Categories
রিভিউ

আজ ২১ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক চা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—–

১৬৮৮ – আলেকজান্ডার পোপ, ইংরেজ কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক।

 

১৮৩৫ – বিহারীলাল চক্রবর্তী, বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত।

 

১৮৪৪ – ফরাসি চিত্রশিল্পী আঁরি রুশো।

১৮৬০ – হৃদরোগ চিকিৎসায় ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাফির প্রবর্তক ওলন্দাজ চিকিৎসক উইলিয়াম আইটোফেন ডাচ।

 

১৮৮৮ – ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ ভূপতিমোহন সেন।

 

১৯০৪ – রবার্ট মন্টগামারি, মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯২১ – (ক)  শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি নামে পরিচিত প্রভাতরঞ্জন সরকার, ভারতীয় বাঙালি দার্শনিক ও আনন্দমার্গ’-এর প্রতিষ্ঠাতা।

 

(খ) আন্দ্রে শাখারভ, সোভিয়েত ইউনিয়নের পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী, নোবেল বিজয়ী।

 

১৯৬০ – মোহনলাল, দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেতা।

 

১৯৭৫ – রব জেনকিনস বিখ্যাত অস্টেলিয়ান অভিনেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫০২ – জোয়া দ্য নোভা সেন্টের হেলেনা দ্বীপ আবিষ্কার করেন।

১৭৪৪ – ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে যুদ্ধ শুরু।

১৮৪০ – ক্যাপ্টেন হবসনের নিউজিল্যান্ডে ব্রিটিশ সার্বভৌমত্ব দাবি।

১৮৫১ – অস্ট্রেলিয়ায় স্বর্ণ আবিষ্কৃত হয়।

১৮৭৭ – দশম রুশ-তুরস্ক যুদ্ধ শুরু।

১৯০৪ – ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ফিফা) গঠিত।

১৯৩৮ – বেঙ্গল মোশন পিকচার এ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৬ – প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ।

১৯৭৪ – যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সাহায্য চুক্তিস্বাক্ষর।

১৯৯০ – ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব ইয়েমেন এবং উত্তর ইয়েমেন রিপাবলিক অব ইয়েমেন নামে একত্র হতে সম্মত হয়।

১৯৯১ – রাজীব গান্ধী মাদ্রাজের কাছে এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীর আঘাতে মারা যান।

১৯৯১ – ক্রিকেট তারকা সাঈদ আনোয়ারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ (১৯৪) রানের বিশ্ব রেকর্ড।

১৯৯৪ – ইয়েমেন স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৮ – ইন্দোনেশিয়ার স্বৈরশাসক জেনারেল সুহার্তো গণ-আন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

২০০৩ – এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে আলজেরিয়ায় দুই হাজার লোক নিহত হয়।

২০০৬ – বাংলাদেশে সাবমেরিন কেবল সিস্টেমের উদ্বোধন হয়। এ কেবলের সাথে বিশ্বের ১৪টি দেশ যুক্ত রয়েছে।

২০১৭ – আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রের কলকাতা ‘ক’ প্রচারতরঙ্গের নাম ‘গীতাঞ্জলি’ ও কলকাতা ‘খ’ প্রচারতরঙ্গের নাম ‘সঞ্চয়িতা’ য় পরিবর্তিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১১ – উইলিয়ামিনা ফ্লেমিং, স্কটল্যান্ডীয় জ্যোতির্বিদ।

১৯২০ – গ্রেট বেঙ্গল সার্কাসের প্রতিষ্ঠাতা প্রিয়নাথ বসু।

১৯২৬ – ফ্রিড্‌রিশ ক্লুগে, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯৪৯ – জার্মান লেখক ক্লাউস মান।

১৯৫২ – জন গারফিল্ড, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৯১ – রাজীব গান্ধী, ভারতের সাবেক (ষষ্ঠ) প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস সভাপতি।

১৯৯৪ – মাসিক সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন।

 

২০০০ – জন গিলগুড, ইংরেজ অভিনেতা ও মঞ্চ পরিচালক।

 

২০০৩ – সুমিত্রা মুখোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেত্রী।

 

২০২১ – ভারতীয় বিশিষ্ট গড়ওয়ালি পরিবেশবিদ এবং চিপকো আন্দোলনের নেতা সুন্দরলাল বহুগুণা।

 

২০২১ – উসমান মনসুরপুরী, জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের সর্বভারতীয় সভাপতি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস আজ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৯৯ – অনরে দ্য বালজাক, ঊনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক এবং নাট্যকার।

 

১৮০৬ – জন স্টুয়ার্ট মিল, ইংরেজ দার্শনিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনীতিবিদ।

১৮২২ – ফ্রেদেরিক পাসি, ফরাসী অর্থনীতিবিদ এবং শান্তিকর্মী।

১৮৬০ – এডুয়ার্ড বুখনার, জার্মান রসায়নবিদ।

১৮৮২ – সিগ্রিড উন্ড্‌সেট, একজন নরওয়ান ঔপন্যাসিক।

১৮৮৫ – প্রথম ফয়সাল, আরব বিদ্রোহের অন্যতম নেতা এবং ইরাকের প্রথম বাদশাহ।

 

১৯০৮ – জেমস স্টুয়ার্ট, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯১৩ – উইলিয়াম হিউলেট, আমেরিকান প্রকৌশলী এবং হিউলেট প্যাকার্ড কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

১৯১৮ – এডওয়ার্ড বি লুইস, মার্কিন জিনবিজ্ঞানী।

 

১৯২৩ – মমতাজ বেগম,মহান বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগ্রামী নারী।

 

১৯৩৫ – হোসে মুজিকা, উরুগুয়ের রাজনীতিবিদ এবং ৪০তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৪১ – গোহ চক টং, সিঙ্গাপুরের রাজনীতিবিদ, সিঙ্গাপুরের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।

১৯৪৩ – ডেরেক মারে, সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৪৪ – কিথ ফ্লেচার, সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৪৬ – শের, মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী।

 

১৯৫২ – রজার মিলা, অবসরপ্রাপ্ত ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার।

১৯৫৭ – ইয়োশিহিকো নোদা, জাপানের রাজনীতিবিদ এবং ৬২তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৪ – শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা।

১৯৮১ – ইকার ক্যাসিয়াস, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৮২ – ইমরান ফরহাত, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯৯২ – কেট ক্যাম্পবেল, অস্ট্রেলীয় প্রমিলা সাঁতারু।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯৮ – ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন।

১৬০৯ – শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প।

১৮৬৭ – মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ।

১৯০২ – কিউবা নিজেকে একটি প্রজাতন্ত্র হিসাবে ঘোষণা করে।

১৯১০ – টোকিও সরকার কোরীয় উপদ্বীপকে জাপানের অংশ বলে ঘোষণা করে।

১৯৩২ – ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন।

১৯৩৪ – সীমান্ত বিরোধ নিয়ে সৌদী আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হবার পর পরাজিত ইয়েমেন সরকার তায়েফ চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৩৯ – আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে প্যান আমেরিকান এয়ারওয়েজের বিমান চলাচল শুরু হয়।

১৯৫৪ – পাকিস্তানে ৯২ ক ধারায় গভর্নর শাসন জারি এবং পূর্ব পাকিস্তানে ফজলুল হক মন্ত্রিসভা বাতিল ঘোষণা।

১৯৭১ – ২০ মে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে খুলনার চুকনগরে পাকিস্থান আর্মি কর্তৃক সর্ববৃহৎ গণহত্যা সংগঠিত হয়।

১৯৮৩ – এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে।

১৯৮৬ – বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ – বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল নাসিম ক্ষমতাচ্যুত হন।

২০০০ – ফিজির অভ্যুত্থানের নেতা জর্জ স্পেইট কর্তৃক নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫০৬ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস, ইতালীতে জন্মগ্রহণকারী নাবিক ও অভিযাত্রী।

১৮৫৪ – মতিলাল শীল,বিখ্যাত বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর।

 

১৯৩২ – বিপিন চন্দ্র পাল, বাগ্মী বাঙালী নেতা ও ভারতীয় জাতীয় আন্দোলনের সৈনিক।

১৯৪০ – সুইডেনের নোবেলজয়ী (১৯১৬) কথাসাহিত্যিক কার্ল গুস্তাফ ভন হাইডেনস্টম।

 

১৯৪৭ – ফিলিপ লেনার্ড, বিখ্যাত হাঙ্গেরীয়-জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৪৭ – প্যারীমোহন সেনগুপ্ত, বাঙালি কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক।

 

২০০২ – স্টিভেন জে গুল্ড, মার্কিন জীবাশ্মবিজ্ঞানী, বিবর্তনবাদী জীববিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞানের ইতিহাসবিদ।

 

২০১৭ – আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও লেখক।

 

২০১৯ – অদ্রীশ বর্ধন,ভারতীয় বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস, জানুন দৈনন্দিন জীবনে মেট্রোলজির গুরুত্ব।

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস 2024: প্রতি বছর 20 মে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত হয়। এই দিনটি পরিমাপের বিজ্ঞান এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ভূমিকার জন্য উত্সর্গীকৃত। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মেট্রোলজির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর একটি সুযোগ।

মেট্রোলজি হল সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য পরিমাপ পাওয়ার প্রক্রিয়া। এটি বৈজ্ঞানিক, শিল্প এবং আইনি দিক সহ পরিমাপের সমস্ত দিককে অন্তর্ভুক্ত করে। মেট্রোলজি পণ্য ও পরিষেবার গুণমান মূল্যায়ন, বাণিজ্যিক লেনদেনে ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপত্তা ও গুণমানকে উন্নীত করতে ব্যবহৃত হয়। আসুন বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস 2024-এর থিম, ইতিহাস, তাৎপর্য এবং ক্রিয়াকলাপগুলি দেখে নেওয়া যাক।

 

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস 2024: থিম

 

20 মে 2024-এ প্রথমবারের মতো বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত হবে। এই উপলক্ষে, ইউনেস্কো 14 মে প্যারিস সদর দফতরে “আমরা একটি টেকসই আগামীকালের জন্য আজ পরিমাপ করি” থিম নিয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস: ইতিহাস

 

ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অফ ওয়েটস অ্যান্ড মেজারস (বিআইপিএম) 1875 সালে মিটার কনভেনশন স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিআইপিএম হল একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা প্রমিত পরিমাপ ব্যবস্থার ব্যবহার প্রচারের জন্য নিবেদিত। মিটার কনভেনশন পরিমাপের মানগুলির উপর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। এর ফলে কিলোগ্রামের আন্তর্জাতিক প্রোটোটাইপ (IPK) ভরের মানক একক হিসেবে গড়ে ওঠে। ইন্টারন্যাশনাল প্রোটোটাইপ অফ দ্য মিটার (IPM) দৈর্ঘ্যের আদর্শ একক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

 

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস 2024: তাৎপর্য

 

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসের তাৎপর্য বোঝা যায় যে এটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেট্রোলজির গুরুত্ব তুলে ধরার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। এটি বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণ প্রচারে এর ভূমিকার উপর জোর দেওয়ার একটি সুযোগ। উপরন্তু, বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস মেট্রোলজিস্টদের দক্ষতা প্রদর্শন এবং সমাজে তাদের অবদান প্রচার করার একটি সুযোগ প্রদান করে।

একজনকে সচেতন হওয়া উচিত যে মেট্রোলজির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির মধ্যে রয়েছে প্রমিত পরিমাপ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, তথ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য যন্ত্র এবং পদ্ধতির বিকাশ, এবং বাণিজ্য, শিল্প, পরিবহন এবং জল সম্পদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেট্রোলজির প্রয়োগ। .

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস 2024 উদযাপনের উপায়

  1. একটি সম্মেলনে যোগ দিন- বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উদযাপনের একটি ভাল উপায় হল মেট্রোলজি সম্পর্কে একটি সম্মেলনে যোগদান করা। আপনি দৈনন্দিন জীবনে মেট্রোলজির গুরুত্ব এবং প্রয়োগ সম্পর্কে আরও জানতে পারেন।
  2. মেট্রোলজি সম্পর্কে আরও জানুন- আপনি যদি মেট্রোলজি সম্পর্কে অনিশ্চিত হন তবে আপনি এটি সম্পর্কে আরও জানতে পারেন। মেট্রোলজি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রয়োগ বিভিন্ন মূল শিল্পে দেখা যায়। সুতরাং এটি সম্পর্কে শেখা দিনটি উদযাপন করার একটি দুর্দান্ত উপায়।
  3. সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন- আপনি সোশ্যাল মিডিয়াতে দিনটি সম্পর্কে আরও লোকেদের জানাতে পারেন৷ আপনি পোস্টার বা ইনফোগ্রাফিক্স তৈরি করতে পারেন যাতে অন্যরা মেট্রোলজি এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে আরও জানতে এবং শেয়ার করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য–

 

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগাল মেট্রোলজি সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ লিগাল মেট্রোলজি প্রতিষ্ঠিত: ১৯৫৫।

 

।।তথ্য ঋণ  : অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ইন্টারনেট।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৯০ – হো চি মিন,ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা ও গণপ্রজাতন্ত্রী ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯০৮ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

 

১৯১০ – অ্যালান মেলভিল, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯১৩ – নীলম সঞ্জীব রেড্ডি, ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।

 

১৯১৪ – (ক)  অমিতা সেন, ১৯৩০ এর দশকে শান্তিনিকেতনে ‘খুকু’ নামে পরিচিত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

(খ) ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতয, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ আণবিক জীববিজ্ঞানী।

১৯২২ – অমর পাল,ভারতের বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লেখক।

১৯২৫ – পল পট, কম্বোডিয়ার খেমাররুজ দলের নেতা।

১৯২৫ – ম্যালকম এক্স, আফ্রিকান-মার্কিন মুসলিম রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় নেতা।

 

১৯৩৪ – রাস্কিন বন্ড, ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ভারতীয় লেখক।

 

১৯৩৮ – গিরিশ কারনাড, ভারতীয় ভাষাবিজ্ঞানী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক।

১৯৪৬ – আন্দ্রে দি জিয়ান্ট, ফরাসী বংশোদ্ভূত আমেরিকান পেশাদার কুস্তিগির এবং অভিনেতা।

 

১৯৭৪ – নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৭৯ – আন্দ্রেয়া পিরলো, ইতালীয় পেশাদার ফুটবলার।

১৯৭৯ – দিয়েগো ফরলান, উরুগুয়ের জাতীয় ফুটবল দলের একজন খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – অ্যালিস্টার ব্ল্যাক, ওলন্দাজ পেশাদার কুস্তিগির।

১৯৯২ – মার্শমেলো, মার্কিন ইলেকট্রনিক সঙ্গীত প্রযোজক এবং ডিজে।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৯৭ – ইংরেজ কবি অস্কার ওয়াইল্ডের কারামুক্তি।

১৯৩০ – দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ মহিলাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ।

১৯৩৬ – বৃটিশ আবিষ্কারক ওয়াটসন ওয়াট রাডার নির্মাণ করেন।

১৯৪৩ – তৎকালীন বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাংকলিন রুজভেল্ট ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের উপকূল নর্মান্ডিতে মিত্রপক্ষের সৈন্য অবতরণের একটি তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

১৯৫৪ – ভারত-মার্কিন সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬১ – আসামের বরাক উপত্যকায় বাংলাকে সরকারি ভাষার মর্যাদার দাবিতে বাংলা ভাষা আন্দোলন (বরাক উপত্যকা)-এ প্রাদেশিক পুলিশের গুলিতে ১১ জন শহীদ হন।

১৯৮০ – পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি হতে প্রথম উত্তরবঙ্গ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

১৯৮৯ – বেজিংয়ে সামরিক শাসন জারি।

১৯৯১ – সাবেক যুগশ্লাভিয়াভুক্ত ক্রোয়েশিয়ীদের স্বাধীনতার জন্য গণভোট।

১৯৯৩ – মেডেলিনে কলম্বিয়া জেটলাইনার বিধ্বস্ত হয়ে ১৩২ জন নিহত।

১৯৯৪ – মালাবিতে প্রথম বহুদলীয় নির্বাচনে বাকিলি মুলুজের কাছে ৩০ বছরের সামরিক শাসক কামুজুবান্দা পরাজিত।

১৯৯৭ – বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভয়ানক ঘূর্ণিঝড়ে সাড়ে ৩ শতাধিক প্রাণহানি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।

২০০১ – প্রথম অ্যাপল রিটেইল স্টোর উদ্ভোধন।

২০১৯ – বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬২৩ – জোধাবাই, রাজস্থানের রাজপুতঘারানার রাজা ভারমালের জ্যেষ্ঠ কন্যা।

১৮৬৪ – ন্যাথানিয়েল হথর্ন, আমেরিকান উপন্যাসিক, ডার্ক রোম্যান্টিক এবং ছোটগল্প লেখক।

১৯০৩ – আর্থার শ্রিউসবারি, ইংলিশ ক্রিকেটার।

 

১৯০৪ – জামশেদজী টাটা, ভারতের অগ্রণী শিল্পপতি ও টাটা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৩৫ – টি. ই. লরেন্স, লরেন্স অব এ্যারাবিয়া নামে পরিচিত ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ব বিশারদ, সামরিক নীতি নির্ধারক এবং লেখক।

১৯৩৬ – মারমাডিউক পিকথাল, ইংরেজ ইসলামি পণ্ডিত।

১৯৪৬ – বুথ টার্কিংটন, মার্কিন ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।

১৯৫৮ – স্যার যদুনাথ সরকার, বাঙালি ইতিহাসবিদ।

১৯৫৮ – রোনাল্ড কলম্যান, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৬১ – বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষার আন্দোলনে যে এগারোজন শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে শহীদ হন –

কমলা ভট্টাচার্য

কানাইলাল নিয়োগী

 

চন্ডীচরণ সূত্রধর,

হিতেশ বিশ্বাস,

সত্যেন্দ্রকুমার দেব,

কুমুদরঞ্জন দাস,

সুনীল সরকার,

 

তরণী দেবনাথ ;

শচীন্দ্র চন্দ্র পাল;

বীরেন্দ্র সূত্রধর  এবং

সুকোমল পুরকায়স্থ।

 

১৯৬৬ – সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়, খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও আইনজীবী।

১৯৭০ – অভিধানকার, লেখক ও চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদ।

 

১৯৭৯ – হাজারী প্রসাদ দ্বিবেদী , হিন্দি ভাষার ঔপন্যাসিক,প্রাবন্ধিক ও সমালোচক।

১৯৮৭ – (ক) বাঙালি বামপন্থী বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ চিন্মোহন সেহানবীশ।

 

(ক) ছিদ্দিক আহমদ, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।

১৯৯৪ – জ্যাকলিন কেনেডি ওনাসিস, সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি।

 

১৯৯৭ – শম্ভু মিত্র, বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব।

২০০৯ – রবার্ট ফ্রান্সিস ফার্চগট, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

২০১২ – সফিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

 

২০২২ – আবদুল গাফফার চৌধুরী, কালজয়ী একুশে গানের রচিয়তা, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

১৯শে মে বাংলা ভাষা অন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি : দিলীপ রায় (৯৪৩৩৪৬২৮৫৪) ।

আজ ১৯শে মে । ১৯৬১ সালের আজকের দিনে বাংলা মাতৃভাষা অন্দোলনে  অসম রাজ্যের শিলচরে ১১ জন তরতাজা প্রাণ দিয়েছিলেন ।
প্রথমেই বলে রাখি অসম রাজ্যে দুটি উপত্যকা — একটি ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা যেমন গুয়াহাটি ও আশপাশ এলাকা এবং অন্যটি হচ্ছে বরাক উপত্যকা । ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় অসম রাজ্যের অন্তর্গত বাংলাভাষী ভূ-খণ্ড বরাক উপত্যকার মধ্যে রয়েছে করিমগঞ্জ, হইলাকান্দি, বদরপুর, শিলচর প্রভৃতি বাঙালি অধ্যুষিত শহর  । দেশ বিভাগের আগে অবিভক্ত সিলেট জেলাসহ এই বরাকের অধিবাসী বাঙালিরাই পুরো আসাম প্রদেশের নেতৃত্ব দিয়েছে । আপনাদের হয় তো মনে থাকবে,  অবিভক্ত অসম রাজ্য ভেঙে তৈরি হয় ত্রিপুরা, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মেঘালয় ও  অরুণাচল প্রদেশ রাজ্য ।
আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষার আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে । ১৯৬০-৬১ সালের ঘটনা । তৎকালীন আসাম  প্রদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিলো, বাংলাভাষী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের সরকারি ভাষা হবে অসমীয়া । বরাক উপত্যকার সাধারণ মানুষ হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে এই সিদ্ধান্তকে ভাল চোখে দেখলেন না । তাই  বাংলা ভাষার স্বীকৃতির জন্যে তাঁরা মরণপণ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়লেন । এই গণ আন্দোলনের প্রধান উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটে ১৯৬১ সালের ১৯ মে । সেদিন ১১ জন প্রতিবাদীকে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম পুলিশ গুলি করে হত্যা করে । সেই আন্দোলনের জেরে শেষপর্যন্ত আসাম সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল ।  শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তারপর থেকে  ১৯শে মে, বাংলা ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে দিনটি পালিত  হচ্ছে  সারা দেশে ।
এবার পেছনের দিকে আসা যাক ।   আমরা জানি, পাকিস্তান সরকারের উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী ভাষা অন্দোলনের কথা । ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বরকত-সালাম-জব্বারেরা শহিদ হয়েছিলেন বাংলা ভাষার মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে । তারপর ধাপে ধাপে বাংলা ভাষার নিরিখে ১৯৭১ সালে জন্ম নিয়েছিল একটি রাষ্ট্র, নাম বাংলাদেশ ।
এবারে আসছি তৎকালীন আসাম রাজ্যের বাঙালী অধ্যুষিত বরাক উপত্যকায় অসমীয়া ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার ঘৃণ্য চক্রান্ত প্রসঙ্গে । ১৯৬০ সালের এপ্রিলে আসাম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটিতে অসমীয়া ভাষাকে প্রদেশের একমাত্র সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করার একটি প্রস্তাবের সূচনা হয় । তারপর ১০ অক্টোবর, ১৯৬০ সালের  তদানীন্তন আসামের মুখ্যমন্ত্রী বিমলা প্রসাদ চলিহা অসমীয়াকে আসামের একমাত্র সরকারী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করেন । যদিও  উত্তর করিমগঞ্জ-এর  বিধায়ক রণেন্দ্রমোহন দাস এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন । কিন্তু তা সত্ত্বেও ২৪ অক্টোবর প্রস্তাবটি বিধানসভায় গৃহীত হয় ।
তারপর অসমীয়া ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার বিরূদ্ধে বরাক উপত্যকার মানুষদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয় । মানুষ প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন । ফলশ্রুতি হিসাবে বরাক উপত্যকার মানুষেরা সরকারের প্রতিবাদ করতে ১৯৬১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি  কাছাড় গণ সংগ্রাম পরিষদ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন ।  আসাম  সরকারের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ১৪ এপ্রিল  শিলচর, করিমগঞ্জ ও  হাইলাকান্দির মানুষেরা  সংকল্প দিবস হিসাবে পালন করেন ।  বরাকের জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য গণ সংগ্রাম পরিষদ  ২৪ এপ্রিল  দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছিল । ২মে  শেষ হওয়া এই পদযাত্রাটিতে অংশ নেওয়া অন্দোলনকারিরা  প্রায় ২০০ মাইল উপত্যকাটির গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রচার চালিয়েছিলেন । পদযাত্রার শেষে সিদ্ধান্ত হয়, ১৯ মে তাঁরা ব্যাপক হরতাল করবেন  । ১৯ মে  শিলচর, করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দিতে হরতাল ও  পিকেটিং শুরু হয় । করিমগঞ্জে আন্দোলনকারীরা সরকারী কার্যালয়, রেলওয়ে স্টেশন, কোর্ট,  ইত্যাদিতে পিকেটিং করেন । শিলচরে তারা রেলওয়ে স্টেশনে সত্যাগ্রহ করেছিলেন । বিকেল ৪টার সময়সূচির ট্রেনটির সময় পার হওয়ার পর হরতাল শেষ করার কথা ছিল । ভোর ৫:৪০ এর ট্রেনটির একটিও টিকিট বিক্রি হয়নি । সকালে হরতাল শান্তিপূর্ণ ভাবে অতিবাহিত হয়েছিল । কিন্তু বিকালে স্টেশনে অসম রাইফেল এসে উপস্থিত হয় । বিকেল প্রায় ২:৩৫ নাগাদ স্টেশনে   আন্দোলনকারীদেরকে  বন্দুক ও লাঠি  দিয়ে মারতে শুরু করে । এরপর সাত মিনিটের ভিতর তারা ১৭ রাউণ্ড গুলি আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে  চালায় ।  ন’জন সেদিনই নিহত হয়েছিলেন,  দু’জন পরে মারা যান । (নীচে শহীদদের ফটোসহ নাম দেওয়া হলো ) । সবচেয়ে যেটি গুরুত্বপূর্ণ,  প্রথম একজন মহিলা ভাষা অন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন, নাম কমলা ভট্টাচার্য ।
সেই আন্দোলনের জেরে শেষ পর্যন্ত  আসাম সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল এবং আসাম সরকার বরাক উপত্যকায় বাংলাকে সরকারী ভাষা হিসাবে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল  । তারপর সেই ঘটনার পর থেকে ১৯শে মে বাংলা ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে সারা দেশে । উল্লেখ থাকে যে বরাক উপত্যকায়  শুধু নয়,  পৃথিবীর আপামর বাংলা ভাষাভাষীর মানুষ ১৯ মে কে বাংলা ভাষা শহীদ দিবস হিসাবে পালন করে আসছে  যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে । তাই বলা চলে,  ১৯৬১ সালের ১৯শে মে বরাক উপত্যকার শিলচরের ভাষা অন্দোলন — বিশ্বের মাতৃভাষা আন্দোলনের অন্যতম দৃষ্টান্ত ।  (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত)
১৯শে মে ভাষা দিবসের শহীদদের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024: তারিখ, থিম, ইতিহাস, তাৎপর্য এবং কার্যকলাপ।

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024: প্রতি বছর 18 মে আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস পালিত হয়। দিবসটি 1977 সালে ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অফ মিউজিয়াম (আইসিওএম) দ্বারা সমাজে জাদুঘরের ভূমিকা প্রচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

সামগ্রিকভাবে, জাদুঘর দিবস হল জাদুঘরের বিশ্ব উদযাপন করার এবং সমাজে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি দিন। জাদুঘর আমাদের বিভিন্ন সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং প্রাকৃতিক বিস্ময় সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। তারা প্রতিফলন এবং সৃজনশীলতার জন্য স্থান প্রদান করে। আসুন ইতিহাস, তাৎপর্য, থিম এবং আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024 উদযাপনের উপায় সম্পর্কে আরও জানি।

 

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024: থিম

 

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024-এর থিম হল  “শিক্ষা ও গবেষণার জন্য জাদুঘর”

 

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024: তাৎপর্য

 

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল জাদুঘরগুলি কীভাবে সমাজে অবদান রাখে সে সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়, বৈচিত্র্য এবং অন্তর্ভুক্তি প্রচার করা। জাদুঘরগুলি মানুষকে একত্রিত করতে এবং উদযাপনের জন্য একটি থিমের সাথে তাদের আবদ্ধ করতে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করে। প্রতি বছরের আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবসের থিম একটি বার্তা বহন করে যা একটি নির্দিষ্ট বিষয় এলাকার গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে।

জাদুঘর হল এমন জায়গা যেখানে লোকেরা বিভিন্ন সংস্কৃতি , ইতিহাস এবং প্রাকৃতিক বিস্ময় সম্পর্কে জানতে পারে । তারা প্রতিফলন এবং সৃজনশীলতার জন্য স্থান প্রদান করে। আমরা কেন জাদুঘর দিবস উদযাপন করি তার একটি প্রধান কারণ হল সমাজ গঠনে যাদুঘরের মূল্যকে উপলব্ধি করা। জাদুঘরগুলি আমাদের চারপাশের জগতকে বুঝতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অন্যান্য মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।

তারা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাদুঘরগুলি বিভিন্ন সংস্কৃতির লোকেদের মধ্যে ঐক্য ও বোঝাপড়ার প্রচারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। জাদুঘরগুলি জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া এবং বিশ্বের একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য নিবেদিত৷

যাদুঘরগুলি পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই অনুশীলনের প্রচারের জন্য নিবেদিত। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

‘কিভাবে আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস 2024 উদযাপন করবেন?

 

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস উদযাপনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল একটি জাদুঘর পরিদর্শন করা। একা বা বন্ধু বা পরিবারের সাথে কাছাকাছি একটি জাদুঘরে যান৷ আপনার আগ্রহের একটি যাদুঘর দেখার জন্য আপনি একটি ভিন্ন শহরে ভ্রমণের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণ করতে পারেন৷

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস উদযাপনের আরেকটি উপায় হল আপনার স্থানীয় যাদুঘরে একটি সংগ্রহ, শিল্পের অংশ, উত্তরাধিকার বা অর্থ দান করা। এটি আপনার স্থানীয় জাদুঘরকে সমর্থন করার এবং ভবিষ্যত প্রজন্মেররাও এটি উপভোগ করতে সক্ষম হবে তা নিশ্চিত করার একটি দুর্দান্ত উপায়।

আপনার যদি আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস উদযাপনের অন্য কোন পরিকল্পনা থাকে, যেমন একটি ইভেন্ট বা কর্মশালায় যোগদান করা, তবে আজ একটি জাদুঘর পরিদর্শন করা এবং একটি পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পরিদর্শন জাদুঘরের গুরুত্ব এবং সমাজে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে আপনার মন পরিবর্তন করতে পারে।

 

আন্তর্জাতিক যাদুঘর দিবস: ইতিহাস

 

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে 1977 সালে রাশিয়ার মস্কোতে ICOM সাধারণ পরিষদে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবসের ধারণাটি 1951 সালে মস্কোতে জাদুঘরের জন্য ক্রুসেডের বৈঠকের সময় প্রথম রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল। মিটিং, যা যাদুঘর এবং শিক্ষার থিমের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, যাদুঘর অ্যাক্সেসযোগ্যতার জন্য একটি কাঠামোর উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করে।

1977 সালে, কাঠামোটি ICOM সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়েছিল এবং 1979 সালে, ইভেন্টের প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার চালু করা হয়েছিল। “সাংস্কৃতিক পণ্যে অবৈধ ট্রাফিকের বিরুদ্ধে লড়াই” শিরোনামের পোস্টারটি 28 টি দেশ দ্বারা অভিযোজিত হয়েছে।

2011 সালে, ICOM আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবসের জন্য একটি ওয়েবসাইট এবং যোগাযোগ কিট তৈরি করেছে। এই উদ্যোগটি প্রথমবারের মতো চিহ্নিত করেছে যে ICOM ইউরোপীয়ান নাইট অফ মিউজিয়ামের পৃষ্ঠপোষক ছিল। ইভেন্টটি, যা প্রতি বছর 18 মে অনুষ্ঠিত হয়, যাদুঘরের কার্যকলাপে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং যাদুঘর সংস্কৃতি সম্পর্কে জনসাধারণের সচেতনতা উদযাপন করে।

 

Share This
Categories
নারী কথা

এক মায়ের সংগ্রামের কহানী।

এমন মায়ের সংগ্রাম আপনারা আগে শোনেননি। নিজের নয় বছরের মেয়েকে ঝকঝকে একটা ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পেট্রোল পাম্পে কাজ করছেন ২৭ বছরের মা। উপলক্ষ একটাই, মেয়ের শিক্ষা। বাঁকুড়ার তীব্র দাবদাহ, গনগনে আগুন ছুটেছে বেশ কিছুদিন। এবার পালা বৃষ্টির। তবে গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে প্রতিদিন বাসে করে বাঁকুড়া শহরের গোবিন্দনগর পেট্রোল পাম্পে কাজ করতে আসছেন টুম্পা সিংহ। মাঝে মাঝে এই পেট্রোল পাম্পেই মেয়েকে নিয়ে আসেন টুম্পা। এখানেই বসে পড়াশোনা করে টুম্পার কন্যা আয়ুশী সিংহ। কেন এই কাজ করছেন টুম্পা? একজন নারী হয়েও পেট্রোল পাম্পের চাকরি করছেন বলে কি সমাজের কাছে কোনও কথা শুনতে হয়েছে তাঁকে? উত্তরে টুম্পা বলেন, “বাড়িতে বাবা মা রয়েছেন, আয়ুশীকে বড় করে তোলাই আমার লক্ষ। কষ্ট হলেও আমাকে কাজ করতে হবে। সবাই মোটামুটি মুখ চেনা হয়ে গেছে, মানুষ আমার কাজকে ছোট না করে বরঞ্চ উৎসাহ যোগায়।”

পেট্রোল পাম্প এর ওনার নিবেদিতা বিশ্বাস জানান, টুম্পার বাড়িতে তার বাবার দোকান থেকে যা আয় হয় তাতে খাবার খরচই ভাল ভাবে যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই মেয়েকে পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষ করার জন্য টুম্পা কাজের সন্ধানে আসেন এই পেট্রোল পাম্পে। তার পর থেকেই কাজ শুরু করেছেন টুম্পা। পেট্রোল পাম্পের ওনার নিবেদিতা বিশ্বাস আরও বলেন যে, “আমি এই ফাইটিং স্পিরিটটাকে কুর্নিশ জানাই।”

একজন মা পেট্রোল পাম্পে কাজ করছেন। সেই ছবি যেন আরও বেশি করে অনুপ্রেরণা যোগায় মহিলাদের। প্রায় নিয়মিত গোবিন্দনগর এলাকার এই পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজের নার্সিং স্টাফ নিবেদিতা খাঁ। তিনি বলেন, “এত প্রতিকূলতার মধ্যেও জীবন যুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন এই দিদি। এই লড়াই সত্যিই অপ্রিসিয়েবেল।” এছাড়াও পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা আরও এক স্থানীয় বাসিন্দা ভানু বিশ্বাস বলেন, “পৃথিবীতে এর উদাহরণ বিরল। একজন মা তার সন্তানকে শিক্ষিত করতে যে কাজ করছে এরকম আর কোথাও হয়নি।”
বাঁকুড়ার টুম্পা সিংহ যেন সেই সব মেয়েরই জলন্ত উদাহরণ।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৪ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৪ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩১৬ – চতুর্থ চার্লস, পবিত্র রোমান সম্রাট, হাউজ অফ লুক্সেমবার্গ থেকে বোহেমিয়ার দ্বিতীয় রাজা।

১৭৭১ – রবার্ট ওয়েন, ব্রিটিশ সমাজ সংস্কারক এবং কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৮৪৯ – ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও সাহিত্যিকে।

১৮৬৩ – জন চার্লস ফিল্ডস, কানাডীয় গণিতবিদ এবং ফিল্ডস পদক এর প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৯২ – অগ্নিযুগের বিপ্লবী, যুগান্তর দলের নেতা ও শ্ৰীসরস্বতী প্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অরুণ চন্দ্র গুহ।

১৯০০ – কানাডার কবি রবার্ট পিঙ্ক।

১৯০৭ – আইয়ুব খান, পাকিস্তানি সেনাপতি ও রাষ্ট্রপতি।

১৯১০ – কেন ভিলজোয়েন, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯১০ – নে উইন, বার্মার (বর্তমান – মায়ানমার) বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সামরিক কমান্ডার ছিলেন।

 

১৯২৩ – মৃণাল সেন, বাঙালী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং লেখক।

 

১৯৪৪ – জর্জ লুকাস, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯৪৮ – বব উলমার, আন্তর্জাতিক ইংরেজ ক্রিকেট তারকা, পেশাদার ক্রিকেট কোচ ও ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার।

১৯৫২ – রবার্ট জেমেকিস, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং লেখক।

 

১৯৫৫ – পিটার কার্স্টেন, সাবেক ও প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৫৯ – কার্লাইল বেস্ট, বার্বাডীয় বংশোদ্ভূত সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৬৯ – কেট ব্লানচেট, অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী ও নাট্য নির্দেশক।

১৯৮৩ – তাতেন্দা তাইবু, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৮৪ – মার্ক জাকারবার্গ, জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৮৫ – জ্যাক রাইডার (কুস্তিগির), মার্কিন পেশাদার কুস্তিগির।

১৯৯৩ – মিরান্ডা কসগ্রভ, আমেরিকান অভিনেত্রী এবং গায়িকা।

১৯৯৪ – মারকিনয়োস, ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবলার।

১৯৯৬ – মার্টিন গ্যারিক্স, ডাচ ডিজে, রেকর্ড প্রযোজক এবং গায়ক।

 

১৯৯৭ – মানুষী ছিল্লার, ভারতীয় মডেল এবং মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ এর বিজয়ী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৭৫ – এ্যাংগোলা পোর্তুগীজ ঔপনিবেশিক শক্তি দখল করে নেয়।

১৬৪৩ – চতুর্দশ লুই মাত্র চার বছর বয়সে ফ্রান্সের সম্রাট হন।

১৭৯৬ – এডওয়ার্ড জেনার পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দানের ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেন।

১৮১১ – স্পেনের শাসন থেকে প্যারাগুয়ে মুক্তি লাভ করে।

১৮১১ – প্যারাগুয়ের স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৮৪২ – ইলাস্ট্রেটেড লন্ডন নিউজ প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়।

১৮৮৯ – লন্ডনে শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ সংস্থার উদ্বোধন হয়।

১৯১৩ – নিউ ইয়র্কের গভর্নর উইলিয়াম সুলজার রকফেলার ফাউন্ডেশনের তহবিল অনুমোদন করেন। যার হিসাব শুরু হয় জন ডি রকফেলারের ১০০ মিলিয়ন ডলার অনুদানের অর্থ দিয়ে।

১৯২৫ – ভার্জিনিয়া উলফ্-এর উপন্যাস ‘মিসেস ডলওয়ে’ প্রকাশিত হয়।

১৯৩৯ – লিনা মেডিনা চিকিৎসা ইতিহাসের সবচেয়ে কনিষ্ঠ মা হিসেবে চিহ্নিত হন। যার বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর।

১৯৪৮ – সর্বশেষ ব্রিটিশ সেনাদল ফিলিস্তিন ছাড়লে ইজরায়েল স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

১৯৫০ – ওয়ারস চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৫৪ – আদমজী পাটকলে বাঙালী ও অবাঙালী শ্রমিকদের মধ্যে দাঙ্গা সংঘটিত হয়।

১৯৫৫ – সোভিয়েত রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে ওয়ার শ’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৫ – চীন তার দ্বিতীয় আণবিক বোমার বিস্ফারণ ঘটায়।

১৯৭৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক স্কাইল্যাব উৎক্ষেপণ।

১৯৭৬ – ইংল্যান্ডের ক্রীড়ামন্ত্রী রডেশীয় ক্রিকেট দলের ইংল্যান্ড সফর নিষিদ্ধ করেন।

২০১৮ – আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম টেস্টে তাদের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম শতক করেন কেভিন ও’ব্রায়ান

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১২ – অগুস্ত স্ত্রিন্দবারি, সুয়েডীয় নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও চিত্রশিল্পী।

১৯২৫ – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড, বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

১৯৪০ – এমা গোল্ডম্যান, নৈরাজ্যবাদী রাশিয়ান লেখক।

১৯৪৩ – অঁরি লা ফোঁতেন, বেলজীয় আইনজীবী এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ব্যুরোর প্রধান।

 

১৯৭২ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।

 

১৯৮৭ – রিটা হেওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেত্রী ও নর্তকী।

 

১৯৯৫ – ক্রিস্টিয়ান ব. আনফিন্সেন, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

১৯৯৮ – ফ্রাঙ্ক সিনাত্রা, মার্কিন গায়ক ও অভিনেতা।

 

১৯৯৮ – শওকত ওসমান, বাঙালি কথাসাহিত্যিক এবং প্রাবন্ধিক।

২০০১ – গিল ল্যাংলি, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

২০০৩ – ওয়েন্ডি হিলার, ইংরেজ অভিনেত্রী।

 

২০২০ – (ক)  আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক।

(খ) ড. খালিদ মাহমুদ, পাকিস্তানি বিচারক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

 

(গ) দেবেশ রায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

২০২২ – অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
কবিতা

চির তরুণী : রাণু সরকার।।

ঊর্ধ্বে অসীম আকাশকুসুম-
প্রকৃত প্রেমের পাত্র,
নিম্নে বিপুলায়তন ভূখণ্ড-
যেন মনে হয় চির তরুণী
এক রমনী,
বহুদূরের অতীত থেকে নিগড়
প্রেমনদীর দিশেহারা ভাব,
আঁধারে চলে তাদের দুর্দমনীয়
রসজনিত শৃঙ্গার,
তখন ধরিত্রী হয়
রজঃস্বলা-
নিঃশব্দে অন্যের অলক্ষ্যে
অঙ্গবিক্ষেপ করে গোপনে।

তখন ধরাধাম বৃষ্টিমুখর–
তাদের যৌনমিলনে
গড়ে ওঠে প্রাণিজগৎ,
সৃষ্ট হয় জীবজগতের ধারণকারী মেদিনী-
তিনি হলেন পালিকা ধরিত্রী মাতা।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার আক্রমণ থেকে শহীদি: রজত সেনের বীরত্বের কাহিনী।।

রজত কুমার সেন ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একজন বিশিষ্ট বিপ্লবী নেতা। ব্রিটিশ আধিপত্য থেকে ভারতের রাজনৈতিক মুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রমাণ তাঁর অবদান। ভারতীয় উপমহাদেশে বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবী সংগ্রাম, যা ভারতের স্বাধীনতার দিকে পরিচালিত করেছিল, রজত কুমার সেনকে সেই স্বীকৃত বিপ্লবীদের মধ্যে একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা হয়েছিল।

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে একজন শহীদ হিসেবে সেনকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়। ১৯১৩ সালে চট্টগ্রামে, তার পিতার নাম ছিল রঞ্জন লাল সেন। তিনি গোপন বিপ্লবী দল ‘ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মির’ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৮ এপ্রিল, ১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার আক্রমণে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এর পরে, ২২ এপ্রিল, সেন জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধে বিজয়ী বাহিনীর অংশ ছিলেন। ৬ মে, তিনি, পাঁচজন কমরেডের সাথে, চট্টগ্রামের ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণের চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু কঠোর নিরাপত্তা দেখে নিজের বাড়িতে ফিরে যান। তবে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে এবং গ্রামবাসীদের ডাকাত আখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করে।

পুলিশ তাড়া করে, সেন এবং তার দল জুলধা গ্রামে আশ্রয় নেয়, যেখানে একটি ভয়ঙ্কর অগ্নিসংযোগ হয়। যখন তাদের গোলাবারুদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখন তারা ঘৃণ্য শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ না করে একে অপরের দিকে বন্দুক ঘুরিয়ে শাহাদাত বরণ করতে বেছে নেয়। এই প্রতিবাদে রজত সেন শহীদ হন। তাঁর পাশাপাশি স্বদেশ রায়, মনোরঞ্জন সেন, দেবপ্রসাদ গুপ্তও প্রাণ দিয়েছেন। জুলধায় আশ্রয় নেওয়ার আগে, তাদের দুই কমরেড, সুবোধ চৌধুরী এবং ফণীন্দ্র নন্দী, পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।

১৯৩০ সালের ৬ মে রজত কুমার সেনের আত্মত্যাগ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি মর্মান্তিক অধ্যায় হিসাবে রয়ে গেছে। তার গল্প শুধু সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগের নয় বরং নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সম্মিলিত চেতনার প্রতিফলন যা অবশেষে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে ভারতের স্বাধীনতার দিকে পরিচালিত করে।

Share This