Categories
রিভিউ

আজ ১৩ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৩ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৩৩ – যোশেফ প্রিস্টলি, ইংরেজ রসায়নবিদ।

১৮৪৪ – মনমোহন ঘোষ,কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম বাঙালি ব্যরিস্টার।

১৮৬১ – জলধর সেন, সাহিত্যিক ও সম্পাদক।

১৮৯২ – গোবর গোহ (যতীন্দ্রচরণ গুহ), ভারতীয় কুস্তিগীর ও পালোয়ান।
১৯০০ – গেওর্গে সেফেরিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

১৯১৪ – বাঙালি কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সরোজ দত্ত।

১৯১৫ – ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার ও প্রাবন্ধিক প্রতিভা বসু।
১৯১৬ – প্রবাসজীবন চৌধুরী, ভারতীয় সৌন্দর্যতত্ত্ব বিশারদ।
১৯৩০ –  বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিনের জন্ম।

১৯৩১ – চণ্ডী লাহিড়ী, ভারতীয় বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রী ও লেখক।
১৯৩৬ – আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক।

১৯৬৬ – ইসরাফিল আলম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৪৫ – এই দিন থেকে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সূচনা।
৬২৪- বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৭৫৮ – হেলির ধূমকেতু গ্রহকক্ষস্থ সূর্যের নিকটতম বিন্দুতে অবস্থান নেয়।
১৭৮১ – স্যার উইলিয়াম হার্শেল ইউরেনাস গ্রহ অবিষ্কার করেন।
১৭৯৯ – মেদিনীপুরে চুয়াড় বিদ্রোহ শুরু গোবর্ধন দিকপতির নেতৃত্বে।
১৮৭৮ – বিভিন্ন ভাষার সংবাদপত্রের জন্য ব্রিটিশ রাজ কর্তৃক সংবাদপত্র আইন প্রণীত হয়।
১৮৮১ – রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার আততায়ীর হাতে নিহত হন।
১৮৯৬ – নেদারল্যান্ডসে প্রথম চলচ্চিত প্রদর্শিত হয়।
১৯০৬ – মার্কিন নারী ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পুরোধা নেত্রী সুসান ব্রাউলেন অ্যান্টনির মৃত্যু।
১৯২২ – কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯৩০ – সৌরমন্ডলের নবম গ্রহ প্লুটো আবিষ্কৃত হয়।
১৯৫৪ – ইন্দোচীনে দিয়েন বিয়েন ফু’র যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৭১ – শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষুব্ধ শিল্পী সমাজের প্রথম মিছিল।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সুইজারল্যান্ড।
১৯৮৭ – ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠা।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৩৯ – সুবাদার সুজাউদ্দিন খান।
১৭৪৮ – সুইজারল্যান্ডের খ্যাতনামা গণিতবিদ ইয়োহান বার্নুয়ি।

১৮৮১ – রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার।
১৮৯৪ – জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হার্টজ।
১৯০১ – বেঞ্জামিন হ্যারিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।
১৯০৬ – মার্কিন নারী ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পুরোধা নেত্রী সুসান ব্রাউলেন অ্যান্টনি।

১৯৩৬ – স্যার কেদারনাথ দাস কলকাতার খ্যাতনামা স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাশাস্ত্রের শিক্ষক ।
১৯৬৭ – ফ্রাঙ্ক ওরেল, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ও জামাইকান সিনেটর।
১৯৬৮ – ইবরাহিম ইসমাইল চুন্দ্রিগড়, পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৬ – জসীম উদ্‌দীন,  একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক।

১৯৮৫ – বাঙালি কবি দীনেশ দাশ।
১৯৯৬ – ক্রিস্তফ কিয়েশ্‌লফ্‌স্কি, পোল্যান্ডের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা।

২০০৪ – বিলায়েত খাঁ ভারতের বিখ্যাত বাঙালি সেতার বাদক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।।।

প্রতি বছর ১২ মার্চ বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস পালন করা হয়।  দিনটি গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নিবেদিত, চোখের রোগের একটি গ্রুপ যা অপটিক নার্ভকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।  এটি বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ, যা আনুমানিক চার মিলিয়নের মধ্যে তিনজনকে প্রভাবিত করে।
গ্লুকোমা সপ্তাহ প্রতি বছর উদযাপিত হয়, গ্লুকোমা দিবসের মাধ্যমে সপ্তাহের শেষ হয়।  আসুন জেনে নেই বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫ উদযাপনের ইতিহাস, তাৎপর্য, থিম এবং উপায় সম্পর্কে।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫: থিম—-

২০২৫ সালের বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের থিম হল, ‘Uniting for a Glaucoma-Free World’। এই থিমের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধের জন্য প্রাথমিক সনাক্তকরণ, নিয়মিত চোখের যত্ন, এবং সম্প্রদায় শিক্ষার গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া হবে।

বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের উদ্দেশ্য:

(খ) চোখের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

(খ) দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করার জন্য প্রকার, লক্ষণ, এবং উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে জানা।

(গ) গ্লুকোমার প্রতিরোধের জন্য প্রাথমিক সনাক্তকরণ করা।

(ঘ) দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধের জন্য নিয়মিত চোখের যত্ন করা।

(ঙ) সম্প্রদায়ে গ্লুকোমার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫: ইতিহাস—-

গ্লুকোমা হল এমন একটি অবস্থা যা চোখের সামনের স্বচ্ছ স্তর কর্নিয়া এবং কনজাংটিভাকে প্রভাবিত করে।  এটি ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, লাল চোখ এবং ফোলা চোখ সহ বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।  কিছু ক্ষেত্রে, গ্লুকোমা সম্পূর্ণ অন্ধত্বও হতে পারে।
গ্লুকোমার কোনো একক কারণ না থাকলেও সবচেয়ে সাধারণ হল তরল জমা হওয়া যা অপটিক স্নায়ুর ওপর চাপ বাড়াতে পারে।  এর ফলে অপটিক নার্ভের ফাইবারগুলি মারা যেতে শুরু করতে পারে, যা সম্পূর্ণ, অপরিবর্তনীয় অন্ধত্বের দিকে পরিচালিত করে।  গ্লুকোমার অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বয়স, লিঙ্গ এবং জাতিগততা।
গ্লুকোমার প্রাথমিক সনাক্তকরণ দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করার মূল চাবিকাঠি।  এটি একজন চোখের ডাক্তার দ্বারা নিয়মিত চোখের পরীক্ষার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।  যত আগে গ্লুকোমা শনাক্ত হয়, তত সহজে চিকিৎসা করা যায় এবং স্থায়ী অন্ধত্ব হওয়ার সম্ভাবনা তত কম।
আপনার যদি গ্লুকোমার উপসর্গগুলির মধ্যে কোনটি থাকে, তাহলে আরও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করতে চোখের ডাক্তারের সাথে দেখা করা গুরুত্বপূর্ণ।  প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা আপনার দৃষ্টি সংরক্ষণ করতে এবং অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫ : তাৎপর্য—-

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস এই অবস্থা এবং এর ঝুঁকির কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পালন করা হয়।  গ্লুকোমা শনাক্ত করার জন্য নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করাও এর লক্ষ্য।  প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা দৃষ্টি হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার কয়েকটি কারণ এখানে রয়েছে:
গ্লুকোমা বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ।
এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা অপরিবর্তনীয় দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।
প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা দৃষ্টি ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
প্রথম দিকে গ্লুকোমা সনাক্ত করার জন্য নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
গ্লুকোমার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের, যেমন 40 বছরের বেশি বয়সী, তাদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা উচিত।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫ : উদযাপনের উপায়—-

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস উদযাপন এবং অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার অনেক উপায় রয়েছে।  এখানে কয়েকটি ধারনা:
বিশ্ব গ্লুকোমা দিবসের জন্য আপনার সমর্থন দেখাতে নীল পরিধান করুন।
আপনার সম্প্রদায়ের একটি গ্লুকোমা সচেতনতা ইভেন্টে যোগ দিন।
একটি গ্লুকোমা গবেষণা সংস্থাকে দান করুন।
গ্লুকোমা এবং কীভাবে এটি প্রতিরোধ করা যায় সে সম্পর্কে আরও জানুন।
আপনার গ্লুকোমার ঝুঁকি সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন এবং নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করুন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) গ্লুকোমা দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—- .
১৪৭৯ – সম্রাট গিওলিয়ানি, ফ্লোরেন্সের সম্রাট।

১৬৮৫ – জর্জ বার্কলি, আইরিশ বিজ্ঞানী।

১৮৮১ – আধুনিক তুরস্কের স্থপতি কামাল আতাতুর্কের জন্ম।
১৮৮৪ – অতুলচন্দ্র গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী।
১৮৮৯ – মুহাম্মদ ইদ্রিস আল-সেনুসি, লিবিয়ার বাদশাহ।
১৯১১ – আবু জাফর শামসুদ্দীন, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৯২৪ – উৎপলা সেন, প্রখ্যাত বাঙালি গায়িকা ।

১৯২৮ – ফজলে লোহানী, বাংলাদেশের টিভিব্যক্তিত্ব।
১৯৩৫ – রেহমান সোবহান, বাংলাদেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক।

১৯৮৪ – শ্রেয়া ঘোষাল সঙ্গীত শিল্পী।
২০০৩ – নাঈম আহমেদ, বাংলাদেশের শিল্পপতি অর্থনীতিবিদ

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৬৫ – ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ।
১৬০৯ – বারমুডা ইংল্যান্ডের কলোনি হয়।
১৭৮৯ – আমেরিকায় পোস্ট অফিস স্থাপিত হয়।
১৭৯৯ – অস্ট্রিয়া ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৮৬৭ – শেষ ফরাসি সৈন্যদল মেক্সিকো ত্যাগ করে ।
১৮৯৪ – যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বোতলজাত কোকাকোলা বিক্রি শুরু হয়।
১৮৯৬ – নেদারল্যান্ডসে প্রথম চলচ্চিত প্রদর্শিত হয় ।
১৯০৪ – ইংল্যান্ডে প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন চালু হয় ।
১৯৩০ – ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে উপনিবেশিক শক্তি বৃটেনের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ বা অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৫৪ – ভারতের রাষ্ট্রভাষাগুলিতে রচিত সাহিত্যের উন্নতি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে ভারত সরকার কর্তৃক সাহিত্য অকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬৮ – দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ মরিশাস ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৯ – সুপারসোনিক যাত্রীবাহী বিমান কনকর্ড প্রথম উড্ডয়ন করে।
১৯৭২ – ঢাকা স্টেডিয়ামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিদায়ী কুচকাওয়াজ।
১৯৮৯ – আজকের দিনে স্যার টিম বার্নার্স লি CERN-এর ল্যাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তথা World Wide Web (www) বৈশ্বিক তথ্য আদানপ্রদানের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমের অবতারণা করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১২৮৯ – জর্জিয়ার রাজা দ্বিতীয় দিমিত্রি।

১৯২৫ – চীনের নেতা সান ইয়াৎ সেন।

১৯৩৭ – ইংরেজ সাহিত্যিক ক্রিস্টোফার কডওয়েল।

১৯৬০ – পণ্ডিত ও প্রাবন্ধিক ক্ষিতিমোহন সেন।

১৯৭৭ – কেয়া চক্রবর্তী প্রখ্যাত মঞ্চ অভিনেত্রী ।

১৯৮৬ – বিশিষ্ট শিল্পপতি মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী।

১৯৮৮ – কথাশিল্পী সমরেশ বসু (কালকূট)।

২০০৩ – স্পার্টাকাসের লেখক, বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট।

২০১৩ – ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ও নকশাকার গণেশ পাইন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ ১১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮৭ – রুশ জেনারেল আইজাক নবোকভ।

 

১৮০৭ – ফরাসী চিত্রশিল্পী লুই বুলাঝেঁ।

১৮১২ – হরিচাঁদ ঠাকুর,বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।

১৮৪০ – দার্শনিক, গণিতজ্ঞ ও বাংলা শর্টহ্যান্ড লিপির উদ্ভাবক দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৯১৫ – বিজয় হাজারে, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯১৮ – শিশুসাহিত্যিক ও আকাশবাণীর ঘোষিকা ইন্দিরা দেবী।

১৯৩৭ – ভারতীয় বাঙালি মহিলা কবি বিজয়া মুখোপাধ্যায়।

১৯৩৯ – সাহিত‍্যিক বাণী বসু।
১৯৯৫ – চামপোকার জন্ম। অমিত চক্রবর্তী।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৩৯৯ – তৈমুর লঙ সিন্ধুনদ অতিক্রম করে ভারতে আসেন।
১৫০২ – পার্সিয়ার শাহ প্রথম ইসমাইলের অভিষেক হয় ।
১৭০২ – প্রথম ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা দ্য কোরান্ট প্রকাশিত হয় ।
১৭৮৪ – মহিশুরে টিপু সুলতানের সাথে ইংরেজদের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত।
১৭৯৫ – কুর্দলার যুদ্ধে মারাঠাদের কাছে মোগল বাহিনী পরাজিত হয়।
১৮১২ – মার্শাম্যানের কলকাতার ছাপাখানা অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়।
১৮২৩ – আমেরিকায় প্রথম সাধারণ স্কুল চালু হয়।
১৯১১ – রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তার পরলোকগত স্বামীর নামে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯১৭ – ব্রিটিশ বাহিনীর বাগদাদ দখল।
১৯১৮ – মস্কো বিপ্লবী রাশিয়ার রাজধানী হয় ।
১৯১৯ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক।
১৯২০ – আমির ফয়সলের নিজেকে সিরিয়ার রাজা ঘোষণা।
১৯৩৫ – ব্যাংক অব কানাডা চালু হয় ।
১৯৩৮ – জার্মান বাহিনী অস্ট্রিয়ায় অনুপ্রবেশ করে।
১৯৪০ – যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্রিটেনে মাংসের রেশন চালু হয়।
১৯৪৮ – পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা না দেয়ায় পূর্ব বাংলায় সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। পুলিশ ৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করে।
১৯৪৯ – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্ব বাংলায় রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়।
১৯৪৯ – দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার (পরে বাংলাদেশ অবজারভার) প্রকাশিত হয়।
১৯৬৬ – ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্নো সেনাবাহিনীর জেনারেল সুহার্তোর কাছে ব্যাপক ক্ষমতা অর্পণে বাধ্য হন। পরে সুকর্নোকে সরিয়ে সুহার্তো নিজেই প্রেসিডেন্ট হন।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গ্রিস।
১৯৭৪ – সিসিলির এটনা গিরিশৃঙ্গে অগ্নুৎপাত ঘটে।
১৯৭৭ – মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিবেদনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করায় ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার ২৫ বছরের সামরিক চুক্তি বাতিল করে।
১৯৭৯ – সেন্ট্রাল ট্রিটি অরগানাইজেশন বা সেন্টো থেকে ইরান নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেয়।
১৯৯০ – লিথুনিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৯২ – পাঞ্জাবে শিখ জঙ্গীদের হাতে ১৭ হিন্দু শ্রমিক নিহত।
১৯৯৪ – এদুয়ার্দো ফ্রেই চিলির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত।
১৯৯৯ – “ইনফোসিস” প্রথম ভারতীয় তথ্য প্রযুক্তি কোম্পানি হিসাবে নাসডাক স্টক মার্কেট অন্তর্ভুক্ত হয়।
২০০০ – ইউক্রেনে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৮১ শ্রমিক নিহত।
২০০৪ – স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে তিনটি স্টেশনে ১০টি বোমা বিস্ফোরণে ১৯১ জন নিহত এবং দুই হাজারের বেশি আহত হয়।
২০০৬ – হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের কারাগারে বলকানের কসাই হিসেবে খ্যাত ৬৩ বছর বয়সী স্লোবোদান মিলোসেভিচ পরলোকগমন করেন।
২০১৫ – মার্কিন-কিউবা সরাসরি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত ৷

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৫৯ – ইংরেজ জেনারেল জন ফোর্বস।
১৮০৯ – ইংরেজ নাট্যকার ও কবি হান্না কাউলি।

১৮৭৩- শের আলী, তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ভারতের ইংরেজ গভর্নর জেনারেল তথা বড়লাটকে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

১৮৯৪ – রাজকৃষ্ণ রায় বিশিষ্ট নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক।

১৯১৯ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক।
১৯৩১ – জার্মান চিত্রপরিচালক ফ্রিডখি সুর্নাউ।

১৯৫৫ – নোবেল বিজয়ী স্কটিশ অণুজীব বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।

১৯৯১ – ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা অধ্যক্ষ আবুল কাশেম।

২০০৬ – হেগ অবস্থিত জাতিসংঘের কারাগারে বলকানের কসাই হিসেবে খ্যাত ৬৩ বছর বয়সী স্লোবোদান মিলোসেভিচের মৃত্যু হয়।

২০২০ – সন্তু মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

আশির দশক থেকেই সাড়া জাগানো জনপ্রিয়তার অধিকারিণী লেখিকা বাণী বসু, জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।।।

বাণী বসু একজন সমসাময়িক ভারতীয় বাঙালি লেখিকা – উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা লেখেন, অনুবাদও করেন। বাণী বসু আশির দশক থেকে একাধিক সাহিত্য পুরস্কার ও সম্মানে সম্মানিত।  তিনি ১১ মার্চ, ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।  তিনি বিজয় কৃষ্ণ গার্লস কলেজের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন।  ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক  করার পর, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম.এ.  করেন।  শিক্ষার প্রথম স্থান ছিল লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, কলকাতা এবং তারপরে স্কটিশ চার্চ কলেজ।
ছাত্রী জীবন থেকেই বাণী বসু নানা প্রবন্ধ, অনুবাদ গল্প ও কবিতা রচনায় পারদর্শিতার নজির রাখেন। ১৯৮১তে তার প্রথম গল্প আনন্দমেলা ও দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ।

শারদীয়া আনন্দলোকে ১৯৮৭তে তাঁর  প্রথম উপন্যাস জন্মভূমি মাতৃভূমি প্রকাশিত হয় । কিন্তু তার আগেই তার অনেক অনুবাদ প্রকাশিত ও আদৃত হয়েছে। তাঁর উল্লেখ্য অনুবাদগুলি হলঃ শ্রী অরবিন্দের সনেটগুচ্ছ, সমারসেট মমের সেরা প্রেমের গল্প  ও এইচ ডি লরেন্সের সেরা গল্প।
রচিত উপন্যাস——–
তাঁর রচিত উপন্যাস গুলি হলো – উত্তরসাধক, পঞ্চম পুরুষ, বাইরে, অন্তর্ঘাত, কিনার থেকে কিনারে, মেয়েলি আড্ডার হালচাল, রাধানগর, দিদিমাসির জিন, জন্মভূমি মাতৃভূমি, মৈত্রেয় জাতক, অমৃতা, নূহর নৌকা, সুরূপা কুরূপা, অষ্টম গর্ভ, অষ্টম গর্ভ (দ্বিতীয়), খনামিহিরের ঢিপি, ক্ষত্তা, কালিন্দী, কৃষ্ণ, পাঞ্চাল কন্যা কৃষ্ণা, সুযোদন দূর্যোধন, কৃষ্ণ বাসুদেব, কাক জ্যোৎস্না, অল লেডিস ভ্রমণ, একুশে পা, ট্রেকার্স, অশ্বযোনি, ফেরো মন।
পুরস্কার ও সম্মাননা——–
তারাশঙ্কর পুরস্কার (১৯৯১);  আনন্দ পুরস্কার – (মৈত্রেয় জাতক): ১৯৯৭ ; বঙ্কিম পুরস্কার ( ১৯৯৯);  ভুবনমোহিনী দাসী স্বর্ণপদক (২০০৮), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার – (খনামিহিরের ঢিপি): ২০১০।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১০ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

১০ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৭২ – ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি।

১৭৮৪ – ভারতীয় পণ্ডিত ও কলকাতা হিন্দু সমাজের বিশিষ্ট নেতা স্যার রাজা রাধাকান্ত দেববাহাদুর।

১৮১০ – স্যামুয়েল ফার্গুসন, আইরিশ কবি।
১৮৭৩ – ইয়াকপ ওয়াসায়মান, জার্মান ঔপন্যাসিক।
১৮৮৮ – ব্যারি ফিটজগেরাল্ড, তিনি ছিলেন আইরিশ অভিনেতা।

১৯১১ – ওয়ার্নার অ্যান্ডারসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।
১৯২৩ – ভ্যাল লজ্‌স্‌ডন ফিচ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩২ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানী উড়ুপি রামচন্দ্র রাও জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯৩৬ – সেপ ব্লাটার, ফিফার ৮ম প্রেসিডেন্ট (বর্তমান)।

১৯৪২ – সমরেশ মজুমদার ভারতের বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক।
১৯৫০ – মাহফুজ উল্লাহ, বাংলাদেশি লেখক, সাংবাদিক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশবিদ।
১৯৫৬ – রবার্ট লয়েওয়েল্ল্যন, তিনি ইংরেজ অভিনেতা ও লেখক।
১৯৬৮ – ফেলিচে এরিনা, তিনি অস্ট্রেলিয়ান লেখক।

১৯৭০ – ওমর আব্দুল্লাহ, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৭৮ – নিল আলেকজান্ডার, তিনি স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৪ – অলিভিয়া ওয়াইল্ড, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৮৫ – সম্রাট আকবরের ফরমান জারি : আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী উদ্ভাবিত বাংলা ফসলী সন প্রবর্তিত হয়। এই সনই বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন।
১৬২৪ – ইংল্যান্ড ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৮০১ – প্রথম ব্রিটিশ লোকগণনা শুরু হয়।
১৮৭৬ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তার নব আবিস্কৃত টেলিফোনের মাধ্যমে প্রথম বার্তা প্রেরণ করেন।
১৯০৭ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাপ্তাহিক ‘স্বরাজ’ সম্পাদনা শুরু করেন।
১৯১৯ – মিশর তেকৈ সাঈদ জগলুল পাশাকে বহিষ্কারের ফলে কায়রোতে জাতীয়তাবাদের দাঙ্গা শুরু।
১৯৩৪ – ব্রিটিশ রাজ বাংলার কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৪২ – জাপানিরা রেঙ্গুন দখল করে নেয়।
১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারফোর্স জাপানে ফায়ার বোমা নিক্ষেপ করে। এতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়, যার বেশির ভাগই বেসামরিক।
১৯৫৬ – বৈমানিক পিটার টুইস প্রথম মানব যিনি ঘণ্টায় ১০০০ মাইল বেগে বিমান চালনা করেন।
১৯৬৯ – মার্টিন লুথার কিং-এর হত্যাকারী জেমস আর্ল রে-কে যুক্তরাষ্ট্রের মেফিস আদালত ৯৯ বছরের সাজা প্রদান করেন।
১৯৭০ – ভিয়েতনামের মাইলাই গ্রামে বর্বরোচিত গণ-হত্যার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন আরর্নেস্ট মেডিনা এবং অপর চার সৈন্যকে অভিযুক্ত করা হয়।
১৯৭১ – ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারতের কংগ্রেস পার্টি সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক বিজয় লাভ করে।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে সোয়াজিল্যান্ড।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
১৯৯৩ – মিশরে মৌলবাদ দমন অভিযান। পুলিশের গুলিতে ২০ মুসলমানের প্রাণহানি।
২০০০ – দক্ষিণ আমেরিকার আন্দাজ পর্বতমালার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার এক মরুভূমিতে পৃথিবীর বৃহত্তম ডাইনোসোরের কঙ্কাল আবিষ্কার।
২০২০ – জয় বাংলাকে হাইকোর্ট কর্তৃক বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১১ – হেনরী ক্যাভেল ভিলন, বিজ্ঞানী।
১৮৭২ – মাৎসিনি, ইতালীয় জাতীয়তাবাদী নেতা।
১৮৯৭ – ভারতের মহারাষ্ট্রের সমাজ সংস্কারক শিক্ষাব্রতী ও কবি সাবিত্রীবাই ফুলে প্রয়াত হন।
১৯৪০ – মিখাইল বুলগাকভ, রুশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক।
১৯৬৬ – ফ্রাঙ্ক ও’কনার, আইরিশ ছোট গল্পকার।
১৯৬৬ – ফ্রিৎস জের্নিকে, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

১৯৭২ – বিদগ্ধ সাহিত্যিক ও ইতিহাসবেত্তা হরিহর শেঠ।

১৯৮০ – সুবোধ ঘোষ, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।
১৯৮৩ – আতিকুজ্জামান খান, বাংলাদেশী কূটনীতিক, সাংবাদিক এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার।

১৯৮৮ – অ্যান্ডি গিব্ব, তিনি ছিলেন ইংরেজি থেকে অস্ট্রেলিয়ান গায়ক।
১৯৯৮ – লয়েড ব্রিজেস, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।

২০০৩ – নীলুফার ইয়াসমীন, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী।

২০১২ – ফ্রাঙ্ক শেরউড রোল্যান্ড, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

কুম্ভ মেলা সম্পর্কে কিছু তথ্য।

ভূমিকা:-  হিন্দুদের একটি গণ তীর্থযাত্রা, কুম্ভ মেলা বিশ্বের বৃহত্তম মানব সমাবেশ। এটি বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার এক দর্শনীয় প্রদর্শন যা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্তকে আকর্ষণ করে। এই মেলা প্রতি ১২ বছর অন্তর ভারতের চারটি ভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়: এলাহাবাদ (প্রয়াগরাজ), হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জয়িনী।

ইতিহাস এবং তাৎপর্য:- কুম্ভ মেলার উৎপত্তি প্রাচীন হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী (সমুদ্র মন্থন) থেকে। কিংবদন্তি অনুসারে, দেবতা এবং অসুররা সমুদ্র মন্থনে সহযোগিতা করে অমরত্বের অমৃত, অমৃত উৎপন্ন করে। মন্থন প্রক্রিয়া চলাকালীন, চারটি স্থানে যেখানে কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে অমৃতের চারটি ফোঁটা পৃথিবীতে পড়ে।

মেলা হল মন্দের উপর শুভের বিজয় এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের উদযাপন। এটি ভক্তদের জন্য তাদের আত্মাকে পবিত্র করার, আধ্যাত্মিক বিকাশের সন্ধান করার এবং জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভের একটি সুযোগ।

প্রস্তুতি এবং আচার-অনুষ্ঠান:-  কুম্ভমেলার প্রস্তুতি কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়ে যায়। স্থানগুলি বিশাল তাঁবুর শহরে রূপান্তরিত হয়, যেখানে হাজার হাজার অস্থায়ী আশ্রয়স্থল, খাবারের দোকান এবং চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মেলার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য একসাথে কাজ করে।

কুম্ভমেলা একটি 48 দিনের উৎসব, যার প্রথম দিন মকর সংক্রান্তি (শীতকালীন অয়নকাল)। মেলাটি তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: শাহী স্নান (রাজকীয় স্নান), পৌষ পূর্ণিমা স্নান এবং মহা শিবরাত্রি স্নান।

শাহী স্নান হল কুম্ভমেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, যেখানে লক্ষ লক্ষ ভক্ত পবিত্র নদীতে স্নান করেন। নগ্ন তপস্বীদের একটি দল, নাগা সাধুরা প্রথমে পবিত্র স্নান করেন, তারপরে অন্যান্য সাধু, সাধু এবং ভক্তরা আসেন।

সাংস্কৃতিক তাৎপর্য:-  কুম্ভমেলা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও একটি উদযাপন। মেলা দেশের সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে, যেখানে সাধু, সাধু, সঙ্গীতজ্ঞ, নৃত্যশিল্পী এবং কারিগর সহ সকল স্তরের অংশগ্রহণকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

কুম্ভমেলা ভক্তদের জন্য তাদের আধ্যাত্মিক শিকড়ের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ভারতের প্রাণবন্ত সংস্কৃতি অনুভব করার একটি সুযোগ। এটি আত্ম-প্রতিফলন, আধ্যাত্মিক বিকাশ এবং সাম্প্রদায়িক উদযাপনের সময়।

চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক:-  কুম্ভমেলা তার চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক ছাড়াই নয়। বিশাল সমাবেশ উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, যার মধ্যে রয়েছে ভিড় ব্যবস্থাপনা, মৌলিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মেলা চলাকালীন পদদলিত, দুর্ঘটনা এবং স্বাস্থ্য সংকটের ঘটনা ঘটেছে। পরিবেশগত প্রভাবের জন্যও এই অনুষ্ঠান সমালোচিত হয়েছে, দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংসের বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

উপসংহার:-  কুম্ভমেলা একটি অনন্য এবং আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার গভীরতা এবং বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে। চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক সত্ত্বেও, মেলা ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রয়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এবং পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

বিশ্বের বৃহত্তম মানব সমাবেশ হিসেবে, কুম্ভ মেলা বিশ্বাস, সম্প্রদায় এবং সাংস্কৃতিক উদযাপনের শক্তির প্রমাণ। এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা এতে অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করে, শিক্ষিত করে এবং রূপান্তরিত করে, তাদের জীবন ও আত্মার উপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৬ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ

গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) জাতীয় পাট দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১২৫২ – ইতালির সাধু রোজ।

১৪৫৯ – জার্মান ব্যবসায়ী ও ব্যাংকার জ্যাকব।

১৪৭৫ – মাইকেলেঞ্জেলো, রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।

১৫০৮ – সম্রাট হুমায়ুন, দ্বিতীয় মুঘল সম্ৰাট।

১৭৮৭ – ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার, একজন জার্মান আলোকবিজ্ঞানী।

১৮০৬ – ইংরেজ কবি এলিজাবেথ বেরেট ব্রাউনিংয়।

১৮১২ – কবি-সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
১৮৫১ – বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রসিদ্ধ বাঙালি চিত্রশিল্পী।
১৯২৭ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজের।
১৯২৮ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজ।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৫২২ – জার্মানীর ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টান্টদের দ্বিতীয় বারের মত বড় ধরনের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় ।
১৭৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে রাস্টাড শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৭৫ – রঘুনাথ রাও ও ব্রিটিশ রাজের মধ্যে সুরাট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৯৯ – নেপোলিয়ন প্যালেস্টাইনের জাফা দখল করেন
১৮৩৬ – ১৩ দিনের অবরোধের পর মেক্সিকোর সেনাবাহিনীর হাতে টেস্কাসের সান এন্টোনিওর পতন। এ অভিযানে মোট নিহত হয় ১৮৬ জন।
১৮৯৯ – ফলিক্স হফম্যান অ্যাসপিরিন প্যাটেন্ট করেন ।
১৯০২ – ব্রিটিশ সেনারা দায়িত্ব পালনকালে বা অন্য সময়ে চশমা ব্যবহারের অধিকার পায়।
১৯১৫ – শান্তিনিকেতনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্মা গান্ধীর প্রথম সাক্ষাৎ।
১৯৩০ – লন্ডনে প্রথম হিমায়িত খাদ্য বিপণন শুরু হয়।
১৯৪৪ – মার্কিন বাহিনী দিবালোকে বার্লিনে বোমাবর্ষণ শুরু করে।
১৯৫৬ – মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে ।
১৯৫৭ – ঘানা স্বাধীনতা লাভ করে ডক্টর কাওয়াম নকরোমোর নেতৃত্বে।
১৯৬১ – ভারতের প্রথম ইংরেজি ভাষার ব্যবসা সম্পর্কিত সংবাদপত্র দ্য ইকোনমিক টাইমস প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে ‘রাস্টার্ড শান্তি চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৭৫ – ইরান ও ইরাকের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিরসন সংক্রান্ত আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯৯ – যশোরের টাউন হলে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে টাইম বোমা বিষ্ফোরণ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০০ – জার্মান আবিস্কারক জি. ডায়মলার ৬৪ বছর বয়সে মারা যান ।

১৯০০ – ইংরেজ রসায়নবিদ জন ডালটনের মৃত্যু ।

১৯৬২ – অম্বিকা চক্রবর্তী, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।

১৯৭১ – মার্কিন ঔপন্যাসিক পার্ল এস বাকের মৃত্যু।
১৯৭৩ – নোবেলজয়ী প্রথম মার্কিন লেখিকা ও ঔপন্যাসিক পার্ল এস. বাক।

২০২১ – অডিও ক্যাসেট টেপ উদ্ভাবক খ্যাত ডাচ প্রকৌশলী লু ওটেনস।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৫ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৫ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১১৩৩ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরি।

১৩২৪ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় ডেভিড জন্মগ্রহণ করেন।
১৩২৬ – হাঙ্গেরির রাজা লুই আই জন্মগ্রহণ করেন।

১৫১২ – ফ্লেমিশ গণিতজ্ঞ, মানচিত্রাঙ্কনবিদ ও দার্শনিক গেরারডুস মেরকাটর জন্মগ্রহণ করেন।
১৬৯৬ – ইতালীয় চিত্রশিল্পী জিওভান্নি বাতিস্তা টিয়েপলো জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭১ – পোলীয় রুশ অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক রোসা লুক্সেমবুর্গ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৭ – ব্রাজিলীয় সুরকার আতোর ভিলা-লোবোস।
১৮৯৮ – চীনা রাষ্ট্রনেতা চৌ এন-লাই।
১৯০২ – আজাদ আজাদ হিন্দ ফৌজের রানী ঝাঁসি রেজিমেন্টের সৈনিক নীরা আর্য।
১৯০৪ – কথাসাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৫ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী বাঙালি ঔপন্যাসিক।
১৯০৮ – ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক রেক্স হ্যারিসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১১ – এয়ার মার্শাল সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।
১৯১৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেমস টোবিন জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২২ – ইতালীয় অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার জেটি পাওলো পাসোলিনির জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৮ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৩৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল কানেমান জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৭ – নাইজেরিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট ওলুস্যাগুন অবাসাঞ্জ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৯ – দিব্যেন্দু পালিত ভারতীয় বাঙালি লেখক।
১৯৪২ – স্পেনীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফেলিপে গনসালেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ – ইতালীয় শিল্পী, তিনি গীতিকার ও গিটার লুচো বাত্তিস্তি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৮ – হাঙ্গেরীয় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রধানমন্ত্রী গর্ডন বাজনাই জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৪ – মার্কিন অভিনেত্রী এভা মেন্ডেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ – রুশ টেনিস খেলোয়াড় আন্না চাকভেতাদজে জন্মগ্রহণ করেন।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৫৫৮ – ইউরোপে প্রথম ধূমপানে তামাক ব্যবহার শুরু হয়।
১৬৮৪ – তুরস্কের বিরুদ্ধে রোম পোল্যান্ড ও ভেনিসের লিঞ্জলীগ গঠন।
১৭৭০ – বোস্টনে (যুক্তরাষ্ট্র) জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যরা গণহত্যা ঘটায়।
১৭৯৩ – ফ্রান্সের সেনাবাহিনী অস্ট্রিয়ার কাছে পরাজিত হয়।
১৮২২ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ প্রকাশিত হয়।
১৮২৪ – ইঙ্গ-বার্মা যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৩৩ – অবিভক্ত ভারতের প্রথম দুই মহিলা কাদিম্বিনী ও চন্দ্রমুখী বসু স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।
১৮৩৬ – মেক্সিকো আলামো আক্রমণ করে।
১৮৯৬ – ইতালির প্রধানমন্ত্রী ক্রিসপি পদত্যাগ করেন।
১৮৯৭ – মার্কিন নিগ্রো অ্যাকাডেমি গঠিত হয়।
১৯১২ – স্পেনে স্টিমারডুবিতে ৫০০ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।
১৯১৮ – মস্কোকে রাশিয়ার রাজধানী করা হয়।
১৯৩৩ – জার্মানিতে নির্বাচনে এডলফ হিটলার ও তার নাৎসী পার্টির বহু আসনে জয়লাভ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এর কিছুদিন পরই এক নায়কতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৬৬ – জাপানের ফুজি পর্বতে ব্রিটিশ এয়ার লাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৪ যাত্রী নিহত।
১৯৮৪ – ভূটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৮৭ – সিলেটের ওসমানী জাদুঘর উদ্বোধন।
১৯৯৮ – ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ‘উত্তর আয়ারল্যান্ড’ চুক্তিতে উপনীত হয়।
২০০১ – হজ্বের সময় মিনায় পদদলিত হয়ে ৩৫ হাজীর মৃত্যু।
২০০৭ – ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা সেক্টরে ইলেকট্রনিক টিকেটিং (ই-টিকেটিং) পদ্ধতি চালু।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৩৪ – আন্তোনিও ডা করেগিও, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৬২৫ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস।
১৮১৫ – ‘প্রাণী চুম্বকত্বের’ (ম্যাসমেরিজম) প্রবক্তা ফ্রানৎস ম্যাসমের।
১৮২৭ – ইতালীর বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টা।
১৮২৭ – পিয়ের লাপ্লাস, বিখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

১৮৭৮ – হরিচাঁদ ঠাকুর, বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৪ – ম্যাক্স জেকব, ফরাসি কবি ও লেখক।
১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ও হিটলার বধের নায়ক জোসেফ স্টালিন।

১৯৬১ – নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।

১৯৬৬ – রুশ মহিলা কবি আন্না আখমা তোভা।
১৯৬৭ – ইরানি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ ও ৬০তম প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৩ – অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত, বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৮২ – জন বেলুশি, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও চিত্রনাট্যকার ।

১৯৯৬ – খন্দকার মোশতাক আহমেদ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
২০০৮ – জোসেফ ওয়েইযেনবাউম, জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও লেখক।

২০১৩ – হুগো চাভেজ, ভেনেজুয়েলার কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট।
২০১৬ – রে টমলিনসন, মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী।
২০২০ – হাভিয়ের পেরেজ ডে কুয়েইয়ার, পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৫ম মহাসচিব

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) টাকা দিবস (বাংলাদেশ)
আজ যাদের জন্মদিন—-
ল
১৮৫৬ – বিদুষী কবি তরু দত্ত।

১৯৩২ – গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা মিরিয়াম মাকেবার।

১৯৬৫ – আনিসুল হক, একজন বাংলাদেশী লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১১৫২ – ফ্রেডেরিক বারবারোসা জার্মান রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৮৬ – ভ্লাদিস্লভ দ্বিতীয় পোল্যান্ডের রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৬৬৫ – ইল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
১৭৮৪ – ফ্রান্সিস গ্লাডুইনের সম্পাদনায় ‘ক্যালকাটা গেজেট’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৭৮৯ – মার্কিন সংবিধান কার্যকর হয়।
১৮২৩ – গ্রীসের সেনারা ত্রিপোলিৎজা শহরে ১২ হাজার মুসলমানকে হত্যা করে।
১৮৩৬ – লর্ড অকল্যান্ড ভারতের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
১৮৪৮ – অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে হাঙ্গেরীর স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়।
১৮৫৭ – কলকাতা টাউন হলে ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অব বেঙ্গলের প্রথম আলোকচিত্র প্রদর্শনী হয়।
১৮৭৯ – নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতায় ‘বেথুন কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ – কমিনটার্ন (কমিউনিস্ট আনত্মর্জাতিক) গঠিত হয়।
১৯২৪ – ভারতের পতাকা সঙ্গীত ‘বিজয়ী বিশ্ব তিরঙ্গা প্যারা,ঝণ্ডা উঁচা রহে হমারা’ – শ্যামলাল গুপ্ত ’পার্ষদ’ রচনা করেন।
১৯৩১ – বন্দি মুক্তি দিবসে গান্ধী-আর উইন চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৩ – ফ্রাঙ্কলিন ডেলানোর রুজাভেল্টের অভিষেক।
১৯৫১ – নয়া দিল্লিতে প্রথম এশিয়ান গেমস শুরু।
১৯৭০ – ভূমধ্যসাগরের বিভিয়েরায় ৫৭ যাত্রীসহ একটি ফরাসি ডুবোজাহাজ নিখোঁজ।
১৯৭১ – রেডিও পাকিস্তান ঢাকার পরিবর্তে ঢাকা বেতার কেন্দ্র নামকরণ করা হয়।
১৯৭২ – স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও একশত টাকার নোট চালু করা হয় ।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে শ্রীলঙ্কা।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে কাতার।
১৯৭৭ – রুমানিয়ায় ভূমিকম্পে সহস্রাধিক লোক নিহত। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ।
১৯৮৮ – বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।
১৯৯০ – দক্ষিণ আফ্রিকার সিসকেইয়ের সরকার উৎখাত।
১৯৯১ – ইরাকে কুর্দি বিদ্রোহ শুরু।
১৯৯৮ – পাকিস্তান আকস্মিক বন্যায় ৩ শত লোক নিহত। দেড় হাজার নিখোঁজ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১১৯৩ – সালাউদ্দিন, কুর্দি সুলতান।

১৫৫২ – অঙ্গদে, দ্বিতীয় শিখ গুরু।

১৮৫২ – নিকোলাই গোগোল, রুশ লেখক।

১৯২৫ – জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ ও নাট্যকার।

১৯৩৯ – লালা হর দয়াল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় বিপ্লবী।

১৯৪১ – শের উড অ্যান্ডারসন, মার্কিন ঔপন্যাসিক।

১৯৬৩ – উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়াম, মার্কিন চিকিৎসক ও কবি।

১৯৬৭ – মোহাম্মাদ মোসাদ্দেক, ইরানীয় রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৭৬ – ঔপন্যাসিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় পরলোকগমন করেন।
১৯৭৮ – আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সম্পাদক।

১৯৮৩ – ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা।
১৯৯০ – আলী শাফায়ী, ইরানীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
২০১১ – সাইমন ভ্যান ডের মার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওলন্দাজ চিকিৎসক।

২০১২ – জন টেলর, মার্কিন অভিনেতা ও লেখক।
২০১৬ – নির্মল দাশ, বাঙালি অধ্যাপক ও ভাষাবিদ।
২০২১ – হোসেন তৌফিক ইমাম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

২০২২ – সর্বকালের সেরা বোলার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার শেন ওয়ার্ন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This