মায়ের আঁচল ছোট্ট ঘর,
তাতেই সুখের বাস,
মায়ের মুখের মিষ্টি হাসি
মেটায় মনের ত্রাস।
মায়ের কোলে মাথা রেখে
কত স্বপ্ন বুনি,
মায়ের মুখে গল্প শুনে
রাতের আকাশ গুনি।
নিজের সুখটা ভুলে গিয়ে
আমায় সুখী করে,
নিজের চোখের জল লুকিয়ে
হাসি ফোটায় ঘরে।
আমার ব্যথায় মায়ের চোখে
জমে নীরব জল,
আমার হাসি দেখলে আবার
ভরে ওঠে মন।
ছোট্টবেলার সেই দিনগুলো
আজও মনে পড়ে,
মায়ের হাতের ভাতের গন্ধ
মনকে কাছে টানে।
যখন আমি হেরে যেতাম
জীবনযুদ্ধের মাঠে,
মা-ই বলত, “ভয় পাস না রে,
আমি আছি তোর সাথে।”
আজকে আমি অনেক বড়,
পেরিয়েছি কত পথ,
তবু মায়ের কাছে গেলে
শান্ত হয় মন।
সময় বদলায়, মানুষ বদলায়,
বদলায় জীবনের সুর,
মায়ের ভালোবাসা কিন্তু
থাকে চিরকাল ভরপুর।
মায়ের ঋণ শোধ হবে না
হাজার জন্মেও,
মায়ের মতো আপন মানুষ
পাব না পৃথিবীতেও।
যতদিন এই প্রাণটা আছে,
যতদিন বইবে শ্বাস,
মায়ের মুখে হাসি ফোটানো
হোক জীবনের আশ।
পৃথিবী যদি দূরে সরায়,
বন্ধ হয় সব দ্বার,
মায়ের দুটো হাত বাড়ালেই
ফিরে পাই সংসার।
মা যে শুধু একটি শব্দ
নয়কো কোনো নাম,
মায়ের মাঝেই খুঁজে পাই
ভালোবাসার ধাম।
যাদের মাথায় মা রয়েছেন,
তাঁরা বড়ই ধনী,
মায়ের আশীর্বাদে জীবন
হয়ে ওঠে রঙিন।
তাই তো বলি, মাগো তুমি
থেকো আমার পাশে,
তোমার মুখের হাসিটুকু
ফুটুক বারোমাসে।
মা, তোমার চরণতলে
আমার পৃথিবীখানি,
তোমার ভালোবাসার কাছে
হার মানে সব বাণী।