Categories
রিভিউ

আজ ৩১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ৩১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৯৬ – রেনে দেকার্ত, ফরাসি দার্শনিক ও আধুনিক দর্শনের জনক, গণিতজ্ঞ, বিজ্ঞানী।

১৯১৪ – অক্তাবিও পাজ, সাহিত্যে নোবেলজয়ী (১৯৯০) ম্যাক্সিকান কবি।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭১৩ – ইউট্র্যাক্ট নগরের সন্ধির মাধ্যমে স্পেনীয় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত মহাযুদ্ধের অবসান হয়।
১৭২৭ – ইংরেজ পদার্থ ও গণিতবিদ বিশ্বের প্রধানতম বিজ্ঞানীদের অন্যতম আইজ্যাক নিউটনের মৃত্যু।
১৭৭৪ – কলকাতায় পোস্ট মাস্টার জেনারেলের পদ সৃষ্টি করা হয়।
১৮০৭ – খিদিরপুর থেকে প্রথম বাষ্পচালিত ব্রিটিশ-ভারতীয় জাহাজ জলে ভাসানো হয়।

১৮২৪ – প্রথম ভারতীয় টাকশালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৮৮২ – কলকাতায় প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়।

১৮৮৯ – প্যারিসে আইফেল টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়।
১৯২১ – মঙ্গোলিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৫৪ – জেনারেল গিয়াপের নেতৃত্বে ভিয়েত মীন নামে পরিচিত ভিয়েতনামের বাহিনী দিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি বাহিনীকে অবরোধের সূচনা করে।

১৯৬৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন লুন টেন নামের প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণকারী একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে।

১৯৭১ – সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদ সাবের নিহত হন।
১৯৭৯ – আরব লীগের সদস্যরা এই সংস্থায় মিশরের সদস্য পদ নাকচ করে দেয়।
১৯৭৯ – ইংল্যান্ডের রক্ষনশীল দলের এম.পি. এয়ারি নিভ কমন্সসভার বাইরে নিজ মোটর গাড়িতে বোমা বিস্ফোরনে প্রাণ হারান।
১৯৯১ – মধ্যরাতে ওয়ারশ জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৩১ – জন ডান , ইংরেজ কবি।

১৬৬৩ – মোগল সেনাপতি মীর জুমলার প্রয়াত হন।

১৭২৭ – প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক আইজাক নিউটন।

১৯১৭ – এমিল ফন বেরিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীববিজ্ঞানী।

১৯৯১ – শিল্পপতি এ কে খান-এর মৃত্যু।
২০১৩ – ছোটদের বাংলা গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩০ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ৩০ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) বিশ্ব চিকিৎসক দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৪৬ – ফ্রান্সিস্কো গোয়া, স্প্যানিশ চিত্রকর।

১৮৪৪ – পল ভের্লেন, ফরাসী কবি।

১৮৫৩ – ভিনসেন্ট ভ্যান গখ ওলন্দাজ চিত্রশিল্পী।
১৮৭০ – বসুমতীর সম্পাদক ও লেখক সুরেশচন্দ্র সমাজপতি।
১৮৭৪ – নিকোলাই রদেস্কু, রোমানিয়ান সেনা কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদ।
১৮৯১ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৌশলী ও যন্ত্র নির্মাতা আর্থার উইলিয়াম সিডনি হ্যাংরিটন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৯ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯০৮ – দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এ সম্মানিত প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেত্রী দেবিকা রাণী।

১৯৭৯ – নোরা জোন্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত জ্যাজ্‌ (jazz) সঙ্গীত শিল্পী, পিয়ানো বাদক এবং অভিনেত্রী।
১৯৮৬ – সার্জিও র‌্যামোস, স্প্যানিশ ফুটবল খেলোয়াড়।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮১২ – কলকাতায় এথেনিয়াম থিয়েটার নামে রঙ্গমঞ্চ খোলা হয়।
১৮৬৭ – রাশিয়ার কাছ থেকে আমেরিকার আলাস্কা খরিদ।
১৯৩০ – চীনে বামপন্থী চীনা সাহিত্যিক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ – শিক্ষাবিদ জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা শহীদ হন।
১৯৭৬ – ইসরাইল/প্যালেস্টাইন এলাকায় প্রথম ভূমি দিবস পালিত।
১৯৭৯ – ব্রিটিশ সাংসদ এ্যরি নীভ গাড়ি বোমা হামলায় নিহত।
১৯৮১ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রনাল্ড রেগান গুলিবিদ্ধ হন।
১৯৯২ – সত্যজিৎ রায় অস্কার পুরস্কার ‘মাস্টার অব ফিল্ম মেকার’ লাভ করেন।
১৯৯৬ – বিএনপি সরকারের প্রথম সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে পদত্যাগ।
২০০৬ – যুক্তরাজ্যে টেরোরিজন এ্যাক্ট – ২০০৬ আইন হিসাবে গৃহীত হয়।
২০০৯ – ১২ জন সশস্ত্র লোক পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত মানাওয়ান পুলিশ একাডেমী আক্রমণ করে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৬৩ – মীর জুমলা, মোগল সেনাপতি।
১৯৪৮ – ইরানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানতাপস এবং সংগ্রামী আলেম আয়াতুল্লাহিল উজমা সাইয়্যেদ হোসেইন তাবাতায়ী বুরোজার্দি মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৫৭ – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার বাংলা ভাষার রূপকথার প্রখ্যাত রচয়িতা ও সংগ্রাহক।

১৯৬৫ – সতীনাথ ভাদুড়ী প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৬৭ – মমতাজ বেগম, মহান বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগ্রামী নারী।

১৯৭১ – এ. কে. এম. সামসুল হক খান জেলা প্রশাসক -কুমিল্লা জেলা।

২০০২ – আনন্দ বক্সী প্রখ্যাত ভারতীয় কবি,গীতিকার ও সুরকার।

২০০৫ – ফ্রেড কোরমাতসু, জাপানী বংশদ্ভূত মার্কিন এক্টিভিস্ট।

২০১৩ – ড্যানিয়েল হফম্যান, মার্কিন কবি ও শিক্ষাবিদ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব ও তাত্‍পর্য।।।

১৯৩৩ সালের ৩০ মার্চ জর্জিয়ার উইন্ডার ব্যার কাউন্টি অ্যালায়েন্স দিবসটি প্রথম উদযাপন করে। চিকিত্‍সকদের সম্মান জানাতে এই দিনটি উত্‍সর্গ করার ধারণা দেন ডা. চার্লস বি অ্যালমন্ডের স্ত্রী ইউডোরা ব্রাউন অ্যালমন্ড। চিকিত্‍সা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে চিকিত্‍সক ও রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

চিকিত্‍সা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে চিকিত্‍সক ও রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস এর অন্যতম উদ্দেশ্য।১৯৯০ সালে ৩০ অক্টোবর মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ (সিনিয়র) সেদেশে ৩০ মার্চকে জাতীয় ডাক্তার দিবস পালনের জন্য আইন পাস করেন। উদ্দেশ্য ছিল ডাক্তারি পেশাকে সম্মান জানানো। সেবা দিয়ে রোগীদের সারিয়ে তোলা এসব মহত্‍ মানুষদের কার্ড, ছোটো উপহার কিংবা সংবর্ধনা ইত্যাদি দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
মানুষের সেবা করার মতো মহত্‍ এই পেশাকে সম্মান জানাতে ১৯৩৩ সাল থেকে এই দিবস পালিত হচ্ছে। চিকিত্‍সক, সার্জনরা রোগীদের জন্য ২৪/৭ কাজ করেন। তাদের এই ত্যাগ এবং পরিশ্রমকে সম্মান জানাতে দিনটি উদযাপন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৪২ সালের ৩০ মার্চ শল্য চিকিত্‍সায় প্রথম ইথার অ্যানেস্থেসিয়া ব্যবহার করেছিলেন ডা. ক্রফোর্ড ডব্লিউ লং। ঘটনাটি স্মরণীয় করে রাখতে সেই দিনটিকেই তারা বেছে নিয়েছিলেন।
তবে ৩০ মার্চ বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস হলেও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশ বছরের বিভিন্ন দিনে জাতীয় চিকিত্‍সক দিবস পালন করেন। তাদের দেশের একজন চিকিত্‍সককে উত্‍সর্গ করেন সেই দিনটিকে। স্পেন, কিউবা এবং আর্জেন্টিনায় ৩ ডিসেম্বর পালিত হয় চিকিত্‍সক দিবস। ডা. কার্লোস জুয়ান ফিনলের জন্মদিন উপলক্ষে পালিত হত দিনটি। তিনি মশাবাহিত ভাইরাস যে হলুদ জ্বরের কারণ সেটি আবিষ্কার করেছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ায় , বিভিন্ন তারিখ রয়েছে যেখানে জাতীয় ডাক্তার দিবস স্বীকৃত হতে পারে, সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণকারী ৩০ শে মার্চ ।
কুয়েতে , জাতীয় ডাক্তার দিবস ৩ শে মার্চ পালিত হয়। কুয়েতি ব্যবসায়ী মহিলার জন্য এই উদযাপনের ধারণাটি এসেছিল; জাহরা সুলাইমান আল-মুসাভি। এবং তারিখটি তার কন্যা ডাঃ সুন্দুস আল-মাজিদির জন্মদিন হওয়ার কারণে বেছে নেওয়া হয়েছিল।
ব্রাজিলে , জাতীয় ডাক্তার দিবস ১৮ অক্টোবর ছুটির দিন হিসাবে পালিত হয়, যেদিন ক্যাথলিক চার্চ সেন্ট লুকের জন্মদিন উদযাপন করে । চার্চের ঐতিহ্য অনুসারে প্রেরিত এবং ধর্মপ্রচারক সেন্ট লুক একজন ডাক্তার ছিলেন, যেমনটি নিউ টেস্টামেন্টে লেখা আছে।
জাতীয় চিকিত্সক দিবস ১ মে কানাডায় পালিত হয়। কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা কানাডায় অনুশীলন করা প্রথম মহিলা চিকিত্সক ডঃ এমিলি স্টো- এর স্বীকৃতির জন্য তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল । সিনেট পাবলিক বিল S-248 প্রণীত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটিকে স্বীকৃতি দেবে।
চাইনিজ ডাক্তার দিবস [ zh ] বার্ষিক ১৯ আগস্ট চীনে একটি জাতীয় ছুটি হিসাবে পালিত হয় । তারিখটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং কমিশন (পিআরসি) দ্বারা ২০১৬ সালের চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সম্মেলনে নির্বাচিত হয়েছিল এবং ২০ নভেম্বর, ২০১৭-এ পিআরসি-এর স্টেট কাউন্সিল দ্বারা অনুমোদিত হয়েছিল ।
হরি ডক্টর ন্যাশনাল বা জাতীয় ডাক্তার দিবস প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় পালিত হয়। দিনটি ইন্দোনেশিয়ান ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিআই) এর জন্মদিন উদযাপনের সাথেও চিহ্নিত।
ইরানে , আভিসেনার জন্মদিন (ইরানি মাস: শাহরিভার 1লা = আগস্ট ২৩) ডাক্তারদের জন্য জাতীয় দিবস হিসাবে স্মরণ করা হয় ।
মালয়েশিয়ায় , ডক্টর কানাগাসাবাই অনুসারে প্রতি বছর অক্টোবরের ১০ তারিখে ডাক্তার দিবস পালিত হয় । N. এটি প্রথম ২০১৪ সালে ফেডারেশন অফ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার অ্যাসোসিয়েশন , মালয়েশিয়া দ্বারা চালু করা হয়েছিল ।
তুরস্কে , ১৯১৯ সাল থেকে প্রতি বছর ১৪ মার্চ মেডিসিন দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ভিয়েতনাম ২৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫৫ সালে ডাক্তার দিবস প্রতিষ্ঠা করে। দিবসটি ২৭ ফেব্রুয়ারি বা কখনও কখনও এই তারিখের কাছাকাছি তারিখে পালিত হয়।
১০ মার্চ ভেনেজুয়েলার ডাক্তার দিবস। এই দিনটি হোসে মারিয়া ভার্গাসকে সম্মান জানাতে বেছে নেওয়া হয়েছিল , যিনি শুধুমাত্র একজন অসামান্য চিকিত্সক ছিলেন না বরং ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতিও ছিলেন।
নেপাল ২০ ফাল্গুন (৪ মার্চ) নেপালী তারিখে নেপালী জাতীয় ডাক্তার দিবসও উদযাপন করে। নেপাল মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে নেপাল প্রতি বছর এই দিবসের আয়োজন করে আসছে। ডাক্তার-রোগীর যোগাযোগ, ক্লিনিকাল চিকিত্সা এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক স্বাস্থ্য প্রচার এবং যত্ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশে জাতীয় চিকিত্‍সক দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর। ইরানে ২৩ অগাস্ট পালন করা হয় জাতীয় চিকিত্‍সক দিবস।
ভারতে এই দিনটি ১ জুলাই তারিখে কিংবদন্তি চিকিত্‍সক ও পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের (১ জুলাই, ১৮৮২ – ১ জুলাই, ১৯৬২) সম্মানার্থে পালন করা হয়। কিউবা তে ৩রা ডিসেম্বরে ও ইরানে ২৩এ অগাস্ট এই দিনটি পালন করা হয়।
চিকিত্‍সাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তিদের ভূমিকাকে সম্মান জানাতে জন্য ‘ চিকিত্‍সক দিবস’ পালন করা হয়। এদিন তাঁদের কাজ এবং দায়িত্বগুলি স্বীকৃতি দেওয়ার বিশেষ দিন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ২৯ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বোগান্ডা দিবস – সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।
(খ) যুব দিবস – তাইওয়ান।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৭ – জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও শিক্ষাবিদ।
১৯২৯ – উৎপল দত্ত, বাঙালি অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক।
১৯৩৫ – বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও প্রযোজক বীরেশ্বর সরকার।

১৯৩৯ – নভেরা আহমেদ, বাংলাদেশি ভাস্কর। (মৃ. ২০১৫)
১৯৪১ – জোসেফ হুটন টেইলর জুনিয়র, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিদ।
১৯৫১ – শাফী ইমাম রুমী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা ৷
১৯৬০ – অ্যানাবেলা সচিওরা শাইওরা, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৭৩ – মার্ক ওভারমার্স, ডাচ ফুটবলার।

১৯৮০ – ক্রিস ডি এলিয়া, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৮৪ – ফিলিপ হানা, ইংরেজ গায়ক।
১৯৯৪ – সুলি, দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী, গায়ক ও নৃত্যশিল্পী।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৭৯৫ – পিয়ানো বাদক হিসেবে বেটোভেনের আত্মপ্রকাশ।
১৭৯৮ – সুইজারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।
১৭৯৯ – দাসপ্রথা উচ্ছেদে নিউ ইয়র্কে আইন পাস হয়।
১৮০৭ – জার্মান জ্যোর্তিবিদ উইলহেম অলবার্স ক্ষুদ্রতম গ্রহ ভেস্টা আবিষ্কার করেন।
১৮৪৯ – লর্ড ডালহৌসি সমগ্র পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে ঘোষণাপত্র প্রচার করেন।
১৮৫৪ – ডিরোজিও শিষ্য রামগোপাল ঘোষ ভারতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করেন।
১৮৫৭ – ব্যারাকপুর সেনা ব্যারাকে মঙ্গল পান্ডে গুলি ছুড়ে সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা করেন।
১৮৭১ – রানি ভিক্টোরিয়া লন্ডনের আলবার্ট হল উদ্বোধন করেন।
১৯২০ – ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৭৩ – সর্বশেষ মার্কিন সেনাদলের ভিয়েতনাম ত্যাগ।
১৯৭৪ – চালকবিহীন মার্কিন নভো অনুসন্ধান যান মেরিনার টেন বুধ গ্রহ ভ্রমণ করে।
১৯৮৪ – আতাউর রহমান খান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।
১৯৯১ – বিশ্বের প্রাচীনতম কমিউনিস্ট পার্টি ব্রিটেন কমিউনিস্ট পার্টির নাম বদলে ‘ডেমোক্র্যাটিক লেফট’ রাখা হয়।
২০১৫ – অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে একাদশ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়৷ নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়া ৫ম বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৭২ – ইমান্যুয়েল সুইডেনবার্গ, সুইডিস জ্যোতির্বিদ, দার্শনিক ।
১৯১২ – সুমেরু অভিযাত্রী রবার্ট স্কট।

১৯৪৮ – হ্যারি প্রাইস, ইংরেজ লেখক।
১৯৭০ – আন্না লউইসে স্ট্রং,আমেরিকান সাংবাদিক।

১৯৭১ – বাঙালি আইনজীবী সমাজকর্মী, ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

১৯৭৮ – ইবরাহীম খাঁ, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।

১৯৮৭ – প্রখ্যাত বাঙালি সরোদশিল্পী তিমির বরণ ভট্টাচার্য।
১৯৮৯ – বার্নার্ড বলিয়ের, ফরাসি অভিনেতা।
২০০৫ – মিলতস সাছতউরিস,গ্রিক কবি।
২০০৫ – জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী খালিদ হাসান মিলু।
২০০৯ – অ্যান্ডি হাল্লেত্ত, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।
২০১১ – ইয়াকভস কাম্বানেলিস, গ্রিক কবি, নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার ও ঔপন্যাসিক।
২০১৪ – মাক প্লাট, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও নৃত্যশিল্পী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৮ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ২৮ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৮৬২ – আরিস্টিডে ব্রিয়ান্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রাজনীতিবিদ ও সবেক ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।

১৯০৭ – প্রগতিশীল লেখক ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেন।

১৯০৯ – বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুলগীতি শিল্পী সন্তোষ সেনগুপ্ত।

১৯২৭ – বীণা মজুমদার, নারীবাদী ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩০ – (ক) মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি ধ্রুপদী কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

(খ) জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

১৯৩৬ – মারিও বার্গাস ইয়োসা, নোবেলজয়ী পেরুর লেখক।

১৯৩৭ – ড.পবিত্র সরকার, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

১৯৪৯ – লেসলি ভ্যালিয়ান্ট, খ্যাতিমান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

১৯৬৮ – নাসের হুসেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৭৫ – অক্ষয় খান্না, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৭৯ – শাকিব খান, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, গায়ক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮০০ – আইরিশ পার্লামেন্টে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্তির আইন অনুমোদিত হয়।
১৮০৯ – ব্যাটল অব মেডেলিনে ফ্রান্স স্পেনকে পরাজিত করে।
১৮৫৪ – ব্রিটেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে ক্রিমিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৩০ – কনস্টান্টিনোপলের নাম ইস্তাম্বুল ও অ্যাঙ্গোরার নাম আঙ্কারা করা হয়।
১৯৩৯ – প্রায় তিন বছর যুদ্ধের পর স্পেনের গৃহযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।
১৯৪১ – সুভাষচন্দ্র বসু গোপন সাবমেরিন যাত্রা শেষে বার্লিন পৌঁছান।
১৯৪২ – রাসবিহারী বসু জাপানের টোকিওতে ভারত স্বাধীন করার আহ্বান জানিয়ে ভাষণ দেন। তিনি ভারতের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তাইওয়ান।
১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় লেবানন।
১৯৭৪ – আজকের দিনে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
২০০১ – দিনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ কিয়োটো প্রোটোকল থেকে মার্কিন সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন।
২০১০ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল রবি আজিয়াটা কোম্পানি নামে আত্মপ্রকাশ করে।
২০১৯ – ঢাকার বনানীতে এফআর টাওয়ারে আগুন লেগে ২৫ জন নিহত হন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১৭ – আলবার্ট পিংকহ্যাম রাইডার, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।

১৯৪১ – ইংরাজী ভাষার সাহিত্যিক ভার্জিনিয়া উল্‌ফ।

১৯৬৯ – ডোয়াইট্‌ ডি. আইজেনহাওয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৮৫ – মার্ক শাগাল, রুশ চিত্রশিল্পী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ২৭ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) বিশ্ব থিয়েটার দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮৫ – ফ্রান্সের রাজা সপ্তদশ লুই।

১৮৪৫ – ভিলহেল্ম কনরাড র‌ন্টগেন, জার্মান পদার্থবিদ।

১৮৪৭ – অটো ভালাখ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৮৬৩ – মোটর গাড়ির নকশাকার প্রনেতা স্যার ফ্রেডরিখ হেনরি রয়েস।

১৮৭১ – জার্মান লেখক ও কবি হাইনরিখ মান।
১৮৯৯ – গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯০১ – এইসাকু সাতো, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি রাজনীতিবিদ ও ৬১ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯১২ – জেমস ক্যালাহান, ইংরেজ লেফটেন্যান্ট, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯১৭ – (ক)  কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও শিশু সাহিত্যিক।

(খ( ) নবেন্দু ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৪১ – স্লোভাকিয়া আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট ইভান গাস্পারভিক।
১৯৪২ – জন এডওয়ার্ড সালস্টন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জীববিজ্ঞানী।

১৯৬০ – মল্লিকা সেনগুপ্ত, বাঙ্গালী কবি ও সমাজকর্মী।
১৯৬৩ – কোয়েন্টিন টারান্টিনো, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অভিনেতা।
১৯৭২ – জিমি ফ্লয়েড হ্যাসেলবেইংক্‌, হল্যান্ডের একজন কৃতি ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৭ – রাশিয়ান গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী পলিনা গ্যাগারিন।

১৯৮৮ – আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা ব্রেন্ডা সং।
১৯৮৮ – জাপানি ফুটবলার আটসুটো উচিদা।
১৯৯০ – নেসার বারাযাইত, নেদারল্যান্ড এর পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৬৮ – বোম্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে।
১৭৮২- দ্বিতীয় রকিংহ্যাম মন্ত্রণালয় ব্রিটেনে অফিস গ্রহণ করে এবং আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা শুরু করে।
১৭৯৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্থায়ী নৌবাহিনী স্থাপন করে এবং ছয়টি ফ্রিগেটের বিল্ডিংয়ের অনুমোদন দেয়।
১৮০৯- উপদ্বীপ যুদ্ধ: সিউদাদ রিয়েলের যুদ্ধে একটি সংযুক্ত ফ্রাঙ্কো-পোলিশ বাহিনী স্প্যানিশদের পরাজিত করেছিল।
১৮১৪ – ১৮১২ এর যুদ্ধ: সেন্ট্রাল আলাবামায়, জেনারেল অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের নেতৃত্বে মার্কিন বাহিনী হর্সশি বেন্ডের যুদ্ধে ক্রিককে পরাস্ত করেছিল।
১৮৯৯ – মেরিলাও নদীর যুদ্ধে ফিলিপাইন-আমেরিকান যুদ্ধের সময় এমিলিও আগুইনাল্ডো একমাত্র ফিলিপিনো বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
১৯১৫- যুক্তরাষ্ট্রে চিহ্নিত প্রথম রোগের স্বাস্থ্যকর ক্যারিয়ার টাইফয়েড মেরিকে দ্বিতীয়বারের জন্য পৃথকীকরণ করা হয়, যেখানে তিনি তার সারাজীবন থাকতেন।
১৯১৮ – বেসারাবিয়া জাতীয় কাউন্সিল রোমানিয়ার কিংডমের সাথে ইউনিয়নের ঘোষণা দেয়।
১৯১৯ – আমানুল্লাহ কর্তৃক আফগানিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
১৯৩৮- দ্বিতীয় চীন-জাপানিজ যুদ্ধ: তাইয়েরজুয়াংয়ের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, বেশ কয়েক সপ্তাহ পরে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম বড় জয় লাভ করেছিল major
১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: যুগোস্লাভ এয়ার ফোর্সের আধিকারিকরা একটি রক্তহীন অভ্যুত্থানে সরকারপন্থী অ্যাকসিস সরকারকে পরাস্ত করেছিলেন।
১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: কোমন্ডারস্কি দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ: আলেউটিয়ান দ্বীপপুঞ্জে যুদ্ধ শুরু হয় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জাপানিদের কিস্কায় একটি চৌকি জোরদার করার প্রচেষ্টা জাপানিদের বাধা দেয়।
১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: অপারেশন স্টারভেশন, জাপানের বন্দর ও নৌপথের বিমান খনন শুরু হয়। অ্যাক্সিস পাওয়ার্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা।
১৯৬৮ – রুশ নভোচারী, তিনি ছিলেন মহাকাশচারী প্রথম ব্যক্তি জারস্লাভ হেয়রোভস্ক্য প্রশিক্ষনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। ১৯৬৯ – মেরিনার ৭ উদ্বোধন করা হয়।
১৯৭১ – চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবের পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
১৯৯৮- খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা হিসাবে ব্যবহারের জন্য ভায়াগ্রাটিকে অনুমোদন দেয়, যুক্তরাষ্ট্রে এই শর্তটির জন্য অনুমোদিত প্রথম বড়ি।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৯৮ – শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক স্যার সৈয়দ আহমদ।

১৯১৮ – হেনরি অ্যাডাম্‌স, একজন মার্কিন ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক।
১৯৪৪ – লোকগীতি সংগ্রাহক ও কবি আশুতোষ চৌধুরী।

১৯৬৬ – পান্নালাল ভট্টাচার্য প্রখ্যাত বাঙালি শ্যামাসঙ্গীত শিল্পী।
১৯৬৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক রসায়নবিদ জারস্লাভ হেয়রোভস্ক্যা।
১৯৬৮ – ইউরি গ্যাগারিন, রুশ নভোচারী, মহাকাশচারী প্রথম ব্যক্তি প্রশিক্ষনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৭১ – জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী।
১৯৭২ – এম. সি. এশ্যর, একজন ওলন্দাজ চিত্রলেখ শিল্পী।

১৯৭৩ – ভূপতি মজুমদার স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা।
১৯৮২ – ফজলুর রহমান খান, বাংলাদেশের বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী।
১৯৮৬ – আবদুল হাই আরিফী, আশরাফ আলী থানভীর শিষ্য।

১৯৮৯ – শান্তি ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী।
২০০৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ পল ক্রিশ্চিয়ান লতেরবার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন হলদিয়ার উপকণ্ঠে অবস্থিত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান , তমলুক রাজবাড়ি।।।

হলদিয়ার উপকণ্ঠে অবস্থিত, তমলুক প্রাসাদের প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ, যা তমলুক রাজবাড়ি নামেও পরিচিত, ঐতিহাসিক তাৎপর্য এবং স্থাপত্য দক্ষতার একটি দৃশ্য বর্ণনা উপস্থাপন করে। 2500 বছর পুরানো বলে বিশ্বাস করা এই সাইটটি একসময় পশ্চিমবঙ্গের রাজার বাসস্থান হিসেবে কাজ করেছিল, যা এই অঞ্চলের রাজকীয় অতীতের একটি আভাস দেয়।

তমলুক রাজবাড়ির স্থাপত্য নকশা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ এতে ইন্দো-গ্রীক স্থাপত্যের উপাদান দেখা যায়, যা ভারতের এই অংশে একটি বিরল আবিষ্কার।
ঐতিহাসিক এবং স্থাপত্যের মূল্য থাকা সত্ত্বেও, তমলুক রাজবাড়ি তর্কাতীতভাবে প্রাপ্য মনোযোগ পায়নি। তিন বছর আগে সাইটটির দর্শনার্থী অরূপ দে-এর মতে, সরকারি যত্নের অভাবে এই স্থাপত্যের বিস্ময় অবহেলায় পড়ে আছে। দে জোর দিয়ে বলেন, “এটি ইন্দো গ্রীক স্থাপত্যের একটি বিরল ঐতিহাসিক প্রমাণ। কী একটি স্থাপত্য, কিন্তু সরকার এর যত্ন নেয়নি। এটা যদি তাই হতো, এটা অবশ্যই করা হতো।” এই বিবৃতিটি তমলুক রাজবাড়ির ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য তাত্পর্যের প্রতি আগ্রহী আরও দর্শনার্থী এবং পণ্ডিতদের আকর্ষণ করে একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে স্বীকৃত হওয়ার সম্ভাবনার ওপর জোর দেয়।
হলদিয়ার কাছে তমলুক রাজবাড়ির অবস্থান পর্যটক এবং ইতিহাস উত্সাহীদের কাছে এর আকর্ষণকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এলাকাটি তার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, তমলুক রাজবাড়ি হলদিয়ায় দেখার জন্য শীর্ষস্থানীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি। যাইহোক, ধ্বংসাবশেষের বর্তমান অবস্থা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এর গঠন এবং ঐতিহাসিক সারমর্ম সংরক্ষণের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপের আহ্বান জানায়।
এটি দাঁড়িয়েছে, তমলুক রাজবাড়ি পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ স্থাপত্য ঐতিহ্য এবং এই অঞ্চলে ইন্দো-গ্রীক সাংস্কৃতিক প্রভাবের একটি প্রমাণ হিসাবে রয়ে গেছে। এটি ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণের গুরুত্বের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে, শুধুমাত্র তাদের শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক মূল্যের জন্যই নয় বরং স্থানীয় পর্যটন ও অর্থনীতিতে অবদান রেখে স্বীকৃত ঐতিহ্যবাহী স্থান হওয়ার সম্ভাবনার জন্যও।
যারা হলদিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বা ভারতের সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক এবং স্থাপত্যের উত্তরাধিকার অন্বেষণ করতে আগ্রহী তাদের জন্য, তমলুক রাজবাড়ি একটি অনন্য সুযোগ প্রদান করে। সাইটটি দর্শকদের সময়মতো ফিরে যেতে এবং অতীত যুগের মহিমা কল্পনা করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়, যদিও এটি এই জাতীয় অমূল্য সাংস্কৃতিক ধন সংরক্ষণের প্রতি বৃহত্তর সচেতনতা এবং পদক্ষেপের আহ্বান জানায়।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জানব জানুন চা এর ইতিহাস সম্পর্কে কিছু কথা।

চা, সারা বিশ্বে লালিত একটি পানীয়, এটির উৎপত্তি প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে চীনে ফিরে আসে, যা এর দীর্ঘ ও বহুতল ইতিহাসের সূচনা করে। উচ্চ-পদস্থ সন্ন্যাসী এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের বিলাসিতা থেকে চায়ের যাত্রা অসংখ্য দেশে একটি গৃহস্থালির প্রধান স্থানে এর সাংস্কৃতিক তাত্পর্য এবং ব্যাপক আবেদনকে ধারণ করে।

593 খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, চা জাপানে পৌঁছেছিল, চা অনুষ্ঠান এবং শিষ্টাচারের সাথে গভীরভাবে জড়িত একটি সংস্কৃতিকে লালন করে। 16 শতকে ইউরোপে চা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে ডাচদের ভূমিকা ছিল, 17 শতকে ইংল্যান্ড অনুসরণ করে, যেখানে 1659 খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে প্রথম চায়ের দোকান খোলা হয়েছিল। 1677 সালে চীন থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চা রপ্তানি চায়ের বৈশ্বিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত।
ভারতে, 1835 সালে আসামে একটি পরীক্ষা হিসাবে চা চাষ শুরু হয়, চট্টগ্রাম এবং মালনিছড়া প্রথম চা উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসাবে আবির্ভূত হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ভারতে চাকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল, দুধ ও চিনির সাথে এটি বিনামূল্যে প্রদান করে। এই উদ্যোগটি আজ ভারতের সমৃদ্ধ চা সংস্কৃতির ভিত্তি স্থাপন করেছে। চীনে চায়ের পবিত্র মর্যাদা বাড়ির উত্সর্গীকৃত চা ঘরগুলিতে স্পষ্ট হয়, একটি ঐতিহ্য যা সমাজে পানীয়ের সম্মানিত স্থানকে তুলে ধরে। এদিকে, জাপানে চা উৎসব পানীয়টির তাৎপর্য উদযাপন করে, যা অভিজাতদের গার্হস্থ্য জীবনে এর একীকরণকে প্রতিফলিত করে।
চিরসবুজ এবং ঝোপঝাড় প্রকৃতির জন্য পরিচিত চা গাছগুলি যদি ছাঁটাই না করা হয় তবে 30-40 ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। বাগানে শিরিষ গাছের মতো ছায়াযুক্ত গাছ লাগানোর অভ্যাস হল গুল্মজাতীয়তা বৃদ্ধি এবং পাতার উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে। লক্ষণীয়ভাবে, চা গাছ এক শতাব্দী পর্যন্ত মানসম্পন্ন পাতা উত্পাদন করতে পারে এবং তাদের বীজগুলি খুব শক্ত বাইরের আবরণে আবদ্ধ থাকে। গাঢ় সবুজ, লম্বা, এবং সামান্য কাঁটাযুক্ত পাতায় তৈলাক্ত পদার্থে ভরা ছোট কোষ থাকে, যা চায়ের আনন্দদায়ক স্বাদ এবং গন্ধে অবদান রাখে।
চা তৈরিতে পাতাগুলিকে তিন মিনিটের জন্য সিদ্ধ জলে ভিজিয়ে রাখা জড়িত, এটি একটি প্রক্রিয়া যা এর সুগন্ধ এবং গন্ধকে আনলক করে। দার্জিলিং চা, বিশেষ করে, তার অনন্য সুগন্ধের জন্য বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। যাইহোক, চায়ের স্বাদ এবং ঘ্রাণ ঠান্ডা কাপে কমে যায়, সেরা চায়ের অভিজ্ঞতার জন্য উষ্ণ কাপ ব্যবহার করার গুরুত্বকে বোঝায়। তিব্বতের মাখন এবং সোডা চা থেকে শুরু করে রাশিয়ানদের বোতলজাত চা এবং চীন, জাপান, মায়ানমার, মঙ্গোলিয়া এবং কোরিয়ার স্বাস্থ্যগত সুবিধার জন্য গ্রিন টি পছন্দ করা বিভিন্ন সংস্কৃতির চা তৈরির অনন্য উপায় রয়েছে।
কালো চা, সবুজ চা, ওলং চা, ইট চা, এবং লেটপেট চা সহ বিভিন্ন ধরণের চা রয়েছে। ভারত এবং কেনিয়ার মতো দেশে কালো চা সবচেয়ে সাধারণ, যখন সবুজ চা মধ্য এশিয়া এবং জাপানে জনপ্রিয়তা উপভোগ করে। চা পাতায় ক্যাফেইন এবং অপরিহার্য তেলের পাশাপাশি ভাজা হলে প্রায় 2% ট্যানিন এবং 12% ট্যানিন থাকে। ক্যাফিন এবং ট্যানিন উপাদানের কারণে পানীয়টি স্নায়ুতন্ত্রের উপর উদ্দীপক প্রভাব, ক্ষুধা দমন এবং হজমে সহায়তার জন্য পরিচিত। তদুপরি, চায়ের মূত্রবর্ধক, পেশী টনিক এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, চলমান গবেষণা হৃদরোগ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে এর সম্ভাব্য সুবিধাগুলি অন্বেষণ করে। ইউনানি ঔষধে, চা হার্টের সমস্যা, শোক, বিভ্রম, জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমাধান করার ক্ষমতার জন্য স্বীকৃত। দুধ এবং চিনির সাথে খাওয়ার সময় এটি নিদ্রাহীনতা এবং অস্থিরতা উপশম করতে সহায়তা করে, এটি নিরাময়কারী প্রভাবও থাকতে পারে।
চায়ের সাংস্কৃতিক তাত্পর্য তার খাওয়ার আশেপাশের ঐতিহ্যগুলিতে স্পষ্ট। জাপানে, চা অনুষ্ঠান এবং অনন্য চা বাটির ব্যবহার চায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে, বাটিগুলি প্রায়শই লালিত পারিবারিক উত্তরাধিকারে পরিণত হয়। বাংলাদেশেও একটি সমৃদ্ধ চায়ের সংস্কৃতি রয়েছে, বর্তমানে চা সাধারণত কাপে উপভোগ করা হয়, যদিও অতীতে বাটি ব্যবহার করা হত। সমতল ভূমির উপরে পাহাড়ে তাদের সুন্দরভাবে সাজানো চা গাছের সারি সহ মনোরম চা বাগান, চা চাষে বিনিয়োগ করা যত্নশীল যত্নের একটি আভাস দেয়। ক্যামেলিয়া নামে পরিচিত চা গাছটির নাম মালয় ভাষা থেকে এসেছে, কেউ কেউ এটিকে উট নামে একজন উদ্ভিদ-সংগ্রাহক বা একজন ইতালীয় পুরোহিতকে দায়ী করেছেন যিনি গাছটিকে ইউরোপে প্রবর্তন করেছিলেন। এর ব্যবহার ছাড়াও, চুলের বৃদ্ধিতে এর উপকারিতা এবং চোখে লাগালে এর শিথিল প্রভাবের জন্যও চাকে মূল্য দেওয়া হয়।
চীনে এর উৎপত্তি থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী একটি প্রিয় পানীয় হিসেবে এর ভূমিকা, চায়ের যাত্রা তার স্থায়ী আবেদন এবং বহুমুখীতার প্রমাণ। চীনের পবিত্র চায়ের ঘরে উপভোগ করা হোক না কেন, জাপানের বিস্তৃত চায়ের অনুষ্ঠানের সময়, বা ভারতের ব্যস্ত চায়ের দোকানে, চা একটি শেয়ার্ড প্যাশন হিসেবে রয়ে গেছে যা সংস্কৃতিকে অতিক্রম করে, মানুষকে এর অনন্য স্বাদ এবং স্বাস্থ্য সুবিধার প্রশংসায় একত্রিত করে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

১০ টি ভারতীয় স্থানে হোলি উদযাপনের অনন্য উপায় : একটি অবিস্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।।।

হোলি, রঙের উত্‍সব, ভারত জুড়ে একটি অধীরভাবে প্রতীক্ষিত ইভেন্ট, যা অত্যন্ত উত্‍সাহ এবং আনন্দের সাথে উদযাপিত হয়। এই প্রাণবন্ত উত্‍সবের গভীর সাংস্কৃতিক ও পৌরাণিক শিকড় রয়েছে, যা মন্দের ওপর ভালোর বিজয়ের প্রতীক। ভারতের প্রতিটি অঞ্চলে হোলি উদযাপনের নিজস্ব উপায় রয়েছে, যা একটি সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

এখানে, আমরা ভারতের ১০টি স্থান অন্বেষণ করি যেখানে হোলি উদযাপন অনন্য স্থানীয় স্বাদ গ্রহণ করে, অংশগ্রহণকারীদের একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
বৃন্দাবনে, উত্‍সবটি ফুলন কি হোলির সাথে একটি আধ্যাত্মিক নোট গ্রহণ করে, যেখানে রঙের গুঁড়োর পরিবর্তে, ফুলের পাপড়ি ব্যবহার করা হয়। এই অনন্য উদযাপন ভগবান কৃষ্ণের কৌতুকপূর্ণ আত্মাকে সম্মান করে, যিনি এই পবিত্র শহরে তাঁর শৈশব কাটিয়েছিলেন।
বারসানা লাঠমার হোলির আয়োজন করে, একটি উদযাপন যা হিন্দু পুরাণে গভীরভাবে নিহিত। এখানে, মহিলারা রাধা এবং কৃষ্ণের মধ্যে উত্তেজনার একটি কৌতুকপূর্ণ পুনঃপ্রতিক্রিয়ায় লাঠি দিয়ে পুরুষদের তাড়া করে, যা ঐতিহ্যবাহী হোলি উত্‍সবকে একটি অনন্য মোড় দেয়।
জয়পুরের এলিফ্যান্ট ফেস্টিভ্যাল হোলি উদযাপনে জাঁকজমক যোগ করে। হাতি, রঙিন পোশাকে সজ্জিত, একটি বিশাল শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেয় এবং ইভেন্টের মধ্যে রয়েছে সেরা-সজ্জিত হাতির সম্মান, উত্‍সবের আনন্দের সাথে ঐতিহ্যকে একীভূত করা।
শান্তিনিকেতনে, হোলি বসন্ত উত্‍সব বা বসন্ত উত্‍সব হিসেবে পালিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সূচনা করা এই ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, এরপর আনন্দের রঙ নিক্ষেপ করা।
উদয়পুরের রাজপরিবার একটি জমকালো হোলি উদযাপনের আয়োজন করে, যেখানে একটি রাজকীয় শোভাযাত্রা, স্থানীয় পরিবেশনা এবং একটি জমকালো ভোজ, যা শহরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রদর্শন করে।
ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে, হাম্পি প্রাণবন্ত হোলি উদযাপনের প্রস্তাব দেয় যার মধ্যে রয়েছে বনফায়ার, সঙ্গীত, নৃত্য এবং সাম্প্রদায়িক আনন্দ, যা মন্দের উপর ভালোর বিজয়ের চেতনাকে প্রতিফলিত করে।
গোয়া এবং দেরাদুনে হোলি মু উত্‍সব আধুনিক সঙ্গীত, শিল্প এবং সংস্কৃতির সাথে ঐতিহ্যবাহী হোলির মজাকে একত্রিত করে। এটি একটি নিরাপদ, বন্ধুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে পরিচিত যা পরিবেশ বান্ধব রং ব্যবহার করে।
হোলা মোহাল্লা, হোলির ঠিক পরেই উদযাপিত হয়, শিখ সম্প্রদায়ের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যেখানে মার্শাল আর্ট প্রদর্শনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা স্ব-শৃঙ্খলা এবং সমতার মূল্যবোধকে আন্ডারলাইন করে।
কোচিনে, কোঙ্কনি মন্দিরে মঞ্জুল কুলি উত্‍সবে সিন্থেটিক রঙের পরিবর্তে হলুদ ব্যবহার করা হয়। উদযাপন ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত, নৃত্য, এবং ভোজ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
মণিপুরের ইয়োসাং উত্‍সব, মেইতেই সম্প্রদায়ের দ্বারা পালিত হয়, এর মধ্যে রয়েছে নাচ, গান, গেমস এবং থাবাল চোংবা নাচ, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা একটি বনফায়ারের চারপাশে নাচ করে, উত্সব পরিবেশকে যোগ করে।
এই ১০টি স্থান ভারত জুড়ে হোলি উদযাপনের সমৃদ্ধ টেপেস্ট্রির একটি আভাস দেয়। প্রতিটি স্থান এই প্রিয় উত্‍সবের আনন্দ, ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুভব করার একটি অনন্য উপায় প্রদান করে, যারা ভারতের প্রাণবন্ত উত্‍সবের চেতনায় নিজেদেরকে নিমজ্জিত করতে চায় তাদের জন্য তাদের অবশ্যই দেখার গন্তব্য হিসেবে তৈরি করে।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

কর্তাভজা সম্প্রদায় ও কল্যাণীর সতীমার দোল মেলা : দিলীপ রায়।।।

যতদূর জানা যায়, আনুমানিক দুশো বছর আগে আউলিয়া সম্প্রদায়ের সতীমা অর্থাত্‍ সরস্বতী দেবী এই মেলার প্রবর্তন করেন । এপার বাংলা ও বাংলাদেশে যথেষ্ট জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষপাড়ার সতীমার দোল মেলা । খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলার অন্ত্যজ সম্প্রদায়ের মানুষদয়ের নিয়ে গড়ে ওঠে আউলচাঁদ সম্প্রদায় ।

এই সম্প্রদায়ের আদিগুরু ছিলেন আউলচাঁদ । তাঁর মৃত্যুর পর আউলচাঁদ সম্প্রদায়ের কর্তাপদ লাভ করেন রামশরণ পাল । তাঁরই স্ত্রী ছিলেন সরস্বতী দেবী যিনি পরবর্তীকালে সতী মা নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন ।
বাউল, কীর্তন, লোকগীতি, পল্লীগীতির সুরে প্রতি বছর মেলা জমে ওঠে । আখড়ায় আখড়ায় সারা রাত ধরে গানের আসর । শ্রোতারা অধিকাংশই গ্রাম ও মফঃস্বলের । বিভিন্ন জায়গায় তৈরী হয় লালন মঞ্চ । গানের পাশাপাশি বিশাল উনুন জ্বালিয়ে ক্ষুন্নিবৃত্তির ব্যবস্থা হয় ঐ আখড়াগুলিতে । দূরদূরান্ত থেকে মেলায় আগত মানুষদের আশ্রয়স্থল এই আখড়াগুলি ।
এবার আসছি কর্তাভজা সম্প্রদায় প্রসঙ্গে ।
কর্তাভজা সম্প্রদায় আঠারো শতকে বৈষ্ণববাদ ও সুফিবাদ থেকে বিকশিত একটি ক্ষুদ্র ধর্মীয় সম্প্রদায় । এই সম্প্রদায়ের মূল গুরু আউল চাঁদ ।
প্রথমেই বলি, আউলচাঁদ হলেন একজন বাঙালি ধর্ম প্রচারক ও কর্তাভজা সম্প্রদায়ের আদিগুরু । কিংবদন্তি বা লোকবিশ্বাস যে, গোরাচাঁদ অর্থাত্‍ শ্রীচৈতন্যদেব আউলচাঁদ রূপে পুনরায় আবির্ভূত হয়েছেন । গৃহী মানুষকে বৈরাগ্য ধর্ম শেখাতে শ্রীচৈতন্য আবির্ভূত হন আউল চাঁদ ফকির হয়ে । এখানে তাই কোনো জাতিভেদ নেই ।
আউলচাঁদের জন্ম-খ্রিষ্টাব্দ নিয়ে অনেক মতভেদ । শোনা যায়, তিনি হিন্দু না মুসলমান সেটা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি । তবে প্রচলিত লোক কাহিনী অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার উলা গ্রামের (অনেকের মতে, নদীয়া জেলার প্রাচীন জনপদ উলা-বীরনগর) পান ক্ষেত থেকে একটি নবজাতক শিশুকে পাওয়া যায় । ক্ষেতের মালিক মহাদের বারুই ভগবানের আশীর্বাদ ভেবে তাঁকে লালন-পালন শুরু করেন । আউলচাঁদের পুরানো নাম পূর্ণচন্দ্র । সংস্কৃত ভাষা শেখানোর জন্য তাঁকে পাঠানো হয় সে-সময়কার বিখ্যাত বৈষ্ণবাচার্য হরিহরের কাছে । বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণচন্দ্র নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান এবং নানাভাবে শিক্ষালাভ করেন । শেষ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধিলাভ করেন । তাঁর নতুন নাম হয় ফকিরচাঁদ বা আউলচাঁদ । বড় হয়ে আউলচাঁদ গৃহত্যাগ করেন । বহু দেশ ঘোরার পর নদীয়া জেলার ঘোষপাড়ায় রামশরণ পাল নামে এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি তাঁকে আশ্রয় দেন । আউল চাঁদের ২২জন শিষ্যের মধ্যে অন্যতম শিষ্য রামশরণ পাল । ২২জনের মধ্যে রামশরণ পাল আউলচাঁদের মৃত্যর পর গুরুপদ প্রাপ্ত হন । যারজন্য তাঁর নেতৃত্বে পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার ঘোষপাড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন কর্তাভজা ধর্মের অন্যতম পীঠস্থান, যা পরবর্তী সময়ে সতী মায়ের মন্দির নামে সবার কাছে পরিচিত । রামশরণ পালের স্ত্রীর নাম সরস্বতী, যার নামেই এই মন্দির—-সতী মায়ের মন্দির । কথিত আছে, সরস্বতী’র প্রথম অক্ষর “স” আর শেষ অক্ষর “তী” অনুসারে সতী । আউলচাঁদের শিষ্য রামশরণ পাল গুরুর ভাবাদর্শকে ভিত্তি করে কর্তাভজা সম্প্রদায় গড়ে তোলেন । এইজন্য ভক্তের নিকট তিনি “কর্তা” এবং তাঁর স্ত্রী সরস্বতী দেবী “কর্তামা” নামে অভিহিত । রামশরণ পালের পর সরস্বতী দেবী এই সম্প্রদায়কে নেতৃত্ব দেন । রামশরণ পালের স্ত্রী কর্তাভজা সম্প্রদায়কে দিশা দেখান । রামশরণের স্ত্রী সরস্বতী দেবী ছিলেন অতীব ধর্মপরায়ণা । শোনা যায়, আউলচাঁদ হিম সাগরের জল ও ডালিম গাছের তলার মাটির সাহায্যে সরস্বতী দেবীকে অলৌকিক উপায়ে মৃত্যের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন । আরও শোনা যায়, আউলচাঁদ নাকি রামশরণ পাল ও সরস্বতী দেবীর সন্তান হয়ে পরবর্তীতে জন্ম নেন “দুলাল চাঁদ” নামে । দুলাল চাঁদ (১৭৭৬-১৮৩৩) কর্তাভজা সম্প্রদায়কে সাংগঠনিক রূপ দেন । তিনি বহু পদ রচনা করে কর্তাভজা ধর্মমতকে একটা তাত্ত্বিক কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত করেন । পদগুলি ভাব-গীত-রূপে ভক্তদের নিকট সমাদৃত । কর্তাভজারা কোনো জাতিভেদ মানেন না । তাঁরা লোভ-মোহ-কাম-ক্রোধকে নৈতিক পাপ বলে মনে করেন । সত্‍ পথে থেকে এবং মিথ্যা কথা পরিহার করে নৈতিকভাবে ধর্মকর্ম করা তাঁদের প্রধান লক্ষ্য । তাঁর সময়ে কর্তাভজা সম্প্রদায়ের খ্যাতি বহুদূর পর্যন্ত গড়ায় । মাত্র ৪৮ বছর বয়সে দুলাল চাঁদের মৃত্যু হয় । এরপর তাঁর মা অর্থাত্‍ সরস্বতী দেবী কর্তা মা বা সতীমা নামে খ্যাতিলাভ করেন ।
নদীয়া জেলার ঘোষপাড়ার রামশরণ পালের আদি ভিটেটুকু ভক্তদের কাছে অতি পবিত্র । ভিটের পাশেই ডালিম গাছ । এই গাছের নীচে যেহেতু সতীমা সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সেইজন্য ভক্তরা ডালিম গাছের ডালে ঢিল বেঁধে মানত করেন । মনস্কামনা পূরণ হওয়ার আশায় । বাতাসা, কদমা, চিড়ে, মুড়কি দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে ভক্তদের সতীমাকে পুজো দেওয়ার রীতি । আজও সেই ট্রাডিশন অব্যাহত ।
জনশ্রুতি, শেষ বয়সে সরস্বতী দেবী সন্তানহারা হলে দোলপূর্ণিমার দিন গুরু পুজার আয়োজন করেন । সেই থেকে দোল পূর্ণিমার সূচনা । হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাউলেরা আসেন । তাই স্থানীয়ভাবে সতী মায়ের মেলাটা আউল-বাউলের মেলা বা আখড়া নামে পরিচিত ।
কর্তাভজা সম্প্রদায় মূর্তিপুজা এবং সকল প্রকার আনুষ্ঠানিক যাগযজ্ঞের বিরোধী । কর্তাভজা প্রচারক দুলাল চাঁদ রচিত ভাবের গীতে বলা হয়েছে– “মানুষ ভজ, মানুষ চিন্ত, মানুষ কর সার, সকলি মানুষের খেলা মানুষ বই নাই আর ।” কর্তাভজা সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য দিক হলো এখানে হিন্দু গুরুর মুসলমান শিষ্য যেমন আছেন, তেমনি আছেন মুসলমান গুরুর হিন্দু শিষ্য । এই সম্প্রদায়ে নারী পুরুষ নেতৃত্ব নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা হয় না । এই কারণে গুরুদেবের ভূমিকায় নারী পুরুষ উভয়কেই দেখা যায় । একই ভাবে তাঁরা বাউল সম্প্রদায়ের মতো জাতিভেদ প্রথা মানেন না । দুলাল চাঁদের ভাবের গীতে তাই বলা হচ্ছে– “ভেদ নাই মানুষে মানুষে, খেদ কেন ভাই এদেশে ।”
সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায় কর্তাভজা সম্প্রদায়ে । এ-বিষয়ে কবি নবীন চন্দ্র সেনের বক্তব্য অত্যন্ত প্রনিধানযোগ্য । তাঁর মতে, “কর্তাভজা সম্প্রদায়ে কোনো জাতিভেদ নেই । সকলেই এক রন্ধনশালার পাক গ্রহণ করেন । ছোঁয়াছুয়ির দোষ এদের কাছে মুখ্য নয় । মানুষ সেবা তাঁদের মুখ্য বিবেচ্য বিষয় ।”
কর্তাভজাদের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো গুরুদেবের পুত্র অযোগ্য হলে তাঁরা তাকে গুরু নির্বাচন করতে চান না । তাঁদের নিয়মাবলী নামক ভাবের গীতে এই প্রসঙ্গে অভিমত ব্যক্ত করে বলা হয়েছে কর্তাভজা সম্প্রদায়ের সাধন ভজন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন এমন ব্যক্তিই গুরুদেব হবার অধিকারী । এই জায়গায় কর্তাভজা সম্প্রদায় বর্ণবাদ এবং ব্রাহ্মণ্যবাদের কবল থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছেন ।
আজও কর্তাভজা সম্প্রদায়ের মধ্যে সতীমায়ের কৃপা পাওয়ার নিরিখে যথেষ্ট উন্মাদনা । তাঁদের মধ্যে সরল বিশ্বাস ও ভক্তি আজও উজ্জীবিত । যার জন্য দোল পূর্ণিমার দিন সতী মায়ের মেলায় হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে । এদেশ ছাড়া বাংলাদেশ থেকেও মেলাপ্রাঙ্গনে অনেক মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো । বাউলদের সমারোহ আলাদা মাধুর্যে ভরপুর থাকে কল্যাণীর সতী মায়ের মেলা । (তথ্যসূত্র: সংগৃহীত) ।
কলমে: দিলীপ রায় (৯৪৩৩৪৬২৮৫৪)

Share This