর ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় চন্দ্রকোনারোড শহরের বিলা নতুনপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার। এই দিনের স্বাস্থ্য শিবিরে স্থানীয় চিকিৎসক এবং আশা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে কয়েকশো সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ মানুষকে পরামর্শও দেওয়া হয়।
ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনেও ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও সচেতনতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Share This