Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

কমল রানাদিভে: ক্যানসার গবেষণার পথিকৃৎ এক বিজ্ঞানীর জীবন।

ভারতের বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে কিছু নাম এমন রয়েছে, যাঁদের কাজ শুধু গবেষণাগারের চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তাঁরা বিজ্ঞানকে মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন, নতুন প্রজন্মের গবেষকদের তৈরি করেছিলেন এবং একই সঙ্গে সমাজে নারীর অবস্থান বদলানোর চেষ্টা করেছিলেন। ড. কমল রানাদিভে ছিলেন তেমনই একজন অসাধারণ বিজ্ঞানী।

ক্যানসার গবেষণায় তাঁর অবদান, ভারতে টিস্যু কালচার গবেষণার পরিকাঠামো গড়ে তোলা, কুষ্ঠরোগ নিয়ে গবেষণা এবং নারী বিজ্ঞানীদের সংগঠিত করার উদ্যোগ—সব মিলিয়ে তাঁর জীবন ভারতীয় বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তিনি শুধু একজন গবেষক ছিলেন না; ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠান-নির্মাতা, শিক্ষক, সংগঠক এবং বিজ্ঞানকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একনিষ্ঠ কর্মী।

ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানের পরিবেশ

কমল রানাদিভের জন্ম ১৯১৭ সালে পুনেতে। তাঁর পরিবারে শিক্ষার পরিবেশ ছিল শক্তিশালী। তাঁর বাবা জীববিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন এবং সন্তানদের, বিশেষ করে মেয়েদের উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে তিনি উৎসাহ দিতেন। কমল ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

তিনি পুনের Huzurpaga Girls’ High School-এ পড়াশোনা করেন। এরপর Fergusson College-এ উদ্ভিদবিদ্যা নিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে Agriculture College-এ উচ্চশিক্ষার সময় উদ্ভিদের জেনেটিক্স ও সাইটোজেনেটিক্স নিয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন।

তখন বিজ্ঞানচর্চায় নারীর উপস্থিতি আজকের মতো স্বাভাবিক ছিল না। একজন ভারতীয় নারীর পক্ষে গবেষণাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া ছিল সাহসের সিদ্ধান্ত।

কমল সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন।

ক্যানসার গবেষণার দিকে যাত্রা

বিয়ের পর তিনি মুম্বইয়ে চলে আসেন। সেই সময় Tata Memorial Hospital-এর পরিবেশ এবং বিশিষ্ট প্যাথলজিস্ট ড. ভি. আর. খানোলকরের কাজ তাঁর গবেষণাজীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। খানোলকর ছিলেন Indian Cancer Research Centre-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্যানসার গবেষণায় তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

কমল তাঁর অধীনে গবেষণা শুরু করেন এবং University of Bombay থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ধীরে ধীরে উদ্ভিদবিদ্যা থেকে জীববিজ্ঞান ও ক্যানসার গবেষণার দিকে চলে যায়।

এই পরিবর্তনই পরবর্তীকালে তাঁকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্যানসার গবেষকে পরিণত করে।

বিদেশে গবেষণা, তারপর দেশে প্রত্যাবর্তন

উচ্চতর গবেষণার জন্য কমল রানাদিভে আমেরিকায় যান। Johns Hopkins University Hospital-এর গবেষণাগারে তিনি পোস্টডক্টরাল গবেষণা করেন। সেই গবেষণাগারটি George Gey-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল—যিনি HeLa cell line নিয়ে ঐতিহাসিক গবেষণার জন্য পরিচিত।

বিদেশে উন্নত গবেষণার সুযোগ পাওয়ার পর অনেকের কাছেই সেখানেই থেকে যাওয়া আকর্ষণীয় হতে পারত।

কিন্তু কমল দেশে ফিরে আসেন।

ভারতে ফিরে এসে তিনি Indian Cancer Research Centre-এ কাজ শুরু করেন এবং দেশে টিস্যু কালচার গবেষণার অন্যতম প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো গড়ে তোলেন। ভারতীয় বিজ্ঞানচর্চায় এটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

টিস্যু কালচার গবেষণায় পথপ্রদর্শক

আজ টিস্যু কালচার, কোষ নিয়ে গবেষণা এবং ল্যাবরেটরিতে কোষের আচরণ পর্যবেক্ষণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিচিত বিষয়। কিন্তু কমল রানাদিভের কর্মজীবনের শুরুর সময়ে ভারতে এই ধরনের গবেষণার পরিকাঠামো অনেক সীমিত ছিল।

গবেষণাগারে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন মাধ্যম ও উপকরণও অনেক সময় দেশেই তৈরি করতে হতো।

কমল নিজের গবেষণাগারে একটি দক্ষ দল গড়ে তুলেছিলেন। জীববিজ্ঞানী ও বায়োকেমিস্টদের নিয়ে তিনি গবেষণার পরিবেশ তৈরি করেন এবং ক্যানসার জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে কাজ করেন।

এখানেই তাঁর নেতৃত্বের একটি বড় গুণ প্রকাশ পায়।

তিনি শুধু নিজের গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত থাকেননি। তাঁর চারপাশে থাকা তরুণ বিজ্ঞানীদেরও গবেষণার সুযোগ দিয়েছেন, উৎসাহিত করেছেন এবং নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছেন।

ক্যানসার ও কোষবিজ্ঞানে নতুন দিশা

কমল রানাদিভের গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছিল ক্যানসারের উৎপত্তি ও বিকাশের সঙ্গে কোষ, হরমোন এবং টিউমার-সৃষ্টিকারী ভাইরাসের সম্পর্ক।

তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার নিয়ে গবেষণার জন্য পরীক্ষামূলক মডেল ব্যবহার করেন। স্তন ক্যানসার, লিউকেমিয়া এবং খাদ্যনালীর ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে তাঁদের গবেষণা পরবর্তী ক্যানসার জীববিজ্ঞানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করে।

বিশেষ করে ক্যানসারের ক্ষেত্রে হরমোন এবং টিউমার-সৃষ্টিকারী ভাইরাসের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে তাঁর কাজ ছিল উল্লেখযোগ্য।

সেই সময় ক্যানসারকে নিয়ে মানুষের মধ্যে ভয় ছিল প্রবল। রোগটির কারণ সম্পর্কে জ্ঞানও ছিল সীমিত।

কমল রানাদিভের মতো গবেষকদের কাজ সেই অন্ধকারের মধ্যে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের আলো জ্বালিয়েছিল।

কুষ্ঠরোগ নিয়ে গবেষণা

ক্যানসার গবেষণার পাশাপাশি কমল রানাদিভে কুষ্ঠরোগ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেন।

Mycobacterium leprae নামের জীবাণু এবং কুষ্ঠরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা রোগটির জৈবিক দিক বোঝার চেষ্টা করেন। তাঁর এই গবেষণা কুষ্ঠরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক গবেষণার ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।

এই কাজের জন্য তিনি Watumal Foundation Award-সহ বিভিন্ন স্বীকৃতি লাভ করেন।

একজন বিজ্ঞানীর কাজের মূল্য শুধু তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রে নয়; তিনি কোন সমস্যাকে গবেষণার যোগ্য মনে করেছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

কমল এমন রোগ নিয়ে কাজ করেছিলেন, যা সমাজের বহু দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট দিয়েছে।

বিজ্ঞানীদের সংগঠিত করার স্বপ্ন

কমল রানাদিভের জীবনকে বিশেষ করে তোলে তাঁর আরেকটি উদ্যোগ।

তিনি বুঝেছিলেন, শুধু নিজের গবেষণায় সফল হওয়া যথেষ্ট নয়। দেশে আরও বেশি নারীকে বিজ্ঞানচর্চায় নিয়ে আসতে হবে।

সেই ভাবনা থেকেই তিনি অন্যান্য নারী বিজ্ঞানীদের সঙ্গে নিয়ে Indian Women Scientists’ Association বা IWSA গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। সংগঠনটির লক্ষ্য ছিল নারী ও শিশুদের মধ্যে বিজ্ঞান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং নারী বিজ্ঞানীদের একটি সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

১৯৭০-এর দশকের গোড়ায় এই উদ্যোগ বাস্তব রূপ পায়।

সেই সময়ের সামাজিক পরিবেশে এটি ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী পদক্ষেপ।

কারণ একজন নারী বিজ্ঞানী ব্যক্তিগতভাবে যতই সফল হন না কেন, বৃহত্তর সামাজিক ও পেশাগত কাঠামো যদি নারীবান্ধব না হয়, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের পথ কঠিনই থেকে যায়।

কমল সেই কাঠামো বদলানোর চেষ্টা করেছিলেন।

বিজ্ঞান শুধু গবেষণাগারে নয়

IWSA-এর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবেশ এবং বিজ্ঞানশিক্ষার মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কমল রানাদিভে বিশেষভাবে বিশ্বাস করতেন যে বিজ্ঞানীদের সমাজের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে।

বিজ্ঞান যদি শুধু গবেষণাপত্রের পাতায় আটকে থাকে, তাহলে তার সামাজিক সম্ভাবনা সীমিত।

কিন্তু বিজ্ঞান যখন মানুষের স্বাস্থ্য, খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার প্রভাব অনেক গভীর হয়।

এই দর্শন তাঁর অবসর-পরবর্তী জীবনেও দেখা যায়।

অবসরের পরেও থামেননি

অনেক বিজ্ঞানী অবসরের পর গবেষণা থেকে দূরে সরে যান। কমল রানাদিভে সেই পথ বেছে নেননি।

অবসরের পর তিনি মহারাষ্ট্রের গ্রামীণ ও আদিবাসী এলাকার নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি নিয়ে কাজ করেন। নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং স্থানীয় মহিলাদের স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো উদ্যোগের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

অর্থাৎ তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায়ও গবেষণাগার থেকে সমাজের দিকে ফিরে গিয়েছিল।

এ যেন তাঁর সারাজীবনের দর্শনের স্বাভাবিক পরিণতি—

বিজ্ঞান মানুষের জন্য।

নারী বিজ্ঞানীদের জন্য তাঁর বার্তা

কমল রানাদিভের সময়ে বিজ্ঞানক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা আজকের তুলনায় অনেক কম ছিল।

তাঁকে একদিকে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়েছে, অন্যদিকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হয়েছে যেখানে পরবর্তী প্রজন্মের নারী গবেষকরা আরও সহজে এগিয়ে যেতে পারেন।

এই কারণে তাঁর উত্তরাধিকার শুধু ক্যানসার গবেষণায় সীমাবদ্ধ নয়।

তিনি যে সংগঠন গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিলেন, সেটি বহু নারী বিজ্ঞানীর জন্য যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং সামাজিক কাজের একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে। IWSA-এর নথিতেও তাঁকে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং পরবর্তীকালে সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি

কমল রানাদিভের গবেষণাকর্ম দেশ-বিদেশে স্বীকৃতি পায়।

১৯৬৪ সালে তিনি Indian Medical Council-এর Jubilee Research Award লাভ করেন। কুষ্ঠরোগ নিয়ে গবেষণার জন্য Watumal Foundation Award-ও পান। পরে ১৯৮২ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করে।

তবে পুরস্কারের চেয়েও তাঁর কাজের স্থায়ী গুরুত্ব অনেক বড়।

কারণ একটি পদক একটি মুহূর্তকে স্মরণীয় করে, কিন্তু একটি গবেষণাগার, একটি গবেষণাপদ্ধতি, একটি সংগঠন এবং একদল নতুন বিজ্ঞানী ভবিষ্যৎকে বদলে দিতে পারে।

কমল রানাদিভে সেই ভবিষ্যৎ তৈরির কাজ করেছিলেন।

একজন বিজ্ঞানীর মানবিক মুখ

কমল রানাদিভের জীবনের দিকে তাকালে একটি বিষয় বিশেষভাবে চোখে পড়ে।

তিনি বিজ্ঞানকে কখনও মানুষের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করেননি।

ক্যানসার গবেষণা করেছেন মানুষের প্রাণ বাঁচানোর উদ্দেশ্যে।

কুষ্ঠরোগ নিয়ে কাজ করেছেন প্রান্তিক মানুষের জন্য।

নারী বিজ্ঞানীদের সংগঠিত করেছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

গ্রামীণ নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিয়ে কাজ করেছেন অবসরের পরেও।

অর্থাৎ তাঁর বিজ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে ছিল মানুষ।

এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে শুধু একজন সফল বিজ্ঞানী নয়, একজন সত্যিকারের সমাজসেবী বিজ্ঞানীতে পরিণত করেছে।

উপসংহার

ড. কমল রানাদিভের জীবন আমাদের শেখায়, একজন বিজ্ঞানী চাইলে একই সঙ্গে গবেষক, শিক্ষক, সংগঠক এবং সমাজকর্মী হতে পারেন।

তিনি ভারতের ক্যানসার গবেষণায় নতুন পথ খুলেছিলেন। দেশে টিস্যু কালচার গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন। ক্যানসারের সঙ্গে হরমোন ও ভাইরাসের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। কুষ্ঠরোগের গবেষণায় অবদান রেখেছিলেন। আবার একই সঙ্গে নারী বিজ্ঞানীদের সংগঠিত করে বিজ্ঞানচর্চায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন।

তাঁর জীবন তাই কেবল একজন বিজ্ঞানীর জীবনী নয়।

এটি এক নারীর গল্প, যিনি নিজের জন্য পথ তৈরি করার পাশাপাশি অন্য নারীদের চলার পথটিও প্রশস্ত করেছিলেন।

তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন—

“একজন মানুষের সত্যিকারের সাফল্য শুধু সে কতদূর এগিয়েছে, তা দিয়ে নয়; সে তার পরে আসা মানুষগুলোর জন্য কতটা পথ সহজ করে দিয়ে গেছে, তা দিয়েও মাপা হয়।”

কমল রানাদিভে সেই অর্থে ভারতীয় বিজ্ঞানের এক উজ্জ্বল পথপ্রদর্শক—যাঁর গবেষণার আলো যেমন ক্যানসারবিজ্ঞানে পৌঁছেছিল, তেমনই তাঁর স্বপ্নের আলো পৌঁছেছিল অসংখ্য নারী বিজ্ঞানীর ভবিষ্যতের দিকে।

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *