Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

আজ আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয়, দিনটির ইতিহাস ও ISWD এর মিশন।

আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস বা আন্তর্জাতিক পতিতা দিবস হল একটি বার্ষিক দিবস, এটি প্রতি বছরের ২ জুন পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে যৌনকর্মীদের চ্যালেঞ্জ এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস পালিত হয়।আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস সারা বিশ্বে যৌনকর্মীদের অধিকার এবং কল্যাণ মনে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।  প্রতি বছর, ২ জুন, আমরা যৌনকর্মীদের কৃতিত্ব উদযাপন করি এবং তাদের অধিকার সমর্থন করার জন্য কাজ করে।
ISWD উদযাপন করার অনেক কারণ রয়েছে।  প্রথমত, যৌনকর্মীদের প্রায়ই প্রান্তিক করা হয় এবং তাদের সাথে অন্যায় আচরণ করা হয়।  তারা প্রায়ই তাদের ক্লায়েন্ট এবং নিয়োগকর্তাদের হাতে সহিংসতা এবং শোষণের সম্মুখীন হয়।  ISWD হল তাদের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং তাদের অধিকারের পক্ষে সমর্থন করার জন্য একসাথে কাজ করার একটি সুযোগ।
মূলত, যৌনকর্মীদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের কণ্ঠস্বর উত্থাপন করার উপায় হিসাবে দিবসটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  সেই সময়ে, অনেক যৌনকর্মীকে শোষণ ও পাচার করা হয়েছিল এবং তারা অনুভব করেছিল যে তাদের কাছে কথা বলার জন্য কোনও কণ্ঠস্বর বা আউটলেট ছিল না।
বর্তমানে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস পালিত হচ্ছে।  যৌনকর্মীদের একত্রিত হওয়া এবং তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা এবং তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবসে যৌনকর্মীরা যে বৈচিত্র্যময় পরিসরে কাজ করে তা উদযাপনের জন্য অনেক ঘটনা ঘটছে।  এই ইভেন্টগুলির মধ্যে রয়েছে সমাবেশ, সিম্পোজিয়াম এবং আলোচনা গোষ্ঠী।  তাদের লক্ষ্য যৌনকর্মীদের একত্রিত করা যাতে তারা ধারণা ভাগ করে নিতে পারে এবং একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে।
আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস প্রত্যেকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন যারা মানবাধিকার এবং স্বাধীনতার কথা চিন্তা করেন।  এটি আমাদের সকলের জন্য যৌনকর্মী সহ যে কোনও ব্যক্তির বৈষম্য এবং শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটি সুযোগ।

আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবসের উদ্দেশ্য হল যৌনকর্মীদের এবং তাদের সহযোগীদেরকে সকল যৌনকর্মীদের জন্য অপরাধমুক্তকরণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার দাবিতে একত্রিত করা।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবসও যৌনকর্মীদের জন্য পতিতাবৃত্তি বিরোধী আইন এবং কাজের অবস্থার প্রতিবাদ করার একটি দিন হয়ে উঠেছে।  আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবসের সমর্থকরা যুক্তি দেন যে এই আইনগুলি যৌনকর্মীদের অপরাধীকরণ এবং নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়, তাদের নির্দিষ্ট এলাকায় বা নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করা নিষিদ্ধ করে।  তারা আরও যুক্তি দেয় যে এই আইনগুলি যৌনকর্মীদের শোষণ বা সহিংসতা থেকে রক্ষা করে না।
আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস মানবাধিকার কর্মী এবং যারা সারা বিশ্বে যৌনকর্মীদের কল্যাণের কথা চিন্তা করেন তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

 

 

১৯৭০-এর দশকে, ফরাসি পুলিশ যৌনকর্মীদের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রেখেছিল। পুলিশের প্রতিশোধমূলক আচরণ যৌনকর্মীদের গোপনে কাজ করতে বাধ্য করে। ফলস্বরূপ, যৌনকর্মীদের সুরক্ষা হ্রাস হতে থাকে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা আরও বাড়তে থাকে। দুটি হত্যাকাণ্ড হয়ে যাবার পরেও পরিস্থিতির কোন উন্নতি না হওয়ায় এবং সেই বিষয়ে সরকারের কোন আগ্রহ না থাকায়, লিয়নের যৌন কর্মীরা রুয়ে দে ব্রেস্টের সেন্ট-নিজিয়ার গির্জা দখল করে ধর্মঘট শুরু করে। ধর্মঘটী যৌনকর্মীরা রাজনৈতিক সঙ্গীত গেয়েছিল এবং শালীন কাজের পরিবেশের দাবি করার সাথে সাথে কলঙ্ক অবসানের দাবি জানিয়েছিল।
এই ঘটনা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকস্তরে ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছিল, শ্রম এবং নারীবাদীদের মত সংগঠনগুলির কাছ থেকে এই প্রতিবাদ সমর্থন পেয়েছিল। দখলের ৮ দিন পর, ১০ই জুন, পুলিশ জোরপূর্বক গির্জা থেকে মহিলাদের সরিয়ে দেয়, কিন্তু এই ঘটনার মাধ্যমে যৌন কর্মীদের অধিকারের জন্য তাদের একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলনের সূচনা হয়।

এর পর থেকে আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস এর সূচনা হয়। এর মাধ্যমে যৌনকর্মীদের সম্মান প্রদান করা হয় এবং তাদের কাজের অবস্থায় যে প্রায়ই তাদের শোষণ হয় তা স্বীকার করে নেওয়া হয়। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে স্মরণ করা হয় ১৯৭৫ সালের ২রা জুন শতাধিক যৌনকর্মী দ্বারা লিয়নের এগ্লিস সেন্ট-নিজিয়ের দখল। তাঁরা এটি করেছিলেন তাঁদের অমানবিক কাজের অবস্থার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। এটি ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতি বছর পালিত হয়ে আসছে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যৌনকর্মকে পেশা হিসাবে স্বীকার করে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেয় যে, যৌনকর্মীদের মর্যাদা এবং সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। ঠিক যেমন ভাবে অন্যান্য যে কোনও পেশার ক্ষেত্রে রয়েছে।

 

 

আসলে যৌনকর্মীরা তাঁদের জীবন যাপনের জন্য এই পেশা বেঁছে নিয়েছে। তাই তাঁদের অন্যান্য কর্মীদের মতোই ভাবুন।
যৌনকর্মীরা টাকার জন্য কাজ করে। তাঁরা কারও কাছে অনুগ্রহ চাই না, নিজেদের মানসিক, শারীরিক শ্রম বিনিময়ে তাঁরা টাকা উপার্জন করে। যৌনকর্মীদের নিয়ে সমাজে সচেনতা বাড়ান।তাঁদের কথা শুনে জেন আপনার মাথা হেট না হয়, বরং তাঁদের অধিকার নিয়ে কথা বলুন যাতে সমাজে তাঁদের প্রতি সজেতনতা গড়ে ওঠে।

 

 

 

 

সর্বপরি দিনটি যৌনকর্মীদের শোষিত কাজের অবস্থার স্বীকৃতি দেয়। কখনও কখনও তারা নিষ্ঠুরতার শিকার হয় এবং তারা সহিংসতারও সম্মুখীন হয়।  যৌনকর্মীরা আইনত তাঁদের  অধিকার পেলেও অন্যান্য কর্মীর মতো সম্মান কি তাঁরা পান! বছরের পর বছর ধরে ওঁরা লড়ে চলছে সমাজে নিজের প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার পেতে। যৌনকর্মীদের  সম্মান জানিয়ে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস (International Sex Workers Day) পালিত হয়। তাই দিনটি সকল মানবজাতিকে তাদের প্রতি সম্মান করতে শেখায়।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০২ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস

(খ) তেলেঙ্গানা গঠন দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৩১ – মার্থা ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ফার্স্ট লেডি।

১৮৪০ – টমাস হার্ডি, ইংরেজ সাহিত্যিক।

১৮৬৫ – জর্জ লোহম্যান, ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার।

১৯০৪ – জনি ওয়াইজমুলার, বিখ্যাত জার্মান-আমেরিকান সাঁতারু ও অভিনেতা।

 

১৯১৮ – মার্কিন কার্টুনিস্ট রুথ আটকিন্স।

১৯২৩ – লয়েড শ্যাপলে, যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত গণিত ও অর্থনীতিবিদ।

১৯৩০ – পিট কনরাড, মার্কিন নভোচারী।

 

১৯৩৬ – জামশেদ জে ইরানি, স্টিল ম্যান অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত ভারতীয় শিল্পপতি।

১৯৪৬ – লাসে হালস্ত্রোম, সুয়েডীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৯৬৫ – মার্ক ওয়াহ, অস্ট্রেলীয় সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৭২ – ওয়েন্টওয়ার্থ মিলার, ইংরেজ-বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা।

১৯৭৭ – এ জে স্টাইলস, আমেরিকান রেসলার।

১৯৭৮ – আই সোইয়োন, দক্ষিণ কোরীয় নভোচারী।

১৯৮০ – অ্যাবি ওয়ামব্যাচ, যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার প্রমীলা ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮১ – রাশেদ উদ্দিন আহমেদ তপু, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৮৭ – অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, শ্রীলংকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৮৭ – সোনাক্ষী সিনহা, ভারতীয় বলিউড অভিনেত্রী।

১৯৮৯ – স্টিভ স্মিথ, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০৬ – ব্যাঙ্ক অব ক্যালকাটা বা ব্যাঙ্ক অব বেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬৪ – গ্রিক সেনাবাহিনীর কর্ফু দখল।

১৮৮৯ – লুই পাস্তুর কর্তৃক প্রথম জলাতঙ্ক রোগের ইনজেকশন প্রদান প্রদর্শন।

১৮৯৫ – চীনের কাছ থেকে জাপান তাইওয়ানের শাসনভার বুঝে নেয়।

১৮৯৬ – বিশ্বের প্রথম বেতার যন্ত্রের (পেটেন্টের জন্য) নিবন্ধন করেন মার্কোনি।

১৯০৮ – কলকাতার মানিকতলা বোমা বিস্ফোরণ মামলায় শ্রীঅরবিন্দ গ্রেফতার হন।

১৯২০ – ইউজিন ও নিল পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত হন।

১৯২৪ – আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ভারতীয়দের আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ।

১৯৪১ – ইংল্যান্ডে কাপড়ের রেশন প্রথা চালু হয়।

১৯৪২ – বিখ্যাত জার্মান সেনা কমান্ডার আরভিন রুমেল উত্তর আফ্রিকায় বৃটিশ সেনাদের উপর বড় ধরনের পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেন।

১৯৪৬ – ইতালি প্রজতন্ত্র গঠিত হয়।

১৯৫৩ – ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের অভিষেক।

১৯৫৬ – যুগোস্লাভ প্রেসিডেন্ট টিটো মস্কো সফর করেন।

১৯৫৭ – মার্কিন টেলিভিশন ক্রুশ্চেভের সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়।

১৯৬৫ – বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ে ৩০ হাজার লোকের প্রাণহানি হয়।

১৯৭৯ – পোপ দ্বিতীয় জন পল, মাতৃভূমি পোল্যান্ড সফর শুরু করেন; তিনিই কোন কম্যুনিষ্ট দেশ ভ্রমণকারী প্রথম পোপ।

১৯৮১ – ঢাকায় শেরেবাংলানগর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর জানাজা ও দাফন।

১৯৯০ – পরমাণু ও রাসায়নিক অস্ত্র হ্রাসে মস্কো-ওয়াশিংটন চুক্তি।

১৯৯৯ – ভুটান ব্রডকাস্টিং সার্ভিস প্রথমবারের মতো দেশটিতে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু করে।

২০১৪ – ভারতে অন্ধ্রপ্রদেশের দশটি জেলা নিয়ে তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠিত হয়।

২০২৩ – ভারতীয় রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় ওড়িশার বালেশ্বরে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটে। চেন্নাই সেন্ট্রালগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস ও হাওড়াগামী যশোবন্তপুর-হাওড়া সুপারফার্স্ট ট্রেন সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে লাইনচ্যুত হওয়ায় ২৭৫ যাত্রীর মৃত্যু ও ১১৭৫ জন যাত্রী আহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

ত

১৮৮২ – ইতালির দেশব্রতী জাতীয়তাবাদী নেতা গ্যারিবল্ডি।

১৮৮৬ – রুশ নাট্যকার আলেকজান্ডার অস্ত্রোভস্কি।

১৯৫৬ – জিন হারশল্ট, ডেনীয়-মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬৩ – তুরস্কের খ্যাতনামা কবি নাজেম হেকমাত।

১৯৭৫ – জাপানের নোবেল বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী ইসাতু সাতো।

১৯৭৫ – দেবেন্দ্র মোহন বসু, ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৭৭ – স্টিভেন বয়েড, উত্তর আয়ারল্যান্ডীয় অভিনেতা।

১৯৭৮ – সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ইয়েস্তে, স্প্যানিশ ফুটবলার এবং কোচ।

 

১৯৮১ – আকবর হোসেন, বাঙালি কথাশিল্পী ও ঔপন্যাসিক।

১৯৮২ – শাহ আবদুল ওয়াহহাব, দারুল উলুম হাটহাজারীর ২য় মহাপরিচালক।

১৯৮২ – ফজল ইলাহী চৌধুরী, পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং পাকিস্তানের ৫ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৮৮ – রাজ কাপুর, ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা।

১৯৮৯ – টেড অ’বেকেট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৯০ – রেক্স হ্যারিসন, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৯১ – বিভা চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি মহিলা পদার্থবিজ্ঞানী।

 

২০১১ – দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় প্রখ্যাত সংবাদ পাঠক আবৃত্তিকার ও বাচিক শিল্পী ।

২০১৩ – হাকিম মুহাম্মদ আখতার, পাকিস্তানি দেওবন্দি সুফি।

 

২০১৫ – বিজয়া রায়, সত্যজিৎ রায়ের স্ত্রী।

 

২০১৯ – মমতাজউদদীন আহমদ, বাংলাদেশি নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষা-সৈনিক।

 

২০২২ – পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত ভারতীয় সন্তুরবাদক পণ্ডিত ভজন সোপরি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব দুগ্ধ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

বিশ্ব দুধ দিবস ২০২৪ : বিশ্ব দুধ দিবস প্রতি বছর ১ জুন পালিত হয়।  এই দিনটি দুগ্ধ শিল্প এবং তারা যে পণ্যগুলি বিক্রি করে তার জন্য উত্সর্গীকৃত।  সারা বিশ্বে দুধ কতটা অ্যাক্সেসযোগ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিকর তা নিয়ে কথোপকথন শুরু করার দিন।
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০১৯ সাল থেকে আমাদের জীবনের একটি অংশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা দ্বারা পুষ্টির উৎস হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এবং এর ব্যবহারকে উন্নীত করার জন্য দিবসটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  দুধ অনেক সংস্কৃতির একটি প্রধান উপাদান, এবং এটি পান করা, রান্না করা এবং আইসক্রিম তৈরি সহ বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহৃত হয়।  এটি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং পটাসিয়ামের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস, যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি।

 

বিশ্ব দুধ দিবস ২০২৪ : থিম—

 

এই বছরের থিম বিশ্বকে পুষ্টির জন্য মানসম্পন্ন পুষ্টি সরবরাহে দুগ্ধজাত দ্রব্য যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা উদযাপনের উপর ফোকাস করবে। This year’s theme will focus on celebrating the vital role dairy plays in delivering quality nutrition to nourish the world.

 

 বিশ্ব দুধ দিবস ২০২৪ : ইতিহাস ও তাৎপর্য—

 

দুধের ইতিহাস প্রায় ৯০০০-৭০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের নিওলিথিক যুগের।  যখন মানুষ দুধ পান করতে শুরু করে।  এটি এমন একটি সময় ছিল যখন মানুষ ইতিমধ্যে গৃহপালিত প্রাণী ছিল এবং দুধ থেকে পুষ্টি আহরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।  যাইহোক, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ল্যাকটোজ সহনশীলতা হারিয়ে গিয়েছিল, এবং বেশিরভাগ প্রাথমিক মানুষ গাঁজনযুক্ত দুগ্ধজাত দ্রব্য পান করত।
যেহেতু দুধ আরও ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়, এটি প্রাথমিক মানুষের জন্য পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে ওঠে।  উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বের কিছু অংশে, দুধ মাংসের বিকল্প হিসাবে ব্যবহৃত হত।  এটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করা হয়েছিল, কারণ কিছু লোক বিশ্বাস করেছিল যে সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতে দুধ পাঠিয়েছিলেন।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক দেশেই দুধের চাহিদা কমে গেছে।  শিল্প দুধ উৎপাদনের সম্প্রসারণ, দুধের নতুন বিকল্পের প্রবর্তন এবং ভোক্তাদের পছন্দের পরিবর্তন সহ বেশ কয়েকটি কারণের কারণে এটি ঘটে।
এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, বিশ্ব দুধ দিবস এখনও দুগ্ধ শিল্প এবং এর পণ্যগুলি উদযাপনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য দিন।  এটি একটি পুষ্টির উত্স হিসাবে দুধের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এবং এর ব্যবহারকে প্রচার করার একটি দিন।

 

বিশ্ব দুধ দিবসের তাৎপর্য—

 

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের মূল উদ্দেশ্য হল দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এটি একটি সুষম খাদ্যে দুধ যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য।

উদযাপনের লক্ষ্য দুগ্ধ খামারি এবং শ্রমিকদের প্রচেষ্টাকে স্বীকার করা যারা দুধের উৎপাদন ও বিতরণে অবদান রাখে, সেইসাথে দুগ্ধ খাতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবগুলিকেও স্বীকার করে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন দেশ, সংস্থা এবং ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ব দুধ দিবস পালন করে আসছে।

এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষামূলক প্রচারণা, দুগ্ধজাত পণ্যের প্রচার, পাবলিক ইভেন্ট এবং মানুষের জীবনে দুধ ও দুগ্ধের তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সামাজিক মিডিয়া প্রচারণা।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস প্রতি বছর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে, একটি বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিবেশন করছে পুষ্টিকর খাদ্যের উৎস হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এবং বিশ্বব্যাপী দুগ্ধ শিল্পের অবদান তুলে ধরার জন্য।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০১ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০১ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  শিশু দিবস (আন্তর্জাতিক)

(খ) বিশ্ব দুগ্ধ দিবস (২০০১ সাল থেকে)

(গ) বিজয় দিবস (তিউনিশিয়া)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৪২ -সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ,বাঙালি লেখক, সংগীতস্রষ্টা ও ভাষাবিদ ও ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগদানকারী প্রথম ভারতীয়।

১৮৯০ – ফ্রাঙ্ক মরগান, মার্কিন অভিনেতা।

১৮৯২ – আমানউল্লাহ খান, তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের শাসক।

 

১৯০৬ – কবি ছান্দসিক আবদুল কাদির।

১৯১৭ – উইলিয়াম নোল্‌স, মার্কিন রসায়নবিদ।

১৯২৬ – মেরিলিন মনরো মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও পপ আইকন।

১৯২৯ – নার্গিস দত্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৩০ – ম্যাট পুর, নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার।

 

১৯৩০ – মোহাম্মদ আবদুল মমিন, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত।

 

১৯৩৪ – মোহিত চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার ।

১৯৩৪ – এ. টি. এম. আফজাল, বাংলাদেশের ৮ম প্রধান বিচারপতি।

১৯৩৫ – মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত।

 

১৯৩৫ – বিমলকৃষ্ণ মতিলাল, বাঙালি দার্শনিক অধ্যাপক।

১৯৩৭ – মরগান ফ্রিম্যান, মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং নির্দেশক।

১৯৪১ – মোঃ রুহুল আমিন, বাংলাদেশের ১৫তম প্রধান বিচারপতি।

১৯৪৭ – জনাথন প্রাইস, ওয়েলসীয় অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৫০ – অনুপম হায়াত, বাংলাদেশী লেখক এবং চলচ্চিত্র সমালোচক।

১৯৬৩ – কুমার বিশ্বজিৎ বাংলাদেশি একজন সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৬৩ – উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংরক্ষিত নারী আসন-৪ এর সংসদ সদস্য।

১৯৬৫ – নাইজেল শর্ট, ইংরেজ দাবা খেলোয়াড়।

১৯৬৮ – সেলিনা বেগম, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংরক্ষিত নারী আসন-৬ এর সংসদ সদস্য।

১৯৭০ – মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য।

১৯৭৩ – শফিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৭৬ – শাহরিয়ার হোসেন, বাংলাদেশী সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৮৩ – সালমা খাতুন, বাংলাদেশের প্রথম নারী ট্রেন চালক।

১৯৮৪ – ঈশানী কৌশল্যা, শ্রীলঙ্কান প্রমিলা ক্রিকেটার।

 

১৯৮৫ – দিনেশ কার্তিক, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৯১ – রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, ভারতীয় আন্তর্জাতিক প্রমিলা ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৩৩ – অ্যান বোলেইন ইংল্যান্ডের রাণীর মুকুট গ্রহণ করেন।

১৮৭৪ – ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি আজকের দিনে বিলুপ্ত হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় চিলি।

১৯৮০ – বিশ্বের প্রথম ২৪ ঘণ্টার টেলিভিশন সংবাদ চ্যানেল সিএনএন এর যাত্রা শুরু

১৯৮১ – বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

১৯৯০ – জর্জ ডব্লিউ বুশ ও মিখাইল গর্বাচভ রাসায়নিক অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

২০০১ – নেপালের যুবরাজ দীপেন্দ্রর ব্রাশ ফায়ারে রাজা-রানী সপরিবারে নিহত।

২০০৯ – এয়ার ফ্রান্স ফ্লাইট ৪৪৭ ব্রাজিলের কাছে আটলান্টিক সাগরে আছড়ে পরে, ২২৮জন যাত্রী এবং কর্মচারীর সকলে নিহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৪২ – শিক্ষাবিদ ডেভিড হেয়ার।

১৮৬৮ – জেমস বিউকানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি।

১৯৪৩ – লেসলি হাওয়ার্ড, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯৬২ – প্রগতিবাদী লেখক ও প্রতিষ্ঠাবান কবিরাজ রমেশচন্দ্র সেন।

 

১৯৬৮ – হেলেন কেলার, মার্কিন লেখিকা ও রাজনৈতিক কর্মী।

১৯৬৯ – তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।

১৯৭৮ – উর্দু লেখক চলচ্চিত্রকার খাজা আহমদ আব্বাস।

 

১৯৯৬ – নীলম সঞ্জীব রেড্ডি, ভারতের ৬ষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৯৮ – ব্রজেন দাস, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া প্রথম বাঙালি সাঁতারু।

 

২০০১ – অ্যালেক্স জেমস, স্কটল্যান্ডীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

২০০১ – বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব, নেপালের রাজা।

 

২০০২ – হানসি ক্রনিয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।

২০০৮ – লিন ফুলস্টন, অস্ট্রেলীয় প্রমিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

২০১০ – নীলকণ্ঠ সেনগুপ্ত, বাঙালি নট, নাট্যকার ও অভিনেতা।

 

২০২০ – বলিউডের সংগীত পরিচালক ওয়াজিদ খান।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

গ্রামোন্নয়নে  কৃষির ভূমিকা  —একটি সমীক্ষা : দিলীপ  রায়।।

আমরা জানি, ভারত সরকার আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে গ্রামের মানুষের জীবিকার নিরাপত্তা ও আর্থিক ক্ষমতা বাড়ানোর পক্ষপাতী । এই কথা মাথায় রেখে, সরকার গ্রামে সকলের অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের দিকে নজর দিয়ে কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন ক্ষেত্রে রূপান্তর ত্বরান্বিত করার কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে বা নিচ্ছে  । এটা ঘটনা, কেন্দ্রিয় সরকার ঘোষিত কল্যাণ প্রকল্প ও কর্মসূচিগুলোর লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামাঞ্চলকে লাভ, উৎপাদনশীলতা ও সমৃদ্ধির কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা । এই লক্ষ্য পূরণে বাজেট বরাদ্দ সেইভাবে বাড়ানো হচ্ছে । তৈল বীজ ও ডাল উৎপাদন বাড়াতে এবং রান্নার তেলে স্বনির্ভর হতে দেশকে সাহায্য করার জন্য আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী সমবায় সমিতিগুলোকে ডাক দিয়েছেন (০৩-০৭-২০২৩) । এখানে একটা ঘটনা জানিয়ে রাখি, খাদ্যশস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে  ২০২২-২৩ সালে  শস্য ও শাক, সবজি, ফুল ও ফলের ফলন রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে । গত বছরের চেয়ে শস্যের উৎপাদন বেড়েছে ৪ শতাংশের বেশি । আর অন্যদিকে শাক, সবজি, ফুল ও ফল ফলেছে ১শতাংশের বেশি । প্রধান খাদ্যশস্য ধান ও গমের ফলনের রেকর্ডও  উল্লেখযোগ্য  । ধান ও গম উৎপাদন (২০২২-২৩) যথাক্রমে ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টন এবং ১১ কোটি টন । (তথ্যসূত্রঃ যোজনা-১২/২৩) । সুতরাং খাদ্যশস্য উৎপাদনে আমাদের দেশ একটা আত্মসন্তুষ্টির জায়গায় রয়েছে ।
এই কথাগুলি তুলে ধরার একটাই উদ্দেশ্য, গ্রামীণ বিকাশে কৃষিজাত ফসলের  উৎপাদন বৃদ্ধির সরকারি দৃষ্টির  ইতিবাচক  দিকগুলির উপর এবং বাস্তব অবস্থান সম্পর্কে  একটা ধারণা ।  আর একটি পরিসংখ্যানে (নীচে উল্লেখ করা হলো)  দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশে  দারিদ্রতার হার কমছে ।
ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভের প্রকাশিত ফ্যাক্টশিট থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০১১-১২’এর তুলনায় ২০২২-২৩ সালে ভারতীয় পরিবারগুলির মাথাপিছু মাসিক ব্যয় অনেক বেড়েছে । একই সঙ্গে দারিদ্রের হার নেমে গেছে ২২.৯% থেকে ৫শতাংশের কাছাকাছি ।  এখন জানা যাক, দরিদ্র কাদের বলা হচ্ছে ? যে পরিবারের দৈনিক মাথাপিছু খরচ ২.১৫ ডলার বা তার কম, বিশ্ব ব্যাঙ্ক তাকে দরিদ্র বলছে । অর্থাৎ কোনো পরিবারের মাসিক মাথাপিছু খরচ ১৪৭৬ টাকা বা তার কম হলে বিশ্ব ব্যাঙ্কের মাপকাঠি অনুযায়ী তাকে দরিদ্র বলা যায় । বিনামূল্যে পাওয়া ভোগ্যবস্তু বাদে তাদের ব্যয় মাসে ১৩৭৩ টাকা, বিনামূল্যের পণ্য ধরলে তা ১৪৪১ টাকা । অর্থাৎ ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভের নতুন তথ্য অনুযায়ী দারিদ্রের হার ৫%-এ নেমে এসেছে । (সূত্রঃআঃবঃপঃ২৪.০৫.২০২৪) । সুতরাং আমরা যদি  গ্রামীণ এলাকার মানুষের দিকে চোখ রাখি তাহলে আমরা বুঝতে পারব, সত্যিই কী দারিদ্রের হার কমেছে !
( ২ )
আমাদের দেশ মূলত কৃষিপ্রধান দেশ । তাই অনেক অর্থনীতিবিদ   মনে করেন, কর্মসংস্থান-ভিত্তিক বিকাশের ক্ষেত্রে কৃষি অগ্রগণ্য । তাই গ্রামোন্নয়নের মূল স্তম্ভ হচ্ছে কৃষি । বলা চলে গ্রামীণ অর্থনীতি প্রায় সম্পূর্ণভাবে কৃষিনির্ভর । কৃষিই  গ্রামীণ মানুষের জীবিকার মূল অবলম্বন । অধিকাংশ মানুষ সরাসরি চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে । অনেকে আবার কৃষির সঙ্গে যুক্ত আনুসঙ্গিক কাজ কর্মে নিয়োজিত । তাই কৃষি গ্রামীণ  অর্থনীতির মেরুদন্ড । বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গেছে, কৃষি থেকে প্রায় ৬৯ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করে । এটাও ভাববার বিষয়, কম জমিতে বেশি ফলন কীভাবে করা যায় ?  তাই কৃষি অঞ্চল যেমন বাড়াতে হবে তেমনি উৎপাদনশীলতার উপর জোর দিতে হবে । যেমন পাঞ্জাবে ধান ও গম ফসলের যখন আবর্তন শুরু হয়, তখন খড় পোড়ানো শুরু হয়  । একটাই উদ্দেশ্য জমির উর্বরতা বাড়ানো । যেখানেই এই ধান ও গমের আবর্তন রয়েছে, সেখানেই প্রয়োজন একটি রাইস বয়ো পার্কের । রাইস বয়ো পার্ক মানে ধানের প্রতিটি অংশ যেমন গাছ, খড়, খোসা, তুষ, পাতা, সবকিছুকেই কাজে লাগানো । এখানে একটা কথা বলা প্রয়োজন, খড় পোড়ানোর ব্যাপারটা আবার দক্ষিণ ভারতে নেই । চাষি পরিবারে এখনও খড় ছোট ছোট করে কেটে গরুকে খাওয়ানোর রেওয়াজ বর্তমান । সুতরাং আমরা বলতে পারি এগুলির অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে  । অতএব গ্রামীণ  উন্নয়নে ও আর্থিক দৃষ্টিভঙ্গীতে  এই জাতীয় অর্থকরী ফসলের রক্ষণাবেক্ষণ খুব জরুরি । শুধু তাই নয়, জমিতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে যথাযথ ধ্যান দেওয়া আশুকর্তব্য । (তথ্যসূত্রঃ যোজনা-১১/২৩) ।
কৃষিক্ষেত্রে  উন্নয়নের আরও ধাপ হিসাবে আমরা দেখতে পাই  উচ্চ ফলনশীল বীজের ব্যবহার, সার ও ঔষধের প্রয়োগ ।  তা ছাড়া বহুফসলি চাষের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির উপর জোর দেওয়া  । কিন্তু বাস্তবে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ব্যাপকতা সেভাবে বাড়েনি । যার জন্য কৃষি ব্যবস্থা এখনও অনুন্নত এবং সেকেলের ।  শীর্ণদেহি বলদের কাঁধে লাঙ্গল জোয়াল জুড়িয়ে চলছে কৃষিকাজ । তবে একটা কথা এখানে প্রাসঙ্গিক, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য খাদ্য শস্যের উৎপাদন যেমন ধান, গম , জোয়ার, বাজরা, ভুট্টা  অনেকটাই বেড়ে গেছে । মহাজনি প্রথা বিলোপের জন্য কৃষি ঋন দেওয়ার ক্ষেত্রে সমবায় গঠনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে । কৃষি ঋনের সহজলভ্যতার জন্য রয়েছে  “জাতীয় কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন ব্যাঙ্ক”  (NABARD) । শস্যবীমা ও শস্যের ন্যুনতম দাম বেঁধে দেওয়ার ফলে গরীব কৃষকেরা অনিশ্চয়তার হাত থেকে যদিও কিছুটা রক্ষা পাচ্ছে । কিছুটা হলেও বর্তমানে চিরাচরিত কৃষি প্রথার বদলে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষের উপর ঝোঁক দেখা যাচ্ছে ।  অন্যদিকে এটাও ঘটনা, কৃষিজাত দ্রব্যের দাম কিন্তু অন্যান্য দ্রব্যের দামের সঙ্গে সমানতালে বাড়ে না । অথচ যত  দিন যাচ্ছে চাষিদের চাষের খরচ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে । চাষে নিযুক্ত কৃষি শ্রমিকের দাম যেমন বাড়ছে, তেমনি চাষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অর্থাৎ রাসায়নিক সার, ফসলের পোকা-মাকড় মারবার ঔষধপত্রের দামও বাড়ছে । ফলে চাষ থেকে উঠে আসা লভ্যাংশ ক্রমহ্রাসমান । চাষীর চাষজাত ফসলের দামের উপর গ্রামীণ অর্থনীতি নির্ভরশীল । অর্থকরী ফসলের উৎপাদনের অবস্থা তথৈবচ । আমরা জানি, অর্থকরী ফসল বলতে বিশেষ করে বাংলায় পাট চাষ । পাটের বাজারের তীব্র মন্দার কারণে পাট চাষও তলানীতে । সুতরাং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গার স্বার্থে কৃষির উপর যথাযথ গুরুত্ব আরোপ ভীষণ জরুরি  ।
( ৩ )
এবার আসছি কৃষিকাজে সারের ব্যবহারে । নিয়মিত জমির মাটির  স্বাস্থ্য পরীক্ষা চাষযোগ্য জমিতে উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদে বাঞ্ছনীয় । মাটি পরীক্ষার পর সঠিক সার নির্ধারন চাষের পক্ষে উপোযোগী । যার জন্য মাটি পরীক্ষার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে । এই কারণেই ‘রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনা’ চালু হয়েছে । মাটির স্বাস্থ্য কার্ড বিলি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে । আমরা জানি, কৃষিজমিতে জৈব সার ব্যবহার ফসলের ফলনকে বাড়াতে সাহায্য করে । এই প্রসঙ্গে একটা কথা খুব জরুরি, খাদ্যের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গেলে খাদ্যের যোগান-বৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী । আবার কিছু কিছু ফসল আছে যেগুলো সরাসরি খাদ্যের ব্যবহারে আসে না, যেমন  তুলো, ইত্যাদি । তবুও আমাদের দেশের কৃষক সমাজ লাভের কথা মাথায় রেখে প্রযুক্তির সাহায্যে তুলো চাষকে লাভযোগ্য ফসল হিসাবে চাষ করছে । এইভাবে চাষের উন্নয়ন গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে প্রভাব ফেলবে ।
এবার দেখা যাক কৃষিক্ষেত্রকে চাঙ্গা করার স্বার্থে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা । কেন্দ্রিয় সরকারের তথ্য থেকে দেখা যায় মোট প্রদত্ত ঋনের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাঙ্কগুলির ঋনের পরিমান ২০১০-১১ সালে মাত্র ২১.৭৬ শতাংশ । পশ্চিম বঙ্গে ২০১২-১৩ সালে (এপ্রিল—ডিসেম্বর) তথ্যে প্রকাশ,  বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি কৃষিঋন প্রকল্পে নির্দ্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৯ শতাংশ ঋন প্রদান করেছে । আঞ্চলিক ব্যাঙ্কগুলি লক্ষ্যমাত্রার ২৮ শতাংশ ও সমব্যয় ব্যাঙ্কগুলি ৫০ শতাংশ ঋনপ্রদানে সাফল্যে লাভ করেছে । এছাড়া সমব্যয় ব্যাঙ্কগুলি রাজ্যের প্রাথমিক  কৃষিঋন সমব্যয় সমিতিগুলির (প্যাকস্‌) মাধ্যমে কৃষিঋন ও কৃষিকাজের অন্যান্য উপাদানের জন্যে ঋন প্রদান করে । নাবার্ড উৎপাদনের মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি করার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, জমি ভাড়া বা ইজারা নিয়ে চাষ করে এমন কৃষক  ও ভাগচাষিদের ঋন পরিষেবা দেবার জন্য প্রকল্প গ্রহন করেছে । এতে কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়বে । দেশের আর্থিক উন্নয়নের হার বৃদ্ধির সুবিধা হবে (তথ্যসূত্রঃ যোজনা -৬/১৪) ।
( ৪ )
এবার একঝলক ভারতীয় অর্থনীতির চিত্রটা দেখে নেওয়া যাক । ভারতের অর্থনীতি বৈচিত্র্যময় । কৃষিকাজ, হস্তশিল্প, বস্ত্রশিল্প, উৎপাদন এবং বিভিন্ন সেবা ভারতের অর্থনীতির অংশ । ভারতের খেটে খাওয়া মানুষের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে কিংবা পরোক্ষভাবে কৃষিজমি থেকে জীবিকা নির্বাহ করে । এখনও ভারতের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ৬৯ শতাংশ কৃষির উপর নির্ভরশীল । তবে সেবাখাত ক্রমশ প্রসারলাভ করছে, ফলে ভারতীয় অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে । ডিজিটাল যুগের আর্বিভাবের পর শিক্ষিত লোকের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভারত আউটসোর্সিং  ও কারিগরি সহায়তাদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসাবে  পরিণত হয়েছে বা হচ্ছে । এটা ঘটনা, ভারত সফটওয়্যার ও আর্থিক  সেবার ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে অতি দক্ষ শ্রমিক সরবরাহ করে থাকে । এছাড়া  ঔষধ শিল্প, জীবপ্রযুক্তি, ন্যানোপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, জাহাজ নির্মাণ, পর্যটন শিল্পগুলিতে জোড়ালো প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ।
এবার আসছি আমাদের রাজ্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে কৃষিব্যবস্থা । রাজ্যে কোনো অর্থকরী ফসলের জন্য সংশ্লিষ্ট কৃষককে আর বিমার প্রিমিয়াম দিতে হবে না ।  রাজ্য সরকার (পঃবঃ) এই সংক্রান্ত খরচ বহন করবে । বিধানসভায় কৃষি মন্ত্রী একথা জানিয়ে আরও বলেছেন, আগামী অর্থবর্ষের শুরুতে আলুসহ সমস্ত অর্থকরী ফসলের চাষীরা এই সুবিধা পাবেন । তিনি আরও বলেছেন, ২০২৩ সালের খারিফ মরশুমে প্রায় ৬০ লক্ষ কৃষক বাংলার শস্য বীমা যোজনা প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন । আরও জানা যায়, ২০১৯ সালে এই প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে এপর্যন্ত ৯৮ লক্ষ কৃষককে এই প্রকল্পের আওতায় ফসলের ক্ষতি বাবদ ২৮৩৮ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে । (তথ্যসূত্রঃ যোজনা-৩/২৪) ।
কোনো একটা সূত্র থেকে জানা গেছে কেন্দ্রের সরকার  কৃষকদের সব ধরনের সমস্যা দূর করতে উদ্যোগী হয়েছে । পিএম কিষাণ সম্মাননিধির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে নগদ মূল্য দিয়ে সহযোগিতা করার উদ্যোগ নিয়েছে । কৃষিপণ্যের গুদামজাত করার সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উন্নতিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে । আরও জানা গেছে বর্তমানে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত অড়হর ডাল বিক্রির ক্ষেত্রে অন লাইনে সরাসরি সরকারকে বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে  । এতে কৃষকরা ভাল দাম পাচ্ছেন । (তথ্যসূত্রঃ যোজনা-২/২৪) ।
এই মুহূর্তে যেটা দরকার, কৃষিজাত ফসলের সঠিক দাম । ফসলের ন্যায্য দাম নিয়েই কৃষকদের মধ্যে যতো অশান্তি । ফসলের ন্যায্য দামের জন্য চাই ‘কৃষি বাজার’ । আমাদের দেশের চাষিরা উপযুক্ত বাজারের অভাবে তাঁদের বহু  কষ্টার্জিত ফসলের দাম ঠিকমতো পায় না । ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা যাতে না ঠকে, তার জন্য চাই সুসংহত কৃষি বিপননের পরিকাঠামো । প্রয়োজনে কৃষি-বাণিজ্য নীতির খোলনলচে পাল্টানো । যাতে কৃষকের কৃষি-পণ্যের জন্য সরকার কর্তৃক উপযূক্ত “লাভজনক দাম” বা সংগ্রহ মূল্যের নির্ধারন ও নিশ্চয়তা প্রদান সম্ভব হয়  । সবশেষে যেটা জরুরি, সেটা হচ্ছে কৃষি বীমার  সম্প্রসারণ । কৃষি কাজ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । কৃষি ক্ষেত্রে অনেক অর্থ ও শ্রম বিনিয়োগ করে আশানুরূপ ফল না পেলে কৃষকের দুর্দশা বাড়ে । এজন্য শস্য বীমা, কৃষি বীমা, ইত্যাদি বীমার আরও জোরদার করা সময়োপযোগী । বীমার আওতায় যাতে সমস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি আসে সেদিকে সরকারি সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি আশুকর্তব্য ।
পরিশেষে কৃষি ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতে পারলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও চাঙ্গা হবে  । কৃষি ব্যবস্থা চাঙ্গা হলে গ্রামোন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে । অন্যদিকে গ্রামীণ  অর্থনীতি চাঙ্গা হলে গ্রামীণ মানুষদের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়বে । তাঁদের মুখে হাসি ফুটবে।

কলমেঃ  দিলীপ  রায়   (+৯১ ৯৪৩৩৪৬২৮৫৪)

(তথ্যসুত্রঃ সংগৃহীত ও উল্লেখিত যোজনা)  ।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৭ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩৩২ – ইবনে খালদুন, আরব মুসলিম পণ্ডিত। আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও অর্থনীতির জনকদের মধ্যে তিনি অন্যতম বিবেচিত হন।

 

১৮৫২ – বিলি বার্নস, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৮৬৩ – আর্থার মোল্ড, ইংরেজ ক্রিকেট খেলোয়াড়।

 

১৮৯০ – যতীন্দ্রপ্রসাদ ভট্টাচার্য, একজন বাঙালি কবি ।

 

১৯০৩ – যোগেশচন্দ্র বাগল প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সম্পাদক ।

 

১৯৯৫ – সাবিলা নূর বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭০৩ – পিটার দি গ্রেট কর্তৃক সেন্ট পিটার্সবুর্গ (লেনিনগ্রাদ) শহরের পত্তন হয় ।

১৭৬৭ – কলকাতায় প্রথম প্রটেস্টান্ট গির্জা নির্মিত।

১৮৩৭ – আলজেরিয়ার স্বাধীনতাকামী নেতা আবদুল ক্বাদেরের সাথে ফ্রান্স সরকারের একটি শান্তিচূক্তি হয়।

 

১৮৮৩ – তৃতীয় আলেকজান্ডার রাশিয়ার রাজা হন।

১৯১৯ – জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করে বড়লাট লর্ড চেমস ফোর্ডকে চিঠি দেন।

১৯১৯ – এনসি-৪ এয়ারক্রাফট অবতরণ করে লিসবনে, প্রথম উড্ডয়ন শেষ করে।

১৯২৬ – মরোক্কোর রিফ এলাকায় ফরাসী ও স্পেনীয় উপনিবেশবাদীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের ঐতিহাসিক গণপ্রতিরোধ বা বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

১৯২৭ – বৈমানিক চার্লস লিন্ডবার্গ একাকী বিমান চালিয়ে বিশ্বে প্রথম আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করেন।

১৯৩০ – নিউইয়র্কে ১০৪৬ ফুট বিল্ডিংটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়, যেটি সে সময় মানুষের তৈরি দীর্ঘতম ভবন।

১৯৩২ – খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও মানবতাবাদী রমাঁ রল্যাঁ ও অঁরি বারব্যুস যৌথভাবে আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ আহবানে করেন।

১৯৫২ – ইউরোপীয় প্রতীরক্ষা গোষ্ঠী গঠিত হয়।

১৯৭২ – যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সল্ট-১ চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৮৯ – বার্মার সামরিক শাসকগোষ্ঠী দেশের নাম পরিবর্তন করে দ্য ইউনিয়ন অব মায়ানমার রাখে এবং রেঙ্গুনের নাম পালটে রাখে ইয়াঙ্গুন।

২০০৬ – ‘জাভা’ ভূমিকম্প ভোর ৫টা ৫৩ মিনিটের সময় তীব্র আঘাত করে ইওগাকার্তায়। প্রায় ৬ হাজার ৬০০ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১০ – রবার্ট কখ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীব বিজ্ঞানী।

 

১৯৩০- স্পেনীয় কথাসাহিত্যিক গাব্রিয়েল মিরো।

 

১৯৬৪ – জহরলাল নেহরু, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৭৫ – নৃপতি চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা।

 

১৯৮৬ – অজয় মুখোপাধ্যায়, পশ্চিম বাংলার চতুর্থ ও ষষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী।

 

১৯৯৫ – শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায় – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি পরমাণুবিজ্ঞানী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৬ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭০৩ – স্যামুয়েল, ইংরেজ দিনলিপিকার ।

 

১৭৯৯ – আলেকজান্ডার পুশকিন, রাশিয়ার তথা রুশ সাহিত্যের অমর কবি ও ঔপন্যাসিক।

 

১৮৭৭ – খ্যাতনাম্নী মার্কিন নৃত্যশিল্পী ইসাডোরা ডানকান।

 

১৯০০ – চেক লেখক ভিতেস্লা ইসাডোরা ডানকান

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৩৯ – মোগল সম্রাট মহম্মদ শাহ ও ইরানের নাদির শাহের মধ্যে চুক্তি সম্পাদনের ফলে আফগানিস্তান ভারত থেকে পৃথক হয়ে যায়।

 

১৮০৫ – নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ইতালির রাজা হিসাবে রাজ্যাভিষিক্ত হন।

১৮৬৫ – আমেরিকার গৃহযুদ্ধের অবসান।

১৮৭০ – দিনেসিসিলির এটনা আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু।

১৮৮১ – ফ্রান্স তিউনিসিয়াকে করায়ত্ত করে এবং নিজ নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।

১৮৯৬ – রাশিয়ার শেষ জার দ্বিতীয় নিকোলাস অভিষিক্ত হন।

১৮৯৭ – আইরিশ লেখক ব্রাম স্টকারের বিখ্যাত উপন্যাস ‘ড্রাকুলা’ প্রকাশিত হয়।

১৯১৩ – এমিলি ডানকান ব্রিটেনের প্রথম মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত।

১৯১৮ – জার্জিয়া ও আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৪৮ – দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী জাতীয়তাবাদী সরকার ক্ষমতায় আসে।

১৯৬৯ – অ্যাপোলো-১০ নভোযানটি আট দিনের সফল ভ্রমণ শেষ করে পৃথিবীতে অবতরণ করে।

১৯৭২ – যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন অ্যান্টি ব্যালস্টিক মিসাইল চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হাইতি।

১৯৮১ – পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে।

১৯৮২ – ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করেছিল।

১৯৮৬ – বাংলাদেশের বরিশালে লঞ্চডুবিতে ২৩০ জনের মৃত্যু।

১৯৯১ – থাইল্যান্ডে অস্ট্রীয় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২২৩ জনের মৃত্যু।

১৯৯৪ – নোবেল পুরস্কার জয়ী সাহিত্যিক আলেক্সান্ডার সোলজিনেৎসিন ২০ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে নিজ মাতৃভূমি রাশিয়াতে প্রত্যাবর্তন।

১৯৯৪ – বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম দুটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯৯ – কাশ্মীরের কারগিল সেক্টরে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ শুরু।

 

২০১৮ – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি দেয় কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

৭৩৫ – বিড, ইংরেজ বেনেডিক্টিয়ান সন্ন্যাসী।

 

১৯০৮ – (ক)  বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার।

 

(খ) মির্জা গোলাম আহমদ।

 

১৯৭১ – বিমল মুখোপাধ্যায়, মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের কিংবদন্তি ফুটবলার।

 

১৯৭২ – প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী রাজলক্ষ্মী দেবী।

 

১৯৭৬ – মার্টিন হাইডেগার, জার্মান দার্শনিক।

 

১৯৯৯- শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি কবি কথা-সাহিত্যিক ও নাট্যকার ।

 

২০০৪ – নিকলাই চের্নিখ, রুশ বংশোদ্ভূত সোভিয়েত জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

 

২০২১ – প্রখ্যাত বাঙালি প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী, অভিনেতা বিকাশ রায়ের পুত্র সুমিত রায়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৫ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  ২০০১ – তোয়ালে দিবস, লেখক ডগলাস অ্যাডামসের স্মরণে, লেখকের ভক্তরা, প্রথম পালন শুরু করেন।

(খ) বিশ্ব থাইরয়েড দিবস৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৫১ – ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হালেদ, বাংলায় মুদ্রিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা।

 

১৮০৩ – যুক্তরাষ্ট্রে খ্যাতনামা কবি এবং লেখক রালফ ওয়ালডো এমারসন।

 

১৮৬৫ – পিটার জেমান, নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৮৮৬ – রাসবিহারী বসু, ভারতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন বিপ্লবী নেতা এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।

 

১৭৫১ – ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হালেদ, বাংলায় মুদ্রিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা।

 

১৮০৩ – যুক্তরাষ্ট্রে খ্যাতনামা কবি এবং লেখক রালফ ওয়ালডো এমারসন।

 

১৮৬৫ – পিটার জেমান, নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৮৬ – রাসবিহারী বসু, ভারতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন বিপ্লবী নেতা এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।

১৮৮৯ – হেলিকপ্টারের উদ্ভাবক রুশ-মার্কিন বিজ্ঞানী ইগর সিকোরস্কি।

১৮৯৯ – (১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ)কাজী নজরুল ইসলাম, বিদ্রোহী কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক, ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি।

১৯০২ – অধ্যাপক, গবেষক ও সাহিত্যিক অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়।

 

১৯০৬ – রামকিঙ্কর বেইজ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,বাঁকুড়া জেলা, বিখ্যাত ভাস্কর।

১৯৬৩ – মাইক মায়ার্স্‌, মার্কিন কৌতুকাভিনেতা।

 

১৯৬৯ – আমেরিকান প্রযোজক ও অভিনেত্রী অ্যানি হেচে।

১৯৭৫ – আমেরিকান মিউজিশিয়ান, গায়িকা ও অভিনেত্রী লরেন হিল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৬৮ – ক্যাপটেন কুক তার বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে প্রথম অভিযান শুরু করেন।

১৯১১ – মেক্সিকোতে বিদ্রোহের মুখে প্রেসিডেন্ট পোরদিরিও দিয়াজ উৎখাত।

১৯২৩ – আমীর আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ট্রান্স জর্দানের স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৩৬ – নিগ্রো ক্রীড়াবিদ জেসি ওয়েন বার্লিন অলিম্পিকে ৫টি বিশ্বরেকর্ড ভঙ্গ করে।

১৯৪৪ – জার্মানি যুগোশ্লাভিয়ার কম্যুনিষ্ট নেতা জোসেপ ব্রজ টিটোকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালিয়েছিলো।

১৯৪৫ – হিটলারের নাৎসী বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা গেস্টোপোর প্রধান হেনরিখ হিমলার আত্মহত্যা করেছিলেন।

১৯৬৩ – ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা বা ওএইউ গঠিত হয়।

১৯৬৯ – সুদানে সেনা অভ্যুত্থানে সরকার উৎখাত।

১৯৭১ – মুজিবনগর থেকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় আর্জেন্টিনা।

১৯৭৯ – শিকাগোতে আমেরিকায় ডিসি-১০ বিধ্বস্ত হয়ে ২৭২ যাত্রীর সবাই নিহত।

১৯৮৯ – গর্বাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম প্রশাসনিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৪ – দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

১৯৯৭ – সিয়েরালিওনে বিদ্রোহীদের সহিংস অভ্যুত্থানে সরকার উৎখাত।

২০০০ – বাংলাদেশের সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রথম মহিলা বিচারপতি (নাজমুন আরা সুলতানা) নিয়োগ।

২০১৮ – শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৪৫ – স্কট চিত্রশিল্পী টমাস ডানকানের মৃত্যু।

 

১৯৮৩ – মুহাম্মদ ইদ্রিস আল-সেনুস, লিবিয়ার বাদশাহ।

 

১৯২৪ – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ সময়ের ভাইস-চ্যান্সেলর।

 

১৯৪১ – গুরুসদয় দত্ত, ব্রতচারী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও সমাজকর্মী।

২০০১ – আলবের্তো কোর্দা,কিউবান আলোকচিত্র শিল্পী।

 

২০২১ – কল্পবিজ্ঞানের বাঙালি লেখিকা এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ভারতীয় কমনওয়েলথ দিবস: 24 মে।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৪৪ – উইলিয়াম গিলবার্ট, ইংরেজ চিকিৎসক।

১৬৮৬ – ড্যানিয়েল গ্যাব্রিয়েল ফারেনহাইট, পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৮১৩ – কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, ঊনবিংশ শতকের অন্যতম বাঙালি শিক্ষাবিদ, ভাষাতত্ত্ববিদ ও খ্রিষ্টধর্মপ্রচারক।

 

১৮১৯ – রাণী ভিক্টোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাণী।

১৮৫৮ – সারদারঞ্জন রায়, বাংলার যুবসমাজে ক্রিকেট খেলার প্রচলক।

 

১৮৯৯ – (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) কাজী নজরুল ইসলাম- বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কবি। বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম হয়।

১৯০৫ – মিখাইল শলোখভ, নোবেলজয়ী সোভিয়েত ঔপন্যাসিক।

 

১৯২০ – সোমেন চন্দ, মার্ক্সবাদী বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৪০ (ক)  জোসেফ ব্রডস্কি, বিখ্যাত রুশ কবি ও প্রাবন্ধিক।

(খ) মওদুদ আহমেদ, বাংলাদেশের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি, অষ্টম প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৪১ – বব ডিলান, মার্কিন গায়ক, গীতিকার, লেখক, সঙ্গীতজ্ঞ ও কবি।

 

১৯৪২ – আলী বাখের, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৪৯ – জিম ব্রডবেন্ট, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৫১ – মুনতাসীর মামুন, বাংলাদেশী অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক।

 

১৯৫৫ – রাজেশ রোশন, ভারতীয় সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৬৬ – এরিক কাঁতোয়াঁ, সাবেক ফরাসি ফুটবলার।

১৯৬৯ – মার্টিন ম্যাককেগ, আইরিশ বংশোদ্ভূত সাবেক পেশাদার ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৭ – জিৎ গাঙ্গুলী, ভারতীয় সংগীত পরিচালক এবং গায়ক।

১৯৯১ – সাফিয়ান শরীফ, স্কটিশ ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮২২ – ইকুয়েডর স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৮৪৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের সংসদভবন থেকে মার্কিন আবিষ্কারক মোর্স (মোরিস) ৪০ মাইল দূরের বাল্টিমোর শহরে বিশ্বের প্রথম দূরপাল্লার টেলিগ্রাম পাঠান।

১৮৬২ – টমস নদীর ওপর ওয়েস্ট মিনিস্টার সেতু উন্মুক্ত করা হয়।

১৮৭৫ – স্যার সৈয়দ আহমদ খান আলিগড়ে মোহামেডান অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল স্থাপন করেন। এটিই পরে (১৯২০) আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।

১৯০২ – ব্রিটেনে প্রথম ‘এম্পায়ার ডে’ পালিত হয়।

১৯৬৪ – রিও ডি জেনিরোর জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দাঙ্গায় ৩২৮ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক আহত হন।

১৯৭২ – কবি কাজী নজরুল ইসলাম কে ভারত থেকে ঢাকায় আগমন। রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দান।

১৯৮৫ – বাংলাদেশের উড়িরচরে জলোচ্ছ্বাসে ১১ হাজার লোকের প্রাণহানি।

১৯৯১ – বর্ণবাদী ইসরাইল সরকার, দ্বিতীয় বারের মতো ১৪ হাজার চার’শ ইহুদিকে ইথিউপিয়া থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনে নিয়ে আসে।

১৯৯৩ – উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়া,ইথিউপিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৪ – মক্কায় পদদলিত হয়ে ২৭০ হাজীর মৃত্যু।

২০০০ – ইসরাইলী বাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৪৩ – নিকলাস কপারনিকাস, জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

 

১৮৯৪- বিহারীলাল চক্রবর্তী, বাংলার গীতিকবি।

১৯০৩ – হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, উনিশ শতকের বাঙালি কবি।

১৯৩২ – কার্ল বেন্ডা, জার্মান অণুজীববিজ্ঞানী।

 

১৯৪০ – অমিতা সেন, ১৯৩০-এর দশকের খ্যাতনামা রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

১৯৫৯ – জন ফস্টার দুললেস, মার্কিন কূটনীতিক।

১৯৭১ – জাকির হোসাইন, পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর।

১৯৮৯ – তৃপ্তি মিত্র, বাঙালি মঞ্চ অভিনেত্রী।

 

১৯৯২ – শৈলজারঞ্জন মজুমদার, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ ও রবীন্দ্র সংগীত প্রশিক্ষক।

১৯৯৫ – হ্যারল্ড উইলসন, যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

 

২০১০ – তপেন চট্টোপাধ্যায়, “গুপী গায়েন” খ্যাত বাঙালি অভিনেতা।

২০১০ – বেবী ইসলাম, বাংলাদেশি চিত্রগ্রাহক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

২০১৪ – ডেভিড অ্যালেন, ইংরেজ ক্রিকেটার।

২০১৬ – খালেদা একরাম, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য।

২০২০ – মকবুল হোসেন, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও ঢাকা-৯ আসনের সাবেক এমপি, কোভিড-১৯।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২২ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব জীব বৈচিত্র্য দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৭০- রাজকুমারী এলিজাবেথ।

 

১৭৭২ – রাজা রামমোহন রায়, প্রথম ভারতীয় ধর্মীয়-সামাজিক পুনর্গঠন আন্দোলন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাঙালি দার্শনিক।

১৮২২ – কিশোরীচাঁদ মিত্র, বাঙালী লেখক,সমাজকর্মী।

 

১৮৫৯ – আর্থার কোনান ডয়েল, স্কটিশ সাহিত্যিক, শার্লক হোম্‌সের গল্পসমূহের জন্য বিখ্যাত।

১৯০৭ – অ্যার্জে, বেলজীয় কমিক্স লেখক ও চিত্রকর।

১৯০৭ – লরন্স অলিভিয়ে, ইংরেজ অভিনেতা ও পরিচালক।

 

১৯১৭ – সুনীতি চৌধুরী ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী বিপ্লবী।

 

১৯৪৬ – জর্জ বেস্ট, আইরিশ ফুটবলার।

 

১৯৫০ – স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত, কিংবদন্তি বাঙালি মঞ্চাভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৪৫ – আফগান সম্রাট শের শাহ নিহত হন।

১৭১২ – ষষ্ঠ ক্যারেল হাঙ্গেরির রাজা হিসেবে অভিষিক্ত

১৭৪৬ – রাশিয়া ও অষ্ট্রিয়া সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর।

১৭৬২ – সুইডেন ও প্রুশিয়া শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর।

১৮০৩ – কানেকটিকাটে প্রথম পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধন।

১৮৯৭ – টেমস নদীর তলদেশে ব্লাক ওয়াল টানেল আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়।

১৯২৭ – চীনের নানশানে প্রচণ্ড ভূমিকম্পে দুই লক্ষ লোকের প্রাণহানি।

১৯৩৯ – জার্মানির বার্লিনে ইতালী ও জার্মানির মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত।

১৯৭২ – সিলোনের নাম শ্রীলঙ্কা রাখা হয় এবং দেশটি প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।

১৯৯০ – উত্তর ও দক্ষিণ ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ ঘোষণা পত্রে দুই ইয়েমেনকে একত্রীকরণের কথা ঘোষণা করেন।

১৯৯৪ – সম্মিলিত জার্মানীর প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রোমান হারজগ।

২০০৪ – ভারতের কংগ্রেস জোটের মনোনীত দেশটির ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ডঃ মনমোহন সিং শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১১৫৭ – জাপানের সম্রাট গো-রেইজেই।

 

১৫৪৫ – আফগান সম্রাট শের শাহ।

 

১৮৮৫ – ভিক্টর হুগো, ফরাসি সাহিত্যক, রাজনীতিবিদ এবং মানবাধিকার কর্মী।

 

১৮৯৮ – এডওয়ার্ড বেলামি, মার্কিন লেখক এবং সমাজতন্ত্রী।

 

১৯৬৬ – টম গডার্ড, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৯৬৭ – মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ।

 

১৯৯১ – শ্রীপাদ অমৃত ডাঙ্গে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ।

 

২০১১ -চিদানন্দ দাসগুপ্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, চলচ্চিত্র সমালোচক, চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ।

২০১৮ – তাজিন আহমেদ, বাংলাদেশী অভিনেত্রী, সাংবাদিক ও উপস্থাপক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This