Categories
বিবিধ

জয় জগন্নাথ সেবাশ্রমে গিয়ে প্রধান সেবাইত দীপঙ্কর সাহার সঙ্গে কথা বললেন পানিহাটির বিধায়িকা।

পানিহাটি, নিজস্ব সংবাদদাতা: জয় জগন্নাথ সেবাশ্রমের উপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন পানিহাটির বিধায়িকা রত্না দেবনাথ। সেবাশ্রমে পৌঁছে তিনি কথা বলেন আশ্রমের প্রধান সেবাইত দীপঙ্কর সাহার সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে গোটা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শোনার পাশাপাশি সেদিনের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখেন বিধায়িকা।

সেবাশ্রমকে কেন্দ্র করে বারবার হুমকির ঘটনার অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রত্না দেবনাথ। এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। একই সঙ্গে দীপঙ্কর সাহাকে আশ্বস্ত করে বিধায়িকা জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় এবং সেবাশ্রমের সদস্যরা নির্বিঘ্নে তাঁদের সেবামূলক কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, সে বিষয়ে তিনি পাশে থাকবেন।

পরিদর্শনের শেষে জয় জগন্নাথ সেবাশ্রমে প্রভুর দর্শন করেন বিধায়িকা। পাশাপাশি ঘুরে দেখেন ভোগ তৈরির স্থানটিও।

সেবাশ্রমের উপর হামলা ও হুমকির অভিযোগকে ঘিরে এলাকায় ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিধায়ক অনুপম বিশ্বাসের হাত ধরে গয়েশপুরে দুর্গাপুজোর শুভ উদ্বোধন, উৎসবে মাতল এলাকা।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গয়েশপুরে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু, পুজো উদ্ধোধন ঘিরে উৎসবের আমেজ গোটা এলাকায়।
গয়েশপুর পৌর এলাকার ৪/৫ নং কাঁটাগঞ্জ ঝিলপাড় রামকৃষ্ণ পল্লীর ৪১ তম দুর্গা পুজোর উদ্ধোধন করলেন কল্যাণীর বিধায়ক অনুপম বিশ্বাস, উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ডঃ সপ্তষী বিশ্বাস, সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা।
জানা গিয়েছে, বিগত বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও জাঁকজমকপূর্ণভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এদিন মুল মঞ্চ থেকে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন বস্ত্র।
এদিন পুজো মন্ডপ উদ্ধোধন ঘিরে সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেল।

Share This
Categories
বিবিধ

দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান, সুটুঙ্গা নদীতে নৌকায় প্রতিমা নিরঞ্জন ঘিরে উৎসাহ মাথাভাঙ্গায়।

মাথাভাঙ্গা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- অবশেষে ফিরছে ঐতিহ্য। দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান। বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উদ্যোগে ও প্রতিশ্রুতিতে এবার বিজয়া দশমীতে মাথাভাঙ্গার লাইফলাইন সুটুঙ্গা নদী বক্ষে নৌকায় করে বিদায় নেবেন মা দুর্গা।

বিগত কয়েক বছর ধরে অজ্ঞাত কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল মাথাভাঙ্গার এই ঐতিহ্যবাহী নৌকায় প্রতিমা নিরঞ্জন। কেন বন্ধ হল, তার উত্তর মেলেনি। ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবিতে আন্দোলন, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

কিন্তু এবার বিধানসভা নির্বাচনের পর মাথাভাঙ্গার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক ঘোষণা করেছিলেন, মা দুর্গা এবার সুটুঙ্গা নদী বক্ষেই নৌকায় করে বিদায় নেবেন। যেমন কথা, তেমন কাজ।

ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নদীর দুই পাড়ের ঝোপঝাড়, আগাছা পরিষ্কার করা শেষ। বাইরে থেকে নৌকা আসা শুরু হয়েছে। নদীর দুই ধারে প্রদর্শনী, মঞ্চ বাঁধা, প্যান্ডেল ও আলোর কাজ চলছে জোর কদমে। সুটুঙ্গা নদীর দুই পারকে নতুন সাজে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।

এই পুরো কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের অন্যতম দায়িত্বে থাকা নন্দলাল সরকার জানান, “দাদা যে কথা দেন, সেটা রাখার চেষ্টা করেন। বাস্তবে তাই হচ্ছে। পরিকল্পনা ছিল, তা আজ বাস্তবায়িত হতে চলেছে।” আজ তিনি সহ টিমের সদস্যরা নদীর দুই পার পরিদর্শন করেন এবং কতগুলো নৌকা লাগবে তার খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, বাইরে থেকে বেশ কিছু বড় নৌকা আনা হবে, সেই নৌকাতেই চড়ে মা বিদায় নেবেন।

ঐতিহ্য ফিরে আসার খবরে খুশি মাথাভাঙ্গা বিধানসভা এলাকার আপামর জনসাধারণ ও নাগরিক সমাজ।

‘ঐতিহ্য ফিরিয়ে দাও’ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক কাজল রায় আজ নৌকায় চড়ে পরিদর্শনের সময় বলেন, “অনেক চেষ্টা করেছিলাম, সফল হয়নি। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও পাঠিয়েছিলাম। কোনো কাজ হয়নি। অবশেষে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উদ্যোগে ঐতিহ্য ফিরে আসছে জেনে ভীষণ খুশি। মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

আজ তৃতীয়া, তারপর ষষ্ঠী থেকে নবমী পেরিয়ে দশমীর দিন মায়ের বিদায়। আর সেই বিদায়ের আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকবে ঐতিহ্যবাহী সুটুঙ্গা নদী। বহু বছরের আবেগ আজ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। প্রস্তুতি তুঙ্গে, আনন্দে মেতেছে গোটা মাথাভাঙ্গা।

Share This
Categories
বিবিধ

পুজোর মরশুমে নদিয়ায় চাঞ্চল্য, বন্ধ সেলুন থেকে উদ্ধার অমিত শীলের ঝুলন্ত দেহ।

নদিয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা: পুজোর আবহে নদিয়ার গয়েশপুরের বেদী ভবন বাজারে একটি সেলুনের ভিতর থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম অমিত শীল (৩৫)। তিনি গয়েশপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাতরা পাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত চার দিন ধরে ওই সেলুনটি বন্ধ ছিল। গত দু’দিন ধরে দোকান থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। বুধবার সকালে দুর্গন্ধ অসহনীয় হয়ে ওঠায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের ভিতর থেকে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে।

তবে দেহ উদ্ধারের পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, যুবকের মুখ কালো প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা ছিল। পাশাপাশি দেহের নিচে চারপাশে তোয়ালে ও লুঙ্গি দিয়ে ঘেরাও করা ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতি ঘিরেই ঘটনাটি নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

যুবকের মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতির উপরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

সোনার তরী অডিটোরিয়ামে আশা কর্মীদের সমাবেশ, উপস্থিত রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব।

দিনহাটা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আশা কর্মীদের আন্দোলনের বিজয় উদ্‌যাপন করতে দিনহাটায় অনুষ্ঠিত হল বিজয় সমাবেশ। দিনহাটা বয়েজ রিক্রিয়েশন ক্লাবের সোনার তরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই সমাবেশে দিনহাটা ১ নম্বর, দিনহাটা ২ নম্বর ও সিতাই ব্লকের চার শতাধিক আশা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক ইসমত আরা খাতুন, জেলা সম্পাদক রীনা ঘোষ-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। কর্মীদের অধিকার ও সংগঠনের আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে সমাবেশে আলোচনা হয়।

এদিনের সমাবেশ থেকে দিনহাটা মহকুমার তিনটি ব্লকের জন্য পৃথক ব্লক কমিটি গঠন করা হয়। নবগঠিত কমিটিগুলিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।

সিতাই ব্লক কমিটি:

  • সভাপতি: গৌরী রায়
  • সম্পাদক: সুষমা প্রামাণিক রায়
  • কোষাধ্যক্ষ: কণিকা বর্মন

দিনহাটা ১ নম্বর ব্লক কমিটি:

  • সভাপতি: মিনতি শর্মা
  • সম্পাদক: মঞ্জিলা খাতুন
  • কোষাধ্যক্ষ: ছন্দা পাল

দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক কমিটি:

  • সভাপতি: পার্বতী বর্মন
  • সম্পাদক: শিবানী বর্মন
  • কোষাধ্যক্ষ: মুক্তি বর্মন

চার শতাধিক কর্মীর উপস্থিতিতে এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে দিনহাটা মহকুমায় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হল। নতুন কমিটিগুলি আগামী দিনে আশা কর্মীদের বিভিন্ন দাবি ও অধিকার সংক্রান্ত কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংগঠনের নেতৃত্ব।

Share This
Categories
বিবিধ

পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই বিপত্তি, সাগরদিঘীর তিন পরীক্ষার্থী দুর্ঘটনার কবলে, মৃত এক।

সাগরদিঘি, নিজস্ব সংবাদদাতা:
মুর্শিদাবাদের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুই পরীক্ষার্থী। মৃত ছাত্রের নাম ইব্রাহিম শেখ। আহত দুই পরীক্ষার্থী কাওসার শেখ ও জুবাই শেখ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাগরদিঘি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাগরদিঘি এস এন হাইস্কুলের এই তিন ছাত্রের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছিল মোড়গ্রাম স্কুলে। পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথেই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তারা।

দুর্ঘটনার পর তিনজনকেই উদ্ধার করে সাগরদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা ইব্রাহিম শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, গুরুতর আহত কাওসার শেখ ও জুবাই শেখকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এক ছাত্রের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। আহত দুই ছাত্রের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন এলাকাবাসী।

দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।

Share This
Categories
বিবিধ

অভিযোগ জানানো থেকে দলের সদস্যপদ, জলপাইগুড়িতে ডিজিটাল হেল্পলাইন চালুর ঘোষণা কংগ্রেসের।

জলপাইগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা : -পঞ্চায়েত থেকে শহরাঞ্চল —সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শুনতে এবং সংগঠন মজবুত করতে প্রযুক্তির হাত ধরল কংগ্রেস।
ধূপগুড়ি ব্লক কংগ্রেস কমিটি এবং জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি শ্রী নারায়ণ চন্দ্র সরকারের ও অন্যান্য নেতৃত্যদের যৌথ উদ্যোগে রাজ্যে এই প্রথম চালু হলো এক বিশেষ ডিজিটাল হেল্পলাইন ও কিউআর (QR) কোড পরিষেবা। আজ ধূপগুড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই পদক্ষেপের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়।

কী সুবিধা মিলবে এই পরিষেবায়?
* সরাসরি অভিযোগের সুযোগ: স্থানীয় যে কোনো নাগরিক প্রশাসনিক বা নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা জানাতে এই হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারবেন।

* সহজে সদস্যপদ গ্রহণ: যাঁরা সক্রিয় কর্মী বা ‘কংগ্রেসের সৈনিক’ হিসেবে দলের সাথে যুক্ত হতে ইচ্ছুক, তাঁরা নির্দিষ্ট নম্বরে যোগাযোগ বা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই একটি লিঙ্ক পাবেন। ওই লিঙ্কের মাধ্যমেই সরাসরি কংগ্রেসের মূল মিশনে শামিল হওয়া যাবে।

উদ্যোক্তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছাতে এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে গোটা পশ্চিমবঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলাতেই প্রথম এই ধরণের হাইটেক হেল্পলাইন চালু করা হলো। এর ফলে তৃণমূল স্তরে দলের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Share This
Categories
বিবিধ

১৫ লক্ষ টাকার বাজেটে শান্তিনগরের পুজো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সমাজসেবার আয়োজনে চন্দ্রকোনারোডে উৎসবের আবহ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শারদোৎসবের আবহে উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনারোড। বুধবার সন্ধ্যায় গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোডের শান্তিনগর সর্বজনীন দুর্গোৎসব এবং ঝলমল স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। দুই পুজোর উদ্বোধনকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয় উৎসবের আমেজ।
এই বছর ৭৭তম বর্ষে পদার্পণ করল শান্তিনগর সর্বজনীন দুর্গোৎসব। বুধবার সন্ধ্যায় ফিতে কেটে এই পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শালবনি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিমান মাহাতো। পুজো কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছরের পুজোর বাজেট আনুমানিক ১৫ লক্ষ টাকা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং একাধিক সমাজসেবামূলক কর্মসূচি।
অন্যদিকে, চন্দ্রকোনারোডের ঝলমল স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজোর মণ্ডপেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। এ বছর ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করল এই পুজো। পুজোর উদ্বোধনের পাশাপাশি এলাকার দুঃস্থ পরিবারের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। পুজোর আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী ধীমান কোলে, গৌতম কৌড়ী, পলাশ সেন-সহ দুই পুজো কমিটির সদস্যরা।
সব মিলিয়ে, পুজোর উদ্বোধন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সমাজসেবামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চন্দ্রকোনারোডে শুরু হল শারদোৎসবের আনন্দঘন পর্ব।

Share This
Categories
বিবিধ

আদিবাসী সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মেলবন্ধন, ভাঙাদিঘীর ১৫০ বছরের দুর্গাপুজোয় প্রথমবার রাজ্য সরকারের অনুদান।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- বাংলাদেশের মাটিতে শুরু হওয়া দুর্গাপূজা , দেশভাগের পর স্বপ্ন দেশ পেয়ে আদিবাসী নিয়ম মেনে পুজো চালিয়েছেন বর্তমানে বাবুলাল হাঁসদা। প্রায় ১৫০ বছরেরও বেশি প্রাচীন ঐতিহ্য আজও বয়ে নিয়ে চলেছে মালদহের হবিবপুরের ভাঙাদিঘী গ্রামের আদিবাসী দুর্গাপুজো। এখানে নেই প্রচলিত ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ। আদিবাসী ভাষায় মন্ত্রপাঠ এবং নিজস্ব ধর্মীয় রীতিনীতি মেনেই আরাধনা করা হয় এই গ্রামে দেবী দুর্গার।দেশভাগের পর ভারতে চলে আসেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ বাবুলাল হাঁসদার পরিবারসহ বেশ কিছু পরিবার সে সময় এই গ্রামে ছিলনা সেভাবে ঘর বাড়ি এলাকায় জঙ্গলে ভরা ছিলো ভাঙ্গাদিঘি গ্রাম, সেখানেই স্বপ্ন দেশ পেয়ে ছিল এই আদিবাসী পরিবার তখন থেকে টিনের ছাউনির নীচে কোন ভাবে৷ দেবীর বেদি, আর গ্রামবাসীদের অগাধ বিশ্বাসকে সম্বল করেই বছরের পর বছর ধরে পুজো চালিয়ে যাছেন।

মালদার হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুরের ভাঙাদিঘী গ্রাম।এই গ্রামের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। এই পুজোর মূল আকর্ষণ পুরোহিত ছাড়াই আদিবাসী নিজস্ব ভাষায় নিজেই পুজো করেন বাবুলাল হাঁসদা সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও ধর্মীয় রীতিনীতি।যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে পুজোর দায়িত্ব এখন তুলে দিয়েছেন গ্রামবাসীর হাতে। এখন পুজো কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন আদিবাসী সর্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটি।

বাবুলাল হাঁসদা বলেন,, অবিভক্ত ভারতের বর্তমান বাংলাদেশের নাচোল থানার হাকরোল গ্রামে তাদের পরিবারের পূর্বপুরুষ লব হাঁসদা এই পুজোর সূচনা করেছিলেন। জনশ্রুতি রয়েছে, দেবী দুর্গার স্বপ্নাদেশ পেয়ে ঘট পুজোর মাধ্যমে শুরু হয়েছিল মায়ের আরাধনা। পরবর্তীকালে দেশভাগের পর ভারতে চলে আসেন লব হাঁসদা। মালদার হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুরের ভাঙাদিঘী গ্রামে বসবাস শুরু করলেও দেবী দুর্গার আরাধনা বন্ধ করেননি তিনি। সেই থেকেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে চলে আসছে এই পুজো।

এই দুর্গাপুজোর অন্যতম বিশেষত্ব হল আদিবাসী ভাষায় মন্ত্রোচ্চারণ। প্রচলিত প্রথায় ব্রাহ্মণ পুরোহিতের পরিবর্তে একজন প্রবীণ আদিবাসী নিজস্ব ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পুজোর দায়িত্ব পালন করেন। সাঁওতালি ভাষায় মন্ত্রপাঠের মাধ্যমে আহ্বান করা হয় দেবী দুর্গাকে। পুষ্পাঞ্জলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান—সবেতেই রয়েছে আদিবাসী সংস্কৃতির নিজস্ব ছাপ। এই পুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং আদিবাসী সমাজের নিজস্ব পরিচয় ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেরও এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

গ্রামের প্রায় ২০০টি আদিবাসী পরিবারের আর্থিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এই পুজো। এখানে সকলের সহযোগিতায় তৈরি হচ্ছে নতুন পাকা মন্দির । একটি সাধারণ টিনের ছাউনির নীচে বেদিতে অধিষ্ঠিত হতেন দেবী দুর্গা। পুজোর পাঁচ দিন ধরে উৎসবের আবহে মেতে ওঠেন গ্রামের মানুষ। পাশাপাশি আয়োজন করা হয় পংক্তিভোজনের। সকলে একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়া করেন, ভাগ করে নেন উৎসবের আনন্দ। এর মধ্য দিয়েই আরও দৃঢ় হয় পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন। এই প্রথমবার রাজ্য সরকারের এক লক্ষ টাকার চেক সাহায্য পেল এই পুজো কমিটি।

Share This
Categories
বিবিধ

শ্রীরামপুরে ১০০-রও বেশি চাষিকে নিয়ে কৃষি সচেতনতা কর্মসূচি, লাস্টার ছত্রাকনাশক নিয়ে প্রচার।

হুগলী, নিজস্ব সংবাদদাতা:-বুধবার সন্ধ্যায় হুগলী জেলার দশঘড়ার শ্রীরামপুর এলাকায় ধানুকা এগ্রিটেক লিমিটেডের লাস্টার ছত্রানাশক ওষুধ কোম্পানির পক্ষ থেকে এই এলাকার সমস্ত চাষীদের একত্রিত করে এই ধানের ওষুধের বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়,এই ওষুধের গুনগত মান এবং বাবহারে কি সুফল পাওয়া যাবে সেই বিষয়ে কোম্পানীর তরফ থেকে আলোচনা করা হয়, কমপক্ষে ১০০ জন চাষিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এই গ্রামেরই চাষী শেখ বাপি এই লাস্টার ঔষধ নিজের জমিতে স্প্রে করে উপকৃত হয়েছেন বলে জানান , এই বিষয়ে কোম্পানীর পক্ষ থেকে বিজন সাহা ও চাষীরা সাংবাদিকদের কে বিস্তারিত জানালেন।

Share This